Sarim's Mom
A healthy child of a healthy mother
10/06/2026
শিশুটি শুধু কাঁদছিল... 😥💔
হয়তো ক্ষুধায় বা হয়তো কোলে যেতে চেয়েছিল। বা পেট ব্যথা করছিল।
আমরা কেউই আর জানব না কেন! 💔
শুধু এটুকু জানা গেছে, কিছুক্ষণ আগেও যে শি*শুটি জী*বিত ছিল, সে হঠাৎ নিস্তেজ হয়ে গেল এরপর আর শ্বাস নেয়নি।
প্রথমে মনে হয়েছিল স্বাভাবিক মৃ%ত্যু।
কারণ তার শরীরে বড় কোনো আ*ঘা%তের দা*গ ছিল না।
হাত-পা ভা*ঙা ছিল না। মুখে র*ক্ত ছিল না। বাইরে থেকে দেখে ভয় পাওয়ার মতো কিছুই ছিল না।
কিন্তু মানুষের চোখে যা ধরা পড়ে না, অনেক সময় সত্যটা তার চেয়েও ভ*য়ং*কর হয়।
ময়নাতদন্তে দেখা গেল শিশুটির মস্তি*ষ্কের ভেতরে র*ক্তক্ষ*রণ হয়েছে। মস্তি*ষ্ক ফুলে গেছে। এমন কিছু আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যা সাধারণ পড়ে যাওয়ায় হয় না।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর একটি পরিচিত নাম আছে Shaken Baby Syndrome।🥲
অনেক বাবা-মা, দাদা-দাদি, নানা-নানি বা অভিভাবক হয়তো বিষয়টি জানেন না।😥
একটি শিশুকে রাগের মাথায় বা কান্না থামানোর জন্য জোরে ঝাঁকানো অত্যন্ত বিপজ্জনক।
কারণ শিশুর ঘাড় এখনও শক্ত হয় না।
তার ছোট্ট মাথাটা শরীরের তুলনায় অনেক ভারী থাকে।
ফলে জোরে ঝাঁকুনি দিলে ম*স্তিষ্ক খুলির ভেতরে বারবার আঘাত পায়।
বাইরে থেকে কিছু বোঝা না গেলেও ভেতরে ভেতরে মা*রা*ত্মক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।
কিছু শিশু বেঁচে যায়, কিন্তু সারা জীবনের জন্য দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তি বা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশ হারিয়ে ফেলে।
আবার কিছু শিশু মা* রা যায়... 💔
এসব ঘটনা অনেক সময় ইচ্ছাকৃত হত্যার উদ্দেশ্যে ঘটে না।
ঘটে রাগ থেকে। অধৈর্যতা থেকে। "চুপ করানোর" চেষ্টা থেকে।
কিন্তু ফলাফল একই।
তাই আপনার বাসায় যদি ছোট শিশু থাকে, এই বিষয়টি সবাইকে জানান।
মা-বাবা, দাদা-দাদি, নানা-নানি, কাজের মানুষ, বড় ভাই-বোন—সবার জানা দরকার।
কারণ একটি শিশুর কান্না আপনাকে বিরক্ত করতে পারে, কিন্তু সেই কান্না কখনোই তার জীবন কেড়ে নেওয়ার কারণ হওয়া উচিত নয়।
এই লেখাটি যদি একজন মানুষও পড়ে সচেতন হন, তাহলেও হয়তো কোনো এক শিশুর জীবন বেঁচে যাবে।
শিশুকে কখনো ঝাঁকাবেন না। কখনোই না।
শেয়ার করুন, আপনার শেয়ার কোন পরিবারকে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ট্র্যাজেডি থেকে বাঁচাতে পারে
ফ্রম: Dr-Abdur Rahman
অনেক বাবা-মা-ই একটা কমন সমস্যায় পড়েন— "বাচ্চার বয়স ২ বছর পার হতেই হঠাৎ ভীষণ মারকুটে হয়ে উঠেছে! কথা না শুনলেই মারছে, কামড়ে দিচ্ছে, এমনকি মা-বাবাকেও রেহাই দিচ্ছে না।"
