Doctor Digital
Getting the health consultancy from a Specialist Doctor is very easy now!! We help people getting
14/05/2021
ঈদ মুবারক!!
সামাজিক দূরত্ব মেনেই হোক ঈদ আনন্দ আর সামাজিকতা!!
নিরাপদে থাকুন!! নিরাপদে রাখুন!!
24/04/2021
করোনা চলে গেলেও স্হায়ী কিছু ক্ষত চিহ্ন রেখে যাবে। তার মধ্যে একটা হবে মুড সুইং (mood swing).
কমবেশী অনেকেই জানেন এই মুড সুইং ব্যাপারটা।
তারপরও বলি, মুড সুইং হলো এমন একটা অবস্হা যখন হঠাৎ কেউ সামান্য কারনে মেজাজ হারাবেন আবার অল্পতেই খুব খুশি হবেন।
মুড সুইং কেন হয়?
নির্দিষ্ট করে বলা কঠিন। তারপরও অনেকগুলো কারণকে মুড সুইং এর জন্য দায়ী করা হয়।
১. প্রচন্ড Stress বা দুঃশ্চিন্তা
২. হরমোনাল ইমব্যালান্স
৩. অনিদ্র
৪. রক্তে শর্করা কমে যাওয়া
৫. প্রিমেনেসস্ট্রুয়াল সিনড্রোম (মাসিক শুরু হওয়ার আগে)
৬. কিছু মেডিসিনের ব্যবহার
৭. অতিরিক্ত গ্লুকোজ
৮. থাইরয়েড বেড়ে যাওয়া
৯. মেনোপজ
১০. এটেনশন ডেফিসিট হাইপারএকটিভি ডিসওর্ডার
১১. মাত্রাতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহন
১২. বাইপোলার ডিজিজ
১৩. প্রেগন্যান্সি
১৪. ডিমেনশিয়া ইত্যাদি।
মজার বিষয় হলো মুড সুইং ছেলেদের চাইতে মেয়েদের মধ্যে বেশী দেখা যায়।
দীর্ঘদিন ধরে ঘরবন্দী থাকার ফলে বা দুঃশ্চিন্তায় থাকার ফলে এবং কর্মক্ষেত্রে ঝুকি নিয়ে নিরলস পরিশ্রম করার ফলে মানুষগুলোর ভেতরে ভেতরে এমন অনেক ক্ষোভ জমতে জমতে এটম বোমার আকার ধারন করে।
দিন যতই গড়াবে এটা ততই বাড়বে। এরপর সামান্য উছিলায় (ট্রিগারে) সব ধর্য্যের বাধ ভেঙ্গে গিয়ে লংকাকান্ড বাধিয়ে দেন।
তাই সবার দরকার হবে অন্যকে বা অন্যের কাজকে সম্মান করা।
You pls first এই নীতি অবলম্বন করতে পারলে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলো সহজেই এড়ানো যেত।
করোনা পরবর্তী মুড সুইং বহুগুণে বেড়ে যাবে বলেই আমার ধারনা। কাজেই ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলির এ রিলেটেড ওষুধের বিক্রি বাড়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা তৈরি হবে।
.....সংগৃহীত ( বন্ধু রেজাউল করিম এর ওয়াল থেকে)
14/04/2021
শুভ নববর্ষ ১৪২৮!!
আপনার এবং আপনার প্রিয়জনদের জীবন হয়ে উঠুক রোগ মুক্ত আর হাসি আনন্দে ভরা!!
রোগ মুক্তির বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দিতে আমরা সবসময় আছি আপনার পাশে!!
