Shefa Hijama Center
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Shefa Hijama Center, Health/Beauty, Matlab North, Chandpur.
রোদে না যাওয়া মানে শুধু ভিটামিন D-এর অভাব না, বরং পুরো শরীরের বায়োলজিক্যাল ব্যালান্সের ভাঙন!
রোদে না গেলে যেসব সমস্যা হয় তার লিস্ট করতে গেলে বহু পাতা বিশিষ্ট বই লিখতে হবে!
রোদ হলো ফ্রি মেডিসিন, ফ্রি ভ্যাকসিন, ফ্রি এনার্জি সোর্স।
তবুও আমরা একে ভয় পাই, কারণ আধুনিক প্রোপাগান্ডা আমাদের ব্রেইনওয়াশ করে প্রকৃতিবিরুদ্ধ জীবনযাপনে ঠেলে দিয়েছে।
অথচ ১৯২০-৩০ এর দিকে ইউরোপেই এমন ক্লিনিক ছিলো যেখানে মানুষকে ভর্তি করার পর রোদ পোহানোর জন্য বেড ছিলো! একে বলা হতো হেলিওথেরাপি।
সূর্যের আলো মানুষের সার্কাডিয়ান রিদমের সবচেয়ে শক্তিশালী জাইটগিবার (Zeitgeber)। জাইটগিবার বলতে বোঝায় এমনসব বাহ্যিক সংকেত যা আমাদের শরীরের biological clock বা circadian rhythm-কে সময়ের সঙ্গে সিংক বা রিসেট করে।
কখন ঘুমাতে হবে, কখন উঠতে হবে, কখন ক্ষুধা লাগবে -এ সবই নিয়ন্ত্রিত হয় অন্তর্নিহিত ঘড়ি দ্বারা, আর সেই ঘড়িকে সময়মতো চালাতে সাহায্য করে বাহ্যিক জাইটগিবার-রা।
সূর্যের আলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জাইটগিবার! আমাদের মস্তিষ্ক ও শরীর এই সূর্যালোক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়ার জন্য ডিজাইন করা।
সূর্যের আলো মস্তিষ্কের সুপ্রাচিয়াসমেটিক নিউক্লিয়াস (SCN)-এর উপর প্রভাব বিস্তার করে। SCN হলো সার্কাডিয়ান রিদমের প্রধান নিয়ন্ত্রক।
সূর্যের আলো যখন চোখের উপর পড়ে তখন একটি সংকেত SCN-এর অভ্যন্তরীণ ঘড়ির সময়সূচী সমন্বয় করে। এরই নাম- সার্কাডিয়ান রিদম সিনক্রোনাইজ। এর ফলে মানুষের শারীরিক ও মানসিক কার্যকারিতা সঠিক ও সবচেয়ে উত্তম হয়, যার মধ্যে রয়েছে ঘুম-জাগরণ চক্র, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, হরমোন নিঃসরণ, খাদ্যগ্রহণ ও বিপাক ইত্যাদি।
সার্কাডিয়ান রিদমের প্রকৃত দৈর্ঘ্য গড়ে ২৪ ঘন্টা ১১ মিনিট অর্থাৎ পৃথিবীর দিন থেকে কিছুটা বেশী। তাই এটি প্রতিদিন কিছুটা দেরিতে চলতে চায়। সকালে সূর্যের আলো এটিকে সঠিক ২৪ ঘণ্টার চক্রে ফিরিয়ে আনে।
কিন্তু যদি সকালে সূর্যের আলো না পাওয়া যায় তবে দেহঘড়ি তার বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী দেরিতে চলতে শুরু করে। দিনের পর দিন এভাবে ঘটতে থাকলে একসময় সার্কাডিয়ান রিদমে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়! যাকে বলে ‘সার্কাডিয়ান ডিসরাপশন’!
