Elite customer care
Your well-being is our success, we sell 100%safe and beneficient products. Which is a lot more beneficial for people. Which is much more beneficial for people.
It will benefit you without any harm, it will benefit more than your price, it will not harm you inshaAllah. Your Mars is our success, we sell 100% safe and efficient products. We want you to stay well.,
24/07/2022
অ"ফার!! অ"ফার!! অ"ফার!!
চলে আসুন সুখের আসল ঠিকানায়!!!
30% ডিস"কাউন্ট অফার!!!
100% গ্যারান্টি সহকারে পাচ্ছেন!!!
👉নক'ল প্র,মানে এক ''লক্ষ টাকা" পুর"স্কার,""।।।
☎️01709618908
""ভালো'বাসার" দা"ম্পত্যের ১০০% স্থা''য়ী সমা"ধান।
👉30 দিনে রোমা"ঞ্চকর জীবন!!!
5 দিন পর মনে হবে পূর্বে কোন সম-স্যাই ছিল না!!!
👉লাভ ফরএভার কোর্সে 30% ডিস"কাউন্ট!!!
একটু সময় দিলে হয়তো আপনার পার্ট-নারের কাছে ছো-ট হতে হবে না!!!
সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলি-ভারিতে পাচ্ছেন অগ্রিম প্রেমেন্ট ছাড়া!!!
বিস্তারিত জানতে
Send message অপশনে ক্লিক করুন!!!
24/07/2022
বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়েই চলেছে। জীবনযাত্রার অনিয়ম, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও শরীরচর্চার অভাব এই রোগের মূল কারণ।
Advertisement
টাইপ ১ ডায়াবেটিসের চেয়ে টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা নিয়ম মেনে চললেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেন। তাদের ইনসুলিনের প্রয়োজন হয় না।
টাইপ ২ ডায়াবেটিস হলো জীবনধারার রোগ। এর জন্য দায়ী হলো ওজন বৃদ্ধি, অস্বাস্থ্যকর খাবার ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা। প্রাথমিক অবস্থায় যদি এটি চিকিৎসা করা না হয় তাহলে টাইপ ২ ডায়াবেটিস জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ হতে পারে।
যুক্তরাজ্যের এক চিকিৎসকের দাবি, ডায়েটে একটি মাত্র পরিবর্তনের মাধ্যমেই তিনি বিপুল সংখ্যক রোগীর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করেছেন। (ইউকে ডেইলি’র রিপোর্ট)
Advertisement
সাউথপোর্টের নরউড সার্জারির চিকিৎসক ডেভিড উনউইন বলেন, ‘২০১২ সালের আগ পর্যন্ত টাইপ ২ ডায়াবেটিস ওষুধ ছাড়া নির্মূল হওয়ার বিষয়টি নিয়ে ভাবতেই পারিনি।’
‘তবে এই রোগ থেকে বাঁচতে দীর্ঘমেয়াদী ওষুধ গ্রহণের বিষয়টি মানতে পারছিলাম না। এরপর আমি ওষুধ ছাড়াই ডায়াবেটিস নির্মূলের বিষয়ে অধ্যায়ন শুরু করি।’
ডা. উনউইনের পর্যবেক্ষণ অনুসারে, কম কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ টাইপ ২ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কাজ করে। এই উপায়ে ১০০ জনেরও বেশি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগী রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে আনতে পেরেছি।’
২০১৯ সালে ‘ব্রিটিশ জার্নাল অব জেনারেল প্র্যাকটিস’এ লো-কার্বোহাইড্রেট ডায়েট কীভাবে ওষুধ ছাড়াই রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে সে বিষয়ে একটি ব্যবহারিক গাইডলাইন সম্পন্ন করেন ডা. উনউইন। তার গবেষণাপত্রটি গাইডলাইনস ইন প্র্যাকটিস সাইটেও প্রকাশিত হয়েছে।
Advertisement
ডা. উনউইনের সমীক্ষা অনুযায়ী, চিনি, শষ্য, মিষ্টিজাতীয় কার্বোহাইড্রেট গ্রহণের পরিবর্তে প্রতিদিনের ক্যালোরির চাহিদা মেটাতে প্রোটিন ও চর্বিজাতীয় খাবার খেলে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসবে ডায়াবেটিস।
