Nutrition Zone
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nutrition Zone, Health/Beauty, Merul badda, Dhaka.
30/05/2024
" আমলকী "
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ নানা ধরনের ফলের মধ্যে আমলকীর পুষ্টি গুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই অবগত নই। আমলকী খেতে ততটা সুস্বাদু না হলেও পুষ্টি গুণের দিক থেকে এর তুলনা নেই।
❇️প্রতি ১০০ গ্রাম এ –
ভিটামিন সি – ৬০০ মি.গ্রা যা কিনা দৈনন্দিন চাহিদার যোগান দেয়।
প্রোটিন-
ম্যাগনেসিয়াম (Mg)সমৃদ্ধ খাবার কি কি??
১)পালংশাক-প্রতি ১৩০ গ্রামে ১৫৭ মিলিগ্রাম
২)মিষ্টি কুমড়ার বিচি-৮৯ গ্রামে ১৫৬ মিলিগ্রাম
৩)শিমের বিচি-১৩০ গ্রামে ১২৬ মিলিগ্রাম
৪)টুনা ফিশ-১১৩ গ্রামে ১০৯ মিলিগ্রাম
৫)বাদামী চাল-৯০ গ্রামে ৮৬ মিলিগ্রাম
৬)কাঠবাদাম-১১৩ গ্রামে ৭৭ মিলিগ্রাম
৭)ডার্ক চকোলেট-১৩৫ গ্রামে ৬৫ মিলিগ্রাম
৮)এভোকাডো-এটা বাংলাদেশে পাওয়া যায় না
৯)দই-প্রতি কাপে ৪৭ মিলিগ্রাম
১০)কলা-প্রতি কলায় ৩২ মিলিগ্রাম
দিনে একজন সুস্থ পুরুষ মানুষের প্রয়োজন প্রায় ৪৫০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম, নারীদের ক্ষেত্রে এটা ৩৬০ মিলিগ্রাম।
10/07/2023
মেথি স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী। মেথি ভেজানো পানি রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখে। সেই সঙ্গে রক্তচাপ ও ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। চুল পড়া রোধ থেকে শুরু করে রক্তাস্বল্পতার সমস্যায় মেথি 'সুপার ফুড'হিসাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান করুন হার্ট ভালো থাকবে এবং গ্যাস্টিকের সমস্যা দূর হবে।
06/10/2022
পানি ফলের উপকারিতা :
জলাশয়ে চাষ হয় বলে একে পানিফল বলা হয়। পানিফলের আরেকটি নাম পানি শিঙাড়া। কারণ শিঙাড়ার মতো দেখতে। তা ছাড়াও এর নানা জায়গায় নানা নাম রয়েছে। ওয়াটার কালট্রপ, বাফেলো নাট, ডেভিল পড ইত্যাদি। আবার ইংরাজিতে একে ওয়াটার চেস্টনাটও বলা হয়। এরও একটি বৈজ্ঞানিক নাম – ট্রাপা নাটানস।
প্রথমেই জেনে নেওয়া যাক এর পুষ্টিগুণ সম্বন্ধে। পানিফলের প্রতি ১০০ গ্রাম খাদ্যযোগ্য অংশ অর্থাৎ খোলা ছাড়িয়ে মোট শাঁসের পরিমাণ ১০০ গ্রাম হলে তাতে পাওয়া যায় –
১) খাদ্যশক্তি রয়েছে ৬৫ কিলোক্যালোরি
২) এতে জলের পরিমাণ ৮৪.৯ গ্রাম
৩) খনিজ পদার্থ – ০.৯ গ্রাম
৪) খাদ্য আঁশ – ১.৬ গ্রাম
৫) আমিষ – ২.৫ গ্রাম
৬) শর্করা – ১১.৭ গ্রাম
৭) ক্যালসিয়াম – ১০ মিলিগ্রাম
৮) আয়রন – ০.৮ মিলিগ্রাম
৯) ভিটামিন বি১ – ০.১৮ মিলিগ্রাম
১০) ভিটামিন বি২ – ০.০৫ গ্রাম
১১) ভিটামিন সি – ১৫ মিলিগ্রাম
১২) এক একটি পানি ফলে চর্বির পরিমাণ – ০.৯ গ্রাম
১৩) এ ছাড়াও আছে পটাশিয়াম, জিঙ্ক, ভিটামিন-ই। রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান।
এতে গেল পুষ্টিগুণ। এ বার দেখে নেব এর ওষধি গুণ বা খাদ্য গুণ বা উপকারিতা কী কী?
