Beauty Don't Leave
Beauty Don't Leave is one of the best platforms where you’ll find all kinds of Hair, Skin, Face, Makeup, Cosmetics & Lifestyle tips for Girls & women.
So don't worry we are here to take care of your beauty & health. A beautiful woman is a happy woman.
27/06/2021
আপনি কি জানেন পুদিনা পাতার গুরুত্ব?
আয়ুর্বেদ শাস্ত্রের একটি অমূল্য প্রাকৃতিক ভেষজ হল পুদিনা পাতা। পুদিনা পাতায় পাওয়া যায় ‘পলিফেনল’ যা একটি ঔষধি গুণ । পুদিনা পাতা আমাদের শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি , চর্বি ও প্রোটিন এর মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং এতে রয়েছে ভিটামিন এ ,সি ,বি – কমপ্লেক্স সহ লৌহ ,পটাসিয়াম ও ম্যাঙ্গানিজ থাকে । এইসব উপাদানের জন্য রক্তের হিমোগ্লোবিন এর মাত্রা বেড়ে যায় ,যার ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি প্রায় । এর মধ্যে লুকিয়ে আছে অনেক আশ্চর্য গুন যা সত্যিই তাক লাগিয়ে দেবার মতো । পুদিনা পাতা ওষুধ ও খাদ্যের পাশাপাশি রূপচর্চার উপাদান হিসেবেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে ।ত্বকের যেকোনো সমস্যা দূর করতে পুদিনা পাতা বিরাট ভূমিকা পালন করে ।
যেসব ক্ষেত্রে পুদিনা পাতা ব্যবহার করা হয়:
⦿ মানসিক স্বস্তি জন্য
⦿ চোখের যত্নে
⦿ হজমে সহায়ক এর ক্ষেত্রে
⦿ ত্বকের যত্নে
⦿ মাথাব্যথা কমাতে
⦿ হাঁপানি কমায়
⦿ দাঁত ও মাঢ়ির সুরক্ষায়
⦿ স্মৃতিশক্তি বাড়ায়
⦿ ওজন সামাল দিতে
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
18/06/2021
আপনি কি জানেন ওজন কমানোর জন্য সেরা খাবার কি কি ?
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
17/06/2021
চলুন জেনে নিন রূপচর্চায় কেন ঘি ব্যবহার করবেন -
বাঙ্গালী হয়ে গরমভাতে ঘি খায়নি ,তা বিশ্বাস করা যায় না।সুস্বাস্থ্যের জন্য ঘিয়ের উপকারিতা নিয়ে এখন মোটামুটি সকলেই সচেতন। স্বাস্থ্যরক্ষায় ঘিয়ের ব্যবহার সেই প্রাচীন কাল থেকেই তবে অনেকেই ঘি-কে আধুনিক ডায়েটের ভাষায় সুপারফুড বলেন। কারণ ভাল মানের অর্গ্যানিক ঘি নানা রকম পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ । তাই ঘি-কে ইংরেজিতে ক্ল্যারিফায়েড বাটার বলা হয়। খাবারে ঘিয়ের ব্যবহার যেমন স্বাদ কয়েক গুণ বাড়িয়ে তোলে, তেমনি উপকারী রূপচর্চাতেও। ত্বকের সৌন্দর্যতো বৃদ্ধি এবং সেই সঙ্গে ত্বকের ও উন্নতি ঘটে। ত্বকের যত্নে ঘি ব্যবহার করলে পাবেন নানা সুবিধা যেমন : ঘি এর ফ্যাটি অ্যাসিড হজমে সাহায্য করা থেকে শুরু করে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য ও আর্দ্রতা ধরে রাখার কাজ সবই করে এবং ত্বকের নানারকম রোগের প্রকোপ কমায়।
ঘি ব্যবহারের 8 টি উপকারিতা:
⦿ ত্বকে প্রাকৃতিক ভাবে ময়েশ্চারাইজ করে।
⦿ ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে।
⦿ চোখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।
⦿ পা ফাটার সমস্যা রোধে করে।
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
15/06/2021
আপনি কি জানেন চুলের বৃদ্ধি এবং চুল পড়া নিয়ন্ত্রণ করতে করণীয়?
