MUST BUY SHOP

MUST BUY SHOP

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MUST BUY SHOP, Beauty, cosmetic & personal care, Chittagong.

14/12/2021

#পু*রু*ষে*র_শ*ক্তি
#সঠিক সমস্যায়_সমাধান
খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রোডাক্ট।
ফেইজবুক রুলস এর কারণে বিস্তারিত লিখতে পারলাম না, ইনবক্সে ডিটেইলস জানুন, পোষ্টির নিচে ডান পার্শ্বে সেন্ড ম্যাসেজ অপশনে ক্লিক করুন অথবা কল করুন - 01639 003 632

13/12/2021

বাদামের পুষ্টিগুণ:

বাদাম ছোট বড় সবার কাছেই জনপ্রিয় একটি খাবার । কিন্তু বাদামে চর্বির পরিমান বেশি থাকার কারনে অনেকেই মনে করেন তা বেশি খেলে সহজেই মোটা হয়ে যায়। আসলে এ ধারনাটা ঠিক নয় বাদাম শরীর স্লিম হওয়াকে সহায়তা করে এবং হার্ট সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

পুষ্টি বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা গবেষণার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, বাদাম কার্যকর ভাবে আমাদের হার্টকে সুস্থ রাখতে এবং শরীরকে স্লিম রাখতে সাহায্য করে।

বাদাম ও বাদাম তেলের মধ্যে রয়েছে ফলিক এ্যাসিড যা শরীরের ক্যালরি কমানোর বিষয়টিকে ত্বরান্বিত করতে পারে এবং রক্ত নালিতে জমে থাকা মেদ কমাতে সাহায্য করে। তাছাড়া বাদামের মধ্যে অনেক ধরনের সহায়ক কোষপুঞ্জ রয়েছে যা অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।

13/12/2021

শরীরকে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন এক বাটি করে কড়াইশুঁটি খেতে ভুলবেন না যেন...!

সম্প্রতি হওয়া এই গবেষণায় দেখা গেছে কড়াইশুঁটি কাঁচা অবস্থায় হোক কী রান্নায় দিয়ে, যে কানও অবস্থাতেই যদি নিয়মিত খাওয়া যায়, তাহলে নানা উপকার মেলে, বিশেষত শরীরকে রোগমুক্ত রাখতে এই সবজিটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কারণ কড়াইশুঁটির অন্দরে উপস্থিত ভিটামিন কে, ম্যাঙ্গানিজ, ডায়াটারি ফাইবার, ভিটামিন বি১, কপার, ভিটামিন সি, ফসফরাস, ফলেট, ভিটামিন বি৬, নিয়াসিন, ভিটামিন বি২, জিঙ্ক, প্রোটিন, আয়রন এবং পটাসিয়াম শরীরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখায় যে একাধিক রোগ দূরে পালাতে বাধ্য হয়। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু শারীরিক উপকারও মেলে। যেমন ধরুন...

১. ভাবী মায়েদের জন্য উপকারি:

বেশ কিছু স্টাডিতে দেখা গেছে গর্ভাবস্থায় বেশি করে ফলেট সমৃদ্ধি খাবার খাওয়া শুরু করলে মা এবং বাচ্চার যেমন শারীরিক উন্নতি ঘটে, তেমনি প্রসবকালে কোনও ধরনের জটিলতা হওয়ার আশঙ্কাও কমে। তাই তো ভাবী মায়েদের নিয়মিত কড়াইশুঁটি খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। আসলে এই সবজিটির অন্দরে এত মাত্রায় ফলেট রয়েছে যে তা দেহের অন্দরে এই বিশেষ উপাদানটির ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. শরীরে টক্সিক উপাদানের মাত্রা কমতে শুরু করে:

কড়াইশুঁটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন সি, বি৬ এবং ফলেট, যা রক্তে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের শরীর থেকে বের করে দিতে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। ফলে দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা যেমন কমে, তেমনি দেহের অন্দরে প্রদাহের মাত্রা বেড়ে গিয়ে নানাবিধ রোগ ঘাড়ে চেপে বসার সম্ভাবনাও আর থাকে না বললেই চলে।

৩. ক্যান্সারের মতো মারণ রোগকে দূরে রাখে:

একেবারে ঠিক শুনেছেন বন্ধুরা! আধুনিক স্টাডিতে ইতিমধ্যেই একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে স্টমাক ক্যান্সারের প্রকোপ কমাতে কড়াইশুঁটির কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এই সবজিটিতে উপস্থিত বিশেষ এক ধরনের পলিফেনল এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, এক কাপ কড়াইশুঁটিতে কম-বেশি ১০ মিলিগ্রাম পলিফেনল থাকে, যেখানে মাত্র ২ মিলিগ্রাম শরীরে প্রবেশ করলেই স্টামাকে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে শূন্যে এসে পৌঁছায়।

