Khondaker Ekhlasur Rahman.

Khondaker Ekhlasur Rahman.

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Khondaker Ekhlasur Rahman., Health/Beauty, Chittagong.

05/02/2023

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
★নাস্তিক্য মানবতাবাদের পোস্টমার্টেম★
🖋️খন্দকার এখলাসুর রহমান

নাস্তিকরা প্রায়ই নিজেদেরকে খুবই মানবিক বলে প্রচার করতে চান।আর যারা ধর্মভীরু, তাদেরকে অমানবিক বলে বেড়ান।তাদের এই দাবি যে কতটুকু হাস্যকর তা যেকোনো সাধারণ জ্ঞান সম্পন্ন মানুষ বুঝতে পারবেন।
আসুন আমরা দেখি মানবতা কি,মানবিক মানুষ কাকে বলে - তার কিছু বিশ্লেষণ করে দেখি।একজন মানুষ যখন অপর মানুষ এবং সৃষ্টিরাজির অন্যান্য প্রাণীর অধিকারকে হৃদয়ঙ্গম করতে পারেন এবং সে অনুসারে সদাচার করেন তখন আমরা তাকে মানবতাবাদী মানুষ বা মানবিক গুণসম্পন্ন মানুষ বলে থাকি।
এবার আস্তিক এবং নাস্তিকদের মধ্যে কারা বেশি মানবতাবাদী - এই বিশ্লেষণ করার জন্য আমরা মানুষের মৌলিক প্রয়োজনগুলোকেই আমাদের বিবেচনায় আনব।
মানুষের মৌলিক প্রয়োজন হলো- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, বিনোদন এবং যাতায়াত।
একজন মানুষ যখন আস্তিক হয় সে পারলৌকিক পুন্যের আশায় অন্য মানুষকে
সহজেই সহয়তা করে থাকে।এক্ষেত্রে তার (আস্তিকের) মন যতটুকু উদার হয় একজন নাস্তিকের ক্ষেত্রে সে সুযোগটি থাকে না।কেননা নাস্তিক শুধু জাগতিক লাভ ক্ষতির ভিত্তিতেই অপরের সাহায্য করে থাকে তার এটাই চূড়ান্ত প্রাপ্তি বা অপ্রাপ্তি।ফলশ্রুতিতে সে একজন আস্তিকের চেয়ে অনেক অনেক অনেক বেশি অমানবিক এবং নিষ্ঠুর হয়ে থাকে।
পৃথিবীর সব ধর্মেই অন্নহীনকে অন্ন দেওয়া, বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দেওয়া, গৃহহীনকে গৃহ দেওয়া, জ্ঞানহীনকে জ্ঞান দেওয়া, অসুস্থদের সেবা শুশ্রুসা করা, অপরের জানমালের হেফাজত করা ইত্যাদি কাজগুলোকে পুন্যের কাজ বলে ভুষিত করা হয়েছে এবং আবালবৃদ্ধবনিতা সবাইকে এ কাজগুলো করতে উৎসাহিত করা হয়েছে,তাই আস্তিকরা সে অনুসারে আচরণ করেও থাকেন।কিন্তু নাস্তিক দর্শনে যেহেতু মরোণোত্তর পুরস্কার পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই তাই সে কখনো একজন আস্তিকের সমান মানবতাবাদী হতে পারে না।
অতএব, যুক্তির নিরিখে আমরা মানতে বাধ্য আস্তিকদের তুলনায় নাস্তিকদের অধিক মানবতাবাদী হওয়ার দাবি অযৌক্তিক, হাস্যকর, অবাস্তব এবং অসম্ভব।