😊 প্রথম কথাই হল এত পুষ্টিগুণ থাকার দরুন শরীরের পুষ্টির অভাব দূর করে পানিফল।
১. পানিফল পেটের রোগ নিরাময় করে।
২.ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে করতে সাহায্য করে।
৩. দুর্বল শরীরকে বল দেয়।
৪. হাত-পা ফোলা ঠিক করে।
৫. এটি যকৃতের প্রদাহনাশক অর্থাৎ লিভারের ইনফ্লামেশন নিরাময় করে।
৬. এটি যৌন শক্তিবর্ধক একটি ফল।
৭. ঋতুর আধিক্যজনিত সমস্যা ঠিক করতে খুবই উপকারী।
৮.এমনকী এতে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধের গুণও।
৯. শরীর ঠাণ্ডা করতে পানিফলের জুড়ি নেই।
১০.শরীর থেকে টক্সিন দূর করতে সাহায্য করে।
১১. বমিভাব, হজমের সমস্যা দূর করতে পানিফলের কোনো তুলনা হয় না।
১২. অনিদ্রা দূর করতে কাজে দেয়।
১৩. ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি থেকে স্বস্তি পেতে সাহায্য করে পানিফল।
১৪.ব্রঙ্কাইটিস, অ্যানিমিয়া কমাতে পারে।
১৫.পানিফলের শাঁস শুকিয়ে রুটি বানিয়ে খেলে অ্যালার্জি দূর হয়।
১৬. পিত্তজনিত রোগ নাশ করে।
১৭. রক্ত আমাশা বন্ধ করে।
১৮.প্রস্রাবের সমস্যা দূর করে।
১৯.শরীরের সংক্রমণ দূর করে।
২০.অরুচি কমায়। খাবারে রুচি আনে।
২১. শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ করে।
05/10/2022
ড্রাই ফ্রুটস এর উপকারিতা :
রোজ আমরা যে খাবার খাই তাই দিয়ে শরীরের ভিটামিন আর খনিজের চাহিদা পূরণ হয় না। শরীর সুস্থ রাখতে গেলে নিয়ম করে ড্রাই ফ্রুটসও খাওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে থাকে প্রচুর পুষ্টিকর উপাদান। থাকে ভিটামিন ই, ক্যালশিয়াম, প্রোটিন, ফাইবার, কপার, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়াম এবং জিঙ্ক। এছাড়াও থাকে আয়রন, থায়ামিন, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন কে, পটাশিয়াম।
ড্রাই ফ্রুটসের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হল কাজু, কিশমিশ, আমন্ড। আর এই তিন ফলের মধ্যেই রয়েছে প্রচুর উপকারিতা। পুষ্টিগুণে ঠাসা হলেও রোজ যে প্রচুর পরিমাণে খাওয়া যাবে তা কিন্তু একেবারেই নয়। বরং এই কাজু, আমন্ড খাওয়ারও বেশ কিছু নিয়ম রয়েছে। পরিমাণের থেকে বেশি কাজু খেলেই বাড়বে কোলেস্টেরলের পরিমাণ।
রোজ রাতে সামান্য জলে তিনটি করে কাজু, কিশমিশ আর আমন্ড ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে তা খালিপেটে খেয়ে নিন। এতে পাবেন একাধিক উপকারিতা।
ড্রাই ফ্রুটসের মধ্যে থাকে প্রচুর পরিমাণ ফাইবার। যা আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই রোজ সকালে উঠে আমন্ড, পেস্তা এসব খাওয়ার অভ্যাস করুন। এতে ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে।
রোজ কাজু, কিশমিশ খেলে দাঁত মজবুত হয়। কাজু বাদামের মধ্যে থাকা ক্যালশিয়াম দাঁতের জন্য উপকারী। সেই সঙ্গে তা আমাদের হাড়কেও মজবুত করে। তাই নিয়মিত খেতে পারলে খুবই ভাল। চুল ভাল রাখতেও উপকারী এই কাজু-কিশমিশ। যে কারণে রোজ কাজু, কিশমিশ খেলে চুলের গোড়া শক্ত হয়।
05/10/2022
আখের রসের উপকারিতা :
আখের রস পান করলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। শরীর শক্তিশালী প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে ফলে অনেক ধরনের অসুস্থতা থেকে শরীর রক্ষা পায়।
আখের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের বিপজ্জনক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হার্ট ভালো রাখে।
চিয়া সিড
