Sana's News Bhatiary
ভাটিয়ারী, সীতাকুণ্ড ও চট্টগ্রামের সকল খবরা খবর
06/09/2024
সীতাকুণ্ডে সাগর উপকূল থেকে অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার
সীতাকুণ্ডের সাগর উপকূল থেকে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের বোয়ালিয়াকুল গ্রামের সমুদ্র উপকূল থেকে অজ্ঞাত (পুরুষ) লাশ উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, সাগরের জোয়ারের পানিতে একটি অর্ধগলিত লাশ ভেসে উপকুলে আসলে স্থানীয়রা মানবিক সংগঠন গাউছিয়া কমিটিকে খবর দিলে তারা লাশটি উদ্ধার করে কুমিরা নৌ পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে।
কুমিরা নৌ পুলিশের ইনচার্জ মোঃ নাছির উদ্দীন বলেন, গাউছিয়া কমিটির সহায়তায় সাগর উপকূল থেকে একটা লাশ উদ্ধার করেছি। লাশের পরিচয় পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে মৃতদেহটি ১৫/২০ দিন আগের হবে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে চমেক হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
গাউছিয়া কমিটির ইউনিয়ন টিম লিডার মোহাম্মদ নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সদস্য রফিকুল ইসলাম রুবেল, জালাল উদ্দীন ফিরোজ, আরিফুল হক সাদিব, আরাফাত হোসেন, মিলন হোসেন অমি, ফয়সাল আহমেদ আপন, মোহাম্মদ শাহিন প্রমুখ।
06/09/2024
আজকের বাংলা তারিখ ২২শে ভাদ্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল, শুক্রবার।
আজকের ইংরেজি তারিখ ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।
আজকের আরবি তারিখ ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৬ হিজরি।
05/09/2024
ভাটিয়ারীতে পাহাড় কাটার দায়ে গ্রেফতার ১, ও ২ লাখ টাকা জরিমানা,
সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে পাহাড় কাটার অপরাধে মীর ব্রিকস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা। অভিযানের সময় পাহাড় কাটার দায়ে মজনু খন্দকার নামক ১ জনকে গ্রেপ্তার করে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা ভাটিয়ারী ইউনিয়নে মীর গ্রুপের মালিকানাধীন মীর ব্রিকস ইন্ডাস্ট্রিজে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় মোবাইল কোর্টের নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী তামজীদ আহমেদ।
অপরদিকে একইদিন সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল লতিফপুর এলাকার মিরপুর আবাসিক এলাকায় পাহাড় কর্তন করে রাস্তা ও গার্ড ওয়াল নির্মাণের অপরাধে সালমা খানম নামে ১ জনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. মোজাহিদুর রহমান, রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন, সদর দপ্তরের সহকারী পরিচালক সাইফুল আশ্রাবসহ মহানগর পুলিশ ও জেলা পুলিশের সদস্যবৃন্দ।
05/09/2024
আজকের বাংলা তারিখ ২১শে ভাদ্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, শরৎকাল, বৃহস্পতিবার।
আজকের ইংরেজি তারিখ ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।
আজকের আরবি তারিখ ১লা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৬ হিজরি।
রবিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত
হিজরি বর্ষের তৃতীয় মাস রবিউল আউয়াল। আরবি মাসগুলোর মধ্যে এ মাসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এ মাসেই সাইয়্যেদুল মুরসালিন, খাতামুন নাবিয়্যিন হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পৃথিবীতে আগমন করেন, আবার এ মাসেই রিসালাতের দায়িত্ব পালন শেষে নিজ প্রভুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নেন তিনি।
রবিউল আওয়ালের অর্থ : আরবিতে রবিউল আউয়ালের অর্থ প্রথম বসন্ত। বসন্তের আগমনে যেমন পুরনো পাতা ঝরে গাছে নতুন করে সজীবতা ফিরে, ঠিক তেমনি বিশ্বনবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহিস সালামের আগমনে রহিত হয়ে যায় অতীতের নবীদের শরিয়ত, প্রতিষ্ঠিত হয় দ্বীনে মুহাম্মদ বা ইসলাম ধর্ম।
রবিউল আউয়াল মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত : এই মাসটি বেশ কিছু কারণে গুরুত্ব ও তাৎপর্য বহন করে। এর প্রথম কারণ হলো- এই মাসে পৃথিবীতে আগমন করেন বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম।
