Piles Medicine

Piles Medicine

Share

We are providing the special medicine for piles.

10/09/2021

বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে কৃমি ও পরজীবী তৈরি হয় এবং এগুলো অন্ত্রের ভেতরে বেড়ে ওঠে।এসব নিবারণের জন্য শক্তিশালী অ্যালোপ্যাথিক ঔষধ রয়েছে, কিন্তু খাদ্যতালিকায় নিম্নলিখিত খাবারগুলি অন্তর্ভুক্ত করে প্রাকৃতিকভাবে এগুলি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যেমনঃ

◾রসুনঃ রসুন মানবদেহে ব্যাকটেরিয়া এবং পরজীবী নিধনের জন্য পরিচিত। অ্যালিসিন এবং আজোইন যৌগের উপস্থিতি রোগ সৃষ্টিকারী অ্যামিবাসকে হত্যা করে।

◾হলুদঃ হলুদ তার অ্যান্টি_ক্যান্সার, প্রদাহ-বিরোধী এবং ক্ষত নিরাময়ের জন্য পরিচিত। এটি ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধেও কার্যকর এবং এটি একটি নিখুঁত রক্ত ​​পরিশোধক।যেকোনো উপায়ে এটি গ্রহণ করলে কৃমি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

◾কুমড়ার বিচিঃ এরমধ্যে রয়েছে কার্কুরবিটাসিন, একটি যৌগ যা অন্ত্র এবং পাচনতন্ত্রের কৃমি পঙ্গু করার ক্ষমতা রাখে।

◾পেঁপেঃ এই গ্রীষ্মমন্ডলীয় ফলের সবচেয়ে কার্যকর অংশ হল এর বীজ।পেঁপের বীজ টেপওয়ার্ম সহ পরজীবী কৃমির বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর। বীজ বা বিচি গ্রহণ করার সর্বোত্তম উপায় হল মধুর সাথে মিশিয়ে খাওয়া।

◾নিম পাতাঃ নিম_পাতা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। খালি পেটে কয়েকটি নিম পাতা চিবানো কেবল হজমে উন্নতি করে না বরং অন্ত্রের অঞ্চলে খারাপ ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস করে।

◾আদাঃ আদা পরোক্ষভাবে পরজীবী ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

◾শসার বিচিঃ শসার_বিচি পরিপাক নালীর ভেতরের টেপওয়ার্ম দূর করার জন্য পরিচিত। কার্যকরী ফলাফলের জন্য,সবসময় এই বীজ খালি পেটে খেতে হবে অথবা সেগুলোকে সূক্ষ্ম গুঁড়ো করে পিষে গ্রহণ করতে হবে।

◾লবঙ্গঃ লবঙ্গ মাইক্রোস্কোপিক পরজীবী এবং পরজীবী লার্ভা এবং ডিম মারার জন্য পরিচিত।এর মধ্যে রয়েছে ইউজেনল, সবচেয়ে শক্তিশালী কিলিং এজেন্ট যা ম্যালেরিয়া, যক্ষ্মা এবং কলেরার সাথে সম্পর্কিত ব্যাকটেরিয়া মারতে অত্যন্ত কার্যকর।

(তথ্যসূত্র কমেন্টে)

খাদ্য, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

09/09/2021

বাংলাদেশের অতিপরিচিত একটি ফল আমড়া। আমড়ার উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ অনেকেরই অজানা। আমড়ার পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা গুলো জেনে নেই-

পুষ্টি উপাদানে ভরপুর আমড়াতে রয়েছে আপেলের চেয়েও বেশি প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন।আমড়া ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ ফল। এতে আছে অ্যন্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইবার। যা শরীরের জন্য খুবই উপকারী।এছাড়াও আমড়াতে ক্যালরি কম থাকে তাই নির্বিঘ্নে খাওয়া যেতে পারে।

🔸ভিটামিন সি এর অভাব মিটায়ঃ

ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং কোলাজেনের উৎপাদনে সাহায্য করে। কোলাজেন স্কিন, লিগামেন্ট, টেন্ডন ও কার্টিলেজকে সুস্থ্য রাখতে সাহায্য করে। আমড়া ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। দৈনিক একটি আমড়া খেলে ভিটামিন সি এর চাহিদার পূরণ হয়। যা একটি অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন ও প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। আমড়ার ভিটামিন 'সি' ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে শরীরকে রক্ষা করে। আমড়ায় প্রচুর ভিটামিন 'সি' থাকায় এটি স্কার্ভি প্রতিরোধ করে।

