Green Life International BD Shop
পন্য অর্ডার করতে কল দিন ০১৯৮৭৫০৯২৪৯
� আপনাদের সুখী জীবনই আমাদের কাম্য
14/10/2021
🔰 জার্মানি এবং আমেরিকান পরীক্ষিত ভেষজ নির্জাস দিয়ে প্রস্তুত। কোন প্রকার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই।
📞 হেল্প নাম্বারঃ ০১৯৮৭৫০৯২৪৯
👉 বিশেষ এই কোর্স কাদের জন্যে নেওয়া আবশ্যক?
✅ যাদের চা.হিদা কম
✅ মি.লনে (অ)ক্ষম
✅ অতি-রিক্ত স্ব-প্নদোষ
✅ বী-র্য পাতলা
✅ মিলনে দ্রু-ত পতন
✅ শরীর দু-র্বল
✅ একবারের বেশি মিলনে অক্ষ-ম তাহলে সেবন করুন বাজিক*র*ণ শক্তি
💰 মুল্যঃ ৮০০ টাকা
✅ যাদের বিশে-ষাঙ্গ নি-স্তেজ,ন-রম, বাঁকা, আকারে ছো-ট, সম্পুর্ন শ-ক্ত হয় না।
➡️ তারা না*ইট পা*ওয়ার অয়ে*ল ২ সপ্তাহ ব্যবহারে বিশে-ষাঙ্গ ল-ম্বা, মোটা ও বড় করুন। কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
👉 এক ফাইলই যথেষ্ট ।
💰 মুল্যঃ ৬০০ টাকা মাত্র ।
👉 এক কোর্সেই যথেষ্ট, বিফলে মুল্য ফেরত। গ্যারান্টি কার্ড বুঝে নিন।
🚑 ভি.পি.ও. পার্সেল এবং কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে পাঠানো হয়।
🔰 মান সম্মত ব্রান্ডের পণ্য ব্যবহার করুন এবং বদলে ফেলুন নিজেকে।
🔰 আমাদের রয়েছে অভিজ্ঞ এবং ব্যা)ক্তি)গত রো)(গ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্যানেল। আপনার যেকোন সমস্যায় ফরহাদ স্যারের সাথে মোবাইলে পরামর্শমূলক চিকিৎসা গ্রহন করুন।
🍀সর্ব প্রকার ক-বি-রাজী, পাহা-ড়ী গাছ-গা-ছড়া যে কোন ধরনের ব)না(জি ও-(ষু)ধ দরকারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: ০১৯৮৭৫০৯২৪৯
24/09/2021
🔰 জার্মানি এবং আমেরিকান পরীক্ষিত ভেষজ নির্জাস দিয়ে প্রস্তুত। কোন প্রকার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই।
📞 হেল্প নাম্বারঃ ০১৯৮৭৫০৯২৪৯
👉 বিশেষ এই কোর্স কাদের জন্যে নেওয়া আবশ্যক?
✅ যাদের চা.হিদা কম
✅ মি.লনে (অ)ক্ষম
✅ অতি-রিক্ত স্ব-প্নদোষ
✅ বী-র্য পাতলা
✅ মিলনে দ্রু-ত পতন
✅ শরীর দু-র্বল
✅ একবারের বেশি মিলনে অক্ষ-ম তাহলে সেবন করুন বাজিক*র*ণ শক্তি
💰 মুল্যঃ ৮০০ টাকা
✅ যাদের বিশে-ষাঙ্গ নি-স্তেজ,ন-রম, বাঁকা, আকারে ছো-ট, সম্পুর্ন শ-ক্ত হয় না।
➡️ তারা না*ইট পা*ওয়ার অয়ে*ল ২ সপ্তাহ ব্যবহারে বিশে-ষাঙ্গ ল-ম্বা, মোটা ও বড় করুন। কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
👉 এক ফাইলই যথেষ্ট ।
💰 মুল্যঃ ৬০০ টাকা মাত্র ।
👉 এক কোর্সেই যথেষ্ট, বিফলে মুল্য ফেরত। গ্যারান্টি কার্ড বুঝে নিন।
🚑 ভি.পি.ও. পার্সেল এবং কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেকোন প্রান্তে পাঠানো হয়।
🔰 মান সম্মত ব্রান্ডের পণ্য ব্যবহার করুন এবং বদলে ফেলুন নিজেকে।
🔰 আমাদের রয়েছে অভিজ্ঞ এবং ব্যা)ক্তি)গত রো)(গ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্যানেল। আপনার যেকোন সমস্যায় ফরহাদ স্যারের সাথে মোবাইলে পরামর্শমূলক চিকিৎসা গ্রহন করুন।
