HM AbuSorwar

HM AbuSorwar

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HM AbuSorwar, Health/Beauty, Mahesh Kali Cox's Bazar, Cox's Bazar.

HM AbuSorwar is a Nasid artist at Renesa Shilpigusthi,

ইসলামিক গান পেতে *HM AbuSorwar* চ্যানেলটি *Subscribe* করুন।📌📌📌👇
https://youtube.com/@smsorwar13?si=8Q0ic1KoDJRN4rXW

05/06/2026

I got over 130 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

28/05/2026

লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক
#ইসলামিক_কেপশন #আল্লাহু_আকবার #মক্কা_শরিফ

26/05/2026

🕋
মক্কা শরিফের রাতের আযান যেন হৃদয়ের গভীরে নেমে আসা এক অপার্থিব ডাক।
চারদিকে নীরবতা, আর সেই নীরবতার মাঝে ভেসে আসে—
“হে আল্লাহ!
একদিন আমাকেও সেই পবিত্র রাতে,
কাবার সামনে দাঁড়িয়ে আযানের সুর শুনার তাওফিক দান করুন।” 🤲🕋
#মক্কা_শরিফ #রাতের_আযান #কাবা #ইসলামিক_অনুভূতি #মদিনার_পথে #আল্লাহু_আকবার #ইসলামিক_কেপশন

26/05/2026

I got over 30 reactions on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

21/05/2026

হে মদিনা…!
তোমার নাম শুনলেই বুকের ভেতর অদ্ভুত এক প্রশান্তি নেমে আসে। মনে হয়, এই ব্যস্ত দুনিয়ার ক্লান্ত হৃদয়টাকে যদি একবার তোমার মাটিতে সিজদায় বিছিয়ে দিতে পারতাম! কত মানুষ প্রতিদিন তোমার পথে রওনা হয়, আর আমি দূর থেকে শুধু কল্পনা করি—কখন সেই সৌভাগ্য আমার হবে?
রাসূল ﷺ এর শহর… সেই শহর যেখানে প্রতিটি বাতাসে ভালোবাসার ঘ্রাণ মিশে আছে। যেখানে প্রতিটি পথ সাক্ষী বহন করে নবীর পদচারণার। মনের ভেতর কত শতবার কল্পনা করেছি—সবুজ গম্বুজটা প্রথম দেখার মুহূর্তটা কেমন হবে! চোখের পানি কি তখন থামবে? নাকি হৃদয়টা আবেগে কেঁপে উঠবে?
প্রতিদিন নামাজে, দোয়ায়, নীরব রাতের কান্নায় একটা কথাই বারবার বলি—
“হে আল্লাহ! একবার আমাকে আপনার হাবিব ﷺ এর শহরে যাওয়ার তাওফিক দিন।”
মদিনার কথা ভাবলেই মনে হয়, সেখানে গেলে দুনিয়ার সব কষ্ট যেন হালকা হয়ে যাবে। মসজিদে নববীর সেই শান্ত পরিবেশে বসে শুধু দরুদ পড়তে ইচ্ছে করবে। ভিড়ের মাঝে থেকেও হৃদয়টা শান্ত হয়ে যাবে। মনে হবে, জীবনের সব অস্থিরতা দূরে সরে গেছে।
কত মানুষ বলে, “মদিনায় গেলে মন আর ফিরে আসতে চায় না।”
আমি তখন ভাবি—কী আছে সেই শহরে, যে মানুষকে এতটা আকৃষ্ট করে? পরে বুঝি, সেটা শুধু একটি শহর নয়; সেটা ভালোবাসার শহর, রহমতের শহর, নবীর শহর।
আমারও খুব ইচ্ছে হয়—ফজরের পরে মসজিদে নববীর আঙিনায় বসে সূর্যোদয় দেখা। ধীরে ধীরে মানুষদের দরুদ পড়া শোনা। সেই পবিত্র মাটিতে মাথা রেখে নিজের সব গুনাহের জন্য কান্না করা। রাসূল ﷺ এর রওজা মোবারকের সামনে দাঁড়িয়ে সালাম দেওয়া।
হয়তো আমি খুব সাধারণ একজন মানুষ, আমলও কম। তবুও হৃদয়ের গভীরে একটাই স্বপ্ন লুকিয়ে আছে—
একদিন আমি মদিনায় যাবো।
একদিন আমি সেই সবুজ গম্বুজ নিজের চোখে দেখবো।
একদিন আমি বলবো—
“আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ ﷺ”
হে আল্লাহ…!
যারা মদিনায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে, তাদের হৃদয়ের এই আকাঙ্ক্ষা কবুল করুন। আমাদের সবাইকে আপনার প্রিয় হাবিব ﷺ এর শহর জিয়ারত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