🔸বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করেঃ

আমড়াতে বিভিন্ন দ্রবণীয় ফাইবার রয়েছে। এই ফাইবার পাকস্থলীর ক্রিয়া প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে ভুমিকা রাখে। তাই বদ হজম, পেট ফাঁপা, কোষ্ঠকাঠিন্যের মত অস্বস্তিকর সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আমড়া সহায়তা করে।

🔸সর্দি কাশি,ইনফ্লুঞ্জার সংক্রমণ থেকে বাঁচায়ঃ

আমড়া বিভিন্ন ভাইরাসের আক্রমন থেকে রক্ষা করা ছাড়াও সর্দি কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের জীবাণুর বিরুদ্ধে কাজ করে। যার ফলে নানা সংক্রমণ থেকে সহজেই রক্ষা পাওয়া যায়।

🔸 মুখে রুচি ও ক্ষুধা বৃদ্ধিতেঃ

আমড়ায় কিছু ভেষজ গুণ রয়েছে । এটি পিত্তনাশক ও কফনাশক। আমড়া খেলে মুখে রুচি ফেরে, ক্ষুধা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

🔸ক্যালসিয়ামের চাহিদা মেটাতেঃ

ক্যালসিয়ামের অভাব হলে হাড়ের রোগ, মাংস পেশীর রোগ, খিঁচুনি ছাড়াও অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমড়া ক্যালসিয়ামের একটি ভালো উৎস। প্রতিদিনের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে আমড়া খাওয়া যেতে পারে। শিশুর দৈহিক গঠনেও ক্যালসিয়াম খুব দরকারি। তাই শিশুদের এই ফল খেতে উৎসাহিত করা উচিত।

🔸আয়রন এর অভাব মিটাতেঃ

হিমোগ্লোবিন থাকে লাল রক্ত কণিকায়। তাই আয়রন জাতীয় খাবার বেশি খেলে লাল রক্ত কণিকার উৎপাদন বৃদ্ধি পায় । সারা শরীরে অক্সিজেন সরবরাহকারী আয়রন সমৃদ্ধ উপাদান হিমোগ্লোবিন ও মায়োগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে এ ফলের ভুমিকা রয়েছে। শরীরের সার্বিক কাজ ঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্যও আয়রনের দরকার হয়।

🔸ওজন নিয়ন্ত্রণে ভুমিকাঃ

আমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা খাদ্যআঁশ থাকে। তাই ওজন কমতে সাহায্য করে আমড়া। বদহজম ও
কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ সাহায্য করে ।

🔸হৃদরোগ প্রতিহত করতে:

আমড়ায় প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে যে, আমড়া সার্বিক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়। তাই আমড়া খাওয়া সার্বিক হৃদস্বাস্থ্যের জন্যই উপকারী।

🔸অ্যানেমিয়া বা রক্তশূন্যতা দূর করতে:

আমড়ায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকার কারণে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা সঠিক রাখতে সহায়তা করে। ফলে এটি রক্তস্বল্পতা রোধে কার্যকর ভুমিকা পালন করে।

🔸ত্বক সুস্থ রাখতে:

ত্বক, চুল ও নখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে আমড়া ফল। ত্বকের ব্রণ কমাতে, ত্বক উজ্জ্বল রাখতে আমড়া দারুণ উপকারী। আমড়ায় প্রচুর ভিটামিন সি রয়েছে যা ত্বক উজ্জ্বল রাখতে খুবই দরকার। তাই ত্বক সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে নিয়মিত আমড়া খাওয়া যেতে পারে।

(তথ্যসূত্র- কমেন্টে)

খাদ্য,পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে।

08/09/2021

সবুজ এবং লাল মরিচ উভয়েরই নিজস্ব উপকারিতা রয়েছে।
শুকনো বা গুঁড়া মরিচের তুলনায় কাঁচা মরিচে ক্যাপসাইকিনের পরিমাণ বেশি। সবুজ কাঁচা মরিচে ভিটামিন সি থাকে, এবং লাল মরিচে বিটা ক্যারোটিন থাকে যা পরবর্তীতে ভিটামিন এ তে রূপান্তরিত হয় । তাই রান্নায় বা সালাদে কাঁচা_মরিচ থাকলে তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি ।

