Enjoy Life
We Provide Food Supplement for Man & Woman's Good Health.
26/10/2022
সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার ১৩টি উপকারিতা-
______________________________
আমরা অনেকেই জানি খেজুর খাওয়া সুন্নত, আবার এই একটি সুন্নতের পেছনেও আছে অনেক উপকারিতা আর এই সম্পর্কে আমরা অনেকেই হয়তো জানি না।
শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিনের যোগান দেওয়া ও ক্লান্তি দূর করার জন্য খেজুরের গুরুত্ব অপরিসীম। সকালে খালি পেটে খেজুর খেলে যে উপকারগুলো হয় তা জেনে নিন-
খেজুরে আছে প্রচুর শক্তি, এমিনো এসিড, শর্করা ভিটামিন ও মিনারেল। প্রতিদিন রোজায় আমাদেরকে দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকতে হয় যার কারণে আমাদের দেহে প্রচুর গ্লুকোজের ঘাটতি দেখা দেয়। তখন এই খেজুর আমাদের শরীরে প্রয়োজনীয় গ্লুকোজের ঘাটতি যোগান দিতে সাহায্য করে। চলুন এক নজরে দেখে নেওয়া যাক খেজুরের পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা-
কোলেস্টেরল এবং ফ্যাট ঃ
খেজুরে কোন কোলেস্টেরল এবং বাড়তি পরিমাণে চর্বি থাকে না। যার ফলে আপনি যখন সহজেই খেজুর খাওয়া শুরু করবেন তখন অন্যান্য ক্ষতিকর ও চর্বি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকতে পারবেন।
প্রোটিন ঃ
আমাদের শরীরের জন্য প্রোটিন অত্যাবশ্যকীয় একটি প্রয়োজনীয় উপাদান। খেজুর হল প্রোটিন সমৃদ্ধ। ফলে আমাদের পেশী গঠন করতে সহায়তা করে এবং শরীরের জন্য খুব অপরিহার্য প্রোটিন সরবরাহ করে।
ভিটামিন ঃ
খেজুরে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যাবশ্যক। যেমন, বি১, বি২, বি৩ এবং বি৫। এছাড়াও ভিটামিন এ১ এবং সি ভিটামিন পাওয়ার আরও একটি সহজ মাধ্যম হচ্ছে খেজুর। সেই সাথে খেজুরে দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়। সেই সঙ্গে রাতকানা রোগ প্রতিরোধেও খেজুর অত্যন্ত কার্যকর।
আয়রন ঃ
আয়রন মানব দেহের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খেজুর প্রচুর আয়রন রয়েছে। ফলে এটা হৃৎপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়। তাই যাদের দুর্বল হৃৎপিণ্ড, তাদের জন্য খেজুর হতে পারে সবচেয়ে নিরাপদ ওষধ।
ক্যালসিয়াম ঃ
ক্যালসিয়াম হাড় গঠনে সহায়ক। আর খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম। যা হাড়কে মজবুত করে। খেজুর শিশুদের মাড়ি শক্ত করতে সাহায্য করে।
ক্যানসার প্রতিরোধ ঃ
খেজুর পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং প্রাকৃতিক আঁশে পূর্ণ। এক গবেষণায় দেখা যায়, খেজুর পেটের ক্যানসার প্রতিরোধ করে। আর যারা নিয়মিত খেজুর খান তাদের বেলায় ক্যানসারে ঝুঁকিটাও কম থাকে। খুব সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে খেজুর Abdominal ক্যান্সার রোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে এবং অবাক করা বিষয় হচ্ছে এটি অনেক সময় ওষুধের চেয়েও ভাল কাজ করে।
ওজন হ্রাস ঃ
মাত্র কয়েকটা খেজুর কমিয়ে দেয় ক্ষুধার জ্বালা। এবং পাকস্থলীকে কম খাবার গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। এই কয়েকটা খেজুরই কিন্তু শরীরের প্রয়োজনীয় শর্করার ঘাটতি পূরণ করে দেয়।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে ঃ
খেজুরে আছে এমন সব পুষ্টিগুণ। যা খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে। এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে। কখনও কখনও ডায়রিয়ার জন্যেও এটা অনেক উপকারী।
সংক্রমণ ঃ
যকৃতের সংক্রমণে খেজুর উপকারী। এছাড়া গলা ব্যথা, বিভিন্ন ধরনের জ্বর, সর্দি, এবং ঠাণ্ডায় খেজুর উপকারী। খেজুর অ্যালকোহল জনিত বিষক্রিয়ায় বেশ উপকারী। ভেজানো খেজুর খেলে বিষক্রিয়ায় দ্রুত কাজ করে।
রক্তশূন্যতা প্রতিরোধঃ