21/05/2026

কুরবানির গজল //২০২১ সালে জীবনের প্রথম স্টুডিও থেকে রেকর্ড করেছিলাম এই গজলটা!!

20/05/2026

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে জীবনে একবার হলেও যাওয়ার তাওফিক দান করুক আমিন 🤲🤲🤲

19/05/2026

এগিন কি গরদ্দে কুরবান গরি
গোস্ত হনর তালত পরি
কুরবান গরি দে হদ্দেনে গরু জরনর নিয়্যত হইক্যা
খিয়াল ন দিচ গোস্তর মিক্কা আশা গর ছোয়াবর ইক্কা
কোরবানি তুর নইব কবুল যদি গরচ মন যাক্কা

নিয়্যত চারা গরু যোয়ারাই পোইানদারে হাবচ
কুরবানির নিয়্যতকা তুই
আল্লার ইক্কা ন গরছ
হনে হয়ে কুরবান গইত্য পল ঐ গিয়চ গোস্ত হাইতো
এরহইম্যা কুরবান গরা কবুল নইব আল্লার ইক্কা।।

জাতির পিতা খলিলুল্লারে স্বপ্নে দেহাইয়ে
আপন জিনিস কুরবান গইত্য আল্লায়ে হইয়ে
ইসমাইল ত্যুন পুচাল্লইয়ে
আল্লাহ তায়ালার হুকুম অইয়ে
আল্লার পতত কুরবান অনত খিয়াল তুয়ার আছে হইক্কা

মাঝে পথে হত বাঁধা গইরগে শয়তানে
জাতির পিতা ঐ হতাগিন মোটেও ন পুনে
যদি পতত শয়তান পরে তার ইক্কা পাথর মারে
পিতা পুত্র দিল রওয়ানা
আপন পথ মিনার ইক্কা

লেখক :-ক্বারী মিজানুর রহমান

17/05/2026

কুরবানীর জরুরি ৬৬ টি মাসয়ালা!
________________________________________________

১.কার উপর কুরবানী ওয়াজিব?
উঃ জিলহজ্জ মাসের ১০ সুবহে সাদিক থেকে১২ তারিখ
সূর্যাস্ত পর্যন্ত কারো কাছে যদি নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে ৭ঃ৫ সাড়ে সাত ভরি স্বর্ণ অথবা সাড়ে ৫২ ভরি রুপা থাকে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব।

২.নিছাবের মেয়াদ কত দিন?
উঃ ৩ দিন, জিলহজ্জ মাসের ১০,১১ এবং ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।

৩. তিন দিনের মধ্যে কোন দিন কুরবানী করা উত্তম?
উঃ ১০ তারিখে প্রথম দিন।

৪.যদি নাবালক এর নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ না।

৫.বালেক সুস্থ মস্তিষ্ক না নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে তার উপর কুরবানী ওয়াজিব হবে কি ?
উঃ- না

৬.যদি নাবালেক এর নিছাব পরিমাণ সম্পদ থাকে এর পক্ষে থেকে কুরবানী দেওয়া কি?
উঃ মুস্তাহাব, ওয়াজিব না।

৭.দরিদ্র লোকের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না, তবে যদি কুরবানির নিয়তে পশু ক্রয় করে
তখন সে পশু কুরবানী করা ওয়াজিব।

৮.কেউ যদি কুরবানির দিন গুলোতে কুরবানির দিতে না পারে তাহলে কি করবে, যদি সে নিছাব পরিমাণ সম্পদ আছে, কোন সমস্যায় দিতে পারে নি তাহলে কি করবে?