৪. অতিরিক্ত মেদ ঝরে যায়:

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে কড়াইশুঁটির অন্দরে থাকা ফাইবার, প্রোটিন এবং মাইক্রো-নিউট্রিয়েন্ট শরীরের অন্দরে প্রবেশ করা

13/12/2021

রাত জাগা !
আর এমন পরিস্থিতে ত্বককে চাঙ্গা রাখতে নিম তেলের ব্যবহার কিন্তু মাস্ট...

বছরের একটা সময়ে রোদে পুড়ে, সঙ্গে জাঙ্ক ফুড খাওয়ার মাত্রাটা এত বেড়ে যায় যে ত্বকের বারোটা বাজতে সময় লাগে না। তার উপর রাত জাগা তো আছেই। তাই এইসব নানা কারণে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য তো কমেই, সেই সঙ্গে সৌন্দর্য কমে যাওয়া, ডার্ক সার্কেল সহ আরও নানাবিধ ত্বকের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। তাই তো এমন পরিস্থিতিতে পুজো চারদিন সৌন্দর্য ধরে রাখতে নিম তেলের ব্যবহার মাস্ট! কিন্তু কেন?

প্রায় ৪০০০ বছর ধরে শরীর এবং ত্বকের পরিচর্যায় এই প্রাকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লগানো হচ্ছে। কারণ নিমের অন্দরে উপস্থিত একাধিক উপাকারি উপাদান ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র এমন খেল দেখায় যে ত্বক চাঙ্গা হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে আরও বেশ কিছু উপকার পাওয়া যায়। যেমন ধরুন...

১. ড্রাই স্কিনের মতো সমস্য়া দূরে পালায়:
একাধিক গবেষমায় দেখা গেছে নিম তেলে উপস্থিত এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড, ট্রাইগ্লিসারাইড, ভিটামিন ই এবং ক্যালসিয়াম ত্বকের অন্দরে প্রবেশ করা মাত্র এমন কিছু করে, যার প্রভাবে ড্রাই স্কিনের মতো সমস্য়া দূরে পালাতে সময় লাগে না।

২. টোনার হিসেবে দারুন কাজে আসে:
পুত্বকের যাতে কোনও ক্ষতি না হয়, তা সুনিশ্চিত করতে টোনার হিসেবে নিম তেলকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! আসলে এমনটা করলে ত্বকের অন্দরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানেরা বেরিয়ে যায়। সেই সঙ্গে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতেও সময় লাগে না। আর এমনটা যখন হয়, তখন সার্বিক সৌন্দর্যও যে বৃদ্ধি পায়, তা কি আর বলার অপেক্ষা রাখে!

৩. ত্বকের বয়স কমে:
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শরীরের বয়স বাড়লেও ত্বকের বয়স না বাড়ুক, এমনটা যদি চান, তাহলে নিয়মিত নিম তেল দিয়ে ত্বকের মাসাজ করতে ভুলবেন না যেন! আসলে এমনটা করলে বলিরেখা কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে স্কিন টানটান হয়। ফলে ত্বকের বয়স কমতে সময় লাগে না।

৪. ত্বক ফর্সা হয়ে ওঠে:
অল্প সময়ে ফর্সা ত্বকের অধিকারী হয়ে উঠতে চান নাকি? তাহলে ত্বকের পরিচর্যায় নিম তেলকে কাজে লাগাতে ভুলবেন না যেন! কারণ এমনটা করলে ত্বকের অন্দরে কোলাজেনের উৎপাদন বেড়ে যেতে শুরু করে, যার প্রভাবে স্কিন টোনের উন্নতি ঘটতে সময় লাগে না।

৫. ত্বকের সংক্রমণের প্রকোপ কমে:
এই ধরনের সংক্রমণ সাধারণত নোংড়া থাকলে হয়। আর এই রোগ হলে পায়ে যন্ত্রণা হওয়ার মতো লক্ষণের বহিঃপ্রকাশ ঘটে থাকে। অ্যাথলিট ফু