💇 সপ্তাহে ২ বার চুলে শ্যাম্পু ব্যবহার করুন।
💇 শ্যাম্পু করার পরে চুলে গ্রিন টি'র জল ব্যবহার করুন।
💇 সপ্তাহে একবার মধুর প্যাক এবং দই একসাথে মিশিয়ে ব্যবহার
করুন।
💇 আপনার চুলকে কাঠের চিরুনি দিয়ে আঁচড়ান।
💇 প্রতিদিন ৪ টি করে বাদাম খাবেন।
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
11/06/2021
আপনি কি জানেন তরমুজ কতটুকু উপকারী আমাদের শরীরের জন্য?
🍉 তরমুজ একটি সুস্বাদু ও রসালো ফল। এটি একটি মৌসুমী ফল । গ্রীষ্মকালে যেসব ফল আমাদের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে তার মধ্যে তরমুজের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য । গ্রীষ্মের এই তীব্র গরমে তরমুজের উপকারিতা অনেক বেশি। রসালো এই ফলের প্রায় ৯০ শতাংশই থাকে পানি। তাই গরমে পানির চাহিদা যেমন মেটাতে পারে এই ফল, তেমনি স্বাদ ও পুষ্টিতেও অনন্য এটি।তরমুজে লাইকোপেন নামে এক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যার ফলে তরমুজের রং এতখানি লাল হয়ে থাকে এছাড়াও এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমানে পটাশিয়াম, ভিটামিন এ, সি ও বি সহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ।
🍉 স্ট্রোকের সম্ভাবনা অর্থাৎ উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বেশ কার্যকরী।
🍉 এতে ক্যালোরির পরিমান খুবই কম যা শরীরে ফ্যাট জমতে দেয়না ও জলের পরিমান বাড়িয়ে দেয়।
🍉 তরমুজে থাকা ভিটামিন সি এর মতো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফ্রি রেডিকেল সাথে লড়ে ক্যানসার প্রতিরোধ করে।
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
08/06/2021
চলুন জেনে নিই আমলকি খাওয়ার ৫ টি উপকারিতা সম্পর্কে-
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
১. আমলকি চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।আমাদের চুলের গঠনের ৯৯ শতাংশ প্রোটিন। আমলকীতে অ্যামিনো অ্যাসিড ও প্রোটিন আছে, যা চুলের বৃদ্ধিতে কাজ করে। চুল পড়া ঠেকাতে তাই আমলকী কার্যকর।
২. আমলকীর জুস খেলে পরিপাকতন্ত্র ভালো থাকে এবং হজম ভালো হয়।অ্যাসিডিটির সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে। আমলকির রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে। আমলকীর জুস যকৃতের কাজে সহায়কা করে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে পারে।
৩.আমলকির রস ত্বকের সমস্যা দূর করতে বিরাট ভূমিকা পালন করে।প্রতিদিন সকালে আমলকির রসের সঙ্গে মধু মিশে খেলে বা আমলকীর জুস মুখে মাখানো হলে ত্বকের দাগ,পিগমেন্টেশন থেকে মুক্তি ,ত্বকের কালো দাগ দূর করতে,ত্বকের খোলা ছিদ্রগুলি পরিষ্কার সহ ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় । যার ফলে ত্বক সুন্দর র ঊজ্জল হয় ।