একটি নো-কার্ব ডায়েটে আপনি খুব কম পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট খেতে পারবেন। শুধু সবজি থেকে যতটুকু কার্ব পাওয়া যায় ততটুকুই। কারণ কার্বোহাইড্রেট রক্তে শর্করা অর্থাৎ চিনির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়। তাই কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে আনলে ডায়াবেটিসও কমে আসবে।
এই সমীক্ষায় অংশ
24/07/2022
সাদা, হলদে নানা বর্ণের গাজর দেখা যায়। আমাদের দেশে জন্মে কমলা রঙের গাজর। এটা শীতকালীন সবজি। গাজর দেখতে যেমন সুন্দর ও আকর্ষণীয় তেমনি খেতেও সুস্বাদু। তদুপরি পুষ্টিতেও ভরপুর। এত সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন হওয়ার বড় কারণ এর মধ্যে বিদ্যমান বিটা-ক্যারোটিন। গাজর নিজে যেমন সুন্দর তেমনি মানুষের রঙ উজ্জ্বল করতেও এটি সহায়ক।
সবজি হিসেবে গাজরের ব্যবহার ব্যাপক। মাছ-গোশতের সঙ্গেও খাওয়া যায়। গাজরের হালুয়া অনেকের কাছেই অতি প্রিয়। সালাদ হিসেবে গাজর বেশ জনপ্রিয়। সামান্য লবণ মিশিয়ে এটি কাঁচাই খাওয়া যায়। পুষ্টিসমৃদ্ধ এ সবজিটির বাজারমূল্য মৌসুমের সময় থাকে একেবারেই সস্তা। এর উচ্চ পুষ্টিমান জানা থাকলে এর বাজারমূল্য চড়ে যেতো বহুগুণ। এখানে গাজরের প্রতি ১০০ গ্রাম আহার উপযোগী অংশে পুষ্টিমান উল্লেখ করা হলো-
খাদ্য শক্তি- ৪৮ ক্যালোরি
শর্করা- ১০.৬০ গ্রাম
খনিজ পদার্থ- ১.১০ গ্রাম
ক্যালসিয়াম- ৮০.০০ মি. গ্রাম
ফসফরাস- ৫৩০.০০ মি. গ্রাম
লৌহ- ২.২০ মি. গ্রাম
ক্যারোটিন- ১৮৯০.০০ মাইক্রোগ্রাম
ভিটামিন বি ১ - ০.০৪ মি. গ্রাম
ভিটামিন সি- ৩.০০ গ্রাম
উৎস : কৃষি প্রযুক্তি হাত বই, বারি-২০০৫
অন্যান্য সবজির তুলনায় গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর। উদাহরণস্বরূপ মুলার চেয়ে গাজরে ফসফরাস আছে ২৬ গুণ, ক্যারোটিন প্রায় ৬৩০ গুণ।
গাজরের রসের উপকারিতা
১. চোখের মহৌষধ : গাজরের আকর্ষণীয় বর্ণের মধ্যেই রয়েছে এর ঔষধি গুণ। গাজরের বিটা ক্যারোটিন নিজে নিজেই ভিটামিন-এ’তে রূপান্তরিত হয় যা দেহের জন্য খুবই উপকারী। বিটা-ক্যারোটিন আমাদের দেহের ভেতরে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে রেটিনল বা ভিটামিন-এ’তে রূপান্তরিত হয়, আর ভিটামিন-এ আমাদের দৃষ্টিশক্তি স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমাদের দেশে প্রতি বছর ৩০ থেকে ৪০ হাজার শিশু অন্ধ হয়ে যায় ভিটামিন-এ’র অভাবে। সাধারণত ৫ মাস থেকে ৫ বছর বয়সের শিশুরাই চোখের সমস্যায় ভোগে। প্রতি বছর প্রায় ৫ লাখ শিশু রাতকানা রোগে আক্রান্ত হয়। তাই শিশুকে প্রতিদিন ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়াতে হয়। গাজর ক্যারোটিনের রাজা, যা ভিটামিন-এ’র উৎস। তাই শিশুদের প্রতিদিন অন্তত মৌসুমের সময় গাজর খাওয়ানো উচিত।
২. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে : গাজরের রস লিভারের কার্যকারিতা বাড়ায়। ফলে হজম শক্তির উন্নতি হয়।
৩. হাড়ের রোগ প্রতিরোধে সহায়ক : রোগ প্রতিরোধ গাজরের অস্টিওপরোসিস, আথ্রাইটিস ও বিভিন্ন রস হিতকর।
৪. ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক : গাজরে রয়েছে ভ
24/07/2022
বাদাম শরীরের জন্য অনেক উপকারী। ওজন কমানো থেকে শুরু করে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান আছে বাদামে। বিশেষ করে চিনা বাদাম বেশি সহজলভ্য হওয়ায় সবার কাছেই প্রিয়।
Advertisement