🍀সর্ব প্রকার ক-বি-রাজী, পাহা-ড়ী গাছ-গা-ছড়া যে কোন ধরনের ব)না(জি ও-(ষু)ধ দরকারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: ০১৯৮৭৫০৯২৪৯
23/09/2021
#ডালিয়া
প্রাচুর্যে মহিমান্বিত সুন্দর একটি ফুল হলো ডালিয়া। এর বৈজ্ঞানিক নাম Dahlia Variailis। ডালিয়া কম্পোজিটি পরিবারভুক্ত। এ ফুলের আদি বাসস্থান মেক্সিকোর গুয়াতেমালায়। লর্ডবুটি নামের এক ব্যক্তি স্পেন থেকে ডালিয়া ফুল প্রথমে ইংল্যান্ডে নিয়ে আসেন। সেই ফুল দেখে সুইডেনের উদ্ভিদতত্ত্ববিদ আন্দ্রিয়াস গুস্তাভ ডাল নিজের নামের অনুকরণে ফুলের নাম রাখেন ডালিয়া।
শ্রেণিবিভাগ ও জাত
ডালিয়ার ১১টি শ্রেণীর আওতায় এর প্রচুর জাত রয়েছে। ডালিয়ার উন্নত জাতের মধ্যে রয়েছে সিঙ্গল, স্টার, অ্যানেমিন ফাওয়ার্ড, কলারেট, পিওনি ফাওয়ার্ড, ফরমাল ডেকোরেটিভ, ইন ফরমাল ডেকোরেটিভ, ডবল শো ফ্যান্সি, পম্পন, রয়্যাল হোয়াইন, ক্যাকটাস, ভ্যারাইটি গার্ল প্রভৃতি।
মাটি ও জলবায়ু
সুনিষ্কাশিত উর্বর দোআঁশ মাটি বা বেলে দোআঁশ প্রকৃতির ঈষৎকার মাটি ডালিয়া চাষের জন্য উত্তম। ছায়াযুক্ত স্থানে গাছ দুর্বল ও লম্বা হয়, ফুল কম ও ছোট হয় এবং রঙের ঔজ্জ্বল্য হ্রাস পায়। ফলে পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় এমন জমিতে ডালিয়ার চাষ করতে হবে। ডালিয়া বৃপ্রেমীরা যারা চাষ করবেন তাদেরকে আবহাওয়া অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। যে দিন বৃষ্টি হবে সে দিন থেকে যত দিন পর্যন্ত মাটি স্যাঁতসেঁতে থাকবে তত দিন জল দেয়ার দরকার নেই। আবার গরমের সময়ে মাটি যখন শুকনো হয়ে ওঠে তখন জলর পরিমাণ বাড়িয়ে মাটি আর্দ্র করে তুলতে হবে। কারণ ডালিয়াগাছের জন্য আর্দ্র মাটি প্রয়োজন। তবে মাটি বেশি ভিজে কাদাকাদা হয়ে গেলে তা গাছের পে তেমন উপকারী হবে না, টবের গাছের ক্ষেত্রে সেই ব্যবস্থা করা উচিত। বৃষ্টির সময়ে গাছের ওপর ছাউনি দিতে পারলে ভালো কিংবা কোনো ছাউনির নিচে রাখলে গাছ নিরাপদে থাকবে। টবের গাছের ক্ষেত্রে প্রতিদিন নিয়ম করে জল দিয়ে মাটিকে আর্দ্র রাখা উচিত।
বংশ বিস্তার
ডালিয়া বীজ, মূলজ কন্দ, ডাল কলম এবং ত্রেবিশেষে জোড় কলমের সাহায্যে বংশ বিস্তার করে। মূলজ কন্দ ও ডাল কলম থেকে চারা তৈরির পদ্ধতি হলো ডালিয়াগাছের গোড়ায় জন্মানো মূলজ কন্দ পরবর্তী বছর চারা তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। ফাল্গুন-চৈত্র মাসে ফুল শেষে গাছ নিস্তেজ হয়ে পাতা ও ডাঁটা শুকিয়ে আসলে কন্দ পরিপক্ব ও সংগ্রহ উপযোগী হয়। মাটির নিচ থেকে অত অবস্থায় কন্দ তুলে দু-এক দিন বাতাসে শুকিয়ে আলুর মতো শুষ্ক বালুতে সংরণ করতে হয়। অতঃপর ভাদ্র-আশ্বিন মাসে কন্দগুলোকে অর্ধেক মাটি ও অর্ধেক বালু মিশ্রিত বীজতলা বা টবে রোপণ করে সামান্য জল সিঞ্চন করলে কয়েক দিনের মধ্যে কন্দের চোখ থেকে নতুন চারা বের হয়। চারা