৪. আমলকির রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়। আমলকি চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৫. প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত করে তুলে। টক ও তেতো আমলকি মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।
03/06/2021
চলুন জেনে আসি পারফিউম এর পরিচিতি।
🧴 এই নামে একটা সিনেমা দেখেছেন নিশ্চয়ই। সুগন্ধি তৈরির নেশায় এক সিরিয়াল কিলার খুন করতে থাকে সুন্দরী নারীদের। যাইহোক, ‘পারফিউম’ ল্যাটিন শব্দ "per fumus" থেকে এসেছে। যার অর্থ ‘ধোঁয়ার মাধ্যমে’। সম্ভবত মিশরীয়রাই প্রথম সুগন্ধি তৈরি করেছিল। বিভিন্ন রকম উদ্ভিদের নির্যাস, তেল এবং প্রাণি চর্বি মিশিয়ে এক ধরণের পেস্ট তৈরি করতো তারা। আর সেই পেস্ট শরীরে লাগাত বিভিন্ন উৎসবে। নানা রকম সুগন্ধি গাছগাছড়া থেকে তৈরি করা হতো এসব সুগন্ধি।
🧴 ভারতবর্ষের সুগন্ধির ইতিহাসও অনেক পুরনো। হিন্দু আয়োর্বেদিক গ্রন্থ চক্র সংহিতায় রয়েছে আতর-এর উল্লেখ। খ্রিস্টপূর্ব সাতশত বছর পূর্বের ‘হর্ষচরিতা’ গ্রন্থে উল্লেখ আছে সুগন্ধযুক্ত কাঠের তেলের। প্রাচীন পারস্যেও সুগন্ধির ব্যবহার ছিলো। সুগন্ধি ছিলো আভিজাত্য ও মর্যাদার প্রতীক। আর গ্রীসে প্রথম সুগন্ধির ব্যবহার শুরু করেন আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট । আলেকজান্ডার সম্রাট তৃতীয় দারিয়ুসকে পরাজিত করে শিখে নিয়ে নেয় সুগন্ধি তৈরির কৌশল। তারপর গ্রিস থেকেই ছড়িয়ে পড়ে পুরো ইউরোপে। আরবে সুগন্ধির ব্যবহার ছিলো অনেক আগে থেকেই। তবে আরব্য চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী ইবনে সিনা সর্বপ্রথম গোলাপ ফুলের নির্যাস থেকে সুগন্ধি বের করেন। সেই থেকে আরবীয়রা সুগন্ধি শিল্পে বেশ সমৃদ্ধি লাভ করে। আরবদের পারফিউম ইউরোপ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিলো তার প্রমাণ পাওয়া যায় শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক 'লেডি ম্যাকবেথের কণ্ঠের ‘The Perfume of Arabia’।
🧴 প্রাকৃতিক উপায়ে পাতনের মাধ্যমে আগে সুগন্ধি তৈরি করা হতো। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে চালু হয় কৃত্রিম সুগন্ধির। রসায়নবিদ্যার প্রসারে উৎপন্ন হয় এ্যারোমেটিক যৌগ। আর তৈরি হতে থাকে নানা সুরভীযুক্ত রাসায়ানিক পদার্থ। সবচেয়ে ভালো পারফিউম কোথায় পাওয়া যায়? প্রশ্ন করার সাথে সাথে নিশ্চত ভাবে বলবেন, ফ্রান্স। হ্যাঁ, ফরাসীরাই এখন পারফিউম শিল্পে শীর্ষে। দুশো বছর আগে ফ্রান্সের দক্ষিন প্রভিন্সে ছিল ট্যানারি শিল্প। চামড়া পচা গন্ধে সেখানে টেকা ছিলো কঠিন। সেই দুর্গন্ধ দূর করার জন্য চাষ করা হয় সুগন্ধি লতা গুল্ম। সেখান থেকেই শুরু হয় ফরাসীদের পারফিউম শিল্পের যাত্রা। শুধু সুগন্ধিই না, আরো আরো উপকরণ লাগে পারফিউম তৈরি করতে। উদ্ভিদজাত উপাদান, প্রাণিজাত উপাদান ব্যবহার করা হয় পারফিউম তৈরি করতে। গোলাপ, লাইলাক, লিলি,ল্যাভেন্ডার ম্যগনোলিয়া প্রভৃতি ফুলের নির্যাস থেকে সুগন্ধি যেমন তৈরি করা যায়। হরিণের