Dr.S M Faruq Hossain
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.S M Faruq Hossain, Health/Beauty, Bagmara, Comilla.
24/04/2026
বর্জ্যব্যবস্থাপনার সংকটকে সমাধান করা জরুরি।
এই প্রতিবেদনে আমার মতামত রয়েছে।
ধন্যবাদ ছোট ভাই
সাংবাদিক গাজী মামুনকে।
24/04/2026
বর্জ্যব্যবস্থাপনার সংকটকে সমাধান করা জরুরি।
এই প্রতিবেদনে আমার মতামত রয়েছে।
ধন্যবাদ ছোট ভাই
সাংবাদিক গাজী মামুনকে।
দৈনিক কুমিল্লার জমিন আজকের সংখ্যায়...
24/04/2026
ভয় নয়,সচেতনতা জরুরি
21/04/2026
তীব্র গরমে সুস্থ থাকবেন কীভাবে? হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে জরুরি টিপস! 🩺☀️
দেশজুড়ে চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ।
এই গরমে ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা এবং হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
সামান্য কিছু সতর্কতা আপনাকে এই অসহনীয় গরমেও সুস্থ রাখতে সাহায্য করতে পারে।
বিশেষ করে যারা রোদে কাজ করেন বা নিয়মিত বাইরে বের হন, তাদের জন্য বাড়তি সচেতনতা প্রয়োজন।
গরমে সুস্থ থাকার কার্যকরী উপায়:
✅ পর্যাপ্ত পানি ও তরল: শরীর থেকে ঘামের সাথে বেরিয়ে যাওয়া লবণের ঘাটতি মেটাতে প্রচুর পানি, স্যালাইন, ডাবের পানি বা লেবুর শরবত পান করুন।
✅ রোদে সতর্কতা: দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন। বাইরে বের হলে অবশ্যই ছাতা, টুপি বা সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
✅ পোশাকের ধরণ: শরীরকে ঠান্ডা রাখতে হালকা রঙের ঢিলেঢালা সুতির পোশাক পরুন। সিন্থেটিক কাপড় এই গরমে এড়িয়ে চলাই ভালো।
✅ খাবার দাবার: অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার এবং ক্যাফেইন (চা-কফি) এড়িয়ে চলুন। টাটকা ফলমূল ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করুন।
✅ জরুরি লক্ষণ: যদি হঠাৎ মাথা ঘোরা, তীব্র মাথাব্যথা বা বমি ভাব হয়, তবে দ্রুত ছায়াযুক্ত স্থানে গিয়ে বিশ্রাম নিন এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
👨⚕️ ডা.এস.এম. ফারুক হোসাইন
এমবিবিএস, বিসিএস,এফসিপিএস ( গ্যাস্ট্রো)
মেডিসিন, গ্যাস্ট্রোলিভার, বাত- ব্যাথা, হরমোন ও ডায়াবেটিস রোগে অভিজ্ঞ।
সিরিয়াল এবং পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করুন:
📞 01849388457
(যদি কোনো কারনে ফোন রিসিভ না করা হয়, তবে সকাল ১১ টা থেকে ১২ টার মধ্যে
এই নম্বরে যোগাযোগ করবেন; অবশ্যই ফোন রিসিভড করা হবে।)
👉📞+8801805106001
📍 চেম্বারের ঠিকানা
হেলথভিউ ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেন্ট সেন্টার।
বাগমারা বাজার, লালমাই, কুমিল্লা।
16/04/2026
'ফার্মেসি থেকে এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।'
হালকা ঠান্ডা কাশি জ্বর হলে ফার্মেসি থেকে হাই ডোজে এন্টিবায়োটিক দিয়ে দেয়। কিন্তু সব সময় সব রোগে এন্টিবায়োটিক লাগেনা।
এভাবে অযাচিতভাবে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করার ফলে, জীবাণু বা ব্যাকটেরিয়া শক্তিশালী হয়ে যাচ্ছে। ফলে ওই এন্টিবায়োটিক দিয়ে আর জীবাণুকে ধ্বংস করা যাচ্ছে না।
নিচের ব্যক্তির ক্ষেত্রে একটা বাদে সব গুলা এন্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট(R লেখা পাশে) হয়ে গেছে। এটার মানে ওই ব্যক্তির দেহে এসব এন্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না।