13/12/2021

পবিত্র হাদিসে আছে কালোজিরা মৃত্যুছাড়া সকল রোগের ঔষধ

‘কালোজিরা’ অত্যন্ত উপকারি একটি প্রাকৃতিক উপাদান। রোগ নিরাময়ের ক্ষেত্রে এর রয়েছে কার্যকরী ভূমিকা। ভেষজ চিকিৎসা থেকে শুরু করে কালোজিরা সব কজে এটি ব্যবহার করা হয়।

কালোজিরার মধ্যে রয়েছে আমিষ, শর্করা, স্নেহ, ভিটামিন, প্রোটিন ও ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবণুনাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ। এছাড়া রয়েছে ক্যান্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।

কালোজিরার জন্ম দক্ষিণে হলেও বাংলাদেশে এর ব্যবহার বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। তাছাড়া আমাদের দেশে মসলা হিসেবেও এটি ব্যবহার করা হয়। প্রাচীনকালে আয়ুর্বেদীয় ও কবিরাজি চিকিৎসায় কালোজিরা ব্যবহার করা হতো।

কালোজিরার গুনাগুণ নিয়ে বিশ্বনবী হয়রত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, ‘তোমাদের জন্য `সাম` ব্যতীত সকল রোগের আরোগ্য রয়েছে কালো জিরায়। আর সাম হলো মৃত্যু।’ তাই সব রোগের মহৌষধ হোমিওপ্যাথিক ও দেশীয় চিকিৎসায় সহযোগী ঔষধ রূপে কালোজিরার ব্যবহার।

মুসলিম চিকিৎসাবিজ্ঞানী ইবনে সিনা তার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘কানন অব মেডিসিন’-এ বলেছেন,‘কালোজিরা দেহের প্রাণশক্তি বাড়ায় এবং ক্লান্তি দূর করে। কালোজিরা খাওয়ার ফলে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সতেজ হয় ও স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে।

কালোজিরা নিয়ে বিভিন্ন গবেষক বিভিন্নভাবে গবেষণা করে এর উপকার তুলে ধরেছেন। তাদের মতে, কালোজিরা খেতে হবে পরিমিত। কেননা অনেকেরই কালোজিরা হজম করার শক্তি থাকে না। তাদের ক্ষেত্রে ধীরে-ধীরে কালোজিরা খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

আসুন, জেনে নিই কালোজিরার খাদ্যগুণ সম্পর্কে

১.রক্ত সঞ্চালন:
নিয়মিত কালোজিরা খেলে দেহে রক্ত সঞ্চালন সঠিকভাবে হয়। এতে মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। আর রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পেলে তা স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। কালোজিরায় অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক রয়েছে। এটি খেলে মানসিক দুশ্চিন্তা দূর হয় এবং মনে প্রশান্তি এনে দেয়।

২. চুল পড়া রোধে:
কালোজিরা চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দিয়ে চুল পড়া রোধ করে এবং চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। ২ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল ও ১ চা চামচ কালোজিরার তেল একসাথে মিশিয়ে হালকা গরম করে নিন। চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ১০-১৫ মিনিট মাসাজ করুন। ১ ঘণ্টা পর চুল শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন।

৩. পেটে সমস্যা

13/12/2021

প্রিয়জন ও বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে আড্ডায়, অবসর সময়ে বাদাম খাওয়ার জুড়ি নেই। অনেকে আবার স্বাস্থ্য সচেতনায়ও নিয়মিত বাদাম খেতে পছ্ন্দ করেন। তবে যে কারণেই বাদাম খাওয়া হোক না কেন তা নিঃসন্দেহে স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারি। বাদামের যে বহুমাত্রিক গুণাগুণ রয়েছে তা আমাদের অনেকেই হয়তো জানি না। আবার বাদামের প্রকারভেদে গুণাগুণও ভিন্ন ভিন্ন হয়। নিচে বিভিন্ন প্রজাতির বাদামের গুণাগুণ নিয়ে আলোচনা করা হলো :

চিনাবাদাম : এই প্রজাতির বাদামে প্রোটিন, ফাইবার,ক্যালসিয়াম,আয়রন, সোডিয়াম,পটাসিয়াম, ভিটামিন-এ,বি, সি রয়েছে। ফলে এর উপকারিতা অনেক। যেমন : ১. প্রোটিনের ভালো উৎস। ভোরবেলা খালি পেটে বাদাম খেলে এনার্জি পাওয়া যায়।

২. নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে চিনাবাদাম বাদাম খেলে হার্ট ভালো থাকে। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

আখরোট : এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড ভিটামিন।

উপকারিতা : ১. হাড় শক্ত করে ও ২. ব্রেনে পুষ্টি জোগায়।

পেস্তাবাদাম : এই ধরনের বাদামে থাকে ফসফরাস, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, কপার,ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন।