25/01/2023

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

★সত্যের ডাক★
✒️খন্দকার এখলাসুর রহমান

মানুষকে সৃষ্টির সেরা জীব বলা হয় কারণ সে ভালো মন্দ অনুভব করতে পারে এবং ভাবনা শক্তির মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। আর যে ব্যাক্তির এই গুণ নেই তাকে আমরা উন্মাদ বা পাগল বলি।ইতর প্রানীরা অনেক কিছুই অনুভব করতে পারে। কিন্তু ভাবনা শক্তির মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে এরা কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে না।
পৃথিবীতে আমরা যে দিকেই তাকাই নিজেদেরকে একটি অতি সুনিপুণ সুশৃঙ্খলতার মধ্যে আবদ্ধ দেখতে পাই।কোনো প্রাণিই এই শৃঙ্খলার বন্ধন ভাঙতে পারে না।অনুভবের জগতে সে নিজেকে এক বুদ্ধিদীপ্ত Comand বা আদেশ বহনকারী রুপে দেখতে পায়।আর তখনই সে বলতে বাধ্য হয় যে - সে সৃষ্ট এবং তাকে যিনি সৃষ্টি করেছেন তিনি হলেন আল্লাহ।
তাই আসুন আমরা সবাই উচ্চ স্বরে ঘোষণা দেই- "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) "
অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ বা উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ (সাঃ) তাঁর প্রেরিত রাসুল।

25/01/2023

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

★নাস্তিকতার যৌক্তিক অসারতা ★
✒️খন্দকার এখলাসুর রহমান

আমাদের অনেকেরই জানতে ইচ্ছে করে - যুক্তি কি? যুক্তি হলো কারণ এবং ফলাফলের সুসমন্বয়। যখন কোনো কারণের সাথে ফলাফলের সংগতি বা মিল থাকে তখন আমরা এটিকে যুক্তিসংগত হয়েছে বলে মেনে নিই।শুভাকাঙ্ক্ষীদের হাতে ফুল থাকাটা যৌক্তিক বলে আমরা মেনে নিই।
এই মহাবিশ্ব এবং সৃষ্টিরাজির সবকিছু কি কোনো সুপরিকল্পক স্রষ্টার সৃষ্টি,নাকি স্রষ্টা ছাড়া এগুলো হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে?এ বিতর্ক আস্তিকদের সাথে নাস্তিকদের চলেই আসছে।
আস্তিকরা অগণিত অকাট্য যুক্তি দেখালেও নাস্তিকরা তা মানতে নারাজ।নাস্তিকদের একটাই কথা-"আমার মতের সাথে মিল না হলে সেটাই অযৌক্তিক"।এখানে এসে তারা চরম মাত্রার একদেশদর্শী আবেগী অবস্থান গ্রহণ করে। তারা তাদের আবেগের স্বপক্ষে এতই অন্ধ অবস্থান গ্রহণ করে যে সবধরনের বিপক্ষীয় যুক্তিকেই তারা অস্বীকার করে বসেন।যেমন ধরুন কোনো আস্তিক যখন প্রশ্ন করেন মানবদেহ কি পরম সত্তার বুদ্ধিবৃত্তিক হুকুম মানে বিধায় চোখ দেখার কাজ করে, কান শুনার কাজ করে, নাক ঘ্রাণ নেওয়ার কাজ করে এভাবে প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিজ নিজ কাজ করে?কিন্তু এ বিষয়ে নাস্তিকদের মতামত অত্যন্ত আপত্তিকর ও অগ্রহণযোগ্য।তারা বলেন সবকিছু এমনি এমনিতে সংঘটিত হয়।এটা কোন যুক্তি হলো? এই একই ব্যক্তিকে যদি প্রশ্ন করা হয় - ভাই আপনার সন্তান-সন্ততি হয়েছে কিভাবে? তখন তিনিই উত্তর দিবেন আমার এবং আমার স্ত্রীর শুক্রাণু এবং ডিম্বাণুর সঠিক মাত্রার বিক্রিয়া এবং বিকাশের মাধ্যমে। এখানে কিন্তু তিনি বলতে পারেননি এমনি এমনিতে হয়েছে। যদি জিজ্ঞাসা করা হয় আপনার শুক্রানুর সাথে কোন মাদি কুকুরের ডিম্বানুর বিক্রিয়ার দ্বারা আপনার সন্তান-সন্ততি হয় না কেন? তখন তিনি বলবেন এটা অযৌক্তিক, অথচ তিনিই কিছুক্ষণ আগে বলেছেন মহাবিশ্ব এবং এর সৃষ্টি চরাচরের সবকিছুই এমনি এমনিতেই হচ্ছে! এটাকি স্ববিরোধীতা নয়?
তাই আসুন আমরা সবাই আল্লাহর অস্তিত্বকে মেনে নিই, কারণ যৌক্তিক কারণেই আমরা এটা মেনে নিতে বাধ্য।মহান স্রষ্টা তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক কমান্ড বা আদেশকে সৃষ্টির সর্বত্র গেঁথে দিয়েছেন। প্রতিটি সৃষ্টিই নিজ নিজ শৈল্পিক অবস্থানের দ্বারা স্রষ্টার অস্তিত্বের সত্যতার সাক্ষী দিচ্ছে।

