Rabiul Islam
"স্বপ্নের পথে এগিয়ে চলছি, আপনাদের সমর্থন ও ভালোবাসায়। নিজেকে গড়তে এবং সবার পাশে থাকতে চাই।"
❥❥➸RDR➸➽
🦋🩸🅰️+🦋
25/08/2024
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল
কখন পড়বেন👇
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল কখন পড়বেন
‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল, নিমাল মাওলা ওয়া নিমান নাসির।’ এই দোয়া জিকির যেকোনো সময় করা যায়। অসুস্থ বা উদ্বিগ্ন অবস্থায়, কোনো ক্ষতির আশঙ্কায় অথবা শত্রুর হাত থেকে মুক্তির জন্য এ দোয়া বিশেষ কার্যকর।
আল্লাহই যথেষ্ট এবং উত্তম সাহায্যকারী। অন্য দোয়ার মতো আল্লাহর কাছে কোনো আবেদন করা হয় না। দোয়াটি এত গুরুত্বপূর্ণ যে হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.) সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোতে এই দোয়া পড়তেন।
হজরত ইব্রাহিম (আ.)–কে যখন অবিশ্বাসী অত্যাচারী শাসক নমরুদ আগুনে নিক্ষেপ করে, তখন তিনি পড়েন ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল’। যার ফলে আল্লাহ হজরত ইব্রাহিম (আ.)–কে আগুন থেকে রক্ষা করেছিলেন।
এটি পড়ার কথা সহিহ হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত। রাসুল (সা.) মুশরিকদের হামলা হবে, এমন খবর শুনে হামরাউল আসাদ নামক জায়গায় দোয়াটি পাঠ করেন। (বুখারি, হাদিস: ৪৫৬৩)
ওয়াকিল মানে হলো অভিভাবক। মানুষ যখন আল্লাহর হাতে নিজেদের কোনো সংকটকালীন মুহূর্তে সোপর্দ করে, তখন আল্লাহ নিজেই তাদের হেফাজত করা এবং সমস্যা সমাধান করার যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেন।
‘আল্লাহ ও তাঁর রাসুল ওদেরকে যা দিয়েছেন, তাতে যদি ওরা তুষ্ট হতো, তাহলে বলা হতো আর যদি বলত আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট। আল্লাহ অবশ্যই শিগগিরই নিজের অনুগ্রহ থেকে আমাদের দান করবেন ও তাঁর রাসুল দান করবেন; আমরা আল্লাহরই ভক্ত। (সুরা তওবা, আয়াত: ৫৯)
আবার সুরা তওবার শেষ আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘তারপর ওরা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তুমি বলো আমার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট; তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। আমি তাঁর ওপরই নির্ভর করি আর তিনি মহা আরশের অধিপতি।’ (সুরা তওবা, আয়াত: ১২৯)
হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল এর ফজিলত
ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, যখন ইব্রাহিম (আ.)–কে আগুনের কুণ্ডে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, তখন তিনি বলেছিলেন—হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল। ফলে তিনি রক্ষা পেয়েছিলেন। সেই জ্বলন্ত আগুন তাঁর জন্য শীতল হয়ে পড়েছিল। মুহাম্মদ (সা.) তখন বলেছিলেন, ‘যখন লোকেরা বলেছিল, (কাফির) লোকেরা তোমাদের মোকাবিলার জন্য সমবেত হয়েছে। ফলে তোমরা তাদের ভয় করো।
কিন্তু এ কথা তাদের ইমান বাড়িয়ে দিল এবং তারা বলল—হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিমাল ওয়াকিল। অর্থাৎ আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনিই উত্তম কর্মবিধায়ক।’ সাহাবিরা এই দোয়া আমল করেছিলেন খন্দকের যুদ্ধের সময়। যখন সাহাবিরা জানতে পারলেন ১০ হাজার সেনা এসে মদিনা শহরকে ঘেরাও করতে যাচ্ছে, তখনো তাঁরা আল্লাহর কাছে এই বলে সাহায্য কামনা করেছিলেন—হাসবুনাল্লাহি ওয়া নিমাল ওয়াকিল। (বুখারি: ৪৫৬৩-৪৫৬৪)