ধরুন, আপনার ঘড়ি দিনে ১১ মিনিট এগিয়ে বা পিছিয়ে যায়। অবশ্যই প্রতিদিন সকালে এই ঘড়িটিকে ১১ মিনিট পিছিয়ে বা এগিয়ে দিতে হবে। যদি সপ্তাহ বা মাস ধরে ঘড়িটিকে সিনক্রোনাইজ না করেন তবে আপনার সিডিউলের যে পরিণতি হবে— প্রতিদিন সকালে সূর্যের আ
ফিটকিরির ৩০+ আশ্চর্যজনক উপকারিতা
একই সাথে স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও গৃহস্থালির কাজে অনন্য
ত্বক ও সৌন্দর্যে ফিটকিরি
১. ব্রণ দূর করে ফিটকিরি গুড়া ও গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান।
২. ছকের চিলা ভাব দূর করে ফিটকিরি পানি দিয়ে প্রতিদিন মুখ ধুয়ে নিন।
৩. চুলকানি কমায় ফিটকিরি পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধুয়ে নিন।
৪. ত্বক মসৃণ করে স্নানের পানিতে ফিটকিরি মিশিয়ে গসলে করুন।
৫. দাড়ি কামানোর পর জীবাণুনাশক কাজ করে ফিটকিরি ব্লক ভিজিয়ে মুখে ঘষুন।
৬. পায়ের ফাটা গোড়ালি সারায় ফিটকিরি পানি দিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন, এরপর তেল মেখে ফেলুন।
৭. ত্বকের জ্বালা ও পোড়া কমায় আক্রান্ত স্থানে ফিটকিরি পানি লাগান।
ক্ষত ও সংক্রমণ প্রতিরোধে
৮. ছোট কাটা-ছেঁড়া দ্রুত সারায় ভেজা ফিটকিরি সরাসরি ক্ষতে লাগান।
৯. অতিরিক্ত ঘাম কমায় বগলে ফিটকিরি পানি লাগান।
১০. ইনফেকশন প্রতিরোধ করে ক্ষতস্থানে ফিটকিরি গুড়া ছিটিয়ে দিন।
১১. ফোড়া শুকায় গরম পানিতে ফিটকিরি মিশিয়ে তুলা দিয়ে লাগান।
১২. চুলকানিযুক্ত চর্মরোগ উপশম করে ফিটকিরি পানি দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধুয়ে নিন।
১৩. পায়ের ফাঙ্গাস দূর করে ফিটকিরি পানি দিয়ে পা ধুয়ে নিন।
১৪. গৃহপালিত পশুর ক্ষত সারায় ক্ষতস্থানে ফিটকিরি পানি লাগান।
১৫. পানির জীবাণু নাশ করে পানিতে সামান্য ফিটকিরি দিয়ে রেখে পরিস্কার করে নিন।
১৬. পানির ময়লা পরিষ্কার করে ফিটকিরি মিশিয়ে রাখলে ময়লা নিচে জমে যাবে।
১৭. কাপড়ের দুর্গন্ধ দূর করে ধোয়ার পানিতে ফিটকিরি মিশিয়ে নিন।
১৮. স্নানঘরের দুর্গন্ধ কমায় ফিটকিরি পানি ছিটিয়ে দিন।
১৯. জুতা দুর্গন্ধমুক্ত করে জুতায় ফিটকিরি গুড়া ছিটিয়ে দিন রাতে।
২০. শৌচাগারের দুর্গন্ধ দূর করে ফিটকিরি পানি ছিটিয়ে দিন।
২১. বাথটবের পানি জীবাণুমুক্ত করে গোসলের পানিতে ফিটকিরি দিন।
২২. মাছ পরিষ্কার করার পর গন্ধ দূর করে ফিটকিরি পানি দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।
মুখ ও দাঁতের যত্নে
২৩. দাঁতের ব্যথা কমায় ফিটকিরি পানি দিয়ে কুলি করুন।
২৪. মুখের দুর্গন্ধ দূর করে ফিটকিরি পানি দিয়ে গার্গল করুন।
২৫. মাড়ির ইনফেকশন ও রক্তপাত বন্ধ করে ফিটকিরি গুলানো পানি দিয়ে কুলি করুন।
২৬. ডায়রিয়া কমাতে সাহায্য করে অল্প পরিমাণ ফিটকিরি গুড়া পানিতে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।
২৭. গলা ব্যথা ও কাশি উপশম করে হালকা গরম পানিতে ফিটকিরি মিশিয়ে গার্গল করুন।
২৮. চোখের প্রদাহ কমায় ফিটকিরি গুলান
অতিরিক্ত সব কিছুই মানবজীবনের জন্য ক্ষতিকর।
ইনসুলিন রেজিস্টেন্স — শয়তানের আধুনিক ফাঁদ, দেহের অপবিত্রতা আর আত্মার ভারী হওয়া…
আমরা আজকাল নতুন নতুন নাম শিখছি —
ডায়াবেটিস, ফ্যাটি লিভার, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড, ইনফার্টিলিটি, হার্টের সমস্যা…
আসলে এসব অনেক রোগের পেছনে লুকিয়ে আছে একটা মূল কথা — ইনসুলিন রেজিস্টেন্স।
এই ইনসুলিন রেজিস্টেন্স কী?
