Organic mart bd

Organic mart bd

Share

we are providing all kinds of natural and organic products sales agency

18/08/2022

# অফার
সারা বাংলাদেশ ডেলিভারি কস্ট ফ্রি
#চ*র্বি কমবে
#ও*জন কমবে

স্লি*ম হয়ে * সুখে থাকুন
প্রিয়*_মানুষের_ প্রিয়*হন
#শত*ভাগ ফলাফল প্রাপ্ত

হেল্প লাইন - +880 1616-877218

ইন্টারন্যাশনাল দুইজন পিএ*ইচডি ডিগ্রিধারী ডক্টর* ধারা পরামর্শ*কৃত* ও পরীক্ষিত, শতভাগ* প্রাকৃ*তিক পণ্য* পা*র্শ্ব প্রতি*ক্রিয়া* মুক্ত, ফেইস বুক* রুল*স এর কারণে ডিটেলস* বলা গেল না ডিটেলস জানতে কল করুন অথবা ইন*বক্সে আসুন।

14/07/2022

অফার
#চ*র্বি কমবে
#ও*জন কমবে

স্লি*ম হয়ে * সুখে থাকুন
প্রিয়*_মানুষের_ প্রিয়*হন
#শত*ভাগ ফলাফল প্রাপ্ত

হেল্প লাইন - +880 1616-877218

ইন্টারন্যাশনাল দুইজন পিএ*ইচডি ডিগ্রিধারী ডক্টর* ধারা পরামর্শ*কৃত* ও পরীক্ষিত, শতভাগ* প্রাকৃ*তিক পণ্য* পা*র্শ্ব প্রতি*ক্রিয়া* মুক্ত, ফেইস বুক* রুল*স এর কারণে ডিটেলস* বলা গেল না ডিটেলস জানতে কল করুন অথবা ইন*বক্সে আসুন।

03/07/2022

এলার্জি চিরতরে দূর করার উপায় # #

এলার্জির কারণে ভুগে থাকেন অনেকেই। এলার্জির যন্ত্রণা ভুক্তভোগীরাই জানেন। এলার্জি দূর করতে নানারকম প্রচেষ্টা করেন অনেকেই। সুস্বাদু সব খাবার সামনে রেখেও খেতে পারেন না শুধু এলার্জির ভয়ে। যার কারণে ভুগতে হয় পুষ্টিহীনতায়। এটি দূর করা তবু যেন সম্ভব হয় না। তবে একটি উপায় মেনে চললে সহজেই আপনি এলার্জিকে দূর করতে পারবেন সারা জীবনের জন্য।

১) কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুঁড়ো করুন এবং তা ভালো করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি কৌটায় ভরে রাখুন। এক চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ নিমপাতার গুঁড়া এবং ১ চা চামচ ইসবগুলের ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাতে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে। কার্যকারিতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না, যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরুর গোশত, চিংড়ি, কচু, কচুশাক, গরুর দুধ, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়াসহ অন্যান্য খাবার খান। আর সমস্যা হবে না।

03/07/2022

চোখ ভালো রাখতে কি করবেন???

চোখের আলো নিভে গেলে পুরো জীবনটাই হয়ে যাবে অন্ধকার। তাই চোখের যত্ন নিতে হবে।

আমরা অনেকেই জানি না যে, কিছু খাবার রয়েছে যা খেলে চোখ ভালো থাকে। এ বিষয়ে বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের প্রধান আখতারুন নাহার আলো যুগান্তরকে বলেন, পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে চোখের ক্ষতি হয়। তাই উপযুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন। চোখ ভালো রাখতে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

আসুন জেনে নিই চোখ ভালো রাখতে কী খাবেন-

১. ঘন সবুজ রঙের বিভিন্ন শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান। তবে সবচেয়ে ভালো পালং শাক। এই শাক চোখ ভালো রাখে।

২. চোখ ভালো রাখতে খেতে পারেন ছোট মাছ, ইলিশ ও রুই। এসব মাছ ফ্যাটি অ্যাসিডে পরিপূর্ণ, যা চোখের রেটিনার চারপাশে থাকা খুবই জরুরি।

৩. ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল খেতে হবে। কমলার রয়েছে ভিটামিন সি। গবেষণায় দেখা গেছে, ১০ বছর প্রতিদিন একটি করে কমলা খেলে অন্ধত্বের হার অন্যদের তুলনায় ৬৪ শতাংশ হ্রাস পায়।

৪. গাজর চোখের জন্য উপকারী। প্রায় সব কমলা রঙের সবজি ও ফলে থাকে বিটাক্যারোটিন। এটি চোখের ভেতর দিয়ে আলোর প্রবাহকে শোষণ করে ও রাতে কম আলোয়ও দেখার শক্তি বাড়ায়।

৫. ডিমকে সুপারফুড বলা হয়। চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে ডিম খেতে পারেন। ডিমের কুসুমে আছে লিউটেইন ও জিংক, যা রেটিনায় কোনো ধরনের ক্ষয় প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

৬. বিভিন্ন ধরনের বাদাম খেতে পারেন। এই খাবারে রয়েছে ভিটামিন ‘ই’সহ নানা ধরনের ভিটামিন। এটি চোখের ক্রমাগত দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যাওয়াকে রোধ করে।

03/07/2022

ড্রাগন ফলের উপকারিতাঃঃঃ

ড্রাগন এক ধরনের ক্যাকটাস ভিত্তিক ফল। এটি আমাদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারি। ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ড্রাগন ফ্রুট হজমে সহায়তা করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার পাশাপাশি, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই ফল। বর্তমানে বাংলাদেশে ড্রাগন ফ্রুটের চাহিদা বাড়ছে, তাই উৎপাদনও বাড়ছে।

এই ফলটিকে দুই ভাগে কেটে, খুব সহজেই চামচ দিয়ে ভিতরের শাঁস খাওয়া যেতে পারে। তাছাড়া মিল্কশেক, কিংবা স্মুদি তৈরি করেও ড্রাগন ফ্রুট উপভোগ করা যেতে পারে। তাহলে আসুন জেনে নেওয়া যাক এই ফলের স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে।

১) ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ একটি ফল ড্রাগন ফ্রুট। এর ক্যালরির মাত্রাও তুলনামূলক কম। এতে যথেষ্ট পরিমাণে ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে। এক কাপ ড্রাগন ফ্রুটে ক্যালোরির মাত্রা ১৩৬, প্রোটিনের মাত্রা ৩ গ্রাম, ফ্যাটের মাত্রা শূন্য, ফাইবারের মাত্রা ৭ গ্রাম, আয়রনের মাত্রা ৮ শতাংশ, ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা ১৮ শতাংশ, ভিটামিন-সি এর মাত্রা ৯ শতাংশ, ভিটামিন-ই এর মাত্রা ৪ শতাংশ।

২) অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ফল এটি। ফ্ল্যাভোনয়েড, ফেনোলিক অ্যাসিড এবং বিটাসায়ানিন-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে রয়েছে এতে। এই প্রাকৃতিক পদার্থগুলি আপনার কোষগুলিকে ফ্রি ব়্যাডিক্যালের হাত থেকে রক্ষা করে। এটি এক প্রকার অণু, যা ক্যান্সার এবং অকাল বার্ধক্যের মতো রোগের কারণ হতে পারে।

৩) ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমায় ড্রাগন ফল। এটি ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায়, এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। এই ফলের নিয়মিত সেবন, রক্তে শর্করার ভারসাম্যতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

৪) ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এই ফল। এতে ক্যান্সার বিরোধী বৈশিষ্ট্য বর্তমান। এটি কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত সহায়ক। তাছাড়া এই ফল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তুলতেও সহায়তা করে। এটি বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, অ্যালজাইমার এবং পারকিনসন এর মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

৫) হজমের জন্য ভাল এই ফল। এটি শরীরে ভাল ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে, যার ফলে হজম ক্ষমতাও ভাল হয়। তাছাড়া এটি ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায়, পরিপাকতন্ত্রকে ভাল রাখতে সহায়তা করে।

৬) হার্টের জন্য উপকারি ড্রাগন ফ্রুট। এর ক্ষুদ্র কালো বীজগুলি, ওমেগা-৩ এবং ওমেগা-৯ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এগুলি হার্টের জন্য খুবই ভাল এবং কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ এর ঝুঁকি কমায়। তাই ড্রাগন ফল খাওয়া হার্টের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারি। এটি হার্ট ভাল রাখার পাশাপাশি, রক্তচাপ ও ওজন নিয়ন্ত্রণেও সহায়তা করে।

৭) অস্বাস্থ্যকর জীবনধারা, চাপ, দূষণ এবং খারাপ খাদ্যাভ্যাসের কারণে অকাল বার্ধক্যের সমস্যা আজ খুব সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। ড্রাগন ফ্রুট ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ হওয়ায়, এটি ত্বককে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তুলতে সহায়তা করে। তাই ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে, দিনে একবার এর জুস খেতেই পারেন। এছাড়া, এটি চুলের জন্য খুব উপকারি।

৮) হাড়ের জন্য ভাল ড্রাগন ফ্রুট। এর প্রায় ১৮ শতাংশ ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে, যা হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে এবং হাড়ের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। ফলে জয়েন্টের ব্যথা, ফ্র্যাকচার কিংবা ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকিও অনেকটাই কমে যায়।

৯) চোখের ক্ষেত্রে উপকারি ড্রাগন ফ্রুট। এতে বিটা-ক্যারোটিন রয়েছে। তাই, এই ফল চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন ছানি পড়ে যাওয়া এবং ম্যাকুলার ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

১০) গর্ভবতী নারীর ক্ষেত্রে উপকারি এই ফল। এতে ভিটামিন বি, ফোলেট এবং আয়রন রয়েছে, তাই এটি গর্ভবতীদের জন্য আদর্শ ফল। ভিটামিন বি এবং ফোলেট নবজাতকের জন্মগত ত্রুটি রোধ করতে সহায়তা করে এবং গর্ভাবস্থায় শক্তি সরবরাহ করে। তাছাড়া এতে থাকা ক্যালসিয়াম ভ্রূণের হাড়ের বিকাশের জন্য অত্যন্ত উপকারি। এতে ম্যাগনেসিয়ামও রয়েছে, যা মহিলাদের পোস্টমেনোপজাল জটিলতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে।

03/07/2022

হাড় ভালো রাখে যেসব খাবার # #

হাড় ভালো রাখতে ক্যালশিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়া দরকার এ কথাটা কারও অজানা নয়। হাড়ের ক্ষয়রোধ করে আবারও সেটি শক্তিশালী করে তোলার কাজটি করে ক্যালশিয়াম, কথাটি কিন্তু একেবারেই ভুল নয়।

২ মিনিটে পড়ুনঃঃ

শুধুই কি ক্যালশিয়াম পেলেই হাড় ভালো থাকবে, এমন প্রশ্নের জবাবে অনেক বিশেষজ্ঞরা হ্যাঁ সম্মতি প্রকাশ করেছে। ক্যালশিয়ামের পাশপাশি আরও কিছু পুষ্টির উপাদানের উপরও নির্ভর করে হাড়ের স্বাস্থ্য। এ জন্য ছোট থেকে খাবারের প্লেটে এমন সব পুষ্টি উপাদান রাখুন, যা পরিণত বয়সে আপনার হাড়ের যাবতীয় সমস্যা রোধ করতে পারে।


তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন কোন পুষ্টির উপাদান হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়-

ভিটামিন কে

হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভিটামিন কে প্রয়োজন। শরীরে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করা, প্রোটিন কার্যক্ষমতা লাভ করে এই ভিটামিন থেকেই। এমনকি হাড়ের ওপর ক্যালশিয়াম জমে যে সমস্যা হতে পারে, সেটিও নিয়ন্ত্রণ করে ভিটামিন কে। শরীরে যেন যথেষ্ট ভিটামিন কে পায়, তার জন্য খাবারের প্লেটে রাখুন ব্রকোলি, পালং শাক, বাঁধাকপি ও লেটুস।

সম্পূর্ণ নিউজ সময়
স্বাস্থ্য
৯ টা ৩৪ মিনিট, ৬ অক্টোবর, ২০২১
হাড় ভালো রাখে যেসব খাবার
হাড় ভালো রাখতে ক্যালশিয়ামযুক্ত খাবার খাওয়া দরকার এ কথাটা কারও অজানা নয়। হাড়ের ক্ষয়রোধ করে আবারও সেটি শক্তিশালী করে তোলার কাজটি করে ক্যালশিয়াম, কথাটি কিন্তু একেবারেই ভুল নয়।
হাড় ভালো রাখে যেসব খাবার
স্বাস্থ্য ডেস্ক

২ মিনিটে পড়ুন
শুধুই কি ক্যালশিয়াম পেলেই হাড় ভালো থাকবে, এমন প্রশ্নের জবাবে অনেক বিশেষজ্ঞরা হ্যাঁ সম্মতি প্রকাশ করেছে। ক্যালশিয়ামের পাশপাশি আরও কিছু পুষ্টির উপাদানের উপরও নির্ভর করে হাড়ের স্বাস্থ্য। এ জন্য ছোট থেকে খাবারের প্লেটে এমন সব পুষ্টি উপাদান রাখুন, যা পরিণত বয়সে আপনার হাড়ের যাবতীয় সমস্যা রোধ করতে পারে।


