Abdul Mamin

Abdul Mamin

Share

পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তন করতে চাই।

10/01/2026

ভুল করে টিকটিকি পড়া খাবার খেয়ে ফেললে তাৎক্ষণিক করণীয় ও জরুরি চিকিৎসা পদ্ধতি

খাবারের মাধ্যমে শরীরে বিষক্রিয়া ছড়িয়ে পড়া মানেই হলো জীবন ও মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে থাকা যা আপনাকে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই অচল করে দিতে পারে। বিশেষ করে টিকটিকির মতো প্রাণীর সংস্পর্শে আসা খাবার আপনার পরিপাকতন্ত্রকে চিরতরে পঙ্গু করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এই পরিস্থিতি সময়মতো সামলানো না গেলে তীব্র বমি ও রক্তচাপ কমে গিয়ে আপনি বড় ধরণের বিপদের মুখে পড়তে পারেন।

কিন্তু ঘাবড়ে না গিয়ে মাত্র কয়েকটি জরুরি পদক্ষেপ আপনার প্রাণ বাঁচাতে এবং শরীরের বিষ ধুয়ে বের করে দিতে জাদুর মতো কাজ করবে। কোনো বিশেষ সরঞ্জাম ছাড়াই আপনার হাতের কাছে থাকা ঘরোয়া কিছু উপায় এই চরম সংকটে আপনার প্রধান রক্ষাকবচ হয়ে উঠতে পারে। এই তাৎক্ষণিক প্রাথমিক চিকিৎসা আপনার পরিপাকতন্ত্রকে বিষমুক্ত করে আপনাকে অকাল মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করার অলৌকিক ক্ষমতা রাখে।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফুড সেফটি গাইডলাইন অনুযায়ী টিকটিকির মল বা লালায় থাকা সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়া তীব্র খাদ্য বিষক্রিয়া বা টক্সিসিটি তৈরি করে। এই ব্যাকটেরিয়া দ্রুত রক্তে মিশে গিয়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় এবং লিভারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। গবেষণার নির্দেশিকা অনুযায়ী এমন দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে প্রচুর পরিমাণে কুসুম গরম পানি পান করে বমি করার চেষ্টা করা এবং দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া বাধ্যতামূলক।

এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে বাঁচতে রান্নার জায়গা সবসময় পরিষ্কার রাখা এবং খাবার ঢেকে রাখার কঠোর নিয়ম মেনে চলুন। যদি ভুলবশত বিষাক্ত খাবার খেয়েই ফেলেন তবে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকুন এবং শরীরে পানির অভাব মেটাতে স্যালাইন বা বিশুদ্ধ পানি পান করতে থাকুন। এই সচেতনতা আপনাকে জটিল সংক্রমণ থেকে দূরে রাখবে এবং আপনার জীবনকে বড় ধরণের কোনো দুর্ঘটনা থেকে সম্পূর্ণ নিরাপদ রাখবে।

সুস্থ জীবন যাপন করা আপনার পবিত্র দায়িত্ব তাই ছোটখাটো অসাবধানতাকে কখনোই হালকাভাবে নেবেন না। আপনার তাৎক্ষণিক বুদ্ধিমত্তা এবং সঠিক প্রাথমিক চিকিৎসা আপনাকে একটি ভয়ংকর পরিস্থিতি থেকে রক্ষা করে সুস্থ জীবনের দিশা দিতে পারে। সচেতন হোন এবং অন্যের জীবন বাঁচাতে এই প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো ছড়িয়ে দিয়ে এক নিরাপদ সমাজ গড়ার পথে ভূমিকা রাখুন।

10/01/2026

যিনার ধারে কাছেও যেও না: কুরআন ও হাদিসের কঠোর সতর্কবার্তা
ইসলাম মানুষের চরিত্র, লজ্জা ও পবিত্রতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে। যেসব গুনাহ মানুষের নৈতিকতা ধ্বংস করে দেয়, যিনার গুনাহ তার মধ্যে অন্যতম। যিনা শুধু একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়; এটি সমাজ, পরিবার এবং ঈমান—সবকিছুকে ধ্বংস করে দেয়। কুরআন ও সহিহ হাদিসে যিনার ভয়াবহ পরিণতি বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে মানুষ এই ধ্বংসাত্মক গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে।

যিনা কী? শুধু অবৈধ শারীরিক সম্পর্কই কি যিনা?

