Scribble Of Life
জীবনের গল্প স্বল্প, হাবিজাবি, রোজকার ঘটনা, রান্না বান্না, বাঁশ দেওয়া, বাঁশ খাওয়া, সবই এখানে পাওয়া যাবে এখন থেকে..... 😊😊😊
18/04/2026
❤️ একটা বয়সের পর জীবনে আর আদর আহলাদ বলে কিছু থাকেনা। কথাটা আসলে ঠিক না। বয়স কোন ব্যাপার না। ব্যাপার হলো মানুষ। যাদের কাছে আপনি আদর আহলাদ দেখাবেন তারা দুনিয়াতে থাকলে আপনার বয়স ৫ হোক আর ৫০ হোক, কোন ব্যাপার না। আদর আহলাদ জীবনে থাকবে। কিন্তু মানুষ গুলো না থাকলে কিছুই থাকবেনা জীবনে। বয়স কোন ব্যাপার না।
বড় মেয়ের প্রথমে হলো, তারপর ছোটটার। ছোটজন ভালো হওয়ার আগেই গত রাত থেকে আমার। জ্বর, হাচি, কাশি, ব্যাথা মোটকথা ফ্লু তে যা যা সম্ভব সবই হয়ছে। তার ভিতরেও একদম কিছু হয়নি ভাব নিয়ে মেয়েকে পরীক্ষা দেওয়াতে নিলাম। আবার আনলাম। আবার কালকে সকালে সবার স্কুল ও আছে। কিছু করার নাই। যেতে হবে।
দ্যা শো মাস্ট গো অন।
আমাদের তিনজনের আদর আহলাদের মানুষ একটাও আর নাই। তাই আমাদের তিনজনের আদর আহলাদ ও জীবনে আর নাই। তিতা সত্য।
17/04/2026
❤️ একজনের বৃত্তি পরীক্ষা, দুইজনের স্কুল( আজকে নাই), আর সবার ছোটজনের ১০২/১০৩ জ্বর সাথে সর্দি কাশি। ২/৩বেলা নেবুলাইজ ওষুধ নাকের ড্রপ এসব চলছে। রাতে ঘুমাতে দিচ্ছেনা। কোলে নিয়ে থাকতে হচ্ছে। তার গায়ের গরমে সিদ্ধ করে দিচ্ছে। সাথে ভালোবাসার লোডশেডিং। এতোকিছুর ভিতরেও আমি আমার গুন্নিকালের বান্ধবী Rifat Sultana কে প্রতিদিন মেসেজ দিয়ে জালাচ্ছি, বইমেলাতো শেষ হয়ে যাচ্ছে। কখন আমাকে নিয়ে যাবে।
গেবন এতো ছোন্দর ক্যা???? 🤪🤪🤪
16/04/2026
❤️ মেহমান হলো আল্লাহর রহমত। বাসায় মেহমান আসা মানে রিজিক বৃদ্ধি পাওয়া। তবে সবসময় মেহমান আসলে আমাদের কিন্তু ভালো লাগেনা। যদিও এটা গুনাহ। তারপরেও আসলেই কিছু কিছু মেহমান ভালো লাগার বদলে ভয় আর বিরক্ত লাগে।
কিছু মেহমান আছে দেখবেন বাসায় আসলে আপনার কোন টেনশন লাগবেনা। বাসা পরিপাটি আছে কিনা, তাদের কে স্পেশাল কি কি খাওয়াতে হবে, তাদের সামনে কিরকম ব্যবহার করতে হবে ইত্যাদি কোন চিন্তা করতে হয়না। বাসা যেমনই থাক আর মেনুতে যাই থাক, আন্তরিকতার কমতি হয়না। তারা আসলে তাদের সাথে মন খুলে গল্প করা যায়। কোন খুত ধরবে এমন ভয় ও লাগেনা। নিজের সামর্থ্যের ভিতর আপ্যায়ন করা যায়। এই ধরনের মেহমান বাসায় আসলে মন থেকে খুশি লাগে।