তবে কাঁচা নাকি ভাজা অবস্থায় বাদাম খাওয়া ভালো? জানলে অবাক হবেন, ভাজা বাদামের চেয়ে কাঁচা বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কাঁচা বাদাম খান তাদের শরীরে এমন কিছু উপাদান প্রবেশ করে যা একাধিক রোগ থেকে দূরে রাখে। একইসঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়।
কাঁচা বাদামের পুষ্টিগুণ হাড় গঠনে ও মাংসপেশি মজবুত রাখে, ব্রেইনের কার্যক্ষমতা উন্নত করে, ক্যানসার প্রতিরোধ ও ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
Advertisement
কাঁচা বাদামে থাকে ক্যালোরি, প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবার, ভিটামিন ই, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, কপার, ম্যাংগানিজসহ আরও অনেক উপকারী উপাদান।
তাই দৈনিক অবশ্যই অল্প পরিমাণে হলেও খেতে পারেন কাঁচা বাদাম। এমনকি ভাজা বাদামেও মিলবে উপকার।
কাঁচা নাকি ভাজা, কোন বাদাম বেশি উপকারী?
আসলে দু’ধরনের বাদামেই মিলেবে উপকারিতা। কাঁচা বাদামে অনেক সময় ব্যাকটেরিয়া থাকে যেগুলো স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আবার ভাজা বাদাম হারিয়ে ফেলে কিছু পুষ্টিগুণ।
Advertisement
তবে কাঁচা বাদাম পরিষ্কার করে হালকা তাপে ভেজে নিলেই সব ক্ষতিকর উপাদান দূর হয়ে যায়। অতিরিক্ত লবণ, চিনি কিংবা তেল দিয়ে বাদাম ভেজে খেলেও পুষ্টিগুণ কমে যায়।
নিয়মিত বাদাম খেলে শরীরে যা ঘটে
>> উপকারী কোলেস্টেরল পাওয়া যায় বাদামে।
>> এতে থাকে সি-রিঅ্যাক্টিভ প্রোটিন ও ইন্টারলিউকিন। যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
>> ফাইবার থাকায় বাদাম খেলে হজমের সমস্যায়ও দূর হয়।
>> বাদাম খেলে হৃদপিণ্ড সক্রিয় থাকে।
>> নিয়মিত বাদাম খেলে রক্তচাপ থাকে নিয়ন্ত্রণে। এমনকি রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে বাদাম।
>> বাদাম খেলে হাড় ও মাংসপেশি মজবুত হয়।
>> বাদামে থাকা প্রাকৃতিক তেল ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।
>> বাদাম খেলে দাঁতের ক্ষয় প্রতিরোধ হয়।
>> স্মৃতিশক্তি বাড়াতে বাদামের উপকারিতা প্রচুর।
>> অতিরিক্ত ওজন কমাতেও সাহায্য করে বাদাম
24/07/2022
কালোজিরা খাওয়ার ১০ উপকারিতা, জানলে চমকে যাবেন
সব রোগের ওষুধ বলা হয় কালোজিরাকে। একাধিক আশ্চর্য স্বাস্থ্যগুণে সমৃদ্ধ এ কালোজিরা। কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম Nigella Sativa Linn। পুষ্টিবিদরা বলেন, কালোজিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফেট, ফসফরাস আর আয়রন, যা দেহের জন্য অতিমাত্রায় উপকারী।
পুষ্টিবিদরা বলেন, কালোজিরায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফসফেট, ফসফরাস আর আয়রন, যা দেহের জন্য অতিমাত্রায় উপকারী।
সব রোগের ওষুধ বলা হয় কালোজিরাকে। স্থূলতা, ক্যান্সার ও হৃদরোগ- সব কিছুর বিরুদ্ধেই শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ কালোজিরা।
কালোজিরার ১০ স্বাস্থ্য উপকারিতা-
১. সর্দি-কাশি, নাক বন্ধ, গলাব্যথা ও জ্বরে খেতে পারেন কালোজিরা।
শারীরিক দুর্বলতা কাটাতেও কালোজিরা উপকারী।
২. সেক্স হরমোন ক্রিয়াকলাপ ও নিউরোজেনারেটিভ কার্যকারিতা বাড়ায় কালোজিরা।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে করোনার রোধে শরীরকে তৈরি করুন কালোজিরা খেয়ে।
৪. এক চা চামচ কালোজিরা বাটা, সমপরিমাণ আদার রস ও মধু মিশিয়ে দিনে তিনবার খান। এ ছাড়া সকালে খালি পেটে পানির সঙ্গে খেতে পারেন কালোজিরা।