আমার বাচ্চার ক্ষেত্রেও ইদানীং এই বিষয়টা খেয়াল করছিলাম। একটু খোঁজখবর নিয়ে আর প্যারেন্টিং টিপস ঘেঁটে যা জানলাম, তা অন্য মা-বাবাদের উপকারে আসতে পারে ভেবে শেয়ার করছি। ❤️
কেন ২ বছরের বাচ্চারা এমন করে? 🤔
আসলে এই বয়সে বাচ্চাদের মনে অনেক ধরণের আবেগ (রাগ, জেদ, ক্লান্তি বা অভিমান) তৈরি হয়। কিন্তু মুখে গুছিয়ে বলার মতো ভাষা বা শব্দ তাদের জানা থাকে না। মনের ভেতরের সেই বড় হাতাশাটা যখন তারা বোঝাতে পারে না, তখনই হাত-পা চালিয়ে বা মেরে সেটা প্রকাশ করে ফেলে। এটা এই বয়সের বাচ্চাদের জন্য খুবই স্বাভাবিক (Developmentally Normal)।
তাহলে এই পরিস্থিতি আমরা কীভাবে হ্যান্ডেল করব?
১. তাৎক্ষণিক হাত ধরে ফেলুন 🛑
বাচ্চা যখনই মারতে আসবে, সাথে সাথে তার হাতটি আলতো কিন্তু শক্তভাবে ধরে ফেলুন। নিজের মাথা একদম ঠাণ্ডা রাখুন। বাচ্চার চোখের দিকে তাকিয়ে শান্ত, গম্ভীর গলায় বলুন— "না বাবা, মারা যাবে না। মারলে কষ্ট পায়।" খুব বেশি লম্বা লেকচার এই বয়সের বাচ্চারা বোঝে না।
২. বাচ্চার অনুভূতিকে ভাষা দিন (Empathy) 🗣️
বাচ্চা যখন মারছে, তখন সে আসলে বলতে চাইছে—"আমার খুব রাগ হচ্ছে।" আপনি তার হয়ে সেই কথাটা মুখে বলুন। যেমন: "আমি জানি তোমার অনেক রাগ হচ্ছে কারণ খেলনাটা ভেঙে গেছে। কিন্তু রাগ হলেও মারা যাবে না।" এতে সে বুঝবে রাগ হওয়া অন্যায় নয়, কিন্তু মারামারি করা ভুল।
৩. মারার বিকল্প পথ দিন 🧸
হাত চালিয়ে মারার যে এনার্জি বা রাগটা তার শরীরে জমা হয়েছে, সেটা অন্যভাবে বের করতে দিন। তাকে বলুন— "তুমি মারতে চাইলে এই বালিশটাকে মারো" অথবা "রাগ হলে মাটিতে জোরে পা ঠুকো (Stomp)।"
৪. পাল্টা মারবেন না বা কামড় দেবেন না ❌
অনেকে শেখানোর জন্য বলেন, "তুমি মারলে আমিও মারলাম, দেখলে কেমন লাগে?" এটি বাচ্চার মনে এই ধারণাই তৈরি করে যে—রাগ হলে বা নিজের কথা মানাতে হলে আসলেই মারামারি করা যায়। বড়রা যা করবে, বাচ্চারা সেটাই শিখবে।
৫. ভালো আচরণের প্রশংসা করুন 🌟
যখন সে কোনো কারণে রেগে গিয়েও মারলো না, বা শান্তভাবে কোনো জিনিস মেনে নিলো, সাথে সাথে তাকে জড়িয়ে ধরে প্রশংসা করুন। বাচ্চার কাছে ভালো কাজের জন্য মনোযোগ পাওয়াটা খুব পজিটিভ প্রভাব ফেলে।
প্যারেন্টিং-এর সবচেয়ে বড় চাবিকাঠি হলো ধৈর্য এবং ধারাবাহিকতা (Consistency)। বাচ্চা একদিনেই শিখে যাবে না, আমাদের বারবার শান্ত থেকে তাকে সঠিকটা শেখাতে হবে। আমরা নিজেরা শান্ত থাকলেই, বাচ্চাও একদিন শান্ত হতে শিখবে।
পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্য মা-বাবাদেরও দেখার সুযোগ করে দিন! 🌸
হামের মতো নরমাল (!) একটা রোগে চলতি মাসে ২১-৩৮ জন শিশু মারা গেছে, ভাবা যায়?
