Goldenbar women
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Goldenbar women, Health/Beauty, Dhaka.
17/01/2026
একগুঁয়ে ও জেদী নারীঃ
_________________
লিখেছেন:
আমীনা মাসআদ আল হারবী
সহকারী প্রফেসর
কিং আবদুল আযীয বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদী আরব।
দাম্পত্য, পরিবার ও সমাজ বিষয়ক পরামর্শদাতা
___________________________________
❒ একগুঁয়ে ও জেদী নারীরা দাম্পত্য জীবনে ব্যর্থ এবং এমনকি আত্মীয়দের সাথেও সুসস্পর্ক গড়তে ব্যর্থ।
যে নারী সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে আবেগ-ভালোবাসা আর নমনীয়তার বিচক্ষণতা হারিয়েছে আর নিজের মতামত ও জিদকে প্রাধান্য দিয়েছে, সেই দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে বেশী ব্যর্থ হয়েছে। কেন?
⦁(১) কেননা তখন সে স্বামীর সাথে টানাটানি ও ঠেলাঠেলিতে প্রবেশ করবে। বিজয়ের জন্য নিজের আমিত্বকে জাহির করতে চাইবে। আর তখনই সে স্বামীর জিদের সামনে পরাজিত হবে। এমনকি তার বিরুদ্ধে নিকটস্থ ব্যক্তিরাও জেদী হয়ে উঠবে। কেননা পুরুষরা জেদী স্ত্রী বা একগুঁয়ে বোনের সামনে আরো বেশী কঠোর ও জেদপ্রবণ হয়ে উঠে। কিন্তু নমনীয় নারীর সামনে তারা হয় কোমল।
⦁(২) জেদী নারী ধারণা করে, সে যদি নিজের মতামতের উপর দৃঢ় থাকে এবং দ্বন্দ্বের ঝড়ে অটল থাকতে পারে, তবে সে বিজয়ী হবে। কিন্তু একথা ভুলে যায় যে, নিজের মতের ক্ষেত্রে জিদ করে যদি একটা বিজয় পেয়েও যায় কিন্তু বিপরীত দিকে সে এমন একটি হৃদয় হারাবে যে তাকে ভালোবাসতো।
⦁(৩) অধিকাংশ ঘটনায় পণ্ডিতগণ সহজ-সরল নম্র ও আবেগপ্রবণ স্বামীভক্ত নারীদের প্রশংসা করেছেন। যে নারী নম্রতার সাথে স্বামীকে সঙ্গ দেয় ও তার ভালোবাসা আদায় করার কৌশল বুঝে, তাকেই স্বামী অধিকভালোবাসে ও তাকে আঁকড়ে রাখে।
⦁(৪) ঝড় উঠলে তা চলে যাওয়ার জন্য যে নারী মাথা নামিয়ে নুয়ে পড়ে, সেই বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী, তার পক্ষেই সংসারকে চিরকাল আঁকড়ে রাখা সম্ভব। কিন্তু যে নারী শুকনো গাছের মত মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে, সে মচকে যায় বা এমনভাবে ভেঙ্গে যায়- যা আর জোড়া লাগে না।
⦁(৫) নিজের মতের উপর অটল জেদী নারীর বিশ্বাস হচ্ছে.. আমিই বিজয়ী হব, তুমি পরাজিত হবে। এ নারী মূলত: অন্যকে ধ্বংস করার পূর্বে নিজেকেই ধ্বংস করে। সর্বদা আফসোসের জীবন অতিবাহিত করে। যার তিক্ততা সে ভোগ করে দুনিয়া ও আখেরাতে।
⦁(৬) পারিবারিক কনসালটেন্সি বিভাগে কাজ করে আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা হচ্ছে: একগুঁয়ে ও জেদী নারীদের পরিণাম শেষ হয় তালাকের মাধ্যমে। ফলে তারা পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে হয় ব্যর্থ।
⦁(৭) বেদুঈন মহিলা তার কন্যার বিদায়ের দিন যে উপদেশ দিয়েছিল। তা অত্যন্ত চমৎকার প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা এবং পরিক্ষীত সত্য। সফল স্ত্রীরা এর বাস্তবাতাকে প্রমাণ করেছেন। উপদেশটি হচ্ছে: “তুমি স্বামীর সামনে নিজেকে একজন দাসীতে পরিণত কর। দেখতে পাবে অচিরেই সে তোমার দাসে পরিণত হয়ে যাবে।”
ভালো পুরুষরা ধৈর্যশীল ও উদার হয়ে থাকে, কিন্তু নির্বোধ ও একগুঁয়ে-জেদী নারীরা তাদেরকে শত্রুতে পরিণত করে।
💫 আপনার পরিচিত / পরিবারে কোনো জেদী নারী থাকলে তাকে জানার সুযোগ করে দেন। জাযাকাল্লাহ খাইর 🤍
©️
09/12/2024
বিজ্ঞান বলে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাস করলে যে পরিমান বীর্য নির্গত হয় তাতে ৪০ কোটি শুক্রাণু থাকে।
তো, লজিক অনুযায়ি মেয়েদের গর্ভে যদি সেই পরিমান শুক্রানু স্থান পেতো তাহলে ৪০ কোটি বাচ্চা তৈরি হতো! এই ৪০ কোটি শুক্রাণু, মায়ের জরায়ুর দিকে পাগলের মত ছুটতে থাকে, জীবিত থাকে মাত্র ৩০০-৫০০ শুক্রাণু।
আর বাকিরা ?