অনেকেই মনে করে, কেবল বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কই যিনা। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে যিনার অর্থ অনেক ব্যাপক। হাদিসের ভাষায় যিনা বহু স্তরে বিভক্ত, এবং এর সূচনা হয় অন্তর ও দৃষ্টির গুনাহ দিয়ে। মূল যিনায় পৌঁছানোর আগেই মানুষ ধাপে ধাপে বিভিন্ন প্রকার যিনায় লিপ্ত হয়ে পড়ে।

হাদিস অনুযায়ী যিনার বিভিন্ন প্রকার

রাসূলুল্লাহ ﷺ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমেও যিনা সংঘটিত হয়। বেগানা নারী বা পুরুষের প্রতি কুদৃষ্টি দেওয়া হলো চোখের যিনা। যৌনতা সম্পর্কিত অশ্লীল কথাবার্তা বলা বা শোনা হলো জিহ্বা ও কানের যিনা। বিবাহ ছাড়াই কাউকে স্পর্শ করা হাতের যিনা। ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা। এমনকি যিনার কল্পনা করা, আকাঙ্ক্ষা পোষণ করা—এগুলো মনের যিনা। শেষ পর্যন্ত লজ্জাস্থান হয় এই সব কিছুকে বাস্তবে পূর্ণতা দেয়, অথবা তা থেকে বিরত থাকে।
— (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ)

আমাদের ভয়ংকর ভুল ধারণা

দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা যিনার এই সব প্রাথমিক স্তরকে গুনাহই মনে করি না। আমরা শুধু শেষ ধাপকেই যিনা বলে থাকি। অথচ চোখের দৃষ্টি, কথাবার্তা, চলাফেরা এবং কল্পনার মাধ্যমেই শয়তান ধীরে ধীরে মানুষকে মূল যিনার দিকে নিয়ে যায়। আত্মসমালোচনা করে দেখা উচিত—আমরা কি এসবের কোনো একটির সাথেও জড়িত নই?

যিনা স্পষ্ট হারাম—কুরআনের ঘোষণা

আল্লাহ তাআলা যিনাকে শুধু হারামই করেননি, বরং এর ধারের কাছেও যেতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন—
“তোমরা যিনার কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট পথ।”
— (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত: ৩২)

এই আয়াত প্রমাণ করে, যিনার দিকে নিয়ে যায়—এমন সব রাস্তা, পরিবেশ ও সম্পর্ক থেকেও দূরে থাকা ফরজ।

যিনার ভয়াবহ শাস্তি: নবী ﷺ–এর স্বপ্ন

রাসূলুল্লাহ ﷺ এক ভয়ংকর স্বপ্নের বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি একটি চুলা সদৃশ গর্ত দেখেছেন, যার নিচে আগুন জ্বলছিল এবং ভেতরে নগ্ন নারী-পুরুষ চিৎকার করছিল। আগুনের শিখা উঠলে তারাও উপরে উঠে আসছিল, আর আগুন কমলে আবার নিচে নেমে যাচ্ছিল। এ অবস্থা চলতেই থাকছিল। যখন তিনি জিবরাইল (আ.)–কে জিজ্ঞেস করলেন, এরা কারা—তখন উত্তর দেওয়া হলো, এরা হলো অবৈধ যৌনাচারকারী নারী ও পুরুষ।
— (সহিহ বুখারি)