12/01/2023

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম

✪আমি কে?✪

★খন্দকার এখলাসুর রহমান।★

আমরা যদি নিজেকে জিজ্ঞাসা করি-
আমি কে? তখন আমাদের অবচেতন বা সচেতন মন উত্তর দিবে - আমি এক মহা পরিকল্পকের বা প্রোগ্রামারের দেয়া একটি আদেশ। যে আদেশ বহন করে চলেছে আমাদের দেহরাজ্য। তাঁরই আদেশ মত দেহের প্রত্যেকটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কাজ করে যাচ্ছে। আর এই কাজ করা ততক্ষণই প্রবাহমান থাকছে যতক্ষণ ঐ আদেশের সাথে এর সংযুক্তি থাকছে। যখনই ঐ আদেশ থেকে এটি বিচ্ছিন্ন হয় তখন অার এটি কাজ করতে পারেনা।

ধরুন কোন ব্যক্তির দুটো হাতের মধ্যে একটি হাত কেটে ফেলা হলো, তখন ঐ কাটা হাত ঐ দেহরাজ্য থেকে অার কোনো সুফল বা কুফল নিতে পারবে না।ঐ দেহ রাজ্য খাদ্য বা পানীয় গ্রহন করলে তার কোনো প্রভাব বিচ্ছিন্ন অংশে পরবে না।এতে বুঝা গেলো যতক্ষণ পর্যন্ত প্রোগ্রামারের দেয়া Comand এর সাথে এর সংযুক্তি ছিল ততক্ষণ পর্যন্ত এটি দেহরাজ্যের খাদ্য ও পানীয় গ্রহন দ্বারা প্রভাবিত হতো।অতএব যুক্তির নিরীখে অামাদের মানেতেই হয় - দেহ রাজ্য যে Comand বহন করে চলে - সেটি হলো অামাদের রুহ বা আত্মা। অার এই Comand যিনি দিয়ে থাকেন তিনি হলেন সর্বস্রষ্টা আল্লাহ।অার অামরা হলাম তার সৃষ্ট মানুষ।

যারা আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করতে চান না তাদের নিকট অামার প্রশ্ন - সবকিছু যদি প্রাকৃতিক বা এমনি এমনিতেই সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে একই শরিরের বিচ্ছিন্ন অংশ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির খাদ্য ও পানীয় গ্রহন দ্বারা প্রভাবিত হয়না কেন? যেকোনো যুক্তিবাদী মানুষেই বলবেন যে-দেহরাজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে এটি ঐ দেহের মধ্যে সঞ্চালিত Comand এর বাহিরে চলে গেছে,তাই প্রভাবিত হচ্ছে না৷ সুতরাং যুক্তির নিরীখেই দেহ রাজ্যের মধ্যে একটি বুদ্ধিভিত্তিক Comand এর অস্তিত্ব আমাদের মেনে নিতেই হচ্ছে৷ আর এই Comand হলো আমাদের Soul বা আত্না৷ আর Comander হলেন আল্লাহ, আর আমরা হলাম সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ৷