তাহলে চলুন দেখে নেওয়া যাক কোন কোন পুষ্টির উপাদান হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়-

ভিটামিন কে

হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ভিটামিন কে প্রয়োজন। শরীরে রক্ত জমাট বাঁধতে সহায়তা করা, প্রোটিন কার্যক্ষমতা লাভ করে এই ভিটামিন থেকেই। এমনকি হাড়ের ওপর ক্যালশিয়াম জমে যে সমস্যা হতে পারে, সেটিও নিয়ন্ত্রণ করে ভিটামিন কে। শরীরে যেন যথেষ্ট ভিটামিন কে পায়, তার জন্য খাবারের প্লেটে রাখুন ব্রকোলি, পালং শাক, বাঁধাকপি ও লেটুস।


ভিটামিন ডি

হাড়ের ঘনত্ব বাড়ায় ভিটামিন ডি। এটি ক্যালশিয়াম শোষণ করে রক্তে পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টির জোগান দিতে সাহায্য করে। তাই প্রতি দিন ১০-১৫ মিনিট সূর্যের আলোয় দাঁড়ান। আর খাবারের প্লেটে রাখুন সয়াবিন, পালংশাক, স্যালমন মাছ।

প্রোটিন

কেবল কোষের বৃদ্ধির জন্যই যে প্রোটিনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে, তা নয়। বরং অতিরিক্ত প্রোটিনযুক্ত খাবার খেলে হাড়ের ঘনত্ব বাড়ে ও হাড় ক্ষয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। এমনকি পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিনযুক্ত খাবার খেলে হাড় ভঙ্গুর হওয়ার আশঙ্কাও অনেকটাই কমে যায়। তাই প্রতিদিন খাবারের প্লেটে রাখুন নানা রকমের ডাল, মটরশুঁটি, মাংস, ডিম ও দুগ্ধজাত খাবার।

ম্যাগনেশিয়াম

হাড়ের অন্তর্বর্তী গ্রন্থিগুলোতে প্রায় ৬০ শতাংশই ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে। সমীক্ষা বলছে যারা প্রতিদিন ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খান, তাদের হাড়ের ঘনত্ব অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি। এমনকি, অস্টিওপোরোসিসের মতো অসুখের ঝুঁকিও কমায় ম্যাগনেশিয়াম। তাই প্রতিদিনের খাবারের প্লেটে রাখুন নানা রকম বীজ, বাদাম ও দানাশস্য।

ভিটামিন সি

হাড়ের ঠিকমতো বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন ভিটামিন সি। এ ছাড়া এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়তা করে। এমনকি হাড়ের অসুখের ঝুঁকিও কমায়। তাই রোজ খাবারের প্লেটে রাখুন কমলা লেবু, টমেটো, মুসাম্বি।

02/07/2022

অর্গানিক ফুড বলতে আসলে কি বোঝায়?

অর্গানিক ফুড হলো সেই খাদ্য যা কোনোরকম রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ছাড়া সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত হয়। এটির রক্ষণাবেক্ষণে কোন কৃত্রিমতা থাকে না। পাশাপাশি পরিবেশ-বান্ধব এই চাষে ফসল পরিবর্তন, জৈব পেস্ট ইত্যাদির উপর নজর দেওয়া হয়। কৃষি-বাস্তুসংস্থান গত নীতি অনুসারে এই উৎপাদন আমাদের জীববৈচিত্র ও সুন্দর ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করে।

কেন খাবেন অর্গানিক ফুড?
১. ভেজাল খাবার একেবারে এড়িয়ে যেতে
দীর্ঘায়ু লাভে অর্গানিক ফুডের বিকল্প বোধয় খুঁজে পাওয়া কঠিন ব্যাপার। তবে প্রক্রিয়াকরণ জাত বা প্যাকেটজাত খাদ্যে কি পরিমানে ভেজাল মেশানো হচ্ছে জানলে হতবাক হতে হয়।
ফলমূল পাকাতে ব্যবহার করা হচ্ছে ইথিলীন বা কার্বাইড। মাছ, মাংস, দুধ, শাকসবজি, ফলমূল এগুলো বেশি সময় অব্দি টাটকা রাখার জন্য স্প্রে করা হচ্ছে ফরমালিন।
বিস্কুট, সেমাই, নুডলস, পাউরুটির রং উজ্জ্বল করার জন্য তাতে দেয়া হচ্ছে লেদার এর রং।
মুড়িতে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকারক ইউরিয়া। ভেজাল খাবার যা বুঝতে পারবেন না এমনিতে।
আটা ময়দা বা চিনিতে অবাধে চলছে বিষাক্ত চক পাউডার এর ব্যবহার।চালে মেশানো হয় প্লাস্টিক।
মুরগি ও মাছের খাদ্যে ক্রোমিয়াম ও বিষাক্ত রাসায়নিক বর্জ্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
তরমুজ বা লিচু বা স্ট্রবেরি সবেইতেই থাকছে ইনজেকশন এর ছোঁয়া।
সফট ড্রিংকসে ব্যবহার করা হচ্ছে ক্যাফেইন এবং সিলদেনাফিল্ড সাইট্রেট।
এছাড়াও চকলেটে নিম্নমানের রং ও বিষাক্ত মোম এর পালিশ দিয়ে তার গুণমান নষ্ট করা হচ্ছে।
সরষে থেকে সয়াবিন তেল সবেতেই গন্ধ ও রং বজায় রাখতে সায়ানাইড এর সাথে পাম তেল,পশুর চর্বি বা স্টার্চ মেশানো চলছে।

করোনাভাইরাস
স্বাস্থ্য
নিজস্ব যত্ন
চুলের যত্ন
সৌন্দর্য পরামর্শ
ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল
ধর্ম ও সংস্কৃতি
বাংলা
Type your search query and hit enter:
Type Here

All Rights Reserved
DusBus Logo
HOMEPAGEHEALTH
Health
অর্গানিক ফুড কি? অর্গানিক ফুড খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি? বিস্তারিত জানুন
organic food

সুস্বাস্থ্যের প্রধান শর্তই হলো সঠিক খাদ্যাভ্যাস। বর্তমানে গ্রামের হাট থেকে শহরের মল সবেতেই ক্ষতিকর রাসায়নিক, ফল, সবজি সবকিছুতেই প্রয়োগ করা হচ্ছে। যা শরীরের পক্ষে কোনো ভাবেই নিরাপদ নয়। এরফলে নিজেদের অজ্ঞাতসারেই শরীরে বাসা বাঁধছে মারণ রোগ ব্যাধি।

