Bd Health Shop

Bd Health Shop

Share

we didn’t compromise our products quality

11/11/2021

New Zealand win by 5 wickets
Congratulations 💓

06/11/2021

আপনার চুল পড়া বন্ধ ও নতুন চুল গজাবে।

বিস্তারিত জানতে কল করুন
01869247345
সকল জেলা ও উপজেলায় পন্য ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পৌছে দেওয়া হয়।

03/11/2021

নিউজিল্যান্ড,অস্টেলিয়া,জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে হাত পাকা করেছিলাম।
জিম্বাবুয়ে খেলাতেই নাই
নিউজিল্যান্ড অন্যগ্রুপে
অস্ট্রেলিয়ার সাথে খেলাই পড়ে না এখনো।
মানসিকভাবে তো ভেঙ্গে পড়াই স্বাভাবিক।
ক্লাসে একটা পড়া পড়িয়ে পরীক্ষায় অন্য প্রশ্ন আসলে ভেঙ্গে পড়তেন না ?
তবে আমাদের সাথে যে এই ষড়যন্ত্রটা করা হলো তার হিসাব আমরা নিবই।
সামনের ODI worldcup আসুক,তখন দেখায় দিব T20 খেলা কাকে বলে।

31/10/2021

🟢আমলকী_কেন_খাবেন.?

টক আর তেতো স্বাদে ভরা আমলকী গুণে-মানে অতুলনীয়। ফলটি শুধু ভিটামিন আর খনিজ উপাদানেই ভরপুর নয়, বিভিন্ন রোগব্যাধি দূর করায়ও রয়েছে অসাধারণ গুণ। আমলকীর জুস স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী।

আমলকীতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সর্দি-কাশি ঠেকাতে পারে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও আমলকির জুসের গুণ বর্ণনা করে বলা হয়েছে, শরীরের সব ধরনের ক্রিয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে তা।

ভারতের ফর্টিস-এসকর্টস হাসপাতালের পুষ্টিবিদ রুপালি দত্ত বলেন, ভিটামিন সি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের বিভিন্ন ক্ষতিকর মুক্ত মৌলগুলোর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। শরীরের বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর করে ত্বক, চুলের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। আমলকী থেকে সবচেয়ে কার্যকর উপকারিতা পেতে হলে জুস করে খাওয়া ভালো। প্রতিদিন খালি পেটে এই জুস খেলে হজম ভালো হয়, চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।

ভারতের ওজন ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ গর্জি শর্মার মতে, মুখের ঘায়ের পাশাপাশি সর্দি-কাশি দূর করতে আমলকীর জুস দারুণ কাজ করে। দুই চা চামচ আমলকীর জুসের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু প্রতিদিন খেলে ঠান্ডা-কাশি দূর হয়। এ ছাড়া মুখের ঘা দূর করতে কয়েক চামচ জুস পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিনে দুইবার গড়গড়া করলে উপকার পাওয়া যায়।

🔰আমলকীর উপকারিতাঃ

১. নিয়মিত আমলকীর জুস খেলে শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা কমে। অ্যামিনো অ্যাসিড ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় হৃদযন্ত্র ভালো থাকে।

২. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অ্যাজমা দূর করতে আমলকীর জুস কার্যকর।

৩. ভারতের চিকিৎসকেরা বলেন, আমলকীর জুস খেলে পরিপাকতন্ত্র ভালো থাকে এবং হজম ভালো হয়।

৪. আমলকীর জুস যকৃতের কাজে সহায়কা করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে পারে।

৫. ভিটামিন সি এর পাশাপাশি এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস আছে, যার ফলে পুষ্টিকর পানীয় হিসেবে আমলকীর জুস খাওয়া যায়।

৬. আমাদের চুলের গঠনের ৯৯ শতাংশ প্রোটিন। আমলকীতে অ্যামিনো অ্যাসিড ও প্রোটিন আছে, যা চুলের বৃদ্ধিতে কাজ করে। চুল পড়া ঠেকাতে তাই আমলকী কার্যকর।

৭. ত্বকের দাগ দূর করতেও আমলকী ফল দেয়। মুখে আমলকীর জুস মাখানো হলে ত্বকের সমস্যা দূর হয়।

🔰কখন এবং কীভাবে খাবেন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সকালে আমলকীর জুস বেশি কার্যকর। সকালে ২০-৩০ মিলিগ্রাম জুস এক গ্লাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়া এর সঙ্গে কিছুটা লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে খেলে রুচি বাড়ে।