আল্লাহ সে প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘তাদেরকে লোকে বলেছিল যে তোমাদের বিরুদ্ধে লোক জমায়েত হয়েছে। সুতরাং তোমরা তাদের ভয় করো । তখন এ তাদের বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছিল আর তারা বলেছিল ‘আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট, আর তিনিই কত ভালো কর্মবিধায়ক।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৭৩)
08/06/2024
05/06/2024
Love and Respect ❣️
01/06/2024
ইসলামে পরকীয়ায় শাস্তি কঠোর
স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির সাথে প্রেম ও যৌন সম্পর্ককেই পরকীয়া বলে। ইসলাম ও নৈতিকতা এসব সম্পর্ককে কখনোই মেনে নেয় না। ইসলাম এ-জাতীয় অবৈধ সম্পর্কের ভয়াবহ শাস্তির বিধান দিয়েছে।গোনাহে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকলে স্বামী বা স্ত্রীর দূরে থাকা ইসলামে জায়েজ নেইইসলাম শান্তির ধর্ম। অশান্তি, অনৈতিকতা ইসলাম পছন্দ করে না। আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুল সা. অনৈতিকতাকে কঠোর হাতে দমন করতে নির্দেশ দিয়েছেন। মানুষের জৈবিক চাহিদা পূরণের বৈধ উপায় দিয়েছেন আল্লাহ তাআলা। অবৈধ উপায় পরিহার করার নির্দেশনাও রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বিয়ের মতো পবিত্র সম্পর্কের বিধান দিয়েছেন। পরকীয়া-ব্যভিচার অবৈধ সম্পর্কে নারী-পুরুষের মেলামেশাকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন।
নারী-পুরুষ সবাইকেই চরিত্র সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে ইসলাম। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেন, ‘তোমরা ব্যভিচারের নিকটবর্তী হয়ো না। এটা অশ্লীল কাজ ও নিকৃষ্ট আচরণ।’ (সুরা: বনি ইসরাইল ৩২)ব্যভিচারকারীদের শাস্তি হিসেবে অন্য একটি আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘ব্যভিচারকারী নারী ও পুরুষ উভয়কে ১০০টি করে বেত্রাঘাত করো’ (সুরা: নুর ২)। এটা অবিবাহিত জিনাকারীর শাস্তি। আর পরকীয়া কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে বিবাহিত নারী-পুরুষ যদি জিনায় লিপ্ত হয়, তাদের জন্য ইসলামে আরও ভয়াবহ শাস্তি রয়েছে। পাথর নিক্ষেপের মাধ্যমে তাদের মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে ইসলাম। ব্যভিচারের শাস্তি হিসেবে আল্লাহ বলেন, ‘ব্যভিচারী ও ব্যভিচারিণী উভয়কে একশ করে বেত্রাঘাত কর।’ (সুরা: নুর ২)
হাদিসে নববীতে ব্যভিচারের ভয়ানক শাস্তির কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সা. বলেন,হে মুসলমানগণ! তোমরা ব্যভিচার পরিত্যাগ কর। কারণ, এর ছয়টি শাস্তি রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি দুনিয়াতে ও তিনটি আখেরাতে প্রকাশ পাবে। যে তিনটি শাস্তি দুনিয়াতে হয় তা হচ্ছে: তার চেহারার ঔজ্জ্বল্য নষ্ট হয়ে যাবে, তার আয়ু সংকীর্ণ হয়ে যাবে, তার দারিদ্রতা চিরস্থায়ী হবে। আর যে তিনটি শাস্তি আখেরাতে প্রকাশ পাবে তা হচ্ছে: সে আল্লাহর অসন্তোষ, কঠিন হিসাব ও জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে।’ (বায়হাকি, হাদিস ৫৬৪)
হজরত সাহল ইবনে সাদ রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেন, ‘যে ব্যক্তি মুখ ও লজ্জাস্থানের হেফাজতের জামিনদার হবে আমি তার বেহেশতের জামিনদার হব।’ (বুখারি ৭৬৫৮)
বর্তমান সমাজে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় পরিবারে দেবরের সঙ্গে ভাবির সম্পর্ক। দেবরকে মৃত্যুর মতো ভয় করতে বলা হয়েছে। কঠিনভাবে হারামের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। হজরত উকবা ইবনে আমের রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সা. বলেন,
