Urmi's blog
আল্লাহ কাকে কখন হেদায়েত করে সেইটা কেউ বলতে পারে না ❤️
সালাফে সালেহীনগণ রমাদানকে এতটাই গুরুত্ব দিতেন যে, রমাদান শুরু হওয়ার ছয় মাস আগে থেকেই তাঁরা আল্লাহর কাছে দু'আ করতেন,
“হে আল্লাহ! আমাদেরকে রমাদান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।”
আর রমাদান শেষ হলে পরবর্তী পাঁচ মাস তাঁরা দু'আ করতেন,
“হে আল্লাহ! আমাদের রমাদানের আমলগুলো কবুল করে নিন!”
- মুয়াল্লা বিন ফাদ্বল (রহ.)
[লাত্বাইফুল মা'আরিফঃ১৫৮]
ভুমিকম্প, ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, সুনামী ইত্যাদি বিপদগুলোকে নিছক প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলে চালিয়ে দেয়া যাবে না। বরং এগুলো সতর্কবার্তা এবং মানুষের ঈমান-আমল ও চরিত্রে যে দুর্বলতা ও সমস্যা, তার সামান্য শা*স্তি স্বরূপ। মানুষের অপরাধের ভিত্তিতে দুনিয়াতে তাদেরকে শা*স্তি দিলে কেউ রেহাই পেত না। আল্লাহ সবাইকে ধ্বং*স করে দিতেন।
আল্লাহ বলেন, ❝আর তোমাদের উপর যে বিপদ-মুসীবত আপতিত হয়, তা তোমাদের কৃতকর্মেরই ফল। তোমাদের অনেক অপরাধই তিনি ক্ষমা করে দেন।❞ - (সূরা শূরা, আয়াত : ৩০)
আল্লাহ আরো বলেন, ❝আল্লাহ মানুষকে তাদের সব কৃতকর্মের কারণে শা*স্তি দিলে ভূপৃষ্ঠের কোন প্রণীকেই তিনি রেহাই দিতেন না। কিন্তু তিনি একটি নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত তাদেরকে অবকাশ দিয়ে থাকেন...।❞ - (সূরা ফাতির, আয়াত : ৪৫)
— শায়খ আব্দুল্লাহ আল কাফী
দোআ
আল্লহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মদ
আল্লাহ আমাদের শিরক মুক্ত করুন,
কুফর মুক্ত করুন,
নিফাক্ব মুক্ত করুন,
অহংকার মুক্ত করুন,
বিদ্বেষমুক্ত করুন,
মূর্খতা দূর করুন,
কুধারণা দূর করে দিন,
রাগ দূর করে দিন,
ক্ষোভ দূর করে দিন,
অসহায়ত্ব দূর করে দিন,
অভাব দূর করে দিন,
অশ্লীলতা দূর করে দিন,
লোভ লালসা দূর করে দিন,
অহেতুক দুঃখ দূর করে দিন,
রিয়া দূর করে দিন,
ইবাদতের প্রতি অনীহা দূর করে দিন,
সকল বদনজর দূর করে দিন,
জাদু ধবংস করে দিন,
অতিরিক্ত ক্লান্তি দূর করে দিন,
অতিরিক্ত ঘুম দূর করে দিন,
অপব্যায় স্বভাব দূর করে দিন,
অনর্থক কাজ থেকে দূরে রাখুন,
গীবতের স্বভাব দূর করে দিন,
চুগলখোরি দূর করে দিন,
জাহান্নাম থেকে হেফাজত করুন
আল্লহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মদ
আল্লাহ আমাদের তাওহীদপন্থী করুন,