আবার কিছু মেহমান দেখবেন বাসায় এসেই নাক কুচকাবে। বাসার অবস্থা কেমন, তাদের কে কয় রকম নাস্তা দেওয়া হলো, কয়রকম তরকারি দেওয়া হলো ভাতের সাথে। কাপ, প্লেইট, গ্লাস কিরকম দেওয়া হলো। তাদের কে কতবার খাওয়ার জন্য সাধাসাধি করা হলো। কতবার তাদেরকে জি হুজুর জি হুজুর বলা হলো। তাদের প্লেইটে সব তুলে দেওয়া হলো কিনা। কত রকম খুত যে ধরা হয়। তাদের সামনে সারাক্ষন তটস্থ হয়ে থাকতে হয় ভয়ে। মন খুলে গল্প করাতো দুরে থাক, শান্তিতে বসা ও যায়না। একটু কিছু হলেই তারা মনে করে তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। এরকম মেহমান সত্যি বলছি আমার অন্তত একটু ও ভালো লাগেনা। এরা বাসায় আসবে বললে আরো আতংক লাগে। পারতপক্ষে এড়িয়ে চলতেই নিরাপদ মনে হয়।
আবার বাসায় যখন মেহমান আসে তাদেরকে আপনি নিজের মতো করে আপ্যায়ন করা বা গল্প করতে পারার ও ব্যাপার আছে। মেহমানদের সাথে কিরকম ব্যবহার করবেন, কত রকম নাস্তা দিবেন, কি করবেন না করবেন এসব নিয়ে যদি কেও আপনার মাথার উপর ছড়ি ঘুরাতে থকে, তখন ও কিন্তু মেহমান আসা আর ভালো লাগেনা। মেহমান আসা বা দাওয়াত উপলক্ষ্যে সারাক্ষন কেও খবরদারি করলে মন থেকে আর কিছুই করা হয়না।
মেহমানকে কত বার আসুন বসুন বললাম, বা কত রকমের নাস্তা বা তরকারি দিলাম তার চেয়েও আমার মনে হয় আন্তরিকতা বেশি জরুরী। লোক দেখানো মেহমানদারি করার চেয়ে মন থেকে মেহমানদারি করা বেশি জরুরী। লোক দেখানো বা বাড়াবাড়ি বা অতিরিক্ত খবরদারি বা খুত ধরা এসব ধরনের মেহমানদারিতে কতটা সওয়াব হয় আমার জানা নাই। তবে মনের শান্তি যে নষ্ট হয় এটা অন্তত বলতে পারি। মেহমান যেমন আল্লাহর রহমত আর বরকত, ঠিক সেভাবে মন থেকে আন্তরিকতার সাথে মেহমানদারি করাও জরুরী বলে মনে হয় আমার কাছে। মেহমান দেখলে যেন বিরক্তির পরিবর্তে মনে খুশি আসে শান্তি আসে সেটাই কাম্য হওয়া উচিত সবার।
❤️ বাচ্চাদের স্কুলে দিয়ে আসার পর বোন ডেকে বলছে একটা জিনিস দেখে যাও। গিয়ে দেখি ইনি জানালা দিয়ে রুমে ঢুকে কলা খাচ্ছেন। আমি তাড়াতাড়ি মোবাইল নিয়ে দুর থেকে ভিডিও করার চেষ্টা করলাম। কিন্তু কিভাবে যেন বুঝে ফেললো। তারপর উড়ে পালালো। আর আসতেসেনা। 🥺🥺🥺
14/04/2026
❤️ আজকের মেনু আলু ভর্তা, বেগুন ভর্তা আর কাচামরিচ শুটকি ভর্তা। মাছ মাংস রান্না করিনি। গতকাল শুধু ঘন্টা রান্না করছিলাম। তাও মাছ মাংস রান্না করিনি। দুপুরে পোলাপাইন সব কান্না করে ভাত খায়ছিলো। তাদের দুঃখে রাতে মাছ ভাজা করছিলাম। আজকে অবশ্য মাছ মাংস খুজবেনা। ভর্তা দিয়ে খুশি হয়ে ভাত খাবে সবাই। 😁😁😁
11/04/2026
❤️ বইটা প্রথমে প্রিঅর্ডার করছিলাম সেপ্টেম্বরে। এরপর বাকি সব প্রকাশনীর অনুবাদ চলে আসছে। কিন্তু এটা আর আসেনা। আমিও সালমান হকের টা ছাড়া আর কারোটা নিবোনা। অপেক্ষা করতেই আছি। কিন্তু আসেনা সে আসেনা। ফেব্রুয়ারীতে আবার পোস্ট দেখলাম। সাথে সাথে Bangla Bazar Books কে মনে করায় দিলাম আমার প্রিঅর্ডারের কথা। আবার নতুন করে প্রিঅর্ডার করলাম। তাও আরো দুই মাস অপেক্ষা করে অবশেষে বই হাতে পেলাম। কিন্তু আমার পিচ্চির এই বই এর কাভার এতো পছন্দ হয়ছে, কোনদিকে বই টা রাখতে পারছিনা। পড়তেও পারছিনা। কাভার ছিড়ার জন্য অস্থির হয়ে গেছে সে। 🙄🙄🙄