‘সাবধান! তোমরা নির্জনে নারীদের কাছেও যেয়ো না।’ এক আনসার সাহাবি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! দেবর সম্পর্কে আপনার নির্দেশ কী? রাসুল সা. বললেন, ‘দেবর তো মৃত্যুর সমতুল্য।’ (মুসলিম হাদিস ২৪৪৫)
বর্তমান সমাজে সবচেয়ে বড় সমস্যা পরকীয়া। ব্যাপক হারে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে উঠছে। পরকীয়ায় বলি হচ্ছে স্বামী, স্ত্রী ও সন্তান। প্রবাসীদের স্ত্রীরা সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে পড়ছেন এতে।হজরত ওমর রা. মেয়ে হজরত হাফসা রা.-কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আমার মেয়ে! নারীরা তাদের স্বামী থেকে কতদিন পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করে থাকতে পারে? তখন হাফসা রা. বললেন, মেয়েরা তাদের স্বামী থেকে চার মাস পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করে থাকতে পারে। এরপর থেকে হজরত উমর রা. চার মাস পরপর মুজাহিদ বাহিনীকে ফেরত নিয়ে আসতেন। নতুন বাহিনী পাঠিয়ে দিতেন।’ (মুসান্নাফে আবদুর রাজজাক, হাদিস ১২৫৯৪)
তবে কেউ যদি প্রয়োজনে বেশি সময় দূরে থাকতে চান তাহলে স্ত্রীর কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে। স্ত্রী যদি অনুমতি দেন, এ সময় নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন বলে দৃঢ় প্রতিজ্ঞা করেন, বাস্তবেও তেমনটি দেখা যায় তাহলে স্বামী চার মাসেরও বেশি সময় দূরে থাকতে পারবেন।
যদি স্ত্রীর কাছ থেকে দূরে থাকার কারণে স্বামী বা স্ত্রী কোনো গোনাহে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা থাকে তাহলে চার মাসের কম সময়ও দূরে থাকা জায়েজ হবে না। (নাসায়ি ৩৪৬৫)
বাংলাদেশের আইনেও পরকীয়া একটি জঘন্যতম অপরাধ। দণ্ডবিধি ৪৯৭ ধারায় পরকীয়ার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোনো ব্যক্তি, অপর কোনো ব্যক্তির স্ত্রীর সঙ্গে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হয় যা ধর্ষণ বলে গণ্য নয় তবে সেই ব্যক্তি ব্যভিচারের অপরাধে অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই ক্ষেত্রে ৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম/বিনাশ্রম বা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।
27/05/2024
চাহিদা সীমিত রাখলে যে উপকার👇
মানুষের চাহিদার শেষ নেই। তবে চাহিদা পূরণের সুযোগ সীমিত। তাই বুদ্ধিমানের কাজ হচ্ছে চাহিদা সীমিত করে ফেলা। পার্থিব জীবনে সবকিছুর পরিপূর্ণতা সম্ভব হয় না। যারা দুনিয়ার জীবনে সব পেতে চায় তারা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে একসময়। তাই যতটুকুতে প্রয়োজন পূর্ণ হয়, তাতে সন্তুষ্ট থাকাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ এবং এর উপকারিতাও বেশ। অল্পে তুষ্ট থাকা নবীজি (সা.) ও সাহাবাদের অনুপম আদর্শ। এ আদর্শ গ্রহণ করলে কোনো মুমিনকে দুনিয়ার জীবনে মানসিক দুশ্চিন্তার সম্মুখীন হতে হবে না। যে ব্যক্তি অল্পতে তুষ্ট হবে তার ইবাদতে আল্লাহ সন্তুষ্ট হবেন। তাই মুমিনকে আল্লাহ প্রদত্ত রিজিক প্রাপ্তিতে সন্তুষ্ট থাকা উচিত। যদিও তা অল্প হয়। এ প্রসঙ্গে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি অল্প রিজিকে পরিতৃপ্ত ও আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হয় আল্লাহ তায়ালা তার অল্প আমলে সন্তুষ্ট হন।’ (বায়হাকি)
