E-Super Shop
We supply organic food supplement products all over Bangladesh through courier services on Conditions.
02/07/2022
অতিরিক্ত মে' দ ঝেড়ে ফেলুন, নিজেকে ফি' ট রাখুন এবং সবার কাছে নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলুন।
মে' দ এবং ওজ' ন কমান সম্পুর্ণ প্রাকৃ' তিক উপায়ে ওয়ে' ট লস কফি বা জুস এর মাধ্যমে।
কলঃ ☎️ 01879-628001
বাংলাদেশ বিসি এস আই আর কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত। অর্থাৎ সম্পুর্ণ প্রাকৃ তিক নিয়মে স্থায়ী ভাবে ফ্যা' ট কমাবে কোন রকম সাইড এফে ক্ট ছাড়া।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন বা কথা বলুন উপরে দেওয়া নাম্বারে। ধন্যবাদ।
02/07/2022
অতি রিক্ত ভু রি ঝেড়ে ফেলুন, নিজেকে ফি ট রাখুন এবং সবার কাছে আকর্ষ ণীয় করে তুলুন,,
মে-দ এবং ওজ-ন কমান সম্পুর্ণ প্রাকৃ তিক নিয়মে ওয়ে-ট লস কফি বা জুস এর মাধ্যমে।
কলঃ ☎️ 01879-628001
বাংলাদেশ বিসি এস আই আর কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত। অর্থাৎ সম্পুর্ণ প্রাকৃ তিক নিয়মে ফ্যা'ট কমাবে, স্থায়ীভাবে কোন ধরনের সাইড এফে ক্ট ছাড়া।
বিস্তারিত জানতে ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন বা কথা বলুন ফোনে। ধন্যবাদ।
02/07/2022
ওজন বাড়লে, বাড়ে রোগের শঙ্কা:-
যাঁরা ফ্যাশন সচেতন, ওজন কমাতে তাঁরা বিস্তর খাটাখাটনি করেন। যাঁরা ফ্যাশন সচেতন নন, কে কি বলল এটা নিয়ে যাঁদের মোটেও মাথাব্যথা নেই, তাঁদের কী ওজন কমানোর দরকার আছে? বাড়তি ওজন, বাড়তি রোগ ডেকে আনে। অতিরিক্ত ওজনে কি ধরনের শারীরিক সমস্যার কারণ হতে পারে জানতে চাইলে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক অসিত বরণ অধিকারী বলেন, শরীরে যখন অতিরিক্ত চর্বি জমতে থাকে তখন এই চর্বি শরীরের অন্যান্য অংশের সঙ্গে রক্তনালিতে জমতে থাকে, ফলে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের শঙ্কা বেড় যায় অনেকটা। আরও যেসব শারীরিক সমস্যা হতে পারে জেনে নেওয়া যাক তাঁর কাছ থেকে।
* অতিরিক্ত ওজন উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
* বাড়তি ওজনের জন্য হৃদ্রোগ হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায় অনেকটাই।
* আর্থ্রাইটিস, গেঁটেবাত হওয়ার আশঙ্কাও বেড়ে যায়। হাড়ের সন্ধিস্থল ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
* শ্বাসকষ্ট হওয়ার প্রবণতাও দেখা দিতে পারে। রোগী স্লিপ অ্যাপনিয়ায় ভুগতে পারে।
* ডায়াবেটিস টাইপ টু দেখা দিতে পারে অতিরিক্ত ওজন বাড়ার জন্য।
* যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়ার শঙ্কা থাকে।
এ ছাড়া পুরুষের শুক্রাণু কমে যেতে পারে এবং নারীদের ঋতুস্রাবেও অনিয়ম দেখা দিতে পারে।
মেদবহুল ব্যক্তির জরায়ু, প্রোস্টেট ও কোলন ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
ওজন কমানোর জন্য প্রথমেই নিজের আদর্শ ওজন কত এবং আদর্শ ওজনের চেয়ে কত বেশি আছে এটি জেনে নিন। এ ছাড়া কোনো শারীরিক সমস্যা আছে কি না, সে সম্পর্কেও ভালোভাবে জেনে তারপর ওজন নিয়ন্ত্রণে মনোযোগ দিতে হবে। দ্রুত ওজন কমাতে পুষ্টিবিদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। একজনের ওজন উচ্চতা শারীরিক সক্ষমতাভেদে ডায়েট চার্ট এক এক রকম হয়ে থাকে।
তাই ওজন কামানোর কিছু সর্বজনীন পদ্ধতি জেনে নিন এবার—