09/04/2026
❤️ বাসার মেজোজন নিয়ে কিছু দেখলেই আমি আর আমার ছোটবোন আমাদের মেজোজনকে নিয়ে দুষ্টুমি করি। অনেক লেখা দেখা যায় মেজোজন একটু জেদী হয়, ঝগড়াটে হয় ইত্যাদি। আমরা তখন মহা উৎসাহে আমাদের মেজোবোনকে নিয়ে দুষ্টুমি করি। তবে মজার ব্যাপার হলো বোনের ভিতর সে মেজো হলে আসলে কিন্তু সে আমাদের বাসার মেজো সন্তান না। তার হওয়ার কথা ছিলো সেজো জন। মেজো জন ছিলো অন্য কেও। যে এই দুনিয়াতে আসতে আসতেই আল্লাহ তাকে নিয়ে গিয়েছিলো। আমাদের মেজোজন হওয়ার কথা ছিলো আমাদের একমাত্র ভাই। যদিও আমার বয়স তখন ছিলো মাত্র ৭ বছর। বাকি দুজন তো দুনিয়াতে আসেনি। তবু কেন জানিনা এখনও আমার মনে আছে বড়মামার কান্না, আব্বুর কান্না, আম্মুর কান্না। সব যেন চোখের উপর ভাসে। মনে হয় কি এমন ক্ষতি হতো যদি সে বেঁচে থাকতো। এতোদিনে সে বিয়ে করতো, তার বাচ্চা কাচ্চা ও হয়তো থাকতো। কেমন হতো সে? ছোট বেলা থেকে আমার একটু ভাই এর সখ বেশি। হয়তো ও এসে চলে যাওয়ার কারনে সেই সখটা আরো বেশি মনের ভিতর চেপে বসেছিলো। মনের কোনায় হয়তো ওকে হারানোর ক্ষতটা কোনদিন শুকায়নি। ওর কথা সাধারনত কেও জানেনা তেমন। আমরাতো দেখিনি। আব্বু, বড়মামা দেখছিলো। আম্মুকেও দেখতে দেয়নি। মামা বলসিলো আমার মতোই হয়ছিলো। এটা মনে আছে আমার। ছোট থেকে তাই ভাই এর প্রতি অদ্ভুত আসক্তি। ছোট ভাইয়াকে ( Sami Islam) যতবার দেখি ততবার মনে হয় ছোট ভাইয়া আমার আপন ভাই কেন না? যদিও মনে মনে ছোট ভাইয়া আমার আপন ভাই। এরপর যখন Ziaul Hossain Tushar হলো, তখন মনে হলো এটাই আমার ভাই আবার আসছে। বরাবরই তুষারের প্রতি এই কারনে আমার আলাদা একটা পক্ষপাতিত্ব কাজ করে। এটা অনেকেই বুঝতে পারে ওকে আমি একটু আস্কারা দেই আসলে। ওর দোষ গুলোও আমার কাছে দোষের মতো লাগেনা। এরপর বিয়ের পর পেলাম Abu Montakim Tareq কে। বিয়ের পর শ্বশুড়বাড়িতে ওকে মনে হতো আমার সে ভাই। কত যে কাজ করে দিতো আমাকে। ছোট ভাইয়া, তুষার, তারেক সবসময় আমার আপন ভাই হিসেবেই থাকবে। তবু কেন জানিনা আমার এখনো আমার সে না দেখা, চলে যাওয়া ভাই এর কথা মনে পরে। ওকে আমি ভুলতে পারিনা। আম্মু আব্বুর সাথে ওর হয়তো বেহেশতে দেখা হবে। আমার সাথে তো কোনদিনই দেখা হবেনা। তাই হয়তো ভুলতেও পারিনা।
06/04/2026