নাভীর চর্বি বা মিশক (mask) একটি উৎকৃষ্ট উপাদান। এছাড়াও স্পার্ম তিমির অ্যাম্বার্গিস,আম্বর, বিভার ও সিভেটের ব্যবহারও রয়েছে পারফিউম তৈরিতে। চন্দন, সিডার, ইউক্যালিপটাস, অক, আগর গাছ থেকে পাওয়া যায় সুগন্ধি তৈরির উপকরণ। ধনে, এলাচী, দারুচিনি, তেজপাতা এরাও পারফিউম তৈরির উপাদান। আরো উপাদানের মাঝে আছে নানা ফল ও বৃক্ষের ছাল সাইট্রাস, রেড গ্রেপ, পুদিনা, এসব নোটস।
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
02/06/2021
ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা উপকারিতা।
অ্যালোভেরার আরেক নাম হচ্ছে প্রাকৃতিক ক্লিনজার ।ত্বকের যত্নে সবচেয়ে নিখুঁত স্কিনকেয়ার উপাদান হচ্ছে অ্যালোভেরা।প্রায় প্রতিদিনই বাইরে যেতে হয় নানা প্রয়োজনে। কিন্তু বাইরে বেরুলেই ধূলা-বালিতে ও রোদে ত্বকের অবস্থা শোচনীয় হয়ে যায়। তাই এইসময় ত্বকের একটু বাড়তি যযত্ন নেওয়া প্রয়োজন সবার। কারণ গরমে ত্বকে র্যাশ , ব্রণ, রোদে ত্বক পুড়ে যাওয়া ইত্যাদি আরও নানা সমস্যা দেখা দেয়। ব্যস্ততার কারণে হয়তো পার্লারে গিয়ে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সুযোগও হয়না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ত্বকের যত্নে সবচেয়ে ভাল প্রাকৃতিক উপাদান হলো অ্যালোভেরা। ত্বক গ্লো করা, সজীব রাখা, চুল পড়া রোধ করা, চুল ঘন ও লম্বা করা এসব এর জন্য যেসব কসমেটিক্স আছে তার একটি সাধারণ উপাদান হল অ্যালোভেরা। কারণ প্রাকৃতিক উপাদানের কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। তাই ত্বককে সুন্দর রাখতে প্রাকৃতিক উপাদান বেশি ব্যবহার করা উচিত।অ্যালোভেরাতে অনেক ধরণের ঔষধি উপাদান আছে বিধায় সৌন্দর্য জগতে অ্যালোভেরার ব্যবহারও অনেক বেশী।ত্বকের যত্নে সবচেয়ে নিখুঁত স্কিনকেয়ার উপাদান হচ্ছে অ্যালোভেরা ।
জেনে নিন কীভাবে ও কেন রূপচর্চায় অ্যালোভেরা ব্যবহার করবেন-
⦿ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে -
অ্যালোভেরার অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্য ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি রোধ করতে সহায়তা করে। ত্বকের মৃত কোষ সরিয়ে ত্বকের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে।তৈলাক্ত ত্বক, ময়লা এবং ত্বকে জমতে থাকা নানা ক্ষতিকর উপাদানকে পরিষ্কার করে ত্বককে সজীব রাখে।অ্যালোভেরা জেল সরাসরি ত্বকে লাগালেও ত্বক হবে উজ্জ্বল ও সুন্দর।
⦿ আর্দ্রতা ধরে রাখে -
অ্যালোভেরা প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজার। এটি ত্বকের পুষ্টি সরবরাহ করে। যাদের লোমযুক্ত ত্বক, অ্যালোভেরা তাদের লোম দূর করার সর্বোত্তম প্রাকৃতিক প্রতিকার।
⦿ ব্রণ দূর করে -
অ্যালোভেরার রয়েছে স্যালিসাইলিক অ্যাসিড এ ভরপুর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য এছাড়াও রয়েছে । যা ব্রণ প্রতিরোধ এবং ব্রণের কারণে সৃষ্ট দাগ দূর করে ত্বককে ব্রণ এবং ব্রণের দাগ থেকে মুক্ত রাখে। এটি ব্রণ প্রতিরোধে সহায়তা করে এবং ত্বক থেকে অতিরিক্ত তেল সরিয়ে ময়েশ্চারাইজড ত্বক দেয়।
