Esraat's stories
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Esraat's stories, Dhaka.
আসসালামু আলাইকুম 🌷
আমি ইসরাত, আর আমার ছোট্ট রাজকন্যা দুয়া👶🎀
এখানে পাবেন—
🍼 বেবি কেয়ার টিপস
🍲 বেবি ফুড রেসিপি
🤰 প্রেগন্যান্সি ও মাতৃত্ব বিষয়ক তথ্য
🏡 আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গল্প
💌 PR | Collaboration | Promotion Available❤️
03/05/2026
🧒 ছোট বাচ্চাদের স্ক্যাবিস (খোস-পাঁচড়া) – A to Z গাইড
🔍 স্ক্যাবিস কী?
স্ক্যাবিস হলো ত্বকের একটি সংক্রামক সমস্যা, যা খুব ছোট এক ধরনের জীবাণু (mite) ত্বকের ভেতরে ঢুকে বাসা বানালে হয়। এতে তীব্র চুলকানি ও র্যাশ দেখা যায়।
⸻
❓ কেন হয়?
স্ক্যাবিস হওয়ার প্রধান কারণগুলো:
* আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে সরাসরি ত্বকের সংস্পর্শ
* একই বিছানা, কাপড়, তোয়ালে ব্যবহার করা
* ভিড় বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ
* পরিবারের একজন হলে অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া খুব সাধারণ
⸻
⚠️ লক্ষণগুলো কী?
ছোট বাচ্চাদের ক্ষেত্রে লক্ষণগুলো একটু ভিন্ন হতে পারে:
* রাতে বেশি চুলকানি
* ছোট ছোট ফুসকুড়ি বা দানা
* হাতের আঙুলের ফাঁক, কবজি, পেট, কোমর, বগল, এমনকি মাথাতেও হতে পারে
* বাচ্চা অস্থির হয়ে থাকে, ঘুমাতে পারে না
⸻
💊 কীভাবে ভালো হবে?
✔️ ওষুধ ব্যবহার (ডাক্তারের পরামর্শে)
* সাধারণত স্ক্যাবিসের জন্য লোশন/ক্রিম দেওয়া হয় (যেমন পারমেথ্রিন)
* পুরো শরীরে (ঘাড় থেকে পা পর্যন্ত) লাগাতে হয়
* ৮–১২ ঘণ্টা রেখে ধুয়ে ফেলতে হয়
* ৭ দিন পর আবার ব্যবহার করতে হতে পারে
⚠️ বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ডোজ ও ব্যবহারের নিয়ম খুব গুরুত্বপূর্ণ—ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কিছু ব্যবহার করো না।
⸻
🧼 কী কী করতে হবে?
✔️ আক্রান্ত বাচ্চার সব কাপড়, বিছানার চাদর, বালিশের কভার গরম পানিতে ধুতে হবে
✔️ রোদে শুকাতে হবে
✔️ পরিবারের সবাইকে একসাথে চিকিৎসা নিতে হবে (লক্ষণ না থাকলেও)
✔️ নখ ছোট রাখতে হবে, যাতে চুলকাতে গিয়ে ইনফেকশন না হয়
✔️ নিয়মিত সাবান দিয়ে গোসল করানো
⸻
❌ কী করা যাবে না?
* শুধু চুলকানি কমানোর জন্য ওষুধ খেয়ে বসে থাকা
* মাঝপথে চিকিৎসা বন্ধ করা
* আক্রান্ত বাচ্চাকে আলাদা না রাখা
* পুরনো কাপড় না ধুয়ে আবার ব্যবহার করা
⸻
⏱️ কত দিনে ভালো হয়?
ঠিকমতো চিকিৎসা করলে ১–২ সপ্তাহের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে চুলকানি কিছুদিন থাকতে পারে, এটা স্বাভাবিক।
⸻
🚨 কখন ডাক্তার দেখাতে হবে?
