Healthy Optics
Alhamdulillah our product is made in a completely natural way and is approved by Bangladesh Sciencelab.
#Healthy Optics#Elite Mart Ltd
We do not parcel products, we believe parcels, our head office is on the 3rd and 4th floor of Chittagong Muradpur Jalal Plaza.
01/11/2022
আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আজ আমরা দই খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানবো ইনশাআল্লাহ্ ❤️
টক দই উপকারী একটি খাবার, একথা প্রায় সবারই জানা। কিন্তু উপকারী হলেও সব ধরনের খাবার সব সময় এবং সব খাবারের সঙ্গে খাওয়া যায় না। যেমন ধরুন, সন্ধ্যায় ফল খেতে নিষেধ করা হয় কিংবা খালি পেটে টক জাতীয় খাবার। এমন নিয়ম মানতে হবে টক দইয়ের ক্ষেত্রেও। নয়তো উপকারের বদলে ক্ষতিই হবে বেশি।
আমাদের হজমক্ষমতা ভালো করতে কাজ করে টক দই। এটি শরীরের ভেতরের দূষিত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে। ওজন কমানোর প্রচেষ্টা করলেও নিয়মিত খেতে পারেন টক দই। আপনি যদি সঠিকভাবে না খান তাহলে এই টক দই আপনার অসুস্থতার কারণ হতে পারে। খাওয়ার সময়, কম্বিনেশন সবকিছুর দিকেই খেয়াল রাখতে হবে।❤️
আসসালমুআলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভালো আছেন।❤️
আপেলের বীজ পেটে গেলে কি কোনও ক্ষতি হতে পারে?🤔
আপেলের বীজে অ্যামিগডালিন নামের যৌগ থাকে। বীজ যদি সরাসরি পেটে চলে যায়, তা হলে তা ততটাও বিপজ্জনক নয়। কারণ পেটে এই বীজ হজম হয় না। মলের সঙ্গে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। কিন্তু যদি দাঁতের চাপে এই বীজ ভেঙে যায়? তা হলে তা থেকে হাইড্রোজেন সায়ানাইড নামক উপাদান বেরিয়ে আসে। যা শরীরে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে।😨
তা হলে কী আপেলের বীজ চিবিয়ে ফেললেই বিপদ? তা নয়। কারণ প্রতিটি বীজে অত্যন্ত সামান্য পরিমাণে এই সায়ানাইড থাকে। সেটি মারাত্মক বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে না।❤️
আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ🥰 আশা করছি সবাই আল্লাহর রহমতে অনেক ভালো আছেন। ❤️মধু আমাদের সকলেরই পরিচিত একটি নাম। আবার অনেকের কাছে নিত্যদিনের একটি খাবার।যারা নিয়মিত মধু খাচ্ছেন তারা হাজার রকম রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে যাচ্ছেন 🥰।কেননা মধু আমাদের শরিরের জন্য খুব উপকারী।চলুন আজকে জেনে আসি মধুর কিছু উপকারিতা সম্পর্কে 🤗
সূরা নাহল এর আয়াত ৬৯-এ আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন-- "তার পেট থেকে বিভিন্ন রঙের পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিকার।
হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে হুজুর পাক (সা.) বলেছেন, তোমরা দুটি সেফা দানকারী বস্তুকে নিজেদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় করে নাও। একটি মধু অপরটি কুরআন। -(মিশকাত)
মধুর 3 উপকারিতাঃ
১.ঘুমাতে যাওয়ার আগে মধু খেলে মস্তিষ্কের ক্রিয়াকর্ম সঠিকভাবে চলতে সাহায্য করে । মধুতে বিদ্যমান উপাদান, ফ্রুক্টোজ মানবদেহের যকৃতে শক্তি সঞ্চয় করে এবং তা মস্তিষ্কে শক্তি সরবরাহ করে ।
২.বিভিন্ন ভাইরাসজনিত রোগ, বিশেষ করে সর্দি-কাশিতে মধুর প্রভাব খুবই কার্য্কর । তাছাড়া মধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে; যে কোনো সংক্রামক রোগ থেকে রক্ষা করে ।
৩.বিভিন্ন গবেষণা থেকে জানা যায়, পাকস্থলির বিভিন্ন রোগ, যেমন-গ্যাস্ট্রিক-আলসার থেকে পরিত্রাণ পেতে নিয়মিত মধু সেবন করা দরকার ।
31/08/2022
আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই ভালো আছেন।❤️