প্রচুর মিনারেল সঙ্গে আয়রন থাকার কারণে খেজুর রক্তশূন্যতা রোধ করে। তাই যাদের হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম তারা নিয়মিত খেজুর খেয়ে দেখতে পারেন।
কর্মশক্তি বাড়ায় ঃ
খেজুরে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক চিনি থাকার কারণে খেজুর খুব দ্রুত শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। সারাদিন রোজা রাখার পর রোজাদাররা যদি মাত্র ২টি খেজুর খান তবে খুব দ্রুত কেটে যাবে তাদের ক্লান্তি।
স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায় ঃ
খেজুর নানা ভিটামিনে পরিপূর্ণ থাকার কারণে এটি মস্তিষ্কের চিন্তাভাবনার গতি বৃদ্ধি রাখে, সঙ্গে স্নায়ুতন্ত্রের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ছাত্র-ছাত্রী যারা নিয়মিত খেজুর খায় তাদের দক্ষতা অন্যদের তুলনায় ভাল থাকে।
হৃদরোগ প্রতিরোধ ঃ
খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম যা বিভিন্ন ধরণের হৃদরোগ প্রতিরোধ করে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, খেজুর শরীরের খারাপ ধরণের কোলেস্টেরল কমায় (LDL) এবং ভাল কোলেস্টেরলের (HDL) পরিমাণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।। খেজুরের উপকারিতাগুলো তো জানলেনই, তাই শুধু রমজান মাসেই নয়, আমাদের খেজুর খাওয়া উচিত সারাবছর, প্রতিদিন।
লেখক: ইশরাত জাহান, প্রধান পুষ্টিবিদ, বিআরবি হসপিটাল।
25/10/2022
সকালে খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন, জীবনে ওষুধ খেতে হবে না-
_________________________________
উপকারীতা : হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য রসুনের চেয়ে ভালো আর কিছুই নেই। এটি রক্ত সঞ্চালন এবং কম কোলেস্টেরল বজায় রাখতে সহায়ক। এই বৈশিষ্ট্যগুলোর কারণে অনেক হৃদরোগ নিজেরাই দূরে থাকে। হার্টকে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন সকালে একটি কাঁচা রসুনের কুঁড়ি খেলে উপকার পাওয়া যায়। উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও রসুনের ব্যবহার খুবই উপকারী।
Garlic Benefits: রসুনে অ্যালিসিন নামক একটি প্রধান যৌগ রয়েছে, যা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিভাইরাল, অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্যে সমৃদ্ধ। এছাড়াও, এটি ভিটামিন এবং পুষ্টিতেও সমৃদ্ধ। ভিটামিন বি১, বি৬, সি ছাড়াও এতে রয়েছে ম্যাঙ্গানিজ, ক্যালসিয়াম, কপার, সেলেনিয়াম এবং অন্যান্য প্রধান লবণ। প্রতিদিন অল্প পরিমাণ রসুন খেলে অনেক রোগ দূরে থাকে। রসুন থেকে সর্বাধিক উপকার পেতে, এটি কাঁচা খাওয়া উচিত। খুব বেশি রান্না করলে এর কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা নষ্ট হয়ে যায়।
রসুনের উপকারিতাঃ
হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য রসুনের চেয়ে ভালো আর কিছুই নেই। এটি রক্ত সঞ্চালন এবং কম কোলেস্টেরল বজায় রাখতে সহায়ক। এই বৈশিষ্ট্যগুলির কারণে অনেক হৃদরোগ নিজেরাই দূরে থাকে। হার্টকে সুস্থ রাখতে প্রতিদিন সকালে একটি কাঁচা রসুনের কুঁড়ি খেলে উপকার পাওয়া যায়। উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও রসুনের ব্যবহার খুবই উপকারী। এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। বিশেষ করে সিস্টোলিক রক্তচাপ। উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের অবশ্যই রসুন খাওয়া উচিত।
বাতের ব্যথা উপশমেও রসুনের ব্যবহার উপকারী। এটি আর্থ্রাইটিস রোগীদের জন্য একটি নিখুঁত ওষুধ। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য বাতের ব্যথায় দারুণ উপশম দেয়। রসুনকে আপনার ডায়েটের অংশ করে বাতের ব্যথায় উপশম পেতে পারেন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও রসুন একটি অনন্য ওষুধ। এতে উপস্থিত ভিটামিন সি, বি৬ এবং অন্যান্য মিনারেল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে। এছাড়াও, এটি সংক্রমণ প্রতিরোধেও কার্যকর।