এটা শুরু হয় আমাদের প্রতিদিনের অতিরিক্ত খাওয়া দিয়ে।
প্রসেসড খাবার, চিনিযুক্ত খাবার, মিষ্টি পানীয়, ময়দা, ফাস্টফুড — এসব খেতে খেতে দেহের ভেতরে আস্তে আস্তে চিনির বোঝা জমতে থাকে।
প্রতিটা কোষের ভেতরে বেশি বেশি ফ্যাট জমে জমে কোষ ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
শরীর তখন ইনসুলিনের কথা শুনতে চায় না। ইনসুলিন তার কাজ ঠিকমত করতে পারে না।
এটাকে বলে — ইনসুলিন রেজিস্টেন্স।
👉 এভাবে দেহের ভেতর শুরু হয়:
• টক্সিন জমা
• স্নায়ু দুর্বলতা
• chronic inflammation (অন্তর্দাহ, প্রদাহ)
• হরমোনের গোলমাল
• রোগের মিছিল
✅ সমস্যা এখানেই শেষ না…
এই দেহের ভারী হওয়া আসলে আত্মার ওপরও প্রভাব ফেলে।
শরীর ক্লান্ত → নামাজে মন বসে না
মাথা ভার → কুরআন পড়তে ইচ্ছে করে না
অশান্ত মন → দোয়া করতেও অলসতা লাগে।
কিন্তু আল্লাহ আমাদের আগেই বলে দিয়েছেন:
وَكُلُوا وَاشْرَبُوا وَلَا تُسْرِفُوا
“তোমরা খাও, পান কর, কিন্তু সীমালঙ্ঘন করোনা।”
(সূরা আরাফ ৩১)
✅ আমাদের রাসূল ﷺ-ও বারবার বুঝিয়েছেন:
“কেউ তার পেটের চেয়ে নিকৃষ্ট কোনো পাত্র ভর্তি করে না। সামান্য কয়েক লোকমা আদম সন্তানের জন্য যথেষ্ট।”
(তিরমিজি)
এই সীমালঙ্ঘনটাই আসলে শয়তানের ফাঁদ।
শয়তান চায় আমরা লোভ করি, বেশি খাই, শরীর ভারী হই, যেন ইবাদতে অলসতা আসে।
কিন্তু আল্লাহর রাস্তা খুব সুন্দর:
• রোজা → কোষ থেকে টক্সিন বের করে
• হালাল-পরিমিত খাবার → কোষের ভার লাঘব করে
• হাঁটা → রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
• ঘুম → শরীর রিপেয়ার করে
• প্রশান্তি → কর্টিসল কমিয়ে আত্মা শান্ত করে
এই হলো প্রকৃত “কোষের পবিত্রতা”।
✅ দেহ পবিত্র → আত্মা হালকা
✅ আত্মা হালকা → ইবাদতে মজা
✅ ইবাদত মিষ্টি → দোয়া কবুল
💡 আজ নিজেকে প্রশ্ন করি:
আমি কি শুধু খাবারের স্বাদ নিচ্ছি?
নাকি আল্লাহর ইবাদতের স্বাদ খুঁজছি?
🌸 যারা নিজের কোষকে পবিত্র রাখে, তারা দুনিয়া ও আখিরাতে সফল।
Dr. Jahangir kabir
আল্লাহর কোন নেয়ামত কে তুমি অস্বীকার করবে??