* বাড়িতে অল্প তেলে রান্না করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
* খাবারে প্রচুর পরিমাণ আঁশজাতীয় খাদ্য অর্থাৎ শাকসবজি রাখুন।
* একবারে বেশি না খেয়ে ফেলে অল্প করে বেশিবার খান।
* ফাস্টফুড এবং অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার খাওয়া যাবে না।
* ক্যালরি মেপে খাবার খেতে হবে। কম ক্যালরিযুক্ত খাবার দিয়ে উদর পূর্তি সারুন।
* আঁশজাতীয়, খাবার, সবজি, সালাদ, টক-জাতীয় ফল খেতে হবে বেশি করে।
* শরীরের বিপাক-প্রক্রিয়া ঠিক রাখতে পানি খেতে হবে প্রচুর পরিমাণে।
এ ছাড়া অতিরিক্ত ঘুম, মানসিক চাপ ছাড়াও স্টেরয়েড এবং অন্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলে ওজন বাড়তে পারে। তাই প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। আর নিয়মিত হাঁটা খুব ভালো ব্যায়াম। প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এ ছাড়া সাইকেল চালানো ও সাঁতার কেটেও বাড়তি ওজন ঝেড়ে ফেলতে পারেন। তাই খাদ্যাভ্যাস আর জীবন যাপনে সামান্য পরিবর্তন এনে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, সুস্থ থাকুন।
02/07/2022
যৌন জীবন বাঁচাতে কমিয়ে ফেলুন শরীরের বাড়তি মেদঃ-
মন যা চায় তাই খাচ্ছেন? চেহারার অসামঞ্জস্য চলে আসছে চেহারার মধ্যভাগে অর্থাৎ ভুঁড়িতে? তাতেও এক্কেবারে চিন্তিত নন? কিন্তু জানেন কি আপনার অতিরিক্ত এবং অপ্রয়োজনীয় ওজন প্রভাব ফেলতে পারে আপনার স্বাভাবিক যৌন জীবনে? এমনটাই জানাচ্ছে সাম্প্রতিক একটি গবেষণা।
ওবেসিটির ফলে ডায়াবেটিস থেকে শুরু করে হার্টের সমস্যা হওয়ার পাশাপাশি আপনার যৌন ক্ষমতা, যৌন ইচ্ছা মারাত্মক ভাবে কমিয়ে দেয়। গবেষণা থেকে জানা গেছে, অতিরিক্ত ওজনের জন্য যৌন সমস্যায় ভুগছেন বিশ্বের ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ। অতিরিক্ত ওজন শরীরের বিভিন্ন অংশের মতোই পুরুষাঙ্গেও রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয়, যার ফলে পুরুষত্বহীনতার সমস্যা দেখা যায়। ওজন কমাতে সক্ষম হলেই অনেকাংশে এই সমস্যা কমে যায়। ওবেসিটির ফলে শরীরে যে সমস্যার সৃষ্টি হয় তার প্রতিষেধক ওষুধের ফলে ওর্গাজাম।
অতিরিক্ত মেদ আপনার শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমিয়ে দেয় অস্বাভাবিক হারে। এর ফলে নারী পুরুষ নির্বিশেষে যৌন ইচ্ছা হ্রাস পায়। এসএইচবিজি বা সেক্স হরমোন গ্লোবুজিনস আবার খুব বেড়ে যায় মেদের বৃদ্ধির সঙ্গে এবং এটি টেস্টোস্টেরনের সঙ্গে কেমিক্যাল বন্ধন গঠন করে দেহের স্বাভাবিক সেক্স হরমোনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। অতিরিক্ত ওজন মহিলাদের শরীরে ফার্টিলাইজেশনে অস্বাভাবিকতা তৈরি করে।
তবে অতিরিক্ত ওজনের অন্যতম ক্ষতিকর দিক হলো, মহিলাদের গর্ভপাত হয়। এছাড়াও গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য থেকে জানা গেছে, অতিরিক্ত ওজনের পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা অসম্ভব কমে যায় এবং এটি স্থায়ী সমস্যা হয়ে থেকে যায়। তাই নিজের জীবনকে স্বাভাবিক রাখার জন্য এইবার একটু নজর দিন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় নয়তো নিজের সুস্থ্ জীবনকে হারিয়ে ফেলবেন চিরকালের জন্য।
02/07/2022
অতিরিক্ত ওজন এর কুফল ও তার প্রতিকারঃ-
বাড়তি ওজন মানেই বাড়তি বোঝা। আবার ঝুঁকিপূর্ণও। শরীর ও মনে নানা রোগ বাসা বাঁধে। ওজন কমে গেলে কেউ কেউ বিষণ্নতায় ভোগেন।
কেন ওজন কমাবেন?
