রহমানের বান্দা
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from রহমানের বান্দা, Health/Beauty, Cox's Bazar, Chittagong.
08/05/2026
হাদিস টি বার বার আমাকে ভাবায়????
রাসূল (ﷺ) জিবরাইল (আ.)-কে জিজ্ঞেস করলেন: তুমি কি হাসো?
তিনি বললেন: হ্যাঁ।
রাসূল (ﷺ) বললেন: কখন?
তিনি বললেন: যখন মানুষ সৃষ্টি হয়। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সে এমন কিছুর খোঁজ করে, যা দুনিয়ায় সৃষ্টি করা হয়নি!
রাসূল (ﷺ) অবাক হয়ে বললেন: সেটা কী?
জিবরাইল (আ.) বললেন: সেটা হলো—“স্বস্তি (পূর্ণ শান্তি)”。
আল্লাহ দুনিয়ায় পূর্ণ স্বস্তি সৃষ্টি করেননি, বরং তা আখিরাতের জন্য রেখেছেন।
তাই মানুষ সব সময় স্বস্তির খোঁজ করে।
শিশু বলে: কবে বড় হবো।
যুবক বলে: ইশ! আবার যদি ছোট হতে পারতাম।
বৃদ্ধ বলে: যদি যৌবন ফিরে আসত!
বিবাহিত নারী বলে: ইশ! আবার অবিবাহিত হতাম।
অবিবাহিত নারী বলে: ইশ! যদি বিয়ে করতে পারতাম।
যার সন্তান নেই বলে: যদি একটা সন্তান থাকত।
যার সন্তান আছে, সে বিরক্ত হয়ে বলে: ইশ! সন্তান না থাকলে ভালো হতো!
যার এক স্ত্রী আছে, সে আরেকজনকে বিয়ে করতে চায়—স্বস্তির খোঁজে।
সবাই স্বস্তির খোঁজে,
কিন্তু দুনিয়ায় সেই পূর্ণ স্বস্তি নেই।
মারইয়াম (আ.) বলেছিলেন: “হায়! আমি যদি এর আগে মরে যেতাম!”—
তিনি জানতেন না, তাঁর গর্ভে একজন নবী আছেন।
তাই কষ্ট দীর্ঘ হলেও নিরাশ হয়ো না।
মূসা (আ.) যখন তাঁর ভাই হারুন (আ.)-কে দাফন করলেন,
তখন তাঁর বিচ্ছেদ ও কবরের অন্ধকারের কথা মনে করে কেঁদে ফেললেন।
তখন আল্লাহ তাঁর কাছে ওহী পাঠালেন:
“হে মূসা! যদি আমি কবরবাসীদের অনুমতি দিতাম তোমাকে আমার দয়া সম্পর্কে জানাতে, তারা তোমাকে তা জানাতো।
আমি কি তাদের জীবিত অবস্থায় রিযিক দিয়ে ভুলে যাই, আর মৃত্যুর পর তাদের ভুলে যাবো?”
হে আল্লাহ! আপনি কতই না দয়ালু, কতই না কোমল।
(একটি সুন্দর শিক্ষা)
জলপাইকে চাপ দিলে উৎকৃষ্ট তেল বের হয়।
ফলকে চাপ দিলে মিষ্টি রস বের হয়।
তেমনি, যদি দুনিয়ার কষ্ট তোমাকে চেপে ধরে,
জেনে রাখো—আল্লাহ তোমার ভেতর থেকে সেরা জিনিস বের করতে চান।
হে আল্লাহ! আমাদের সুন্দর পরিণতি দান করুন, আমীন।
(বিশুদ্ধ কিতাবে এর উৎস খুঁজে পাওয়া না গেলেও কথাগুলো বিশুদ্ধ)
দামেশকের বাইরে একটি পুরনো কবরস্থান ছিল। সেখানে প্রতিদিন বিকেলে একজন মানুষ আসত। নাম তার আমর। সে একটি নির্দিষ্ট কবরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকত — কখনো বসত, কখনো শুধু তাকিয়ে থাকত। তারপর চলে যেত। কোনো কান্না নেই, কোনো দুআ পড়ার শব্দ নেই। শুধু দাঁড়িয়ে থাকা।
কবরস্থানের কাছেই একজন বৃদ্ধ আলেম থাকতেন — নাম শায়খ ইয়াহইয়া। তিনি অনেকদিন ধরে এই দৃশ্য দেখছিলেন। একদিন তিনি আমরের কাছে গেলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন — “বৎস, তুমি প্রতিদিন এখানে আসো। এই কবরটি কার?” আমর বলল — “আমার বাবার।” শায়খ বললেন — “তুমি দুআ পড়ো না কেন?” আমর একটু থামল। তারপর বলল — “শায়খ, সত্যি কথা বলব? আমি জানি না কোন দুআ পড়লে বাবার কাজে আসবে। আমার অনেক পাপ আছে। আমার দুআ কি আল্লাহ শুনবেন?”