14/04/2021
👉👉একটু সচেতন হলেই এড়ানো সম্ভব গরমের সব রোগবালাই😱🤗
শেষ পর্বঃ সমাধান
একটু সচেতনভাবে যা করলেই এই সময়ে সুস্থ থাকতে পারবেন
১। সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা এবং বেলা ৩টা বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রখর রোদে সম্ভব হলে না বেরোনো ভালো। বের হতে হলে হালকা জামাকাপড় পরবেন। ছাতা ব্যবহার করবেন।
২। প্রতিদিন স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়ে গোসল করবেন। ঘামে ভেজা কাপড় আবার পরলে ত্বকে সমস্যা হবে।
৩। হালকা রঙের পাতলা সুতি ঢিলেঢালা জামাকাপড় পরবেন। যাতে বাতাস চলাচল করে। ঘেমে গেলে ঘাম মুছে ফেলবেন বা কাপড় পাল্টে ফেলবেন। কারণ ঘাম বসে গেলে ঠান্ডা লেগে যাবে।
৪। খাবারের আগে-পরে, প্রস্তুত ও পরিবেশনের সময় সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নেবেন। খাবার ঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন এবং পরে ঠিকমতো গরম করে খান। বাসি খাবার না খাওয়াই ভালো।
৫। প্রচুর পানি পান করবেন। মাঝেমধ্যে ডাবের পানি, লবণ পানি, স্যালাইন পান করুন।
৬। বাইরের খোলা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন না। এতে ডায়রিয়া ও খাবারে বিষক্রিয়া (ফুড পয়জনিং) হতে পারে। বাড়িতেও স্বাস্থ্যকর পদ্ধতিতে খাবার তৈরি করুন।
৭। অতিরিক্ত চা-কফি শরীরকে আরও পানিশূন্য করতে পারে।
৮। রাস্তাঘাট থেকে খোলা পানি, আখের রস, লেবুর শরবত ইত্যাদি পান করবেন না। বাড়ি থেকে বাইরে যাবার সময় বিশুদ্ধ পানি নিয়ে যাবেন।
করোনার অস্তিত্ব না মানবার ব্যাপারে আমাদের অনেকের মধ্যেই এখনো বিশাল মাত্রায় রয়েছে সচেতনভাবে অসচেতন অভ্যাসগুলো পুনরাবৃত্তি করবার!!
কিন্তু দৈনন্দিন সংক্রমন আর মৃত্যুর ঊর্ধ্বগতি দিয়ে করোনা কিন্তু ভয়ংকর বাস্তবতার কথা স্মরন করিয়ে দেবার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকঢোল পিটিয়ে!!
আপনি মানেন আর নাই মানেন, করোনা আজকের সময়ের সবচেয়ে কঠিনতম বাস্তব!!
আপনি হয়তো ভাবছেন ধুর আমার তো প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি!! বাইরে ইচ্ছামতো ঘুরছি, সাস্থ্যবিধি মানবার তোয়াক্কা করছি না!! কই করোনা তো কিছুই করতে পারলো না!!
কিন্তু ভাই আমার, দাদা আমার, বোন আমার, দিদি আমার!! আমাদের ছোট্ট ছোট্ট এই অসচেতনতা গুলি পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য ভয়াবহ ঝুকির কারন হয়ে উঠতে পারে যেকোন সময়!! এই বিষয়টি কি আমরা বিবেচনাতে রাখছি!!
তাই আসুন, এই করোনাকালীন সময়ে সাস্থ্যবিধিগুলি যথাসম্ভব মেনে চলবার চেষ্টা করি!!
নিজেদের অবস্থান থেকে ভালো থাকবার ছোট ছোট প্রচেষ্টাগুলি পরিবারকে আর সমাজকেও ভালো রাখতে সাহায্য করবে!!
নিজের এবং প্রিয়জনদের স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের পরামর্শ সেবা দিতে আমরা সবসময় আছি আপনার পাশে!!