আমলকীর জুসের সঙ্গে জাম আর করলা মিশিয়ে খেলে ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে উপকার পাওয়া যায়। যাঁরা উচ্চ রক্তচাপ ও চুল পড়ার সমস্যায় ভুগছেন, তাঁরা আমলকীর জুসের সঙ্গে ঘৃতকুমারীর নির্যাস মিশিয়ে খেলে বেশি উপকার পাবেন। যাঁরা চোখের সমস্যার ভুগছেন বা দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে চান, তাঁরা ঘুমানোর আগে আমলকীর জুস খেতে পারেন। এতে জাঙ্ক ফুডের ক্ষতিকর প্রভাব নষ্ট হয়।

31/10/2021

আসসালামু আলাইকুম 🔥

আপনার চুল প"ড়া বন্ধ ও নতুন চুল গ"জাবে।

বিস্তারিত জানতে নিচের দেওয়া সেন্ড মেসেজ অপশন এ ক্লিক করুন ধন্যবাদ।

14/12/2020

বিজয়ের মাসে লুফে নিন সেরা অফার, দামে সল্প মানে চমৎকার, বিস্তারিত জানার জন্য ইনবক্সে আসুন ধন্যবাদ। ---------------------------------------------------------

বাংলাদেশের সকল উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে পন্য সরবরাহ করা হচ্ছে কন্ডিশন এর মাধ্যমে।

প্রত্যেকটা বিভাগীয় শহরে হোম ডেলিভারি
ডেলিভারি চার্জ ১০০ টাকা সারা বাংলাদেশে।
বিস্তারিত জানতে নিচের দেওয়া সেন্ড মেসেজ অপশন এ ক্লিক করুন ধন্যবাদ

☎️☎️☎️01888625945

08/12/2020

#আলহামদুলিল্লাহ আজ এত প্রেসেন্ট এর উপকারের শামিল হলাম
বিস্তারিত জানতে 01888625945

08/12/2020
02/10/2020

#লেবুর_খোসা__ও__খোসার_উপকারিতা....!!!

✅✅লেবুর খোসা

⚫ লেবুর খোসায় রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, পেকটিন, ফাইবার এবং মিনারেলস।

⚫ লেবুর রসের এসব উপাদান শরীরের নিরাময় এবং আরোগ্যে কাজ করে। লেবুর খোসা বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমায়। এর মধ্যে পটাশিয়াম থাকার কারণে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে। লেবুর খোসায় থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়।

⚫ ঠান্ডা, ফ্লু এবং গলার ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। লেবুর খোসার মধ্যে উপস্থিত ফাইবার বা আঁশ অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে এবং বাউয়েল মুভমেন্ট ভালো করে। এটি হজমে সাহায্য করে এবং পেট ফোলাভাব রোধেও সহায়তা করে। লেবুর খোসা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে যে পেকটিন রয়েছে তা অন্ত্রের শর্করা শোষণ করতে সাহায্য করে এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে।

⚫ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্যও লেবুর খোসা বেশ ভালো। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিপাকে সাহায্য করে। এটি হাড়ের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে। শরীরের দৈনিক ভিটামিন সি-এর চাহিদার ৩০ শতাংশ লেবু পূরণ করতে পারে। ভিটামিন সি-এর আছে নিরাময় ক্ষমতা। এটি প্রোটিনের বাঁধনে সাহায্য করে, যা টেনডনস, লিগামেন্ট এবং ত্বকের জন্য ভালো। লেবুর খোসা কালো দাগ, বলি রেখা, বার্ধক্যের ছাপ দূর করতে সাহায্য করে।

✅✅ লেবুর খোসার উপকারিতা___

🔳 ত্বকের কালো দাগ দূর করতে

লেবুর খোসা ত্বকের কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে । লেবুর খোসায় রয়েছে ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, পেকটিন, ফাইবার এবং মিনারেলস। লেবুর রসের এসব উপাদান শরীরের নিরাময় এবং আরোগ্যে কাজ করে। লাইফস্টাইল ওয়েবসাইট বোল্ড স্কাই জানিয়েছে এ বিষয়ে কিছু পরামর্শ

🔳 হাড়ের সুরক্ষায়

হার্টের জন্য লেবুর খোসা খাওয়া হার্টের জন্য ভালো। লেবুর খোসা বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমায়। এর মধ্যে পটাশিয়াম থাকার কারণে রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে।

🔳 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা লেবুর খোসায় থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। ঠান্ডা, ফ্লু এবং গলার ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।

🔳 কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে

কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে লেবুর খোসার মধ্যে উপস্থিত ফাইবার বা আঁশ অন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে এবং বাউয়েল মুভমেন্ট ভালো করে। এটি হজমে সাহায্য করে এবং পেট ফোলাভাব রোধেও সহায়তা করে।

🔳 ওজন কমাতে
ওজন কমায় লেবুর খোসা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্য

31/08/2020

'' মধু '' - Honey.