* খুব বেশি চুলকানি বা ক্ষত হয়ে গেলে
* পুঁজ বা ইনফেকশন দেখা দিলে
* ২ সপ্তাহেও না কমলে
⸻
📌 শেষ কথা
স্ক্যাবিস ভয়ংকর কিছু না, কিন্তু খুব দ্রুত ছড়ায়। তাই দেরি না করে সঠিক চিকিৎসা আর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
* পোস্টটা সেভ করে রাখুন—প্রয়োজনে কাজে লাগবে
* অন্য মায়েদের সাথে শেয়ার করুন—সচেতনতা জরুরি✅
✅কমেন্টে জানান—আপনার বাচ্চার এমন সমস্যা হয়েছে কি?🤔
গর্ভাবস্থায় শেষের দিকে পানি ভাঙার কিছু লক্ষণ✅
মা হওয়া যেমন আনন্দের, তেমনই এটি এক কঠিন সংগ্রামের নাম।❤️
আপনার মাতৃত্বের যাত্রাটি কেমন ছিল? কমেন্টে আমাদের জানাতে পারেন। 👇
#মা_ও_শিশু
02/05/2026
ছোট্ট বেবি যখন ঠিকমতো শ্বাস নিতে পারে না…
খেতে চায় না, ঘুম ভেঙে যায়, কাঁদতে থাকে—
👉 তখন মা-বাবার দুশ্চিন্তা হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক 😔
বিশেষ করে নবজাতক ও ছোট বেবিরা মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে অভ্যস্ত না।
👉 তাই নাক বন্ধ মানেই তাদের জন্য বড় অস্বস্তি।
💡 ভালো খবর হলো—কিছু সহজ যত্নে অনেক সময়ই এই সমস্যা কমানো যায়।
🌿 ১. স্যালাইন ড্রপ/স্প্রে ব্যবহার
👉 নাক পরিষ্কার রাখার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়
✔️ শুকনো মিউকাস নরম করে
✔️ জমে থাকা ময়লা বের হতে সাহায্য করে
✔️ শ্বাস নিতে স্বস্তি দেয়
🌿 ২. গরম সেঁক (Warm Compress)
👉 নাকের পাশে হালকা গরম কাপড় রাখুন
✔️ congestion কমাতে সাহায্য করে
✔️ ধীরে ধীরে আরাম দেয়
🌿 ৩. কাত করে শোয়ানো + হালকা ম্যাসাজ
👉 যে পাশ বেশি বন্ধ, তার উল্টো পাশে কাত করুন
✔️ নাকের পাশে হালকা ম্যাসাজ করুন
✔️ মিউকাস নড়াচড়া করে, চাপ কমে
🌿 ৪. ভাপ (Steam Exposure)
👉 বাথরুমে গরম পানির ভাপ তৈরি করে
👉 ৫–১০ মিনিট বেবিকে নিয়ে থাকুন
✔️ জমাট ভাব নরম হয়
✔️ শ্বাস নিতে সহজ হয়
🌿 ৫. মাথা একটু উঁচু রাখা
👉 ঘুমের সময় মাথা সামান্য উঁচু রাখুন
✔️ শ্বাস নিতে সুবিধা হয়
⚠️ খুব বেশি উঁচু বা unsafe কিছু ব্যবহার করবেন না
🌿 ৬. রুমের আর্দ্রতা ঠিক রাখা
👉 শুষ্ক বাতাস সমস্যা বাড়ায়
✔️ হিউমিডিফায়ার ব্যবহার করতে পারেন
✔️ ৫০–৬০% আর্দ্রতা ভালো
🧠 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?
নিচের লক্ষণগুলো থাকলে দেরি করবেন না—
❗ বেবি ঠিকমতো খাচ্ছে না
❗ শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে
❗ জ্বর আছে
❗ অনেকদিন ধরে সমস্যা চলছে
👉 তখন অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন
❤️ শেষ কথা
বেবির নাক বন্ধ হওয়া খুবই সাধারণ—
কিন্তু সঠিক যত্নই তাকে দ্রুত স্বস্তি দিতে পারে 💛
👉 ধৈর্য রাখুন
👉 নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন
👉 প্রয়োজন হলে সাহায্য নিন
💬 আপনার বেবির নাক বন্ধ হলে আপনি কী করেন?