বাবুর জন্মের পর পর নিয়ম করে টিকা দিতে থাকলেও, কোন ভ্যাকসিনটা parents রা অনেকেই মিস করে ফেলে, জানেন?
জী, হাম অথবা measelse এর টিকা!
হামের ১৫ মাসের (2nd dose) সময়ের টিকাটা বাবা মায়ের দ্বারা miss হওয়ার rate এতটাই বেশী যে মেডিকেল term এ আলাদা নামই দেওয়া হয়েছে এটাকে " missed vaccine " হিসেবে। কারণ, এটা অন্যান্য ভ্যাকসিন এর থেকে বেশ পরে গিয়ে isolated একটা সময়ে পড়ে - যখন অনেকের মনে থাকে না আর।
মিস হওয়া ছাড়াও ভ্যাকসিনেশন জায়েজ হওয়া নিয়ে রিসেন্টলি আমরা প্রচুর কন্ট্রোভার্সি দেখছি। Epi schedule এ যে টিকা গুলো দেওয়া হয় - এই রোগগুলি ও রিসেন্টলি ফিরে এসেছে ভয়াবহভাবে। যা আগে ছিলো না তেমন।
আবার প্রেগন্যান্সিতেও tt টিকা নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা প্র্যাকটিস।
আমাদের মনে রাখতে হবে Islam is always ahead of time. আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বান্দাকে নির্দেশ দেন সঠিক জ্ঞানের উপর আমল করতে। তাই এই বিষয়ে যারা রায় দেওয়ার যোগ্য তাদের থেকেই জেনে নেই সরাসরি -
প্রশ্ন : বাচ্চাদের যে টিকা দেওয়া হয় সরকারিভাবে, তা কি জায়েজ?
উত্তর :
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ।
আবুদ্ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা রোগ নাযিল করেছেন এবং প্রতিষেধকও। আর প্রত্যেক রোগের ঔষধও নির্ধারিত করেছেন। সুতরাং তোমরা ঔষধ ব্যবহার করো, কিন্তু হারাম বস্তু দ্বারা ঔষধ সেবন করবে না। (আবূ দাঊদ-৩৮৭৪,মিশকাত - ৪৫৩৮)
সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন:
আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি- যে ব্যক্তি ভোরে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোন বিষ ও যাদু-টোনা তার ক্ষতি করতে পারবে না। (বুখারী ৫৪৪৫, মুসলিম ২০৪৭ আবূ দাঊদ ৩৮৭৬মিশকাত ৪১৯০)।
এ হাদীছ প্রমাণ করে যে, রোগ আসার পূর্বেই প্রতিষেধক নেওয়া যাবে
(আব্দুল্লাহ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৬/২১)।
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,
وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لِكُلِّ دَاءٍ دَوَاءٌ فَإِذَا أُصِيبَ دَوَاءٌ الدَّاءَ بَرَأَ بِإِذْنِ اللَّهِ» . رَوَاهُ مُسلم
রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রত্যেক রোগের জন্য ঔষধ রয়েছে। সুতরাং সঠিক ঔষধ যখন রোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, তখন আল্লাহ তা’আলার হুকুমে রোগী রোগমুক্ত হয়ে যায়। ( মুসলিম -২২০৪ মিশকাত-৪৫১৫)।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সরকারি টিকাতে হারাম কিছু রয়েছে, সে ব্যাপারে যেহেতু নিশ্চিত কোনো জ্ঞান নাই, তাই টিকা সেবা গ্রহণ করা নাজায়েয হবে না।
(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah (IOM)
Additionally :..অন্যান্য টিকার মতো করোনার টিকাও নেওয়া যাবে,তবে আকিদা এরকম থাকতে হবে যে,এ টিকা দ্বারা আমি উসিলা গ্রহণ করতেছি।আল্লাহ চাহে তো আমি সুস্থ থাকবো।আর যদি আল্লাহর মানশা ভিন্ন কিছু হয়,তাহলে এ টিকা গ্রহণ করার পরও আমার করোনা হতে পারে।
(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)
------------------------------------
আমি সব সময়েই সূরা আলাক্বের এই আয়াতগুলো দ্বারা মুগ্ধ হই,
"পড়ো, আর তোমার রব মহামহিম
যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
তিনি মানুষকে তা শিক্ষা দিয়েছেন, যা সে জানতো না। "
৯৬: ৩-৫
02/03/2026
বাচ্চা একা খেলতে না পারা — ভবিষ্যতের বড় Red Flag!
সব সময় Entertainment পেলে বাচ্চা কখনো কন্সেন্ট্রেশন বা মনোযোগ দিয়ে একা খেলতে শেখে না!
অনেক সময় দেখি বাচ্চা চুপচাপ একা খেলছে,
একটা খেলনা নিয়েই মন দিয়ে দেখছে,
নিজের হাত, ছায়া বা আলো নিয়ে ব্যস্ত...
ঠিক তখনই আমরা ছুটে যাই —😒
“ওহহ কি করছো?”
“শাবাশ!”
“এইটা নাও, এটা দিয়ে খেলো!”
“দেখো মা কি এনেছে!”
এখানেই ভেঙে যায় তার মনোযোগ।
🔴 এই চুপচাপ খেলাটা আসলে কি?🤔
এটা বোর হওয়া না।
এটা হচ্ছে —
* Brain Wiring
* Sensory Discovery
*Problem Solving
* Focus Building
যখন বাচ্চা একনাগাড়ে কিছু নিয়ে খেলছে, ছুঁয়ে দেখছে, ঘুরিয়ে দেখছে —
তখন সে নিজের মতো করে শিখছে।
⚠️ বারবার ইন্টারাপ্ট করলে কি হয়?
Self-Play শেখা হয় না
Attention Span কমে যায়
Constant Entertainment Expectation তৈরি হয়।
পরে নিজে থেকে খেলতে পারে না
সব সময় মা’কে ডাকতে থাকে 😩
যেটা পরে মায়েদেরই বিরক্তির কারণ হয় —
“বাচ্চা একা খেলতে চায় না!”
✅ কি করবেন?