উপকারিতা : ১. রক্ত শুদ্ধ করে। ২. লিভার ও কিডনি ভালো রাখে।

কাজুবাদাম : এর উপাদানগুলো হচ্ছে আয়রন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন-এ।

উপকারিতা : ১. অ্যানিমিয়া ভালো করে। ২. ত্বক উজ্জ্বল করে। ৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

আলমন্ড : এর উপাদানের মধে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফাইবার, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফলিক এসিড ও ভিটামিন ই। তাই বাদামের রাজা বলা হয় আলমন্ডকে।

উপকারিতা : ১. শ্বাসকষ্ট, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ত্বকের নানা সমস্যায় খুব ভালো। সব বাদামের মধ্যে আমন্ডে বেশি পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে।

২. নিয়মিত চার-পাঁচটি আমন্ড খেলে এলডিএল কোলেস্টেরল বা ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। ফলে হৃদরোগের আশঙ্কা থাকে না।

৩. কোলন ক্যান্সারের আশঙ্কা কমে।

৪. অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে। কেমোথেরাপি চলাকালে আলমন্ড মিল্ক খেলে ইমিউনিটি সিস্টেমের উন্নতি হয়।

৫. আলমন্ডের ফাইবার শরীরে কার্বোহাইড্রেট শোষণের গতি কমায়। ফলে ডায়াবেটিসের জন্য উপকারি।

৬. আলমন্ড বাটা নিয়মিত লাগালে বলিরেখার হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাই নিয়মিত বাদাম খাওয়ার চেষ্টা করুন দেখবেন আস্তে আস্তে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি শরীরের শক্তিমত্তাও বাড়বে। কাজে

13/12/2021

এই পরীক্ষাটির সাহায্যে মাত্র ১০ মিনিটেই জেনে যাওয়া যাবে কারও শরীরে ক্যান্সার সেল জন্ম নিয়েছে কিনা!

১০ মিনিটে ৯০ শতাংশ সফলতার আশা করছেন একদল অস্ট্রেলিয়ার বিজ্ঞানী। আসলে তারা এক সঙ্গে সমবেত হয়ে আবিষ্কার করেছেন এমন একটি পরীক্ষা, যা কম খরচে এবং অবশ্যই অল্প সময়ের মধ্যেই জানিয়ে দিতে পারবে কারও শরীরে ক্যান্সার সেল জন্ম নিয়েছে কিনা। আসলে এই পরীক্ষাটা চলাকালীন বেশ কিছু "কালার চেঞ্জিং ফ্লউইড" ব্যবহার করা হবে, যা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র খুঁজতে শুরু করবে দেহের ইতিউতি কোনও ম্যালিগনেন্ট সেল রযেছে কিনা এবং এই অনুসন্ধান শেষ হতে সময় লাগবে মাত্র ১০ মিনিট। তারপরই জানতে পেরে যাওয়া যাবে ক্যান্সার রোগ শরীরে বাসা বেঁধেছে কিনা! প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে গত কয়েক বছরে যে হারে ক্যান্সার রোগের প্রকোপ বাড়ছে তাতে অস্ট্রেলিয় বিজ্ঞানীদের এই অবিষ্কার যে নতুন দিশা দেখাবে, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই! তবে প্রশ্ন একটাই, যতদিন না পর্যন্ত এ দেশে এই বিশেষ ধরনের পরীক্ষাটি শুরু হচ্ছে ততদিন কীভাবে এই মারণ রোগকে দূরে রাখা সম্ভব হবে? এই প্রশ্নটির উত্তর লুকিয়ে রয়েছে এই প্রবন্ধে আলোচিত হতে চলা খাবারগুলির শরীরে। মানে? আসলে বন্ধু এই লেখায় যে যে খাবারগুলির উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলিকে রোজের ডায়েটে জায়গা করে দিলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যার প্রভাবে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। তাই তো বলি বন্ধু, ক্যান্সারের মতো এমন ভয়ঙ্কর রোগের খপ্পরে যদি পরতে না চান, তাহলে এই লেখাটি পড়তে দেরি করবেন না যেন! প্রসঙ্গত, যে যে খাবারগুলি এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে, সেগুলি হল...