রসুনের একাধিক উপকার
সর্দি-কাশির চিকিৎসায়ও রসুন একটি কার্যকর ওষুধ। তাড়াতাড়ি শ্বাসকষ্টের রোগেও রসুন উপকারী।ছত্রাক সংক্রমণেও রসুন খুবই উপকারী। অনেক সময় পায়ের আঙ্গুলের মাঝে ছত্রাকের সংক্রমণ হয়। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কাঁচা রসুন ব্যবহার করলে এ ধরনের রোগ দূরে থাকে এবং সেই স্থানে কাঁচা রসুন পিষে খেলেও উপকার পাওয়া যায়। লবঙ্গের মতো রসুনও দাঁতের ব্যথায় খুবই উপকারী। আক্রান্ত দাঁতে রসুনের তেল লাগালে দাঁতের ব্যথা উপশম হয়। এতে সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে। রসুনের ব্যবহার হজম প্রক্রিয়াকেও শক্তিশালী করে। এতে উপস্থিত অনেক পুষ্টি উপাদান খাবার হজমে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি অনেক গবেষণায় এটাও বলা হয়েছে যে রসুনের ব্যবহার ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে। যারা রসুন ব্যবহার করেন তাদের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। তবে কোনও কিছু অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করে নেওয়া প্রয়োজন। কারণ প্রত্যেক খাবারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও থাকে। ফলে এ বিষয়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
22/10/2022
প্রতিদিন কাঠবাদাম খেলে কী হয়?
______________________________
অনেকে মনে করেন, কাঠবাদাম চর্বিতে পূর্ণ একটি খাবার এবং এটি ওজন বাড়িয়ে দেয়। এই ধারণা সঠিক নয়। সত্য হচ্ছে, কাঠবাদাম ওজন কমাতে সাহায্য করে। কাঠবাদাম স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়ার জন্য অত্যন্ত চমৎকার একটি খাবার।
কাঠবাদামের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, কপার, সেলেনিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম।
পুষ্টিগুণে ভরপুর এই বাদাম কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা কমায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, রক্তস্বল্পতা দূর করে। এটি চুল ও ত্বকের জন্য ভালো। কাঠবাদামের রয়েছে অগণিত উপকারিতা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম খেলে এই উপকারগুলো পেতে সাহায্য করবে আপনাকে। লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে, প্রতিদিন কেন কাঠবাদাম খাওয়া উপকারি সে কথা। আসুন জেনে নেই-
১. হার্টের জন্য ভালো
কাঠবাদামের মধ্যে থাকা মনো-আন স্যাচুরেটেট ফ্যাট, প্রোটিন ও পটাশিয়াম হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন-ই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং ম্যাগনেসিয়াম হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি অ্যার্টারিকে ক্ষতিকর প্রদাহের হাত থেকে সুরক্ষা দেয়।
২. শক্তি বাড়ায়
প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম খাওয়া শরীরে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, কপার ও রিবোফ্লাবিন শরীরে শক্তি জোগায়। এটি বিপাক প্রক্রিয়া ভালোভাবে হতেও সাহায্য করে।
৩. কোলেস্টেরল কমায়
কাঠবাদামের মধ্যে থাকা ভিটামিন ও ক্যালসিয়ামের উপস্থিতির জন্য এটি কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, তাই শরীরের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে প্রতিদিন কাঠবাদাম খেতে পারেন।
৪. মস্তিস্কের জন্য ভালো
কাঠবাদামে থাকা পুষ্টিগুণ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা রিবোফ্লাবিন ও এল-সারনিটিন মস্তিস্কের কার্যক্রম ভালো রাখে। এটি স্মৃতিভ্রম রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৫. হাড়ের সুরক্ষায়