* স্থূল ব্যক্তিদের ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশি হয়। আবার ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে গেলে তার সঙ্গে ডায়াবেটিসজনিত জটিলতাগুলোও বেশি মাত্রায় দেখা দেয়।
* শরীরে অতিরিক্ত চর্বি বা ডিজলিপিডিমিয়া প্রায়ই দেখা দেয়। রক্তে কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড ইত্যাদি বৃদ্ধি পায়। রক্তনালির দেয়ালে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়ার কারণে হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা ও উচ্চ রক্তচাপ সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশি হয়। এমনকি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার ঝুঁকি থাকে। রক্তনালিতে থ্রম্বোসিস হয়ে তা বন্ধ হয় এবং বিভিন্ন জটিল রোগ হতে পারে। যেমন হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, মাথার রক্তনালি বন্ধ হয়ে মৃত্যুও ঘটতে পারে।
* অতিরিক্ত ওজন বহন করার জন্য অস্থিসন্ধিতে পরিবর্তন দেখা দেয়। অস্থির সংযোগ স্থলে বা জয়েন্টে বেশি ওজনের ফলে নতুন অস্থি তৈরি হয়। আকারে পরিবর্তন হয়ে ‘অস্টিওআর্থ্রাইটিস’ নামক রোগটি দেখা দেয়। জয়েন্টে ফ্লুয়িড জমে যেতে পারে, পরবর্তী সময়ে অস্থিসন্ধি শক্ত (স্টিফ) হয়ে যায়। মেরুদণ্ড, কোমর ও হাঁটুতে ব্যথা বা প্রদাহ বেশি মাত্রায় দেখা দেয়।
* বেশি চর্বি জমা হওয়ার কারণে পেটের এবং পায়ের মাংসপেশির সংকোচন ও সম্প্রসারণ বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে হার্নিয়া হতে পারে
এবং পায়ের শিরায় ভেরোকোসিটি দেখা দেয়।
* সাধারণ লোকদের তুলনায়, বিশেষত চল্লিশোর্ধ নারীদের পিত্তথলির পাথর বেশি মাত্রায় হয়ে থাকে।
* লিভারের কোষে চর্বি জমা হওয়ার কারণে ফ্যাটি চেঞ্জ হয়। ফলে লিভারের বিভিন্ন জটিলতা, এমনকি সিরোসিস-জাতীয় রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
খাদ্যনালি, কোলন, লিভারের ক্যানসার এবং লিস্ফনোডের ক্যানসার থেকে মৃত্যুঝুঁকি স্থূল লোকদের বেশি।
* নাক ডাকা, স্লিপঅ্যাপনিয়া জাতীয় রোগ বেশি হয়। শ্বাসপ্রশ্বাসের অসুবিধা, দিন ও রাত উভয় সময়েই বেশি ঘুম, ঘুমের মধ্যে নাক ডাকা, মুখ হা করে শ্বাস-প্রশ্বাস ও পলিসাইথিমিয়া হতে পারে।
ওজন কমাবেন কীভাবে
* প্রথমেই মনে রাখতে হবে, দ্রুত বা তাড়াহুড়ো করে ওজন কমানো সম্ভব নয়। নিয়মমাফিক ধৈর্য সহকারে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। শুরুতেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে। শারীরিক কোনো রোগ শনাক্ত করা গেলে সে অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে। এ ছাড়া ওজন কমানোর অন্যান্য পদ্ধতিগুলো আপনার নিজের হাতের মুঠোতেই। পেটটা অতিরিক্ত খেয়ে ভর্তি না করাই ভালো। বরং পেটের কিছুটা অংশটা খালি রাখা ভালো।
* ওজন সীমিত রাখতে পরিমিত খাবার খেতে হবে।
* কম ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করতে হবে।
* ফাস্ট ফুড-জাতীয় খাদ্য এবং বাইরের খাবার না খাওয়া।
* ভাত কম খাওয়াই উচিত। খাওয়ার আগে শসা, টমেটো, পেয়ারা খেয়ে নিলেও বেশি ভাত খেতে ইচ্ছে করবে না।
* খাদ্যতালিকায় আঁশযুক্ত খাবার, ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যেন থাকে।
* চিনি, মিষ্টিজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা। যেকোনো উৎসবেও পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে।
* বাড়তি চর্বি পোড়ানোর জন্য প্রতিদিন পরিশ্রম করতে হবে। হাঁটা, লিফটে না চড়ে সিঁড়ি বেয়ে ওঠা, অল্প দূরত্বে গাড়ি বা রিকশায় না চড়ে হেঁটে চলার অভ্যাস করতে হবে। এগুলো শরীরের মেদ ঝরাতে সাহায্য করে। সম্ভব হলে ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম, সাঁতার কাটা, সাইক্লিং, জগিং ইত্যাদি অভ্যাস করা ভালো। সুযোগ থাকলে ওজন কমানোর জন্য জিমেও যেতে পারেন।