= মধু কি......?

🔳 মধু হচ্ছে একটি তরল আঠালো মিষ্টি জাতীয় পদার্থ, যা মৌমাছিরা ফুল থেকে নেকটার বা পুষ্পরস হিসেবে সংগ্রহ করে মৌচাকে জমা রাখে।

পরবর্তীতে জমাকৃত পুষ্পরস প্রাকৃতিক নিয়মেই মৌমাছি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পূর্ণাঙ্গ মধুতে রূপান্তর এবং কোষ বদ্ধ অবস্থায় মৌচাকে সংরক্ষণ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে মধু হচ্ছে এমন একটি অগাজানোশীল মিষ্টি জাতীয় পদার্থ যা মৌমাছিরা ফুলের নেকটার অথবা জীবন্ত গাছপালার নির্গত রস থেকে সংগ্রহ করে মধুতে রূপান্তর করে এবং সুনির্দিষ্ট কিছু উপাদান যোগ করে মৌচাকে সংরক্ষণ করে।

🔰এটি উচ্চ ঔষধিগুণ সম্পন্ন একটি ভেষজ তরল ; এটি সুপেয়। বিভিন্ন খাদ্য প্রস্তুতিতে এর ব্যবহারে চিনির চেয়ে এর অনেক সুবিধা রয়েছে। এর বিশিষ্ট গন্ধের জন্য অনেকে চিনির চাইতে মধুকেই পছন্দ করে থাকেন। বাংলাদেশের সুন্দরবনের মধু স্বাদ, রং, হালকা সুগন্ধ এবং ঔষধিগুণাবলীর জন্য প্রসিদ্ধ। সুন্দরবনের বেশিরভাগ মধু কেওড়া গাছের ফুল থেকে উৎপন্ন। সুন্দরবনের মাওয়ালী সম্প্রদায়ের লোকেরা মৌচাক থেকে মধু সংগ্রহ করে এবং তা বিক্রয় করে জীবন নির্বাহ করে। মধুর অন্য একটি গুণ হল এটি কখনো নষ্ট হয় না৷ হাজার বছরেও মধুর গুণাগুণ নষ্ট হয় না।

🔶🔷মধুতে রয়েছে ৪৫টিরও বেশি খাদ্যগুণ। তার মধ্যে কয়েকটি হল____

১। মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ,

২। ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ,

৩। ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ

৪। ৫ থেকে ১২ শতাংশ মন্টোজ

৫। ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড

৬। ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ

৭। ১১ শতাংশ এনকাইম

৮। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।

৯। ভিটামিন বি১

১০। ভিটামিন বি২

১১। ভিটামিন বি৩

১২। ভিটামিন বি৫

১৩। ভিটামিন বি৬

১৪। আয়োডিন

১৫। জিংক

১৬। কপার

১৭। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান

১৮। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান

এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই।

🔶🔷মধুর ভৌত বৈশিষ্ট্যঃ-

🔰বাংলাদেশের জাতীয় মধু বোর্ডের সংজ্ঞা অনুযায়ী "মধু হল একটি বিশুদ্ধ পদার্থ যাতে পানি বা অন্য কোন মিষ্টকারক পদার্থ মিশ্রিত করা হয় নাই।

মধু চিনির চাইতে অনেক গুণ মিষ্টি। তরল মধু নষ্ট হয় না, কারণ এতে চিনির উচ্চ ঘনত্বের কারণে প্লাজমোলাইসিস প্রক্রিয়ায় ব্যাকটেরিয়া মারা যায়। প্রাকৃতিক বায়ুবাহিত ইস্ট মধুতে সক্রিয় হতে পারে না, কারণ মধুতে পানির পরিমাণ খুব অল্প। প্রাকৃতিক, অপ্রক্রিয়াজাত মধুতে মাত্র ১৪% হতে ১৮% আর্দ্রতা থাকে। আর্দ্রতা মাত্রা ১৮% এর নিচে যতক্ষণ থাকে, ততক্ষণ মধুতে কোন জীবাণু বংশবৃদ্ধি করতে পারে না। পাস্তুরাইয্‌ড মধুতে মধুর প্রাকৃতিক ঔষধি গুণাবলী হ্রাস পায়।