অর্গানিক ফুড বলতে আসলে কি বোঝায়?
অর্গানিক ফুড হলো সেই খাদ্য যা কোনোরকম রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ছাড়া সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত হয়। এটির রক্ষণাবেক্ষণে কোন কৃত্রিমতা থাকে না। পাশাপাশি পরিবেশ-বান্ধব এই চাষে ফসল পরিবর্তন, জৈব পেস্ট ইত্যাদির উপর নজর দেওয়া হয়। কৃষি-বাস্তুসংস্থান গত নীতি অনুসারে এই উৎপাদন আমাদের জীববৈচিত্র ও সুন্দর ভবিষ্যৎ স্বাস্থ্য সুনিশ্চিত করে।

কেন খাবেন অর্গানিক ফুড?
১. ভেজাল খাবার একেবারে এড়িয়ে যেতে
দীর্ঘায়ু লাভে অর্গানিক ফুডের বিকল্প বোধয় খুঁজে পাওয়া কঠিন ব্যাপার। তবে প্রক্রিয়াকরণ জাত বা প্যাকেটজাত খাদ্যে কি পরিমানে ভেজাল মেশানো হচ্ছে জানলে হতবাক হতে হয়।
ফলমূল পাকাতে ব্যবহার করা হচ্ছে ইথিলীন বা কার্বাইড। মাছ, মাংস, দুধ, শাকসবজি, ফলমূল এগুলো বেশি সময় অব্দি টাটকা রাখার জন্য স্প্রে করা হচ্ছে ফরমালিন।
বিস্কুট, সেমাই, নুডলস, পাউরুটির রং উজ্জ্বল করার জন্য তাতে দেয়া হচ্ছে লেদার এর রং।
মুড়িতে মেশানো হচ্ছে ক্ষতিকারক ইউরিয়া। ভেজাল খাবার যা বুঝতে পারবেন না এমনিতে।
আটা ময়দা বা চিনিতে অবাধে চলছে বিষাক্ত চক পাউডার এর ব্যবহার।চালে মেশানো হয় প্লাস্টিক।
মুরগি ও মাছের খাদ্যে ক্রোমিয়াম ও বিষাক্ত রাসায়নিক বর্জ্য ব্যবহৃত হচ্ছে।
তরমুজ বা লিচু বা স্ট্রবেরি সবেইতেই থাকছে ইনজেকশন এর ছোঁয়া।
সফট ড্রিংকসে ব্যবহার করা হচ্ছে ক্যাফেইন এবং সিলদেনাফিল্ড সাইট্রেট।
এছাড়াও চকলেটে নিম্নমানের রং ও বিষাক্ত মোম এর পালিশ দিয়ে তার গুণমান নষ্ট করা হচ্ছে।
সরষে থেকে সয়াবিন তেল সবেতেই গন্ধ ও রং বজায় রাখতে সায়ানাইড এর সাথে পাম তেল,পশুর চর্বি বা স্টার্চ মেশানো চলছে।

২. নানা রকমের রোগ থেকে মুক্ত থাকতে

পশু ও মাছের খাদ্যে উচ্চমাত্রার এন্টিবায়োটিক দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার এর ফলে মানুষের শরীরে তা দীর্ঘস্থায়ী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করছে। যার ফল হচ্ছে ভয়াবহ।
রাসায়নিক এর দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব এর দরুন হৃদযন্ত্র, কিডনির কার্যকলাপ, স্নায়ু চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ফরমালিন, কার্বাইড বা আজিনামোটোর মতো ক্ষতিকর রাসায়নিক শরীরে প্রবেশ করার ফলে পেটব্যথা, শুকনো কাশি, ডায়রিয়া, আলসার ও ফুসফুস এর বহুবিধ রোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
হাইড্রোজেন পারক্সিডের দ্বারা নানা প্রকার চর্মরোগ এমনকি শ্বাসনালী, কিডনি, পাকস্থলীতে ডেকে আনছে প্রাণঘাতী ক্যানসার।
প্লেটলেট এর সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে অচিরেই ফলে ছড়াচ্ছে অ্যানিমিয়া। শিশু বয়স্ক থেকে শুরু করে গর্ভবতী মহিলা ঝুঁকি থাকছে সবারই। পেটে থাকা সন্তান জন্ম নিতে পারে প্রতিবন্ধকতা ও অটিজম এর মত মারাত্মক রোগ নিয়ে।
অ্যাসিটিক এসিড ও ফরমালডিহাইড শরীরের কোষে কোষে অক্সিজেন সঞ্চালন এ বাধা দেয় ফলে স্ট্রোক, মাথাঘোরা বা ব্লাড প্রেসার এর সম্ভাবনাকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।
স্মৃতিভ্রংশ বা দুরারোগ্য মানসিক ব্যাধি আসাও অসম্ভব কিছু নয়।
কিভাবে বুঝবেন কোন খাবার অর্গানিক?
সম্প্রতি সিকিম রাজ্যটিকে ইউনাইটেড নেসন ১০০% অর্গানিক স্টেট হিসেবে ঘোষণা করায় অর্গানিক ফুড নিয়ে হইচই পড়ে গেছে।
কিন্তু কিভাবে বুঝবেন কোন খাবার অর্গানিক? ন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর অর্গানিক প্রোডাকশন নামের একটি সংস্থা রয়েছে যাদের অধীনে রয়েছে বহু সার্টিফাইং এজেন্সি এমনকি ফুড সেফটি এবং স্ট্যান্ডার্ড অথরিটি অফ ইন্ডিয়া। ফার্ম গুলোকে এদের কাছ থেকেই সার্টিফিকেট আদায় করতে হয়।
গ্রীন পার্ক অর্গানাইজেশন এর এক কর্তার কথায় ক্রেতাদের অবশ্যই কেনার সময় ১০০% অর্গানিক লেবেল দেখেই কেনা উচিত।
এবার যেহেতু সার বা পেস্টিসাইড না দিয়ে এইসব খাবার উৎপন্ন হচ্ছে তাই এগুলোর দাম অবশ্যই বাজারচলতি জিনিসের থেকে বেশি হবে এবং এগুলিতে ব্যবহৃত হয় রেন ওয়াটার হার্ভেস্টিং।
অর্গানিক খাবারের গুন
অর্গানিক ফুড বিশ্বব্যাপী চর্চার কেন্দ্রে। ‘অর্গানিক ফুড এন্ড ফার্মিং, মিথ এন্ড রিয়ালিটি’ টপিকটির ওপর বিশ্বের ৩৬টি প্রতিষ্ঠান গবেষণা করে দেখেছে যে এই প্রকার খাদ্যে প্রচুর পরিমানে এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের পক্ষে খুব উপযোগী।
মার্কিন যুক্তরাজ্যের হাউজ অব লর্ডস এর বিজ্ঞান বিষয়ক কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে যে পশু ও মাছের খাবারে যে এন্টি বায়োটিক ব্যবহার করা হয় তাতে মানুষের শরীরে নানা মাইক্রোবায়োলজিক্যাল রোগ বাসা বাঁধছে।
তাই অর্গানিক ফুড ব্যবহার করুন যা পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং পরিবেশের স্থিতিশীল উন্নয়নের কান্ডারী।