মজবুত ও আমৃত্যু ইমান দান করুন,
দ্বীনের উপর আমৃত্যু অটল রাখুন,
উত্তম আখলাক্ব দান করুন,
সত্যবাদিতা দান করুন,
বিনয় দান করুন,
হিকমাহ দান করুন,
প্রজ্ঞা দান করুন,
বিচক্ষণতা দান করুন,
চোখকে হেফাজত করুন,
আক্বল দান করুন,
হায়া দান করুন,
জান্নাত দান করুন
আফিয়াহ ও খইরের সাথে
আল্লহুম্মা আমীন
আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলি মুহাম্মদ
আপনার স্বামী আপনাকে দুনিয়াবী দৃষ্টিতে যতই ভাল রাখুক, দেশ দেশান্তর ঘুরাক, সীবিচে গোসল করাক, ফাইভ স্টার হোটেলে ক্যান্ডেল লাইট ডিনার করাক, আপনার নামে গাড়ি দিক, ফ্ল্যাট দিক, বাহারী পোশাক দিক, জীবন শেষে যদি আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যেতে (সহযোগিতা) না পারে, নিজেও যেতে না পারে, সে একজন ব্যর্থ স্বামী। ধূলিস্যাৎ তার ধূলোর দুনিয়ার সকল সফলতা।
আপনার স্ত্রী আপনাকে দুনিয়ার দৃষ্টিতে যতই ভাল রাখুক, সেজে গুঁজে আপনার কলিগদের সাথে স্মার্টলি কথা বলে আপনার মাথা সমুন্নত করুক, ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার হয়ে আপনার স্ট্যাটাস ইনরিচ করুক, রোমান্টিক ওয়েদারে আপনার সাথে রোমান্স করে সোশ্যাল মিডিয়ায় হ্যাপি কাপল সেলফি দিক বা হিজাব জড়িয়ে চাকরি ব্যবসা করে আপনাকে অর্থ এনে দিক, ফ্ল্যাট করতে হেল্প করুক, পুরুষদের মাঝে এসে ঝগড়া করে গাইরে মাহরাম মেইনটেইনের দাওয়াহ’র কাজ করে আপনাকে গর্বিত করুক।
জীবন শেষে যদি আপনাকে জান্নাতে নিয়ে যেতে (সহযোগিতা) না পারে, নিজেও যেতে না পারে, সে একজন ব্যর্থ স্ত্রী। ধূলিস্যাৎ তার ধূলোর দুনিয়ার সকল সফলতা।
ত্রিশ চল্লিশ বছরের সফল (দুনিয়ার ভাষায়) দাম্পত্য জীবনের জন্য অসীম অনন্ত চিরস্থায়ী ব্যর্থ জীবন বেছে নিয়েন না!
যে সম্পর্ক মৃত্যুতেই বিচ্ছিন্ন — একজন জান্নাতে, আরেকজন জাহান্নামে বা দুজনই জাহান্নামে, তা কিছু সময়ের জন্য গড়ে আদৌ কী লাভ?
© Shah Mohammad Tonmoy
رَكِبَ شَخْصٌ تَكْسِي فَسَمِعَ تِلَاوَةً مِنَ الْقُرْآنِ الْكَرِيمِ، فَقَالَ: هَلْ مَاتَ أَحَدٌ!!! فَرَدَّ عَلَيْهِ سَائِقُ التَّكْسِي: نَعَمْ، مَاتَتْ قُلُوبُنَا!
একজন লোক ট্যাক্সিতে উঠল। হঠাৎ গাড়ির ভেতর কুরআন তিলাওয়াতের মধুর সুর বেজে উঠল।
লোকটি অবাক হয়ে চালককে বললঃ
— “কেউ কি মারা গেছে নাকি?”
ট্যাক্সিচালক ভারী কণ্ঠে জবাব দিলঃ
হ্যাঁ
আমাদের হৃদয়গুলোই তো মারা গেছে!”