দুই থেকে পাঁচ সেন্টিমিটার লম্বা হলে মূলজ কন্দটিকে চারাসহ কেটে টুকরো করে নির্ধারিত জমিতে বা টবে রোপণ করা চলে। অপর দিকে আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ মাসে ডালিয়ার ডাল কলম করা যায়। এ সময়ে মূলজ কন্দে জন্মানো কচি চারা বা ডাল থেকে গিটসহ কেটে বা ভেঙে নিতে হয়। তা ছাড়া পুষ্ট কন্দ বা কাণ্ডের পাশে জন্মানো ১৫-২০ সেন্টিমিটার লম্বা পুষ্ট ডাল ও গিটসহ সংগ্রহ করা চলে।
সার প্রয়োগ
পশ্চিমবঙ্গের পরিবেশে আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ পর্যন্ত সময়ে জমিতে কিংবা টবে ডালিয়ার চারা রোপণ করা যায়। ডালিয়ার মাটি গভীরভাবে নরম ও ঝরঝরে করে তৈরি করতে হয়। প্রতি ১০০ বর্গ মিটার জমিতে ২০০ কেজি গোবর, তিন কেজি কাঠের ছাই ও দুই কেজি টিএসপি সার মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হয়। ভারী মাটিতে গোবরের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া উত্তম। টবে ডালিয়া চাষের জন্য ২ ভাগ দোআঁশ মাটি, ২ ভাগ বালি, ২ ভাগ কাঠের ছাই, ১ ভাগ পাতা পচা সার, ১ ভাগ গোবর, ১ ভাগ খৈল ও ১ ভাগ টি এস পি সার মিশিয়ে মাটি তৈরি করতে হয়।
চারা রোপণ ও পরিচর্যা
ডালিয়া চাষের জমিতে জাত ভেদে ৬০ থেকে ৯০ সেন্টিমিটার দূরত্বে সারিবদ্ধভাবে আর প্রতি টবে একটি চারা রোপণ করতে হয়। টবের আকার ২৫ সেন্টিমিটার হলে ভালো হয়। চারা লাগানোর পর থেকে গাছে এমনভাবে সেচ দিতে হয় যাতে কখনো জলর ঘাটতি না পড়ে ও জলাবদ্ধতা দেখা না দেয়। ডালিয়াগাছে সাধারণ রেড স্পাইডার ও রেড মাইভ ধরনের পোকা হয়। এই পোকা থেকে রেহাই পাওয়ার উপায় হলো প্রতি সপ্তাহে নিয়ম করে ক্যালিথিন বা নোবাকন নামে ওষুধের ২০ ফোঁটা এক লিটার জলতে ভালো করে গুলিয়ে সেই মিশ্রণ দিয়ে ঝারির সাহায্যে গাছগুলোকে ভিজিয়ে দেয়া যায়, তাহলেই এ ধরনের পোকার আক্রমণ থেকে গাছকে রা করা সম্ভব হবে।
20/09/2021
---------থানকুনি-------------
কয়েন প্লান্ট আবার ভেবে বসবেন না। কোন যত্ন ছাড়াই পুকুরের পাড়, মাঠ, পথের ধার, ক্ষেতের আইল, পতিত জমিতে বেড়ে ওঠা এক চমৎকার দেখতে গাছ হল থানকুনি। অনেকে একে টাকা/টেকা/টেহা/টিয়া পাতা বলে। কয়েন প্লান্ট নামে যে ইন্ডোর প্লান্ট পাওয়া যায়, তা আর থানকুনি একই প্রজাতির হলেও একই গাছ নয়। প্রকরণ ভিন্ন।
আমাশয়ের জন্য থানকুনি পাতার রস একেবারে মহৌষধ। তাছাড়া রক্তপড়া বন্ধে ও কাটাস্থানে ইনফেকশন দূরে এর পাতার রস কার্যকর। থানকুনির রস রক্ত পরিষ্কার রেখে রক্তপ্রবাহ বাড়াতে কার্যকর। এর মাধ্যমে শরীরের জ্বালাপোড়াও দূর করে। আরো চমৎকার এক ব্যাপার হল থানকুনি কিন্তু ব্রেনের কর্মক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। মানসিক অবসাদ কমায়। এ ছাড়াও আরো চমৎকার কিছু ভেষজ গুণাবলী আছে থানকুনির।
থানকুনির ভর্তা ভাতের সাথে বেশ সুস্বাদু। আর এর মৌও রেধে খাওয়া হয়। যা হজমশক্তি বাড়ায়।