02/07/2022

কানে জমা ময়লা, সোজা বাংলায় যাকে বলে ‘খইল’। কানের এই খইল পরিষ্কার করার অভ্যাস আছে আপনার? তাহলে খবরটা আপনার জন্য সুখের নয়। কারণ, বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হচ্ছে, কানের খইল (ময়লা) পরিষ্কার না করে ‘পুষে’ রাখুন।
ভাবছেন, তাহলে তো ময়লা জমে কানের ক্ষতি হতে পারে! অথবা কান চুলকাবে, শিরশির করবে! এই ধারণা পুরোপুরি ভুল। ল্যাবএইড হাসপাতালের নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ সাবাহ উদ্দিন আহমেদ বললেন, কানের ময়লা সাধারণত কোনো ক্ষতি করে না। বরং এটি কানকে সুরক্ষিত রাখে। কানের ভেতরে পাইলোসেবাসিয়াস গ্ল্যান্ড থেকে নির্গত সেরুমিনই হচ্ছে এই খইল বা ‘ময়লা’, যা ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের আক্রমণ থেকে কানকে সুরক্ষিত রাখে।
কানের নালিতে সামনের দিকে থাকা এই পাইলোসেবাসিয়াস গ্ল্যান্ডের ক্ষরণের পাশাপাশি এর সঙ্গে বাইরের ধুলাময়লা মিশে যায়। এর ফলে কানে জমা হয় খইল। এটা আসলে আমাদের শরীরের প্রতিরক্ষারই অংশ। চলাফেরার সময়ে বাইরে থেকে কোনো ধরনের পোকামাকড় কানে ঢুকতে গেলেও এই খইল বাধার সৃষ্টি করে। সাধারণত কানে যখন খইল বেশি জমে যায়, তখন কান সেটা আপনা-আপনি বাইরের দিকে ঠেলে দেয়। কোনো কোনো সময় খইল বাইরে না-ও আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে তা বের করে আনা যায় বলে জানালেন সাবাহ উদ্দিন আহমেদ।

তবে অনেক সময় খইল বেশি শক্ত হয়ে যায়। তখন সহজেই কান থেকে বের হয় না। সে ক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণে অলিভ অয়েল দিয়ে কটনবাটের মতো নরম কিছুর সাহায্যে আলতো করে বের করে নিতে পারেন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়াও বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তবে হুটহাট করে কানের মধ্যে খোঁচানো একেবারেই ঠিক নয়। অনেকেই রাস্তার পাশে বসে দিব্যি কান পরিষ্কার করিয়ে নেন। এটা ভীষণ বিপজ্জনক! কান যদি পরিষ্কার করতেই হয়, নিজে করুন বা বাসার কারও সাহায্য নিন। তবে শেষ কথা একটাই—কান নিজেকে নিজেই পরিষ্কার রাখে। কানের ময়লার ক্ষেত্রে ওই গানটা খুব প্রযোজ্য, ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও.🥰🥰

02/07/2022

নক ভালো পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর নখ আপনার ব্যক্তিত্ব ও রুচির প্রকাশ করে। কিন্তু সেজন্য যদি অতিরিক্ত খরচ করতে হয়, তবে তা কোনো কাজের কথা নয়।
কিছু উপায় জানলে ঘরে বসেই খুব সহজে নখের যত্ন নিতে পারবেন। নখ সুন্দর রাখতে দিনের মধ্যে কিছুটা সময়ই যথেষ্ট।

নখের যত্নে অন্যতম উপাদান মধু। মধু শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই উপকারী নয়, এটি রূপচর্চায়ও সমান কার্যকরী। সঙ্গে নখ ভালো রাখতেও কাজ করে।
সুন্দর নখ পাওয়া ৬টি উপায়:

১. একটা কাচের পাত্রে বেশ কিছুটা লেবুর রস করে তার সঙ্গে বেসন মেশাতে হবে। লেবুর রস আর বেসনের পেস্ট তৈরি হয়ে গেলে ওই পেস্ট নখের ওপর লাগিয়ে রাখতে হবে।

২. শীত হোক বা গ্রীষ্ম। হাত সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। রোজ নিয়ম করে লাগাতে হবে ময়েশ্চারাইজার।

৩. দাঁত পরিষ্কার করার জন্য ওষুধের দোকানে এক ধরণের ট্যাবলেট কিনতে পাওয়া যায়। এই ট্যাবলেট গরম পানিতে মিশিয়ে সেই পানিতে মিনিট পাঁচ ডুবিয়ে রাখতে হবে নখ।

৪. দাঁত ব্রাশ করার মতোই ব্রাশ করুন নখ। টুথ ব্রাশে টুথপেস্ট তা দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে নখ। বেশকিছু দিন এই পদ্ধতি চালিয়ে গেলেই পাওয়া যাবে ঝকঝকে নখ।

৫. নখের সাদা ভাব ধরে রাখতে সবসমইয় নেল পলিশ লাগানোর আগে লাগানো দরকার বেস কোট। এতে নখ ভালো থাকে।

৬. নখ সাদা রাখার জন্য দোকানে কিনতে পাওয়া যায় নেল হোয়াইটনিং পেনসিল। প্রয়োজনে গোটা ম্যানিকিউরের কিট কিনে বাড়িতেই করা যেতে পারে ম্যানিকিউর। এতে নখ শুধু সাদাই হবে না, ভালো থাকবেও

02/07/2022

রক্ত থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করার উপায়ঃঃ

বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ার ফলাফল হিসেবে রক্তে মিশে থাকা বর্জ্য অপসারণে এবং কিছু রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে এই ঘরোয়া উপকরণগুলো সহায়ক।