যিনাকারীর দুর্গন্ধে জাহান্নামবাসী অতিষ্ঠ হবে

হাদিসে আরও এসেছে, যিনাকারীর লজ্জাস্থান থেকে এমন দুর্গন্ধ বের হবে, যা সহ্য করতে না পেরে জাহান্নামবাসীরাও অস্থির হয়ে উঠবে। তাদের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য দেওয়া হবে পচা, দুর্গন্ধযুক্ত পানীয়। এটি কেবল শাস্তি নয়; বরং দুনিয়ায় গোপনে করা পাপের প্রকাশ্য লাঞ্ছনা।

আমাদের করণীয়

আজ সমাজে প্রেমিক-প্রেমিকা নামে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে স্বাভাবিক বানিয়ে ফেলা হয়েছে, অথচ এসব সম্পর্কই যিনার দিকে নিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় দরজা। একজন মুমিনের উচিত দৃষ্টি সংযত করা, কথাবার্তায় পবিত্রতা বজায় রাখা, অশ্লীল পরিবেশ ও সম্পর্ক থেকে দূরে থাকা এবং হালাল বিবাহের পথে অগ্রসর হওয়া।

উপসংহার ও দোয়া

যিনা শুধু একটি গুনাহ নয়, এটি ঈমানকে ধ্বংস করার এক ভয়ংকর পথ। তাই যিনার প্রতিটি স্তর থেকে নিজেকে রক্ষা করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে প্রকাশ্য ও গোপন সব ধরনের গুনাহ থেকে হেফাজত করুন, চোখ, মন ও অন্তরকে পবিত্র রাখার তাওফিক দান করুন—আমিন।

Photos from Abdul Mamin's post 10/01/2026
09/01/2026

আমার লিস্টে অসংখ্য হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষ আছেন। তাঁদের অনেকের সাথেই আমার ভালো সম্পর্কও আছে। এই পোস্টটা শুধু আপনাদের জন্য। আপনাদের কি সত্যিই বাংলাদেশে থাকার জন্য জিজিয়া কর দিতে হচ্ছে? যারা জানেন না তাদের জন্য, জিজিয়া কর হচ্ছে ইসলামি রাষ্ট্রে বসবাসকারী অমুসলিম নাগরিকদের উপর ধার্যকৃত একটি বার্ষিক কর, যেই টাকার বিনিময়ে তাদেরকে ধর্ম পালনের অনুমতি দেয়া হয়। জিজিয়া কর ছাড়া অমুসলিমগণ তাদের কোন ধর্মকর্ম করতে পারে না। কোন রকম শিক্ষা, চিকিৎসা কিছুই পাবার অধিকার পায় না।

প্রায় সকল ভারতীয় মিডিয়ায় প্রচার করা হচ্ছে বাংলাদেশে জিজিয়া কর নেয়া হয় হিন্দুদের থেকে। বাংলাদেশের অবস্থা এখন ১৯৭১ এর চেয়েও খারাপ, দিনে শত শত হিন্দু খুঁজে খুঁজে মারা হচ্ছে, অবর্ননীয় অত্যাচার চলছে, হিন্দুগণ নাগরিক হিসেবে বিন্দুমাত্র কোন সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না।

ভারতীয় মিডিয়ার সাথে আপনারা একমত? আমি দিপু দাস এর কথা মাথায় রেখেই প্রশ্নটা করেছি।।।

এবং, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের চেয়ে জঘন্য আর নিকৃষ্টতম কোন সংবাদমাধ্যম এই পৃথিবীতে এগজিস্ট করে বলে মনে হয় আপনাদের???

08/01/2026

একদা হযরত ঈসা (আ.) একটি কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি আল্লাহর হুকুমে কবরের এক মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করলেন। লোকটি কবরের মাটি ঝেড়ে উঠে দাঁড়াল। (উল্লেখ্য, হযরত ঈসা (আ.)-এর অন্যতম প্রধান মুজেযা (অলৌকিক ক্ষমতা) ছিল, তিনি মহান আল্লাহর হুকুমে মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করতে পারতেন। )

হযরত ঈসা (আ.) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, "দুনিয়াতে তোমার কাজ কী ছিল?"