কেউ প্রশ্ন করতে পারেন আমি Comand টি কে বুদ্ধিভিত্তিক বললাম কেন? আমি নয় শুধু, যে কোন ব্যক্তিই Comand টি কে বুদ্ধিভিত্তিক বলতে বাধ্য - কারণ এ Comand এতই নিখুঁত এবং শক্তিশালী যে এর অতিশয় ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র লঙ্গনও দেহ রাজ্য করতে পারে না৷ যদি করে সব কিছু Disorder হয়ে যায়৷ এই Comand এর কারণেই দেহের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ নিজ নিজ দ্বায়িত্ব বিরামহীন ও সুনিপুণ ভাবে করে যাচ্ছে৷ তাই আসুন আমরা অবনত মস্তকে মেনে নেই সেই Comander কে - যিনি জীবদেহের মধ্যে নিজের বুদ্ধিভিত্তিক Comand দানের মাধ্যমে নিজের পরিচয় নিজেই আমাদের নিকট প্রকাশ করেছেন৷ এবং পাশাপাশি আমাদের পরিচয়ও আমাদের কে জানিয়ে দিয়েছেন৷

11/01/2023

বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

✪আল্লাহর পরিচিতি✪

★খন্দকার এখলাসুর রহমান★

মানব জীবনের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হল আল্লাহর পরিচিতি। আর সবচেয়ে বড় সফলতা ও এটি। কারণ চিনাচিনির সাথে মানামানির সম্পর্ক। যেমন একটি ঘোড়া তার মালিককে চিনে এজন্য সে মালিকের জন্য প্রাণ পর্যন্ত উৎসর্গ করতে পারে। একটি কুকুর তার মালিক কে চেনে তাই সে মালিকের জন্য সব সময় নিজেকে উৎসর্গ করে থাকে। আমাদের প্রভু মহান আল্লাহ তাআলা তাঁর পরিচিতি পাওয়ার জন্য দুটি ব্যবস্থা রেখেছেন। (১) সৃষ্টিররাজির মাধ্যমে তার পরিচিতি দান, (২) নবীদের মাধ্যমে তার পরিচিতি দান।
১। সৃষ্টিরাজির মাধ্যমে তার পরিচিতিঃ অতিশয় ক্ষুদ্র পরমাণু থেকে শুরু করে যেখানেই তাকান দেখবেন সুনিপুণ সুশৃঙ্খলতা। আর এই সুনিপুন সুশৃঙ্খলতা এতই সুনিপুন যে অতি সামান্য থেকে সামান্য ছন্দপতনও পুরো ব্যবস্থাপনাটিকে অচল করে দিত। তাই আমাদের যুক্তিবাদী মন স্বাভাবিকভাবেই এই সুনিপুনতার কারন জানতে চায়৷ সে নিজেকে প্রশ্ন করে এই সুনিপুণতার উৎস কি? কোন প্রোগ্রামার এই প্রোগ্রামগুলো সাজিয়েছেন?
যেমন ধরুন সূচনালগ্ন থেকেই চোখের কাজ দেখাদেখি করা, এটির ক্ষমতা নেই শুনার কাজ করা। হাতের কাজ হলো ধরাধরি করা,এটির ক্ষমতা নেই দেখাদেখির কাজ করা। কানের কাজ হলো শুনাশুনি করা,এটির ক্ষমতা নেই ঘ্রাণ নেওয়ার কাজ করা। এভাবে প্রত্যেকটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই ঐ প্রোগ্রামারের দেয়া প্রোগ্রাম অনুসারেই কাজ করে যাচ্ছে। এখন প্রশ্ন হলো কে এই প্রোগ্রামার? তিনি কি প্রকাশ্য নাকি অপ্রকাশ্য? তিনি তাঁর শৈল্পিক কাজের মাধ্যমে সবসময়ই আমাদের নিকট প্রকাশিত হয়ে আছেন।
২। নবীদের মাধ্যমে তাঁর পরিচিতিঃ দয়াময় আল্লাহ সৃষ্টির শৈল্পিক ছাপের মাধ্যমে তাঁর পরিচিতি প্রকাশ করা সত্বেও তাঁর মনোনীত বান্দাদের মাধ্যমেও বিশ্ববাসির নিকট তা সুস্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন৷ তিনি যুগে যুগে প্রত্যেক জনপদে তাঁর মনোনীত বান্দাদের পাঠিয়েছেন৷ প্রত্যেককেই তিনি মোজেজা বা অলৌকিক ক্ষমতা, ইনসাফ এবং উত্তম আখলাক দিয়ে ভূষিত করেছেন৷ সর্বশেষ তিঁনি সর্দারে দু'জাহান রাসুলেপাক হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) কে পাঠিয়েছেন৷ আর উঁনি আমাদের দিয়েছেন দুটো জিনিস৷ একটি হলো কোরআন ,এবং অপরটি হলো সূন্নাহ। আজও যে কোন ব্যাক্তি এ দুটো অনুসরনের মাধ্যমে আল্লাহর পরিচয় লাভ করতে পারেন৷ আর এই পরিচিতি কাল্পনিক নয় বরং চরম ও পরমভাবে বাস্তব৷ যে কোন ব্যক্তি এর সত্যতা যাচাই করতে পারেন৷

