Shamima's Organic Shop

Shamima's Organic Shop

Share

Welcome to Shamima's Organic Shop, your trusted retailer for organic foods and beauty care items.

16/01/2024
Photos from Shamima's Organic Shop's post 11/09/2021

ইংরেজিতে পরিচিত Nutmeg নামে, এটি হচ্ছে জায়ফলের প্রধান উৎস। জায়ফল রন্ধন শিল্পে যারা পারদর্শী তাদের কাছে অতিপরিচিত একটি মসলার নাম। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বৃদ্ধিতে আর মাংস নরম করতে যার কোন জুড়ি নেই। যারা রান্না করেন না তারাও নিশ্চই এর নামের সাথে পরিচিত। অসম্ভব সুন্দর সুগন্ধের এই মসলাটির ব্যবহার হয় নানারকম রাজকীয় মোগলাই ধরনের রান্নাতে।

রোস্ট, কোরমা, বিরিয়ানি,কাবাব ইত্যাদি খাবারের জিভে জল আনা বিশেষ ঘ্রানটি আসে এই মসলা থেকে। যত যাই দেওয়া হোক সামান্য একটু জয়ফল যোগ না করলে বিরিয়ানি কে বিরিয়ানি মনেই হয় না।

জয়ত্রী শুধু খাবারে সুগন্ধ আর স্বাদই যুক্ত করে তবে আপনি ভুল। জয়ত্রীর আছে অনন্য স্বাস্থ্যগুণ যা আপনার দৈনন্দিন বিভিন্ন রোগের সমাধান দিতে পারে। যে কোন হজমগত সমস্যা, গ্যাস্ট্রিকের অসুবিধা, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এই মশলা অত্যন্ত কার্যকরী, এছাড়াও বমি বমি ভাব এবং ডায়রিয়া রোগ উপশমে এই মশলা উপকারী হিসাবে প্রমাণিত।

11/09/2021

গোল মরিচ খাবারে স্বাদ বাড়ায়, এটি খাওয়াও স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী। শুধু তাই নয়, প্রতিদিন গোল মরিচ খেলে হার্টকে সুস্থ রাখে। গোল মরিচে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে যা আমাদের শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী।

গোল মরিচের উপকারিতা :
১.সেন্ট লুই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত গবেষণা অনুসারে, গোল মরিচে অ্যান্টি-প্রলাইভেটিভ নামে উপাদান রয়েছে। এটি ব্র্যাচিয়াল সেল বাড়তে বাধা দেয়। এর ফলে শরীরে ক্যান্সার রোগ প্রতিরোধ করতে যাওয়া করে ।
২. আপনি যদি স্ট্রেসের শিকার হন তবে গোল মরিচ আপনার পক্ষে উপকারী হতে পারে। এটিতে পাইপারিন নামক একটি উপাদান রয়েছে। এটি সেরোটোনিন নামক একটি উপাদান তৈরি করে।
এটি মেজাজ উন্নত করতে সহায়তা করে। এটি মনকে শান্ত করতে কাজ করে।
৩. গোল মরিচের বাইরের স্তরটিতে ফাইটো পুষ্টি থাকে। তারা মেদ গলানোর জন্য কাজ করে। তাই প্রতিদিন এক চতুর্থাংশ চা চামচ কালো মরিচের গুঁড়া খেলে ওজন হ্রাস পাবে।
৪. যাদের পেটের সমস্যা রয়েছে তাদের দই বা বাটার মিল্কে এক চিমটি কালো গোল মরিচের গুঁড়া খাওয়া উচিত। এটি গ্যাস্ট্রিক, পেট ফাঁপা এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়।
৫. যাঁরা খিদা বোধ করেন না তাঁদের গোল মরিচ গুড়া খাওয়া উচিত। এটি বিপাককে ত্বরান্বিত করে।
৬. গোল মরিচের ভিটামিন এ, সি এবং সেলেনিয়াম ইত্যাদি রয়েছে এগুলি সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন চার থেকে পাঁচটি গোল মরিচ খাওয়া প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে পারে।
৭. যে সমস্ত লোকের ঠান্ডা লাগা বা গলা ব্যথা হয় তারা গোল মরিচের দানা চুষে খেলে বা চায়ে সিদ্ধ করার পরে আপনি এটিও পান করতে পারেন। এটি স্বস্তি সরবরাহ করবে।
৮. যদি আপনার ঘুম ঘুম হয় বা সর্বদা বিরক্ত থাকে তবে গোল মরিচের চা খান। এটি মস্তিষ্কে ডোপামাইন নামক রাসায়নিক ছাড়বে। এটি আপনাকে ভাল বোধ করাবে।
৯. মাড়িতে রক্তক্ষরণ হলে বা দাঁত খারাপ হতে থাকে তবে গোল মরিচ পিষে লেবুর রস এবং নুন মিশিয়ে ম্যাসাজ করুন। এটি করার মাধ্যমে, মুখের সমস্যার সমাধান হবে।