কাঠবাদামে থাকা ফসফরাস, মিনারেল ও ভিটামিন হাড়কে সুরক্ষা দেয়। ফসফরসার কেবল হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে না, এটি অস্টিওপরোসিস বা হাড় ক্ষয় রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
কাঠবাদাম অ্যালকেলাইন সমৃদ্ধ একটি খাবার। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-ই; রয়েছে অনেক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো বিভিন্ন ধরনের রোগের হাত থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়। যেমন : ক্যানসার এবং ফুসফুসের রোগ ইত্যাদি থেকে সুরক্ষা দেয়।
৭. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
কাঠবাদমে থাকা ফসফরাস উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা সোডিয়াম রক্তচাপের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ করে।
৮. ক্যানসার প্রতিরোধ করে
কাঠবাদাম কোলোন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি কোলনকে ভালো রাখতেও কাজ করে।
৯. ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে
কাঠবাদাম ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। গবেষণায় বলা হয়, খাবারের পর কাঠবাদাম খাওয়া ইনসুলিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
21/10/2022
প্লিজ লাইক দিজ পেজ
https://www.facebook.com/profile.php?id=100086635688233
21/10/2022
প্রতিদিন কাঠবাদাম খেলে কী হয়?
______________________________
অনেকে মনে করেন, কাঠবাদাম চর্বিতে পূর্ণ একটি খাবার এবং এটি ওজন বাড়িয়ে দেয়। এই ধারণা সঠিক নয়। সত্য হচ্ছে, কাঠবাদাম ওজন কমাতে সাহায্য করে। কাঠবাদাম স্ন্যাকস হিসেবে খাওয়ার জন্য অত্যন্ত চমৎকার একটি খাবার।
কাঠবাদামের মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ই, ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, কপার, সেলেনিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম।
পুষ্টিগুণে ভরপুর এই বাদাম কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা কমায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, রক্তস্বল্পতা দূর করে। এটি চুল ও ত্বকের জন্য ভালো। কাঠবাদামের রয়েছে অগণিত উপকারিতা।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম খেলে এই উপকারগুলো পেতে সাহায্য করবে আপনাকে। লাইফস্টাইল বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই জানিয়েছে, প্রতিদিন কেন কাঠবাদাম খাওয়া উপকারি সে কথা। আসুন জেনে নেই-
১. হার্টের জন্য ভালো
কাঠবাদামের মধ্যে থাকা মনো-আন স্যাচুরেটেট ফ্যাট, প্রোটিন ও পটাশিয়াম হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন-ই হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং ম্যাগনেসিয়াম হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি অ্যার্টারিকে ক্ষতিকর প্রদাহের হাত থেকে সুরক্ষা দেয়।
২. শক্তি বাড়ায়
প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম খাওয়া শরীরে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা ম্যাঙ্গানিজ, কপার ও রিবোফ্লাবিন শরীরে শক্তি জোগায়। এটি বিপাক প্রক্রিয়া ভালোভাবে হতেও সাহায্য করে।
৩. কোলেস্টেরল কমায়
কাঠবাদামের মধ্যে থাকা ভিটামিন ও ক্যালসিয়ামের উপস্থিতির জন্য এটি কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, তাই শরীরের বাজে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে প্রতিদিন কাঠবাদাম খেতে পারেন।
৪. মস্তিস্কের জন্য ভালো
কাঠবাদামে থাকা পুষ্টিগুণ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা রিবোফ্লাবিন ও এল-সারনিটিন মস্তিস্কের কার্যক্রম ভালো রাখে। এটি স্মৃতিভ্রম রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
৫. হাড়ের সুরক্ষায়