এছাড়াও লাল_মরিচ রক্ত জমাট বাঁধা এবং হার্টের ব্লক পরিষ্কার রাখতে সহায়তা করে।

(তথ্যসূত্র কমেন্টে)

খাদ্য, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে।

06/09/2021

ড্রাগন ফল হাইলোসেরিয়াস নামে একটি ক্লাইম্বিং ক্যাকটাসে বেড়ে ওঠা একটি ফল, যা সারা বিশ্বের গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়।

💠 উপকারিতাঃ

🔸হর্টের জন্য উপকারিঃ
ড্রাগন ফলের বীজে হার্টের জন্য উপকারী ওমেগা ৩ ও ওমেগা ৯ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। এই কারণে এই ফল খেলে হার্টের রোগের ঝুঁকি ও জয়েন্টের ব্যথা কমে যায়।

🔸কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করেঃ
ড্রাগন ফলে ফাইবার থাকে যা অন্ত্রের বর্জ্য দূরীকরণে সহায়তা করে।

🔸অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করেঃ
ড্রাগন উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে।

🔸 ইমিউনি সিস্টেমকে শক্তিশালী করে:
ইমিউনিটি সিস্টেমের কার্যক্ষমতা বাড়াতে খাদ্য তালিকাতে ড্রাগন ফলকে রাখা যায় কারণ এতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। যা ইমিউনিটি সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

🔸চুল পড়া কমায়ঃ আয়রন ঘাটতির কারণে চুলপড়া সমস্যা হতে পারে। নিয়মিত ড্রাগন ফল খেলে চুলপড়া কমে। এই ফল আয়রন ঘাটতি জনিত রক্তস্বল্পতার অন্যান্য উপসর্গও প্রশমিত করে। যেমন- অত্যধিক ক্লান্তি, ত্বকের বিবর্ণতা, মনোনিবেশে সমস্যা, মাথাব্যথা ও হাত-পায়ে ঠান্ডা অনুভূতি।

পুষ্টি, খাদ্য ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে।

04/09/2021

মাথা ব্যথা বিভিন্ন কারণে হয়ে থাকে। দুশ্চিন্তা, মাইগ্রেন, অতিরিক্ত ধূমপান, ব্যথানাশক ওষুধের বেশি ব্যবহার, শরীরের পানি শূন্যতা ইত্যাদি কারণে। তবে ঘরোয়া পদ্ধতিতে মুক্তি পাওয়া সম্ভব মাথা ব্যথা থেকে।
মাথা ব্যথা হতে মুক্তিতে আদার রয়েছে কার্যকরী ভূমিকা।সঠিক উপায়ে এর গ্ৰহণ ও ব্যবহারে দূর হবে মাথা ব্যথা।

(তথ্যসূত্র কমেন্টে)

খাদ্য,পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে।

03/09/2021

◾কলিজা: খাসি বা গরুর কলিজায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ভিটামিন বি আছে। তবে যাদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে তাদের অবশ্যই গরুর কলিজা থেকে দূরে থাকতে হবে।

◾শাক সবজি: কচু শাক, কচুর লতি, কচু, পালং শাক, বিট, লেটুস, ব্রকোলি, ধনিয়া পাতা এবং পুদিনা পাতা নিয়মিত খেলে রক্তস্বল্পতা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কারণ এই শাক সবজিগুলোতে আয়রনের পাশাপাশি ফলিক এসিড আছে যেগুলো রক্তের হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

◾ডাল: মসুর, মুগ কিংবা মাসকলাইয়ের ডাল এ ফোলেট থাকে যা রক্তের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

◾ডিম: রক্তস্বল্পতা কমিয়ে শরীরে রক্তের পরিমাণ বাড়াতে ডিম খুব উপকারী। ডিমের কুসুমে রয়েছে আয়রন। এটি শরীরে লোহিত রক্তের কণিকার পরিমাণ বাড়ায়।

◾ভিটামিন সি জাতীয় ফল: আমাদের দেহে রক্তকোষ তৈরিতে ভিটামিন সি জাতীয় ফলের উপকারিতা অনেক বেশি।

◾দুধ: দুধে খুব বেশি পরিমাণে আয়রন না থাকলেও এতে প্রায় সব রকমের ভিটামিন আছে। এছাড়াও দুধে আছে পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম। এই খাদ্য উপাদানগুলো রক্তের হিমোগ্লোবিন বাড়িয়ে রক্তস্বল্পতা দূর করতে সহায়তা করে।

