Skin Rx
Advance SkinCare Solutions
বেবি বমি করলে যে কাজটা ভুলেও করবেন না।
⚠️⚠️⚠️⚠️⚠️
Acne কি শুধু Teenager সমস্যা???Acne কেন হয় জানেন? 🤔
Excess oil + dead cells + bacteria = blocked pores = acne.
সঠিক routine follow করলে acne control করা সম্ভব।
11/01/2026
MBBS কোর্সের ৫ বছরের পরীক্ষার হিসাব -
🔷 1st prof -
Anatomy item =93
physiology item =49
Bio chemistry item=32
total item=174
card+ term+practical +viva+ospe=54
1st prof exam. written +viva+practical+ospe=18
Total exam in 1st 1.5 yr( 174+54+18)= 246
🔷 2nd prof+ 3rd prof -
microbiology item=70
pharmacology item=40
pathology item. =70
community medicine =35
Forensic medicine =43
total item.=258
term exam.( writer+viva +ospe+practical) =54
2nd prof exam=23
Total exam
in 3rd and 4th yr(258+54+25)= 337
🔷 Final prof(5th yr)
item total around 200
pre prof=32
Final prof =32
Total = 264
TOTAL exam in 5 yrs=(246+335+264)
=845
এছাড়া ward final, block final, year final) exam এর সংখ্যা medical college ভেদে ভিন্ন ভিন্ন
প্রতিটি পরীক্ষাতে ৬০% নম্বর নিয়ে পাস করতে হয়।
ফেল করলে সংখ্যা আরো বাড়তে থাকে।
৮৪৫ টি পরীক্ষায় প্রতিটাতে ৬০% পেয়ে নামের আগে Dr. বসে, এমনি এমনিতেই বসে না। "
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
08/11/2025
📰 ৩২ ঘণ্টা ধরে ব্রেন সার্জারি করে মেঝেতে লুটিয়ে পড়লেন দুই চিকিৎসক — চীনের এক ছবিতে কেঁদে উঠলো মানবতা 💙
চীনের এক হাসপাতালের ছবি ছুঁয়ে গেছে সারা বিশ্বের হৃদয়। ফুজিয়ান মেডিকেল ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতালে দুই সার্জন — ডাঃ দাই এবং ডাঃ তিয়ান, টানা ৩২ ঘণ্টা ধরে এক জটিল মস্তিষ্কের অস্ত্রোপচার চালান। রোগীর মস্তিষ্কে ধরা পড়েছিল প্রাণঘাতী ব্রেন অ্যানিউরিজম, যেখানে সামান্য ভুলও মৃত্যুর কারণ হতে পারত।
অস্ত্রোপচারের সময় তাঁদের চোখের নিচে ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট, কিন্তু মনোযোগে একটুও ঘাটতি ছিল না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপারেশন টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে থেকে, তাঁরা অক্লান্তভাবে লড়েছেন রোগীর জীবনের জন্য। অবশেষে যখন সার্জারি সফলভাবে শেষ হয়, তাঁরা নিশ্চিত হন রোগী সম্পূর্ণ স্থিতিশীল। তারপরই তাঁদের শরীর আর টিকতে পারেনি — তাঁরা সোজা সেই অপারেশন থিয়েটারের ঠান্ডা মেঝেতেই শুয়ে পড়েন, যেখানে একটু আগেই তাঁরা এক জীবন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মৃত্যুর মুখ থেকে।
হাসপাতালের এক সহকর্মী সেই দৃশ্যের ছবি তুলেছিলেন, যেখানে দেখা যায় — দুই ডাক্তার এখনো সার্জিক্যাল পোশাক পরে মেঝেতে ঘুমিয়ে আছেন, তাঁদের চারপাশে এখনো সাজানো রয়েছে সার্জারির যন্ত্রপাতি। ছবিটি মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়, এবং ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে। লক্ষ লক্ষ মানুষ সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন — “এই ছবিই মানবতার প্রকৃত মুখ।”
ডাঃ দাই ও ডাঃ তিয়ান কোনো পুরস্কার, প্রশংসা বা আলোচনার জন্য এমন কাজ করেননি। তাঁদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল একজন মানুষের জীবন বাঁচানো। তাঁদের এই আত্মত্যাগ আজ চিকিৎসা পেশার প্রতি মানুষের শ্রদ্ধাকে আরও গভীর করেছে।