কাঠবাদামে থাকা ফসফরাস, মিনারেল ও ভিটামিন হাড়কে সুরক্ষা দেয়। ফসফরসার কেবল হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে না, এটি অস্টিওপরোসিস বা হাড় ক্ষয় রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে।
৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
কাঠবাদাম অ্যালকেলাইন সমৃদ্ধ একটি খাবার। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-ই; রয়েছে অনেক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো বিভিন্ন ধরনের রোগের হাত থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়। যেমন : ক্যানসার এবং ফুসফুসের রোগ ইত্যাদি থেকে সুরক্ষা দেয়।
৭. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে
কাঠবাদমে থাকা ফসফরাস উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা সোডিয়াম রক্তচাপের ওঠানামা নিয়ন্ত্রণ করে।
৮. ক্যানসার প্রতিরোধ করে
কাঠবাদাম কোলোন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি কোলনকে ভালো রাখতেও কাজ করে।
৯. ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে
কাঠবাদাম ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। গবেষণায় বলা হয়, খাবারের পর কাঠবাদাম খাওয়া ইনসুলিনের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
20/10/2022
অফুরন্ত শক্তি অফুরান ভালবাসা।
19/10/2022
কিশমিশ এর অসাধারণ কার্যক্ষমতা
___________________________________
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে শরীর ও মনকে করে শক্তিশালী।
17/10/2022
"অন্যের ভালো করো, দেখবে তোমার জন্যও ভালো কিছু অপেক্ষা করছে"
17/10/2022
Love Forever Natural Soft Drinks
লাভ ফরএভার ন্যাচারাল সফট ড্রিংকস
16/10/2022
জীবনকে সুস্থ, সুখী ও আনন্দময় করতে বেশী টাকা লাগেনা
_____________________________________
১. আপনার সমস্ত শরীর ভীত যখন আপনি সকালে উঠে চিনি যুক্ত চা বা কফি পান করছেন।
২. আপনার কিডনী আতঙ্কিত যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ১০ গ্লাস পানি পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।
৩. আপনার গলব্লাডার ভীত যখন আপনি রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সূর্যোদয়ের সাথে সাথে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।
৪. আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসী খাবার খাচ্ছেন।
৫. আপনার বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত যখন আপনি ভাজাপোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।
৬. আপনার ফুসফুস তখন ভীত যখন আপনি ধোঁয়া, ধূলা এবং বিড়ি ও সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।
৭. আপনার লিভার ভীত যখন আপনি অতিরিক্ত ভাজা, জাঙ্কফুড এবং ফাস্টফুড খাচ্ছেন।
৮. আপনার হৃদপিন্ড ভীত যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।
৯. আপনার প্যানক্রিয়াস আতঙ্কিত যখন আপনি সহজলভ্য এবং সুস্বাদু বলে প্রচুর মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।
১০. আপনার চোখ আতঙ্কিত যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইলের আলো এবং কম্পিউটার স্ক্রীনের আলোয় কাজ করছেন।
এবং
১১. আপনার মস্তিষ্ক ভীত যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেয়া শুরু করেছেন।
আপনার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সমূহের যত্ন নিন এবং তাদের আতঙ্কিত করবেন না।
সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রচন্ড ব্যয়বহুল এবং বাজারে সহজে কিনতে পাওয়া যায় না। কোনোটা পাওয়া গেলেও আপনার শরীর সেটাকে সম্ভবত গ্রহণ করবে না। অতএব, নিজের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সমূহকে সুস্থ রাখুন।
ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির স্যার সৌজন্যে....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
1000