ডায়ালাসিস করার সময় লাল নল থেকে শরীর থেকে রক্ত বের করা হয়, তারপর যন্ত্র দিয়ে পাশ করে আবার নীল নল দিয়ে শরীরে ঢুকানো হয়।
একটি ডায়লাইসিস প্রত্রিুয়া প্রায় ৪ ঘন্টা স্থায়ী হয়, এবং রোগীদের সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার এই প্রক্রিয়া পুনরাবৃত্তি করতে হয়।
যাদের কিডনি সুস্থ তাদের একই কাজ প্রতিদিন ৩৬ বার অটোমেটিকভাবে হয়ে যায়, কোন ব্যথা ছাড়াই এবং সম্পূর্ণ শিথিলতার সাথে।
তুমি জানো না আল্লাহ আমাদের উপর যখন তখন কত নেয়ামত বর্ষণ করছেন। তাই সবসময় আল্লাহকে ধন্যবাদ দিন।
"অতএব তোমরা তোমাদের রবের কোন কোন নেয়ামত অস্বীকার করবে।"
08/06/2025
গর্ভবতী মায়েদের জন্য ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শঃ
(সৃষ্টির সেরা বিস্ময়, ভ্রুন থেকে আদরের শিশু। ১ম থেকে ৯ম মাস)
‘মা’ ডাক শোনার স্বপ্ন প্রতিটি নারীর আর একজন নারী হয়ত পূর্ণতা পান মাতৃত্বেই৷ কিন্তু মা হতে যে দশ মাসের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়! এই পথকে সহজ করা এবং সুস্থ সন্তানের জন্ম দেওয়ার কিছু সহজ উপায় নিয়েই এই ছবিঘরে৷
*হবু মায়ের অনুভূতিঃ
‘মা’ – এটি একটি মাত্র শব্দ, যার সাথে মিশে আছে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা৷ সন্তানের কাছ থেকে কিছু পাওয়ার আশা না করেই সন্তানকে মা পরম যত্নে বড় করে তোলেন, সেই গর্ভাবস্থা থেকেই৷ পৃথিবীতে একমাত্র মা-ই জানেন সন্তানকে গর্ভে ধারণ করার কষ্ট, ধৈর্য আর আনন্দের অনুভূতিটুকু৷
• স্বামী ও পরিবারের অন্যান্যদের সহযোগিতাঃ
গর্ভবতী মায়েদের শরীরে হরমন পরিবর্তনের কারণে এ সময়ে তাঁদের অনেকেই কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে থাকে৷ আর এ কথাটি স্বামীসহ পরিবারের সকলকেই মনে রাখতে হবে৷ তাঁকে খুশি রাখার চেষ্টা করতে হবে, কারণ এতে পরিবারের অনাগত সদস্যটিরই মঙ্গল৷ শারীরিক এবং মানসিকভাবে মা সুস্থ থাকলে তার প্রভাব যে পড়ে শিশুটির ওপরও৷
*হবু মায়ের দিনের শুরুঃ
‘‘সকালে উঠেই কুসুম গরম পানিতে গোসল সেরে নিন৷ তারপর পুরো শরীরে আস্তে আস্তে অলিভ অয়েল মাসাজ করে নিন৷ অন্য তেলও অবশ্য মালিশ করা যেতে পারে, তবে অলিভ অয়েলে সন্তান জন্মের পর সাধারণত পেটে আর কোনো দাগ থকে না৷’’ এমনটাই বলেন জার্মান ধাত্রী হাইকে শোয়ার্ৎস৷
• সুন্দর ত্বকঃ
গর্ভকালীন সময়ে শরীরে হরমনের পরিবর্তনের কারণে হবু মায়ের ত্বকেও দেখা দেয় নানা সমস্যা, বিশেষকরে মুখমণ্ডলে৷ তাই সপ্তাহে একবার ‘মাস্ক’ ব্যবহার করতে পারেন৷ যেমন একটি পাকা অ্যাভোকাডোর সাথে দু’চামচ ছানা মিশিয়ে চোখ ছাড়া পুরো মুখে লাগিয়ে দশ মিনিট পর গরম পানি দিয়ে ভালো করে ধুয়ে ফেলুন৷ তারপর ভালো কোনো ‘সানস্ক্রিন’ লাগিয়ে ফেলুন৷
• গর্ভকালীন হালকা ব্যায়ামঃ
