Body Fitness Gym
"স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল"
01/01/2022
Happy new year 🎆🎈🎊
From Body fitness gym CEPZ Freeport.
19/09/2020
31/05/2020
এস.এস.সি ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থী ভাই-বোনদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন ।
সকলের জন্য অনেক শুভকামনা রইলো আর অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের জন্য রইলো আগামী পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করার অনুপ্রেরণা....
28/10/2019
জিম করার উপকারিতা :
প্রিয় গ্রাহক,ব্যায়াম করার সময় মাংসপেশি রক্তবাহী ধমনী ও শরীরকে মালিশ করে ফলে রক্ত সঞ্চালন ক্রিয়ার উন্নতি হয়। ব্যায়ামের মাধ্যমে দীর্ঘ শ্বাস-প্রশ্বাস ক্রিয়া আন্দোলিত হয় ফলে লোহিত কণিকা বেশি অক্সিজেন গ্যাস দেহের কোটি কোটি কোষে রক্ত কর্তৃক সরবরাহ করে। নিখুঁত স্বাস্থ্য নিঃসৃত সঞ্চালন ক্রিয়ার ওপরে নির্ভরশীল এবং নিখুঁত রক্ত সঞ্চালন ব্যায়ামহীনতায় অসম্ভব। রক্ত সঞ্চালন তন্ত্রের একটি নিয়ম রয়েছে এবং তা হচ্ছে যে, রক্ত দেহের সেখানেই বেশি জমা হয় যেখানে বেশি কাজ বা ক্রিয়া সাধিত হয়। বহুক্ষণ ধরে বিভিন্ন ধরনের চর্চার ফলে মাথাব্যথা হতে পারে কারণ সেখানে বেশি রক্তের উপস্থিতি রয়েছে। রক্ত সঞ্চালনে ভারসাম্যতা রক্ষার সর্বোত্তম পন্থা হচ্ছে শরীরচর্চা বা ব্যায়াম করা। এখন তাহলে বিবেচনা করুন আপনার হৃদযন্ত্রে নিয়মিত ব্যায়াম ছাড়া কী করে উপকৃত হতে পারে! বিশ্বস্ততা সহকারে ব্যায়াম করলে তা থেকে হৃদস্পন্দন হ্রাস পায়। অল্পদিনের মধ্যেই হৃদস্পন্দন মিনিটে ৫ স্পন্দনে নামিয়ে আনা সম্ভব। এর ফলে ঘণ্টায় ৩০০ এবং দিনে ৭০০০ এর বেশি হৃদস্পন্দন আপনি সংরক্ষণ করতে সক্ষম হবেন। এভাবে অংক কষে দেখুন এক বছরে আপনার হৃদযন্ত্র কী পরিমাণ কাজ থেকে মুক্তি পেতে পারে। ব্যায়ামের ফলে আপনার হৃদযন্ত্রের আয়ু বৃদ্ধি পেতে বাধ্য। একই সঙ্গে ব্যায়াম করার ফলে আপনার হৃদপেশিতে রক্ত সরবরাহকারী কৈশিক নালির সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। আপনার হৃদযন্ত্রের জন্য সংরক্ষিত ধমনীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় ফলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি হ্রাস পায়। করোনারি ধমনীর (হৃপিণ্ডে রক্ত বহনকারী) আকার ও ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।এছাড়া ব্যায়াম করলে মন মানসিকতা ভাল থাকে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
ভর্তি সম্পর্কে অথবা যেকোনো পরামর্শের জন্য সরাসরি যোগাযোগ করুনঃ
Address: 3rd Floor, Basir Plaza, Kolshi Digi Road, E.P.Z Gate, South Middle Halishahar, Bandar, Chittagong 4218
Mobile:01675-631944
28/09/2019
মেনে চলুন জিম করার নিয়ম কানুনঃ
সুঠাম দেহের অধিকারি ও আকর্ষনীয় ফিটনেস তৈরি করতে বর্তমানে তরুন তরুনীরা ছুটছেন জিমাগারে। এখানে রয়েছে ব্যায়ামের নানা যন্ত্রপাতি। ব্যায়াম করার জন্য জিমের যন্ত্রপাতি যত্রতত্র ব্যবহার করলে চলবে না। এসবের সঠিক ব্যবহার ও পাশাপাশি কিছু নিয়ম কানুন মেনে জিম করতে হবে। তবেই কেবলমাএ এ থেকে সুফল আসবে। তাই মেনে চলুন জিম করার নিয়ম কানুন-