02/07/2022
অতিরিক্ত ওজন মানব দেহের জন্য যা বয়ে আনেঃ-
যখন আমরা ডায়েট কন্ট্রোল না করি ধিরে ধিরে বা হুট করেই অল্প দিনে আমাদের ওজন বেড়ে যায়। আর ওজন বেড়ে যাওয়া মানেই হচ্ছে ঝুঁকি। শরীরের জন্য যত ওজন ততই বোঝা এর কোন সুফল নেই বললেই চলে। বরং এর ক্ষতির শেষ নেই। ওজন বাড়ার সাথে সাথে এর যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। নয়তো জীবনকে রোগে রোগে জর্জরিত করে দিতে যথেষ্ট এই বাড়তি ওজন। আসুন জেনে নিই বাড়তি ওজনের ফলে যা হয়।
১. ডায়াবেটিস টাইপ (২)
ডায়াবেটিস একটি বিপাকীয় অসুবিধা (মেটাবলিক ডিজঅর্ডার)। গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ মোটা হওয়ার সাথে ডায়াবেটিস হওয়ার একটি সম্পর্ক থাকে। ওজন বেশি হলে টাইপ (২) ডায়াবেটিস হওয়ার আশংকা থাকে। ডায়াবেটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে গেলে ডায়াবেটিসজনিত জটিলতাগুলোও বেশি মাত্রায় দেখা দেয়।
২. হৃদরোগ, স্ট্রোক ও ক্যান্সার
বাড়তি ওজন হৃদরোগের ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়। ওজন বাড়তি থাকা অবস্থায় করোনারি আর্টারিতে প্লাক তৈরি করে। অতিরিক্ত ওজন হঠাৎ করে কার্ডিয়াক সমস্যা হয় সাথে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। লিভারের কোষে চর্বি জমা হওয়ার কারণে ফ্যাটি চেঞ্জ হয়ে থাকে। যার ফলে লিভারের বিভিন্ন জটিলতা, এমনকি সিরোসিস জাতীয় রোগ গুলোতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বাড়তি ওজন শরীরে কোষের অস্বাভাবিক পরিবর্তন আনে যার ফলস্বরপ হতে পারে ক্যান্সার। সারাবিশ্বেই ক্যান্সার হল একটি মৃত্যুর বড় কারণ। অতিরিক্ত ওজন ক্যান্সার হওয়ার অন্যতম একটি কারন।
অতিরিক্ত ওজন হলে স্তন, কিডনি, কোলন, লিভার, খাদ্যনালি, লিস্ফনোডের ক্যানসার, র্যাক্টাম, ইউটেরাস, গলব্লাডারে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
৩. রক্তনালিতে থ্রম্বোসিস
শরীরে অতিরিক্ত চর্বি বা ডিজলি পিডিমিয়া দেখা দেয়। রক্তে কোলেস্টেরলের ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা ইত্যাদি বাড়িয়ে দেয়। রক্তনালিতে অতি মাত্রায় চর্বি জমা হওয়ার কারণে হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা এবং উচ্চ রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয় সাধারণ মানুষের তুলনায়। এমনকি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে। যার ফলে রক্তনালিতে থ্রম্বোসিস হয়ে তা বন্ধ হয় ও বিভিন্ন জটিল রোগ দেখা দিতে পারে।
যেমন হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস, মাথার রক্তনালি ব্লক হয়ে মৃত্যুও ঘটাতে পারে।
৪. মেরুদণ্ড, কোমর ও হাঁটুতে প্রদাহ
ওজন বাড়ার কারনে জয়েন্টে ফ্লুয়িড জমে যেতে পারে, পরবর্তী সময়ে অস্থিসন্ধি শক্ত ‘স্টিফ’ হয়ে যায়। মেরুদণ্ড, কোমর ও হাঁটুতে ব্যথা বা প্রদাহ বেশি মাত্রায় দেখা দেয়। জয়েন্টে বেশি ওজনের ফলে নতুন অস্থি তৈরি হয়। আকারে পরিবর্তন হয় এবং অস্টিওআর্থ্রাইটিস নামক রোগ দেখা দেয়। হাড়ের সন্ধিস্থল ক্ষয়প্রাপ্ত হয়
৫. হার্নিয়া
অতিরিক্ত চর্বির কারণে পেটে এবং পায়ের মাংসপেশির সংকোচন ও সম্প্রসারণে বাধাগ্রস্ত হয়। যার ফলে হার্নিয়া হতে পারে, পায়ের শিরায় ভেরোকোসিটি দেখা দিতে পারে।
৬. হরমোনজনিত রোগ