28/07/2021

সাধারন হলুদ থেকে কস্তুরি হলুদ ১০ গুণ বেশি কার্যকর। কস্তুরি হলুদের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে, ফলে ব্রণ, এমনকী ব্রণের দাগছোপ কমাতেও কস্তুরি হলুদ দারুণ কাজ করে। ত্বকের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখার পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল রাখতেও সাহায্য করে হলুদ।

সাধারণ হলুদ আর কস্তুরী হলুদের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল কস্তুরী হলুদ ব্যবহার করলে ত্বকে হলুদ ছোপ পড়ে না যা সাধারণ হলুদ ব্যবহার করলে পড়ে। কস্তুরি হলুদের রঙ কিন্তু সম্পুর্ন হলুদ না। কিছুটা ক্রিম কালার।

এটা খায় না। নরমাল কাঁচা হলুদ গুঁড়া খেতে পারেন কিন্তু এটা ওয়াইল্ড টারমারিক বা কাস্তুরী মান্জাল। এটা শুধু রূপচর্চায় ব্যবহার করা হয়। এটা কাঁচা হলুদ থেকে বেশি কার্যকরী। এতে কারকিউমিন আছে।

শহরের দূষণের জেরে ত্বকের উপর আপনার অজান্তেই হয়ে চলেছে দেদার অত্যাচার।শত ব্যস্ততার মাঝে বাড়িতে রূপচর্চার জন্য সময় বার করা কঠিন। তাই পার্লারমুখী হতেই হয়। সতেজ, কোমল ত্বক পেতে খরচ করতে হয় হাজার হাজার টাকা। অথচ উপায় জানলে বাড়িতেই সামান্য কিছু ঘরোয়া উপাদান দিয়ে চটজলদি বানিয়ে ফেলতে পারেন দারুণ সব ফেসপ্যাক।

পার্লারে নয়, এ বার বাড়িতেই হলুদ আর কয়েকটি ঘরোয়া উপাদান দিয়ে বানিয়ে ফেলুন চমৎকার ফেসপ্যাক।

🏵হলুদ,মধু এবং দুধের প্যাক: ১/৪ চামচ হলুদ গুঁড়ো, এক চামচ মধু আর দু’চামচ কাঁচা দুধ মিশিয়ে একটা ফেসপ্যাক তৈরি করে নিন। প্রথমে ক্লিনসার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। তারপর বানিয়ে রাখা প্যাকটি আলতো হাতে সারা মুখে লাগিয়ে নিন। দশ থেকে পনেরো মিনিট অপেক্ষা করুন। প্যাকটি শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বককে হাইড্রেট রাখে। হলুদের অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল উপাদান ত্বকের ব্রণ হওয়ার প্রবণতা হ্রাস করে। দুধে প্রচুর পরিমাণ মিনারেল এবং ভিটামিন থাকায় তা ত্বকের মৃত কোষকে দূর করে, ত্বককে কোমল করে তোলে। এই ফেসপ্যাক ত্বকের বলিরেখা দূরকরতে বিশেষ কার্যকর। সপ্তাহে এক বার এই প্যাক ব্যবহার করুন, উপকার মিলবে হাতেনাতে।