কমেন্টে শেয়ার করুন 👇
📌 পোস্টটি সেভ ও শেয়ার করুন—আরও একজন মা-বাবার কাজে লাগতে পারে
গর্ভাবস্থায় ঘুমানোর সঠিক নিয়ম জেনে নিন✅
02/05/2026
আজকে বৃষ্টির দিনে দুয়া পাখির খাবারে ছিল লাউ,চিকেন তরকারি♥️
✅* মুরগির মাংস
শরীর গঠন ও ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। এতে প্রোটিন, আয়রন ও জিঙ্ক থাকে, যা মস্তিষ্কের বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধে সহায়ক।
✅* আলু
সহজে হজম হয় এবং শক্তি দেয়। বাচ্চার দৈনিক এনার্জির জন্য ভালো উৎস।
✅* লাউ
পানি ও ভিটামিনে ভরপুর, পেট ঠান্ডা রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।
✅* রসুন (অল্প পরিমাণে)
হালকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ আছে, হজমে সাহায্য করতে পারে।
✅* তেজপাতা ও দারুচিনি (খুব অল্প)
শুধু স্বাদ বাড়ানোর জন্য; হজমে হালকা সহায়তা করে।
কিভাবে দিলে ভালো হবে:
* সবকিছু ভালোভাবে সেদ্ধ/রান্না করে নিন
* ঝাল, বেশি তেল, বেশি লবণ এড়িয়ে চলুন
* রান্না শেষে ম্যাশ বা নরম করে দিন যাতে বাচ্চা সহজে খেতে পারে
* মুরগির হাড় একদম না থাকে নিশ্চিত করুন✅
এই কম্বিনেশনটি বাচ্চার ওজন বাড়ানো, শক্তি দেওয়া, হজম ভালো রাখা এবং ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করে♥️
আপনার বাবুর দুপুরের খাবারে কি দিয়েছেন? 🥣
#বাচ্চারখাবার
01/05/2026
মায়েরা প্রায়ই ভাবেন—এই বয়সে বাচ্চাকে কী খাওয়াবো? 🤍
তাই সহজভাবে সাজিয়ে দিলাম ৩০ দিনের একটি পুষ্টিকর ফুড প্ল্যান, যাতে নতুন মায়েদের বুঝতে একদম সহজ হয় 👇
🌼 শুরু করার আগে কিছু জরুরি কথা (Golden Rules):
✔️ ৩ দিনের নিয়ম
নতুন কোনো খাবার দিলে টানা ৩ দিন দিন। এতে অ্যালার্জি বোঝা সহজ হবে।
✔️ চিনি-লবণ নয়
১ বছর বয়সের আগে বাড়তি লবণ বা চিনি একদম না।
✔️ জোর করবেন না
শুরুতে ১–২ চামচই যথেষ্ট। না চাইলে জোর না করে ধীরে ধীরে অভ্যাস করান।
✔️ পানির অভ্যাস
প্রতিদিন অল্প অল্প করে ফুটানো ঠান্ডা পানি দিন (প্রায় ১০০ মিলি)।
✔️ বুকের দুধ চালু রাখুন
সলিড শুরু মানেই দুধ বন্ধ নয়, এটি শুধু অতিরিক্ত পুষ্টি।
✅🗓️ ১ম ধাপ (১–৫ দিন)
সকাল: পাতলা ওটস + ব্রেস্ট মিল্ক (কলা ম্যাশ / খেজুর পেস্ট)
দুপুর: মুগ ডাল খিচুড়ি / জাউ ভাত
বিকাল: আপেল পিউরি
রাত: নরম জাউ ভাত
✅🗓️ ২য় ধাপ (৬–১০ দিন)
সকাল: ওটস + ব্রেস্ট মিল্ক (কলা / খেজুর)
দুপুর: নরম খিচুড়ি
বিকাল: ফলের পিউরি
রাত: ডিমের কুসুম
✅🗓️ ৩য় ধাপ (১১–১৫ দিন)
সকাল: ওটস +খেজুর পেস্ট
দুপুর: নরম খিচুড়ি
বিকাল: সেদ্ধ গাজর / কুমড়া পিউরি
রাত: জাউ ভাত
✅🗓️ ৪র্থ ধাপ (১৬–২০ দিন)
সকাল: ওটস + ব্রেস্ট মিল্ক
দুপুর: সবজি খিচুড়ি + অল্প ঘি
বিকাল: কলা / নাশপাতি পিউরি
রাত: ডিম + ডাল
✅🗓️ ৫ম ধাপ (২১–২৫ দিন)
সকাল: ওটস + ডিমের কুসুম
দুপুর: চিকেন / সবজি খিচুড়ি
বিকাল: পেঁপে / কলা / আপেল
রাত: ডিমের কুসুম
✅🗓️ ৬ষ্ঠ ধাপ (২৬–৩০ দিন)
সকাল: কলা / আপেল পিউরি
দুপুর: মাছ / চিকেন + জাউ ভাত
বিকাল: ফলের পিউরি
রাত: ওটস + ডিমের কুসুম / পাতলা খিচুড়ি
⚠️ খেয়াল রাখবেন (Warning Signs):
খাবারের পর যদি র্যাশ, বমি, পাতলা পায়খানা বা পেট ব্যথা দেখা দেয়—সেই খাবার বন্ধ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
━━━━━━━━━━━━━━━
💛 ছোট্ট টিপস:
খাওয়ানোর সময় বাচ্চাকে কোলে নিয়ে গল্প করুন বা গান শোনান। এতে খাওয়া তার কাছে আনন্দের হয়ে উঠবে।
01/05/2026
অনেকদিন পর 1M ❤️
কিন্তু এখনো আরনিং 0.00💔
কারন মনিটাইজেশন পাইনি🤧
01/05/2026
ইন্দোনেশিয়ার ডে-কেয়ারের ভিডিও ফুটেজ… 😔
ভিডিওতে এই নিষ্পাপ বাচ্চাগুলোর চাহনি দেখে এত খারাপ লাগলো—যা লিখে প্রকাশ করা কঠিন। বিদেশে মা-বাবা দুজনেই চাকরি করছেন, আর তাদের আদরের সন্তানকে রাখা হয়েছে ডে-কেয়ারে। কিন্তু সেখানে যা ঘটছে—তা সত্যিই মেনে নেওয়া যায় না।
👉 কিছু শিশুকে হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে, যাতে তারা নড়াচড়া করতে না পারে
👉 আরও ভয়ংকর—তাদের চুপ করিয়ে রাখতে নেশাজাতীয় কিছু দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ
ভাবুন তো… এই ভিডিওটা যদি তাদের মা-বাবা দেখেন, তাদের মনের অবস্থা কী হবে?