মানুষের মুখে মাটি না পড়া পর্যন্ত চাহিদা বাড়তেই থাকে। মরার আগ পর্যন্ত মানুষ চাইতেই থাকে। যেহেতু মানুষের এই চাহিদা কখনও শেষ হওয়ার নয়, তাই তা সীমিত রাখার মধ্যেই মানবজীবনে সুখ আসে। মানুষের হাজার বছরের অভিজ্ঞতা যেসব অব্যর্থ পরামর্শ দিয়ে চলার পথকে সহজ করেছে, মিতচারী জীবনচিন্তা এর অন্যতম একটি। এই যে প্রতিদিন রোজগারের নেশায় লাখ লাখ মানুষ নামছে স্বপ্ন ও সাধে তারা প্রায় সবাই উচ্চাভিলাষী। হজরত মিকদাম বিন মায়াদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি- কোনো ব্যক্তি তার পেট অপেক্ষা মন্দ কোনো পাত্রকে ভর্তি করেনি। আদম সন্তানের জন্য এই পরিমাণ কয়েক লোকমাই যথেষ্ট, যা দ্বারা সে নিজের কোমরকে সোজা রাখতে পারে। যদি এর অধিক খাওয়া প্রয়োজন মনে করে তবে এক-তৃতীয়াংশ খাদ্য আরেক
তৃতীয়াংশ পানীয় এবং অপর তৃতীয়াংশ শ্বাস প্রশ্বাসের জন্য খালি রাখবে। (তিরমিজি : ২৫৫৪)
মদিনায় আসহাবে সুফফাবাসীর জীবন ছিল খুবই সাধারণ। আসহাবে সুফফার পরিচয় হলো- তরুণ, অবিবাহিত ও দরিদ্র সাহাবিদের একটি দলের নাম, যারা সুফফা নামক স্থানে বসবাস করতেন, যা নবী যুগে তিনি (হজরত মোহাম্মদ (সা.) মসজিদে নববী চত্বরের এক পাশে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আসহাবে সুফফা ছিলেন দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অন্তর্গত। তাদের কোনো ঘরবাড়ি এবং কোনো সহায়-সম্পদ ছিল না। তাদের আর্থিক অবস্থা এতই শোচনীয় ছিল যে, শীত নিবারণ কিংবা পুরো শরীর আবৃত করার মতো কোনো কাপড় তাদের ছিল না। এ অবস্থায় অর্ধআবৃত পোশাক নিয়ে তারা বাইরে আসতে লজ্জাবোধ করতেন। অন্যদিকে সুফফার চতুর্দিকে খোলা ছিল বলে অবাধে ধুলাবালি প্রবেশ করত। ফলে তাদের পোশাক পরিচ্ছদ ময়লা হয়ে যেত।
হাদিসে আছে,
হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় আমি সুফফাবাসীদের মধ্য থেকে ৭০ জন লোককে দেখেছি যে, তাদের কারও কাছে একটি চাদরও ছিল না। হয়তো একটি লুঙ্গি অথবা একটি কম্বল ছিল, যা তারা নিজের ঘাড়ের সঙ্গে পেঁচিয়ে রাখত। এটা কারও অর্ধ-গোড়ালি পর্যন্ত আবার কারও টাখনু পর্যন্ত পৌঁছত। আর তারা তা নিজেদের হাতে ধরে রাখতেন- গোপনাঙ্গ প্রকাশ পাওয়ার ভয়ে।
(বোখারি : ৪৪২)
তাই আসুন, দুনিয়ার জীবনে বিলাসিতা কিংবা অনেক কিছু পাওয়ার পেছনে না ছুটে আমরাও প্রয়োজন পরিমাণ প্রাপ্তিতেই তুষ্ট থাকি। আল্লাহ আমার জন্য যতটুকু রিজিক রেখেছেন, তাতেই নিজের কল্যাণ মনে করে আল্লাহর ইবাদতে মগ্ন থাকি। আল্লাহ আমাদের
কবুল করুন। 🤲আমিন🤲
25/05/2024
দেখে মনে হয় ৯০% তোর মত
নীল পরী
24/05/2024
জুমার দিনের ফজিলত ও বিশেষ আমল
ইসলামের দৃষ্টিতে পবিত্র জুমা ও জুমাবারের রাত-দিন অপরিসীম গুরুত্বপূর্ণ। জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে।
জুমার দিনের সওয়াব ও মর্যাদা ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার মতোই। এ দিন ইসলামী ইতিহাসে বড় বড় ও মহৎ কিছু ঘটনা ঘটেছে। জুমার গুরুত্ব আল্লাহ তায়ালার কাছে এত বেশি যে, কোরআনে ‘জুমা’ নামে একটি স্বতন্ত্র সূরা নাজিল করা হয়েছে।
আল্লাহ তা'আলা কোরআনে ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ! জুমার দিন যখন নামাজের আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে (মসজিদে) এগিয়ে যাও এবং বেচা-কেনা (দুনিয়াবি যাবতীয় কাজকর্ম ছেড়ে দাও। এটা তোমাদের জন্য কল্যাণকর; যদি তোমরা জানতে। (সূরা জুমা- ০৯)।
রাসুল (সা.) একটি হাদিসে বলেছেন, মুমিনের জন্য জুমার দিন হলো সাপ্তাহিক ঈদের দিন।(ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বর ১০৯৮)।