১) জিমে ভর্তি হওয়ার আগে খোঁজ খবর নিয়ে ভেবে নিন কোন জিম সেন্টারে আপনি ভর্তি হতে পারবেন। আপনার বাসার কাছাকাছি কোন ভালো জিম সেন্টার থাকলে সেখানেই ভর্তি হতে পারেন এতে আপনার টাইম ম্যানেজমেন্টে ও যাতায়াতে সুবিধা হবে।
২) প্রথমেই জিমের ফিটনেস ট্রেনারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আপনি কি ধরনের ফিটনেস তৈরি করতে চান তা ট্রেনারের সাথে খোলাখুলি ভাবে আলোচনা করে নিন। জিম করার জন্য কতটা সময় আপনি বরাদ্দ রেখেছেন, কোন সময়টা আপনার জন্য উপযোগী, কোন শারীরিক অসুস্থতা আছে কিনা সেই সমস্ত বিষয় নিয়ে ফিটনেস এক্সপার্টের সঙ্গে কথা বলে আপনার ফিটনেস পরিকল্পনা তৈরি করুন।
৩) জিমে ভর্তি হওয়ার পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ ফিটনেস এক্সপার্টের উপস্থিতিতে ফিটনেস ইকুইপমেন্ট গুলো ব্যবহার করুন। কোন ফিটনেস ইকুইপমেন্ট ব্যবহার করতে অসুবিধা হলে সেই ইকুইপমেন্টটি ব্যবহারের নিয়মকানুন সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন। প্রয়োজনে ফিটনেস এক্সপার্টের সাহায্য নিন।
৪) জিম করার সময় অবশ্যই জিমের উপযোগী পোশাক এবং ফিটনেস জুতা ব্যবহার করবেন। এছাড়াও অন্যান্য সুবিধার জন্য একটি ফিটনেস ব্যাগ সবসময় নিজের কাছে রাখতে পারেন। আর এতে তোয়ালে, পানির বোতল ইত্যাদি প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো রাখতে পারেন।
৫) জিম করার প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিদিন ঘন্টা খানেক সময় জিম করুন এবং তা আস্তে আস্তে বাড়ান। প্রথম দিকে ২ থেকে ৩ ঘন্টা করে ব্যায়াম করলে শরীরের উপর চাপ পড়তে পারে।
৬) প্রথম মাসে জিম করার জন্য আধ ঘন্টা বরাদ্ধ রাখলে হাতে মোট ১ ঘন্টা সময় রাখুন। জিমের সময় সকাল বা বিকালে নিধারন করুন। সকালে বা বিকালে জিম করার জন্য প্রস্তুতি নিতে বেশ কিছু দিন সময় লাগবে। মনোযোগ দিয়ে জিমের যন্ত্রপাতির ব্যবহার শেখার চেষ্টা করুন। জিম শেষ করার পর অন্তত ১৫ মিনিট রিল্যাক্স করুন।
৭) প্রাথমিক পর্যায়ে জিম থেকে ফিরেই কাজে বেরনোর জন্য তাড়াহুড়ো করবেন না। নিজের শরীরের জন্য উপযোগী পরিমান খাবার খেয়ে একটু রেস্ট নিয়ে অফিস কিংবা অন্য কোন কাজে বের হবেন। ঘরে এবং বাইরে অতিরিক্ত কাজের চাপ থাকলে সপ্তাহে ৩ দিন জিম করতে যেতে পারেন। বাকি দিন গুলো বাসাতেই ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন।
৮) জিমে ভর্তি হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে কিছুটা সময় ব্যয় করতেও অসুবিধা হতে পারে। কিন্তু জিমে ভর্তি হয়ে কখনোই হঠাৎ করে জিমে যাওয়া বন্ধ করবেন না। কয়েকমাস জিম করার পর অভ্যাস হয়ে গেলে ফিটনেসের জন্য প্রতিদিন কিছুটা সময় ব্যয় করতে কোন অসুবিধা হবে না।
৯) নিজের উপর পজিটিভ মনোভার রাখুন এবং ধৈর্য্য নিয়ে জিম করুন। কত তাড়াতাড়ি ফিটনেস গোল অর্জন করতে পারবেন তা নিয়ে কখনোই টেনশন করবেন না। জিমের সময়টুকু উপভোগ করার চেষ্টা করুন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
Chittagong
4218
Opening Hours
| Monday | 08:00 - 23:00 |
| Tuesday | 08:00 - 23:00 |
| Wednesday | 08:00 - 23:00 |
| Thursday | 08:00 - 23:00 |
| Friday | 17:00 - 21:00 |
| Saturday | 08:00 - 23:00 |
| Sunday | 08:00 - 23:00 |