৫. কালোজিরায় থাকা ফসফরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বাড়ায়। শরীরে যে কোনো জীবাণুর সংক্রমণ ঠেকাতে কালোজিরা খেতে পারেন।
৬. মাথাব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তী স্থানে দৈনিক ৩-৪ বার কালোজিরার তেল মালিশ করুণ। তিন দিন খালি পেটে চা চামচে এক চামচ করে কালোজিরার তেল পান করুন উপকার পাবেন।
৭. লেবু দিয়ে মাথার তালুতে ভালোভাবে ঘষুণ। ১৫ মিনিট পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুল ভালোভাবে শুকানোর পর কালোজিরার তেল মালিশ করুন। এতে এক সপ্তাহেই চুলপড়া কমবে।
৮. বুকে ও পিঠে কালোজিরার তেল মালিশ করলে হাঁপানির সমস্যায় আরাম পাবেন।
৯. কালোজিরা দুর্দান্ত অ্যান্টি-টক্সিনের কাজ করে। তাই যন্ত্রণামুক্ত ও পরিষ্কার প্রস্রাবের জন্য খাবারের সঙ্গে রাখুন কালোজিরা।
১০. ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও উচ্চরক্তচাপের সমস্যায় খেতে পারেন কালোজিরা। এ ছাড়া যারা অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান, তারা খাদ্যতালিকায় উষ্ণ পানি, মধু ও লেবুর রসের মিশ্রণের সঙ্গে কালোজিরা খেতে পারেন।
24/07/2022
মাশরুমের উপকারিতা
মাশরুমকে আমরা সবাই চিনি ছত্রাক জাতীয় উদ্ভিদ হিসেবে। একই সঙ্গে এটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর খাবারও বটে। মাশরুমে পেনিসিলিন নামক অ্যান্টিবায়োটিক থাকে যা মানুষের জন্য বেশ উপকারী এবং এটি খেতে খুবই মজা। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাশরুম রাখা উচিত। তবে শুধু অর্গানিক বা জৈব ভাবে উৎপন্ন মাশরুম খেতে হবে। বুনো জায়গায় উৎপন্ন মাশরুম অবশ্যই গ্রহণ করা নিষেধ। এতে আছে প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল, অ্যামাইনো এসিড, অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। চলনু জেনে নেয়া যাক মাশরুমের সাস্থ্যকর দিকগুলো-
মাশরুমে কোলেস্টরেল কমানোর অন্যতম উপাদান ইরিটাডেনিন, লোভাষ্টটিন, এনটাডেনিন, কিটিন এবং ভিটামিন বি,সি ও ডি থাকায় নিয়মিত মাশরুম খেলে উচ্চ রক্তচাপ (হাই ব্লাড প্রেসার) ও হৃদরোগ নিরাময় হয়।
মাশরুমের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম,ফসফরাস ও ভিটামিন-ডি আছে। শিশুদের দাঁত ও হাড় গঠনে এই উপাদানগুলো অত্যন্ত কার্যকরী।
ক্যান্সার ও টিউমার প্রতিরোধে মাশরুম বেশ উপকারী।
হেপাটাইটিস বি ও জন্ডিস প্রতিরোধ করে। অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
খাদ্য হজম করতে সাহায্য করতে মাশরুম সাহায্য করে।
মাশরুমে নিয়াসিন ও রিবোফ্লাবিন থাকে যা ত্বকের জন্য উপকারী। এই ছত্রাকে ৮০-৯০ ভাগ পানি থাকে যা ত্বককে নরম ও কোমল রাখে।
আমাশয় নিরাময় করতে মাশরুমের উপকারিতা রয়েছে।
মাশরুমে নিউক্লিক এসিড ও এন্টি এলার্জেন থাকায় এবং সোডিয়ামের পরিমাণ কম থাকায় কিডনি রোগ ও এলার্জি রোগের প্রতিরোধক।
মাশরুমে স্ফিংগলিপিড এবং ভিটামিন-১২ বেশি থাকায় স্নায়ুতন্ত্র ও স্পাইনাল কর্ড সুস্থ্য রাখে। তাই মাশরুম খেলে হাইপার টেনশন দূর হয় এবং মেরুদণ্ড দৃঢ় থাকে।
মাশরুমে পলিফেনল ও সেলেনিয়াম নামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। এতে মানুষের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সালফারও থাকে। এই অত্যাবশ্যকীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো মারাত্মক কিছু রোগ, যেমন- স্ট্রোক, স্নায়ুতন্ত্রের রোগ এবং ক্যান্সার থেকে শরীরকে রক্ষা করে।