🔶🔷মানুকা হানিঃ-

🔰নিউজিল্যান্ডের মানুকা হানি বাজারে প্রাপ্য অন্য সকল মধুর চেয়ে বেশি ঔষধিগুণ সম্পন্ন গণ্য করা হয়। মানুকা নামক একপ্রকার ঝোপ জাতীয় উদ্ভিদের ফুল থেকে উৎপন্ন মধু "মানুকা হানি" নামে পরিচিত। এছাড়াও স্পেন দেশের ফরএভার বী হানি সবচেয়ে বিশুদ্ধ ও ঔষধিগুন সম্পন্ন। এটি বিশ্বের সেরা মধুর খেতাব অর্জন করেছে।

31/08/2020

#প্রতিদিন_কেনো__লাল_চা__খাবেন?
-----------------------------------------------------------------

লাল চা হার্টকে ভালো রাখে। লাল চা হয়তো অনেকেই পান করি। একটু আদা, একটু পুদিনা পাতা এর স্বাদ বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুণ। সুন্দর গন্ধ আর রঙের জন্য লাল চা মানুষের কাছে প্রচলিত। তবে আপনি কি জানেন, প্রতিদিন লাল চা খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী?
লাল চায়ের মধ্যে পাওয়া যায় ক্যাফেইন, কার্বোহাইড্রেট, পটাশিয়াম, মিনারেল, ফ্লোরাইড, ম্যাঙ্গানিজ ও পলিফেনল। চা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস। ট্যানিন, গুয়ানিন, এক্সাথিন, পিউরিন ইত্যাদিকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বলা হয়।
লাল চায়ের মধ্যে রয়েছে অনেক স্বাস্থ্যকর গুণ। প্রতিদিন তিন কাপ লাল চা খেলে মনোযোগ বাড়ে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সুরক্ষা দেয় বিভিন্ন রোগ থেকে। চলুন,জেনে নেওয়া যাক লাল চা খাওয়ার উপকারীতাঃ-

✅হার্টের জন্য ভালো
গবেষণায় বলা হয়, লাল চা খাওয়া কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের জারিত হওয়া প্রতিরোধে কাজ করে। নিয়মিত লাল চা খেলে হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে।

✅ক্যানসার প্রতিরোধে

লাল চায়ের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রেক্টাল, জরায়ুর ক্যানসার, ফুসফুস ও ব্লাডার ক্যানসার প্রতিরোধ করে। এটি স্তন ক্যানসার, প্রোস্টেট ক্যানসার ও পাকস্থলীর ক্যানসারও প্রতিরোধে কাজ করে।

✅রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

লাল চা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর মধ্যে থাকা ট্যানিন ফ্লু, ঠান্ডা, ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রমণ থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়। চার কাপ লাল চা প্রতিদিন গ্রহণ করলে প্রদাহ কমে।

✅মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মুখের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান দাঁতের ক্ষয় তৈরিকারী ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করে। এ ছাড়া এর মধ্যে থাকা ফ্লোরাইড মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

✅মস্তিষ্ক ও স্নায়ু পদ্ধতিকে উদ্দীপ্ত করে

লাল চা রক্তের পরিবহনকে উন্নত করে। এটি মস্তিষ্ককে শিথিল করতে সাহায্য করে এবং কাজে মনোযোগ বাড়ায়। প্রতিদিন চার কাপ লাল চা খেলে মানসিক চাপ কমে।

✅হজম ভালো করে

এর মধ্যে থাকা ট্যানিন হজম প্রক্রিয়াকে সাহায্য করে। এটি অন্ত্রের সমস্যা এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে। লাল চা অন্ত্রের প্রদাহ প্রতিরোধেও কাজ করে।

31/08/2020

#যেসব_রোগের__ওষুধ__একমাত্র__খেজুর.....!!!

খেজুরে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় ফাইবার, উপকারী তেল, ক্যালসিয়াম, সালফার, আয়রন, পটাশিয়াম, ফসফরাস, কপার এবং আরও নানাবিধ খনিজ। রয়েছে উপকারী ভিটামিনও। তাই রোজ সকালে ৩-৪টি খেজুর খেলে শরীরের তো কোনও ক্ষতি হয়ই না। উল্টো দারুন উপকার পাওয়া যায়।

খেজুরের গুণের কারণে পুষ্টিবিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ডায়েট ফুড’। এবার খেজুরের যাবতীয় পুষ্টিগুণ জেনে নেওয়া যাক-

