Khan’s Vlogs
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Khan’s Vlogs, Health/Beauty, Bisnode, Bankcoloney, Chandpur.
আজ সোমবার
০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
২০ মাঘ ১৪৩১ বাংলা
৩ শাবান ১৪৪৬ হিজরি
-------------------
ফজর- ৫:২৪ মিনিট
জোহর- ১২:১৬ মিনিট
আসর- ৪:০৮ মিনিট
মাগরিব- ৫:৪৯ মিনিট
ইশা- ৭:০৪ মিনিট
--------------------
আজ সূর্যোদয়- ৬:৩৯ মিনিট
আজ সূর্যাস্ত- ৫:৪৬ মিনিট
03/02/2025
25/08/2024
‘আর, যমিনে দম্ভভরে বিচরণ করো না’।
— সূরা আল ইসরা, ৩৭
বাসার কাজের মহিলা প্লেট ধুতে গিয়ে প্লেটগুলো ভেঙ্গে ফেললো!
মালিক যদি দেখেন এই কাজ করেছে, তার চাকরি যাবে তো যাবে, রাগী কেউ হলে মার খেতে পারে।
মুসলিম শাসনামলে এমন ক্ষেত্রে ওয়াকফ প্রতিষ্ঠান ছিলো। সেই প্রতিষ্ঠানে ভাঙ্গা প্লেট-গ্লাস, তৈজসপত্র নিয়ে গেলে তারা নতুন প্লেট-গ্লাস দিতো।
এটার জন্য আলাদা টাকা দিতে হতো না, ইন্সুইরেন্সও করতে হতো না।
শুধু তাই না। মুসলিম শাসনামল কতোটা মানবকল্যাণমূলক ছিলো, কয়েকটি উদাহরণ দিলে বুঝা যাবে।
বিয়ের পাত্রীর জন্য দামি অলংকার প্রয়োজন, বিয়ের দিনের পরার জন্য ভালো জামা প্রয়োজন। শুধুমাত্র একদিন পরার জন্য এতো দাম দিয়ে কাপড় কেনার সামর্থ্য অনেকের থাকে না।
মুসলিম শাসনামলে এমন ওয়াকফ প্রতিষ্ঠান ছিলো। সেখানে গিয়ে পাত্র-পাত্রী পছন্দমতো কাপড়, স্বর্ণ-গহনা নিয়ে আসতে পারতো। বিয়ের অনুষ্ঠান শেষে ফেরত দিয়ে আসতো। কোনো ভাড়া দিতে হতো না।
রাস্তায় অনেক কুকুর থাকে, যেগুলো ময়লা-আবর্জনার মধ্যে খাবার খুঁজে খায়।
কিন্তু, মুসলিম শাসনামলে রাস্তার কুকুরের জন্য পর্যন্ত খাবার-পানির ব্যবস্থা ছিলো।
হাসপাতালে রোগীরা ভর্তি হতো। রোগীদের মধ্যে অনেকেই ১০ দিন, ২০ দিন, ১ মাস ভর্তি থাকতো।
অসুস্থতার কারণে ঐ সময় তারা উপার্জন করতে পারতো না।
মুসলিম শাসনামলে তাদের চিকিৎসা খরচ ছিলো সম্পূর্ণ ফ্রি।
শুধু তাই নয়, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবার সময় তাদেরকে বেতনের মতো টাকা দেয়া হতো। অর্থাৎ, ঐ সময় সে কাজ করলে বেতন পেতো। অসুস্থতার কারণে কাজ না করায় পরিবার যেন কষ্টে না থাকে সেজন্য টাকাও দেয়া হতো!