মৌসুমি ফল কাঁঠালের রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ। এ সময় পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ কাঁঠাল খেতে পারেন।
এতে রয়েছে ফাইবার, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাংগানিজ, কপার, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, কার্বসহ আরও অনেক পুষ্টিগুণ।
আসুন জেনে নিন পাকা কাঁঠালের স্বাস্থ্য উপকারিতা-
১. কাঁঠালে থাকা প্রোটিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে।
২. ত্বক সুন্দর রাখতে নিয়মিত খেতে পারেন কাঁঠাল। কাঁঠালে থাকা ভিটামিন-সি ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
৩. কাঁঠালে রয়েছে পটাশিয়াম, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
৪. ভিটামিন-এ রয়েছে কাঁঠালে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৫. কাঁঠালে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফ্ল্যাভোনয়েড ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে ফ্রি রেডিক্যাল প্রতিরোধ করে, যা ক্যান্সার সৃষ্টির জন্য দায়ী।
৬. কাঁঠালে রয়েছে কার্বোহাইড্রেট ও ক্যালোরি। খেলে তাৎক্ষণিক শক্তি পাওয়া যায়।
৭. কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় হজমের সমস্যা দূর করে।
৮. কাঁঠালে থাকা ক্যালশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম হাড় মজবুত করে ও অস্টিওপোরসিস রোগ প্রতিরোধ করে।
৯. দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে কাঁঠাল।
১০. কাঁঠালের বিচিতেও রয়েছে প্রোটিন। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় কাঁঠালের বিচি খেতে পারেন। ফলে শরীরের রক্ত সরবরাহ বাড়বে। এ ছাড়া কাঁঠালে থাকা কপার থাইরয়েডগ্রন্থি ভালো রাখে।
30/08/2022
আসসালামু আলাইকুম 🥰দারুচিনি আমাদের সকলেরই পরিচত নাম।সবাই এটিকে মসলা হিসেবেই চিনি আমরা।কিন্তু দারুচিনি ও আমাদের সকলের শরিরের জন্য খুব উপকারী ঔষধ হিসেবে কাজ করে।চলুন তাহলে দারুচিনির কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে আসি 🤗
দারুচিনির উপকারিতা ও খাওয়ার নিয়ম
পরিপাকতন্ত্রের অসুখ, দাঁত ও মাথাব্যথা, চর্মরোগ, মাসিকের সমস্যা দারুচিনি সেবনে সেরে যায়। এর সাথে ডায়রিয়া, যক্ষ্মা রোগেও এর ব্যবহার উপকারী। আপনি অবশ্যই জানেন যে দারুচিনি ব্যবহারের অনেক উপকারিতা রয়েছে, যাতে আপনি সময়মতো দারুচিনি ব্যবহার করার সুবিধা নিতে পারেন।
পিরিয়ডের ব্যথা কমানোর উপায়
এখানে দারুচিনির উপকারিতা, খাওয়ার নিয়ম এবং ব্যবহারের পরিমাণ:-
হেঁচকি সমস্যায় দারুচিনির উপকারিতাঃ হেঁচকি একটি খুব সাধারণ বিষয়, তবে এমন অনেক লোক আছেন যারা সবসময় হেঁচকির অভিযোগ করেন। এই ধরনের মানুষ দারুচিনি ব্যবহার করতে পারেন। 10-20 মিলি দারুচিনির ক্বাথ পান করুন। এটি স্বস্তি দেয়।
ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য দারুচিনি খানঃ 500 মিলিগ্রাম শুঁথি পাউডার, 500 মিলিগ্রাম এলাচ এবং 500 মিলিগ্রাম দারুচিনি পিষে নিন। সকাল-সন্ধ্যা খাবার আগে খেলে ক্ষুধা বাড়ে।
বমি বন্ধ করতে দারুচিনির ব্যবহারঃ বমি বন্ধ করতেও দারুচিনি ব্যবহার করা হয়। দারুচিনি এবং লবঙ্গের একটি ক্বাথ তৈরি করুন। 10-20 মিলি পরিমাণে খেলে বমি বন্ধ হয়।
চোখের রোগে দারুচিনির ব্যবহারঃ অনেকে অভিযোগ করেন যে তাদের চোখ টলতে থাকে। চোখের ওপরে (চোখের পাতায়) দারুচিনির তেল লাগান। এতে চোখের পলক পড়া বন্ধ হয় এবং দৃষ্টিশক্তিও বৃদ্ধি পায়।
দাঁতের ব্যথার জন্য দারুচিনির ব্যবহারঃ যাঁরা দাঁতের ব্যথায় ভুগছেন, তাঁরা দারুচিনি খেতে পারেন। তুলো দিয়ে দাঁতে দারুচিনির তেল মাখুন। এটি স্বস্তি দেবে।