এই ছবিটি কেবল একটি মুহূর্ত নয় — এটি প্রতিদিনের সেই সংগ্রামের প্রতীক, যা হাজারো ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মী নীরবে চালিয়ে যান। তাঁরা ক্লান্ত হন, কষ্ট পান, কিন্তু পিছু হটেন না। কারণ তাঁদের কাছে রোগীই প্রথম, আর মানবতাই তাঁদের ধর্ম।
বিশ্বজুড়ে অনেকেই বলেছেন — “সব নায়ক কেপ পরে না, কেউ কেউ সার্জিক্যাল স্ক্রাব পরে।” সত্যিই, আজকের দিনে যখন সমাজে চিকিৎসকদের প্রায়ই সন্দেহের চোখে দেখা হয়, তখন এই দুই সার্জনের কাজ যেন এক অমূল্য শিক্ষা — নিষ্ঠা, করুণা ও মানবতার প্রতি অবিচল বিশ্বাসই একজন প্রকৃত চিকিৎসকের আসল পরিচয়।
এই দুই নায়কের নাম হয়তো ইতিহাসের পাতায় বড় অক্ষরে লেখা হবে না,
কিন্তু তাঁদের নিঃস্বার্থ কাজ চিরকাল বেঁচে থাকবে সেই প্রতিটি হৃদয়ে,
যেখানে জীবন আবার ধ্বনিত হয়েছে তাঁদের হাতের ছোঁয়ায়। 💙
(সংগৃহীত)
✍️ কলমে - |
05/11/2025
এটি একটি নবজাতকের পিঠের নিচের দিকে থাকা ইনট্রাউটেরিন ডিভাইস (IUD)।
IUD গর্ভনিরোধে ৯৯ শতাংশেরও বেশি কার্যকর, তবে বিরল ক্ষেত্রে ব্যর্থতাও ঘটতে পারে।
ইনট্রাউটেরিন ডিভাইস (IUD) হলো বাজারে পাওয়া সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং নির্ভরযোগ্য পুনর্বর্তনযোগ্য জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিগুলোর একটি। এটি তামা বা হরমোন-সমৃদ্ধ প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি একটি ছোট টি-আকৃতির যন্ত্র, যা সার্ভিক্সের (গর্ভমুখের) মধ্য দিয়ে গর্ভাশয়ে স্থাপন করা হয় এবং যার কাজ হলো নিষেক প্রতিরোধ করা।
তবে, কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতিই ১০০ শতাংশ কার্যকর নয়।
বিরল হলেও, IUD ব্যবহার করার পরও গর্ভধারণ হতে পারে।
ঠিক এমনটাই ঘটেছিল ২০২১ সালে আমার এক রোগীর ক্ষেত্রে। তার IUD ছিল, কিন্তু যখন তিনি একটি হোম প্রেগনেন্সি টেস্ট করলেন, ফলাফল পজিটিভ এলো।
তিনি আল্ট্রাসাউন্ড করাতে এলে ব্যর্থতার কারণটি স্পষ্ট হয়ে গেল — IUDটি জরায়ুর ভেতরে উপরের দিকে থাকার পরিবর্তে সার্ভিক্সে বসে ছিল, যেখানে এটি গর্ভধারণ প্রতিরোধে প্রায় তিন গুণ কম কার্যকর হয়।
এরকম ঘটনার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।
যদি বিরলভাবে IUD ব্যবহারের পর গর্ভধারণ ঘটে, তবে এটি মা এবং গর্ভস্থ শিশুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
আপনি যদি মনে করেন যে IUD বা অন্য কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহারের পরও আপনি গর্ভবতী, তাহলে প্রথমে একটি গর্ভধারণ পরীক্ষা করুন।
ফলাফল পজিটিভ এলে দ্রুত আপনার ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন বা হাসপাতালে যান।
IUD অনেক নারীর জন্য অত্যন্ত কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি, তবে কোনো পদ্ধতিই শতভাগ নিশ্চয়তা দেয় না।
আপনি যদি IUD ব্যবহারের কথা ভাবেন, তাহলে আপনার জন্য এটি উপযুক্ত কিনা সে বিষয়ে ডাক্তারের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করুন।
(Collected)
30/10/2025
Fibroid Uterus (জরায়ুর ফাইব্রয়েড)
জরায়ুর ভেতরে বা বাইরে বাড়তে থাকা অস্বাভাবিক মাংসপিণ্ডকে Fibroid বা Myoma বা Leiomyoma বলা হয়। এটি ক্যান্সার নয়, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে জীবন-ঝুঁকির কারণও নয়। তবে আকার, সংখ্যা ও অবস্থান অনুযায়ী সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
কেন ফাইব্রয়েড হয়?