এই ছুটে চলার পথে ক্লান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়। এই ৩০০-৫০০ শুক্রাণু, যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে।
তাদের মধ্যে মাত্র একটি মহা শক্তিশালী শুক্রাণু ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে, অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে। সেই ভাগ্যবান শুক্রাণুটি হচ্ছে আপনি কিংবা আমি, অথবা আমরা সবাই।
কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?
১। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন" তখন ছিলনা কোন চোঁখ হাত পা মাথা, তবুও আপনি জিতেছিলেন।
২। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন"তখন আপনার ছিলোনা কোন সার্টিফিকেট, ছিলোনা মস্তিষ্ক তবুও আপনি জিতেছিলেন।
৩। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার ছিলনা কোন শিক্ষা, কেউ সাহায্য করেনি তবুও আপনি জিতেছিলেন।
৪। আপনি যখন দৌড় দিয়েছিলেন তখন আপনার একটি গন্তব্য ছিলো এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড় দিয়েছিলেন এবং শেষ অবধি আপনিই জিতেছিলেন।
- এর পর, বহু বাচ্চা মায়ের পেটেই নষ্ট হয়ে যায়।
কিন্তু আপনি মারা যান নি, পুরো ১০ টি মাস পূর্ণ করতে পেরেছেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের সময় মারা যায় কিন্তু আপনি টিকেছিলেন ।
- বহু বাচ্চা জন্মের প্রথম ৫ বছরেই মারা যায়।
আপনি এখনো বেঁচে আছেন ।
- অনেক শিশু অপুষ্টিতে মারা যায়।
আপনার কিছুই হয় নি ।
- বড় হওয়ার পথে অনেকেই দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে, আপনি এখনো আছেন ।
আর আজ......
আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেনো ভাবছেন আপনি হেরে গিয়েছেন ? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন ? এখন আপনার বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন, সার্টিফিকেট, সবকিছু আছে।
হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে ফেলেছেন।
যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেননি।
৪০ কোটি শুক্রাণুর সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে, ক্রমাগত দৌড় দিয়ে কারো সাহায্য ছাড়াই প্রতিযোগিতায় একাই বিজয়ী হয়েছেন।
কেনো একজন আপনার লাইফ থেকে চলে গেলে,
সেটা মেনে নিতে পারেন না?
কেনো আপনি একটা কিছু হলেই ভেঙে পড়েন??
কেনো বলেন আমি আর বাচতে চাইনা?
কেনো বলেন আমি হেরে গিয়েছি?
এমন হাজারো কথা তুলে ধরা সম্ভব, কিন্তু আপনি কেনো হতাশ হয়ে পড়েন?
আপনি কেন হারবেন?
কেন হার মানবেন? আপনি শুরুতে জিতেছেন, শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন।
নিজেকে সময় দিন, মনকে প্রশ্ন করুন কি প্রতিভা আছে আপনার।
মনের চাওয়া কে সব সময় মূল্য দিন, সব সময় আল্লাহকে স্বরণ করুন,দেখবেন আপনি জিতে যাবেন।
শুধু নিজের মনের জোর নিয়ে যুদ্ধ করতে থাকুন- আপনি জিতবেনই।
সংগ্রহ রাখি মুসলিম বাণী চিরন্তনী ।
07/12/2024
বাবা
একজন স্ত্রী ১৭ বৎসর ঘর-সংসার করার পর স্বামীর সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন, "পুরুষগণ বিধাতার প্রদত্ত এক অশেষ অতিথি ।
কেননা,
তারা স্বীয় যৌবনকে নিজ স্ত্রী-সন্তানদের জন্য বলিদান করে দেয়। তাদের উপর ভর করেই আমরা জীবনের সুখ-শান্তি ও অপার সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকি।
পুরুষ জাতি তো এমন এক স্বত্বা, যারা স্বীয় সন্তানদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎের জন্য সর্বাত্মক পরিশ্রম করে থাকেন।
কিন্তু এমন কঠোর পরিশ্রম আর বলিদানের সত্যেও আমরা তাদের জীবনকে বিষিয়ে তুলি একরাশ হতাশা আর দুঃখ-কষ্ট দিয়ে।
যদি তারা একটু ফ্রেশ ও স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য বাহিরে যায় তাহলে বলি, 'বে-পরওয়াহ'
যদি ঘরে বসে থাকে তাহলে বলি, অলস ও অকর্মণ্য!