আমাদের শরীরের সমস্ত অঙ্গের মসৃণ কার্যকারিতা ঠিক রাখতে শরীরে অনেকগুলি হরমোন থাকে। বাড়তি ওজনের ফলে হরমোনের মাত্রায় কিছুটা ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি করে যা শরীর ঠিক রাখার কার্যে প্রভাবিত করে। অতিরিক্ত ওজন হওয়া মহিলাদের লেপটিনের মাত্রা বাড়তি থাকে – যা প্রধানত ফ্যাটি টিস্যু দ্বারা উত্পাদিত একটি হরমোন এবং শরীরের এই হরমোন ভারসাম্যকে ব্যাহত করে যার কারণে গর্ভবতী হওয়ার সম্ভাবনা কম হয়ে যায়।
এছাড়াও অনিয়মিত পিরিয়ড ও ডিম্বাণু উৎপাদন থেকে ব্যহিত হয়।
৭. পিত্তথলিতে পাথর
অতিরিক্ত ওজনে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার সম্ভবনা বেশি। সাধারণ মানুষের থেকে বিশেষত চল্লিশোর্ধ নারীদের পিত্তথলির পাথর হওয়ার আশংকা বেশি থাকে।
৮. ঘুমের সমস্যা
ঘুমের প্রচলিত একটি স্লিপ এপনিয়া সমস্যা। এই সমস্যায় অস্বাভাবিক রকম নাক ডাকে মানুষ। অতিরিক্ত ওজন হলে ঘুমের এই সমস্যাটি হয়। শ্বাসপ্রশ্বাসের অসুবিধা, দিন ও রাত উভয় সময়ে বেশি ঘুমও হতে পারে।
এছাড়াও যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। বিবাহিত দাম্পত্ব জীবনে অসুখে থাকতে পারেন।
02/07/2022
অতিরিক্ত ওজন থেকে পুরুষের বিশেষ সমস্যাঃ-
পেটের মেদ থেকে ‘প্রোস্টেইট’ ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
শরীরে মেদ জমলে, ভুঁড়ি বাড়লে প্রথম যে অস্বস্তি দেখা তা হল চলাফেরায় আগের মতো চাঞ্চল্য পাওয়া যায় না।
ভাবতে থাকেন ব্যায়াম করব, খাওয়া নিয়ন্ত্রণ করব। তবে ভাবনা আর বাস্তব হয় না বিভিন্ন ঝামেলায় কিংবা শুধুই আলসেমির কারণে।
তাই মানুষকে ওজন নিয়ন্ত্রণে অনুপ্রেরণা যোগাতে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন গবেষণা সিদ্ধ দুঃসংবাদ।
আর তা হল- অতিরিক্ত ওজনের সঙ্গে সরাসরি জড়িয়ে থাকতে পারে ‘প্রস্টেইট ক্যান্সার’য়ের ঝুঁকি।
এই ক্যান্সার কানাডায় পুরুষদের মৃত্যুবরণ করার প্রধান কারণ। আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য দ্বিতীয়।
‘ক্যান্সার কজেস অ্যান্ড কন্ট্রোল’ শীর্ষক সাময়িকীতে এপ্রিলে এই গবেষণা প্রকাশিত হয়।
কানাডার ‘ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ সাইন্টিফিক রিসার্চ’য়ের পাঁচজন ‘হেল্থ অ্যান্ড এপিডেমিওলজি’র গবেষক এই গবেষণার নেতৃত্ব দেন। আর সহযোগিতায় ছিল ‘কানাডিয়ান ক্যান্সার সোসাইটি’।
স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘ইটদিস ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়, স্থূলতার সঙ্গে ‘প্রোস্টেইট ক্যান্সার’য়ের সম্পর্কের ইঙ্গিত নতুন নয়।
তবে শরীরের বিভিন্ন স্থানে বাড়তি চর্বি জমা হওয়া ক্যান্সার সৃষ্টিতে কোনো ভূমিকা রাখে কি-না সেটা জানাই ছিল এবার গবেষকদের উদ্দেশ্য।
এজন্য ২০০৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত মোট ১,৯০০ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের তথ্য পর্যালোচনা করা হয়। এদের মধ্যে সবচাইতে বয়স্ক পুরুষের বয়স ছিল ৭৫ বছর।
গবেষকরা অংশগ্রহণকারীদের কোমর ও নিতম্বের মাপ নেন, জানা হয় তাদের উচ্চতা, ওজন এবং ‘বডি ম্যাস ইনডেক্স (বিএমআই)’ বিষয়ক অন্যান্য তথ্য।
গবেষণায় দেখা যায়, পেটের চর্বির সঙ্গে জড়িয়ে আছে ‘প্রোস্টেইট’ ক্যান্সারের সবচাইতে বড় ঝুঁকি। পাশাপাশি ‘বিএমআই’ যত বাড়বে, এই ঝুঁকিও ততই বাড়বে।
আর যাদের কোমরের বেড় ৪০ বা তারও বেশি তাদের ‘প্রোস্টেইট ক্যান্সার’ হওয়ার ঝুঁকি অন্যান্য স্থূলকায় মানুষের চাইতে কয়েকগুন বেশি।
‘ইউনিভার্সিটি অফ মন্ট্রিয়াল’য়ের ‘ডক্টরাল স্টুডেন্ট’ এরিক ভালিয়ের এই গবেষণার প্রধান লেখকের দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি বলেন, “সাধারণ স্থূলতা প্রোস্টেইট ক্যান্সারের তেমন কোনো প্রভাব ফেলে না। তবে পেটের চর্বিই মূলত প্রোস্টেইট ক্যান্সারের মূল হোতা।”
