H- Health Server
Alhamdulillah our product is made in a completely natural way and is approved by BD Sciencelab
02/12/2022
আসসালামু আলাইকুম।
খু'ব'ই গু'রু'ত্ব"পূর্ণ পো"স্ট, লাইফে একবার হলেও ট্রা"ই করুন। জুস খেতে খেতে ওজন কমান মাএ একটি কো'র্সে হয়ে উঠুন স্মা"র্ট।
এটি বাংলাদেশ বিএসটিআই আর কৃতক অনুমোদিত এবং পরীক্ষিত কোন সা"ইড ই'ফে'ক্ট নেই নে'চু'রাল ফরমু"লায় তৈরি।
বিস্তারিত জানতে মেসেজ করুন অথবা কল করুন এই নাম্বারে 01815957364
বিঃদ্রঃ--৷ প্রতি প্যাকেজে দারুন অফার চলছে, অফারটি সীমিত সময়ের জন্য।
20/11/2022
আসসালামু আলাইকুম।।
খু'ব'ই গুরুত্ব''পূর্ণ পো'স্ট।
এখন খুব সহজেই জুস খেতে খেতে ও'জ'ন কমান মাএ একটি কো'সে হয়ে উ'ঠুন স্মার্ট।
এটি বাংলাদেশ বি'এস'টি'আই'আর কতৃক অনু"মোদিত এবং পরি"ক্ষিত কোন সা'ই'ড ই'ফেক্ট নেই নেচু"রাল ফর'মুলায় তৈরি।
বিস্তা''রিত জানতে মেসেজ করুন অ'থ'বা কল করুন এই নাম্বারে ০১৮১৫৯৫৭৩৬৪
বিঃদ্রঃ প্রতি প্যাকেজে ৩০% ডিসকাউন্ট অফারে পাবেন, অফারটি সীমিত সময়ের জন্য।
08/11/2022
আসসালামু আলাইকুম।।
এক মিনিট দেখুন গুরুত্ব"পূর্ণ পো'স্ট। লাইফে একবার হলেও ট্রা"ই করে দেখুন প্রাকৃ"তিক নিয়মে কম'বে মে'দ ভু'ড়ি জুস খেতে খেতে।।
এটি বাংলাদেশ বিএসটি আই আর কতৃক অনুমদিত এবং পিরি"ক্ষিত কোন সা'ই''ড ই'ফে''ক্ট নেই নেচা"রাল ফরমু"লায় তৈরি৷।
আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের মেসেজ করুন অথবা কল করুন ০১৮১৫৯৫৭৩৬৪ এই নাম্বারে।
বি.দ্রঃপ্রত্যেকটি প্যাকেজেই ৩০%করে ডিসকাউন্ট দিচ্ছি।অফারটি সীমিত সময়ের জন্য
07/10/2022
অপনারা কি জানেন?
দেশি ফল কোনটা খেলে কি উপকার হয়।
আসেন জেনে নি কি ফল খেলে কি কি উপকার হয়।
দেশি ফলের রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ। বয়স, শারীরিক অবস্থা, রোগ ভেদে নিয়মিত ও সঠিক মাত্রায় ফল খেলে তা শারীরিক অনেক রোগব্যাধির ক্ষেত্রেও উপকারী। দেশে এখন চলছে মধুমাস জ্যৈষ্ঠ। এই মাসে বিভিন্ন ধরনের রসাল ও মিষ্টি ফলে বাজার সয়লাব।
ফলের মধ্যে খাদ্যশক্তি থাকে, যা শরীরের ভেতর থেকে ক্ষতিকর চর্বি বের করে দেয়। তাই ফল সবার জন্য উপকারী। পুষ্টিমানের দিক থেকেও সব ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, খনিজ পদার্থ থাকে। বিশেষ করে রঙিন ফলে লাইকোপেট আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা শরীরের ভেতরের বিষাক্ত জিনিস দূর করে দেয় এবং ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে।
গ্রীষ্মকালে পাওয়া যায়, এমন কয়েকটি মৌসুমি ফলের গুণাগুণ এখানে তুলে ধরা হলো:
আমঃ
স্বাদ, পুষ্টি ও গন্ধে অতুলনীয় জনপ্রিয় একটি ফল আম। আয়রন ও সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণে বেশ কার্যকরী আম। আম রক্তে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে। ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। আমে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ প্রোটিন যা জীবাণু থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়।
আমে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। চোখের চারপাশের শুষ্কভাবও দূর করে। পাকা আমে কাঁচা আমের তুলনায় শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। কাঁচা আম দেহের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। লিভারের সমস্যায় কাঁচা আম খাওয়া উপকারী। এটি বাইল এসিড নিঃসরণ বাড়ায়। অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে পরিষ্কার করে। দেহে নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।