লোকটি উত্তর দিল, "হে আল্লাহর নবী! আমি একজন কুলি ছিলাম। মানুষের বোঝা মাথায় বহন করতাম এবং তা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করতাম। আমার জীবনটি খুব সাধারণ ছিল।"

হযরত ঈসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, "তবে তোমার কবরের অবস্থা কী? তোমার হিসাব-নিকাশ কেমন চলছে?"

লোকটি কাঁদতে কাঁদতে বলল,

"একবার আমি এক ব্যক্তির এক বোঝা লাকড়ি (জ্বালানি কাঠ) মাথায় করে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছিলাম। পথিমধ্যে আমার দাঁতের ফাঁকে কিছু একটা আটকে গিয়েছিল। আমি মালিকের অজান্তেই সেই লাকড়ির বোঝা থেকে একটি ছোট্ট কাঠি (খিলাল হিসেবে ব্যবহারের জন্য) ভেঙে নিলাম এবং তা দিয়ে দাঁত খিলাল করলাম।

এরপর যখন আমার মৃত্যু হলো, আল্লাহ তা’আলা আমাকে বললেন, 'হে আমার বান্দা! তুমি কি জানতে না যে আমি তোমাকে আজ এই হিসাবের কাঠগড়ায় দাঁড় করাব? অমুক ব্যক্তি তার টাকা দিয়ে কাঠ কিনেছিল এবং তোমাকে মজুরি দিয়েছিল তা বয়ে নেওয়ার জন্য। তুমি সেই মালিকের অনুমতি ছাড়া কেন একটি কাঠি ভেঙে নিলে?'

হে আল্লাহর নবী! আল্লাহর কসম, আমি আজ ৪০ বছর ধরে এই একটিমাত্র খড়কুটোর হিসাব দিয়ে যাচ্ছি কিন্তু আজও মুক্তি পাইনি! দয়া করে আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করুন।"

আমরা অনেক সময় অন্যের অতি ক্ষুদ্র জিনিস অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করি। আমরা একে খুব তুচ্ছ মনে করি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আল্লাহর কাছে ‘আমানত’ অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। অন্যের হক যদি একটি খড়কুটোর সমপরিমাণও হয়, তবুও পরকালে তার কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হবে।

সূত্র: আয যাহরুল ফাইহ (ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.)

(সংগৃহিত পোস্ট)

07/01/2026

আপনি সারাজীবনে যে কয়টা কাজ করেও তেমন কোনো রেজাল্ট পান না, যে কাজগুলো না করলেও তেমন ক্ষতি হত না, যে কাজগুলোর দিনশেষে তেমন কোনো মূল্য নেই, সে কয়েকটা কাজের একটা হচ্ছে মানুষকে খুশি করতে চাওয়া৷ মানুষকে খুশি করতে গিয়ে সময় নষ্ট করবেন না। তারা সামনে প্রশংসা করে, পেছনে বদনাম করে। আজ সব ঠিকঠাক থাকলে ভালো বলে, কাল আবার খারাপ বলে। সবাইকে খুশি করাটা আপনার জীবনের লক্ষ্য না। এটা আপনার জীবনের উদ্দেশ্যেও না। এটার জন্য আপনার জন্ম হয়নি৷ অথচ আজীবন আপনি সবাইকে খুশি করার পেছনেই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়টা নষ্ট করছেন। দিনশেষে আপনি শুধু এটুকু নিশ্চিত করার চেষ্টা করবেন, আজ সারাদিনে আপনার দ্বারা একজনেরও ক্ষতি হয়নি। That's enough!