ফাইব্রয়েডের সঠিক কারণ পুরোপুরি জানা নেই, তবে নিচের বিষয়গুলো যুক্ত:
শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের প্রভাব
বংশগত কারণ (মা বা বোনের থাকলে ঝুঁকি বেশি)
মোটা হওয়া / ওজন বৃদ্ধি
২০–৪৫ বছর বয়সে বেশি দেখা যায়
লক্ষণ (Symptoms)
সবসময় লক্ষণ নাও থাকতে পারে। তবে থাকলে দেখা যেতে পারে:
অত্যধিক মাসিক রক্তপাত
মাসিক দীর্ঘস্থায়ী হওয়া
পেট বা তলপেটে ভার অনুভব
পেট ফুলে যাওয়ার অনুভূতি
Back pain / কোমর ব্যথা
ঘন ঘন প্রস্রাব (ফাইব্রয়েড মূত্রাশয় চাপলে)
বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভধারণে সমস্যা (কিছু ক্ষেত্রে)
ফাইব্রয়েডের ধরন
ধরন অবস্থান
Submucosal জরায়ুর ভেতরের লাইনিং এ
Intramural জরায়ুর দেয়ালের ভেতরে (সবচেয়ে সাধারণ)
Subserosal জরায়ুর বাইরের দিকে
ডায়াগনোসিস (কীভাবে ধরা পড়ে)
Ultrasound (USG) → সহজ ও প্রথম পরীক্ষা
MRI (বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে)
ডাক্তার পেলভিক পরীক্ষা করেন
চিকিৎসা
চিকিৎসা নির্ভর করে:
আকার (Fibroid Size)
সংখ্যা
লক্ষণ আছে কি না
রোগীর বয়স
ভবিষ্যতে গর্ভধারণের ইচ্ছা
1) ওষুধে নিয়ন্ত্রণ (ছোট ও উপসর্গ কম হলে):
Painkiller
Hormonal medicines
Injection (GnRH Analog) → কিছু সময়ের জন্য সাইজ কমায়
2) সার্জারি
পদ্ধতি উপযুক্ত পরিস্থিতি
Myomectomy (Fibroid কেটে বাদ, জরায়ু রাখা) গর্ভধারণ করতে চাইলে
Hysterectomy (জরায়ু তুলে ফেলা) বয়স বেশি/সন্তান আছে/লক্ষণ বেশি এবং সাইজ বড়
Uterine Artery Embolization রক্তনালী ব্লক করে ফাইব্রয়েড শুকানো
ফাইব্রয়েড কি ক্যান্সারে রূপ নেয়?
খুবই বিরল (কম ১% ক্ষেত্রে)।
প্রায় সব ফাইব্রয়েড benign (non-cancerous)।
কখন অবশ্যই ডাক্তার দেখাতে হবে
মাসিক রক্তপাত খুব বেশি ও অ্যানিমিয়া হচ্ছে
পেট দ্রুত বড় হচ্ছে
গর্ভধারণে সমস্যা হচ্ছে
ব্যথা সহ্য করা যাচ্ছে না
জীবনযাপন পরামর্শ
ওজন নিয়ন্ত্রণ করুন
নিয়মিত হাঁটাচলা
Vitamin D ও Iron সমৃদ্ধ খাবার
Fast food ও উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার কমান
যদি চান, আমি ফাইব্রয়েডের চিকিৎসা প্ল্যান আপনার বয়স, সাইজ ও উপসর্গ অনুযায়ী ঠিক করে দিতে পারি।
শুধু বলুন:
1. আপনার বয়স
2. USG-তে ফাইব্রয়েডের Size ও সংখ্যা
3. সন্তান নেওয়ার ইচ্ছা আছে কি না
24/10/2025
🌸 “মায়ের মতোই সে, জন্মের পরেই যেন ছোট্ট এক প্রতিফলন…”
জন্মের কয়েকদিন পর মেয়ে শিশুর যোনিপথে সামান্য রক্ত দেখা গেলে অনেক মা-বাবা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন —
“ওরে বাবা! এতো ছোট বাচ্চার এমন হচ্ছে কেন?” 😨
কিন্তু থামুন মা, এটা কোনো অসুখ নয়। এটি প্রকৃতির এক নিখুঁত বিজ্ঞান।
🩸 বিজ্ঞান কী বলে?