শায়খ কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন — “বসো।” দুজনে কবরের পাশে বসল। শায়খ বললেন — “তুমি কি জানো, একটি ছেলে তার বাবার জন্য যখন দুআ করে — সেই দুআ কবরে পৌঁছায়? এটি রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন। মানুষ মরে গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যায় — কিন্তু তিনটি জিনিস থাকে। তার মধ্যে একটি হলো নেক সন্তানের দুআ।” আমর বলল — “কিন্তু আমি কি নেক সন্তান?” শায়খ বললেন — “নেক হওয়ার চেষ্টা করাই নেক হওয়ার শুরু।”
আমর চুপ করে রইল। শায়খ আবার বললেন — “তুমি বললে — তোমার অনেক পাপ আছে। আমিও বলছি — আমারও আছে। পৃথিবীতে এমন কেউ নেই যার নেই। কিন্তু পাপী মানুষের দুআ কি আল্লাহ শোনেন না? তাহলে তিনি কার দুআ শুনবেন? ফেরেশতাদের? তাদের তো পাপ নেই — তারা তো দুআ চাইবেই না।” এই কথাটা আমরের বুকে ঢুকল। সে এভাবে কখনো ভাবেনি। সে ভেবেছিল — পাপীর দুআ আল্লাহর দরবারে পৌঁছায় না। কিন্তু শায়খ যা বললেন তাতে মনে হলো — আসলে পাপীর জন্যই দুআর দরজা সবচেয়ে বেশি খোলা, কারণ পাপীই সবচেয়ে বেশি আল্লাহকে প্রয়োজন মনে করে।
শায়খ বললেন — “তোমার বাবা কেমন মানুষ ছিলেন?” আমর বলল — “ভালো মানুষ ছিলেন। কিন্তু আমি তাঁর সাথে ভালো ছিলাম না। ব্যবসার পেছনে ছুটেছি, সময় দিইনি। এখন মনে হয় — যতটুকু সময় পেয়েছিলাম, সেটা নষ্ট করেছি।” শায়খ বললেন — “তাহলে এই অনুশোচনাটুকু নিয়ে দুআ করো। আল্লাহ অনুতপ্ত হৃদয়ের দুআ ফিরিয়ে দেন না।”
সেদিন প্রথমবারের মতো আমর সেই কবরের পাশে বসে হাত তুলল। কোনো মুখস্থ দুআ নেই। শুধু বলল — “হে আল্লাহ, আমি ভালো ছেলে ছিলাম না। কিন্তু আমার বাবা ভালো মানুষ ছিলেন। তুমি তাঁকে ক্ষমা করো।” এটুকুই। কিন্তু এই কথা বলতে গিয়ে তার গলা বন্ধ হয়ে এলো। চোখ থেকে জল পড়ল। এতদিনের জমানো কষ্ট — যা সে কারো কাছে বলতে পারেনি — আল্লাহর সামনে উপুড় হয়ে পড়ল।
শায়খ পাশে বসে নীরবে দেখছিলেন। তিনি উঠে চলে গেলেন। কারণ তিনি জানতেন — এই মুহূর্তে তৃতীয় কোনো মানুষের উপস্থিতি দরকার নেই। এটা ছিল একটি ছেলে এবং তার আল্লাহর মধ্যকার কথা।
পরদিন আমর আবার এলো। এবার এসেই দুআ পড়ল। তারপর বসে রইল। শায়খও এলেন। আমর বলল — “শায়খ, গতকাল দুআ করার পর মনে হলো — বাবা যেন কাছে আছেন। এটা কি আমার মনের ভুল?” শায়খ বললেন — “মনের ভুল আর হৃদয়ের অনুভূতি এক জিনিস নয়। হৃদয় যা অনুভব করে — সেটা অনেক সময় চোখের চেয়ে বেশি সত্য।”