পেটের মেদ হরমোন ও বিপাকক্রিয়ায় পরিবর্তন আনে যে কারণে হরমোন দ্বারা প্রভাবিত হয় এমন ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি বাড়ে।
স্থূলতা ‘টেস্টোস্টেরন’ কমায়, বাড়ায় দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণের ঝুঁকি। আর তা থেকে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার তৈরি হয়।
গবেষণার প্রধান গবেষক মেরি-অ্যালিস পারেন্ট বলেন, “সক্রিয় বা উগ্র ক্যান্সার কোষ সৃষ্টি হওয়া কারণ চিহ্নিত করতে পারা স্বাস্থ্য গবেষণায় একটি বড় অগ্রগতি। কারণ ক্যান্সার নিরাময় করা অত্যন্ত কঠিন।”
“এই গবেষণার তথ্য ক্যান্সার থেকে সুরক্ষিত থাকতে সহায়ক হবে। আর যে পুরুষের পেটের মেদ বেশি তাদের সচেতন হতে হবে, সঙ্গে চিকিৎসকদেরও এই বিষয়ে রোগিদের সতর্ক করা উচিত।”
02/07/2022
ওজন বাড়ার যে ১০টি ভয়ানক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আপনার জানা নেইঃ-
বলা হয়ে থাকে যে, বিশ্বব্যাপী ক্যান্সারের কারণে যত মৃত্যুর ঘটনা ঘটে তার ১০ শতাংশই স্থুলতা-সংশ্লিষ্ট! এছাড়াও আরো ১০টি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে ওজন বেশি হওয়ার। আমরা এখন জানি যে, হার্টের সমস্যা, জয়েন্ট পেইন ইত্যাদি সহ স্থুলতার নানা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন আরো কী কী সমস্যা হতে ওজন বেশি বেড়ে গেলে।
১. কোষ্ঠকাঠিন্য
ওজন বেশি বেড়ে যাওয়ার ফলে কোষ্ঠাকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দেয়।
কারণ শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমা হলে তা অন্ত্রে জমা হওয়া পায়খানাকে শক্ত করে ফেলে। ফলে পায়খানা করার সময় সমস্যা হয়।
২. স্মৃতি শক্তি নষ্ট হওয়া
দেহে অতিরিক্ত চর্বি জমা হওয়ার ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রাও বেড়ে যায়। আর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে গেলে মস্তিষ্কের কোষেও ক্ষয় দেখা দিতে পারে। যার ফলে স্মৃতিশক্তি নষ্ট হওয়া এবং ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ ও অ্যালঝেইমার রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
৩. পিত্তথলিতে পাথর
পিত্তথলিতে পিত্তরস, চর্বি এবং কোলেস্টেরল জমা হয়ে পাথর তৈরি হয়। ওজন বেড়ে যাওয়ার ফলে দেহে অতিরিক্ত চর্বি এবং কোলেস্টেরল জমা হয়। ফলে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।
৪. মাইগ্রেন
স্নায়ুতে প্রদাহ হওয়ার কারণে যে মাইগ্রেন বা তীব্র ব্যথা হয় তাও দেহে অতিরিক্ত চর্বির ফলেই ঘটে থাকে। কারণ দেহে জমা হওয়া অতিরিক্ত চর্বি মাথায় অক্সিজেনযুক্ত চর্বি চলাচলে বাধা দেয়। যার ফলে মাইগ্রেনের মতো তীব্র মাথা ব্যথার রোগ হয়।
৫. অকাল জন্ম
দেহের অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেক নারীরই উর্বরতা নষ্ট হয়ে যায়। কারণ অতিরিক্ত ওজন হরমোনগত ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। যে কারণে মোটা নারীরা অনেক সময় অকালে সন্তান জন্ম দেওয়ার ঝুঁকিতে থাকেন।
৬. অস্ট্রিওআর্থ্রাইটিস
এটি এমন একটি রোগ যার ফলে হাঁটু, গোড়ালি এবং কনুইয়ের তরণাস্থি হাড় শক্ত হয়ে আসে এবং এই জয়েন্টগুলো নাড়াচাড়া করা বেদনাদয়ক ও কঠিন হয়ে পড়ে। বলা হয়ে থাকে যে, দেহের অতিরিক্ত চর্বিই এই সমস্যার জন্য দায়ী। কেননা অতিরিক্ত ওজনের কারণে এসবে জয়েন্টে প্রচুর চাপ পড়ে।
৭. প্রস্টেট ক্যান্সার
পুরুষদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় প্রস্টেট ক্যান্সার। যা প্রস্টেট গ্রন্থিকে আক্রান্ত করে। দেহে অতিরিক্ত চর্বি জমা হলে প্রস্টেট প্রন্থি বড় হয়ে যায়। যার ফলে ওই এলাকায় ক্যান্সারজনক কোষ সৃষ্টি হয়। এবং মারাত্মক ধরনের ক্যান্সার হয়।