ত্বককে উজ্জ্বল করতে, র‌্যাশ-ব্রণর সমস্যা দূর করতে হলুদের কোনও জবাব নেই।

🏵হলুদ, অ্যাভোকাডো এবং টক দইয়ের প্যাক: ১/৪ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো, এক টেবিল চামচ অ্যাভোকাডার পেস্ট এবং এক চা চামচ টকদই একসঙ্গে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। প্যাকটি ত্বকে ব্যবহার করুন। ১০ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অ্যাভোকোডার ভিটামিন-ই, ন্যাচারাল অয়েল এবং ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে হাইড্রেট করেতে সাহায্য করে। এর অ্যান্টিইনফ্লামেটরি এবং অ্যান্টিএজিং উপাদান ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে বিশেষ কার্যকর। অ্যাভোকোডো এখন প্রায় সব সুপার মার্কেটেই পাওয়া যায়।

🏵হলুদ, বেসন এবং গোলাপ জলের প্যাক: বেসন ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নিয়ে ত্বককে রাখে ব্যাকটিরিয়ামুক্ত রাখে। ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও হ্রাস করে।১/৪ চামচ হলুদ গুঁড়ো,২ টেবিল চামচ বেসন, আর খানিকটা গোলাপ জল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। প্যাকটি ব্যবহারের আগে মুখটি জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর পেস্টটি ত্বকে ব্যবহার করুন। ১০-১৫ মিনিট পর ফেসপ্যাকটি শুকিয়ে গেলে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক সপ্তাহে দু’বার ব্যবহার করুন। এটি ত্বকের ব্রণের প্রবণতা হ্রাস করতে বিশেষ উপকারী।

🏵হলুদ, লেবুর রস এবং মধু: লেবুর রস ত্বকের কালো দাগ, ব্রণর দাগ দূর করতে সাহায্য করে। ত্বকের রোমকূপ সংকুচিত করে থাকে। মধু প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। শুধু তাই নয়, মধু ব্রণ হওয়ার প্রবণতাও রোধ করে।১/৪ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো, ১ চা চামচ লেবুর রস এবং ১ টেবিল চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই প্যাকটি ত্বকে লাগিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। শুকিয়ে গেলে হালকা গরম জলে দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।এই প্যাকটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন। নিয়মিত ব্যবহারে এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করবে।

🏵হলুদ, টকদই এবং টমেটো মাস্ক: ত্বকের সানবার্ন দূর করতে এই প্যাকটি বেশ কার্যকর। ত্বকের ঔজ্বল্য ফিরিয়ে আনতে হলে এই প্যাক ভীষণ কার্যকর। ১/৪ টেবিল চামচ হলুদের গুঁড়ো, ১ টেবিল চামচ টকদই, ১ টেবিল চামচ টমেটোর পিউরি মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে নিন। এটি ত্বকে ব্যবহার করুন। ১০-১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

হলুদ দিযে তৈরি প্যাক কখনওই ১৫ থেকে ২০ মিনিটের বেশি লাগিয়ে রেখে দেবেন না। না হলে মুখ কালো হয়ে যাবে। এই ফেসপ্যাক লাগানোর পর মুখে ফেসওয়াশ ব্যবহার করা উচিত নয়। এতে হলুদের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।

28/07/2021

অকালে চুল পেকে যাওয়া কিংবা চুল ঝরে যাওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে আমলকীর হেয়ার প্যাক ব্যবহার করতে পারেন নিয়মিত। আমলকী রোদে শুকিয়ে গুঁড়া করে নিতে পারেন হেয়ার প্যাকে ব্যবহারের জন্য। আবার আমলকীর গুড়ো কিনতে পাওয়া যাবে আমাদের কাছে।

যেভাবে তৈরি ও ব্যবহার করবেন
আধা কাপ টক দই নিন একটি বাটিতে। ২ টেবিল চামচ আমলকীর পাউডার, ১ টেবিল চামচ মেথি গুঁড়া ও ১ টেবিল চামচ কারি পাতা বাটা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন ভালো করে। মিশ্রণটি ভেজা চুলে লাগান। আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল। শ্যাম্পু করার প্রয়োজন নেই।

কেন ব্যবহার করবেন আমলকীর হেয়ার প্যাক?

- আমলকীতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট চুলের বৃদ্ধি দ্রুত করে।

- চুল ভেঙে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

- চুল পড়া কমায়।

- চুলের অকালে পেকে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

- চমৎকার হেয়ার কন্ডিশনার হিসেবে কাজ করে।

- খুশকি ও মাথার ত্বকের চুলকানি দূর করে।

#শামীমা'স_অর্গ্যানিক_আমলকী_গুড়ো ১০০ গ্রাম ১৮০/-

28/07/2021

প্রাকৃতিকভাবে সাদা চুল রং করার ক্ষেত্রে মেহেদি পাতার তুলনা নেই; এমনকি কালো চুলে ব্যবহারে চুল আরও কালো হয়। এছাড়াও হাত, পা ও নখ সাজাতেও মেহেদি পাতা ব্যবহার হয়ে থাকে।

বিশেষ কিছু উপকারিতা

চুল ঘন হয়, চুলের গুড়া শক্ত করে, রুক্ষতা দূর করে, চুল রেশমী ও ঝরঝরে করে, মাথা ঠান্ডা রাখে, চুলের আগা ফাটা রোধ করে, খুশকি দূর করে, চুলের স্বাস্থ্য ঠিক রাখে এবং সাদা চুল রং করে।

চুলের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সমাধানের উপায়ে মেহেদি পাতার কিছু বিষেশ ব্যবহার যার বিবরণ দেয়া হল:-

খুশকি দূরে মেহেদি

খুশকি দূর করার জন্য বাজারের শ্যাম্পু ব্যবহার করেও কাজ হয় না, কিন্তু শুধু মেহেদি গুড়ো নিয়মিত প্রতি সপ্তাহে একবার ব্যবহারে মাথার ত্বকে থেকে খুশকি দূর করবে। খুশকি দূরের জন্য মেহেদি পাতার সাথে আমলকি গুড়ো মাথার ত্বকে লাগিয়ে আধা ঘন্টা রেখে দিলে খুশকি দূর হবে এবং চুল মজবুত হবে। এছাড়াও ১/২ চামচ লেবুর রস অথবা ও ১ চামচ মেথি গুড়ো মিশিয়ে মাথায় লাগিয়ে ১ ঘন্টা রেখে দিলে খুশকি দূরের সাথে সাথে চুল ঘন কালো ও চুল পড়া রোধ করে।

রুক্ষতা দূরে মেহেদি

মেহেদি পাতার সাথে ১টি ডিমের সাদা অংশ ও টকদই ২/৩ চামচ মিশিয়ে ব্যবহারে চুলের পুষ্টি সংযোজন হবে ও চুলের রুক্ষতা দূর করে, চূল উজ্জল ও রেশমী হবে।

চুল পড়া রোধে মেহেদি

সপ্তাহে ১ বার মেহেদি পাতা পিষে অথবা ব্লেন্ড করে সাথে ১/২ চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে ও চুলে লাগিয়ে ৩০-৫০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু ব্যবহার না করে শুধু পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলে ১দিন পর শ্যাম্পু করলে চুল পড়া কমবে ও সতেজ হবে এবং মাথা ঠান্ডা রাখবে। এছাড়াও নারিকেল তেল বা সরিষা তেল অথবা অন্য কোন তেলের সাথে আধা চামচ মেথি মিশিয়ে গরম করে এরপরে ঠান্ডা করে মেহেদি পাতার সাথে মিশিয়ে সপ্তাহে ১/২ বার মাথায় ও চামড়ায় লাগালেও চুল রেশমী ও চুল পড়া কমবে।