দ্রুত ওজন কমাতে চিয়া সিড আদর্শ খাবার। চিয়া সিড খেলে অনেক্ষন পেট ভরা থাকে, ফ্যাট বার্ন হয়। দুই বেলা চিয়া সিড খেলে এই অতিরিক্ত খিদে লাগা অনুভুতি দূর হয়।
চিয়া সিডের উপকারিতাঃ
(১) চিয়া সিডস দ্রুত ওজন কমায়।স্বরনশক্তি বৃদ্ধি করে।
(২) প্রোটিনের চাহিদা মিটায় কারন চিয়া সিডে আছে ওমেগা ৩।
(৩) ইমিউন সিস্টেম বাড়ায়
(৪) এনার্জি বাড়ায়।
(৫) পরিপূর্ণ ঘুম হতে সাহায্য করে।
(৬) টক্সিন মুক্ত রাখে।
(৭) ব্লাড সুগার লেভেল নরমাল রাখে।
(৮) কোলেস্ট্রল ও ব্লাড প্রেসার কমায়।
(৯) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।
(১০) হজমে সহায়তা করে।
(১১) কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
(১২) প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আছে।
(১৩) চিয়া সিড এ B1, B2, B3 ও বোরন রয়েছে। আর বোরন ক্যালসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে হাড় শক্ত করে।
(১৪)ত্বক মসৃণ করে। টান টান ভাব আনে।
(১৫) নখ শক্ত করে।
(১৬) চিয়া সিড এ আছে ওমেগা ৩, ফসফরাস, প্রোটিন ও অ্যামিনো এসিড।ওমেগা ৩ মাথার ত্বককে ব্যাক্টেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। ফসফরাস চলের সঠিক বৃদ্ধি করে আর প্রোটিন ও অ্যামিনো এসিড চুলকে ঘন ও শক্ত করে।
খাবারের নিয়মঃ
দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে এবং রাতে ঘুমানোর আগে ১গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।খাওয়ার ৩০মিনিট আগে বা রাতে নরমাল পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে।
এছাড়া সালাদ বা রান্না করা সবজির ওপর ছিটিয়ে দিয়ে ও খেতে পারবেন ।
❤️💚বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার।
🔸পাঁচটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন এড়িয়ে চলুন।
১) লবন,
২) চিনি,
৩) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার ।
৪) অতিরিক্ত ভাজা ভূজি খাবার
৫) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসেড ফুড।
🔸পাঁচটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন।
১) সব রকমের সবুজ শাক
২) সব রকম সবুজ সব্জি, সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি
৩) ফলমূল,
৪) বাদাম,
৫) প্রোটিন জাতীয় খাবার।
🔸পাঁচটি জিনিষ কখনোই করবেন না।
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া,
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে জল পান করা,
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেওয়া,
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,
সব সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন
“সুস্থ্য থাকুন - ভাল থাকুন - ভাল রাখুন”
11/07/2022
ঘাস,খড় ইত্যাদি খেয়ে বড় হওয়া দেশি গরুর মাংসে ফার্মের গরুর তুলনায় চর্বি কম থাকে। তবে হৃদরোগ, স্থুলতা, রক্তে চর্বির আধিক্য থাকলে অবশ্যই গরুর মাংস এড়িয়ে চলুন।
খালি পেটে চা বা "বেড টি"
সকালে ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধুয়েই এক কাপ ধোঁয়া ওঠা গরম চা। ঘুম থেকে উঠে ঠিক মতো চোখ না খুলতেই চা খাওয়ার এই রীতি যে শুধুই নাটক সিনেমায়- তা কিন্তু নয়। আমাদের দেশেও রয়েছে এই শৌখিনতা।
পশ্চিমা সংস্কৃতি থেকে আমদানি হওয়া এই "বেড টি" রীতি যতই আপনাকে চাঙ্গা করে তুলুক এর উপকারিতার চেয়ে অপকারিতার পরিমানই বেশি।
বিশ্বাস হচ্ছে না? চলুন জেনে নেয়া যাক "বেড টি" কেন ক্ষতিকর!