উঃ-একটা ছাগল যে কুরবানী উপযুক্ত সে ছাগলের সমপরিমাণ টাকা সদকা করে দিবে ন এটা হলো যারা পশু ক্রয় করতে পারেনি তাদের জন্য।
কিন্তু যারা পশু কিনেছেন কিন্তু তিন দিনের মাঝে কুরবানী দিতে পারেন নি তাহলে তার জন্য করণীয় হলো সে পশু সদকা করে দেওয়া।

আবার যদি কেউ তিন দিন পর জবাই করে ফেলে তাহলে সে ঐ পশুর গোশত ওজন করবে তারপর যদি ঐ পশুর ক্রয়ের টাকা থেকে কম হয় তাহলে গোশত সহ
যতো টাকার গোশত কম হয়েছে পুরো টাই সদকা করতে হবে। ধরনে আপনি ২০ হাজার দিয়ে কিনেছেন ওজন দিয়ে দেখলেন ১৮ হাজার টাকার গোশত হয়েছে
গোশতের আরও ২ হাজার টাকা সদকা করতে হবে।

৯.প্রথম দিন কখন থেকে কুরবানী করা যাবে?
উঃ যে এলাকায় জুমার নামাজ,এবং ঈদের নামাজ ওয়াজিব সে এলাকায় ঈদের নামাজের আগে কুরবানী করা জায়েজ নেই। তবে কোন প্রকার দুর্ঘটনা ঘটে গেলে
যদি ঈদের নামাজ না পড়া যায় তাহলে করনীয় হলো সূর্য মধ্যে আকাশ অতিক্রম করার পর কুরবানী করা জায়েজ হবে।

১০.রাতে কুরবানী দিলে কি হবে?
উঃ ১০,১১ তারিখে রাতে দিলে হবে ১২ তারিখ রাতে দিলে হবে না।

১১.কোন কোন পশু দিয়ে কুরবানী দেওয়া জায়েজ?
উঃ- গরু,উট,মহিষ,দুম্বা, ছাগল এবং ভেড়া।

১২.পশু দের লিঙ্গ ভেদ করতে হবে কি?
উঃ- না, পুরুষও মহিলা উভয় দিয়ে হবে।

১৩.পশুর বয়স সীমা কত?
উঃ উট কম পক্ষে ৫ বছর,গরু মহিষ ২ বছর
ভেড়া, দুম্বা ছাগল ১ বছর।
ভেড়া এবং দুম্বা ১ বছর হয়নি তবে বলিষ্ঠ মনে হয়
যে এক বছর হয়েছে তাহলে এটা দিয়ে কুরবানী হবে।
তবে ছাগল ১ বছরের নিচে কোন ভাবে হবে না।

১৪.শরীক সর্বোচ্চ কত জন হওয়া যাবে?
উঃ উট,গরু,মহিষে সর্বোচ্চ ৭ জন কমে হলে সমস্যা নেই তবে একা দেওয়া উত্তম । ছাগল, দুম্বা, ভেড়া তে একজন।

১৫.গোশত ভাগে কম বেশি হলে?
উঃ- কারো কুরবানী সহীহ হবে না।

১৬. শরীকের মাঝে কেউ যদি গোশত খাওয়ার নিয়তে দেয় তাহলে?

উঃ- কারো কুরবানী হবে না।

১৭.কুরবানীর পশুতে আকিকা দেওয়া যাবে?
উঃ- হ্যাঁ, তবে উট, গরু,এবং মহিষে।

১৮. শরীক দার দের মাঝে যদি কারো অধিকাংশ বা পুরা টাকা হারাম হয় তাহলে কি কুরবানী হবে?

উঃ- না না না! কারো কুরবানী হবে না।

১৯. গরু, মহিষ উট একা কুরবানী নিয়তে কিনার অন্য কাউকে কি শরীক করা যাবে?

উঃ- ধনী হলে পারবে অর্থাৎ যার উপর ওয়াজিব , তবে গরিব ওয়াজিব না কুরবানী তার উপর। পশু কিনে ফেলছে কুরবানীর নিয়তে তাহলে শরীক করা যাবে না একাই দিতে হবে।

২০.কোন ধরনের পশু নির্বাচন করা উত্তম?
উঃ- রিষ্ট পুষ্ট, তাজা পশু নির্বাচন করা সুন্নত।

২১.যে পশু তিন পায়ে ভর করে চলে এমন পশু ধারা কি কুরবানী হবে?