- সংগৃহীত
জীবনঘনিষ্ঠ ১০টি দোআ
(শিখে নিন এবং আমল করুন)
মহান আল্লাহ তায়া’লা আমাদেরকে দয়া করে, মায়া করে এবং নিসন্দেহে ভালোবেসে এই দুনিয়ায় প্রেরণ করেছেন দেখার জন্য যে আমরা আমলে কতটা ভালো। আমলহীন দুনিয়া কারাগারের ন্যায়। তাই আল্লাহকে ভালোবেসে তাঁর দেখানো পথে চলাই হলো আসল মুমিনের কাজ।
দোআ'কে বলা হয় মুমিনের প্রাণ। তাই সেই প্রাণের ধারাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে আমরা কী পারি না প্রতিদিন কিছু দোআ'কে আপন করে নিতে। শিখে নিন জীবনঘনিষ্ঠ ১০টি বরকতময় দোআ। আর আমল করুন, ইনশা আল্লাহ জীবনে আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন নিশ্চিত।
১. হেদায়েতের দো‘আ
اللَّهُمَّ اهْدِنِي وَسَدِّدْنِي
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাহ্ ইহদিনী ওয়া সাদ্দিদনী।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন এবং আমার কাজগুলো সঠিক করুন।
(মুসলিম, হাদিস ২৭২৫)
২. কষ্ট ও দুঃশ্চিন্তায় দো‘আ
اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلاَلِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাক্ফিনী বিহালালিকা আন হারামিকা, ওয়া আগনিনী বিফাদলিকা আম্মান সিওয়াক।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার হালালের দ্বারা আমাকে হারাম থেকে বাঁচান, এবং আপনার অনুগ্রহে আমাকে এমনভাবে সম্পদশালী করুন যেন অন্যের কাছে হাত না পাতি।
(তিরমিজি, হাদিস ৩৫৬৩)
৩. দুশ্চিন্তা ও ভয় দূর করার দো‘আ
حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ
উচ্চারণ: হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল।
অর্থ: আল্লাহ আমাদের জন্য যথেষ্ট, এবং তিনি উত্তম অভিভাবক।
(সূরা আলে ইমরান: ১৭৩)
৪. পিতামাতার জন্য দো‘আ
رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
উচ্চারণ: রব্বির হামহুমা কামা রব্বায়ানী সগীরা।
অর্থ: হে আমার পালনকর্তা! আমার পিতামাতার প্রতি দয়া করুন, যেমন তারা আমাকে ছোটবেলায় লালন-পালন করেছেন।
(সূরা বনী ঈসরাইল : ২৪)
৫. ভালো পরিণতির জন্য দো‘আ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ حُسْنَ الْخَاتِمَةِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা হুসনাল খাতিমাহ।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে সুন্দর পরিণতি প্রার্থনা করছি।
(মুসনাদ আবি শাইবাহ, হাদিস ৩০১২৪)
৬. ভালো রিজিকের জন্য দো‘আ
اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي رِزْقًا حَلاَلًا طَيِّبًا وَاسِعًا
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মার্যুকনী রিয্কান হালালান ত্বয়্যিবান ওয়াসি‘আ।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে হালাল, পবিত্র ও প্রশস্ত রিজিক দান করুন।
[আল-হাকিম, আল-মুস্তাদরাক (আংশিক গ্রহণযোগ্য দো‘আ)]
৭. অসুস্থ হলে দো‘আ
اللَّهُمَّ رَبَّ النَّاسِ، أَذْهِبِ الْبَأْسَ، اشْفِ أَنْتَ الشَّافِي، لَا شِفَاءَ إِلَّا شِفَاؤُكَ، شِفَاءً لَا يُغَادِرُ سَقَمًا