07/01/2026

চীনে এক গর্ভবতী নারী সন্তান জন্মের আগে
অপা'রেশন থিয়ে'টারে বসে মেকআপ করছেন, যা ভাইরা'ল হয়ে বিত'র্ক সৃষ্টি করেছে। তিনি ফাউন্ডেশন। আইলাইনার এবং হ'ইলাইটার ব্যবহার করছেন।
যাতে, বাচ্চার সঙ্গে তোলা সেল'ফিতে তার ছবি ভালো দেখায়। ভিডিওতে চিকিৎসক এবং নার্স পাশে বসে আছেন,
কিন্তু নারীর মেকআপের কারণে তারা কিছুটা বির'ক্ত।
অনেকে সমা'লোচনা করেছেন, কারণ প্রস'বের সময় শারী'রিক পর্যবেক্ষণ জরুরি। আবার কেউ কেউ বলেন, এটি নতুন মায়ের আত্মবি'শ্বাসের প্রতীক। এই ঘটনা চীনের সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। 🙂

07/01/2026

১. জোরে বকা বা চিৎকার করা
এই বয়সের বাচ্চা এখনো বুঝতে পারে না কেন তাকে বকা হচ্ছে। জোরে আওয়াজ শুনলেই সে ভয় পায়, শরীর কেঁপে ওঠে। তার মনে হয় বাবা–মা রেগে গেলে সে আর নিরাপদ নয়। এই ভয় ধীরে ধীরে তাকে চুপচাপ, ভীতু বা অতিরিক্ত জেদি করে তুলতে পারে।

২. সবার সামনে বকা দেওয়া
৪/৫ বছরের বাচ্চারও সম্মানবোধ থাকে। অন্যদের সামনে বকা দিলে সে অপমানিত বোধ করে, লজ্জা পায়। এরপর সে মানুষের সামনে কথা বলতে ভয় পেতে শুরু করে এবং নিজের অনুভূতি লুকাতে শেখে।

৩. ভয় দেখানো
“পুলিশ ধরে নিয়ে যাবে”, “ডাক্তার ইনজেকশন দেবে”—এমন কথা বাচ্চার কল্পনায় ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। এই ভয় রাতে ঘুমে, একা থাকতে বা নতুন জায়গায় যেতে সমস্যা তৈরি করে। ভয় দিয়ে শাসন করলে সে বাধ্য হয়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে ভেঙে যায়।

৪. কথা বলার মাঝখানে থামিয়ে দেওয়া
এই বয়সে বাচ্চারা গল্প করতে ভালোবাসে। নিজের ভাবনা বলতে গিয়ে বারবার থামানো হলে সে ভাবে, তার কথা গুরুত্বহীন। এতে আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং ধীরে ধীরে কথা বলার আগ্রহ হারায়।

৫. তুলনা করা
“ওর মতো হও”, “ও দেখো কত ভালো”—এই কথাগুলো বাচ্চার মনে গভীর দাগ কাটে। সে নিজেকে অন্যের সাথে মেপে দেখতে শুরু করে এবং মনে করে, সে কখনোই ভালো হতে পারবে না। এতে হীনমন্যতা জন্ম নেয়।

৬. কান্নাকে অবহেলা করা
৪/৫ বছরের বাচ্চা কান্নার মাধ্যমে তার কষ্ট প্রকাশ করে। “এত কান্না কিসের?” বলা মানে তার অনুভূতিকে অস্বীকার করা। এতে সে শেখে—কষ্ট পেলে চুপ থাকতে হয়, কথা বলা যাবে না।

৭. অতিরিক্ত আদেশ ও নিয়ন্ত্রণ
সবকিছুতেই নির্দেশ দিলে বাচ্চা নিজের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পায় না। এতে সে হয় খুব জেদি হয়ে ওঠে, নয়তো ভয় পেয়ে সবকিছুতে অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

৮. ভালো কাজের প্রশংসা না করা
এই বয়সে প্রশংসা বাচ্চার জন্য খাবারের মতোই প্রয়োজন। চেষ্টা করেও প্রশংসা না পেলে সে ভাবে, ভালো হওয়া অর্থহীন। এতে শেখার আগ্রহ কমে যায়।