◾মাছ: শিং মাছ, টেংরা মাছ ইত্যাদি সব মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন।

◾ফলমূল: ফলমূলে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকে। যেমন আপেল, টমেটো, বেদানা, কলা, আঙ্গুর, কমলা, গাজর ইত্যাদি খেলে রক্তস্বল্পতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

◾মধু: মধু একটি উচ্চ ঔষধি গুণসম্পন্ন ভেষজ তরল। এটি আয়রনের একটি ভালো উৎস। আয়রন ছাড়াও মধুতে কপার ও ম্যাঙ্গানিজ আছে। এই উপাদানগুলো শরীরে হিমোগ্লোবিন প্রস্তুত করতে সহায়তা করে।

◾সয়াবিন: সয়াবিনে রয়েছে উচ্চমাত্রায় আয়রন এবং ভিটামিন। এর মধ্যে থাকা সাইট্রিক এসিড রক্তস্বল্পতার সঙ্গে লড়াই করে।

◾চীনাবাদাম: রক্তাল্পতার হাত থেকে মুক্তি পেতে হলে প্রতিদিন চীনাবাদাম খাওয়া জরুরি। চীনাবাদামে থাকা আয়রন রক্তাস্বল্পতার সমস্যাকে দূরে রাখে।

◾খেজুর: খেজুরের পুষ্টিগুণ অতুলনীয়। খেজুরে রয়েছে ভরপুর আয়রন। তাই রক্তাস্বল্পতার সমস্যা দূরে রাখে খেজুর।

(তথ্যসূত্র কমেন্টে)

খাদ্য,পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে।

03/09/2021

পান পাতা চিবোলেই বহু উপকার ‼️ তা জানেন কি⁉️

● কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে-
শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পানের বোঁটা ক্যাস্টর অয়েল বা সরষের তেলে ডুবিয়ে তা মলদ্বারে ঢুকিয়ে ডুস দেয়া হয়। এতে শিশুদের পেটে জমে থাকা মল বেরিয়ে আসে। বড়দের ক্ষেত্রে রাতে ১টি পান পাতা কুচি কুচি করে কেটে এক গ্লাস পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রেখে সকালে তা ছেঁকে খালি পেটে কয়েক দিন খেলে কোষ্ঠ্যকাঠিন্য চলে যায়। না ভিজিয়ে রাখতে পারলে সকালে পান ছেঁচে রস বের করে তা পানির সাথে মিশিয়ে খালি পেটে খেতে হবে।

● হজমে সাহায্য করে-
পান খেলে লালাগ্রন্থির নিঃসরণ বেড়ে যায়। এ লালার কারণেই হজমের প্রথম ধাপের কাজ শুরু হয়। লালার মধ্যে থাকা বিভিন্ন এনজাইম বা উৎসেচক খাদ্যকে কণায় ভাঙতে সাহায্য করে যার ফলে হজম ভালো হয়।

● মুখের দুর্গন্ধ দূর করে-
খাবার গ্রহণের পর তার কণা মুখের ভেতরে, দাঁতের ফাঁকে লেগে থাকে। এগুলো ব্যাকটেরিয়া পচিয়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে। পানের রস জীবাণুনাশক হিসেবে কাজ করে এসব ব্যাকটেরিয়াকে জন্মাতে দেয় না। ফলে মুখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও মুখে দুর্গন্ধ হয় না।

● পাইওরিয়া ভালো করে-
দাঁতের মাড়ি দূষিত হলে সেখানে ফুলে যায় ও পুঁজ হয়, ক্ষত হয়। এক্ষেত্রে পানের রসের সাথে অল্প পানি মিশিয়ে কুলকুলি করলে সেখান থেকে আর পুঁজ পড়ে না, ধীরে ধীরে ক্ষতও শুকিয়ে যায়। মুখগহ্বরে কোনো ক্ষত হলে পানের রসে তার উপশম হয়। পানের রসে এসকরবিক এসিড আছে যা একটি চমৎকার এন্টিঅক্সিডেন্ট। এটা মুখের ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

● ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে-
পান রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বলে গবেষণায় জানা গেছে। পানের রসের ডায়াবেটিস প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য আছে।