প্রাকৃতিক রং-এ মেহেদি

তাজা মেহেদি পাতা পিষে অথবা মেহেদি পাতার ৫/৬ চামচ শুকনো গুড়োর সাথে চা-পাতার পানি অথবা কফির পানি মিশিয়ে দিলে চুলে সুন্দর গাঢ় লালচে রং হবে। মাসে ২/৩ বার ব্যবহারে রং দীর্ঘস্থায়ী হবে।

কিছু পরামর্শ:

- মেহেদি দেয়ার আগের দিন চুলে তেল দেয়া ভালো।

- চুলে বাজারের কোন ক্যামিকেল রং ব্যাবহার করে থাকলে তবে কম করে হলেও ২ থেকে ৩ মাস পর মেহেদি পাতা ব্যবহার করা উচিত, নাহলে চুলের ক্ষতি হতে পারে।

- মেহেদি পাতা লাগিয়ে বেশি সময় রাখা ভাল, কম করে হলেও ৪০ হতে ৫০মিনিট রাখলে খুবই ভাল।

28/07/2021

সাদা তিল শুধু মুখরোচক নাড়ু তৈরিতেই ব্যবহার হয় তা না। এই তিলের বিশেষ উপকারিতা আছে। যা অনেকেরই জানা নেই। সাদা তিলের এই উপকারিতা গুলো জানলে অবাক হবেন।

সাদা তিলে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান রয়েছে, যা নিয়মিত খাদ্য তালিকায় রাখলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন দরকারি ভিটামিন ও খনিজের চাহিদা পূরণ করে।

উচ্চ রক্তচাপ নিরন্তনে সাদা তিল খুবই উপকারী, এছাড়া সাদা তিল মানুষের রূপ ও সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন কারণে মুখে যে দাগ হয় তা দূর করতে সাদা তিল বিশেষ ভূমিকা রাখে।

এছাড়া সাদা তিলে প্রচুর পরিমানে ফসফরাস ও ক্যালসিয়াম থাকায় আমাদের হাড় মজবুত করে।

সাদা তিলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার পাওয়া যায়, যা মানব শরীরের পাঁচন ক্রিয়াকে মজবুত করতে সাহায্য করে।

সাদা তিলে থাকা বিভিন্ন উপাদান আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

সাদা তিলে প্রচুর পরিমানে ফাইবার পাওয়া যায়, যা মানব শরীরের পাঁচন ক্রিয়াকে মজবুত করতে সাহায্য করে।

ডায়াবেটিস নিরন্তনে সাদা তিল বিশেষ উপকারী, যারা ডায়াবেটিস এর রোগী তারা নাড়ুর বদলে সবজির সাথে সাদা তিল খেতে পারেন।

Photos from Shamima's Organic Shop's post 28/07/2021

দৈনিক একমুঠো বা ৩০ গ্রাম বাদাম ওজন কমায়, হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণে রাখে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায় ও রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে।

👉চিনাবাদামে মনো আনস্যাচুরেটেড এবং পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট নামের দুই ধরনের চর্বি বা স্নেহ জাতীয় পদার্থ রয়েছে, যা কোলেস্টেরল কমায়। এ ছাড়া এতে বিভিন্ন ভিটামিনজাতীয় পদার্থ যেমন থায়ামিন, রিবোফ্লোবিন, নিয়াসিন, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-৬ ও ফোলেট রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। পাশাপাশি এতে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ক্যালসিয়াম, লোহা, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, পটাশিয়াম ও দস্তা রয়েছে।

👉কোলেস্টেরল কমায়: কোলেস্টরেলের সমস্যা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। হৃদ্রোগসহ নানা শারীরিক সমস্যার মূলে রয়েছে এই বাড়তি কোলেস্টেরল। চিনাবাদাম দেহের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষভাবে কার্যকরী। বাদামের ভালো ফ্যাট কোলেস্টেরল এবং ট্রাইগ্লিসারাইড কমিয়ে ফেলে কোনো ধরনের ওজন বাড়ানো ছাড়াই।
রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখে: চিনাবাদাম রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সকালের নাশতায় চিনাবাদাম বা চিনাবাদামের মাখন খেলে প্রায় পুরো দিনই রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

