Dynamic Health care
our products 100% Organic & pure, so no side affect
এটা বাংলাদেশ বিসিএস সাইন্সল্যাবের পরিক্ষিত ১ মাত্র প্রডাক্ট এবং বিএসটিআইয়ের অনুমোদিত কোনো সাইড এফেক্ট নেই সম্পুর্ন ন্যাচারাল। যা আপনাকে দিবে স্থায়ী সমধান। ইনশাআল্লাহ ১০০% ভালো রেজাল্ট পাবেন। স্থায়ী রেজাল্ট এর জন্য ২মাস ব্যবহার করতে হবে।
20/01/2025
✅আসসালামু আলাইকুম !!
✡️বিনা অপারে/শনে, কোনরকম পা/র্শ্ব প্রতি/ক্রিয়া ছাড়া, মলদ্বা/রের অতি"ষ্ঠ রোগের স্থা/য়ীভাবে স-মাধান করুন, মাত্র (১৫-২০) দিনে,
💠দ্রু-ত সমাধানের জন্য এখনই অর্ডার করুন⬇️
20/01/2025
💠অর্শ & পাইলস !!🌿
✴️অপা/রেশন ছাড়া, স্থা/য়ীভাবে ভেতর থেকে নির্মূল করুন, মাত্র (১৫-২০) দিনে। কোন/রকম পার্শ্ব প্রতি/ক্রিয়া নেই।
➡️স্থায়ী সমাধানের জন্য এখনই অর্ডার করুন⬇️⬇️
20/01/2025
✅পাইলস & অর্শ
✡️বিনা অপা/রেশনে স্থা/য়ীভাবে স-মাধান করুন কোনরকম পা/র্শ্ব প্রতি/ক্রিয়া ছাড়া, মাত্র (১৫-২০) দিনে।
➡️স্থায়ী সমাধানের জন্য এখনই অর্ডার করুন⬇️
26/03/2024
✅ পাইলস বলতে আমরা বুঝি মলদ্বারের ভেতরে ফুলে ওঠা রক্তের শিরার একটি মাংসপিণ্ড। এরূপ রক্তের শিরার মাংসপিণ্ড বা ‘কুশন’ সব মানুষেরই রয়েছে।
তাই প্রকৃত অর্থে পাইলস বা ‘হেমোরয়েড’ আমরা তখনই বলি, যখন এটি কোনোরূপ উপসর্গ সৃষ্টি করছে। যেমন মলদ্বারের বাইরে ঝুলে পড়া মাংসপিণ্ড অথবা রক্ত যাওয়া, ব্যথা হওয়া। প্রতিটি মানুষের তিনটি পাইলস বা ‘কুশন’ আছে। অতিরিক্ত কোষ্ঠকাঠিন্য, দীর্ঘদিন যাবৎ ডায়রিয়া, বাথরুমে বেশিক্ষন বসে থাকা বা মলত্যাগের সময় স্বাভাবিকের চেয়েও বেশি জোরে চাপ দেয়া ইত্যাদি কারনে এ কুশন বা পাইলস বাইরের দিকে বেরিয়ে এসে ঝুলে থাকে। এরুপ সমস্যাকেই পাইলস বা অর্শ্বরোগ বলা হয়।
✅ বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে ক্লিক করুন📩📩
✅অথবা করুন☎️☎(01970088742)
26/03/2024
✅ পায়ুপথের পেছনের যেই অংশে মল জমা থাকে তার নাম হলো রেক্টাম বা মলাশয়। মলাশয় থেকে মল বা পায়খানা মলদ্বার দিয়ে বের হয়ে আসে। মলদ্বারের মুখের চারপাশে যেই মাংসপেশি থাকে তাতে চাপ প্রয়োগ করে পায়খানার রাস্তার মুখ বন্ধ করা যায় এবং খোলা যায়।
মলত্যাগের সময় খুব জোরে চাপ দিলে বা পায়খানা শক্ত হলে মলদ্বারের মুখের চারপাশের চামড়া অনেকসময় ফেটে বা ছিড়ে যায়৷ মলদ্বারের এই ছিড়ে যাওয়া ক্ষতকে এনাল ফিশার বলে..