খনিজ পদার্থ আয়রনের ভালো উৎস আম। প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও সোডিয়াম বিদ্যমান। এছাড়া খনিজ লবণ, ভিটামিন বি, ই, সেলেনিয়াম, এনজাইম, ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক অ্যাসিড বিদ্যমান। এজন্যই আমকে বলা হয় ফলের রাজা। এর মধ্যে রয়েছে এমন অনেক পুষ্টিগুণ যা শরীরকে ভালো রাখে।
খসখসে চামড়া, চুলপড়া, চোখের নানা রোগ, হজমের সমস্যা দূর করতে আম কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া এই ফলটি বলকারক, মুখরোচক ও যকৃতের জন্য উপকারী।
কাঁঠালঃ
আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল। কাঁঠালে প্রচুর এনার্জি, শর্করার পরিমাণও বেশি। পাকা কাঁঠালের ক্যালরি প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৯০ কিলোক্যালরি এবং খনিজ লবণের পরিমাণ প্রায় ০.৯ গ্রাম। কাঁচা কাঁঠালের ফাইবারের পরিমাণ পাকা কাঁঠালের বেশ কয়েক গুণ বেশি। তাই ডায়াবেটিক মানুষের জন্য ক
07/10/2022
আসসালামু আলাইকুম 🥰দারুচিনি আমাদের সকলেরই পরিচত নাম।সবাই এটিকে মসলা হিসেবেই চিনি আমরা।কিন্তু দারুচিনি ও আমাদের সকলের শরিরের জন্য খুব উপকারী ঔষধ হিসেবে কাজ করে।চলুন তাহলে দারুচিনির কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আসি 🤗
দারুচিনির উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম
পরিপাকতন্ত্রের অসুখ, দাঁত ও মাথাব্যথা, চর্মরোগ, মাসিকের সমস্যা দারুচিনি সেবনে সেরে যায়। এর সাথে ডায়রিয়া, যক্ষ্মা রোগেও এর ব্যবহার উপকারী। আপনি অবশ্যই জানেন যে দারুচিনি ব্যবহারের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যাতে আপনি সময়মতো দারুচিনি ব্যবহার করার সুবিধা নিতে পারেন।
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়
এখানে দারুচিনির উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম এবং ব্যবহারের পরিমাণ:-
হেঁচকি সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ হেঁচকি একটি খুব সাধারণ বিষয়, তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা সবসময় হেঁচকির অভিযোগ করেন। এই ধরনের মানুষ দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। এটি স্বস্তি দেয়।
ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য দারুচিনি খানঃ 500 মিলিগ্রাম শুঁথি পাউডার, 500 মিলিগ্রাম এলাচ এবং 500 মিলিগ্রাম দারুচিনি পিষে নিন। সকাল-সন্ধ্যা খাবার আগে খেলে ক্ষুধা বাড়ে।
বমি বন্ধ করতে দারুচিনির ব্যবহারঃ বমি বন্ধ করতেও দারুচিনি ব্যবহার করা হয়। দারুচিনি এবং লবঙ্গের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি পরিমাণে খেলে বমি বন্ধ হয়।
চোখের রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ অনেকে অভিযোগ করেন যে তাদের চোখ টলতে থাকে। চোখের ওপরে (চোখের পাতায়) দারুচিনির তেল লাগান। এতে চোখের পলক পড়া বন্ধ হয় এবং দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ যাঁরা দাঁতের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা দারুচিনি খেতে পারেন। তুলো দিয়ে দাঁতে দারুচিনির তেল মাখুন। এটি স্বস্তি দেবে। দারুচিনির ৫-৬টি পাতা পিষে পেস্ট তৈরি করুন। এতে দাঁত পরিষ্কার ও চকচকে হয়।