উঃ- না

২২.রোগ্ন পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ- না

২৩.দাঁত ছাড়া পশু দিয়ে কি কুরবানী হবে?
উঃ একটা দাত নেই এটা কোন ভাবেই হবে না ,অথবা কিছু আছে তবে ঘাস খেতে পারে না এমন পশু ধারা কুরবানী হবে না।

২৪. শিং ছাড়া পশু দিয়ে কুরবানী হবে কি ?
উঃ জন্মগত যে পশুর শিং নেই সেটা ধারা হবে।
তবে পরবর্তীতে যেটা ভেঙ্গে যায় আর তার ফলে মস্তিষ্কে ক্ষতি হয় এমন পশু ধারা হবে না। তবে অর্ধে হলেও হবে।

২৫.লেজ কাটা, কান কাটা পশু দিয়ে কুরবানি হবে কি?
উঃ যদি পশুর লেজ বা কান অর্ধেক বা তার বেশি কাটা হয় তাহলে সে পশু ধারা কুরবানী হবে না।
তবে অর্ধেকের কম হলে হবে।

২৬.অন্ধ পশু ধারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- না তবে যে পশুর এক চোখ ও অন্ধ সেটা দিয়েও হবে না।



২৭.কুরবানীর নিয়তে পশু ক্রয় করার পর হারিয়ে গেলে দাতা কি করবে?

উঃ- ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
এবং গরিব ওয়াজিব নয় এমন ব্যক্তি ক্রয় করতে হবে না
তবে কিনার পরে যদি আবার প্রথম পশু ফিরে পাওয়া যায় তাহলে ধনী ব্যক্তি যেকোন একটা কুরবানী করলে হবে, তবে দুটা করা উত্তম একটা করলেও হবে।

** আর গরিব ব্যক্তি যদি হয় তাহলে দুটাই দিতে হবে।
দুটাই দেওয়া তখন ওয়াজিব।

২৮.গর্ভবতী পশু কুরবানী করা কি জায়েজ আছে?
উঃ- হ্যা জায়েজ।

২৯.পশু জবাইয়ের পরে যদি বাচ্চা কে জীবিত পাওয়া যায় তাহলে কি করবে?
উঃ- বাচ্চা ও জবাই দিতে হবে।

৩০.জবাইয়ের আগ মুহূর্তে যদি পশু প্রসব অবস্থায় উপনীত হয় তখন করনীয় কি?

উঃ- সে পশু জবাই করা জায়েজ আছে, তবে মাকরূহ!

৩১.পশু ক্রয় করার পর যদি এমন কোন দোষ দেখা যায় যে দোষ গুলো থাকিলে কুরবানী হয় না তখন করনীয় কি?
উঃ- এই পশু ধারা কুরবানী হবে না।
তবে এখানে গরিব ব্যক্তির জন্য জায়েজ আছে
ধনী ব্যক্তির জন্য জায়েজ নয়।

৩২.আপনি কোন পশু ক্রয় করার সময় জিজ্ঞেস করলেন বয়স কত সে বললো ২ বছর যদি সেটার আসলে বয়স ২ বছর না হয় তখন কি করনীয় বা কুরবানী কি হবে?

উঃ- হ্যা হবে তবে যে বিক্রেতা মিথ্যা বলেছে তার গুনা হবে।

৩৩.পশু কোথায় জবাই করা উত্তম?
উঃ- যেখানে পরিবেশ দূষিত হওয়ার আশংকা কম থাকে।

৩৪. পশু কে জবাই করা উত্তম?
উত্তমঃ- নিজের পশু নিজে কুরবানী করা উত্তম।

৩৫.বন্ধা পশু ধারা কুরবানী হবে কি?
উঃ- হ্যা হবে ।

৩৬.অনেক সময় হুজুর জবাই করার পর দেখা যায় সম্পূর্ণ হয় নি আবার অন্য জন তরবারি হাতে নিয়ে
রগ বা শিরা কাটতে যায় এটা কি জায়েজ হবে?