এত কষ্ট করে উপার্জন করে সন্তানকে নিরাপদ জায়গায় রাখার আশা—আর বাস্তবতা এমন!
আমাদের দেশেও রাস্তায় অনেক সময় দেখা যায় ছোট ছোট শিশুকে ঘুমন্ত অবস্থায় ভিক্ষা করতে। অনেক ক্ষেত্রেই সন্দেহ করা হয়, তাদেরও জোর করে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়।
💔 এসব ঘটনা শুধু কষ্টের না, খুবই উদ্বেগজনক।
এভাবে বড় হতে থাকলে শিশুর স্বাভাবিক মানসিক ও শারীরিক বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে। এই ট্রমা তাদের পুরো শৈশবকে প্রভাবিত করতে পারে।
একটি ডে-কেয়ার সেন্টারে ৫৩ জন শিশুকে এভাবে বেঁধে রাখার খবর পাওয়া গেছে—যা আমাদের সবাইকে ভাবিয়ে তোলার মতো।
—
🌿 একটু ভেবে দেখুন…
যদি খুব প্রয়োজন না থাকে, যদি সংসার কোনোভাবে চলেই যায়—তাহলে কি সত্যিই এত ছোট বাচ্চাকে অন্যের কাছে রেখে দুজনেরই বাইরে কাজ করা জরুরি?
আমরা অনেক সময় ভবিষ্যতের স্বপ্নে—বড় ফ্ল্যাট, ভালো জীবন—এইসবের জন্য বর্তমানের সবচেয়ে মূল্যবান সময়টা হারিয়ে ফেলি।
👉 কিন্তু গ্যারান্টি কী—আমরা সেই “ভালো ভবিষ্যৎ” পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবো?
—
💛 সময় থাকতে পরিবারের সাথে সময় কাটান
💛 সন্তানের ছোট ছোট মুহূর্তগুলো উপভোগ করুন
💛 ভালোবাসা, নিরাপত্তা—এই জিনিসগুলোই শিশুর সবচেয়ে বড় প্রয়োজন
কারণ টাকা দিয়ে সব কিছু কেনা যায় না—
কিন্তু একটা নিরাপদ, ভালোবাসাময় শৈশব—এটা অমূল্য।
#ডেকেয়ার #শিশু #সচেতনতা #প্যারেন্টিং #বাস্তবতা
30/04/2026
নবজাতক থেকে ৩–৪ মাসের বাচ্চার পায়খানা নিয়ে অনেক মা-ই দুশ্চিন্তা করেন। আসলে এই বয়সে “অনিয়মিত পায়খানা” বেশিরভাগ সময়ই স্বাভাবিক। একটু সহজভাবে পুরো বিষয়টা বুঝিয়ে বলি।
⸻
🌼 কেন বাচ্চার পায়খানা অনিয়মিত হয়?
🔹 হজম শক্তি পুরোপুরি তৈরি না হওয়া
এই বয়সে বাচ্চার পেট এখনো শেখার পর্যায়ে থাকে। তাই কখনো দিনে কয়েকবার পায়খানা করে, আবার কখনো ২–৩ দিন না-ও করতে পারে।
🔹 বুকের দুধ খাওয়া বাচ্চা
যারা শুধু বুকের দুধ খায়, তাদের পায়খানা অনেক সময় ৩–৫ দিন পরও হতে পারে।
👉 কারণ বুকের দুধ প্রায় পুরোই শরীরে শোষিত হয়ে যায়।
🔹 পায়খানা করার সময় কান্না করা
অনেক বাচ্চা পায়খানা করার আগে জোরে কান্না করে, মুখ লাল হয়ে যায়।
👉 এটা স্বাভাবিক, কারণ তারা এখনো ঠিকভাবে চাপ দেওয়া শিখছে
🔹গ্যাস বা কোলিক
পেটে গ্যাস জমলে বাচ্চা অস্বস্তি বোধ করে, ফলে পায়খানার প্যাটার্ন বদলে যেতে পারে।
🌼 কোনটা স্বাভাবিক বুঝবেন কীভাবে?