মাথাব্যথা উপশমে দারুচিনির উপকারিতাঃ মাথা ব্যাথা হলে দারুচিনি খান। 8-10টি দারুচিনি পাতা পিষে একটি পেস্ট তৈরি করুন। দারুচিনির পেস্ট মাথায় লাগালে ঠাণ্ডা বা গরমে মাথাব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। উপশম পাওয়ার পরে, পেস্টটি ধুয়ে ফেলুন।দারুচিনি তেল দিয়ে আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ঠান্ডাজনিত মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। সমান পরিমাণে দারুচিনি, তেজপাতা এবং চিনি মিশিয়ে নিন। চাল ধোয়া পানির সাথে পিষে একটি সূক্ষ্ম গুঁড়ো তৈরি করুন। নাক দিয়ে নিন। এরপর গর
07/10/2022
প্রতিদিন শসা সেবন করে পানি শূন্যতা দূর করূন,
ধরুন আপনি এমন কোথাও আছেন, যেখানে হাতের কাছে পানি নেই, কিন্তু শসা আছে। বড়সড় একটা শসা চিবিয়ে খেয়ে নিন। পিপাসা মিটে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন চনমনে।কারণ, শসার ৯০ শতাংশই পানি🥰🥰
07/10/2022
আপনি জানেন কি রঙিন শাকসবজিতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ থাকে🥰। তেমনই আছে লালশাকেও। সাধারণ ভাবে মা-ঠাকুমাদের কাছেই শোনা যায় একটি বড়ো গুণের কথা, তা হল লালশাক খেলে গায়ে রক্ত হয়। কথাটা মোটেই ভুল নয়। কারণ লালশাকে আছে প্রচুর আয়রন। দেখে নেওয়া যাক এর মধ্যে আর কী কী গুণাগুণ আছে। এটি খেলেই বা কী কী উপকার পাওয়া যায়।
প্রতি ১০০ গ্রাম লাল শাকে আছে
প্রোটিন ৫.৩৪ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ৩৭৪ মিলিগ্রাম, স্নেহপদার্থ ০.১৪ মিলিগ্রাম, শর্করা ৪৯৬ মিলিগ্রাম, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম, আঁশ জাতীয় উপাদান, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, নানান ভিটামিন – ভিটামিন এ, ভিটামিন বি২, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, ক্যারোটিন, আয়রন ও অন্যান্য খনিজ পদার্থ
07/10/2022
তেঁতুল আমাদের দেশের বসন্তকালের টকজাতীয় ফল হলেও সারা বছর পাওয়া যায়। অনেকেরই ধারণা তেঁতুল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং তেঁতুল খেলে রক্ত পানি হয়। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল, বরং তেঁতুলে রয়েছে প্রচুর পুষ্টি ও ভেষজ গুণ। তেঁতুল দেহে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদরোগীদের জন্য খুবই উপকারী। তেঁতুল দিয়ে কবিরাজি, ইউনানী,হোমিও ও এলোপ্যাথিক ওষুধ তৈরি করা হয়। তেঁতুলকে হার্টের টনিক বলা হয়। এটা লিগুমিনোসি গোত্রের অন্তর্ভুক্ত। এর বৈজ্ঞানিক নাম Tamarindus indica । তেঁতুলের ফলে এসিডিক পাল্প থাকে। এটা সরাসরি খাওয়া যায় এবং জ্যাম, জেলী, আচার, সিরাপ ও পানীয় তৈরী করেও খাওয়া যায়। তেঁতুলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন, আঁশ, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উপাদান বিদ্যমান🥰। তেঁতুল যেসব রোগের জন্য উপকারী তার মধ্যে-স্কার্ভি রোগ, কোষ্টবদ্ধতা, শরীর জ্বালা করা অন্যতম। এসব রোগে তেঁতুলের শরবত খুব উপকারী।
তেঁতুল রক্তের কোলেস্টেরল কমায় । দেহের মেদভুঁড়ি কমায়। পেটে গ্যাস হলে তেঁতুলের শরবত খেলে ভালো হয়😚। তেঁতুল খেলে কোনো ক্ষতি হয় না। তবে বেশি খেলে রক্তের চাপ কমে যেতে পারে। তবে প্রতিদিন কমপক্ষে বীজ ছাড়া আঁশসহ ২৫ গ্রাম তেঁতুল লবণ ও মিষ্টি ছাড়া ভক্ষণ করলে ব্লাড প্রেসার ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে। অনেকেরই ভ্রান্ত ধারণা আছে তেঁতুল খেলে সেক্স কমে যায়, কিন্তু নিয়মিত তেঁতুল খেলে শরীর থেকে অতিরিক্ত ফ্যাট বের হয়ে সেক্স আরো বাড়িয়ে দেয়। পাকা তেঁতুল কফ ও বায়ুনাশক, খিদে বাড়ায় ও উষ্ণবীর্য হয়। তেঁতুল খাওয়ার পরে যদি পাতলা পায়খানা হয় তাহলে বোঝা যাবে তেঁতুল শরীরে ভাল কাজ করছে। অবশ্য একবারের বেশী পাতলা পায়খানা হবে না। পাতলা পায়খানার সাথে ফ্যাট গলে বের হয়ে যায়। পাতলা পাযখানা না হলেও উপকার হবে। যদি কেউ প্রতিদিন নিয়মিত এক ঘন্টা দ্রুত হাটে ও কমপক্ষে ২৫ গ্রাম করে তেঁতুল খায়, তাহলে তার হাটে ব্লক হতে পারবে না।🤗 তেঁতুল ভরাপেটে খাওয়াই ভাল।👍