স্বাস্থ্য-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হল।

লেবু: রক্ত এবং হজমতন্ত্র পরিষ্কার করে লেবুর রস। অম্লীয় ধরনের এই রস অম্ল-ক্ষারের মাত্রা পরিবর্তন করতে পারে এবং রক্ত থেকে বিষাক্ত উপাদান অপসারণ করতে পারে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে লেবুর রস পান করলে শরীরে থেকে দুষিত উপাদান অপসারিত হয়। কুসুম গরম পানিতে অর্ধেকটা লেবুর রস মিশিয়ে নিলেই যথেষ্ট।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার ও বেইকিং সোডা: এই মিশ্রণ শরীরের অম্ল-ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করে, যা রক্ত এবং টিস্যু পরিশোধন করে। রক্ত থেকে ইউরিক অ্যাসিড পরিষ্কার করে এই মিশ্রণ।

দুই টেবিল-চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনিগারের সঙ্গে আধা টেবিল-চামচ বেইকিং সোডা একটি খালি গ্লাসে মিশিয়ে নিতে হবে। মিশ্রণটি কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে যাতে ফেনা কমে আসে। এরপর তাতে পানি যোগ করে সঙ্গে সঙ্গে পান করতে হবে। অ্যাপল সাইডার ভিনিগারের সঙ্গে মেশালে বেইকিং সোডা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। তারপরও যাদের উচ্চ রক্তচাপ আছে তাদের এই মিশ্রণ পান করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

বেসিল: ব্যাকটেরিয়া ও প্রদাহরোধী গুণ রয়েছে বেসিলের। পাশাপাশি রক্ত পরিশোধনের ক্ষেত্রে এবং বৃক্ক ও যকৃত থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করতে এই ভেষজ উপাদান অনন্য। মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান দূর করবে এই উপাদান। প্রতিদিনের খাবারে পাঁচ থেকে ছয়টি বেসিল পাতার গুঁড়া মিশিয়ে দিলেই এর উপকার পাওয়া যায়। আবার একই পরিমাণ পাতা দিয়ে চা বানিয়েও পান করা যেতে পারে।

হলুদ: অত্যন্ত উপকারী একটি মসলা হলুদ, যা রক্ত পরিষ্কার করে এবং রোগ নিরাময় প্রক্রিয়া দ্রুত করে। হলুদে থাকা ‘কারকিউমিন’ প্রদাহ এবং শরীরের প্রায় সব ধরনের জটিলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে। নতুন লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতেও ভূমিকা রাখে হলুদ। আর হলুদের স্বাস্থ্যগুণ সেই আয়ুর্বেদিক চিকিৎসার দিনগুলো থেকেই জন সমাদৃত। এক কাপ কুসুম গরম দুধের সঙ্গে আধা চা-চামচ হলুদ গুঁড়া মিশিয়ে পান করতে হবে। যকৃতের সঠিক কার্যক্রম বজায় রাখতে সাহায্য করে এই পানীয়।

পানি: প্রাকৃতিক পরিশোধনকারী হল পানি। যত বেশি পানি পান করা হবে রক্ত ততই বিশুদ্ধ হবে। শরীর থেকে দূষিত উপাদান ধুয়ে প্রসাবের সঙ্গে বের করে দেয় পানি এবং সকল অঙ্গের স্বাভাবিক কার্যক্রম অক্ষুণ্ন রাখে। খনিজ উপাদান ও ভিটামিনের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক পানি।

অন্যান্য খাবার

উপরোক্ত খাবারগুলো উপকরণগুলো ছাড়াও আরও অনেক ফল ও সবজি আছে যা রক্ত পরিশোধনে কার্যকর।

ব্লুবেরি: প্রাকৃতিক রক্ত পরিশোধনকারী খাবারের মধ্যে সবচাইতে কার্যকর এই ফল। পাশপাশি যকৃত ক্যান্সার সৃষ্টিকারী কোষের বৃদ্ধিও বন্ধ করে ব্লুবেরি।

ব্রকলি: প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাঙ্গানিজ থাকে ব্রকলিতে। আর শরীর থেকে বিষাক্ত উপাদান অপসারণেও কার্যকর এই সবজি।

বিট: এতে থাকে ‘বেটালাইন্স’ এবং ‘নিট্রাটস’ নামক ‘অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট’ যা রক্ত পরিশোধন করে।

গুড়: রক্ত পরিষ্কার করার কাজে গুড় একটি অনন্য উপাদান। শরীরের ভেতরে জমাট বেঁধে থাকা রক্ত দূর করে গুড় যা রক্ত পরিশোধনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

01/07/2022

পিত্তলিতে পাথর হলে সমস্যার সমাধানঃঃ

নারী-পুরুষ উভয়ই পিত্তথলি বা গলব্লাডারের পাথরের সমস্যায় ভোগেন। তবে পুরুষদের তুলনায় নারীদের পিত্তাশয়ে পাথর হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। অনিয়মিত জীবনযাপনের কারণে পিত্তথলিতে পাথর হতে পারে।

বিশেষ খাওয়া-দাওয়ার অনিয়ম, মেনোপজের পর হরমোন ক্ষরণে ঘাটতি, গর্ভনিরোধক বড়ি খাওয়ার অভ্যাস, কম পানি খাওয়া ইত্যাদি কারণে গলব্লাডারে পাথর হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে।

পিত্তথলির পাথর কী?

পিত্তথলির পাথর ছোট ছোট বালুর দানার মতো হয়ে থাকে। মটরের দানা বা তার চেয়েও বড় শক্ত দানাদার বস্তু, যা বিভিন্ন রঙের ও বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। এটি নির্ভর করে কী পদার্থ দিয়ে পাথর তৈরি হয় তার ওপর।

কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন বা ক্যালসিয়াম ইত্যাদি পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরি এই পাথরগুলো পিত্তরসের সঙ্গে মেশানো অবস্থায় থাকে। হালকা বাদামি, ময়লাটে সাদা বা কুচকুচে কালো রঙের হতে পারে।

পেটের ডানদিকে যকৃতের পেছনে ও নিচের দিকে পিত্তথলি থাকে। পিত্তরস তৈরি করাই এর কাজ। খাবার হজমে, বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার হজম করতে পিত্তরস দরকার হয়। নানা কারণে পিত্তথলিতে বিভিন্ন পদার্থ জমে গিয়ে পাথরের সৃষ্টি করে।

তবে নারীর তুলনায় কম হলেও পুরুষদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। জেনে নিন কোন উপসর্গগুলো জানান দেয় যে আপনি গলব্লাডারে আক্রান্ত?