08/04/2021
👉👉একটু সচেতন হলেই এড়ানো সম্ভব গরমের সব রোগবালাই😱🤗
জলবায়ুর পরিবর্তনে আবহাওয়ার মেজাজ বোঝা দায়। প্রচণ্ড গরম পড়ছে। আবার যেকোন সময় শুরু হতে পারে হঠাৎ বৃষ্টি। এই গরমে ঘেমে-নেয়ে উঠছেন, তো আবার বৃষ্টিতে ভিজে একাকার।
ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধি ও সংক্রমণ বেড়ে যায় পরিবেশের আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার বৃদ্ধির কারণে। আমাদের দেশে প্রতিবছর কিছু রোগবালাই গ্রীষ্ম, বর্ষাকালে বেশি হয় এবং রোগগুলোর প্রকোপও বাড়ে। তবে এই রোগগুলোকে কিন্তু এড়ানো সম্ভব। এজন্যে প্রয়োজন শুধুমাত্র একটু সচেতনতার ।
১। পানিশূন্যতা
গরমে আমরা প্রচুর ঘামি। ঘাম হলে শরীর হয়ে পরে পানিশূন্য। আর পানিশূন্যতা শরীরকে দুর্বল করে তোলে এবং রক্তচাপ কমে যায়। কেউ কেউ এর ফলে অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে কিডনিও আক্রান্ত হতে পারে। তাই এই সময়ে প্রচুর পানি ও পানিজাতীয় খাবার খান।
২। টাইফয়েড ও হেপাটাইটিস
গরমের সময় পানিবাহিত রোগ বেড়ে যায়। এর মধ্যে অন্যতম হলো টাইফয়েড। সাধারণত দূষিত খাবার ও পানি দিয়ে এই সংক্রমণ ছড়ায়। উচ্চমাত্রার জ্বর, কখনো ডায়রিয়া, দুর্বলতা ইত্যাদি হলো উপসর্গ।
টাইফয়েড হলে অ্যান্টিবায়োটিক উচ্চমাত্রায় ও একটু বেশি মেয়াদে দিতে হয়, কখনো শিরায় দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এ রোগের চিকিৎসা অন্যান্য সংক্রমণজনিত চিকিৎসার চেয়ে ভিন্ন। রক্তের কালচারের মাধ্যমে রোগ শনাক্ত করে সঠিক অ্যান্টিবায়োটিক সঠিক মাত্রায় না দিলে কাজ হয় কম।
কিন্তু সাধারণ প্রবণতা হলো জ্বর হলে কোনো পরীক্ষা ছাড়াই নিজে নিজে এক কোর্স অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করে ফেলা। এ কারণে পরবর্তী সময়ে রোগ শনাক্ত হতে সমস্যা হয় এবং ভোগান্তি ও খরচ দুটোই বাড়ে।
তাই জ্বর যদি উচ্চমাত্রার হয় ও ৫-৭ দিনের বেশি স্থায়ী হয়, সে ক্ষেত্রে টাইফয়েডের পরীক্ষা করে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক নিন।
গরমের সময় পানিবাহিত জন্ডিস বা হেপাটাইটিস-ই এবং এ–এর প্রকোপ বাড়ে। এতে অরুচি, চোখ ও প্রস্রাব হলুদ রং ধারণ করা, দুর্বলতা, জ্বর হতে পারে। হেপাটাইটিসের চিকিৎসা হলো পূর্ণ বিশ্রাম আর কোনো ওষুধ না খাওয়া। এটি এমনিতেই সেরে যাবে।
৩। জ্বর ও সর্দি-গর্মি
আবহাওয়ার চরম ভাবের কারণে এ সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিছুটা নাজুক অবস্থায় পড়ে। সুয়োগটা নেয় বিভিন্ন ধরনের ভাইরাস। এ সময়ে তাই ভাইরাস জ্বরের প্রকোপটা থাকে বেশি।
গরমকালে ফ্লু বা সর্দি–গর্মির রোগীও বাড়ে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক। এমনিতে সাধারণ সর্দি-গর্মি বা ইনফ্লুয়েঞ্জা ৫-৭ দিনের বেশি স্থায়ী হয় না। এতে জ্বরের সঙ্গে গলাব্যথা, কাশি, সর্দি, নাক বন্ধ, চোখ লাল, নাক দিয়ে পানি পড়া, মাথাব্যথা ইত্যাদি থাকে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে কোভিড পরীক্ষাও করতে হবে, কারণ কোভিডের লক্ষণগুলো ফ্লুর মতোই।
যদি করোনা না হয়ে থাকে তবে সাধারণ প্যারাসিটামল, অ্যান্টি হিস্টামিন জাতীয় ওষুধই যথেষ্ট। গরম স্যুপ, গরম আদা–চা ইত্যাদি খেলে আরাম হবে। বিশ্রাম নিতে হবে আর প্রচুর পানি পান করতে হবে।