এক হাদিসে নবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে দিনগুলোতে সূর্য উদিত হয়, ওই দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। ওই দিন হজরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছে। ওই দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং ওই দিনই তাকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়। আর ওই দিনই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। (মুসলিম শরিফ , হাদিস নম্বর ৮৫৪)
মহানবী (সা.) আরো ইরশাদ করেছেন, জুমার দিন দোয়া কবুল হওয়ার একটি সময় আছে , কোনো মুসলিম যদি সেই সময়টা পায়, আর তখন যদি সে নামাজে থাকে, তাহলে তার যেকোনো কল্যাণ কামনা আল্লাহ পূরণ করেন। (বুখারি, হাদিস নম্বর ৬৪০০)
জুমার দিনের বিশেষ আমল
রাসুল (সা.) এরশাদ করেন, তোমরা জুমার দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো, কেননা তোমাদের পাঠকৃত দরুদ আমার সামনে পেশ করা হয়। (আবু দাউদ, হাদিস নম্বর ১০৪৭)।
এমনিতেই তিরমিজি শরিফের হাদিস অনুযায়ী আমরা জানতে পারি, যে ব্যক্তি দরুদ পাঠ করে আল্লাহ তার ওপর ১০টি রহমত নাযিল করবেন। সুতরাং আমাদের জুমার দিন অন্যান্য আমলের সাথে সাথে বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে হবে।
জুমার গুরুত্ব ও তাৎপর্য বিবেচনা করে প্রতিটি মুসলিমের উচিত এই দিনটিকে কাজে লাগানো।
(পুরনো ছবি)
21/05/2024
আপনি কি সরকারি খাস জমি লিজ নিতে চান?
ভূমিসেবার পরামর্শক দের সাহায্যে জেনে নিন সরকারি জমি কিভাবে লিজ নিতে হয়, লিজ নেয়ার শর্ত ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কি কি লাগবে তার বিস্তারিত।
শুধুমাত্র অব্যবহৃত সরকারি খাসজমি লিজ দেয়া যায়। কোনো বিশেষ কারনে যদি আপনি সরকারি জমি লিজ নিতে চান তাহলে আপনাকে আবেদনের মাধ্যমে জমি লিজ নিতে হবে।
ভূমিসেবা মোবাইল অ্যাপ https://shorturl.at/arXZ8
কিংবা
https://vumiseba.com.bd/ ওয়েবসাইট থেকে পরামর্শক সেবা গ্রহন করুন।
বীমার গুরুত্ব কি?
21/03/2024
কেয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট মর্যাদার দিক থেকে নিকৃষ্টতম হবে ওই ব্যক্তি-যে তার স্ত্রীর সাথে শয্যাগ্রহণ করে এবং তার স্ত্রীও তার সাথে শয্যাগ্রহণ করে; অতঃপর তাদের পরস্পরের গোপন বিষয় লোকদের নিকট প্রকাশ করে দেয়।'
- মুসলিম, হাদিস নম্বর- ৩৬১৫
মানুষ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কাউকে ভুলতে পারে না, সময়ের সাথে সাথে স্মৃতির উপর শুধু ধুলো জমে যায় কিন্তু মুছে যায় না।
28/04/2023
ভাই আপনার পোষ্টে তো লাইক কমেন্ট খুব কম তাও আপনি এত পোষ্ট করেন কেন।অনেক সময় এরকম প্রশ্নের সন্মুক্ষিন হই আমি।তো আমার উওরটা আমি দিয়ে যাচ্ছি আমার পোস্টে আপনাকে কেউ এমন প্রশ্ন করলে উওর কী দিবেন কমেন্টে লিখে যাবেন আশা করছি।আমরা যারা অনলাইন উদ্দ্যোক্তা আমাদের নিজের ফেসবুক প্রোফাইল, পেজ ও গ্রুপ গুলোতে আমাদের নিজস্ব আইডির পোস্ট গুলো এক একটি দোকান বলে আমি মনে করি।একজন দোকানদার যেমন প্রতিদিন তার দোকান পরিষ্কার করে নিয়মিত দোকানে বসে ব্যাবসা পরিচালনা করে ঠিক তেমনি আমি ও নিয়মিত আমার পোস্ট গুলো করে থাকি যাতে একজন কাস্টমার আমার আইডি ভিজিট করলে বুঝতে পারে যে আমি প্রতিদিন আমার দোকান খুলে নিয়মিত দোকানে বসি।এতে করে কাস্টমার আমার উপর আস্থা পায়। অন্তত এটা ভেবে যে আমি কখনো ভেগে যাবো না।
আমি রবিউল ইসলাম (রবি)
ব্লাড গ্রুপ :এ পজেটিভ
আপনাদের সঙ্গে যুক্ত আছি ।
শিরন্টি ইউনিয়ন থাকে আম এর রাজধানী খেত বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলার সাপাহার উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