❤️ কিছু কিছু বৌ আছে দেখবেন, হাসব্যান্ড বাসায় আসার সাথে বাসার বাকিদের নিয়ে বিশেষ করে শ্বাশুড়ি, ননদ, দেবর, জা এদের নিয়ে বাসায় কিছু হলে সেটাকে বাড়ায় চাড়ায় বলে হাসব্যান্ডের কান ভারী করে। ফলাফল বাসায় ঝামেলা, মন কালাকালি, ইত্যাদি।
আবার কিছু মেয়েকে দেখবেন ভাই আর ভাই এর বৌ ভালো থাকলে সহ্য করতে পারেনা। ভাইকে তার বৌ এর নামে উল্টাপাল্টা কথা লাগায় তাদের ভিতর গোলমাল লাগায় দেয়।
আবার কিছু মহিলাকে দেখবেন ছেলে বাসায় আসার সাথে ছেলের বৌ এর নামে উল্টাপাল্টা লাগাবে, কিছু হলে সেটা আরো বাড়ায় বলবে, পারলে কিছু বানায় বলবে, বৌ এর সাথে ছেলের সমস্যা সৃষ্টি করবে। পারলে ছেলে অফিসে থাকতে সেখানে ফোন করে কথা লাগাবে। মোটকথা ছেলে যেন কোনভাবেই বৌ এর সাথে ভালো থাকতে না পারে তার সবরকম চেষ্টা করবে।
এসব মহিলা বা মেয়েদের ভিতর কেও কেও আবার আরো এক ধাপ আগায় থাকে। তারা নানারকম ইমোশোনাল ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে অপরপক্ষের কাছে নিজেরা ভিকটিম সাজে। এমনভাবে কথা বলে যেন মনে হয় তারাতো কোন গোলমাল করতে চাচ্ছেনা। শুধু একটু সহানুভুতি চাচ্ছে। এভাবে আগুনে ঘি ঢালে। মানে আরো গোলমাল লাগায় দেয়।
কিছু কিছু পুরুষ খুব সুন্দর ভাবে এসব সামলাতে পারে। তারা কখনোই এসব গোলমালে নিজেকে জড়ায়না। সাবধানে সব ব্যালেন্স করে চলে। তবে এমন পুরুষের সংখ্যা খুবই কম। কেও কেও শান্তির আশায় মা, বা বৌ বা বোন যা বলে সেরকম করে চেষ্টা করে নিজেকে বাঁচাতে। তবে বেশিরভাগ পুরুষই এগুলোতে তালে তাল মিলায়। তাদের ভিতর কেও কেও জানে এবং বুঝতে পারে যে তার বৌ বা মা বা বোন এসব বানিয়ে বলছে। তবু সে এসব নিয়ে গোলমাল করতে পছন্দ করে।
এসবের ভিতর সত্যিকারের যে ভিকটিম তার মানসিক অবস্থার কথা কেও চিন্তা করেনা। দিনের পর দিন মানসিক অত্যাচার সহ্য করতে করতে তার সাধারন চিন্তা ভাবনা লোপ পায়। শুধু একটু শান্তিতে থাকার জন্য সে চুপ করে থাকতে থাকতে একসময় মানসিক রোগীতে পরিণত হয়।
আর এগুলো কোন নাটক সিনেমাতে হয়না। আমাদের সবার নিজেদের ঘরের ভিতরেই হয়।
05/04/2026
❤️ আপনি যদি অর্থনৈতিকভাবে হটাত সচ্ছল হয়ে যান, আর ভালো থাকেন, তখন দেখবেন কিছু মানুষের সমস্যা হচ্ছে। আবার আপনি যদি হটাত করে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল হয়ে যান, কিন্তু ভালো থাকেন, তখনও দেখবেন কিছু মানুষের সমস্যা হচ্ছে।
অর্থনৈতিক ভাবে সচ্ছল এবং ভালো থাকলে কিছু মানুষ খুব টেনশনে থাকবে আপনি কিভাবে এতো সচ্ছল হলেন, আপনার টাকা আছে মানে আপনি খুব ভালো আছেন, সুখে আছেন, যা ইচ্ছে করতে পারছেন, অনেকেই যা পাচ্ছেনা, আপনি তা পাচ্ছেন, ইত্যাদি এই ব্যাপারগুলোতে কারো সমস্যা হলে এটা সাধারন ব্যাপার বলা যায়। কেও উন্নতি করলে কারো হিংসা লাগতেই পারে।