সকাল সকাল খালিপেটে দুধ চা বা কফি আপনাকে তাৎক্ষণিক চাঙ্গা করা বা ক্যালোরি জোগালেও এটি শরীরে পানি শুন্যতা সৃষ্টি করে।
খালি পেটে চা শরীরে পটাশিয়াম এর মাত্রা বৃদ্ধি করে, যা কিডনি রোগীদের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর।
একজন সুস্থ মানুষ যদি খালি পেটে চা খায় এটি তার শরীর এ ক্ষুধামন্দা, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, অনিদ্রার মতো সমস্যার সৃষ্টি করে।
আবার অনেক সময় কোষ্টকাঠিন্য, অরুচির মতো সমস্যাও দেখা যায়।
পুষ্টিবিদদের মতে, চা কফি অস্বাস্থ্যকর পানীয় না হলেও এটির খাওয়ার সময়ের উপর স্বাস্থ্য সম্মতা নির্ভর করে।
তাই সকালে হালকা কিছু খেয়ে বা নাস্তা করে চা পান করুন। এই ক্ষেত্রে গ্রীন টিই শ্রেষ্ঠ হিসেবে বিবেচ্য কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে এন্টিঅক্সিডেন্ট!
27/06/2022
আমরা অনেকেই কাঠাল খেতে পছন্দ করি না।
কিন্তু এর উপকারিতা জেনে নিন এবং সিদ্ধান্ত নিন।
কাঁঠাল এর ২০টি উপকারিতা:
১। কাঁঠালে চর্বির পরিমাণ নিতান্ত কম। এই ফল খাওয়ার কারণে ওজন বৃদ্ধির আশংকা কম।
২। কাঁঠাল পটাশিয়ামের উৎকৃষ্ট উৎস। ১০০ গ্রাম কাঁঠালে পটাশিয়ামের পরিমাণ ৩০৩ মিলিগ্রাম। যারা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এ জন্যে কাঁঠালে উচ্চ রক্ত চাপের উপশম হয়।
৩। কাঁঠালে প্রচুর ভিটামিন এ আছে, যা রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে।
৪। কাঁঠালের অন্যতম উপযোগিতা হল ভিটামিন সি। প্রাকৃতিকভাবে মানবদেহে ভিটামিন “সি” তৈরি হয় না। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দাঁতের মাড়িকে শক্তিশালী করে ভিটামিন “সি”।
৫। কাঁঠালে বিদ্যমান ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস- আলসার, ক্যান্সার, উচ্চ রক্তচাপ এবং বার্ধক্য প্রতিরোধে সক্ষম।
৬। কাঁঠালে আছে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আমাদের দেহকে ক্ষতিকর ফ্রির্যাডিকেলস থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও আমাদেরকে সর্দি-কাশি রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।৭। টেনশন এবং নার্ভাসনেস কমাতে কাঁঠাল বেশ কার্যকরী।৮।বদহজম রোধ করে কাঁঠাল।
৯। কাঁঠাল গাছের শেকড় হাঁপানী উপশম করে। শেকড় সেদ্ধ করলে যে উৎকৃষ্ট পুষ্টি উপাদান নিষ্কাশিত হয় তা হাঁপানীর প্রকোম নিয়ন্ত্রণে সক্ষম।
১০। চর্মরোগের সমস্যা সমাধানেও কাঁঠালের শেকড় কার্যকরী। জ্বর এবং ডায়রিয়া নিরাময় করে কাঁঠালের শেকড়।
১১।কাঁঠালে আছে বিপুল পরিমাণে খনিজ উপাদান ম্যাঙ্গানিজ যা রক্তে শর্করা বা চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
১২।কাঁঠালে বিদ্যমান ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়ামের মত হাড়ের গঠন ও হাড় শক্তিশালী করণে ভূমিকা পালন করে।১৩।কাঁঠালে আছে ভিটামিন বি৬ যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।১৪।কাঁঠালে বিদ্যমান ক্যালসিয়াম কেবল হাড়ের জন্য উপকারী নয় রক্ত সংকোচন প্রক্রিয়া সমাধানেও ভূমিকা রাখে।
১৫।ছয় মাস বয়সের পর থেকে মায়ের দুধের পাশাপাশি শিশুকে কাঁঠালের রস খাওয়ালে শিশুর ক্ষুধা নিবারণ হয়। অন্যদিকে তার প্রয়োজনীয় ভিটামিনের অভাব পূরণ হয়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Merul Badda
Dhaka
1212
