NIVEA MEN
Welcome to NIVEA MEN Bangladesh fan page. This is the place for NIVEA MEN Bangladesh
giveaways, contests, news and more.
The Tears of Gaza | গাজার কান্না | Social Awareness Short Film | By Sapan Ahamed
Dammam sea beach.
পরিপূর্ণ তৃপ্তি নিয়ে কুঁড়ে ঘরে থাকাও ভালো, অতৃপ্তি নিয়ে বিরাট অট্টালিকায় থাকার কোন সার্থকতা নেই।
- উলিয়ামস হেডস
সবাইকে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা, শুভ নববর্ষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ। 🌺🏵️🌼
Wonderful weather in Dammam, KSA 🥰😍
Nice Hindi Songs 😍
Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars – they help me earn money to keep making content that you love.
Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars.
25/06/2023
হেল্প পোস্ট, আশা করি সকলের উপকারে আসবে...
আপনার কি সার্টিফিকেট কিংবা জরুরী কাগজ/ডকুমেন্টস, হারিয়েছে/পুড়ে গেছে?
সার্টিফিকেট, মার্কশিট, রেজিঃ কার্ড, এডমিট কার্ড, ন্যাশনাল আইডি (ভোটার আইডি কার্ড), পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, বীমা পত্র সহ সকল জরুরী কাগজপত্র হারানো, পুড়ে যাওয়া, নষ্ট হওয়া কিংবা নাম সংশোধনী, এফিডেভিট, হলফনামা, নিখোঁজ সংবাদ, সন্ধান চাই, লিগ্যাল নোটিশ, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি সহ সকল বিজ্ঞাপন আপনার এলাকার (আঞ্চলিক পত্রিকা) কিংবা দেশের জাতীয় সকল পত্রিকার বিজ্ঞাপন গ্রহন করা হয়। বিস্তারিত যোগাযোগ (পারভেজ): 01914906967, 01816665888 (WhatsApp)
13/05/2021
Eid Mubarak - ঈদ মোবারক, সবাইকে ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা 🕌🌙🎉💐🌙🎊🤲
21/08/2020
কেউ মিস করবেন না।
Someone named Al Kobirul Mamun shared this on Facebook:
একজন ডাক্তার বাংলাদেশে প্রাইভেট হাসপাতালের চাকরি ছেড়ে কানাডায় গিয়ে একটি ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে সেলসম্যান হিসাবে যোগ দিলেন ।
স্টোরের মালিক জিজ্ঞেস করলেন- তোমার কোনো অভিজ্ঞতা আছে?
তিনি জানালেন- আমি দেশে একজন ডাক্তার হিসেবে পরিচিত ছিলাম ।
চাকরির প্রথম দিনে তিনি খুব মনোযোগ দিয়ে কাজ করলেন । সন্ধ্যে ছ’টায় ছুটির সময় বস তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন- আজ তুমি ক’জন ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি করেছ?
তিনি উত্তর দিলেন- আমি আজ সারাদিনে একজন ক্রেতার কাছে বিক্রি করেছি।
মালিক আশ্চর্য হয়ে বললেন- মাত্র একজন? এখানকার প্রত্যেক সেলসম্যান দিনে ২০ থেকে ৩০ জন ক্রেতার কাছে পণ্য বিক্রি করে। তা তুমি কত ডলারের পণ্য বিক্রি করেছ?
তিনি বললেন- ৯৮,৭৬,৫৪৩ পাউন্ড ।
বস অবাক হয়ে বললেন- কী! এটা তুমি কিভাবে করলে?
তিনি বললেন- ওই ক্রেতার কাছে প্রথমে মাছ ধরার একটি ছোট্ট বড়শি বিক্রি করেছি । তারপর একটি বড় ও একটি মাঝারি বড়শি বিক্রি করলাম। এরপর একটি বড় ফিসিং রড আর কয়েকটি ফিসিং গিয়ার বিক্রি করলাম। তারপর আমি তাকে প্রশ্ন করলাম- আপনি কোথায় মাছ ধরবেন? তিনি বললেন- তিনি সমুদ্র তীরবর্তী এলাকায় মাছ ধরবেন। তখন আমি তাকে বললাম- তাহলে তো আপনার একটি নৌকার প্রয়োজন হবে। আমি তাকে নিচতলায় নৌকার ডিপার্টমেন্টে নিয়ে গেলাম। ভদ্রলোক সেখান থেকে কুড়ি ফুট দীর্ঘ দুই ইঞ্জিন-বিশিষ্ট নৌকা কিনলেন। এরপর আমি তাকে বললাম- এই নৌকাটি তো আপনার ভক্সওয়াগন গাড়িতে ধরবে না, একটা বড় গাড়ির প্রয়োজন! আমি ভদ্রলোককে অটোমোবাইল ডিপার্টমেন্টে নিয়ে গেলাম। আমার পরামর্শে তিনি নৌকাটি বহন করার উপযোগী একটি গাড়ি বুকিং দিলেন। তারপর আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম- মাছ ধরার সময় কোথায় থাকবেন? তিনি জানালেন- এ বিষয়ে কোনো পরিকল্পনা করেননি। আমি তাকে ক্যাম্পিং ডিপার্টমেন্টে নিয়ে গেলাম। তিনি আমার পরামর্শ মতো ছ’জন লোক ঘুমানোর উপযুক্ত একটি ক্যাম্প তাঁবু কিনলেন। সবশেষে আমি তাঁকে বোঝালাম- আপনি যখন এতোকিছু কিনেছেন, এখন কিছু খাবার ও পানীয় কিনে নেওয়া উচিত। ভদ্রলোক দু’শ’ ডলার দিয়ে কিছু মুদি-দ্রব্য ও দু’ কেইস বিয়ার কিনলেন!