মুসলিম শাসনামলের এমন সোনালী অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারবেন গার্ডিয়ান প্রকাশিত 'ইতিহাসের অপবাদ: অপবাদের ইতিহাস' বইয়ে।
মুমিনের দেশ হলো তিনটি।
শারীরিক দেশ হলো- যেখানে সে জন্মগ্রহণ করে, বসবাস করে।
ঈমানী দেশ হলো- মদীনা; যেখানে সে ঈমানের নুর লাভ করেছে।
আর আধ্যাত্মিক দেশ হলো- জান্নাত; রূহজগতে যার নিবাস ছিলো, ঘুরেফিরে সেখানেই সে ফিরে যাবে।
03/07/2024
একটি পরিপূর্ণ নিম গাছ প্রায় ১০ টন এসির সমপরিমাণ ঠান্ডা রাখে তার চারপাশের বাতাসকে।
নিম গাছ পরিবেশগত ভাবে খুবই উপকারী । এটি খুব বেশি মাত্রার দূষণ সহ্য করতে পারে এবং শুষ্ক মৌসুমে পাতা পড়ে গেলেও সেগুলোতে তাড়াতাড়ি নতুন পাতা চলে আসে। নিম গাছের পাতা তুলনামূলকভাবে বেশি পরিমাণে সীসা শোষণ করে। ধূলিকণা, কার্বন ডাই-অক্সাইড, সালফার অক্সাইড এবং নাইট্রোজেনের মতো দূষক শোষণ করার ক্ষমতা নিম গাছের রয়েছে। ১৯৯৬ সালে আন্তর্জাতিকভাবে একটি সমীক্ষা ইঙ্গিত দেয় যে নিম গাছ শিল্প এলাকায় ও শহুরে দূষণ দূর করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত প্রজাতিগুলির মধ্যে একটি এবং এটি পরিচিত হট স্পটগুলিতে সবুজ বেল্টের মত কাজ কর।
নিমের কার্বন ডাই-অক্সাইড ফিক্সেশন করার ক্ষমতা অন্যান্য গাছের তুলনায় তুলনামূলকভাবে বেশি। এটি প্রতি সেকেন্ডে কার্বন ডাই-অক্সাইডের ১৪ টি মাইক্রোমোল ( প্রতি বর্গ মিটার) ঠিক করতে পারে। নিম গাছের পত্র পৃষ্ট সর্বাধিক কার্বন ডাই-অক্সাইড ফিক্স করার জন্য একটি ভাল বিকল্প হিসেবে কাজ করে এবং অন্যান্য দূষণ উপাদানগুলির বিরুদ্ধে একটি ঢাল প্রদান করে বিশেষ করে সালফার ডাই-অক্সাইড। একটি পরিপূর্ণ নিম গাছ প্রায় ১০ টন এসির সমপরিমাণ ঠান্ডা রাখে তার চার পাশের বাতাসকে।
নিম আমাদের দেশীয় গাছ, আবহাওয়া উপযোগী এবং যে কোনো ধরনের মাটিতে জন্মে। নিম গাছ দ্রুত বর্ধণশীল, পানির স্তর ধরে রাখে, মাটির ক্ষয় ও মরুময়তা রোধ করে। নিমের তেল মানুষ, গরু ও পশুপাখির উকুননাশক এবং চর্মরোগ নিরোধক। নিমের তেল, খৈল ও পাতা প্রাকৃতিক কীট নিবারক ও সার হিসাবে ব্যবহৃত হয়। নিমের কাঠ অধিক মূল্যবান, উন্নত মানের, স্বাস্ব্যকর ও পরিবেশসম্মত এবং এই কাঠ দিয়ে ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র তৈরি করা যায় যা উঁই, ঘৃণ আ অন্য পোকায় নষ্ট করে না।
নিম গাছ অন্যান্য গাছের চেয়ে বেশি অর্থকরি এবং পরিচর্যায় তেমন খরচ নেই। নিম বাড়ির আঙিনা, রাস্তাঘাট,হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালতসহ সর্বত্র লাগানো যায়। নিম গাছের গন্ধে আশপাশের ফসলেও কীট-পতঙ্গ আসে না ! তাই ফসলের মাঠেও নিম গাছ লাগানো উপকারী। তুলনামূলকভাবে নিমের অথনৈতিক গুরুত্ব অন্যান্য কাঠ, ফল ও ঔষধী গাছ থেকে অনেক বেশি। নিমের পাতা হাম, বসন্ত, ঘা, খুজলি, পাঁচড়া ও চুলকানিতে ব্যবহার হয়। নিম গাছে রোগ-ব্যাধি হয় না এবং এই গাছ গরু-ছাগলে খায় না। নিম গাছকে বিজ্ঞানীরা আগামী শতকের মহামূল্যবান বৃক্ষ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন এবং নিম গাছের তৈরি ওষুধ রাসায়নিক ওষূধের চেয়ে বেশি উপকারে আসবে বলে উল্লেখ করেছেন। ভারতের মতো দরিদ্র দেশে নিম অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
চলতি বর্ষা মৌসুমে বাড়ির খালি জায়গা, রাস্তার ধারে যার যার পছন্দ অনুযায়ী গাছ লাগানো প্রয়োজন। আসুন গাছ লাগাই, অক্সিজেনের ফাক্টরী গড়ে তুলি।
(সংগৃহীত ও পরিমার্জিত)
16/06/2024
ঈদ মুবারাক 🌙
তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম!
সবাইকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা। ঈদ হোক আনন্দময় ও বরকতময়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Website
Address
Chandpur