আমর জিজ্ঞেস করল — “শায়খ, মৃত্যুর পর মানুষ কি টের পায় — তাদের জন্য কেউ দুআ করছে?” শায়খ বললেন — “আলেমরা বলেছেন — মৃতরা তাদের কবর জিয়ারতকারীদের চিনতে পারেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন — যখন কেউ তার মুসলিম ভাইয়ের কবর জিয়ারত করে এবং সালাম দেয়, মৃত ব্যক্তি সেই সালামের জবাব দেন।” আমর চুপ করে রইল। তারপর আস্তে বলল — “তাহলে বাবা জানেন — আমি এসেছি।” শায়খ বললেন — “হ্যাঁ। এবং তিনি অপেক্ষায় থাকেন।”
এই কথাটা আমরের জীবন বদলে দিল। সে এতদিন ভেবেছিল — বাবা চলে গেছেন, সম্পর্ক শেষ। কিন্তু শায়খের কথায় সে বুঝল — মৃত্যু সম্পর্ক শেষ করে না। শুধু সম্পর্কের ধরন বদলে দেয়। আগে বাবার সাথে কথা বলা যেত — এখন বাবার জন্য দুআ করা যায়। আগে বাবার সেবা করা যেত — এখন বাবার জন্য সদকা দেওয়া যায়। সম্পর্কটা শেষ হয়নি — শুধু অন্য রূপ নিয়েছে।
সেদিন থেকে আমর শুধু কবরে আসত না। সে বাবার নামে সদকা দিত, বাবার বন্ধুদের খোঁজ নিত, বাবার পুরনো ঋণ যা সে জানত — সেগুলো পরিশোধ করত। একদিন শায়খ জিজ্ঞেস করলেন — “তুমি এত কিছু করছ কেন?” আমর বলল — “কারণ আমি বুঝেছি — বাবার সাথে আমার সম্পর্ক শেষ হয়নি। এখনো আমি তাঁর ছেলে। এখনো আমার কিছু দেওয়ার আছে।”
শায়খ সেদিন অনেকক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন — “জানো, আমি অনেক বছর ধরে মানুষকে দ্বীনের কথা বলি। কিন্তু তুমি আজ আমাকে একটা কথা মনে করিয়ে দিলে — যা আমি জানতাম, কিন্তু এতদিন অনুভব করিনি।” আমর অবাক হয়ে বলল — “আমি কী বললাম?” শায়খ বললেন — “তুমি বললে — এখনো আমার কিছু দেওয়ার আছে। এই কথাটাই আসল। মানুষ মনে করে — সুযোগ চলে গেলে সব শেষ। কিন্তু আল্লাহ এমন একটি দ্বীন দিয়েছেন — যেখানে মৃত্যুর পরেও সন্তান বাবা-মায়ের কাজে আসতে পারে। এই রহমতের কোনো তুলনা নেই।”
বছর কেটে গেল। আমর নিয়মিত আসত। একদিন শায়খ আর এলেন না। খোঁজ নিয়ে জানা গেল — শায়খ ইয়াহইয়া মারা গেছেন। আমর সেদিন কবরস্থানে গিয়ে দুটি কবরের পাশে বসল — বাবার কবর এবং শায়খের কবর। দুজনের জন্য দুআ করল। তারপর মনে মনে বলল — “আপনারা দুজনেই আমাকে শিখিয়েছেন — ভালোবাসা মৃত্যুতে শেষ হয় না। শুধু দুআতে রূপান্তরিত হয়।”
রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানী সাগীরা
“সন্তানের দুআ মাতা-পিতার কবরে আলো হয়ে পৌঁছায়। এই সম্পর্ক দুনিয়ার নয় — এটি আল্লাহর দেওয়া একটি চিরন্তন বন্ধন।”
— ইমাম ইবনুল জাওযি রহ., আল-লাতাইফ
“মানুষ মরে গেলে তার আমল বন্ধ হয়ে যায় — তবে তিনটি জিনিস চলতে থাকে: সদকায়ে জারিয়া, এমন ইলম যা থেকে মানুষ উপকৃত হয়, এবং নেক সন্তানের দুআ।”
— সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৬৩১
সূত্র: আল-লাতাইফ ফিল ওয়াআজ, ইমাম আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযি রহিমাহুল্লাহ (৫০৮–৫৯৭ হি.)