উত্তরঃ- হ্যা জায়েজ আছে তবে উভয় ব্যক্তি বিসমিল্লাহি আল্লাহ আকবার না বললে কুরবানী হবে না।
একজন যদি না বলে সেক্ষেত্রে ও কুরবানী বাতিল হয়ে যাবে।

৩৭. কুরবানীর পশু ধারা উপকৃত হওয়া যাবে কি?
উঃ না এটা কোন ভাবে জায়েজ নেই।

৩৮.কুরবানীর পশু ধারা যদি আপনি হাল চাষ করে ফেলেন সেক্ষেত্রে করনীয় কি?
উঃ অন্য পশু ধারা করলে যে পারিশ্রমিক আসত সে পরিমান টাকা সদকা করে দেওয়া।

৩৯.কুরবানির পশুর,দুধ পান করা যাবে কি?
উঃ- না

৪০. যদি পশুর জবাইর আগে মন হয় দুধ দহন না করলে পশুর কষ্ট হবে তাহলে করনীয় কি?

উঃ- সে দুধ দহন করে সদকা করে দিতে হবে.
ভুলে খেয়ে ফেললেন তখন যে পরিমাণ পান করেছেন সে পরিমাণ অর্থ সদকা করতে হবে।

৪১.পশু ক্রয় করার পর শরীক মারা গেল তখন কি করবে?

উঃ- তার ওয়ারিশ রা যদি বলে কুরবানী করেন তাহলে
করতে পারবেন, আর যদি বলে না করতে পারবেন না তাহলে টাকা দিয়ে দিতে হবে।
তবে চাইলে পরবর্তী আরেক জন শরীক করতে পারবেন।

৪২.জবাইয়ের আগে পশু বাচ্চা দিলে কি করবেন?

উঃ- ঐ বাচ্চা জীবিত সদকা করে দিতে হবে।
সদকা না করলে পশুর সাথে জবাই করতে হবে।
এখানে জবাই করা বাচ্চার গোশত সদকা করে দিতে হবে, আপনে খেতে পারবেন না।

৪৩.মৃত্যু ব্যক্তির পক্ষ থেকে কি কুরবানী করা যাবে?

উঃ- হ্যা করা যাবে, তবে উসিয়ত করে গেলে গোশত সদকা করে দিতে হবে। উছিয়ত না করলে আপনে খেতে পারবেন।

৪৪.তিন দিনের বেশি কুরবানীর গোশত রাখা যাবে?
উঃ- হ্যা রাখা যাবে যতো দিন ইচ্ছে!

৪৫.অনুমান করে বন্টন করা কি জায়েজ আছে?
উঃ- না, পূর্ণ ওজন করে ভাগ করতে হবে।

৪৬. তিনের এক অংশ গরীব কে দেওয়া, যদি সেটা না দেই তাহলে কি কুরবানী হবে? (আমরা যেটা কে সমাজের গোশত বলি)
উঃ- হ্যা হবে তবে সেটা বড় কৃপ্রনতার পরিচয়।

৪৭.গোশত চর্বি বিক্রি করা যাবে কি?
উঃ- না।

৪৮.জবাইকারী বা কসাই কে গোশত দিয়ে পারিশ্রমিক দেওয়া যাবে কি?

উঃ না টাকা দিতে হবে, তবে পরে হাদিয়া হিসেবে গোশত দিতে পারবেন আগে পারিশ্রমিক দিতে হবে।

৪৯. জবাই করার অস্র কেমন হতে হবে?
উঃ দাড়ালো উত্তম।

৫০. জবাইয়ের কত সময় পর চামড়া আলাদা করা যাবে?
উঃ- নিসতেজ হওয়ার পর পশু।

৫১.এক পশু কে অন্য পশুর সামনে জবাই করা যাবে কি?

উঃ- যাবে তবে ঠিক না নবী কারীম সাঃ নিষেধ করেছেন?

৫২.কুরবানীর গোশত অন্য র্ধমের ব্যক্তি কে দেওয়া যাবে কি ?
উঃ- হ্যা তাতে কোন সমস্যা নেই।

৫৩.পশু মারা গেলে অথবা ছিনতাই হয়ে গেলে কি করনীয়?
উঃ- ধনী হলে আরেক টা ক্রয় করবেন।
গরিব হলে লাগবে না।

৫৪.মুসাফির এর উপর কুরবানী করা কি ওয়াজিব?
উঃ না।

৫৫.কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তির পক্ষ থেকে কুরবানী করলে কি করনীয়?