এবারে স্টোরের মালিক একটু দমে গিয়ে বিস্ময়ের সঙ্গে বলে উঠলেন- যে লোকটা একটি বড়শি কিনতে এসেছিল, তুমি তাকে দিয়ে এতোকিছু কেনালে!
ডাক্তার ভদ্রলোক বললেন- না স্যার, ওই ভদ্রলোক শুধুমাত্র মাথাব্যথার ওষুধ কিনতে এসেছিলেন। আমি তাঁকে বোঝালাম- মাছ ধরলে মাথাব্যথার উপশম হবে।
স্টোরের মালিক এবারে জানতে চাইলেন- এর আগে তুমি কী কাজ করতে?
তিনি বললেন- আমি বাংলাদেশে একটি প্রাইভেট হাসপাতালের ডাক্তার ছিলাম। দরকার না হলেও তখন রোগীদেরকে নানা ধরনের প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা, ইকো, ইসিজি, সিটি স্ক্যান,এক্সরে, এম.আর.আই ইত্যাদি পরীক্ষা করানোর পরামর্শ দিতাম।
স্টোরের মালিক বললেন- তুমিএখন থেকে আমার চেয়ারেই বসবে আর আমি তোমার দেশে গিয়ে প্রাইভেট হাসপাতালে ট্রেনিং নিয়ে আসব...!
"মিরপুরে করোনায় আক্রান্ত হয়ে যে ব্যক্তি আজ মারা গিয়েছেন, তিনি কিংবা তার পরিবারের কেউই বিদেশ থেকে আসেন নি ... তিনি অসুস্থ হয়ে কল্যাণপুরে চিকিৎসা নিতে যান গত মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২০ তারিখে !!
সেখানের ডাক্তার তাকে মিরপুরের হাসপাতালে পাঠান ... শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে দেখে ডাক্তার করোনার আশঙ্কায় ঐ ব্যক্তিকে করোনার টেস্ট করতে বলেন !!
করোনার টেস্ট করার একমাত্র জায়গা IEDCR এ যোগাযোগ করা হলে তারা বরাবরের মতই বলে, রোগী বিদেশফেরত না, তাই তার টেস্ট করা যাবে না ... সরকারের অনেক উচ্চপদস্থ লোকের তদবিরের পর তার টেস্ট করা হয় এবং দেখা যায়, করোনা পজিটিভ তার !!
এবার একটু চিন্তা করেন ... ১৭ মার্চ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত সেই ব্যক্তি করোনা নিয়ে কত জায়গায় গিয়েছেন ... বাজার, মসজিদ, হাসপাতাল, বাসা - আমার মনে হয় না কোন জায়গা বাদ আছে !!
তার পরিবার, তার বিল্ডিং এর মানুষ, তার আশেপাশের সব মানুষ, তাকে ট্রিটমেন্ট দেয়া হাসপাতালের নার্স-ডাক্তার-ওয়ার্ডবয় ... কত জায়গায় এই ভাইরাস ছড়িয়ে গিয়েছে - কোন ধারণাই নেই আমাদের ... সেই মানুষগুলোই আবার কত জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে, তার হিসেব নেই !!
তিনিও একজন Random মানুষের কাছ থেকেই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ... সেই মানুষ কোথায়? ... তার আশেপাশের মানুষ কোথায়?
আমরা আসলে ভাবতেও পারছি না কতটা ভয়াবহ অবস্থা চারপাশে ... চায়ের দোকানে যে কাপে চা খাচ্ছেন, সেই কাপটা হয়তো ভাইরাসে আক্রান্ত কেউ স্পর্শ করে গেছে ... যে পলিথিনের ব্যাগ হাতে ধরে বাজার নিয়ে আসছেন বাসায়, যে সিড়ির রেলিং ধরে হাঁটছেন, যে লিফটের বাটন প্রেস করছেন - You never know ... You never know how you're being affected !!
আজকে World Health Organization (WHO) এর প্রতিনিধি এসে আমাদের মেয়র সাঈদ খোকনকে অনুরোধ করে গেছেন যেন বাংলাদেশকে ইমিডিয়েটলি লকডাউন করা হয় ... এখনই লকডাউন না করা হলে ভয়াবহ অবস্থা হতে পারে - এটা বুঝার জন্য কমন সেন্স বাদে আর কিছুই লাগে না !!
আমি জানি না, ঠিক কিভাবে চিৎকার করে অনুরোধ করলে সেই চিৎকার সরকারের কান পর্যন্ত পৌঁছাবে ... আমি জানি না, ঠিক কতগুলো মৃত্যুর খবর কানে আসলে এই দেশের মানুষ একটু ভয় পাবে, একটু সচেতন হবে !!
আমরা ভালো নেই, আমরা নিরাপদে নেই ... এই মুহুর্তে হয়তো খালি চোখে দেখতে পাচ্ছি না ... কিন্তু আমরা আসলেই ভালো নেই !!"
Coppied from :-
Click here to claim your Sponsored Listing.