10/01/2023

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

★কোরআনের বিজ্ঞানময়তা★
✒️খন্দকার এখলাসুর রহমান

নাস্তিকরা কোরআনের বিজ্ঞানময়তা নিয়ে প্রায়ই বাজে মন্তব্য করে থাকেন। তারা কোরআনের মধ্যে বস্তুরাজি বানানোর ফর্মুলা খুঁজে থাকেন। সাধারণ মানুষকে তারা কুরআনে কোন বস্তুরাজি বানানোর ফর্মুলা নেই - অতএব কোরআন বিজ্ঞানময় নয় - এই বলে বিভ্রান্ত করে থাকেন এবং নিজেরাও ভ্রান্তির সাগরে হাবুডুবু খেতে থাকেন।
এবার আসুন বিজ্ঞান কি আমরা তা জেনে নেই।
কোন বিষয়ের বিশ্লেষিত জ্ঞান যা পরীক্ষণ ও পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে পাওয়া যায় তাকে বিজ্ঞান বলে। এই অর্থে সমাজবিজ্ঞানীরা যুগ যুগ ধরে সমাজ সম্বন্ধে যে মতামত দিয়েছেন তাকে সমাজবিজ্ঞান বলে। রাজনীতি বিজ্ঞানীরা রাষ্ট্র সম্বন্ধে যে মতামত দিয়েছেন তাকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে এবং এভাবে অন্যান্য বিজ্ঞান গুলো স্ব স্ব বিশ্লেষকদের মতামতের সমাহার।
এভাবে কোন নাস্তিক যদি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মধ্যে কম্পিউটার বানানোর ফর্মুলা খোঁজেন তা হবে অত্যন্ত হাস্যকর। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মধ্যে কম্পিউটার বানানোর ফর্মূলা না পেয়ে কোনো নাস্তিকই এটা বিজ্ঞান নয় বলে তাচ্ছিল্য করতে পারে না, আর করলেও কোনো সুস্থ মানুষ তা গ্রহণ করবে না।
কুরআন নিজেকে যে বিজ্ঞানময় দাবি করেছে - এ দাবির সত্যতা মানুষ অক্ষরে অক্ষরে সত্য হতে দেখেছে। এ দাবি একমুখী নয়, বহুমুখী নয় বরং সর্বমূখী।এ দাবি হলো সর্বমূখী science এর sign। উদাহরণ স্বরুপ আমরা একটি দৃষ্টান্ত আলোচনা করব।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান আমাদের কি শিক্ষা দেয়?
কিভাবে একটি আদর্শ কল্যাণ রাষ্ট্র বানানো যায় এবং পরিচালনা করা যায় তাই আমরা রাষ্ট্রবিজ্ঞান থেকে শিখে থাকি। রাসুলেপাক (সাঃ) এর মদিনা রাষ্ট্র থেকে শুরু করে বিগত শত শত বছর মুসলমানরা কুরআন হাদিস অনুসরণ করেই এরুপ অসংখ্য কল্যাণ রাষ্ট্র সৃষ্টি করেছেন।পৃথিবীর সব জ্ঞানী ও গুণীজন এতে একমত।তাই কুরআন যে রাষ্ট্রবিজ্ঞানগুলোর রাষ্ট্রবিজ্ঞান তা আমরা মেনে নিতে বাধ্য।
অতএব, কুরআন যে নিজেকে বিজ্ঞানময় দাবি করেছে সেগুলোর অসংখ্য দিক থেকে এই একটি দিকই বিজ্ঞানময়তার দাবির সত্যতা প্রমাণের জন্য যথেষ্ট।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Chittagong