👉 যতক্ষণ না বাচ্চা আপনাকে ডেকে কাঁদছে
👉 বা প্লেতে সত্যিই অসুবিধা হচ্ছে
ততক্ষণ তাকে নিজের মতো করতে দিন।
মনে রাখবেন —
Focus শেখানো যায় না,
Protect করতে হয়।
আজ তাকে একা খেলতে দেওয়াই
আগামীদিনে তার Concentration তৈরি করবে।
01/02/2026
এটা শুধু একটা সূঁচ না।
এটা সেই সূঁচ—
যেটা দিয়ে প্রসবের পর একজন নারীকে আবার সেলাই করা হয়।
যখন শিশুকে পৃথিবীতে আনার জন্য
তার শরীরে ইচ্ছাকৃতভাবে একটি কাটা দেওয়া হয়—
যাকে বলা হয় এপিসিওটমি।
যখন পুরো পৃথিবী নবজাতকের আনন্দে মেতে ওঠে,
ঠিক তখনই এক মা শুয়ে থাকে—
ক্লান্ত, রক্তাক্ত, কাঁপতে কাঁপতে সেলাই সহ্য করে।
তবু তার কাছে প্রত্যাশা একটাই—
কৃতজ্ঞ থাকবে, চুপ থাকবে।
আর তবুও কেউ কেউ বলে—
“নারীরা খুব নাটক করে।”
“ডেলিভারি তো স্বাভাবিক ব্যাপার, ঠিক হয়ে যাবে।”
স্বাভাবিক মানেই ব্যথাহীন না।
স্বাভাবিক মানেই কোমল না।
স্বাভাবিক মানেই একজন নারী নীরবে কষ্ট সহ্য করবে— এমন নয়।
তাই যখন কোনো নারী দুর্বল লাগে,
অল্পতেই আবেগী হয়ে পড়ে,
শরীর জুড়ে ব্যথা নিয়ে চুপচাপ দূরে সরে থাকে—
এই সূঁচটার কথা মনে করো।
ওই কাটার কথা মনে করো।
আর মনে করো—
এগুলো সহ্য করার জন্য কতটা শক্ত হতে হয়।
সন্তান জন্ম দেওয়া শুধু সুন্দর নয়।
এটা ভয়ংকর রকমের কঠিন।
তবু মায়েদের বলা হয়—
“সব ঠিক আছে, আগের মতো হয়ে যাও।”
মায়েদের সম্মান দাও।
তাদের ব্যথার জন্য জায়গা তৈরি করো।
আর কখনোই তাদের আগের মতো হতে বলো না—
কারণ তারা আর আগের মানুষটা থাকে না।
28/01/2026
গর্ভাবস্থায় খাবার নিয়ে সচেতন থাকাটা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত ফলমূল স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হলেও, কিছু নির্দিষ্ট ফল এবং সেগুলোর খাওয়ার পদ্ধতি নিয়ে চিকিৎসকরা সতর্ক করে থাকেন। লোকজ বিশ্বাস এবং কিছু বৈজ্ঞানিক যুক্তির ভিত্তিতে যে ৬টি ফল নিয়ে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত, তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:
১. কাঁচা বা আধা-পাকা পেঁপে
গর্ভাবস্থায় পাকা পেঁপে নিরাপদ ধরা হলেও কাঁচা বা আধা-পাকা পেঁপে এড়িয়ে চলা উচিত।
কেন ক্ষতিকর: কাঁচা পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ল্যাটেক্স (Latex) থাকে। এই ল্যাটেক্স জরায়ুর সংকোচন (Uterine contractions) ঘটাতে পারে, যা গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।
উপাদান: এতে থাকা প্যাপেইন (Papain) এনজাইম শরীরের মেমব্রেনকে দুর্বল করে দিতে পারে যা ভ্রূণের বিকাশে বাধা দেয়।
২. আনারস
আনারস অনেক পুষ্টিকর হলেও গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস এটি না খাওয়াই ভালো।
কেন ক্ষতিকর: আনারসে ব্রোমেলেন (Bromelain) নামক একটি এনজাইম থাকে। এটি জরায়ুর মুখকে নরম করে দিতে পারে এবং অকাল প্রসব বা গর্ভপাতের ঝুঁকি তৈরি করে।
সতর্কতা: সামান্য পরিমাণে খেলে হয়তো সমস্যা হয় না, তবে অধিক পরিমাণে বা জুস করে খাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
৩. আঙুর (বিশেষ করে কালো আঙুর)
আঙুর নিয়ে পুষ্টিবিদদের মধ্যে দ্বিমত থাকলেও অনেক চিকিৎসক গর্ভাবস্থায় এটি এড়িয়ে চলতে বলেন।
কেন ক্ষতিকর: আঙুরের খোসায় রেসভেরাট্রল (Resveratrol) নামক উপাদান থাকে, যা গর্ভবতী নারীর হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।