গর্ভাবস্থায় মা'র শরীরে ইস্ট্রোজেন নামের হরমোন অনেক বেশি থাকে।
এই হরমোন গর্ভফুল (প্লাসেন্টা) দিয়ে শিশুর শরীরেও যায়।
জন্মের পর, যখন শিশুটি মায়ের শরীর থেকে আলাদা হয় —
এই হরমোনের মাত্রা হঠাৎ কমে যায়, ফলে শিশুর শরীর “withdrawal” প্রতিক্রিয়ায়
একটু রক্তপাত বা হালকা সাদা স্রাব তৈরি করতে পারে।
এটি ঘটে সাধারণত জন্মের ২–৫ দিনের মধ্যে,
এবং এক-দুই দিনের মধ্যেই নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়।
🌼 এই সময় শিশুর কোনো ব্যথা, কষ্ট বা বিপদ হয় না।
এটি ঠিক সেইভাবে ঘটে যেমন বড় মেয়েদের পিরিয়ডে হরমোনের ওঠানামা হয় —
তফাৎ শুধু এই, এখানে প্রকৃতি নিজেই শিশুর শরীরে হরমোনের ভারসাম্য ঠিক করে নিচ্ছে।
💖 তাই মা, ভয় নয় — গর্ব করুন!
আপনার ছোট্ট মেয়ে শিশুর দেহ ঠিকঠাক কাজ করছে,
তার ছোট্ট শরীর শিখছে কীভাবে নিজেকে সামলাতে হয় এই নতুন পৃথিবীতে।
🦠 “Gangrene” হলো — শরীরের কোনো অংশে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে টিস্যু (কোষ) মরে যাওয়া বা পচে যাওয়ার একটি গুরুতর অবস্থা।
এটা ত্বক, আঙুল, হাত-পা, বা ভেতরের অঙ্গেও হতে পারে।
⚠️ যে অভ্যাসগুলো থেকে Gangrene হতে পারে:
1️⃣ ধূমপান (Smoking):
• সবচেয়ে বড় কারণগুলোর একটি 🚭
• সিগারেটের নিকোটিন রক্তনালী সরু করে দেয় → রক্ত চলাচল কমে যায় → টিস্যুতে অক্সিজেন পৌঁছায় না → Dry gangrene হতে পারে।
• দীর্ঘদিন ধূমপানে পা বা আঙুলে গ্যাংগ্রিনের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
⸻
2️⃣ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না রাখা:
• নিয়মিত ব্লাড সুগার না মাপা, ওষুধ না খাওয়া, মিষ্টি বেশি খাওয়া ইত্যাদির কারণে ক্ষত শুকায় না।
• ক্ষত থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে Wet gangrene হতে পারে।
⸻
3️⃣ শরীরের ক্ষত অবহেলা করা:
• ছোট কাটাছেঁড়াও ঠিকভাবে পরিষ্কার বা ব্যান্ডেজ না করলে ইনফেকশন হয়।
• বিশেষ করে পায়ে (যদি রক্ত চলাচল কম থাকে) — gangrene শুরু হতে পারে।
⸻
4️⃣ অতিরিক্ত মদ্যপান (Alcohol abuse):
• লিভার ও রক্ত চলাচল দুর্বল করে।
• শরীরের টিস্যুতে অক্সিজেন কম পৌঁছায় → সংক্রমণ বা টিস্যু ড্যামেজের ঝুঁকি বাড়ে।
⸻
5️⃣ দীর্ঘ সময় চাপ বা আঘাত থাকা:
• যারা বেশি সময় বসে বা শোয়ে থাকে (যেমন রোগী), তাদের পিঠ বা কোমরে pressure sores হয়, যা untreated থাকলে gangrene হতে পারে।
⸻
6️⃣ নোংরা পরিবেশে থাকা বা খালি পায়ে হাঁটা:
• বিশেষ করে ডায়াবেটিক রোগীরা যদি খালি পায়ে হাঁটে, তাহলে ক্ষত ও ইনফেকশন হতে পারে → gangrene-এর সম্ভাবনা বাড়ে।
⸻
7️⃣ ঠান্ডায় অতিরিক্ত সময় থাকা (Frostbite habit):
• যারা অতিরিক্ত ঠান্ডা পরিবেশে দীর্ঘ সময় থাকে কিন্তু পা-হাত গরম রাখে না — তাদের frostbite gangrene হতে পারে।
এখনি সতর্ক হোন 🙂🙂
কি এক অবস্থা..