🔲 ইন্সট্যান্ট এনার্জি___

বিজ্ঞানীরা খেজুরকে বলে থাকেন ইন্সট্যান্ট এনার্জির ভাণ্ডার। মানে নিমিষেই প্রাণশক্তি। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ফুড সায়েন্সেস এন্ড নিউট্রিশনের এক রিপোর্টে বলা হয়, কেউ যদি দুর্বল বা ক্লান্ত বোধ করে, তাহলে কয়েকটা খেজুর খেয়ে নেওয়ার পর পরই সে চাঙ্গা এবং প্রাণশক্তি অনুভব করবে। খেজুরে থাকা গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা এই ‘এনার্জি’র উৎস। তাই খাদ্যতালিকায় দুটো খেজুর রাখলে সারাদিন প্রাণবন্ত থাকা যাবে।

🔲 দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়___

খেজুরে আছে প্রচুর ভিটামিন ‘এ’ এবং এন্টিঅক্সিডেন্ট ‘ক্যারোটানয়েডস’ যা দৃষ্টিশক্তির জন্য উপকারি। এমনকি বয়স হয়ে গেলে চোখের পেশীর সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা কমে যাওয়া সংক্রান্ত সমস্যা খেজুর প্রতিরোধ করতে সক্ষম।
খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখে।

🔲 হার্টের ক্ষমতা বাড়ে এবং হাড় মজবুত করে___

ডায়াটারি ফাইবারে সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে নিয়মিত খেজুর খেলে শরীরে "এল ডি এল" বা খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করে।

ফলে হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের আশঙ্কা হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে এতে উপস্থিত পটাশিয়াম আরও সব হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমায়।

আর একথা তো সকলেরই জানা যে খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। তাই এই ফলটি খেলে হার্ট যেমন ভালো থাকে, তেমনি হার্টরেটও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে কমে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা।

তাছাড়াও খেজুরে আছে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি খনিজ উপকরণ। যা হাড়ের জন্যে উপকারি। ফলে অস্টিওপরেসিসসহ হাড়ের যে কোনো রোগ প্রতিরোধের জন্যে খেজুর খাওয়া যেতে পারে।

🔲 কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়___

কয়েকটা খেজুর নিয়ে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খেজুরটা ফাটিয়ে জলে মিশিয়ে সেই জল পান করুন। দেখবেন কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্য়া কেমন কমতে শুরু করেছে। আসলে খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে দারুন কাজে আসে।

🔺 কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে খেজুর___

মানসিক চাপ, রাগ বা অন্য অনেক কারণেই হঠাৎ করে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয় ৷ আবার এর সঙ্গে পেট ব্যথাও হয়ে থাকে অনেক সময় ৷ এরকম পরস্থিতিতে শুকনো খেজুর খেলে খুব সহজে পেট পরিষ্কার হতে পারে৷ তবে সাথে প্রচুর পানি পান করতে হবে৷ একমাত্র তবেই সঠিক ফল পাওয়া সম্ভব৷

🔲 কোলেস্টেরল কমায় এবং ধমনীতে চর্বি জমতে দেয় না___

মিষ্টি হলেও খেজুরে কোনো ফ্যাট নেই, নেই কোন কোলেস্টেরল। বরং খেজুরের ‘ক্যাটাচিনস’ নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং বাড়ায় ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ। তাছাড়া খেজুর ধমনীতে চর্বির স্তর জমতে দেয় না।

🔲 হৃদরোগ, ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিস___

এই তিনটি রোগের বিরুদ্ধেই খেজুর লড়ে খুব সফলভাবে। খেজুরে আছে এন্টিঅক্সিডেন্ট ফ্ল্যাভোনয়েডস। মিশরের সুয়েজ ক্যানেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুরের ফ্ল্যাভোনয়েড উপাদানটি ক্যান্সার এবং ডায়াবেটিসের ক্ষেত্রে উপকারী। এছাড়া খেজুরে আছে আইসোফ্ল্যাভন ও ক্যারোটেনয়েডস নামে আরও দুটি উপাদান। গবেষণায় দেখা গেছে, এই উপাদান দুটি হৃদরোগ প্রতিরোধ করতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া খেজুরের ফেনোলিক এসিড নামক এন্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধ করে থাকে।

🔲 রক্তচাপ কমায়___

আমরা যেসব খাবার খাই এর অনেকগুলোতেই থাকে উচ্চমাত্রার লবণ। আর উচ্চ রক্তচাপের বড় কারণ হলো এটি। কিন্তু খেজুরে কোনো সোডিয়াম (লবণ) নেই। বরং আছে বেশ ভালো মাত্রার পটাশিয়াম, যা সোডিয়াম কমাতে সাহায্য করে। এ কারণেই বলা হয়, খেজুর হচ্ছে প্রাকৃতিক প্রতিষেধক যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