৪। হিটস্ট্রোক
খুব গরমে হিটস্ট্রোক হয়। এটি একটি ভয়ংকর সমস্যা। প্রথমে হয় হিট ক্র্যাম্প। শরীর ব্যথা করে, পিপাসা লাগে, শরীর দুর্বল অনুভূত হয়। এর পরেই আসে হিট একজশন। এ অবস্থায় রোগীর শ্বাসকষ্ট হয়, মাথাব্যথা করে, চেতনা লোপ পেয়ে আবোলতাবোল কথা বলতে পারে।
কারও এমন হতে দেখা গেলে দ্রুত তাকে অপেক্ষাকৃত শীতল জায়গায় সরিয়ে নিতে হবে। ফ্যান ছেড়ে দিতে হবে এবং জামাকাপড় খুলে দিতে হবে। ভেজা কাপড় দিয়ে গা মুছে দিতে হবে। চেতনা থাকলে মুখে পানি দিতে হবে কিন্তু অজ্ঞান হলে জোর করে নয়। দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
৫। ত্বকের অসুখ
অতিরিক্ত গরমে এ সময় সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির কারণে কারো কারো ত্বকে অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। ত্বকে ফুসকুড়ি, লাল লাল র্যাশ, চুলকানি হতে পারে। ঘামাচি এ সময়ে ত্বকের একটি অতি সাধারণ সমস্যা। এ ছাড়া ঘাম শরীরে জমে ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতে পারে। সমস্যা বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
ঘামাচি প্রতিরোধে ঘামে ভেজা কাপড় পাল্টে ফেলবেন বা ঘাম মুছে ফেলবেন। অন্তর্বাস, মোজা ইত্যাদি কখনোই না ধুয়ে আবার পরদিন পরবেন না।
৬। বদহজম বা পেটের অসুখ
গরমকালে তাপমাত্রা বেশি থাকে বলে খাবার নষ্ট হয় দ্রুত। ব্যাকটেরিয়া সহজেই খাবারে বাসা বাঁধে। সেই খাবার খেলে ফুড পয়জনিং হয়।
কোনো খাবার খেয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বমি, ডায়রিয়া ও জ্বর শুরু হলে বদহজম বা ফুড পয়জনিং হয়েছে বুঝতে হবে। বাসি ও বাইরের খাবার থেকে দূরে থাকবেন। ফ্রিজের খাবার ভালো করে গরম করে খেতে হবে।
শেষ পর্বঃ একটু সচেতনভাবে যা করলেই এই সময়ে সুস্থ থাকতে পারবেন
04/04/2021
একটি লকডাউনের আত্মকাহিনীঃ
চানাচুর বেঁচা জসিম 'টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায় না' বইলা শাবানারে পটাইলো।
এরপর শাবানা হাতের বালা বিক্রি কইরা সেলাই মেশিন কিনে সেইটা চালাইতে চালাইতে গার্মেন্টস দিয়া দিলো আর জসিম হয়ে গেলো সেই গার্মেন্টসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর।
>
>
>
>
>
তারপর শুরু হল লকডাউন !.....সংগৃহীত
লকডাউনে ঘরেই থাকুন!! করোনার সংক্রমন রোধ করার দায়িত্ব আমার, আপনার, আমাদের সবার!!
01/04/2021
IT'S TIME FOR A CONSCIOUS INTROSPECTION!!
ভাই, অন্য কারো দিকে না তাকাইলেন!! নিজের দিকে একটু বিশেষ মনোযোগ দেবার সময় এসে গ্যাছে!! কোভিড-১৯ বর্তমানে তার মারাত্মক প্রানঘাতি ফর্মে আছে!!
The virus is back, this time with more energy, tactics, and camouflage.
Having no cough, No fever, it's joint pain, weakness,
Loss of appetite and Covid pneumonia!
Of course, the death rate is higher, it takes less time to get to the extreme. Sometimes no symptoms ... let's be careful ...
The strain is not domiciled in our nasopharyngeal region!
It directly affects the lungs, which means window periods are shortened.
A large number of patients without fever, but an x-ray or CT chest report shows moderate chest pneumonia!