*থানকুনির কোন রেসিপি জানা থাকলে কমেন্টে তা সম্পর্কে লিখুন 😊
20/09/2021
-----------বাসক-------------
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে খুবই মূল্যবান এক গাছ হল এই বাসক। সর্দি কাশি উপশমে এর যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী এখনও নেই।
বসতবাড়ির আশেপাশে সমতল আদ্র মাটিতে সহজেই জন্মে বলে আগে প্রচুর দেখা যেত এই গাছ। বাসকের পাতা, ফুল, শেকড় বিভিন্ন রোগ প্রতিকার আর প্রতিরোধে ব্যবহার হয়।
সর্দি কাশির কথা তো শুরুতেই বললাম। প্রচুর কফ আর হাঁপানির সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে বাসকের পাতা খুবই কার্যকর। বাসকের ফুলের শরবত কমায় প্রসবের যন্ত্রণা। তাছাড়া দাঁতের ব্যথা, দাঁদ, জন্ডিস এসব সমস্যায়ও কার্যকর বাসক পাতা। এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষমতা থাকায় এই পাতা দিয়ে বানানো চা রক্ত পরিষ্কার রাখতে ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
চমৎকার একটি তথ্য দেই৷ যদি ঘামের দূর্গন্ধ নিয়ে টেনশনে থাকেন, তাহলে বাসক পাতা ব্যবহার করে দেখুন ম্যাজিক! দাদাদের আমলে পানি পরিষ্কার করতে বাসক পাতা ব্যবহার হত।
আর চমকপ্রদ তথ্যটি হল বাসক পাতা দিয়ে হলুদ রং তৈরী করা যায়। যা একেবারে স্বাস্থ্যকর।
তার আশেপাশে কোথাও এ উপকারী গাছটি পেলে দয়া করে নষ্ট করবেন না। পারলে একটু যত্ন করুন।
20/09/2021
হাতিশুঁড়
অবহেলায় বেড়ে ওঠা এক অত্যন্ত সুন্দর ফুল হল এই হাতিশুঁড়। সুন্দর এ গাছকে কেও যত্ন করে টবে না লাগালেও এর ভেষজ গুণ আছে বহু।
গাছটির পাতা, শেকড়, ফুল সব কিছুরই ভেষজ গুণ আছে। বিভিন্ন চর্মরোগ, বিশেষ করে ছত্রাকজনিত চর্মরোগে এর বহুল ব্যবহার আছে। তাছাড়া সর্দিতেও হাতিশুঁড়ের রস অব্যর্থ। ভেষজ চিকিৎসকরা বহু আগে থেকেই একজিমা সারাতে হাতিশুঁড় ব্যবহার করে আসছেন।
এছাড়া মাড়ি ফোলা থেকে শুরু করে দেহের যেকোনো প্রদাহজনিত ফোলা কমাতে এর পাতার রস কার্যকর। বিষাক্ত পোকামাকড়ের কামড়, জ্বর, বাত, ব্রণ, যেকোনো কাটাছেঁড়াসহ আরো বেশ কিছু সমস্যায় এই হাতিশুঁড় ব্যবহৃত হচ্ছে।
অতএব বলা যায়,
20/09/2021
উলটকম্বল
ঝোপঝাড়, পথের ধারে অযত্নে বেড়ে ওঠা এক মূল্যবান ভেষজ গাছ হল উলটকম্বল। এর পাতার সাথে স্থলপদ্মের পাতার মিল আছে। ডালের নিচ থেকে ফুল ধরে ধীরে ধীরে ফুল ডালের উপরের দিকে উঠে যায় অদ্ভুত এ গাছের।
৮/১০ ফুট লম্বা হওয়া গাছটির পাতা, রস, মূলের বাকল ব্যবহার করা হয় ঔষধ হিসাবে। এটি বেশি ব্যবহৃত হয় শক্তিবর্ধক হিসাবে। এ গাছের নির্যাস মাদবদেহের শক্তি বলের মহৌষধ হিসেবে কাজে লাগে। তাছাড়া পুরুষ ও মহিলাদের বিভিন্ন যৌন, গাইনি সমস্যা, বন্ধ্যাত্ব, অনিয়মিত মাসিক ইত্যাদি সমস্যায় উলটকম্বল ব্যবহার হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিকারে উলটকম্বলের রসের বেশ সুনাম আছে।