এছাড়াও প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

🔲 হাড় মজবুত করে___

খেজুরে আছে সেলেনিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম ইত্যাদি খনিজ উপকরণ। যা হাড়ের জন্যে উপকারি। ফলে অস্টিওপরেসিসসহ হাড়ের যে কোনো রোগ প্রতিরোধের জন্যে খেজুর খাওয়া যেতে পারে।

🔲 মস্তিষ্ককে উজ্জীবিত করে___

অস্ট্রেলিয়ায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর স্মৃতিশক্তি এবং শেখার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করেছে। খেজুরে থাকা নানা ধরনের এন্টিঅক্সিডেন্টই এ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া বয়স হয়ে গেলে ব্রেনের যে ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি দেখা দেয় তাও চমৎকারভাবে প্রতিরোধ করে খেজুর। কারণ কর্টিসল এবং অক্সিডেন্ট উপকরণের অভাবে ব্রেনের ক্ষয় হয়। কিন্তু এই উপকরণ দুটি খেজুরে রয়েছে ভরপুর।

🔲 পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য___

সাধারণত খাদ্যে ফাইবার বা আঁশের অভাবে পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোগগুলো হয়। খেজুরে যেহেতু প্রচুর আঁশ থাকে, তাই নিয়মিত খেজুর খেলে এ রোগগুলো আপনি সহজে প্রতিরোধ করতে পারবেন। ইউনিভার্সিটি অব রচেস্টার মেডিকেল সেন্টারের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে মাত্র ২০-৩৫ গ্রাম খেজুর খেলেই কোষ্ঠকাঠিন্যকে প্রতিরোধ করা যায়।

🔲 ওজন রাখে নিয়ন্ত্রণে___

খেজুরে আছে ভিটামিন বি, ভিটামিন কে, রিবোফ্লোভিন, নিয়াসিন এবং আরও অনেক ধরনের পুষ্টি উপকরণ। এসবের মিলিত ফসল হলো মেটাবলিজম বাড়ানো। অর্থাৎ শরীরে যতটুকু ওজনের প্রয়োজন হয় তা ধরে রাখে খেজুর। তাছাড়া খেজুর এমন একটি খাবার যা অল্প খেলেই তৃপ্তি হয়, ফলে বেশি খাওয়ার চাহিদা থাকে না। ফলে শরীরে ওজন আর বাড়ে না।

🔲 ত্বক সুন্দর করে___

নিয়মিত খেজুর খেলে আপনার ত্বক হবে সতেজ, পরিচ্ছন্ন এবং প্রাণবন্ত! খেজুরে আছে প্রচুর ভিটামিন, এন্টিঅক্সিডেন্ট। যেমন- ভিটামিন ‘সি’ ত্বকের নমনীয়তা বাড়ায়। ভিটামিন ‘ডি’ বাড়ায় কমনীয়তা। অধিকন্তু খেজুর দেহের মেলানিনের মাত্রা কমিয়ে বয়সের চিহ্নকে দূরীভূত করে।

🔲 চুল পড়া বন্ধ করে___

খেজুরে আছে প্রচুর আয়রন। যা রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়ায়। আর চুলসহ গোটা শরীরেই তা ভারসাম্যপূর্ণভাবে পৌঁছায়। ফলে চুল পড়া যেমন কমে, তেমনি নতুন চুল গজায়ও।

🔲 রক্তশূন্যতার সমস্যা___

রক্তশূন্যতায় ভুগলে অবসাদ, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা- ইত্যাদি সমস্যাগুলো দেখা দেয়। রক্তশূন্যতার রোগীরা খেজুর খেতে পারেন নিশ্চিন্তে। কারণ খেজুরে আছে প্রচুর আয়রন। তাছাড়া খেজুর রক্ত পরিষ্কারও করে।

রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীরা প্রতিদিন খেজুর খেতে পারেন। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।

🔲 প্রসবকালীন জটিলতা কমায়___

গর্ভবতী মায়েদের জন্যে দরকার বাড়তি ক্যালরি। আর খেজুরের চেয়ে উপকারি সমৃদ্ধ ক্যালরির উৎস খাবার কমই আছে। জর্ডানের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রসবের চার সপ্তাহ আগ পর্যন্ত যে মায়েরা পর্যাপ্ত খেজুর খেয়েছেন, প্রসবকালীন জটিলতা তাদের কম হয়েছে। সন্তানসম্ভবা মায়েদের জরায়ুর পেশী মজবুত করেছে খেজুর, সে প্রমাণও পাওয়া গেছে এই গবেষণায়।