✔️ পায়খানা নরম বা পেস্টের মতো
✔️ বাচ্চা ঠিকমতো দুধ খাচ্ছে
✔️ ঘুম ভালো হচ্ছে
✔️ ওজন বাড়ছে
👉 এইগুলো ঠিক থাকলে, পায়খানা দেরিতে হলেও সাধারণত চিন্তার কিছু নেই।
⸻
🌼 কী করলে বাচ্চার আরাম হবে?
💛 বুকের দুধ চালিয়ে যান
এটাই সবচেয়ে ভালো ও সহজপাচ্য খাবার।
💛 পেট হালকা ম্যাসাজ করুন
ঘড়ির কাঁটার দিকে আস্তে আস্তে ম্যাসাজ করলে গ্যাস কমে।
💛 পা নড়াচড়া করান (সাইকেলের মতো)
এতে পায়খানা সহজে হতে সাহায্য করে।
💛 অযথা ওষুধ দেবেন না
নিজে থেকে কোনো সিরাপ বা কিছু দেওয়া ঠিক না
🚨 কখন একটু সতর্ক হবেন?
এই লক্ষণগুলো থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন—
❌ পায়খানা খুব শক্ত
❌ পায়খানায় রক্ত দেখা যায়
❌ বাচ্চা খেতে চায় না
❌ বারবার বমি করছে
❌ ৫–৭ দিন পায়খানা না হয়ে বাচ্চা খুব কষ্ট পাচ্ছে
⸻
🌿 শেষ কথা
এই বয়সে পায়খানা কখনো বেশি, কখনো কম—এটাই স্বাভাবিক।
শুধু বাচ্চার সার্বিক অবস্থা ভালো থাকলেই বেশি দুশ্চিন্তার দরকার নেই।
আপনার বাচ্চা কি নিয়মিত ভাবে পায়খানা করে?
কোনো প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান✅
গর্ভাবস্থার পানি ভাংার কিছু লক্ষণ✅
29/04/2026
🤱মায়ের বুকের দুধের দুইটা ভাগ থাকে
✅১। একটা হচ্ছে ফোরমিল্ক (Foremilk) যেটা হালকা পানির মতো শুরুতে আসে। যা মুলত শিশুর পিপাসা মেটায়।।
✅২। আরেকটি হচ্ছে হাইড মিল্ক (Hind milk) যেটি শেষে আসে, ধবধবে সাদা ও একটু ঘন, এতে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকে।যেটা খেলে শিশুর ক্ষুধা মেটায় ও পেট বেশিক্ষণ ভরা থাকে।
👶শিশুর জন্য এই দুইটি দুধই গুরুত্বপূর্ণ। তাই শিশুকে দুধ খাওয়ানোর সময় বারবার স্তন পরিবর্তন করে শিশুর পরিপূর্ণ পুষ্টি থেকে বঞ্চিত করবেন না।🤱❤️
✅ আপনার করণীয় (সঠিক নিয়ম):
✨ এক পাশের স্তন পুরোপুরি খালি করুন: শিশুকে এক পাশের স্তন অন্তত ১০-১৫ মিনিট বা যতক্ষণ না স্তনটি হালকা বা নরম হচ্ছে ততক্ষণ খাওয়ান। এতে শিশু ফোরমিল্ক ও হাইন্ডমিল্ক—দুই ধরণের পুষ্টিই পাবে।
✨ পর্যায়ক্রমে পরিবর্তন: এক পাশের স্তন পুরোপুরি খালি হওয়ার পর যদি দেখেন শিশু আরও খেতে চাইছে, তখনই কেবল অন্য পাশে দিন।
✨ পরের বার অন্য পাশ: এক বার দুধ খাওয়ানো শেষে যদি শিশু ঘুমিয়ে যায়, তবে পরবর্তী বার অন্য পাশের স্তন থেকে খাওয়ানো শুরু করুন।
📌 ছোট্ট এই সচেতনতা আপনার শিশুর সঠিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারে।
🌸 পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্য মায়েদেরও সচেতন করুন।✅
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
1217