হজম সমস্যা: আঙুর অম্লীয় প্রকৃতির হওয়ায় গর্ভাবস্থায় হজমে সমস্যা এবং বুক জ্বালাপোড়া বাড়িয়ে দিতে পারে।
৪. তেঁতুল
ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ হলেও তেঁতুল অতিরিক্ত খাওয়া গর্ভাবস্থায় ক্ষতির কারণ হতে পারে।
কেন ক্ষতিকর: তেঁতুলে থাকা প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন-সি প্রজেস্টেরন (Progesterone) হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দিতে পারে। এই হরমোনের অভাব গর্ভপাতের কারণ হতে পারে।
পরামর্শ: গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে টক খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা হলেও তেঁতুল পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।
৫. কাঁঠাল
কাঁঠাল সরাসরি গর্ভপাত ঘটায়—এমন কোনো জোরালো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই, তবে এটি কিছু শারীরিক জটিলতা তৈরি করে।
কেন ক্ষতিকর: কাঁঠাল শরীরে প্রচুর তাপ উৎপন্ন করে। এছাড়া এটি হজম করা বেশ কঠিন, যা থেকে পেট ফাঁপা বা বদহজম হতে পারে। গর্ভাবস্থায় শরীরের অতিরিক্ত তাপমাত্রা ভ্রূণের জন্য আরামদায়ক নয়।
৬. প্যাকেটজাত বা ফ্রোজেন বেরি
তাজা বেরি (যেমন স্ট্রবেরি বা ব্লুবেরি) ভালো হলেও দীর্ঘদিনের সংরক্ষিত বা হিমায়িত বেরি এড়িয়ে চলা উচিত।
কেন ক্ষতিকর: ফ্রোজেন ফলে অনেক সময় প্রিজারভেটিভ থাকে এবং দীর্ঘক্ষণ রাখা ফলে লিস্টেরিয়া (Listeria) নামক ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে, যা গর্ভপাত বা মৃত সন্তান প্রসবের ঝুঁকি বাড়ায়।
কিছু জরুরি পরামর্শ:
মনে রাখবেন: সবার শারীরিক অবস্থা সমান নয়। কোনো ফল খাওয়ার আগে বা ডায়েট চার্ট পরিবর্তনের আগে অবশ্যই আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের (Gynecologist) পরামর্শ নিন। ফল খাওয়ার আগে সবসময় ভালো করে ধুয়ে নেবেন যাতে কোনো কীটনাশক বা ব্যাকটেরিয়া না থাকে।
21/01/2026
👶 শিশুর মাথা চ্যাপ্টা হওয়া (প্লাজিওসেফালি)
শিশুদের মাথার আকৃতি চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া খুবই সাধারণ এবং সাধারণত এটি ভয়ের কোনো কারণ নয়।
🔹 এটি আসলে কী?
এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে অনবরত চাপের কারণে শিশুর মাথার একপাশ বা পেছনের অংশ চ্যাপ্টা দেখায়।
🔹 সাধারণ কারণসমূহ:
• সবসময় একই পজিশনে বা একদিকে ফিরে ঘুমানো।
• দীর্ঘক্ষণ চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা।
• ঘাড়ের পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া (যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় টরটিকোলিস বলা হয়)।
🔹 এটি কি গুরুতর?
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এটি সাময়িক এবং মৃদু প্রকৃতির হয়। শিশু বড় হওয়ার সাথে সাথে মাথার আকৃতি নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়।
🔹 প্রতিরোধ বা উন্নতির উপায়:
• ✔️ টামি টাইম (Tummy Time): শিশু যখন জেগে থাকে, তখন তাকে উপুড় করে পেটের ওপর ভর দিয়ে খেলার সুযোগ দিন।
• ✔️ ঘুমানোর সময় মাথার পজিশন বা দিক পরিবর্তন করে দিন।
• ✔️ কার-সিট বা দোলনায় শিশুকে দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রাখবেন না।
• ✔️ শিশুকে যতটা সম্ভব কোলে রাখার চেষ্টা করুন।
🔹 কখন ডাক্তার দেখাবেন?