এ দরকারী গাছটি আগের মত তেমন পাওয়া যায় না। তাই একে সংরক্ষণ করা উচিত।
*সকল ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত
18/09/2021
যষ্টিমধু (licorice)! এই শব্দটার মধ্যে মধু থাকলেও এটা কিন্তু মধু নয়! তবে এর গুণাগুণ মধুর থেকে কোনও অংশে কম নয়। আসুন জেনে নিই, যষ্টিমধু (licorice) কী ভাবে আপনাকে সুস্থ (healthy) রাখবে।
স্বাস্থ্যের যত্নে
সর্দি-কাশিতে
ধরুন, আপনার গান বা আবৃত্তির অনুষ্ঠান রয়েছে। আর তার আগে আপনার গলাটাই বিগড়ে বসল। এমন অবস্থায় আপনার মুশকিল আসান হতে পারে যষ্টিমধুই। কারণ সর্দি-কাশি-গলাব্যথা দূর করার সঙ্গে সঙ্গে এটা আপনার কণ্ঠনালিও পরিষ্কার করে। আর আপনার গলার স্বরকে আরও শ্রুতিমধুর করে তোলে। আর ঠান্ডা (cold) লেগে বুকে কফ জমে গেলেও সেই কফ পরিষ্কার করতে সাহায্য করে যষ্টিমধু! ব্রঙ্কাইটিস ও টনসিলাইটিসও সারায় যষ্টিমধু (licorice)।
অ্যালার্জিতে
ঠান্ডা লাগলে তো যষ্টিমধু কাজে দেয়ই, অ্যালার্জি দূর করতেও খুবই উপকারী। আবার মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও এটি কার্যকর।

অ্যাসিডিটিতে
যষ্টিমধু আবার বদ হজম বা অ্যাসিডিটিরও (acidity) খুব ভাল ওষুধ। ফুটানো জলে যষ্টিমধু (licorice) ভিজিয়ে রেখে ওই জলে অল্প করে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। খুব সহজেই অ্যাসিডিটি (acidity) দূর হবে।
মৃগী রোগে
মৃগী রোগ থাকলেও সেই যষ্টিমধুই (licorice) উপকারী। এক বা দুই গ্রাম যষ্টিমধু আধকাপ চালকুমড়োর রসের সঙ্গে মিশিয়ে রোজ খেলে অনেকটা উপকার পাওয়া যাবে।
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে
ঘর-বাইরে সামলাতে গিয়ে মাঝেমধ্যেই এটা-ওটা ভুলে যাচ্ছেন? তা হলে দুধের সঙ্গে যষ্টিমধু (licorice) মিশিয়ে পান করতে হবে। এতে আপনার স্মৃতিশক্তি বাড়বে।
পুষ্টিজনিত কারণে
পুষ্টিজনিত কারণে শরীর দুর্বল হয়ে পড়লে রোজ অল্প পরিমাণে যষ্টিমধু খেলে উপকার পাবেন।
আলসার ও জন্ডিসে
আলসার ও জন্ডিসেও খুবই উপকারী। জন্ডিসে তো তেল-ঝাল-মশলা খাওয়া বারণ থাকে। তো এই সময় আধ কাপ গরম দুধে এক গ্রাম যষ্টিমধু গুঁড়ো মিশিয়ে নিয়ে প্রতিদিন সকাল-বিকেল পান করলে উপকার পাবেন।
লিভারের জন্য
লিভারের সুরক্ষাতেও যষ্টিমধু (licorice) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
চোখের জন্য
চোখে অনেক সময় হয়তো ঝাপসা দেখছেন। তা হলে এক কাজ করুন, শুকনো ২-৩টে আমলকির সঙ্গে যষ্টিমধু নিয়ে একটু থেঁতো করে আধ কাপ গরম জলে ৫-৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। এ বার ওই জল কয়েক বার ছেঁকে নিন। এ বার চোখে ওই ছেঁকে নেওয়া জলের ঝাপটা দিলে কয়েক দিনের মধ্যেই আপনার চোখের ঝাপসা ভাব দূর হবে।
ত্বকের যত্নে
স্কিনের জেল্লা বাড়াতে
ত্বক (skin) উজ্জ্বল ও মসৃণ করতেও যষ্টিমধু জ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Address
Chittagong
4217