৯. শারীরিক শাস্তি
মারা বা ধাক্কা দেওয়া বাচ্চাকে শেখায়—শক্তিশালী হলেই আঘাত করা যায়। এতে ভালো–মন্দ বোঝা নয়, শুধু ভয় তৈরি হয়। ভালোবাসার জায়গায় জন্ম নেয় নিরাপত্তাহীনতা

১০. সময় না দেওয়া
৪/৫ বছরের বাচ্চার সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো—বাবা–মায়ের মনোযোগ। কথা না বলে শুধু কাজের মধ্যে থাকলে সে একা অনুভব করে। দিনে ১০–১৫ মিনিট মন দিয়ে কথা বলাও তার মানসিক শক্তি গড়ে তোলে।

শেষ কথা: এই বয়সে বাচ্চারা ভুল করে শেখে, ভয় নয়—ভরসা চায়। নরম ভাষা, ধৈর্য আর ভালোবাসাই তাদের সুস্থ মন গড়ার মূল চাবিকাঠি।

07/01/2026

বাংলাদেশ থেকে প্রথম প্রথম বিদেশে আসলে এই কাজগুলা করা থেকে বিরত থাকবেন। আজকে শপিংমলে লুঙ্গি পরা এক লোক দেখলাম। এখন নিজেকে বাংগালি বলতে খুব লজ্জা লাগতেছে। এগুলা একটু মাইন্টে রাখবেন -

১. লাগিজে করে বদনা আনবেন না। এয়ারপোটে ইস্কেন করে ধরা খেলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে।

২. লুঙ্গি পরে বাইরে বের হবেন না। এবং গামছা ইউজ করবেন না। বিদেশে শটপ‍্যান্ট চলে। গামছার বদলে তোয়াইল্লা চলে। সমাজ বুঝে চলবেন।

৪. দেশের থেকে চানাচুর, আচারের বৈয়ম, শুটকি, খাজুরের গুড় এগুলা আনবেন না।

৫. বাসা না পেলে কারো বাসায় কিছুদিনের জন‍্য থাকতে চেয়ে তাকে আনাজি অবস্থায় ফেলবেন না। জাস্ট ভাবেন, তার তো বউ আছে বাচ্চা আছে। তার বাসায় কেনো আপনাকে থাকতে দিবে? আপনি তো ব*দমাইশও হতে পারেন। নাকি?

৬. সিম কিনেন নাই এই ছুতা দেখিয়ে খালি ওয়াইফাই খোঁজবেন না। বিদেশে ফিরি বলে কিছু নাই। লাগলে esimplug থেকে গায়েবি সিম কিনে কথা বলবেন, নেট চালাবেন। বিশ্বের যেকোনো দেশে বসে ওদের গায়েবি সিম ইউজ করা যায়। দয়া করে প্রবাসীদের কষ্টে উপার্জিত টাকা দংস করার চেষ্টা করবেন না।

৭. বিদেশে এসেই এলকো খাওয়ার জন‍্য বারে নিয়ে ‍যেতে প্রবাসী আত্মীয়কে আবদার করবেন না।

৮. নি*গরুদের সাথে চলাফিরা করবেন না। ওরা বেশিরভাগই চো*র, ডা*কাইত হয়।

৯. কারো পোশাকে, লকেটে, ফোনের কবাটে কিংবা হাতের ব‍েসলাইটে সাত রঙের পতাকা দেখলে সাইড কেটে চলে যাবেন। ওদের সাথে মিশবেন না।

৩. জাগায় জাগায় ভাতের হোটেল খোঁজবেন না। কেএফছি, মাগডোনালত এগুলা খাওয়া শিখুন। দুধ চায়ের বদলে বাবুল টি খান।

খালি বিদেশে এসে লেবারি করে ইনকাম করলেই হবেনা। নিজেকেও জাতে উঠাতে হবে। ওসমান সাবের মত অনেকেই আছে তারা বলবে, টাকা থাকলেই জীবনে মহিলা আসবে। এটা ভুল কথা। পারসেনালিটিও থাকতে হবে।

07/01/2026
Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chandpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Balshid, Shahrasti
Chandpur
3620

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00