ঘরের মেঝেতে পা মুড়ে বসুন এবং হতের তালু সামনে নিয়ে বুকের কাছে রাখুন৷ খুবই মনোযোগ দিয়ে আস্তে আস্তে গভীরভাবে নাক দিয়ে নিঃশ্বাস নিন এবং পেটে থেকে নিঃশ্বাস ছাড়ুন আর ভাবুন – ‘‘এই নিঃশ্বাসের মধ্য দিয়ে আমার সন্তানের সাথে যোগাযোগ হচ্ছে৷’’ ব্যায়াম কোনো গ্রুপের সাথে করতে পারলে আরো ভালো লাগবে৷
• হালকা খাবারঃ
এই সময়টাতে অনেকেরই সকালে বেশ খারাপ লাগে বা বমিভাব হয়৷ তাই এক কাপ ভেষজ চা পান করতে পারেন সাথে একটা টোস্ট বা বিস্কুট৷ ধাত্রী হাইকে বলেন, ‘‘এ সম
গর্ভাবস্থার প্রতিটি ধাপ: ৪ থেকে ৪০ সপ্তাহ পর্যন্ত মা ও শিশুর পথচলা 🌼
✍🏿গর্ভাবস্থায় প্রতিটি সপ্তাহ একটি নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে। প্রতিটি পরিবর্তন শুধু মায়ের শরীরেই নয়, শিশুর দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ৪ থেকে ৪০ সপ্তাহ পর্যন্ত গর্ভাবস্থার বিভিন্ন লক্ষণ ও শিশুর বিকাশের ধাপগুলো সুন্দরভাবে তুলে ধরা হলো।
📅 ৪-৮ সপ্তাহ
🔸 বমি ভাব, স্তনে ব্যথা ও মেজাজের ওঠানামা সাধারণ লক্ষণ।
🔸 শিশুর দেহের প্রাথমিক অঙ্গগুলো গঠিত হতে শুরু করে।
📅 ৯-১২ সপ্তাহ
🔸 অনেক মায়ের ক্লান্তিভাব থাকতে পারে, এবং কারো কারো পেট কিছুটা ফোলা লাগতে পারে।
🔸 শিশুর হৃদস্পন্দন শোনা যায় – এটি একটি আবেগময় মুহূর্ত।
📅 ১৩-১৬ সপ্তাহ
🔸 দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে প্রবেশে শরীর কিছুটা হালকা অনুভব করতে পারেন।
🔸 ত্বক উজ্জ্বল দেখায়।
🔸 শিশুর মুখের চোখ, নাক ইত্যাদি অংশ ভালোভাবে গঠিত হতে থাকে।
📅 ১৭-২০ সপ্তাহ
🔸 মা প্রথমবারের মতো শিশুর নড়াচড়া অনুভব করতে পারেন (কুইকেনিং)।
🔸 আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ সম্ভব হয়।
📅 ২১-২৪ সপ্তাহ
🔸 পেট বড় হতে থাকে এবং স্ট্রেচ মার্ক দেখা দিতে পারে।
🔸 শিশু বাইরের শব্দ শুনতে সক্ষম হয় – তাই এখন থেকেই তার সঙ্গে কথা বলুন।
📅 ২৫-২৮ সপ্তাহ
🔸 শ্বাস নিতে কষ্ট হতে পারে, পায়ে টান ধরতে পারে।
🔸 মা ও শিশুর মধ্যে মানসিক বন্ধন আরও গভীর হয়।
📅 ২৯-৩২ সপ্তাহ
🔸 ঘুমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
🔸 মাঝে মাঝে পেট শক্ত হয়ে যেতে পারে (ব্র্যাকস্টন হিক্স সংকোচন)।
🔸 শিশুর ওজন দ্রুত বাড়তে থাকে।
📅 ৩৩-৩৬ সপ্তাহ
🔸 ‘নেস্টিং ইনস্টিংক্ট’ বা বাসা সাজানোর প্রবণতা দেখা যায়।
🔸 প্রতি সপ্তাহে ডাক্তারের কাছে নিয়মিত যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়ে।
📅 ৩৭-৪০ সপ্তাহ
🔸 শিশু নিচের দিকে নেমে আসে, ফলে পেট ভারী অনুভূত হয়।
🔸 যেকোনো সময় প্রসবের লক্ষণ শুরু হতে পারে – তাই প্রস্তুত থাকুন।
🔔 পরামর্শ: গর্ভাবস্থার প্রতিটি ধাপেই সঠিক যত্ন ও সচেতনতা জরুরি। নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং নিজের প্রতি যত্নবান হোন।