৭ দিনের বাচ্চা তীব্র জ-ন্ডি-সে আ-ক্রা-ন্ত..কি নোং-রা করে বাচ্চাকে ৭ দিন পর নিয়ে আসছে চেম্বারে..বাচ্চার এতো ভ-য়া-ব-হ জ-ন্ডি-স যে খি-চু-নি চলে আসছে..সাথে সেপসিস এবং মা-রা-ত্ম-ক পানি শুন্যতা..এতোদিন নাকি বনাজী ঔষধ খাইয়েছে..
এদেশের মানুষের কমনসেন্স কবে হবে???
এইটুকু ছোট বাচ্চাকে কি কেউ বনাজী ঔষধ খাওয়ায়???
৭ দিনের নবজাতকের তীব্র জন্ডিসকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় 👉 Neonatal jaundice বা নবজাতক জন্ডিস।
যদি জন্ডিসটি খুব বেশি মাত্রায় হয় (বিশেষ করে জন্মের ৭ দিন পরও না কমে বা আরও বেড়ে যায়), তখন এটি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে এবং কখনো কখনো মস্তিষ্কে ক্ষতিও করতে পারে — যেটাকে বলা হয় 👉 Kernicterus (বিলিরুবিন মস্তিষ্কে জমে যাওয়া)।
🧠 কেন হয়:
নবজাতকের শরীরে লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার হার বেশি থাকে।
লিভার ঠিকমতো বিলিরুবিন প্রসেস করতে না পারলে রক্তে এর পরিমাণ বেড়ে যায়।
মায়ের দুধ কম খেলে বা ডিহাইড্রেশন হলে সমস্যা বাড়ে।
কখনো কখনো রক্তের গ্রুপ না মেলানো (ABO বা Rh incompatibility) থেকেও জন্ডিস বেড়ে যেতে পারে।
⚠️ বিপদের লক্ষণ:
বাচ্চার চোখ ও শরীর খুব হলুদ হয়ে যাওয়া।
খেতে না চাওয়া, ঘুমে তলিয়ে থাকা।
কান্না দুর্বল হয়ে যাওয়া।
হাত-পা শক্ত হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি।
যার সব গুলোই এই বাচ্চার মধ্যে আছে 😥😥
👉 এই অবস্থাগুলো দেখা গেলে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া জরুরি⚠️⚠️⚠️
🏥 চিকিৎসা:
রক্তে বিলিরুবিন টেস্ট করে মাত্রা নির্ণয় করা হয়।
মাত্রা বেশি হলে “Phototherapy” (বিশেষ নীল আলোতে বাচ্চাকে রাখা) করা হয়।
গুরুতর ক্ষেত্রে “Exchange transfusion” অর্থাৎ রক্ত বদলানো লাগতে পারে।
ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ানোও অনেক ক্ষেত্রে সহায়ক।
🚫 বনাজি বা লোকজ ওষুধ খাওয়ানো কতটা ক্ষতিকর:
৭ দিনের ছোট্ট বাচ্চাকে কোনো প্রকার বনাজি বা দেশি ওষুধ খাওয়ানো অত্যন্ত বিপজ্জনক ⚠️
এ বয়সে বাচ্চার লিভার ও কিডনি পুরোপুরি গড়ে ওঠে না।
বনাজি বা অজানা ওষুধে থাকা রাসায়নিক উপাদান লিভার নষ্ট করে দিতে পারে।
এতে জন্ডিস বেড়ে গিয়ে প্রাণঘাতী জটিলতা দেখা দিতে পারে।
👉 তাই কোনো দেশি ওষুধ বা ভেষজ একদমই খাওয়ানো উচিত নয়।
🍼 করণীয় সংক্ষেপে:
তৎক্ষণাৎ শিশুর বিলিরুবিন টেস্ট করানো।
প্রয়োজন হলে হাসপাতালে ভর্তি করে ফোটোথেরাপি করানো।
ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ানো।
লোকজ ও বনাজি ওষুধ একেবারেই না খাওয়ানো।
চিকিৎসকের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ জরুরি।
👉 মনে রাখবেন: নবজাতকের তীব্র জন্ডিস একটি মেডিক্যাল ইমার্জেন্সি — দেরি না করে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান।
আমাদের দেশে সবাই কবে সচেতন হবে 😥😥
দোয়া করবেন সবাই বেবিটার জন্য 🙏🙏
゚viralシviralシfypシ゚viralシalシ
Shasthokotha
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Nobodoy Housing Society, Mohammadpur
Dhaka
1207