মাথাব্যথা উপশমে দারুচিনির উপকারিতাঃ মাথা ব্যাথা হলে দারুচিনি খান। 8-10টি দারুচিনি পাতা পিষে একটি পেস্ট তৈরি করুন। দারুচিনির পেস্ট মাথায় লাগালে ঠাণ্ডা বা গরমে মাথাব্যথা থেকে আরাম পাওয়া যায়। উপশম পাওয়ার পরে, পেস্টটি ধুয়ে ফেলুন।দারুচিনি তেল দিয়ে আপনার মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এটি ঠান্ডাজনিত মাথাব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। সমান পরিমাণে দারুচিনি, তেজপাতা এবং চিনি মিশিয়ে নিন। চাল ধোয়া পানির সাথে পিষে একটি সূক্ষ্ম গুঁড়ো তৈরি করুন। নাক দিয়ে নিন। 🥱
29/08/2022
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই?❤️
দেশি ফল কোনটা খেলে কি উপকার হয়।
আসেন জেনে নি কি ফল খেলে কি কি উপকার হয়।
দেশি ফলের রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ। বয়স, শারীরিক অবস্থা, রোগ ভেদে নিয়মিত ও সঠিক মাত্রায় ফল খেলে তা শারীরিক অনেক রোগব্যাধির ক্ষেত্রেও উপকারী। দেশে এখন চলছে মধুমাস জ্যৈষ্ঠ। এই মাসে বিভিন্ন ধরনের রসাল ও মিষ্টি ফলে বাজার সয়লাব।
ফলের মধ্যে খাদ্যশক্তি থাকে, যা শরীরের ভেতর থেকে ক্ষতিকর চর্বি বের করে দেয়। তাই ফল সবার জন্য উপকারী। পুষ্টিমানের দিক থেকেও সব ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, খনিজ পদার্থ থাকে। বিশেষ করে রঙিন ফলে লাইকোপেট আর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা শরীরের ভেতরের বিষাক্ত জিনিস দূর করে দেয় এবং ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করে।
গ্রীষ্মকালে পাওয়া যায়, এমন কয়েকটি মৌসুমি ফলের গুণাগুণ এখানে তুলে ধরা হলো:
আমঃ
স্বাদ, পুষ্টি ও গন্ধে অতুলনীয় জনপ্রিয় একটি ফল আম। আয়রন ও সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণে বেশ কার্যকরী আম। আম রক্তে ক্ষতিকারক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। ডায়াবেটিসের সঙ্গে লড়াই করে। ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। আমে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ প্রোটিন যা জীবাণু থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়।
আমে রয়েছে ভিটামিন এ, যা দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে। চোখের চারপাশের শুষ্কভাবও দূর করে। পাকা আমে কাঁচা আমের তুলনায় শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। কাঁচা আম দেহের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। লিভারের সমস্যায় কাঁচা আম খাওয়া উপকারী। এটি বাইল এসিড নিঃসরণ বাড়ায়। অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়াকে পরিষ্কার করে। দেহে নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।
খনিজ পদার্থ আয়রনের ভালো উৎস আম। প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও সোডিয়াম বিদ্যমান। এছাড়া খনিজ লবণ, ভিটামিন বি, ই, সেলেনিয়াম, এনজাইম, ম্যালিক এসিড, সাইট্রিক এসিড, টারটারিক অ্যাসিড বিদ্যমান। এজন্যই আমকে বলা হয় ফলের রাজা। এর মধ্যে রয়েছে এমন অনেক পুষ্টিগুণ যা শরীরকে ভালো রাখে।
খসখসে চামড়া, চুলপড়া, চোখের নানা রোগ, হজমের সমস্যা দূর করতে আম কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়া এই ফলটি বলকারক, মুখরোচক ও যকৃতের জন্য উপকারী।
কাঁঠালঃ
আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠাল। কাঁঠালে প্রচুর এনার্জি, শর্করার পরিমাণও বেশি। পাকা কাঁঠালের ক্যালরি প্রতি ১০০ গ্রামে প্রায় ৯০ কিলোক্যালরি এবং খনিজ লবণের পরিমাণ প্রায় ০.৯ গ্রাম। কাঁচা কাঁঠালের ফাইবারের পরিমাণ পাকা কাঁঠালের বেশ কয়েক গুণ বেশি। ❤️
29/08/2022
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন ❤️