➡️ বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে ক্লিক করুন📩📩
সরাসরি যোগাযোগ করুন☎️☎️(01970088742)
26/03/2024
✅ ফিস্টুলা হলো মলদ্বারের ভিতরে একটি ছোট সুড়ঙ্গ বা নালি, যা মলদ্বারে সংক্রমিত গহ্বরকে মলদ্বারের চারপাশের ত্বকের সঙ্গে সংযুক্ত করে। মলদ্বারের মাধ্যমে শরীর থেকে মল বের হয়ে থাকে। মলদ্বারের ঠিক ভেতরে অনেকগুলো ছোট ছোট গ্রন্থি রয়েছে, যা মিউকাস বা শ্লেষ্মা তৈরি করে থাকে। মাঝেমধ্যে এই গ্রন্থিগুলো আটকে যায় এবং সংক্রমিত হতে পারে, যার ফলে মলদ্বারের ভিতরে ফোড়া হয়ে থাকে। এই ফোড়াগুলোর প্রায় অর্ধেকই পরবর্তী সময়ে ফিস্টুলায় পরিণত হয়ে থাকে।
✅ বিস্তারিত জানতে সেন্ড মেসেজ অপশনে ক্লিক করুন অথবা সরাসরি যোগাযোগ করুন ☎️📞01970088742
26/03/2024
🔰পাইলস, এনাল, ফিসার, জন্য আমরা নিয়ে এসেছি একটি স্থায়ী♻️
সমাধান। যা প্রাকৃতিক মাধ্যমে তৈরি আপনার যে সমস্যাটি রয়েছে একটি
পুরোপুরিভাবে স্থায়ীভাবে সমাধান দিয়ে দিবে চিরতরে... 🌿🌿🥰🔰পাইলস, এনালফিসার, ফিস্টুলা রোগীদের খাদ্য.. 🥰
👉গাজর,বাঁধাকপি,ফুলকপি, পেঁয়াজ, শসা,টমেটো,এই সব সবুজ সবজি পাইলসের রোগীরা খেতে পারেন। ফলে বিশাল পরিমাণে পুষ্টি, খনিজ এবং ভিটামিন থাকে.. 😊😊
আপেল, আঙুর,কিশমিশ ইত্যাদি। তন্তজ ফল গুলি খোসাসহ খাওয়া খুব উপকারী..🥕🥔🥦🍅
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ করুন ✅♻️🔰
অথবা কল করুন ☎️📞01970088742
26/03/2024
এনাল ফিসার একধরণের পায়ুপথের রোগ। পায়খানা করার সময় খুব বেশি জ্বালাপোড়া হওয়া অথবা ছুরির ধারের মত ব্যথা করা — এটি একটি পরিচিত সমস্যা। কারো কারো ক্ষেত্রে এই ব্যথা এতই তীব্র হয় যে নিয়মিত মলত্যাগ করাই তাদের জন্য অসহনীয় হয়ে দাঁড়ায়। এই লক্ষণগুলো সাধারণত এনাল ফিসার রোগের লক্ষণ। বাংলায় এটি গেজ রোগ নামেও পরিচিত।
পায়ুপথের রোগ বলে অনেকেই এই সমস্যায় দীর্ঘদিন ভোগা সত্ত্বেও সহজে ডাক্তার দেখাতে চান না। ফলে দিন দিন গেজ রোগ জটিল আকার ধারণ করে। একপর্যায় অপারেশন করা ছাড়া এই রোগ প্রতিকারের উপায় থাকে না। অথচ প্রাথমিক গেজ রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া গেলে খুব সহজেই এই জটিল পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব।
সেবানিতে মেসেজ অপশনে ক্লিক করুন ↙️✅
অথবা কল করুন☎️📞01970088742
26/03/2024
⏩এইবার পাইলস,এনাল ফিসার,ফিস্টুলা সমস্যা
কে চির বিদায় দিয়ে মুক্ত হতে চান।✅
তাহলে তীব্র বেদনা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য থাকছে সম্পূর্ন ন্যাচেরাল উপাদান তৈরি পাইলস কিউর, কষ্টদায়ক রোগ থেকে মুক্তি দিয়ে আপনাকে সুস্থ করে তুলবে ইনশাআল্লাহ;
↪️ বিস্তারিত জানতে আমাদের মেসেজ অপশনে ক্লিক করুন অথবা সরাসরি হটলাইনের যোগাযোগ করুন..;
👇
☎বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ করুন ✳️⬇️