যদি সন্তানদের ভুলের জন্য শাসন করে তাহলে বলি, নির্দয় ও হিংস্র!
যদি স্ত্রীকে চাকরী করা থেকে বারণ করে তাহলে বলি, সেকেলে বা অনাধুনিক!
যদি মায়ের সাথে সুসম্পর্ক রাখে তাহলে বলি, 'মা পাগল'
যদি স্ত্রীর সাথে প্রেমময় আচরণ করে তাহলে বলি, বৌ পাগল!
এতদসত্যেও একজন পুরুষ পৃথিবীর এমন বীর, যে তার সন্তানদেরকে সর্বক্ষেত্রে নিজের চেয়েও সুখি দেখতে চায়।
একজন পিতা এমন এক রোবট, যিনি তার সন্তানদের থেকে সর্বদিক থেকে নৈরাশ হওয়ার পরেও তাদের মনপ্রাণ উজাড় করে ভালোবাসে এবং সর্বদা তাদের মঙ্গলের জন্য আর্শীবাদ করে।
একজন বাবা তো এমন এক মহাপুরুষ , যিনি স্বীয় সন্তানদের সকল কষ্ট সহ্য করেনেন। তখনও, যখন সন্তান বাবার পায়ের উপর পা রেখে চলতে শিখে এবং তখনও, যখন বড় হয়ে বাবার বুকের উপর পা রেখে চলে যায়।
একজন বাবা পৃথিবীর এক এক মহাপুরুষ , যিনি সারাজীবনের কষ্টার্জিত মহামূল্যবান সম্পদগুলো অকাতরে সন্তানদেরকে দিয়ে দেন।
যদি মা সন্তানদেরকে ৯ মাস পেটে ধারণ করে থাকেন; তবে বাবা সারাজীবন স্বীয় ব্রেইনের মধ্যে ধারণ করে চলতে থাকেন।
পৃথিবীটা ততক্ষণই সু্ন্দর ও উপভোগ্য মনে হয় যতক্ষণ 'বাবা' নামক সত্বার ছায়া মাথার উপর বিরাজমান থাকে।
তাই বেঁচে থাকলে বাবাদের কদর করুন। চলে গেলে তাঁদের জন্য দু'হাত তুলে প্রর্থনা করুন। বিধাতা সকলের মা-বাবাকে সুখে-শান্তিতে রাখুন।
জমকালো ঝলমল
23/08/2023
বাংলা সাহিত্যের দুই নক্ষত্র, বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও পল্লীকবি জসীমউদ্দিন।
31/05/2023
24/09/2022
জাফর ইকবাল। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে যাকে এখনও চীর তারুন্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এক সময় যে নায়িকা পর্দায় তাঁর প্রেমিকা বা জুটি হয়ে অভিনয় করেছিলেন পরবর্তী সময়ে, সেই নায়িকার সন্তান হয়েও অভিনয় করেছেন জাফর ইকবাল যেখানে তাঁর নায়িকা ছিল সে সময়ের নতুন প্রজন্মের কোন শিল্পী। কৈশর থেকেই সংগীতের প্রতি আসক্ত ছিলেন জাফর ইকবাল। গীটার বাজাতেন। ১৯৬৬ সালে গড়ে তুলেছিলেন ব্যান্ড দল 'রোলিং স্টোন'। তার ভাই প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক, সুরকার আনোয়ার পারভেজ, যিনি আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের কালজয়ী "জয় বাংলা, বাংলার জয়, হবে হবে হবে, হবে নিশ্চয়..", গানটির সুর করেছিলেন। তাঁর বোন গায়িকা শাহনাজ রহমতউল্লাহ। জাফর ইকবাল চলচ্চিত্রেও নেপথ্য কন্ঠ শিল্পী হিসেবে গান গেয়েছেন। চলচ্চিত্র এবং টেলিভিশনে গাওয়া তাঁর বেশ কিছু গান এখনও জনপ্রিয়। ১৯৭০ সালে বশীর হোসেন পরিচালিত "আপন পর" ছবিতে প্রথম চলচিত্রে অভিষিক্ত হন জাফর ইকবাল। ওই ছনির শুটিং শুরু হবার পর পরই, পরিচালক ই আর খান (মামা) তাঁকে "সাধারণ মেয়ে" ছবিতে চুক্তিবদ্ধ করেন। প্রায় দেড়শত ছবিতে অভিনয় করেছেন জাফর ইকবাল। ব্যাক্তিগত জীবনে অত্যন্ত সজ্জন এবং অমায়িক। আমি তখন তরুন সাংবাদিক হলেও প্রচণ্ড ভালোবাসায় কাছে ডাকতেন। স্নেহের সুরে কথা বলতেন। নানা রকম রান্না করতে ভালোবাসতেন। মাঝে মাঝে বাসায় ডেকে নিয়ে নিজ হাতের রান্না খাওয়াতেন। পর্দায় তারুন্যের প্রতীক জাফর ইকবাল ১৯৫০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর, ঢাকার গুলশানে জন্মগ্রহণ করেন। শুভেচ্ছা এবং ভালোবাসা এই চীর তরুন নায়কের প্রতি।