মাশরুমের খনিজ লবণ দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।
মাশরুমের ফাইবার বা আঁশ পাকস্থলি দীর্ঘক্ষণ ভরা রাখতে সাহায্য করে। মাশরুম রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ওজন কমাতে সহায়তা করে। উচ্চ ফ্যাট সমৃদ্ধ লাল মাংসের পরিবর্তে মাশরুম গ্রহণ করলে ওজন কমানো সহজ হয়। FASEB তে প্রকাশিত এক গবেষণায় জানা যায় যে, লাল মাংসের পরিবর্তে সাদা মাশরুম গ্রহণ করলে ওজন কমে।
এখন জেনেন নিন আরও চারটি মজাদার খাবারের রেসিপি, যা শুধু মাশরুম দিয়েই বানানো যায়!
24/07/2022
নিয়মিত কিসমিস খাওয়ার ৭টি উপকারী দিক।
কিসমিসের উপকারের কথা এক কথায় বলে শেষ করা যাবে না। এমনকি কিসমিস ভেজানো পানিও শরীরের জন্য অনেক উপকারী। কিসমিসে ভিটামিন,খনিজ,অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, পলিফেনলস এবং অন্যান্য বেশ কয়েকটি ফাইবার রয়েছে। কিসমিস শরীরে যেমন শক্তি যোগায় এবং রক্ত উৎপাদনেও সহায়তা করে। কিসমিসের কয়েকটি যাদুকরী উপকারীর কথা আলোচনা করা হবে।
কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে:
কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা শরীরের পরিপাকক্রিয়ায় দ্রুত সাহায্য করে। এতে করে খাবার সহজে হজম হয় এবং শরীরের কোষ্ঠ্যকাঠিন্যর মত সমস্যা দূর করে।
সুস্থভাবে ওজন বাড়ায়:
সবাই ওজন কমাতে চায় না। এমন অনেক মানুষ আছে যারা ওজন বাড়াতে চায়। আপনি যদি ওজন বাড়াতে চান সেক্ষেত্রে কিসমিস হতে পারে আপনার পরম বন্ধু।
ক্যান্সার প্রতিরোধে:
কিসমিসে ক্যাটেচিন নামক একধরনের অ্যান্টিওক্সিডান্ট থাকে যা শরীরে ভেসে বেড়ানো ফ্রি র্যাডিকলগুলিকে লড়াই করে নিঃশেষ করে। শরীরের এই ফ্রি র্যাডিকলগুলো ক্যান্সার সেলের স্বতঃস্ফুর্ত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং মেটাস্টাসিসেও সাহায্য করে। কিসমিস রোজকারের খাবারের মধ্যে রাখলে শরীরে ক্যাটেচিন এর মতন শক্তিশালী অ্যান্টিওক্সিড্যান্ট এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়,ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে:
কিসমিসে থাকা পটাশিয়াম রক্তের চাপ কমাতে সাহায্য করে। শরীরে থাকা উচ্চমাত্রার সোডিয়াম, রক্তচাপ বাড়ার প্রধান কারণ। কিসমিস শরীরের সোডিয়াম মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:
কিসমিসে ভিটামিন এবং খনিজগুলির সাথে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস এবং পলিফেনলগুলির মতো অন্যান্য যৌগগুলির মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে। এগুলি আমাদের সিস্টেমে ফ্রি র্যাডিকালগুলোর সাথে লড়াই করতে, এগুলিকে স্থিতিশীল করতে এবং তাদের শ্বেত রক্তকণিকা সহ আমাদের কোষগুলিকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির কারণ হতে রোধ করে যা আমাদের ইমিউন সিস্টেম গঠন করে।
হাড়ের স্বাস্থ্য বর্ধন:
কিসমিসে পাওয়া যায় আরো এক উপাদান, ক্যালসিয়াম, যা হাড় ও দাঁতের জন্য খুব প্রয়োজন। এছাড়াও, বোরন নামক এক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টও কিসমিসে থাকে যা সঠিক ভাবে হাড় গঠন হতে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়ামকে তাড়াতাড়ি শুষে নিতে শরীরকে সাহায্য করে।মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট শরীরে খুব অল্প পরিমাণে দরকার বলেই মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হিসেবে পরিচিত।
24/07/2022
AMP
প্রচ্ছদ
লাইফস্টাইল
টমেটো খাওয়া জরুরি কেন?