৮. মূত্রাশয়ের ক্যান্সার
অতিরিক্ত ওজনের কারণে পুরুষদের মধ্যে যেভাবে প্রস্টেট ক্যান্সার হয় তেমনি নারীদের মধ্যেও অতিরিক্ত চর্বির ফলে জরায়ুর আকার বেড়ে যায় এবং জরায়ু ক্যান্সার হয়।
৯. অন্তঃস্রাবের অভাব
এন্ডোক্রাইন গ্রন্থিগুলো হলো এমন কয়েকটি গ্রন্থির সমষ্টি যা থেকে রক্ত এবং দেহের জন্য জরুরি নানা ধরনের কার্যকারিতার হরমোন তৈরি হয়। কিন্তু দেহের ওজন বাড়ার ফলে দেহে অতিরিক্ত চর্বি জমা হলে এন্ডোক্রাইন হরমোনের উৎপাদনে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে। যার ফলে একাধিক হরমোনগত ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হতে পারে।
১০. ছত্রাক সংক্রমণ
বেশ কয়েকটি গবেষণায় দেখা গেছে, যারা অতিরিক্ত ওজনের সমস্যা বা স্থুলতায় আক্রান্ত হয় তাদের মধ্যে ছত্রাক সংক্রমণের ঝুঁকি বেশি থাকে। কারণ দেহে অতিরিক্ত চর্বি জমা হলে দেহে বেশি বেশি ঘামও হয়। আর ঘাম থেকে দেহের একাধিক অংশে ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে।
02/07/2022
নিয়মিত দুধ খেলে কি সত্যিই ওজন বাড়েঃ-
এই প্রশ্নের সহজ উত্তর, না। দুধ খেলে ওজন বাড়ার খুব একটা আশঙ্কা নেই। উল্টো, অনেক ক্ষেত্রে ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে দুধ। দুধ আসলে খুব উচ্চমানের হাই-প্রোটিন। পেশি তৈরি এবং পেশি আরও শক্তিশালী করে তোলার জন্য দুধ অত্যন্ত জরুরি।
জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন বি ১২ এবং ভিটামিন ডির মতো কিছু জরুরি পুষ্টিগুণও রয়েছে দুধে। হাড় শক্ত করা, রোগ-প্রতিরোধশক্তি বাড়ানো এবং শরীরের বিপাক হার বাড়াতে সাহায্য করে দুধ। এক কাপ দুধে ৮ গ্রাম প্রোটিন এবং ১২৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়ামও থাকে। তাই অল্প পরিমাণে দুধ প্রত্যেক দিন খেলে কোনো রকম ক্ষতির আশঙ্কা নেই।
২০০৪ সালের একটি গবেষণামূলক সমীক্ষায় দেখা গেছে, যারা লো-ক্যালোরি ডায়েট মেনে চলাকালীন দুগ্ধজাত খাবার একেবারে এড়িয়ে গিয়েছেন, তাদের কম ওজন ঝরেছে। তুলনায় সেই একই সময়ে যারা দিনে তিন বার করে কোনো না কোনো দুগ্ধজাত খাবার ডায়েটে রেখেছিলেন, তারা বেশি ওজন কমাতে সক্ষম হয়েছেন।
শরীরে ক্যালসিয়াম বেশি গেলে স্থূলতা, হৃদরোগের আশঙ্কা এবং টাইপ-টু ডায়াবেটিসের সম্ভাবনাও কমে। তাই ওজম কমানোর ক্ষেত্রেই হোক বা সুস্থ থাকার জন্য, নিয়মিত দুগ্ধজাত খাবার আপনি অল্প পরিমাণে খেতেই পারেন।
02/07/2022
রাতে ঘুমানোর আগে কী খেলে ওজন কমবে দ্রুতঃ-
গভীর রাত অবধি জেগে থাকার অভ্যাস এখন অনেকেরই। অনেকে এমনও আছেন যাঁদের অফিসের কারণে রাত জাগতে হয়। সে সব ক্ষেত্রে রাতে ভরপেট খেলেও মাঝ রাতে আবার খিদে পেয়ে যায়। পুষ্টিবিদরা বলেন এই খিদে অনেকটাই মনের খিদে। আর এই ফাঁদে পা দিয়েই চিপস্, কেক, চকোলেট খেয়ে ফেললেই বিপদ! এ ক্ষেত্রে ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কেউ কেউ আবার খিদে চেপে রেখেই শুতে চলে যান। এতেও কিন্তু ক্ষতি হয়।
তা হলে মাঝরাতে কী খেলে খিদেও মিটবে আর ওজনও বাড়বে না?
১) অনেকেই ভাবেন কলা খেলেই মোটা হয়ে যাবেন। এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। এই ফল খেলেও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার আছে যা দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভর্তি রাখে। তখন অন্য খাবার খাওয়ার ইচ্ছেও কমে যায়। ফলে ওজন বাড়ার ভয়ও কমে।
২) গভীর রাতে খিদে পেলে কয়েকটা আমন্ড বাদাম খেয়ে নিতে পারেন। এতে ক্যালরির পরিমাণ কম। এই বাদামে একসঙ্গে রয়েছে ফাইবার আর প্রোটিন। এই দুই উপাদানই ওজন কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট।
আপেল খেলে সুগার বেড়ে যাবে না তো?