যদি মাথার চ্যাপ্টা ভাব আরও বাড়তে থাকে অথবা শিশুর বয়স ৪–৬ মাস হওয়ার পরেও কোনো উন্নতি না হয়, তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
#শিশুযত্ন
❌ “লবণ না দিলে বাচ্চা খাবে না”
❌ “এক চিমটি লবণ কিছুই করবে না”
❌ “ঘরের লবণ প্যাকেটের চেয়ে নিরাপদ”
❌ “লবণেই বাচ্চার শক্তি”
👉 এই সব কথাই মিথ!
সত্যিটা জানুন (মা–বাবার জন্য খুব জরুরি):
বাচ্চারা জন্মগতভাবেই ন্যাচারাল স্বাদ বুঝতে পারে।
লবণ ছাড়াও সবজি, ডাল, ভাতের আসল স্বাদ ওরা উপভোগ করতে পারে।
**সব লবণই লবণ।
পাথরের লবণ, গোলাপি লবণ, আয়োডিনযুক্ত লবণ—সবেতেই সোডিয়াম থাকে।
👉 সোডিয়াম = সোডিয়াম।
**“এক চিমটি” কথাটা বাচ্চাদের ক্ষেত্রে বিপজ্জনক।
কারণ বাচ্চার কিডনি এখনও পুরোপুরি পরিপক্ব নয়—অল্প অল্প করে দেওয়া লবণ দ্রুত জমে যায়।
✔️ লবণ দিলে খাওয়ার অভ্যাস বদলে যায়।
শুরুর দিকে লবণ দিলে ভবিষ্যতে নোনতা খাবারের প্রতি ঝোঁক বাড়ে, পিকি ইটার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
✔️ বাচ্চার প্রয়োজনীয় সোডিয়াম আগেই পূরণ হয়।
মায়ের দুধ, ফর্মুলা ও প্রাকৃতিক খাবার থেকেই বাচ্চা তার সব সোডিয়াম পায়।
🚫 ১ বছরের আগে কী করবেন না:
❌ আলাদা করে লবণ যোগ করবেন না
❌ প্যাকেটজাত/প্রসেসড খাবার দেবেন না
❌ বড়দের খাবার কপি করবেন না
🙏 মনে রাখবেন:
আজ যে স্বাদ শেখাচ্ছেন—সেটাই ওর আগামী দিনের স্বাস্থ্য।
📌 এই পোস্টটা সেভ করুন
📌 নতুন মা–বাবাদের সাথে শেয়ার করুন
📌 ভুল ধারণা ভাঙুক, বাচ্চা থাকুক সুস্থ!
#
20/01/2026
ছবি দেখে তো কলিজা মোচড় দিলো না জানি বাবু টার কতো কষ্ট হচ্ছে বাবা মার বুকের মানিক আল্লাহ সব বাবা মা বাবুদের ভালো রাখুন হেফাজতে রাখুক
এক সেকেন্ডের ভুল, সারা জীবনের কা*ন্না: রান্নাঘরের নীরব ঘাত*ক
ছুটির আনন্দের মাঝে হঠাৎ করেই পুরো বাড়িতে কান্নার রোল পড়ে গেল,
৫ বছরের ছোট্ট শি*শু আয়ান (ছদ্মনাম), মা রান্নাঘরে ইলেকট্রিক মিট গ্রাইন্ডারে মাংস কিমা করছিলেন। মাত্র এক মুহূ*র্তের জন্য মা অন্যদিকে তাকিয়েছিলেন মসলার কৌটা নিতে- কৌতূহলী আয়ান ভাবলো ওটা হয়তো কোনো খেলনা, সে মেশিনের মুখে তার ছোট্ট হাতটা ঢুকিয়ে দিল। চোখের পলকে ঘটে গেল এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
আজকের এই পোস্টটি কোনো ভয়ের গল্প নয়, এটি আমাদের হাসপাতালের জরুরি বিভাগের এক করুণ বাস্তব চিত্র।
আমরা অনেকেই রান্নাঘরে কাজ সহজ করতে মিট গ্রাইন্ডার বা ইলেকট্রিক ব্লেন্ডার ব্যবহার করি। কিন্তু আমরা ভুলে যাই, এই যন্ত্র*গুলো শিশুদের জন্য কতটা বিপজ্জনক। শিশু*দের হাত খুব ছোট ও নরম হয়, তাই মেশিনের সামান্য টানেই পুরো হাত ভেতরে চলে যায়।
কেন এমন হয়?