উঃ- ঐ ব্যক্তি থেকে অনুমতি নিতে হবে।

৫৬.কুরবানী গোশত খাওয়া কি?
উঃ- মুস্তাহব, না খেলেও গুনা হবে না। তবে খাওয়া উত্তম।

৫৭.কুরবানী ওয়াজিব এমন ব্যক্তি যদি ঋণ নিয়ে কুরবানী করে কুরবানী হবে কি?
উঃ হবে তবে সুদের উপর ঋণ নিয়ে করলে হবে না।

৫৮.হাজীরা যদি মুসাফির থাকে তখন তাদের উপর কুরবানী কি ওয়াজিব?
উঃ- না।

৫৯.পাগল পশু ধারা কুরবানী কি হবে?
উঃ- না।

৬০.নবী কারীম সাঃ এর পক্ষ থেকে কুরবানী করা কি?
উঃ- উত্তম সামার্থ্যবান দের জন্য।
এটার গোশত সবায় খেতে পারবে।

৬১.খাসি কৃত পশু ধারা কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- হ্যা

৬২.বিদেশে অবস্থানে ব্যক্তির করনীয় কি?
উঃ- উনার পক্ষ থেকে দেশে কুরবানী দিলেও হবে

৬৩.পশুর চামড়া কি নিজে ব্যবহার করা যাবে?
উঃ- হ্যা,তবে বিক্রি করলে টাকা সদকা করতে হবে।

৬৪.জবাই কারী কে পারিশ্রমিক দিতে হবে কি?
উঃ উত্তম হাদিয়া দেওয়া।

৬৫.কুরবানীর দিনে মুরগী হাঁস জবাই করা যাবে কি?
উঃ- যাবে, তবে কুরবানী নিয়তে করা যাবে না।

৬৬. জীবিত ব্যক্তির পক্ষ হতে কুরবানী করা যাবে কি?
উঃ- হ্যা যাবে।

আলহামদুলিল্লাহ এই হলো ৬৬ টি মাসায়ালা,
আল্লাহ্ তায়ালা সকলকে সঠিক নিয়ম মেনে কুরবানী করার তাওফীক দান করুন, আমিন।

16/05/2026

জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন (যাকে বছরের শ্রেষ্ঠ দিন বলা হয়েছে) ইবাদত ও নেক আমলের জন্য অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
আমলগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এর সঠিক নিয়মাবলি নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:
১/ নখ ও চুল না কাটা:যাঁরা কোরবানি দেবেন, তাঁদের জন্য জিলহজের চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানি দেওয়া পর্যন্ত নখ, চুল বা শরীরের কোনো পশম না কাটা সুন্নত বা মুস্তাহাব। তবে যাঁরা কোরবানি দেবেন না, তাঁদের জন্য এই বাধ্যবাধকতা নেই।
২ ও ৩/ ৯টি রোজা ও আরাফার রোজা:জিলহজের প্রথম ৯ দিন (১ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত) রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। এর মধ্যে ৯ জিলহজ, যা 'আরাফার দিন' হিসেবে পরিচিত, তার রোজা রাখার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আরাফার দিনের রোজার কারণে আল্লাহ বান্দার পেছনের ও সামনের এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেন।
৪/ বেশি বেশি জিকির করা:জিলহজের প্রথম দশকে বেশি বেশি জিকির করা, বিশেষ করে 'সুবহানাল্লাহ', 'আলহামদুলিল্লাহ', 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' ও 'আল্লাহু আকবার' পাঠ করার জন্য বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে।
৫/ তাকবীরে তাশরীক পড়া:৯ জিলহজের ফজর থেকে ১৩ জিলহজের আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একবার তাকবীরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব। তাকবীরটি হলো: আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।
৬/ কুরবানি করা:সামর্থ্যবান মুসলিমের জন্য ১০, ১১ বা ১২ জিলহজে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করা ওয়াজিব।
৭/ সামর্থ্য থাকলে হজ্জ করা:শারীরিক ও আর্থিকভাবে সামর্থ্যবান ব্যক্তির জন্য জীবনে একবার হজ্জ আদায় করা ফরজ

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Cox's Bazar?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Mahesh Kali Cox's Bazar
Cox's Bazar
JHAFUA