The nasal swab is often negative for COVID19!
There are more and more false-negative pharyngeal nasal tests for COVID19 ... which means that the virus spreads directly to the lungs causing acute respiratory distress due to viral pneumonia! This explains why it has become acute and more fatal !!!
Be careful, avoid crowded places, wear a face mask, wash your hands often.
WAVE more deadly than the first. So we have to be very careful and take every precaution.
Please become an alert communicator among friends, family & the society.........
________
Please take care and stay safe!
হাসতে নাকি জানে না কেউ,
কে বলেছে ভাই?
এইনা দেখো কত হাসির
খবর বলে যাই!!
একটু হাসিই বদলে দিতে পারে আপনার মনের গুরুগম্ভীর অবস্থা!!
১)
একদল বাচ্চা হৈচৈ করে বল খেলছে । আরেকটা বাচ্চা একপাশে একাদাঁড়িয়ে আছে । এক মনোবিজ্ঞানী দেখলেন এই বাচ্চাটা বিষন্নতা আরদ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে । মনোবিজ্ঞানী মনে মনে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন এইবাচ্চাকে কাউন্সিলিং-এর মাধ্যমে চিকিৎসা করে রোগমুক্ত করার চেষ্টাকরবেন । তিনি কাছে গিয়ে তাকে বললেন- “তুমি আমার বন্ধু হবে ?”
বাচ্চা -“ না । যান ।”
মনোবিজ্ঞানী – “আমার সাথে বন্ধুত্ব করতে তোমার সংকোচ হচ্ছে খোকা ?”
বাচ্চা -“ হ্যাঁ । যান ।”
মনোবিজ্ঞানী – “ আমার মনে হয় তুমি অনেক মনোকষ্টে আছো ।”
বাচ্চা -“ না । যান ।”
মনোবিজ্ঞানী – “ তুমি কিন্তু অন্য বাচ্চাদের সাথে একসঙ্গে দৌড়াদৌড়িকরছো না ।”
বাচ্চা -“ হ্যাঁ । যান ।”
মনোবিজ্ঞানী – “ কেন ?”
বাচ্চা(বিরক্ত হয়ে) -“ আমি গোলকিপার ।”
২)
চিকিৎসক: আপনার দাঁত ভাঙল কী করে?
রোগী: আর বলবেন না, আমার বউয়ের বানানো রুটিগুলো এত শক্ত হয়…
চিকিৎসক: বউকে বলবেন, যেন একটু নরম করে রুটি বানায়।
রোগী: বলেছিলাম বলেই তো এই দশা!
25/03/2021
স্বাস্থ্য সমস্যা নিয়ে আমাদের সমাজে অনেক রকমের ভুল ধারনা আর কুসংস্কার আজও রয়ে গেছে যার পরিনাম অনেক সময় হয়ে উঠতে পারে ভয়াবহ!! তাই সঠিক বিষয় জানা এবং মানা দুটোই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ!!
শারীরিক যেকোন সমস্যায় সঠিকভাবে রোগ নির্ণয়ের কোন বিকল্প নেই!! সঠিক সময়ে সঠিক ডক্টরের পরামর্শ আপনাকে এবং আপনার প্রিয়জনকে বাচাতে পারে বিভিন্ন ভুল ধারনা আর কুসংস্কার এর হাত থেকে!!
১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!
নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!
২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!
৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ
পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।
৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!
৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।
৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে,
কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই
প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।
৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।
৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের
কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।
৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!
নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।
১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।
১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।
১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।
১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।
১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।
১৫. ভুলঃ বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।
.....Collected
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জোয়ার শুরু হয়েছে!!
সময় আসছে ডিজিটালি সব সেবা এবং পন্য মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেবার!!
Doctor Digital এর ছোট্ট উদ্যোগ দেশের মানুষকে সহজে এবং সাশ্রয়ী খরচে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের আন্তরিক পরামর্শ সেবা তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়া!!
https://pundrokotha.com.bd/page.php?pid=22830&fbclid=IwAR3dCuYKoXqjSaebjBmBCVtKMvjbS1Snqt3hrjPiW29jrdvKaUezrjaZAms
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1207