এই মেশিনগু*লোর শক্তি অনেক বেশি। এগুলো হাড় ও মাংস মুহূর্তের মধ্যে পিষে ফেলার জন্য তৈরি। যখন কোনো শিশুর হাত এতে ঢুকে যায়, মেশিনটি থামার আগেই আঙুলের হাড়, মাংসপেশি এবং স্না*য়ু (Ne*rve) মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে ‘ক্রাশ ইন*জুরি’ (Crush Injury) বলা হয়।
চিকিৎসা ও বাস্তবতা:
দুঃখজনক হলেও সত্য, এই ধরণের আঘাতে অনেক সময় শত চেষ্টা করেও হাত আগের মতো করা সম্ভব হয় না। হাড়গুলো এমনভাবে গুঁড়ো হয়ে যায় যে, অনেক ক্ষেত্রে আঙু*ল বা হাতের অংশ কেটে ফেলা (Amp*utation) ছাড়া চিকিৎসকদের আর কোনো উপায় থাকে না। শিশুটি সারা জীবনের জন্য পঙ্গু*ত্ব বরণ করে। দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন হয়, যা পরিবারের জন্য মানসিক ও আর্থিকভাবে অত্যন্ত কষ্টের।
সতর্কতাই একমাত্র বাঁচার উপায়:
১. গ্রাই*ন্ডার বা ব্লে*ন্ডা*র ব্যবহারের সময় শিশু*দের কখনোই রান্নাঘরে ঢুকতে দেবেন না।
২. কাজ শেষ হওয়ামাত্রই প্লাগ খুলে ফেলুন এবং তার গুছিয়ে রাখুন। সুইচ বন্ধ থাকলেও শি*শুরা অনেক সময় বোতাম টিপে মেশিন চালু করে ফেলতে পারে।
৩. যন্ত্রগুলো সবসময় শিশু*দের নাগালের অনেক ওপরে বা তালাবদ্ধ জায়গায় রাখুন।
৪. মনে রাখবেন, এটি কোনো খেলনা নয়, এটি একটি ইন্ডা*স্ট্রিয়াল যন্ত্রের মতোই শক্তিশালী।
আপনার সামান্য অসত*র্কতা যেন আপনার সন্তানের সারা জীবনের কান্নার কারণ না হয়। সচেতন হোন, শিশু*কে নিরাপদ রাখুন।
(C)
10/01/2026
মাত্র আট দিনের বাচ্চা 😔
জন্মের পর যেসব মায়েরা নিজের রেস্টের জন্য শ্বাশুড়ি মা মাসিমা, দিদিমা কাকিমার কাছে দিয়ে নিশ্চিন্ত হয়ে যাও, তাঁদের জন্য অনুরোধ রইলো 🙏🏻 নিজের বাচ্চার খেয়াল নিজের থেকে কেউ ভালো রাখতে পারে না 🥹 তাই নিজের বাচ্চার দায়িত্ব সম্পূর্ণ নিজের । নিজের বাচ্চার খেয়াল নিজে রাখুন 🙏🏻🙏🏻 ধন্যবাদ ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
