Gateway health
If you believe health is wealth
then you're in right place
গরম পড়তে না পড়তেই বেড়ে গিয়েছে মশার উপদ্রব। গরম যত বাড়ছে, ঘরে ঘরে মশার তাণ্ডব ততই বেড়ে চলেছে। আবহাওয়ার খামখেয়ালিতে মশার ধরণও পাল্টে গিয়েছে। ছোট থেকে বড় মশার কামড়ের জ্বালায় অতিষ্ঠ শিশু থেকে বয়স্করা।
মশা তাড়ানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হল কর্পূর। কর্পূরের ঝাঁঝালো গন্ধ মশা কেন, যেকোনও কীটপতঙ্গও কাছে ঘেঁষবে না। মশার জ্বালা থেকে রেহাই পেতে সন্ধ্যের সময় কর্পূর জ্বালাতে পারেন। দ্রুত সমস্যার সমাধান ঘটবে।
* দুধ চা, দুধ কফি, কোল্ড ড্রিংক, কার্বোনেটেড ড্রিংকের পরিবর্তে পানি, গ্রিন টি, আদা চা, লেবু চা, ডাবের পানি, টক দইয়ের লাচ্ছি এসব পান করুন।
* ছোটখাটো কাজ বিশেষ করে নিজের কাজগুলো নিজেই করার চেষ্টা করুন। এতে মেটাবলিক রেট বাড়ে।
* সময় নিয়ে ভালোমতো চিবিয়ে খাবার খান। খাবার খাওয়ার সময় টিভি, ফোন, কম্পিউটার ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
* প্রতিদিন অন্তত ৬-৮ ঘণ্টা ঘুমান। তবে দিনে ঘুমানো পরিহার করুন।
* চিনি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার যতটা সম্ভব বাদ দিন।
আসসালামু ওয়ালাইকুম।
সবাইকে রমজানের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
চলতে শীতকাল। শীতে অসুস্থ হয়ে পড়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এই সময় বেশিরভাগ মানুষ ছুটি কাটানোর পরিকল্পনায় বেশি ব্যস্ত থাকে, স্বাস্থ্যের ব্যাপারে নজর থাকে খুব কম।
তাপমাত্রা কম থাকায় শীতে গরম খাবারের প্রতি আমাদের আগ্রহ থাকে।দিন খাটো আর রাত দীর্ঘ হওয়ার কারণে ব্যায়াম করা ও সঠিক খাবার গ্রহণ এই সময় আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। তবে এই অভ্যাস আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুর্বল করে তুলতে পারে, এটি সংবেদনশীল করে তুলতে পারে আমাদের অনেক রোগের জন্য।
কিন্তু কষ্ট করে হলেও কিছু নিয়ম মেনে আপনার খাবার তালিকায় কিছু পরিবর্তন করে আপনি এই শীতেও থাকতে পারেন দিব্যি সুস্থ।
শীতে অ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট, খুসকি, খোসপাঁচড়া, হাড়ের রোগ, ডায়বেটিসসহ নানা ধরনের শারীরিক সংকট দেখা দিতে শুরু করে। শীত আসার শুরু থেকেই মূলত সমস্যাগুলো দেখা দেয়। এগুলো সংকেত। প্রকৃতি আপনাকে প্রারম্ভিকভাবে সতর্ক করে দিচ্ছে। তাই শীতে যেসব রোগের প্রকোপ বা প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায় সেগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।
আসসালামু ওয়ালাইকুম
আসসালামু আলাইকুম
গেটওয়ে হেলথ এর পরিবার আপনারা সকলে
আসুন আমরা সবাই একে অপরের প্রতি দয়াশীল হই এবং সুন্দর একটি সমাজ গড়ে তুলি❣️❣️
ক্যানসারের নাম শুনলে কমবেশি সবাই ভয় পান। আসলে এ রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজন সঠিক জ্ঞান ও সচেতনতা। মারাত্মক এই ব্যাধি নিয়ে যত কম কথা বলবেন, ততই এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে।
যেহেতু ক্যানসার একবার ধরা পড়লে তার চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী হয়ে থাকে। তাই যত দ্রুত রোগটি শনাক্ত করা যাবে, ততই রোগীর সুস্থতা নিশ্চিত হবে। ক্যানসার শরীরে বাসা বাঁধলে বেশ কয়েকটি লক্ষণ শরীরে দেখা দেয়। যা সাধারণ ভেবে অনেকেই অবহেলা করেন।গবেষণায় দেখা গেছে, ফুসফুসে টিউমার হলেও চোখের দৃষ্টি ঝাপসা হয়। এমনকি চোখে ব্যথাসহ নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
২০২০ সালের একটি গবেষণা বলছে, চোখের বেশ কিছু সমস্যা যেমন- চোখে ঝপসা দেখা, ব্যথা, চোখে কোনো স্পট ঘুরে বেড়ানো, চোখে ফুলে যাওয়া, চোখ জ্বালা করা ইত্যাদি দেখা দিলে কেউ অবহেলা করবেন না। কারণ চোখের এই ৬ লক্ষণ শরীরের কোনো ক্যানসার টিউমারের কথাও বলতে পারে।
বেইজ ফ্যাট হলো সাদা ও বাদামি চর্বির সংমিশ্রণ। ব্যায়াম করার ফলে শরীর সাদা চর্বিকে ইরিসিন হরমোন ব্যবহার করে বেইজ ফ্যাটে রূপান্তরিত করে। এই প্রক্রিয়াকে ব্রাউনিং বলা হয়।
এ ধরনের ফ্যাট সাধারণত গলার হাড়ের চারপাশে ও মেরুদণ্ড বরাবর পাওয়া যায়। আঙুরের মতো সাইট্রাস খাবার খাওয়া বাদামি হওয়ার প্রক্রিয়াটিকে বেঁধে রাখতে সাহায্য করতে পারে।
শরীরের জন্য প্রয়োজন সবকিছুই ...
আঁশযুক্ত খাবার ...
তাজা ফল এবং শাক-সবজি ...
ফাস্টফুডকে 'না' বলুন ...
ব্রেনের জন্য খাবার ...
দুধ বা দুধের তৈরি খাবার ...
আদা, রসুন, পেঁয়াজের জুড়ি নেই ...
পানীয় বেশি, লবণ-চিনি কম
রঙিন খাবার মানে কিন্তু রঙ দেওয়া খাবার নয়! বরং গাঢ় রঙের সবজি যেমন ক্যাপসিকাম, ব্রকোলি, পালং শাক, টমেটো, গাজরের মতো খাবার খান প্রতিদিন। অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখা অন্ত্র-মস্তিষ্কের অক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। অন্ত্র এবং কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র পরস্পর সংযুক্ত থাকে।। গবেষণা দেখায গেছে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের ব্যাঘাত অন্ত্র-মস্তিষ্কের সম্পর্ককে পরিবর্তন করতে পারে এবং এটি মেজাজ এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। পুষ্টিবিদ কিটি ব্রোহিয়ার জানান, অন্ত্র-মস্তিষ্কের সংযোগ একটি স্বাস্থ্যকর অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের উপর নির্ভর করে। রঙিন শাকসবজিতে বিভিন্ন ধরনের ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট রয়েছে, যা আমাদের স্মৃতিশক্তি ও মন ভালো রাখে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