দ্বিতীয় কারণ হলো- এই মাসেই আম্মাজান খাদিজাতুল কুবরা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহাকে বিয়ে করেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
তৃতীয় কারণ হলো- এই মাসেই মুসলমানদের জন্য সর্বপ্রথম মসজিদ তৈরি করা হয় কুবা নামক স্থানে এবং এটিই ইসলামের ইতিহাসে নির্মিত প্রথম মসজিদ।
চতুর্থ কারণ হলো- এই মাসে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রিয় মাতৃভূমি মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করেন। এবং যে দিন তিনি মদিনায়ে পৌঁছান তা ছিলো সোমবার ১২-ই রবিউল আউয়াল।
পঞ্চম কারণ হলো- এই মাসেই বিশ্ব মানবতার মুক্তির দূত, হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর আরোপিত রিসালাতের দায়িত্ব পালন শেষে দ্বীন-ইসলাম পূর্ণতার মাধ্যমে নিজের প্রভুর আহ্বানে সাড়া দেন তিনি।
আমল :
সোমবারে রোজা রাখার ব্যাপারে হাদিসে বর্ণিত হয়েছে— হজরত আবু কাতাদা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, সোমবারের রোজা সম্পর্কে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, এ দিন আমি জন্মলাভ করেছি এবং এ দিনেই আমি নুবুওয়াতপ্রাপ্ত হয়েছি বা আমার উপর (কোরআন) নাযিল করা হয়েছে। (মুসলিম, হাদিস, ১১৬২)
অন্য হাদিসের মধ্যে এসেছে— আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার (আল্লাহ তায়ালার দরবারে) আমল পেশ করা হয়। আমার আমলগুলো রোজা অবস্থায় আল্লাহর সামনে পেশ করা হোক এটাই আমি পছন্দ করি। (তিরমিজি, হাদিস, ৭৪৭)
04/09/2024
ফটিকছড়িতে দুই ভাই খুন
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় কুপিয়ে দুজনকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন। পারিবারিক ঝগড়ার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার জাফতনগর ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে সামাদবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন- আলমগীর ও জাহাঙ্গীর। তারা করিমের আপন ছোট ভাই।
আহতরা হলেন- গৃহবধূ নাছরিন, প্রতিবেশী বোরহান, আফাজ, সাহাবুদ্দিন, বাচ্চু। এছাড়া গুরুতর আহত আরও কয়েকজনের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
ঘটনাস্থলে যাওয়া ফটিকছড়ি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু জাফর বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, পারিবারিক অশান্তির জেরে এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাকের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ নিয়ে তাদের পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশিদের কেউ কেউ ওই ব্যক্তির বিপক্ষে অবস্থান নেন। গতকাল (মঙ্গলবার) সন্ধ্যার দিকে একই বিষয় নিয়ে ঝগড়ার জেরে দু’জনকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, ওই ব্যক্তিই খুন করেছেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।’
এ ঘটনার পর জাফতনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জিয়া উদ্দিনের বক্তব্য সম্বলিত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাওয়া গেছে। সেখানে তিনি জানিয়েছেন, সামাদবাড়ির বাসিন্দা করিম সম্প্রতি দুবাই থেকে দেশে ফেরেন। স্ত্রীর ওপর সন্দেহের জেরে তাদের সংসারে প্রায়ই অশান্তি লেগেছিল। গতকাল (মঙ্গলবার) বিকেলে ঝগড়ার পর করিম তার স্ত্রী ও মেয়েকে দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন।
এ ঘটনা দেখে বাড়ির ও আশপাশের লোকজন বাধা দিতে গেলে আরও অন্তত ছয়জনকে এলোপাতাড়ি কোপান করিম। এদের মধ্যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ছয়জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দিনের বক্তব্য অনুযায়ী, নিহত দুজন হলেন- আলমগীর ও জাহাঙ্গীর। তারা করিমের আপন ছোট ভাই।
তবে পুলিশ পরিদর্শক আবু জাফর জানিয়েছেন, নিহতরা ভাই কি না, কিংবা তাদের পরিচয় এখনও পুলিশ পুরোপুরি নিশ্চিত হতে পারেনি। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
04/09/2024
আজ বুধবার
২০শে ভাদ্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,
৪ঠা সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ,
২৮ সফর ১৪৪৬ হিজরি
আজ আখেরি চাহার
আপনারা কি জানেন আখেরি চাহার শোম্বা কি? এর তাৎপর্য ও শিক্ষা কি?
এ দিনটি মুসলিম বিশ্বে অত্যন্ত মর্যাদা ও গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে থাকে। ইসলামের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবি মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ (স.)-এর জীবনে এ দিনটি বিশেষভাবে স্মরণীয়। ফারসি ভাষায় ‘আখের’ অর্থ শেষ, আর ‘চাহার শোম্বা’ অর্থ বুধবার। অর্থাৎ হিজরি সনের সফর মাসের শেষ বুধবারকেই আখেরি চাহার শোম্বা বলা হয়। এ দিনে নবিজি (স.) শেষ বারের মতো রোগ থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহর শোকর আদায় করেছিলেন বলে প্রতি বছর মুসলমানরা শুকরিয়ার দিবস হিসেবে দিনটি পালন করে থাকেন।
রসুলুল্লাহ (স.)-এর জীবনের প্রতিটি কথা ও কাজ, তার সব আচরণ, প্রতিটি পদক্ষেপ তথা সমগ্র জীবনই সর্বোত্তম আদর্শ হিসেবে অনুকরণীয় অনুসরণীয়; যা কুরআনুল করিমে নানা আঙ্গিকে ব্যক্ত হয়েছে। তবে নবুওয়াত জীবনের প্রথম অধ্যায় মক্কি জীবনের ১৩ বছর তাকে নির্মম নির্যাতন ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে কাটাতে হয়েছে। হিজরতের পর মদিনায় গিয়েও তাকে ইহুদি-মোনাফেকদের নতুন ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয়েছে। মক্কার কাফেররা মদিনার ইহুদি মোনাফেকদের যোগসাজশে তাকে অশান্তিতে রেখেছিল। নানা কৌশলে তার প্রাণনাশের চেষ্টা পর্যন্ত করেছে। ৭ম হিজরিতে হুদায়বিয়ার সন্ধির পর মুহরম মাসে ইহুদিদের একটি চক্র ‘লবিদ ইবনে আসম’ যিনি জাদুবিদ্যায় খুব পারদর্শী ছিলেন, তাকে দিয়ে তারা মুহাম্মদ (স.)-কে জাদু করান। লবিদ কৌশলে নবিজির এক ইহুদি গোলামের মাধ্যমে তার ব্যবহৃত চিরুনি ও চুল সংগ্রহ করে। তারপর মোমের একটি পুতুল বানিয়ে তাতে ১১টি সুচ বিদ্ধ করে একটি সুতায় কুফরি মন্তর পড়ে ১১টি গিট দেয়। সবকিছু পুতুলটির মধ্যে রেখে একটি কূপে পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রেখে দেয়। এই জাদুর প্রভাবে রসুলুল্লাহ (স.) শারীরিকভাবে খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। অতঃপর হজরত জিবরাইল (আ.) সুরা ফালাক ও সুরা নাস নিয়ে অবতীর্ণ হন। এ দুইটি সুরার আয়াতসংখ্যা ১১। মহান আল্লাহ ওহির মাধ্যমে তার প্রিয় হাবিবকে জানিয়ে দেন—ইহুদি লবিদ আপনাকে জাদু করেছে, আপনি অমুক কূপ থেকে জাদুর সরঞ্জাম তুলে তাতে এই সুরা দুইটির একেকটি আয়াত পাঠ করে ফুঁক দিতে থাকুন। নবিজি হযরত আলী (রাযি.)-এর মাধ্যমে জাদুর সব সরঞ্জাম উদ্ধার করে সুরা ফালাক ও নাসের ১১টি আয়াত পর্যায়ক্রমে পাঠ করালে জাদুর কার্যকরিতা নষ্ট হয়ে যায়, এতে তিনি দ্রুত আরোগ্য লাভ করেন। এরপর নবী (স.) গোসল করেন এবং বলেন আমার শরীরটা এখন অনেক হালকা মনে হচ্ছে, আমি নিজেকে পূর্ণ সুস্থ মনে করছি। এই দিনটি ছিল সফর মাসের শেষ বুধবার।
নবিজির সুস্থতার খবর পেয়ে একে একে স্ত্রীগণ তার কাছে আসেন, মেয়ে ফাতেমাতুজ জোহরা (রাযি.), ইমাম হাসান ও হুসাইন (রাযি.)-কে নিয়ে উপস্থিত হন। বিশিষ্ট সাহাবায়ে কেরাম নবিজির হুজরার কাছে এসে ভিড় জমান। নবিজি আবেগজড়িত কণ্ঠে সবাইকে বলেন, ‘হে আমার প্রিয় সাহাবি ও ভ্রাতৃবৃন্দ! আমার মৃত্যুর পর, আমার বিয়োগে তোমাদের অবস্থা কীরূপ হতে পারে?’ এ কথা শুনে সবাই কাঁদতে আরম্ভ করেন। তিনি সবাইকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, কেউ চিরকাল থাকে না, আমাকেও আমার রবের হুকুম মানতে হবে, তার কাছে যেতে হবে। এরপর তিনি মসজিদে নববিতে প্রবেশ করে হযরত আবু বকর সিদ্দিককে (রাযি.) ইমামতি করার নির্দেশ করেন। রাসূল (স.)-এর জীবদ্দশায় আবু বকর (রাযি.)-কে দিয়ে ইমামতি করিয়ে তিনি ইঙ্গিত করলেন যে, আমার ইন্তেকালের পর তোমাদের প্রথম খলিফা হবেন, আমার প্রিয় সাথি আবু বকর।
নবিজিকে পূর্ণ সুস্থ দেখে সাহাবায়ে কেরাম খুবই আনন্দিত হন, প্রত্যেকে নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী দান-সাদকা করেন। হজরত আবু বকর (রাযি.) তৎকালীন সময়ে ৫ হাজার দিনার গরিবদের দান করে দেন। হজরত উমার ফারুক (রাযি.) ৭ হাজার দিনার সাদকাহ্ করেন। হজরত ওসমান গনি (রাযি.) করেছিলেন ১০ হাজার দিনার। হযরত আলি (রাযি.) দান করেন ৩ হাজার দিনার। সাহাবী আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (রাযি.) এই খুশির সংবাদে ১০০ উট আল্লাহর রাস্তায় দান করেন। এ থেকে আমরা শিক্ষা পেতে পারি, নবির প্রতি সাহাবিদের ভালোবাসা কেমন ছিল। এক কথায় বলা যায়, নবি (স.)-এর প্রতি তাদের ভালোবাসা ছিল নিখাদ ও অতুলনীয়। তারা নবিজির জন্য নিজের জীবন উত্সর্গ করতে পর্যন্ত দ্বিধা করেননি।
প্রিয় নবি (স.)-এর প্রিয় উম্মতের প্রতি আমাদের অনুরোধ থাকবে—জীবনের সবকিছুর চেয়ে যেন আমরা নবিজিকে ভালোবাসি, তার অনুসৃত পথে নিজেদের জীবন সাজাই। যেহেতু নবি (স.)-এর রোগমুক্তির দিনটি ছিল সমগ্র জগতের জন্য খুশির দিন, তাই এ দিনে আল্লাহর কাছে আমাদের ফরিয়াদ থাকবে, তিনি যেন যাবতীয় অকল্যাণ থেকে দূরে রেখে আমাদেরকে সুস্থ সুন্দর জীবন দান করেন। আমিন!
03/09/2024
Celebrating my 1st year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
03/09/2024
বিপদসীমার উপরে কাপ্তাই বাঁধের পানি, জলকপাট খোলা হলো ৪ ফুট
রাঙামাটিতে পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় কাপ্তাই হ্রদের পানি কমাতে এবার চার ফুট করে বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে দেয়া হয়েছে। স্পিলওয়ে ও প্রধান বাঁধের ঝুঁকি কমাতে তৃতীয় দফায় কাপ্তাই বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ পানি অপসারণ অব্যাহত রেখেছে।
সকাল (সোমবার) থেকে বাঁধের জলকপাটগুলো ৪ ফুট খুলে দেয়া হয়েছে। এখন প্রতি সেকেন্ডে ৬৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলিতে নির্গত হচ্ছে। ফাইল ছবি
সকাল (সোমবার) থেকে বাঁধের জলকপাটগুলো ৪ ফুট খুলে দেয়া হয়েছে। এখন প্রতি সেকেন্ডে ৬৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলিতে নির্গত হচ্ছে। ফাইল ছবি
মাহফুজ আলম
রোববার থেকে দুই ফুট খোলা থাকলেও সোমবার সকালে তা আরও দুই ফুট বাড়ানো হয় বলে জানান কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এ টি এম আবদুজ্জাহের।
জানা যায়, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে হ্রদের উজানে থাকা আসাম, মিজোরাম, ফারুয়া, বিলাইছড়ি, বরকল, নানিয়ারচর, বড় হরিণা, ছোট হরিণাসহ বিভিন্ন খাল, ছড়া ও পাহাড়ি ঢলের পানি কাপ্তাই হ্রদে জমা হতে থাকে। উজান থেকে নেমে আসা পানির এই ঢলে কাপ্তাই হ্রদ কানায় কানায় ভরে বিপদসীমায় পৌঁছেছে।
এমন অবস্থায় ঝুঁকি এড়াতে সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে ৪ ফুট করে বাঁধের ১৬টি জলকপাট খুলে পানি নিষ্কাশন অব্যাহত রেখেছে পিডিবি। এতে প্রতি সেকেন্ডে ৬৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলিতে নিস্কাশিত হচ্ছে।
কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক এটিএম আবদুজ্জাহের সময় সংবাদকে বলেন, সোমবার সকাল থেকে কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর রয়েছে ১০৯.৭৪ মিনস সি লেভেল (এমএসএল)। হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণ ক্ষমতা ১০৯ এমএসএল।
তিনি আরো বলেন, পানি অতিরিক্ত বাড়ায় প্রতিটি গেট চার ফুট উচ্চতা রেখে কাপ্তাই হ্রদ থেকে কর্ণফুলী নদীতে পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। এতে প্রতি সেকেন্ডে ৬৯ হাজার কিউসেক পানি ছেড়ে দেয়া হচ্ছে।
26/10/2023
ইতালিতে দুই লাখ ৮০ হাজার অভিবাসী কর্মী প্রয়োজন
২০৫০ সাল পর্যন্ত শ্রমখাতের ঘাটতি মেটাতে প্রতি বছর অন্তত দুই লাখ ৮০ হাজার অভিবাসী কর্মী প্রয়োজন ইউরোপের দেশ ইতালির। ২০২৩ সালের অভিবাসন নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনের প্রকাশের ঠিক আগে এই তথ্য জানিয়েছে গবেষণা সংস্থা আইডিওএস সেন্টার অব স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ।
সংস্থাটি বলছে, ইতালির বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকায় দেশটির শ্রমবাজারে কর্মীর ঘাটতি দেখা দেবে। এই ঘাটতি পূরণে বিদেশি শ্রমিকের দরকার ইতালির। খবর ইনফোমাইগ্রেন্টসের
সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়, ইতালিতে বয়স্ক লোকের সংখ্যা বাড়তে থাকার কারণে শ্রম বাজারে যে ঘাটতি তৈরি হবে, তা পূরণে আগামী ২০৫০ সাল পর্যন্ত বছরে দুই লাখ ৮০ হাজার বিদেশি শ্রমিকের প্রয়োজন হবে দেশটির।
সংস্থাটির দাবি, বিদেশি কর্মীদের বিষয়ে সরকারের পরিচালিত নীতির কারণে গত ১২ বছর ধরে বিদেশি শ্রমিকদের দেশটিতে আসার পথ রুদ্ধ ছিল। জাতীয় অর্থনীতিতে শ্রমিকের ঘাটতি তৈরি হওয়ার পেছনে এটি ছিল একটি বড় কারণ। এর ফলে দেশটির জনমিতির যে স্থিতাবস্থা তার উপরেও প্রভাব পড়েছে বলে দাবি সংস্থাটির।