হজের আমলসমূহ-
💠 ৫ স্থানে ৫ দিনে ৯ কাজ সম্পন্ন করাকে হজ বলে।
🔷 ৫ স্থান হলো :
১. বায়তুল্লাহ, ২. মিনা, ৩. আরাফাহ,
৪. মুযদালিফা, ৫. জামারাহ।
♦️ ৫ দিন হলো : ৮ জিলহজ থেকে ১২ জিলহজ
🌟 ৯ আমলের তিনটি ফরজ। ৬ টি হলো ওয়াজিব।
🌙 হজের ফরজ তিনটি:
১. ইহরাম। ২. আরাফার ময়দানে অবস্থান।
৩. তাওয়াফে জিয়ারাহ।
🌙 হজের ওয়াজিব ছয়টি:
১. মুযদালিফায় অবস্থান। ২. জামারায় পাথর মারা।
৩. কুরবানী করা। ৪. মাথা মুন্ডানো। ৫. সাঈ করা।
৬. বিদায়ী তাওয়াফ।
🌐 এক নজরে সম্পূর্ণ হজ্জ গাইড-
🕋 হজের পূর্ণ কার্যক্রম (হাঁটার দূরত্বসহ সহজভাবে)
১️⃣ ইহরাম ও নিয়ত
এ পৌঁছে ইহরাম বেঁধে হজের নিয়ত।
২️⃣ মিনা গমন (৮ জিলহজ)
— (প্রায় ৭ কিমি)
ইবাদত ও অবস্থান।
৩️⃣ আরাফাতের ময়দান (৯ জিলহজ)
— (মিনা → আরাফাত প্রায় ১০ কিমি)
হজের মূল অংশ, দোয়া ও তওবা।
৪️⃣ মুযদালিফায় অবস্থান (রাত)
— (আরাফাত → মুযদালিফা প্রায় ৬ কিমি)
রাত যাপন ও কংকর সংগ্রহ।
৫️⃣ জামারাতে কংকর নিক্ষেপ
— (মুযদালিফা → জামারাত প্রায় ৬ কিমি)
৬️⃣ কুরবানি ও হালক/তাকসির
ইহরাম থেকে মুক্ত হওয়া।
৭️⃣ তাওয়াফে জিয়ারাহ
— (মিনা → মসজিদুল হারাম প্রায় ৭ কিমি)
৮️⃣ মিনায় ফিরে অবস্থান
(মসজিদুল হারাম → মিনা প্রায় ৭ কিমি)
১১-১২ জিলহজ কংকর নিক্ষেপ।
৯️⃣ বিদায়ী তাওয়াফ
শেষবার এ তাওয়াফ।
📌 মোট হাঁটার দূরত্ব (আনুমানিক):
➡️ প্রায় ৪৩–৪৫ কিলোমিটার (পুরো হজ কার্যক্রমে)
✨ সংক্ষেপে পথ:
মিনা ➝ আরাফাত (১০ কিমি) ➝ মুযদালিফা (৬ কিমি) ➝ মিনায় ফেরা (৬ কিমি) ➝ মক্কা (৭ কিমি)
সঠিক তথ্যের মাধ্যমে আপনি আপনার হজকে আরও সহজ ও শান্তিপূর্ণ করতে পারেন।
🤲 আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহিহভাবে হজ্জ আদায়ের তৌফিক দিন। আমীন।।©
পলাতক খুনিরা,
সংসদে আলেমরা।
রমজান তিনভাগের একভাগ চলে গেলো।
25/01/2026
নামাজ একমাত্র মুমিনের সম্বল।
শুভ দুপুর
25/01/2026
নামাজ মনে শান্তি বয়ে আনে।
আলহামদুলিল্লাহ। আজ জুমাবারের দিন। জুমাবার শুরু করি ফজরের নামাজ জামায়াতে আদায় করে। জুমার দিনের বিশেষ আমল।
১. সূরা কাহাফ পাঠ।
২. দরুদপাঠ ও ইস্তেগফার পাঠ করা বেশি বেশি।
৩. আন্তরিক দোয়া করা আল্লাহর কাছে।
আলহামদুলিল্লাহ শুভ সকাল
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Cox's Bazar
Chittagong
4700