👉ওজন কমায়: ওজন কমানোর জন্য কিছুটা ভালো চর্বির প্রয়োজন রয়েছে। আর চিনাবাদামে রয়েছে ভালো ফ্যাটি অ্যাসিড। এ ছাড়া ডায়াবেটিসের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন অল্প হলেও চিনাবাদাম খাওয়া উচিত ।

👉স্মৃতিশক্তি বাড়ায়: বয়স হতে না হতেই স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া শুরু করে অনেকেরই। এর কারণ হচ্ছে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়। মস্তিষ্কের জন্য প্রয়োজন হয় সঠিক খাদ্যের। চিনাবাদামকে বলা হয় মস্তিষ্কের খাবার।

👉রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়: খুব হুটহাট নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ার সমস্যাকে মূলত রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়ার মূল লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। চিনাবাদাম এই রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকেই উন্নত করতে কাজ করে। চিনাবাদামের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা উন্নত করে।

👉নিয়মিত চিনাবাদাম খেলে ক্যানসার ও হৃদরোগে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি কমে। নেদারল্যান্ডসের মাসট্রিখট বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এই দাবি করেছেন। চিনাবাদাম ও নানা জাতের গাছবাদামে এমন পুষ্টি উপাদান আছে, যা অনেক রোগ থেকেই আমাদের বাঁচাতে পারে।

🌟‘নাট বাটার’ বা বাদামের মাখন না খেয়ে সরাসরি চিনাবাদাম খাওয়াটাই উপকারী। যে নারী-পুরুষেরা প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ১০ গ্রাম চিনাবাদাম বা কোনো বাদাম খান তাঁদের ক্যানসার ও হৃদরোগসহ নানা রকম মরণব্যাধি থেকে অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাকিদের তুলনায় কম।

সৌজন্যে - হাসিনা আকতার, প্রধান পুষ্টিবিদ, চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

28/07/2021

ত্বকের যে কোনও দাগ-ছোপ দূর করতে হলুদের জুড়ি মেলা ভার। আবার অ্যান্টিসেপটিক হিসেবেও কাজ করে হলুদ। তবে কাঁচা হলুদ ত্বকে সরাসরি না লাগানোই ভাল। কারও অনেকের ক্ষেত্রে অ্যালার্জিজনিত সমস্যা থাকে। বরং কস্তুরি হলুদের সঙ্গে দুধের সর বাটা, দই বা মূলতানি মাটি, ময়দা বা যে কোনও ফলের রস মিশিয়ে ব্যবহার করলে সবথেকে বেশি উপকার মিলবে। তবে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি প্রপার্টি থাকায় হলুদ রূপচর্চায় অব্যর্থ। হলুদ অ্যান্টিইনফ্ল্যামেটরি হওয়ায় ত্বকের ক্ষত সারায়। অন্য দিকে ওপেন পোরসও বন্ধ করে। এর অ্যান্টিসেপটিক কোয়ালিটি ত্বকে ব্রণ বা তার দাগ সারায় তাড়াতাড়ি। ব্রণ কমাতে পাতিলেবুর রস, শসার রসের সঙ্গে হলুদ বাটা মিশিয়ে ব্রণর উপরে ১০-১৫ মিনিট রেখে দিন। এতে ব্রণ শুকিয়ে যায় তাড়াতাড়ি। আবার ব্রণ সারার পরে তার দাগ তুলতে এই প্যাকের সঙ্গে নারকেল তেল বা তিল তেল মিশিয়ে নিন।

#শামীমা'স_অর্গ্যানিক কস্তুরি হলুদ গুড়া ১০০ গ্রাম ৩২০/-

25/07/2021

প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে অন্যতম প্রয়োজনীয় মসলা হচ্ছে জিরা৷ খাদ্যের স্বাদ ও সুবাস বাড়াতে এর জুড়ি নেই। এখন থেকে আমাদের কাছে নিয়মিত পাওয়া যাবে এই মসলাটি। অর্ডার দিতে ইনবক্সে নাম, ঠিকানা ও ফোন নম্বর দিয়ে দিন।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Dhaka
1216