>> পিত্তাথলিতে পাথর হলে মাংস, তেল ও মসলাজাতীয় খাবার খেলে পেটে ব্যথা হয়। সঙ্গে বমিও হতে পারে।

এক্ষেত্রে কাঁপুনি দিয়ে জ্বরও আসতে পারে। একই সঙ্গে পেটে ব্যথায় ভোগেন আক্রান্তরা।

>> অনেক সময় পাথর পিত্তথলি থেকে বেরোতে গিয়ে পিত্তনালিতে আটকে যায় এবং তখন বিলিরুবিনের বিপাক ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার দরুন জন্ডিসও হতে পারে।

>> পিত্তথলিতে পাথর হলে অনেকে হেপাটাইটিসেও আক্রান্ত হন। তাই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

>> গলব্লাডারের মূল লক্ষণ পেটের ডান দিক থেকে ব্যথা শুরু হয়ে ডান কাঁধ পর্যন্ত পৌঁছায়। এরকম হলে অতি অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে যান।

>> পেটের আলসার, যকৃতের কোনো সমস্যা এমনকি হৃদরোগেও এ উপসর্গের কাছাকাছি ধরনের ব্যথা হতে পারে বলে সেগুলোর অবস্থাও নির্ণয় করে নেয়া দরকার।

Photos from Organic mart bd's post 01/07/2022

হার্টের লক্ষন এবং সনাক্ত করার নিয়মঃ

শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মধ্যে হৃদয় একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এর ক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেলে সবই শেষ। হৃদয় হলো শরীরের মূলধন। তাই জানতে হবে হৃদয় কিভাবে কাজ করে, বুঝতে হবে হৃদরোগের লক্ষ্যণসমূহ এবং অনুসরণ করতে হবে হৃদয় ভালো রাখার পদ্ধতি।

হৃদয় যেভাবে কাজ করে

হৃদপিন্ড বুকের মাঝখান থেকে বাঁ দিকের বুকের অনেকখানি জুড়ে অবস্থিত। এর ভেতরে চারটি ঘর রয়েছে। বাঁ দিকের উপরের অংশ ছোট পাতলা দেয়ালের একটি ঘর। একে বাম অলিন্দ বলা হয়। তার ঠিক নিচে বাম দিকে হৃদপিন্ডের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং মাংসল যে ঘরটি অবস্থিত তাকে বলা হয় বাম নিলয়। বাম অলিন্দে ফুসফুস থেকে চারটি শিরার মাধ্যমে অক্সিজেন দিয়ে শোষিত রক্ত এসে প্রবেশ করে। বাম অলিন্দ থেকে বাম নিলয়ে যাওয়ার জন্য শক্ত দুটি পাল্লা সম্বলিত একটি ভাল্ব আছে। এই পাল্লা দুটি খুলে গেলে বাম অলিন্দ থেকে এই রক্ত বাম নিলয়ে ঢুকে যায়।

বাম নিলয়ে থেকে বিশুদ্ধ রক্ত বের হওয়ার জন্য মহাধমনীর মুখটি বাম নিলয়ে থেকে উঠে এসেছে। এই মহাধমনী এবং বাম নিলয় সংযোগস্থলে তিন পাল্লা বিশিষ্ট একটি ভাল্ব আছে। এই পাল্লাগুলো যখন খুলে যায় (আল্লাহ তায়ালার এত সুন্দর ব্যবস্থা) একই সময়ে দুই পাল্লাওয়ালা অন্য কপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং বাম নিলয় এ সময় খুব জোরে সংকুচিত হয়, যার ফলে বিশুদ্ধ রক্ত মহাধমনী এবং তার অসংখ্য শাখা-প্রশাখার মাধ্যমে সারা দেহে ছড়িয়ে পরে। এই বিশুদ্ধ রক্তের মাধ্যমে শরীরের সমস্ত টিস্যু অক্সিজেন, অন্যান্য পুষ্টি, ইলেকট্রোলাইট ইত্যাদি গ্রহণ করবে।

হৃদরোগের লক্ষণসমূহ

হৃদরোগে বুক ব্যথা সাধারণত বুকের মাঝখানে হয়ে থাকে। কখনও বুকের বামপাশে অনেকখানি জায়গা জুড়েও তা হতে পারে। এই ব্যথা মৃদু থকে তীব্র, বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। সাধারণত একটা তীব্র চাপ এই ব্যথার বৈশিষ্ট্য। অনেকের ব্যথা শুধু বুকের মধ্যখানে অথবা বুকে হৃদপিন্ডের উপর সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। যদিও এই ব্যথা ছড়িয়ে পড়তে পারে সারা বুকে, বাম কাঁধে, বাম বাহুতে, বাম হাতে, বাম কড়ে আঙ্গুলে।

কখনও কখনও ডান কাঁধেও এ ব্যথা আসতে পারে। আবার এই ব্যথা গলা দিয়ে চোয়াল পর্যন্তও চলে আসে। কেউ কেউ এ ব্যথা উপরের পেটেও অনুভব করেন। এনজাইমা হলে সাধারণত পরিশ্রমের পর রোগী এই ব্যথা অনুভব করেন এবং বিশ্রাম করলে এই ব্যথা চলে যায়। কিন্তু একবার মাইওকার্ডিক্যাল ইনফ্রাকশন হলে এ ব্যথা এবং চাপ চলতে থাকে। তখন বুকে ব্যথার সঙ্গে প্রায়ই দম বন্ধ হয়ে আসতে চায়, শরীর ঘামতে থাকে, হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং কখনও কখনও বুক ধড়ফড় করে।

কোন কোন রোগী অজ্ঞান পর্যন্ত হয়ে যান। ব্যথার সময় গ্লিসারিন ট্রাই নাইট্রেট (জিহ্বার নিচে দিয়ে চুষতে হয় অথবা জিহ্বার নিচে স্প্রে করতে হয়) ওষুধে ২ মিনিটে যদি ব্যথা না কমে, দম বন্ধ ভাব, দারুণ দুর্বলতা অথবা বুকে চাপ চলতে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে পরিস্থিতি মোটামুটি গুরুতর পর্যায়ে। সুতরাং হাসপাতালে যাওয়া বাঞ্ছনীয়।

যারা অতি বৃদ্ধ, যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস অথবা যারা অধিক মদ্যপায়ী তাদের বুকে ব্যথা ছাড়াও মাইওকার্ডিক্যাল ইনফ্রাকশন হতে পারে। ওই ধরনের রোগীরা দারুন দুর্বলতা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া অথবা হৃদপিন্ড ঢিলে হয়ে যাওয়ার দরুন, হাত-পা ফুলে গিয়ে অসুবিধার দরুন ডাক্তারের কাছে আসতে পারেন।