ছবিঃ (বামে) জাফর ইকবাল। নায়ক ফারুকের সঙ্গে। (ডানের সারি) কৈশোরে বোন শাহনাজ রহমতউল্লাহর সঙ্গে জাফর ইকবাল। সূর্য গ্রহণ ছবিতে ববিতার সঙ্গে। একটি ছবিতে চম্পার সঙ্গে। একটি ছবির লোকেশনে। বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে গান গাইছেন।
22/09/2022
Fair Look
20/09/2022
❛❛২০০৩ সালে যখন প্রথম মহিলা ফুটবল শুরু হলো, তখন হলো বিপত্তি৷ আমি তখন ফুটবল ফেডারেশনের মহিলা ফুটবল লীগের প্রধান ছিলাম। ২০০৪ সালে যখন আমরা প্রথম টুর্নামেন্টের ঘোষণা দিলাম যে, আগামী পরশু থেকে ফুটবল টুর্নামেন্ট শুরু, তখন বাধা এলো৷ তখন ৬টা দল ছিল৷ কারণ নারী ফুটবলার তো তখন তৈরিই হয়নি৷ তখন খেলা শুরু হওয়ার একদিন বা দু'দিন আগে শুক্রবার ছিল৷ তখন জুম্মার নামাজের পর মৌ ল বা দী রা বিরাট একটা জমায়েত করল। সেখানে তারা ফতোয়া দিল যে মহিলা ফুটবল শুরু করা যাবে না৷ তারা বলল, ফুটবল ফেডারেশন ঘেরাও করবে। পাশাপাশি খেলার দিন কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামও ঘেরাও করবে বলে জানালো তারা। এমনকি আমাকে মেরে ফেলার হুমকিও দিয়েছিল। আমি নিজে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম। পরিবারও রাজনীতি করত৷ ফলে আমি সবার সঙ্গে যোগাযোগ করলাম। সবাইকে বোঝালাম, তারা যেন বলে যাতে ফুটবল ফেডারেশন এই টুর্নামেন্টটা বন্ধ না করে। তাহলে অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যাবে৷ কারণ ফিফা থেকে মেয়েদের জন্য যে বরাদ্দ দিত, সেটা তারা বন্ধ করে দেবে সেই ঘোষণা দিয়েছিল। পাশাপাশি ছেলেদের জন্য যে টাকা দিত, সেটাও কমিয়ে দেবে৷ আসলে তখন ওটা ওভারকাম করতে পেরেছি কারণ সরকার, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সবাই আমাদের সহযোগিতা করেছে। সেদিন আমরা ওই টুর্নামেন্ট শুরু করতে পেরেছিলাম বলেই আজকে মেয়েরা বিভিন্ন খেলায় অংশ নিচ্ছে এবং অনেকে এর থেকে জীবিকা নির্বাহ করছে।❜❜
--- কামরুন্নাহার ডানা।
জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারপ্রাপ্ত সাবেক ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস তারকা। বর্তমানে ক্রীড়া সংগঠক।
# # দেশের প্রথম মহিলা ক্রীড়াবিদ হিসেবে দুই ডিসিপ্লিনে জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ১৯৭৯ সালে ব্যাডমিন্টনে। পরের বছর টেবিল টেনিসে। একক, দ্বৈত ও মিশ্র দ্বৈত মিলে ব্যাডমিন্টনে ১৭ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন।
# # ডয়েচে ভেলেতে ডানা আপার সাক্ষাৎকার থেকে।
ডানা আপা রংপুরের সর্বজন শ্রদ্ধেয় প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান, ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধা জননেতা মোহাম্মদ আফজালের বোন।
ছবি ১৯৭৭ সালে বগুড়ায় কোন এক টুর্নামেন্টে জয়ী হওয়ার পরে।
Meaningful word.
Coming soon
Click here to claim your Sponsored Listing.