কিন্তু যখন আপনি অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল না, তখন? এখানে কিন্তুটা হলো, আপনি অর্থনৈতিক ভাবে সচ্ছল না, কিন্তু আপনি ভালো আছেন। কেন ভালো থাকবেন আপনি? কেন আপনি দুঃখ কষ্টে থাকবেন না? কেন সারাক্ষন আফসোস করবেন না? কেন আপনার ভিতর সবসময় আলহামদুলিল্লাহ বলার মতো কারন থাকবে, এটাই কারো কারো ভালো নাও লাগতে পারে। অর্থনৈতিক ভাবে সচ্ছল না হয়েও আপনার ভিতর অভাবে আছেন টাইপ কোন ভাব নাই দেখলে কারো কারো কষ্ট লাগতে পারে। এটা একটা অদ্ভুত টাইপ হিংসা। 😁😁😁
আফসোস করা আমার ভীষন অপছন্দের একটা ব্যাপার। যত কষ্টই হোক না কেন।
02/04/2026
❤️ ছোটবোন রুম অন্ধকার করে শুয়ে ছিলো। দরজার ফাঁক দিয়ে এইটা ঢুকায় ভয় দেখানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু আফসোস ভয় পায়নায়। ছেলেদের বললাম এটা তোদের রুমে ঝুলায় রাখ। রাতে যখন ঘুম ভাঙ্গবে তখন অন্ধকারে দেখে চিতকার দিবি। তারাও রাজি না। এখন কেও আমার রুমে না দিলেই হলো। আমিতো চিতকার দেওয়ার আগেই ভয়ে উপরে উঠে যাবো। মনেও থাকবেনা যে এই জিনিস আমি নিজেই কিনে আনছি। 🙄🙄🙄।
01/04/2026
❤️ কে একটা যেন বিয়ে করছে, সবার কত পোস্ট দেখতেসি। দুঃখের ব্যাপার হলো ঐ মেয়েরেও আমি চিনিনা। যার যে বয়সে ইচ্ছে বিয়ে করুক। এতো কিছু বলে বা না বলে ও কারো কিছু হবেনা। তবু মানুষ বলতেসে। আমি শুধু এইটুকুই বলব, সবাই শুধু বিয়ে করে, দাওয়াত দেয়না কেন? 🙄🙄🙄
01/04/2026
❤️ অনলাইন অফলাইন ক্লাস নিয়ে আবার চারদিকে শোরগোল চলছে। এটাতো বলার কোন আবশ্যকতা নাই যে অনলাইন ক্লাসে পড়ালেখার অনেক ক্ষতি হয়। বাচ্চারা অনেক পিছিয়ে পরে। অফলাইন ক্লাসের কোন বিকল্প নাই। আর তাছাড়া শহরের দিকে অনলাইন ক্লাস ততো সমস্যা হয়তো হবেনা, তবে গ্রামের দিকে এটা সম্ভব না। কয়জনেরই বা স্মার্ট ফোন থাকে, আর কয়জনেরই বা ওয়াইফাই কানেকশন থাকে। ওয়াইফাই না থাকলে ডাটা কিনে অনলাইন ক্লাস করা অনেক খরচের ব্যাপার। আবার শহরেও সবার কিন্তু সবরকম সুবিধা নাই। আমার দিক থেকে বললে আমাদের বাসায় ওয়াইফাই কানেকশন আছে, স্মার্ট ফোন আছে, তাই হয়তো সহজে অনলাইন ক্লাস করা যাবে। আর আমার জন্য আরেকটা সুবিধা হবে, আমার অনেক টাকা গাড়িভাড়া বেঁচে যাবে। তবে এটা শুধুই আমার পার্সোনাল ব্যাপার। সবকিছু মিলিয়ে চিন্তা করলে কিন্তু অফলাইন ক্লাসই বেস্ট। শহরে অনলাইন ক্লাস চালালেও আমার মনে হয় গ্রামের দিকে এটা না করাই ভালো হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Chittagong