হৃদরোগ যেভাবে সনাক্ত করবেন

হৃদরোগ সন্দেহ হলে প্রথমে ডাক্তার সাহেব একটি ইসিজি করেন। ইসিজির মাধ্যমে জন্ম থেকে হৃদরোগ এবং ভাল্বরোগের খুব নিশ্চিত সিদ্ধান্ত না পেলেও সন্দেহজনক ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু করোনারি হৃদরোগ বা করোনারি আর্টারিতে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়া রোগে ইসিজিতে প্রায়ই অনেক গুরুত্বপর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।

ইকোকার্ডিওগ্রাম এবং ডপলার ইকো- এ দুটি অপেক্ষাকৃত উঁচু দরের সহায়ক পরীক্ষা। ডপলার ইকো হৃদরোগ নির্ণয়ের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পরীক্ষা। করোনারি হৃদরোগ ইকো দেখে হৃদপিন্ডের কোনো অংশে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে থাকলে সেই অঞ্চলের মাংসপেশীর দুর্বলতার পরিমাণ বোঝা যায়। তাছাড়া বাম নিলয়ের সংকোচন ক্ষমতা সম্পর্কেও ইকো থেকে বেশ বোঝা যায়।

করোনারি হৃদরোগ সম্পর্কেও যথেষ্ট সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও ইসিজি স্বাভাবিক হলে ইটিটি পরীক্ষা করা যেতে পারে। ইটিটি পরীক্ষা করার সময় রোগীকে নির্দিষ্ট ব্যায়াম দিয়ে ক্রমাগত ইসিজি করা হয়। ব্যায়াম দেয়ার দরুন ইসিজিতে একটি নির্দিষ্ট পরিবর্তন হলে করোনারি হৃদরোগ সন্দেহ প্রবল হয়।

করোনারি ধমনী অথবা তার কোন শাখা খুব সরু হয়ে যাওয়ার চূড়ান্ত পরীক্ষা করোনারি এনজিওগ্রাম। এটি একটি বিশেষজ্ঞ পরিচালিত পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় কোমরের কুচকিতে অথবা হাতের কনুইতে, ধমনীতে একটি সরু নল প্রবেশ করিয়ে এক্স-রে স্ক্রিনিং মেশিনের সহায়তায় চোখে দেখে তা মহাধমনীর গোড়ায় করোনারি আর্টারীতে আয়োডিন সম্বলিত ওষুধ প্রবেশ করিয়ে দেয়া হয়। এর ফলে দুটি করোনারি ধমনী এবং তার শাখা-প্রশাখা স্পষ্টভাবেস্কীনে ফুটে উঠে। এগুলোর ভিডিও টেপ এবং এক্স-রে ছবির কপি সংরক্ষণ করা হয়। রোগীকে এর জন্য অজ্ঞান করতে হয় না। কিন্তু রোগী যাতে নার্ভাস না হয় সে জন্য সামান্য ওষুধ দেয়া হয়। ইচ্ছে করলে ওই সময়ে রোগীর করোনারির ছবি তিনি নিজে দেখতেও পারেন।

হালে কার্ডিক বা করোনারি এমআরআই বলে একটি নতুন পরীক্ষা বের হয়েছে। এতে টিউব না ঢুকিয়ে করোনারি শিরা ও হৃদপিন্ডের অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।

হৃৎপিন্ড কখনও কখনও ধীর গতিতে কখনও খুব দ্রুত চলা, কখনও হৃৎপিন্ডে ছন্দ বা লয়ে অসামঞ্জস্য থাকা ইত্যাদি রোগে হলটার মনিটর টেস্ট বলে একটি পরীক্ষা করা হয়। ২৪ ঘণ্টা ছোট একটি যন্ত্র বুকে লাগিয়ে রোগী তার স্বাভাবিক কাজকর্ম করেন। এই পরীক্ষার ২৪ ঘণ্টার প্রায় ১ লাখ হার্টবীট সংরক্ষণ করা হয়। পরে কম্পিউটার এনালাইসিস করে হৃদপিন্ডের ওইসব বিভিন্ন রোগ সম্পর্কিত রিপোর্ট তৈরি করা হয়।

হৃদরোগের চিকিৎসা

বুকের ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট, ঘাম দিয়ে হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি উপসর্গ হলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যেতে হবে। এমআই হলে সাধারণত করোনারি ধমনীর কোন জায়গায় রক্ত জমাট বেঁধে যায়। আজকাল রোগী যদি ব্যথা শুরু হওয়ার ১ ঘণ্টার মধ্যে হার্টের ইউনিটে পৌঁছতে পারেন তাহলে ওই জমাট রক্ত তরল করে ফেলার জন্য বিশেষ ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এমআই হবার প্রথম ঘণ্টাকে এজন্য গোল্ডেন আওয়ার বলে।

এছাড়া ব্যথা, অস্থিরতা, অক্সিজেনের অভাব ইত্যাদির জন্য বিভিন্ন ওষুধ এবং অক্সিজেন দিয়ে রোগীকে আরাম দেয়া হয়।

একই সঙ্গে রোগীর হাইপ্রেসার বা ডায়াবেটিস থাকলে তা চিকিৎসা দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। অল্প কিছুদিন পূর্ণ বিশ্রাম করার পর হালকা কাজের মাধ্যমে ধীরে ধীরে রোগীকে পুনর্বাসিত করতে হয়।

ভবিষ্যতের জন্য লাইফ স্টাইল পরবর্তিত করে নিতে হয়। ধূমপান করলে করোনারি রক্তনালি চেপে যায়, রক্তচাপ বেড়ে যায়। এ জন্য ধূমপান এ রোগীর চরম শত্রু।

কোলেস্টরল এবং লিপিড নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। সাধারণত ভাত এবং শর্করা জাতীয় খাদ্য কম খেতে হয়। কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণের জন্য ফুলক্রিম দুধ, সর, ঘি, মাখন, চর্বি, ডিমের কুসুম, মগজ, কলিজা, হাড়ের ভেতরের নরম অংশ, গরু, খাসি, শর্করা, মদ ইত্যাদি খাদ্য শক্তভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। রক্তের চর্বি এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য ওষুধও পাওয়া যায়।

সাধারণত ফল, শাক-সব্জি, মাছ, ডাল লিপিড নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে। ডায়াবেটিস ও হাইপ্রেসার রোগের ক্ষেত্রে লিপিড এবং ধূমপান নিয়ন্ত্রণ এবং শক্ত হাতে চিকিৎসা করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

অ্যাটাক থেকে ভালো হওয়ার পর চিকিৎসক কর্তৃক নির্ধারিত ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করোনারি রোগীর জন্য অত্যন্ত উপকারী হতে পারে। একমাত্র চিকিৎসক রোগীর সবকিছু বিবেচনা করে কোন ধরনের ব্যায়াম তিনি গ্রহণ করতে পারবেন তা নির্ধারণ করবেন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Chittagong