● মূত্র স্বল্পতা উপশম করে-
যাদের কম প্রস্রাব হয় বা প্রস্রাব করতে গেলে কষ্ট হয় তারা পান পাতার রস সেবন করে উপকার পারেন। এক্ষেত্রে ১টি পান পাতা ছেঁচে রস করতে হবে। সেই রস একটু দুধের সাথে মিশিয়ে পান করলে উপকার হবে। এতে দেহে পানি ধারণ ক্ষমতা বাড়বে ও মূত্রকৃচ্ছতা চলে যাবে।

● চর্মরোগ ও আঁচিল সারিয়ে তুলতে সহায়ক।
● ক্ষত ও ব্যথা সারায়।
● ঠাণ্ডা লাগা দূর করে, বুকে জমে থাকা সর্দি বের করে দেয়।
● মাথা ব্যথা দূর করে।
● পিঠে ব্যথার উপশম করে।
● এন্টিসেপটিকের কাজ করে।
● গলাব্যথা দূর করে।
● শিশুদের পেট ব্যথা কমায়।
● ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
● ব্রণ ও মেছতা দূর করে।
● নখকুনির ব্যাথা দ্রুত সারায়।
● কান পাকা ও ফোড়া থেকে দ্রুত মুক্তি দেয়।
● চুল পরা রোধে কার্যকর।
● চুলে থাকা উকুনের জন্য প্রাকৃতিক বিষ।

(তথ্যসূত্র কমেন্টে)

খাদ্য,পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে।

01/09/2021

বাজারে সবুজ, লাল, হলুদ এই তিন রঙের ক্যাপসিকাম পাওয়া যায়।

ক্যাপসিকামের নানা উপকারিতা রয়েছে। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম ক্যাপসিকামে ৮৬০ মিলিগ্রাম প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও ভিটামিন সি থাকে। এ ছাড়া এতে ভিটামিন বি, ই, কে, থিয়ামিন, ফলিক অ্যাসিড, রাইবোফ্ল্যাভিন ইত্যাদি পাওয়া যায়।

◾লাল ক্যাপসিকাম - এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ম্যাঙ্গানিজ এবং ফাইবার থাকে।
● এটি ত্বকের স্বাভাবিকতা বজায় থাকে।
● চুলের সৌন্দর্য বাড়ায়, নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
● চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
● যে কোনও ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে।
● খনিজের অভাব পূরণ করে।
● পটাশিয়াম বেশি থাকার কারণে বয়স্কদের জন্য #লাল ক্যাপসিকাম খাওয়াই ভালো।

◾সবুজ ক্যাপসিকাম - এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং ভিটামিন ই, আয়রন এবং জিঙ্ক থাকে।
● #ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে।
● মাইগ্রেন, সাইনাস, সংক্রমণ, দাঁতে ব্যথা, অস্টিওআর্থ্রাইটিস ইত্যাদি ব্যথা দূর করে।
● রক্তের অণুচক্রিকা উদ্দীপিত করে সংক্রমণ রোধ করে থাকে।

◾হলুদ ক্যাপসিকাম - এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ, ভিটামিন সি , ভিটামিন বি, পটাসিয়াম এবং ফাইবার রয়েছে।
● #হজমশক্তি বাড়ায়।
● #কোলেস্টেরল কমায়।
● #উচ্চরক্তচাপ কমায় ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

যেহেতু #ক্যাপসিকামে প্রচুর #ভিটামিন-সি রয়েছে। তাই এই সবজি কখনোই অতিরিক্ত তাপমাত্রায় রান্না করা উচিত নয়। এতে এর ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়।

(তথ্যসূত্র কমেন্টে)

খাদ্য,পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে।

27/08/2021

কোলেস্টেরল একটি চর্বিযুক্ত পদার্থ যা লিভার দ্বারা প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয় এবং রক্তে পাওয়া যায়।কিন্তু এর পরিমাণ রক্তে খুব বেশি বেড়ে গেলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হয়।

যখন কোলেস্টেরল ধমনীতে জমা হয়, এটি রক্ত ​​প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করে। যা করোনারি হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের মতো রোগের উদ্ভব ঘটায়।বিভিন্ন খাবার বিভিন্ন উপায়ে কোলেস্টেরল কমায়। একটি পুষ্টিকর, সুষম খাদ্য তালিকা অনুসরণ করলে খারাপ কোলেস্টেরল পরিমাণ কমানো সম্ভব।

(তথ্যসূত্র কমেন্টে)