🔲 যৌনক্ষমতা বৃদ্ধি___

খেজুরে আছে এমন কিছু উপাদান যা পুরুষ এবং নারী- উভয়েরই যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে। এছাড়া সেক্স হরমোনও বৃদ্ধি করে খেজুর । খেজুরে এস্ট্রাডিওল (estradiol) ও ফ্ল্যাবহনয়েড (flavonoid)-এর মাত্রা অনেক বেশি থাকে বলে তা শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় ও যৌন্য সজীবতা বাড়ায়। ঠিক এই কারণেই যুগ যুগ ধরে খেজুরকে যৌনক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।

🔲 বাড়তি ভিটামিনের প্রয়োজন নেই___

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, নিয়মিত খেজুর খেলে বাড়তি ভিটামিন খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। খেজুরে আছে ২৩টি অ্যামাইনো এসিড। যা আপেল, কমলা, কলার মতো জনপ্রিয় ফলেও নেই। এই অ্যামাইনো এসিড ‘কার্সিজেনিক’ নামের টক্সিনকে দেহের বাইরে বের করে দিতে সাহায্য করে।

🔲 পেটের রোগের প্রকোপ কমায়___

প্রচুর পরিমাণ ফাইবার থাকার কারণে নিয়মিত এই ফলটি খেলে বাওয়েল মুভমেন্টে মারাত্মক উন্নতি ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোনও ধরনের পেটের রোগই আর মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না। প্রতিদিন ৩টি করে খেজুর খেলে শরীরে উপকারি ব্যাকটেরিয়ায় মাত্রা বৃদ্ধি পায়। ফলে বদ-হজম, কোলাইটিস এবং হেমোরয়েডের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

🔲 অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ :

খেজুরে প্রচুর মাত্রায় প্রাকৃতির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা একাধিক রোগকে দূরে রাখার পাশাপাশি শরীরের গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, এই ফলটিতে বেশ কিছু অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রপাটিজও রযেছে, ফলে নিয়মিত খেজুর খেলে সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও অনেকাংশে হ্রাস পায়।

🔲 হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে

খেজুরে উপস্থিত খনিজ এবং ভিটামিন হাড়কে এতটাই শক্তপোক্ত করে দেয় যে বয়স্কালে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়। এই ফলটিতে উপস্থিত সেলেনিয়াম, ম্য়াঙ্গানিজ, কপার এবং ম্যাগনেসিয়াম এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

🔲 ওজন বৃ্দ্ধি পায়

নানা কারণে যাদের ওজন মাত্রাতিরিক্ত হারে কমে যেতে শুরু করেছে, তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার পাবেন। কারণ এই ফলটিতে উপস্থিত ক্যালরি শরীরে ভাঙন রোধ করে ওজন বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

🔲 নার্ভাস সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বাড়ায় :

খেজুরে নানাবিধ ভিটামিন এবং খনিজ, বিশেষত পটাশিয়াম নার্ভের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ব্রেন পাওয়ার বাড়াতেও এই ফলটি দারুনভাবে সাহায্য করে।

🔲 অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখে

শরীরে আয়রনের ঘাটতি দেখা দিলেই মূলত এই ধরনের রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। শরীরে যাতে এই খনিজটির ঘাটতি কোনও সময় দেখা না দেয়, সেদিকে খেয়াল রাখা একান্ত প্রয়োজন। আর এক্ষেত্রে খেজুর দারুনভাবে সাহায্য করতে পারে। এই ছোট্ট ফলটি আয়রণ সমৃদ্ধি। অ্যানিমিয়ার মতো রোগকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

🔲 অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়

খেজুরে সালফার কম্পাউন্ড অ্যালার্জির মতো রোগ থেকে দূরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। যারা সারা বছরই এই রোগে ভুগে থাকেন, তাদের রোজের ডায়েটে এই ফলটির অন্তর্ভুক্তি মাস্ট!