Dhaka Post Desk
লাইফস্টাইল ডেস্ক
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৩:২৫ পিএম
টমেটো খাওয়া জরুরি কেন?
টুকটুকে লাল, গোলগাল এই সবজি রান্নার স্বাদ বাড়াতে অতুলনীয়। শীতকালীন সবজি হলেও সারাবছরই দেখা মেলে এই সবজির। টক স্বাদের বলে এটি দিয়ে চাটনি, সস ইত্যাদিও তৈরি করা হয়। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কোন সবজির কথা বলছি? ঠিক ধরেছেন, বলছি টমেটোর কথা। শুধু স্বাদ নয়, পুষ্টিমানের দিক থেকেও টমেটো অনন্য। সবচেয়ে বেশি উপকার মেলে টমেটো রান্না ছাড়াই খেলে। তবে রান্না করে খেলেও মেলে নানা উপকার। এই সবজিতে আছে ভিটামিন এ, কে, বি১, বি৩, বি৫, বি৬, বি৭ ও ভিটামিন সিসহ উপকারী সব উপাদান। এতে আরও আছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্রোমিয়াম, ফোলেট, আয়রন, ফসফরাস, কোলিন ও কপার। এসব উপাদান আমাদের শরীর ভেতর থেকে সুস্থ রাখে।
বিজ্ঞাপন
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগলে নিয়মিত টমেটো খাওয়া উচিত। কারণ এতে থাকা পটাশিয়াম শরীরে রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। টমেটোতে আরও আছে প্রচুর খনিজ পদার্থ। তাই নিয়মিত টমেটো খেলে ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে দ্রুতই। ত্বক ভালো রাখতে বাহ্যিক রূপচর্চার চেয়েও ভেতর থেকে যত্ন নেয়া বেশি জরুরি।
ওজন কমায়
বাড়তি ওজন মানে বাড়তি দুশ্চিন্তা। কারণ অতিরিক্ত ওজন আরও অনেক অসুখের কারণ হতে পারে। যারা ওজন কমাতে চাইছেন কিংবা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইছেন তাদের জন্য উপকারী খাবার হতে পারে টমেটো। নিয়মিত টমেটোর রস পান করলে দ্রুত ওজন কমানো সম্ভব। প্রতিদিন চেষ্টা করুন একগ্লাস টমেটোর রস পান করতে।
দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়
বর্তমানে একটি পরিচিত সমস্যা হলো দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া। আপনি যদি নিয়মিত পাতে টমেটো রাখেন তবে এই সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এতে আছে বিটা-ক্যারোটিন ও লাইকোপেন যা আমাদের দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে টমেটো।
কম ক্যালরি
টমেটোতে ক্যালরির পরিমাণ বেশ কম। এতে প্রায় ৯৪ শতাংশ পানি থাকে। প্রতি একশো গ্রাম টমেটোতে ১৭ গ্রাম ক্যালরি থাকে। তাই প্রতিদিন টমেটো খেলেও বাড়তি ক্যালরি জমা হওয়ার ভয় নেই।
মেটাবলিজম বাড়ায়
মেটাবলিজম বাড়াতে সাহায্য করে টমেটো। এই সবজিতে আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপেন। এটি শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। পাশাপাশি বাড়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। লাইকোপেন মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। যে কারণে নিয়মিত টমেটো খেলে শরীরের বাড়তি মেদ ঝরে দ্রুত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong