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা রাব্বান্নাস, আজহিবিল বা’স, ইশফি আনতাশ্শাফি, লা শিফা’ ইল্লা শিফাউক, শিফা’আল্লা ইউগাদিরু সাকামা।
অর্থ: হে মানুষের রব! কষ্ট দূর করুন, আরোগ্য দিন। আপনিই আরোগ্য দাতা। আপনার আরোগ্য ছাড়া কোনো আরোগ্য নেই—এমন আরোগ্য দিন যা কোনো রোগ অবশিষ্ট রাখবে না।
(সহীহ বুখারী, হাদিস ৫৭৪৩; মুসলিম, হাদিস ২১৯১)
৮. ক্ষমা প্রার্থনার দো‘আ
رَبِّ اغْفِرْ لِي وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ
উচ্চারণ: রাব্বিগ্ফিরলী ওয়া তুব্ আলাইয়্যা ইন্নাকা আন্তা তাওয়্বাবুর রাহীম।
অর্থ: হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয়ই আপনি অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
(সুনানে আত তিরমিজি, হাদিস ৩৪৩৪)
৯. কাজে সফলতার জন্য দো‘আ
رَبِّ يَسِّرْ وَلَا تُعَسِّرْ، وَتَمِّمْ بِالْخَيْرِ
উচ্চারণ: রাব্বি ইয়াস্সির ওয়ালা তু‘আস্সির, ওয়াতাম্মিম বিলখাইর।
অর্থ: হে আমার রব! কাজকে সহজ করুন, কঠিন করবেন না, আর ভালোভাবে সম্পূর্ণ করে দিন।
(ইবনে হিব্বান, সহীহ ইবনে হিব্বান ২০২৭)
১০. সন্তান ও পরিবারকে রক্ষা করার দো‘আ
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ دَابَّةٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন শার্রি কুল্লি দাব্বাতিন আন্তা আখিজুন বিনাছিইয়াতিহা।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই প্রতিটি প্রাণীর অনিষ্ট থেকে, যার কপালের ললাট আপনি নিয়ন্ত্রণ করেন।
(আবু দাউদ, হাদিস ৩৮৯৩)।
মহান আল্লাহ আমাদেরকে দোআ গুলো শিখে নেওয়ার এবং আমল করার তাওফিক দান করুন।
আমিন।
রিযিকে বারাকাহ চান? ঘরে শান্তি চান? তাহলে প্রতিদিন ঘরে কুরআন তিলওয়াত করুন।
আবু হুরায়রা রাযি. বলেন,
“ যে ঘরে কুরআন তিলাওয়াত হয় সে ঘরে কল্যাণ ও বরকত বৃদ্ধি পায়। রহমতের ফেরেশতাদের পদচারণা ঘটে। শয়তান সেখান থেকে পলায়ন করে। আর যে ঘরে কুরআন তিলাওয়াত হয় না তাদের রিযিকে সংকীর্ণতা চলে আসে। সেখান থেকে রহমত ও বরকত চলে যায়। শয়তানের আনাগোনা বৃদ্ধি পায়। রহমতের ফেরেশতারা সেখান থেকে বিদায় নেয়। ”
[ আয-যুহদ লি-ইবনিল মুবারাক, ৭৯০; মুসান্নাফু ইবনি আবী শায়বাহ, ৩০০২৭ ]
©️ সংগৃহীত
যদি ফজরের স্বলাত সময়মতো আদায় করতে না পারেন
তবে নিশ্চিত জেনে রাখুন,
আপনি ভয়াবহ কোনো গুনাহে লিপ্ত।
আর এজন্যে আল্লাহ আপনাকে
ফজরের বারাকাহ থেকে বঞ্চিত করেছেন।
তাই দ্রুত নিজেকে পরিবর্তন করুন,
তাওবাহ করুন,
এবং আপনার কাজকর্ম সংশোধনে মনোযোগী হোন।
সংগৃহীত
ক’দিন আগে একজন ভাইয়ের দ্বীনে ফেরার পডকাস্ট শুনছিলাম। পুরোটা শোনা হয়নি তবে যেই বিষয়টা আমাকে ভাবালো তা হলো, যারা গানের জগৎ থেকে বেরিয়ে দ্বীনের পথে আসেন, তারা প্রত্যেকেই গানের বিরোধিতা করে কথা বলেন। সবার কথায় সাধারণত কয়টা তথ্য একদম একই রকম থাকে। যেমন, ‘গান আর কুরআন হৃদয়ে একসাথে কখনোই থাকতে পারে না, আন্ডারগ্রাউন্ড লেভেলে গানের সঙ্গে শিরকের সম্পর্ক আছে’, ইত্যাদি।
আবার তাদের প্রত্যেকের মাঝে খুব ভালোভাবে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, তারা সবাই গান গাওয়া ছেড়ে দেন, শোনা ছেড়ে দেন, এমনকি নাশিদের পথেও পা বাড়ান না। অর্থাৎ এটাও ভাবেন না যে, আমি তো ভোকালিস্ট ছিলাম বা আমার কন্ঠ সুন্দর, চাইলে নাশিদ বানাতে পারি... (যারা প্রকৃতপক্ষে আল্লাহর কাছে সমর্পিত)। তারা গানকে একদমই জীবন থেকে মুছে ফেলেন। এবং এটা নিয়ে কোনো আফসোস নেই তাদের। কুরআনে গান শোনা নিষেধের কোনো বিধান আছে কিনা, হাদীস থেকে সরাসরি কিছু পাওয়া যায় কিনা - এইসব নিয়েও তাদের ঘাটাঘাটি নেই। গান শোনা হারাম, ব্যাস! উনারা ওদিকে পা বাড়ানো দূরে থাক ঘুরেও তাকান না।
কিন্তু যারা সাধারণ মুসলিম, অর্থাৎ গান গাইতে জানেন না, বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারেন না, কিন্তু সুরের মূর্ছনায় মোহিত থাকেন, তারা এটা যেন মানতেই পারেন না! ‘কোথায় হারাম? সহীহ হাদীস দেখান!’ এমন কথা বলেন। পছন্দের ব্যান্ড, শিল্পীর কোনো কটূক্তি শোনার তো প্রশ্নই আসে না! উল্টো সেই কটূক্তির বিপরীতে হাজির করেন নানান হাদিস, ‘নিন্দা করা পাপ, অপবাদ দেওয়া পাপ...’
আসলে কেউ যখন পাপের পথ থেকে ফিরে আসে, তখনই সে জানতে পারে পাপটা কত ভয়ানক ছিল আর তা হৃদয়ে কী পরিমাণ অশান্তি তৈরি করেছিল। তাই তো ভাইদের-বোনদের, যারা গান থেকে ফিরে আসেন, তাদের সেই পথের কথা বলতেও বিরক্ত লাগে...
ইনস্টাগ্রামে একজন রিভার্টেড মুসলিমের একটা কথা মনের ভেতর খুব গেঁথে গিয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ‘পরিবারগতভাবে পাওয়া ইসলাম ধর্মের মুসলিমরা বলে, রিভার্টেড মুসলিমরা আমাদের চেয়েও বেশি মুত্তাকী হয়। আসলে এটার কারণ হলো, আমরা রিভার্টেড মুসলিমরা জানি ইসলাম ছাড়া লাইফ কতটা কষ্টের ছিল।’
মানুষকে আল্লাহ ইবাদাতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। মানুষ যদি একবার নিজেকে ইবাদাতে নিবিষ্ট করে তবে সে বুঝতে পারবে যে, তাকে ইবাদাতের জন্যই সৃষ্টি করা হয়েছে। আর ইবাদাত হলো আল্লাহর জন্য। আল্লাহর আদেশ পালন করা ও নিষেধ মেনে চলা।
তাই তো গানের জগতের ভাই-বোনরা সে পথের কথা স্মরণও করতে চান না। কেউ তাদের সেই সময়ের অবস্থা দেখুক তা ভাবতেও পারেন না!
~ নাবিলা মুস্তফা
FatayatalHuda
পড়া মনে থাকে না?
সমাধান: দুরুদ
মেধা কম?
সমাধান: দুরুদ
আমলে মন বসে না?
সমাধান: দুরুদ
দ্রুত হজ-উমরায় যেতে চান?
সমাধান: দুরুদ
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বপ্নে দেখতে চান?
সমাধান: দুরুদ
হাশরে তাঁর অবধারিত সুপারিশ পেতে চান?
সমাধান: দুরুদ
জান্নাতে তাঁর কাছাকাছি থাকতে চান?
সমাধান: দুরুদ
আল্লাহ তাআলার প্রিয় হতে চান?
সমাধান: দুরুদ
দুরুদে-দুরুদে ঝলসে যাক আমাদের যবান। জিহ্বা যেন সাক্ষ্য দেয়, তাকে দিয়ে সবচেয়ে বেশি উচ্চারণ করা হয়েছে দুরুদ— সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
~ মাওলানা তানজীল আরেফীন আদনান
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
4100