সারা বছর তাে দেখা মেলেই, শীতকালে হয়ে ওঠে আরো বেশি সহজলভ্য। সুঘ্রাণযুক্ত সুন্দর এই ফলটি রয়েছে অনেকেরই প্রিয় ফলের তালিকায়। বলছিলাম কমলার কথা। কমলা আমাদের প্রতিদিনের ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করে। একই সঙ্গে এ ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট জাতীয় উপাদান। এ পুষ্টি উপাদানসমূহ রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং ছোটবড় নানা ব্যাধি ও সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। কমলার রয়েছে আরো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন জেনে নেয়া যাক-
কমলায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিনের পাশাপাশি রয়েছে আলফা ও বেটা ক্যারোটিনের মতো ফ্ল্যাভনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কমলায় উচ্চমাত্রার পুষ্টিগুণ হচ্ছে ফ্ল্যাভনয়েড যা ফুসফুস এবং ক্যাভিটি ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর। তাই ক্যান্সার থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন ১টি কমলা খাওয়া উচিত।❤️
29/08/2022
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন ❤️
কমলায় প্রচুর পরিমাণ ভিটামিনের পাশাপাশি রয়েছে আলফা ও বেটা ক্যারোটিনের মতো ফ্ল্যাভনয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কমলায় উচ্চমাত্রার পুষ্টিগুণ হচ্ছে ফ্ল্যাভনয়েড যা ফুসফুস এবং ক্যাভিটি ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকর।❤️
29/08/2022
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন।❤️
হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : লাল শাকে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, যা হজমে সহায়ক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়। সেই সঙ্গে বাওয়েল মুভমেন্ট যাতে ঠিক মতো হয়, সেদিকেও খেয়াল রাখে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বদ-হজমের আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বলের প্রকোপও হ্রাস পায়।❤️
29/08/2022
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন।❤️
হার্ট ভালো থাকে : লাল শাকে থাকা "ফাইটোস্টেরল" নামক একটি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর একদিকে যেমন ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, তেমনি নানাবিধ হার্টের রোগের অ্যান্টিডোট হিসেবেও কাজ করে। সপ্তাহে কম করে ২-৩ দিন যদি লাল শাক খাওয়া যায়, তাহলে হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।❤️
29/08/2022
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন।❤️
উন্নত দৃষ্টিশক্তি: লাল শাকে থাকা ভিটামিন সি রেটিনার ক্ষমতা বৃদ্ধির মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই যারা চোখে কম দেখেন বা পরিবারে গ্লুকোমার মতো রোগের ইতিহাস রয়েছে, তারা সময় নষ্ট না করে আজ থেকেই লাল শাক খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন অল্প দিনেই উপকার পাবেন।❤️
29/08/2022
আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালো। ❤️
জ্বরের চিকিৎসায় : আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে যারা জ্বরে ভুগছেন, তারা এই ঘরোয়া পদ্ধতিটির সাহায্য নিতে পারেন। এক্ষেত্রে একটা প্যানে পরিমাণ মতো জল নিয়ে তাতে এক মুঠো লাল শাক ফেলে দিন। তারপর জল ফোটাতে শুরু করুন। যখন দেখবেন ফুটতে ফুটতে জলেরপরিমাণ অর্ধেক হয়ে গেছে, তখন আঁচটা বন্ধ করে দিন। এরপর জল ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নিয়ে পান করুন। এমনটা কয়েকদিন করলেই দেখবেন জ্বর পালিয়েছে।❤️
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Chittagong
4000