প্রতিদিন নিয়মিত তেঁতুল খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায় তার কিছু নিম্নে বর্ণনা করা হল: * তেঁতুল হার্ট ভাল রাখে। * তেঁতুল ডায়াবেটিস কমায় 🙂l * তেঁতুল শরীরের কোলেষ্টেরল ও ফ্যাট কমায় । * তেঁতুল শরীরের ত্বকের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও ত্বক ভাল রাখে। * তেঁতুল এন্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভাল উৎস যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে 🥰l * তেঁতুল তাপমাত্রা কমিয়ে জ্বর সারায়। * তেঁতুল ঠান্ডা লাগা রোগে উপকারী।
07/10/2022
আসসালামু আলাইকুম ও রাহমাতুল্লাহ 🥰।আজ আপনাদের সাথে ভিন্ন একটি ফল নিয়ে আলোচনা করব।আর তা হচ্ছে স্ট্রবেরি🥰।স্ট্রবেরি একটি বিদেশি ফল হলেও বর্তমানে এটি আমাদের দেশেও উৎপাদিত হচ্ছে🥰।এবং খুব ভালো ফলন দিচ্ছে🤗চলুন তাহলে স্ট্রবেরি এর কিছু গুনাগুন সম্পর্কে জেনে আসি 🙂👉👉
স্ট্রবেরির গুণাগুণ:
১. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আটটি স্ট্রবেরিতে একটি কমলার সমান ভিটামিন সি পাওয়া যায়🙂। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এ ফল।
২. সোডিয়াম প্রায় নেই বলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগীদের জন্য এটি ভালো🥰। রক্তচাপ রোধে সহায়তা করে এই ফল।
৩. স্ট্রবেরিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অনেক, বিশেষ করে পলিফেনলজাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
৪. স্ট্রবেরি মানুষের শরীরের ক্ষতিকর চর্বি এলডিএল কমায়।🤗
৫. বিভিন্ন রকম সংক্রমণ থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
৬. স্ট্রবেরিতে আছে প্রচুর ফাইবার, যা ডায়াবেটিস ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।
৭. ওজন কমাতে সাহায্য করে।
৮. চুল পড়া রোধ করে।
৯. স্মৃতিশক্তি বাড়ায়।
১০. ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
07/10/2022
আসসালামু আলাইকুম।সবাই কেমন আছেন?আশা করছি সবাই আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছেন🥰।লেবু আমাদের সকলেরই প্রিয় একটি ফল।আজ আপনাদের সাথে লেবুর কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জানবো🥰চলুন তাহলে লেবুর কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আসি।।
লেবুর উপকারিতাঃ
লেবুতে আছে ফাইবার, ভিটামিন সি, ভিটামিন এ, ফোলেট, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, পটাশিয়াম। লেবু খেলে দেহের চর্বি কাটে ও ওজন কমাতে সাহায্য করে। লেবু পেটের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে উপযোগী। লেবুতে সাইট্রেট থাকে যা কিডনিতে পাথর হতে বাঁধা দেয়।🥰
লেবু আমাদের স্বাস্থের জন্য খুব উপকারী এটা আমরা সবাই জানি।কিন্তু অতিরিক্ত পরিমাণ লেবু সেবন করলে আমাদের স্বাস্থের অনেক ক্ষতি হতে পারে।আবার চলুন জেনে আসি লেবুর কিছু অপকারিতা সম্পর্কে।।
লেবুর অপকারিতাঃ
অতিরিক্ত লেবুর রস পান করলে যাদের অ্যাসিডিটির সমস্যা রয়েছে তাদের বুক জ্বালা করে। অতিরিক্ত লেবু খাওয়ার ফলে সাইট্রিক এসিড থেকে দাঁত ক্ষয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিয়ে থাকে।
ধন্যবাদ সবাইকে 🥰
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
4000