📢 এই তথ্যগুলো যদি আপনার উপকারে আসে, তাহলে পোস্টটি শেয়ার করুন আপনার বন্ধু ও পরিবারের সাথে।
#ক্যান্সার_আদৌ_কোন_রোগ_নয়"
-ডাঃ বিকাশ গুপ্ত
(ডাঃ বিকাশ গুপ্ত, অনকোলজিস্ট ও হেমাটোলজিস্ট; কমপ্রিহেনসিভ ক্যান্সার সেন্টার অফ নেভাডা, যুক্তরাষ্ট্র)।
ডাঃ বিকাশ গুপ্ত বলছেন, কেউই ক্যান্সারে মারা যাবেনা যদি তিনি নিম্নলিখিত কতিপয় সহজ পদক্ষেপ নেন:
১। চিনি খাওয়া বন্ধ করতে হবে। তাহলে ক্যান্সার জীবানু এমনিতেই মারা যাবে।
২। গরম পানিতে লেবুর সরবত ১-৩ মাস নিয়মিত পান করলে ক্যান্সার নিরাময়/প্রতিরোধ সম্ভব হয়। এটা কেমোথেরাপির চেয়ে ১০০০ গুণ ভাল। ডাঃ গুপ্ত এছাড়া বলছেন, অজ্ঞতা কোন অজুহাত হতে পারেনা। ক্যান্সার প্রতিরোধের সহজ পদক্ষেপগুলো সবাইকে জানতেই হবে। ডাঃ গুপ্ত নিজে এই কথা গত ০৫ বছর যাবৎ প্রচার করে চলেছেন।
The University of Meryland School of Medicine এর চিকিৎসা বিজ্ঞানীগণ দীর্ঘ গবেষণায় একথা প্রমাণ করেছেন।
সুন্দর স্বাস্থের অধিকারী হতে ডাঃ গুপ্ত আরও কিছু পরামর্শ দিয়েছেন:
১। লেবুর রসের মধ্যে প্রাপ্ত সাইট্রিক এসিড উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন করে রক্ত নালিকা ব্লক হওয়া রোধ করে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে রক্তের জমাট বাঁধা কমিয়ে দেয়।
২। হলুদ ও পার্পল বা মেজেন্টা রং-এর মিষ্টি আলুর মধ্যে ক্যান্সার প্রতিরোধের গুণাবলী রয়েছে।
৩। প্রায়শই রাত্রে দেরীতে খাওয়ার কারণে পাকস্থলির ক্যান্সার হতে পারে।
8। সপ্তাহে ০৪ টার বেশী ডিম খাওয়া যাবেনা।
৫। মুরগির পিঠের মাংশ খাওয়ার কারণে পাকস্থলির ক্যান্সার হতে পারে।
৬। খাওয়ার পরে ফল খাওয়া যাবেনা বরং খাওয়ার আগেই ফল খেয়েনিন।
৭। মাসিক চলাকালীন সময়ে চা পান থেকে মেয়েদেরকে বিরত থাকতে হবে।
৮। সয়ামিল্ক খাবেন কিন্তু এতে চিনি ও ডিম যোগ করা যাবেনা।
৯। খালিপেটে টমেটো খাওয়া যাবেনা।
১০। পিত্তথলির পাথর হওয়া থেকে মুক্ত থাকতে পতিদিন সকালে নাস্তার আগে ০১ গ্লাস পানি পান করতে হবে।
১১। বিছানায় যাওয়ার কমপক্ষে ০৩ ঘন্টা আগে আহার করবেন।
১২। মদ্যপান থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।
১৩। প্রক্রিয়াজাত খাবার ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে।
১৪। প্রতিদিন ১০ গ্লাস পানি পান করুন।
১৫। রাত্রে কম ও দিনে বেশী পানি পান করুন।
১৬। দিনে ০২ কাপের বেশী কফি পান করবেন না। এতে নিদ্রাহীনতা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে।
১৭। তৈলাক্ত খাবার কম খাবেন। কারণ, এই জাতীয় খাবার হজম হতে ৫/৭ ঘন্টা সময় লাগে, যা আপনার শরীরে ক্লান্তি এনে দেয়।
১৮। বিকাল ০৫ টার পর খাওয়া কমিয়ে দিন।
১৯। দৈনিক ০৮ ঘন্টার কম
19/05/2025