🔲 পেট পরিস্কার রাখতে___

খেজুর পেটের জন্য খুব উপকারী ও পেট পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। খেজুরে থাকা ফাইবার যেমন কোষ্টকাঠিন্য দূর করে তেমনই পেটের ক্যান্সারের আশঙ্কা কম করে। নিয়মিত খেজুর খেলে খাদ্যনালীতে প্যাথোজেন তৈরি হতে দেয় না ও উপকারী জীবাণু তৈরিতে সহায়তা করে। প্যাথোজেন হল একধরণের জীবাণু যা শরীরে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টি করতে পারে।

🔲 নেশা কাটাতে___

আগের দিন বেশি মদ্যপান করে ফেললে পরের দিন তার রেশ থেকে মুক্তি পেতে কয়েকটি খেজুর সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন সকালে খান। এতে যেমন নেশা কাটবে, পেটও পরিষ্কার হবে।

🔲 কোলেস্টেরল ও চর্বি

প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে আছে শূন্য দশমিক ৬ গ্রাম কোলেস্টেরল ও চর্বি। সামান্য পরিমাণ কোলেস্টেরল থাকলেও তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। ফলে খেজুর খাদ্যতালিকায় রাখলে স্বাস্থ্যের হানি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

🔲 আমিষ:

একটি খেজুরে ২ দশমিক ২ গ্রাম আমিষ আছে। আমিষ বা প্রোটিন শরীরের জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান। খেজুর প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়ার কারণে শরীরের পেশি গঠনে সহায়তা করে। পাশাপাশি শরীরের জন্য খুব অপরিহার্য প্রোটিনও সরবরাহ করে।

🔲 ভিটামিন

খেজুরে রয়েছে শরীরের জন্য উপকারী বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন। বিশেষ করে এতে ই-১, ই-২, ই-৩, ই-৫ ও ভিটামিন-সি রয়েছে। খেজুর দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে রাতকানা রোগপ্রতিরোধেও খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।

🔲 লোহা

খেজুরে লোহা আছে ৭ দশমিক ৩ মিলিগ্রাম। লোহা মানবদেহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই যাদের হৃৎপিণ্ড দুর্বল, খেজুর হতে পারে তাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পথ্য। এ ছাড়া গর্ভবতী ও প্রসূতি নারীদের জন্য এবং বাড়ন্ত বয়সী কিশোরীদের বাড়তি লোহার প্রয়োজন হয়। খেজুর তাদের জন্যও উপকারী।

🔲 ক্যালসিয়াম

খেজুরে ক্যালসিয়াম আছে ৬৩ মিলিগ্রাম। ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। ফলে খেজুর খেলে হাড় মজবুত হয়। এ ছাড়া খেজুর শিশুদের দাঁতের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে।

🔲 ক্যানসার প্রতিরোধ প্রতিরোধক:

খেজুর পুষ্টি গুণে সমৃদ্ধ ও প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ। ৩ দশমিক ৯ গ্রাম আঁশ আছে ১০০ গ্রাম খেজুরে। গবেষণায় দেখা যায় খেজুর পেটের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর যাঁরা নিয়মিত খেজুর খান তাঁদের ক্যানসারের ঝুঁকিও কম থাকে।

🔲 সংক্রমণ প্রতিরোধ

যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এ ছাড়া গলা ব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি ও ঠান্ডায় খেজুর উপকারী। খেজুর অ্যালকোহলজনিত বিষক্রিয়ায় বেশ উপকারী। ভেজানো খেজুর খেলে বিষক্রিয়া কমে যায়।
এ ছাড়া খেজুরে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট পলিফেনলস যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে।

🔲 স্ট্রেস দূর করেঃ-

স্ট্রেস ও নার্ভাসনেসের কারণে মাথা ব্যথা হলে তা সহজেই দূর করতে পারে খেজুর৷ খেজুরে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস ও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন, যা স্ট্রেস দূর করতে সহায়ক৷

🔶খেজুর যেভাবে রাখবেনঃ-

তাজা খেজুর সরাসরি ফ্রিজে রাখা ভালো এবং কয়েকদিনের মধ্যেই তা খেয়ে ফেলা উচিত৷ তবে শুকনো খেজুর বা খোরমা কিছুদিন রেখে খাওয়া যায়৷ তবে লক্ষ্য রাখতে হবে তাতে যেন পোকা বা ফাঙ্গাস না হয়৷ এরকমটা হলে খেজুর সাথে সাথেই ফেলে দেওয়া উচিত৷

🔴🔴সতর্কতা: ১০০ গ্রাম খেজুরে রয়েছে ৩২৪ কিলোক্যালরি। এটি ফ্রুকটোজ ও গ্লাইসেমিক সমৃদ্ধ হওয়ায় যাঁরা মুটিয়ে যাওয়া রোগে আক্রান্ত এবং যাঁদের ডায়াবেটিস ও কিডনিজনিত সমস্যা আছে তাঁরা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে খেজুর খাবেন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

4200
Chittagong