ছোলা ভিজিয়ে রাখতে ভুলে গেছেন? ৩০ মিনিটেই হবে মুশকিল আসান
৩) এ ক্ষেত্রে পিনাট বাটারও আপনার পছন্দের তালিকায় থাকতেই পারে। প্রোটিনে ভরপুর চিনাবাদাম পেশি তৈরি করতে সাহায্য করে। এতে মজুত ট্রিপটোফান ঘুমের মধ্যেই ক্যালোরি ঝরাতে সাহায্য করে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পিনাট বাটার খেলেই কমবে ওজন। কলার সঙ্গে এই মাখন খেলে আরও ভাল ফল পাওয়া যায়। কলায় রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম এবং পটাশিয়াম। ট্রিপটোফানের সঙ্গে মিশে এই দুই উপাদান আরও তাড়াতাড়ি ওজন কমায়।
৪) দই ঘুমের মধ্যে পেশি গঠনের জন্য দই খুব ভাল। রাতে এক বাটি দই খেলে দ্রুত হজম হয়। দইয়ে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট থাকার কারণে ওজন হ্রাস করতেও এটি খুব কার্যকর। তবে মিষ্টি দই নয়, টক দই কিংবা গ্রিক ইয়োগার্ট খেলেই মিলবে সুফল।
৫) রাতে খাবার পরেও যদি খিদে পায় সে ক্ষেত্রে ছানা খাওয়া যেতে পারে। প্রোটিনে সমৃদ্ধ ছানা মানব দেহে পেশি সুগঠিত করতে সাহায্য করে। ঘুমানোর ৩০ মিনিট আগে মাত্র দু’চামচ ছানা খেলে বিপাক ক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। মেদ ঝরাতেও সাহায্য করে।
02/07/2022
ডিম যেভাবে খেলে ওজন বাড়বে, যে অংশ খেলে কমবেঃ-
ডিম পুষ্টি উপাদানে ভরপুর একটি প্রাকৃতিক খাদ্য। তবে অনেকেই দৈনিক ডিম খেতে ভয় পান, যদি ওজন বেড়ে যায় কিংবা হৃদরোগের আশঙ্কা বাড়ে এই ভেবে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, সকালের নাস্তায় একটি করে ডিম খাওয়া শারীরিক বিভিন্ন রোগের সমাধান করতে পারে। তবে এটি নির্ভর করে কে কীভাবে ডিম খাচ্ছেন।
আপনি যদি ডিমের সাদা অংশটি খান, তাহলে মোটা হবেন অল্প দিনেই। ওজন বাড়াতে চাইলে নিয়মিত ডিম খাওয়া শুরু করুন। প্রতিদিন তিন-চারটি ডিমের সাদা অংশ খান, দ্রুত ওজন ফিরে পাবেন। তবে কোনোভাবেই কাঁচা ডিম খাবেন না। সেদ্ধ করা ডিমের সাদা অংশ খাওয়া উচিত। নিয়মিত ডিম খেলে দুই মাসের মধ্যেই আপনার ওজন বেড়ে যাবে।
ডিমের কুসুম খেলে ওজন বাড়ার পরিবর্তে ওজন কমবে। সেই সাথে শরীরও ভালো থাকবে। ডিমের কুসুম ভিটামিন -বি ও অ্যামিনো অ্যাসিডে ভরপুর। এই উপাদানগুলো পেশিতে চর্বি জমতে দেয় না। ডিমের কুসুমে রয়েছে কোলিন, যা মেটাবলিজম পদ্ধতিকে ঠিক রাখে, ফলে ওজন কমে। পাশপাশি কুসুমে থাকা ভিটামিন -বি ও অ্যামিনো অ্যাসিড ব্রেনের জন্য খুব উপকারি।
খালি ডিমের সাদা অংশ খেলে দেখবেন, খানিকক্ষণ বাদেই খিদে পেয়ে যাবে। ফলে, আপানাকে আবার খেতে হবে। তাতে কিন্তু ওজন বাড়বে কিন্তু কমবে না। কিন্তু ডিমের কুসুমে হেলদি ফ্যাট রয়েছে, যা আপনার ওজন বাড়ায় না, অথচ অনেকক্ষণ পেট ভর্তি রাখে । কাজেই, যারা ব্রেকফাস্টে একটা গোটা ডিম খান তারা সারাদিন কম খেয়ে থাকেন।
ডিমকে প্রোটিন এবং পুষ্টি উপাদানের পাওয়ার হাউসও বলা হয়ে থাকে। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সব বয়সের জন্য ডিম একটি অত্যন্ত উপাদেয় খাদ্য। বলা হয়ে থাকে, ‘যদি সুস্থ থাকতে চান, প্রতিদিন একটি করে ডিম খান’।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
Shulo Sohor
Chittagong
4200