আজকে ল্যাবে পোল্ট্রি মুরগী এবং পাকিস্তানি কক মুরগীতে রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু সালমোনেলা আইসোলেশন করলাম। এছাড়াও ভারী ধাতুর উপস্থিততি রয়েছে স্যাম্পলে। যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ বিশেষ করে কিডনী সমস্যার মূল কারণ। যথা সম্ভব এড়িয়ে বিকল্প আমিষ গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয়। একেবারেই খেলে শুধু মাংশ খাবেন হাড় চিবিয়ে খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। ব্যাবসায়ীরা অতিরিক্ত মুনাফার লোভে অধিক মাত্রায় উচ্চ এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। এমন সময় আসতে পারে যখন কোনো এন্টিবায়োটিক আর কাজ করবে নাহ মানব শরীরে, তখন সুপারবাগ মহামারীর আকার ধারণ করবে। তাই সবার সচেতন থাকা জরুরী।
😭😭😭
17/12/2024
হিজামাতে যে সকল সমস্যায় উপকার হয়:
(১) রক্তদূষণ, উচ্চরক্তচাপ, (২) ঘুমের ব্যাঘাত, স্মৃতিভ্রষ্টতা, মানসিক সমস্যা, (৩) মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথা ব্যাথা, অস্থি সন্ধির ব্যাথা, পিঠে ব্যাথা, হাঁটু ব্যাথা, দীর্ঘমেয়াদী সাধারণ মাথা ব্যাথা, ঘাড়ে ব্যাথা, কোমর ব্যাথা, পায়ে ব্যাথা, মাংসপেশীর ব্যাথা, দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা, হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা।
(৪) সাইনুসাইটিস (৫) ব্রণ (৬) কোলেস্টেরল (৭) হাঁপানি (৮) গ্যাস্ট্রিক পেইন, গ্যাস্ট্রিক আলসার (৯) বিষক্রিয়া (১০) দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (১১) ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন (১২) ফোঁড়া-পাঁচড়া (১৩) চুল পড়া (১৪) স্পোর্টস ইঞ্জুরি (১৫) হরমোনাল সমস্যা (১৬) ইরেক্টিল ডিসফাংশন [ই.ডি], (১৭) মাদকাসক্ত এবং আরও অনেক সমস্যার জন্য হিজামা কার্যকরী ইনশাআল্লাহ।
গর্ভে সন্তান আসার ৪ মাস থেকে সন্তান হওয়ার আগ পর্যন্ত (আইবুপ্রোফেন) জাতীয় ঔষধ খাওয়া একেবারেই নিষেধ।
এসময় এটি সেবন করলে বাচ্চার কিডনি ও হার্টের সমস্যা হতে পারে।
19/11/2024
✅এই মাসের হিজামা চিকিৎসার সুন্নতি তারিখ গুলো হল:-
✅২০ শে নভেম্বর বুধবার, (১৭ই জমাদিউল আউয়াল)
✅২২ শে নভেম্বর শুক্রবার, (১৯ই জমাদিউল আউয়াল)
✅২৪ শে নভেম্বর রবিবার, (২১ই জমাদিউল আউয়াল
🌹 হযরত আবূ হুরাইরা রাযি. থেকে বর্ণিত, রাসূলিল্লাহ ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি (চাঁদের) সতের, উনিশ ও একুশ তারিখে হিজামা লাগাবে, এ হিজামা তার সকল রোগের নিরাময়কারী হবে। [আবূ দাউদ শরীফ ৩৮৬১]
✅ চলে আসুন আমাদের সেন্টারে , ছেংগারচর বাজার,মতলব উত্তর, থানার পূর্ব পাসে সুরুজ প্লাজায় ২য় তলায়।
✅ কল করুনঃ 01976499510
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Matlab North
Chandpur
CHENGARCHARBAZAR3643