১. আপেল:
একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে আপেলে উপস্থিত কুয়েরসেটিন, এপিসিয়েটিন এবং অ্যান্থোসায়ানিনের মতো অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, শরীরে প্রবেশ করার পর এমন খেল দেখায় যে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা প্রায় থাকে না বললেই চলে। সেই সঙ্গে আরও একাধিক জটিল রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়।

২. জাম:
একেবারে ঠিক শুনেছেন বন্ধু! বাস্তবিকই ক্যান্সারের মতো মারণ রোগকে দূরে রাখতে এই ফলটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। আসলে জামে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রপাটিজ, শরীরে প্রবেশ করার পর রক্তে উপস্থিত টক্সিক উপাদানদের বের করে দেয়। ফলে ম্যালিগনেন্ট সেলের জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়। বিশেষত, মুখগহ্বর, ব

13/12/2021

চোখের নীচে কালি? কী করবেন?

আপনি কি দীর্ঘক্ষণ কমপিউটারের সামনে বসে কাজ করেন? কিংবা চাপের কারণে রাতে অনেক ক্ষণজাগতে হচ্ছে ইদানীং? বা পার্টির মরশুমে একটু বেশি মাত্রায় পান কে ফেলছেন? মনে রাখবেন, এর ছাপ পড়বে আপনার চোখে। শরীর ক্লান্ত থাকলে, তার প্রভাব চোখে পড়বেই। কিন্তু ক্লান্ত চোখকে চাঙ্গাও করা যায়। হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি সহজ রাস্তা।

১। গ্রিন টি
গ্রিন টি ডিটক্স হিসেবে খুব কার্যকরী। দুটো টি-ব্যাগ এক কাপ গরম জলে ডুবিয়ে রাখুন। তিন-চার মিনিট রাখার পর টি-ব্যাগ সমেত কাপটি ফ্রিজে রেখে দিন ঠান্ডা করার জন্য। যদি তাড়া থাকে, তাহলে বরফ শীতল জলেও টি-ব্যাগ জুবিয়ে দিতে পারেন। আর কাপের জলটি ব্যবহার করার আগে টি-ব্যাগ চেপে ভিতরে থাকা রসটি বার করে নিন। ঠান্ডা গ্রিন টি বন্ধ চোখের ওপর ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। ক্লান্তি অনেকটা দূর হবে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলে, চোখের জ্বালাও দূর করবে এই গ্রিন টি।

২। খাবার বদলান
চোখের তলায় কালি পড়ছে? মনে রাখবেন আপনার পাতের হাই-অ্যালার্জেন খাবারও এ জন্য দায়ি হতে পারে। ফলে সম্ভব হলে দুধ, আটা-ময়দা এবং সয়াবিন জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। তার জায়গায় বেশি করে খান কলা, স্পিনাচ বা পালং শাক এবং অবশ্যই বিট। চোখের নীচের কালি কমবে।

৩। শসার ব্যবহার
শসা চোখের জন্য ভালো। এ কথা তো সবাই জানেন। কিন্তু কেন ভালো জানেন কি? শসার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের ক্লান্তি অনেকটা দূর করতে পারে। শসা ফালি ফালি করে কেটে দুটো চোখের ওফর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত রাখুন। যদি ইচ্ছে হয়, তার আগে শসাকে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে নিতে পারেন। তাতে বেশি আরাম লাগবে।

৪। ভিটামিন সি
চোখ প্রচণ্ড ক্লান্ত হয়ে পড়ছে? মাঝে মাজেই প্রচণ্ড জ্বালা? ভিটামিন সি-এর অভাবে এই সমস্যা হতে পারে। আগামী দিন তাই ক্রিম কেনার আগে দেখে নিন, তাতে ভিটামিন সি রয়েছে কি না। মনে রাখবেন, চোখের নীচে এই ক্রিমের ব্যবহার আপনার চোখকে আরাম দেবে। এবং চোখের অসুখ কমাবে।

৫। ঠান্ডা চামচ
বাড়িতে শসাও নেই, গ্রিন টি-ও নেই। তাহলে উপায়? চটজলদি ক্লান্ত চোখের উপসম চাইলে, চামচ দিয়েও কাজ চালাতে পারেন। দুটো চামচ ডিপ ফ্রিজে রেখে বরফ শীতল করে ফেলুন। তারপর প্রতিটা চোখের নীচে রাখুন। মনে রাখবেন, ৩০ সেকেন্ডের বেশি সময় একবারে রাখবেন না। দিনের মাথায় এই প্রক্রিয়া তিন-চার বার করতে পারেন।

৬। সিগারেট এড়িয়ে
খুব ক্লান্ত চোখ? তাহলে সিগারেটের ধোঁয়া একেবারে এড়িয়ে চলুন। ম

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address


Chittagong
4200