খাদ্য, পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

22/08/2021

গত কয়েক বছর ধরেই শোনা যাচ্ছে দেশের বাজারে প্লাস্টিকের ডিম ছেয়ে গেছে। চারপাশে এই ভেজালের দুনিয়াতে ডিমেও এখন ভেজাল। প্রথম প্রথম কৃত্রিম ডিমের বিষয়কে গুজব মনে হলেও এখন সেটা বাস্তব। বাংলাদেশ সহ আশেপাশের অনেক দেশেই নকল ডিমের সন্ধান পাওয়া গেছে। চীনে তৈরি এই নকল ডিম একেবারে আসলের মতো দেখতে। তাই তো খালি চোখে দেখে বোঝা সম্ভব নয়, কোন ডিমটা আসল, আর কোনটা নকল। একারণে নিজের ও পরিবারের সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্যে নকল ডিম চিনে রাখা জরুরী।

(তথ্যসূত্র কমেন্টে)

ডিজাইনঃ মামুনুর তাসনীম।

খাদ্য,পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে।

19/08/2021

এলার্জি একটি শারীরিক অবস্থা। একটি খাবার/ বস্তু একজনের জন্য নিরাপদ হলেও অন্য একজনের জন্য হুমকি স্বরূপ হতে পারে। বিভিন্ন বস্তুতে এলার্জি হয় তবে তার মধ্যে খাবার অন্যতম।

♦ কারনঃ
অনেকেরই খাদ্য গ্রহণে এলার্জি হয়ে থাকে।বিভিন্ন ধরণের প্রোটিন এই এলার্জির জন্য দায়ী। প্রোটিনের প্রকৃতির উপর এই এলার্জি নির্ভর করে। বিশেষ কোনো প্রোটিন রক্তে প্রবেশ করলে, রক্তের এন্টিজেন ও এন্টিবডি বিক্রিয়া করে। যার ফলে হিস্টামিন নির্গত হয় ও এলার্জির লক্ষণ প্রকাশ পায়।

♦ লক্ষণঃ
এলার্জি বিভিন্নভাবে লক্ষণ প্রকাশ করতে পারে। তার মধ্যে সাধারন কিছু লক্ষণ হলোঃ
- ত্বকের উপরিভাগ ফুলে যাওয়া ও চুলকানি হওয়া।
- চোখ লাল হওয়া, ফুলে যাওয়া ইত্যাদি।
- নাক দিয়ে ক্রমাগত পানি পড়া, মাথা ধরা ও মাথা যন্ত্রণা হওয়া।
- পাতলা পায়খানা, অ্যাজমা বা শ্বাস কষ্টও এলার্জির জন্য হতে পারে।

♦ করণীয়ঃ
কোন খাবার থেকে #এলার্জি হচ্ছে তা জানাতে সুপরিকল্পিত ভাবে ও সূক্ষ্মতার সাথে আলাদা আলাদা খাবার গ্রহনের মাধ্যমে, এলার্জি সৃষ্টিকারী খাবারটি চিহ্নিত করতে হবে। অতঃপর তা খাদ্য তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।
অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেক খাবার খাদ্য তালিকা খেকে বাদ দিতে হয় #এলার্জির জন্য।
তাই এমনভাবে খাবার নির্বাচন করতে হবে যাতে বিকল্প উপায়ে অন্য খাবারের মাধ্যমে খাদ্যের চাহিদা পূরণ সম্ভব হয়।

♦ চিকিৎসাঃ
বিভিন্ন ভাবে এলার্জির চিকিৎসা করা হয়ে থাকে।
পদ্ধতি-১: ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে ঔষুধ সেবনের মাধ্যমে।
পদ্ধতি-২: বেশি তাপে ও বেশি সময় নিয়ে খাবারটি উত্তপ্ত করা। এতে খাবারটিতে থাকা প্রোটিনের প্রকৃতি বদলানো যায়। ফলে পরিবর্তিত প্রোটিন গ্রহণ করলে এলার্জি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
পদ্ধতি-৩: এলার্জি সৃষ্টিকারী খাবারকে খুব সামান্য পরিমাণে অন্য খাবারের সাথে মিশিয়ে আস্তে আস্তে রোগীকে খাবারটিতে অভ্যস্ত করানো যায়।এতে রোগীর রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা সৃষ্টি হয়।

খাদ্য,পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সঠিক ও আপডেটেড তথ্য পেতে জয়েন করুন আমাদের ফেইসবুক পেইজে।

19/08/2021

কলার উপকারিতা 🍌🍌🍌

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Mirpur
Dhaka
1216