শুধুমাত্র একটা এন্টিবায়োটিক (Tigecycline) বাকি আছে,যেটা উনার দেহের ব্যাকটেরিয়া মারার শেষ অস্ত্র। এইটাও যদি ফেইল করে তাইলে ঐ ব্যক্তির ইনফেকশন এ মারা যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নাই। ডাক্তারের ও চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কোনো উপায় নাই। আল্লাহ হেফাজত করুন।
চেম্বার অনেক বাবাকে দেখতে পাই,যাদের সীমিত আয়ে সন্তানের চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে খুব কষ্ট হয়।চেম্বারে প্রবেশের সাথে সাথে বাবার চেহারার মাঝেই ডাক্তারকে বুজতে হবে তার সাথে আমি কেমন পেশাদার ও মানবিক আচরণ করব।
আমি খুব সীমিত আয়ের হাই স্কুল শিক্ষকের সন্তান ছিলাম।স্কুলে অনেক টিচারের কাছেই প্রাইভেট পড়তাম।আমার মনে পড়ে,অনেক শিক্ষক আমাকে বিনামূল্যেও পড়িয়েছেন বাবার সম্পর্কের জন্য আবার অনেক শিক্ষক কম বেতনেও পড়িয়েছেন।
চিকিৎসা দায়গ্রস্ত বাবা,সন্তানের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এর কাছে যাওয়ার ইচ্ছা আছে আবার দ্বিধায়ও ভোগেন।আমার কাছে মনের কথা খুলে বলবেন।
c
🛑 হামের গুরুতর ক্ষতি থেকে বাচ্চাকে প্রতিরোধ করতে করনীয় 🛑
ভিটামিন A আমাদের চোখের দৃষ্টি ভালো রাখা, ত্বক সুস্থ রাখা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ভিটামিন A সমৃদ্ধ কিছু খাবারের তালিকা দিলাম—
🥕 সবজি (Vegetables)
গাজর
মিষ্টি কুমড়া
লাল শাক
পালং শাক
কলমি শাক
লাউ শাক
👉 এসব সবজিতে বিটা-ক্যারোটিন থাকে, যা শরীরে ভিটামিন A-তে রূপান্তরিত হয়।
🍎 ফল (Fruits)
আম
পেঁপে
কাঁঠাল
কমলা
তরমুজ
🥚 প্রাণিজ উৎস (Animal sources)
ডিমের কুসুম
গরুর কলিজা
মুরগির কলিজা
দুধ ও দুধজাত খাবার (দই, মাখন)
🐟 মাছ
ছোট মাছ (মলা, ঢেলা)
মাছের তেল
🌿 অন্যান্য
লাল ও হলুদ রঙের সবজি ও ফল সাধারণত ভিটামিন A সমৃদ্ধ
⚠️ টিপস
বেশি তেলে ভাজা না করে হালকা রান্না করলে পুষ্টি ভালো থাকে
অল্প তেলের সাথে রান্না করলে ভিটামিন A ভালোভাবে শোষিত হয়
অতিরিক্ত ভিটামিন A (বিশেষ করে সাপ্লিমেন্ট) ক্ষতিকর হতে পারে
30/03/2026
এখান দেওয়া টিকা কার্ড/রিপোর্ট অনুযায়ী বিষয়টা সহজভাবে ব্যাখ্যা করছি—
🔹 এমআর (MR) ভ্যাকসিন কীভাবে দেওয়া হয়
এমআর (Measles-Rubella) ভ্যাকসিন সাধারণত ২ ডোজ দেওয়া হয়ঃ
১ম ডোজ: ৯ মাস বয়সের পর
২য় ডোজ: ১৫ মাস বয়সের পর
🔹 টিকা কার্ডের ৪ ও ৫ নম্বর পয়েন্ট অনুযায়ী ব্যাখ্যা
👉 ৪ নম্বর পয়েন্ট:
এখানে সাধারণত বোঝানো হয় ৯ মাস বয়সে দেওয়া এমআর ভ্যাকসিন (১ম ডোজ)।
অর্থাৎ, শিশু যখন ৯ মাস পূর্ণ করে, তখন তাকে প্রথমবার এমআর টিকা দেওয়া হয়।
👉 ৫ নম্বর পয়েন্ট:
এখানে বোঝানো হয় ১৫ মাস বয়সে দেওয়া এমআর ভ্যাকসিন (২য় ডোজ)।
এটা হচ্ছে বুস্টার ডোজ, যা শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করে।
🔹 আপনার প্রশ্নের মূল বিষয়
আপনি জানতে চাচ্ছেন—
এই কার্ড অনুযায়ী শিশুটি যে এমআর ভ্যাকসিন পেয়েছে, সেটা কোনটি?
✔ যদি টিকাটি ৯ মাসের আশেপাশে দেওয়া থাকে →
👉 এটি ৪ নম্বর পয়েন্ট (১ম ডোজ) মানে ১২/১১/২১ তারিখ দেওয়ার কথা কিন্তু এই বাচ্চা পেয়েছে ১৮/১১/২১ তারিখে তাতে কোন সমস্যা নাই।
✔ যদি টিকাটি ১৫ মাস বা তার পরে দেওয়া থাকে →
👉 এটি ৫ নম্বর পয়েন্ট (২য় ডোজ/বুস্টার) যেটা পাওয়ার কথা ১৬/০৫/২২ তারিখে কিন্তু এই বাচ্চা পেয়েছে ২১/০৫/২২ তারিখে তাতেও কোন সমস্যা নাই।
অর্থাৎ সে সব গুলা টিকা সঠিকভাবে পেয়েছে।
🔹 সহজভাবে বুঝলে
৪ নম্বর = প্রথম এমআর (৯ মাস)
৫ নম্বর = দ্বিতীয় এমআর (১৫মাস)
*🖐️আপনিও এভাবে ঠিকা কার্ড চেক করে আপনার বাচ্চা টিকা পেয়েছে কিনা দেখে নিতে পারেন।
🛑সবাইকে শেয়ার করে জানার সুযোগ করে দেন।
29/03/2026
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Comilla
3500