তবে ২০০৪-২০০৬ সালের মধ্যে বিদেশি নাগরিকদের ইতালির শ্রমবাজারে কাজ করার সুযোগ দিতে নীতি প্রণয়ন করে ইতালি সরকার। এই নীতির প্রশংসা করেছে আইডিওএস। নতুন এই নীতি অনুযায়ী, ইতালি সরকার ২০২৩ সালে এক লাখ ৩৬ হাজার, ২০২৪ সালে এক লাখ ৫১ হাজার এবং ২০২৫ সালে এক লাখ ৬৫ হাজার বিদেশিকে নিয়মিতভাবে অভিবাসনের সুযোগ দেবে।
অভিবাসীদের ইতালির সমাজে একীভূত করার পরিকল্পনা নিতেও সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
অভিবাসী শ্রমিকদের নিয়মিতভাবে ইতালিতে আসার সুযোগ দিতে সরকারের নীতিমালার সমালোচনা করেছে সংস্থাটি। বলা হয়েছে, ১৯৯৮ সালে প্রণীত অভিবাসন আইনের মুল বিষয়টি সুরাহা করেনি সরকারের নীতিমালা। সেই নীতিমালায় বলা হয়েছিল, অভ্যন্তরীণ চাহিদার উপর নির্ভর করেই বিদেশিদের কাজের সুযোগ দেয়া হবে।
বিদ্যমান নীতি অনুযায়ী, বিদেশি নিয়োগদাতাকে অবশ্যই শ্রমিকের নাম জানতে হবে। আর সংস্থাটি বলছে, এই নীতি বিষয়টিকে জটিল করে তুলছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, ইতালির প্রতি চারজনের তিনজন বিদেশি শ্রমিক ছোট এবং মাঝারি সাইজের কোম্পানি বা গৃহস্থালির কাজের জন্য পরিবারগুলো নিয়োগ দিয়ে থাকে। এমন প্রেক্ষাপটে নিয়োগ হয় যে পারস্পরিক বিশ্বাসই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সংস্থাটি জানায়, বিদেশি শ্রমিকদের অনেকেই কম বেতনে, ক্লান্তিকর কাজে নিয়োজিত, যা তাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর৷ আর প্রতি তিনজনে দুইজন বিদেশি শ্রমিক ইতালিয়ানদের তুলনায় কম দক্ষ৷
আইডিওএস সেন্টার অব স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চের প্রেসিডেন্ট লুসা ডি সিউলোর মতে, স্থানীয়দের বয়স বেড়ে যাওয়া, তরুণদের এবং অধিক যোগ্যদের দেশ ছেড়ে যাওয়ার কারণে চাকরির বাজারে ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং সেই সঙ্গে দেশের উৎপাদন খাতে প্রভাব পড়ছে।
এই পরিস্থিতিতে বিদ্যমান ‘দুষ্টচক্রের মতো অপ্রচলিত আইনকে’ দূরে সরিয়ে অভ্যন্তরীণ চাহিদা অনুযাযী বিদেশি শ্রমিকদের বাজারে প্রবেশ করতে একটি কৌশল তৈরি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
#ইটালি #অভিবাসী ゚
25/10/2023
বায়েজিদ লিংক রোডে সড়ক দুর্ঘটনায় কটনাস্থলেই মৃত্যু।
বায়েজিদ লিংক রোডে প্রাইভেট কারের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক ডিভাইডারে ধাক্কা লেগে মো. সোহেল নামে এক চালক ঘটনাস্থলে মারা গেছেন। গতকাল ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা থেকে চট্টগ্রাম শহরে যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সোহেল সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়নের জোড়ামতল ছড়ার কুল মিয়াদান হলদার বাড়ির মৃত মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের ছেলে।
আকবর শাহ থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) শাহেদ আলম সাংববাদিকদের জানান, বায়েজিদ লিংক রোড হয়ে সিটি গেইটের দিকে যাচ্ছিল গাড়িটি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বিভাজকের ওপর ওঠে গাড়ি উল্টে যায়। এতে সোহেল মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে মরদেহ উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
#সড়ক #দুর্ঘটনা #এক্সিডেন্ট #বায়েজিদ #লিংকরোড #বাংলাবাজার #ফৌজদারহাট
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
4315