অথবা কল করুন☎️📞01970088742
26/03/2024
↪️'সময় ধরে কাজ করা, ভারী ওজন তোলা, স্থূলতা ইত্যাদি । এমনকি গর্ভাবস্থায়ও পাইলস হওয়ার ঝুঁকি বেশী থাকে । পাইলস রোগ হওয়ার কারণ নিচে দেওয়া হল –
• দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য
•নিয়মিত টয়লেটে না যাওয়া
•অনেকক্ষণ ধরে এক পজিশনে বসে থাকা
•দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা
•পেট পুরোপুরি পরিষ্কার না হওয়া
মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত চাপ
অনেকক্ষণ টয়লেটে বসে থাকা।
•রোগটি পিতামাতার কাছ থেকেও স্থানান্তরিত হতে পারে (জেনেটিক্সের কারণে)
•দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়ার সমস্যা
•খাবারে পুষ্টির অভাব
অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবার খাওয়া
•বেশি ওষুধ খেলেও পাইলস এর সমস্যা হতে পারে
অতিরিক্ত ওজনের কারনে
•প্রসবের সময় মহিলাদের পাইলস হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে, কারণ এই সময় মলদ্বার এলাকায় বেশি চাপ পরে.! 🔰
বিস্তারিত জানতে মেসেজ অপশনে ক্লিক করুন,✅↙️
অথবা কল করুন☎️📞01970088742
26/03/2024
⬇️পাইলসের সমস্যার এত বাড়বাড়ন্ত কেন?⬅️
◾দীর্ঘ দিন কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগা, ক্রনিক ডায়রিয়া, মলত্যাগে দীর্ঘ ক্ষণ শৌচাগারে বসে থাকা✳️ পাইলসের সমস্যার কিছু মূল কারণ। অর্থাৎ বেগ আসছে না, কিন্তু এক জন টয়লেটে বসে দীর্ঘ ক্ষণ মলদ্বারে চাপ দিয়ে যাচ্ছেন, এটাই হচ্ছে পাইলস হওয়ার প্রধান কারণ। এ ছাড়া পারিবারিক ইতিহাস, ফাইবার যুক্ত খাবার কম খাওয়া, গর্ভাবস্থা ও ভারী জিনিস তোলার কারণেও পাইলস হতে পারে।🔰
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ করুন ✅
অথবা কল করুন☎️📞01970088742
26/03/2024
♻️◾ যে কারণে আপনার পাইলস হওয়ার সম্ভাবনা হতে পারে :
স্থূলতা: অতিরিক্ত ওজন হেমোরয়েডাল টিস্যুতে চাপ দিতে পারে।
বার্ধক্য: আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে মলদ্বার এবং মলদ্বারের সংযোজক টিস্যু দুর্বল হয়ে যায়, যার ফলে সম্ভাব্য পাইলস হতে পারে।
গর্ভাবস্থা: ভ্রূণ বেড়ে ওঠার সাথে সাথে পেটে চাপ পড়ে, মলদ্বার এবং মলদ্বারের শিরাগুলি বড় হয়ে যেতে পারে। সমস্যাটি সাধারণত জন্মের পরে চলে যায়।✅
ডায়রিয়া
1) টয়লেটে দীর্ঘ সময় ব্যয় করা
2) নিয়মিত ভারী বস্তু উত্তোলন
3) দীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য
4) মলত্যাগের স্ট্রেইন🔰
5) কম ফাইবার যুক্ত খাবার খাওয়া♻️
6) মেদবৃদ্ধি
7) কিছু রোগ যেমন সিরোসিস✅
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে মেসেজ করুন ✳️⬇️
অথবা কল করুন☎️📞01970088742
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
CHITTAGONG