⦿ ট্যান দূর করে -
গ্রীষ্মকালে আমাদের সমচেয়ে বেশি সমস্যা হলো ট্যান এবং বার্ন। সূর্যের তাপে ত্বকে লালচেভাব এবং চুলকানি সংবেদন সৃষ্টি করে। আর এই সমস্যা দূর করতে এবং ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করতে অ্যালোভেরা দুর্দান্ত কাজ করে। অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা ত্বকের রোদে পোড়া দাগ দূর করতে পারে। এছাড়াও অ্যালোভেরা নিরাময় বৈশিষ্ট্যর জন্য পরিচিত।
⦿ রুক্ষ ও প্রানহীন ত্বকের জন্য -
রুক্ষ ও প্রানহীন ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা অনন্য। প্রতিদিন অ্যালোভেরা জেল ম্যাসাজ করুন ত্বকে। ত্বকের পিএইচ লেভেল নিয়ন্ত্রণ করে ত্বক সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।যাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল তারা কেমিকেল ব্যবহার না করে `নাইট ক্রিম` হিসেবে অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালোভেরার অ্যান্টিসেপটিক গুনাগুনও উল্লেখযোগ্য।
⦿ ত্বকের বলিরেখা দূর করতে -
অ্যালোভেরায় রয়েছে ভিটামিন সি, ই ও বেটা-ক্যারোটিন যা ত্বকের যত্নে অতুলনীয়। এটি বলিরেখা দূর করে টানটান করে ত্বক। প্রতিদিন পানির সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে পান করুন ও অ্যালোভেরা জেল ঘষুন ত্বকে।
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
01/06/2021
ত্বকের যত্নে হলুদের উপকারিতা কতটুকু ?
আমরা সবাই হলুদের গুঁড়া চিনি। আপনি কি জানেন,আয়ুর্বেদ ও চিকিৎসাপদ্ধতিতে হলুদের ব্যবহার হয় । রান্নায় হলুদের বহুল ব্যবহৃত একটি উপাদান। হলুদের মধ্যে একধরনের আরোগ্যশক্তি রয়েছে।
👩 ত্বক ভালো রাখতে: হলুদে আছে প্রাকৃতিক উপাদান কারকিউমিন, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটা সিরোসিস ও একজিমার হওয়ার ফলে ত্বকের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। হলুদ ত্বকের কালচে ভাব দূর করে এবং ত্বকে আরো প্রাণবন্ত করে।
👩 দ্রুত ক্ষত উপশম করে: ত্বকের জারণ ও মানসিক চাপের কারণে হওয়া মলিনভাব দূর করতে হলুদ সাহায্য করে । কাঁচা হলুদ একটি এন্টিসেপ্টিক। তাই কাঁটা এবং পোড়া জায়গায় হলুদ বাটার সাথে এলোভেরা মিশিয়ে দিলে অনেক উপকার পাওয়া যায় । ক্ষতস্থানের ওপর কেবল হলুদ লাগিয়ে রাখলেও তা সহায়তা করে, তাড়াতাড়ি ব্যথা এবং দাগের উপশম ঘটে।
👩 বলিরেখা কমায়: হলুদ ত্বকের বলিরেখা, বয়সের ছাপ দূর করতে সাহায্য করে। কারণ এতে কোষকলার মাত্রা বৃদ্ধি ও আর্দ্রতা রক্ষা করার ক্ষমতা রয়েছে । হলুদের মধ্যে থাকা অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান গুলো বার্ধক্য প্রতিরোধে অর্থাৎ বলিরেখা কমাতে সহায়তা করে। এর মানে হল, হলুদ খুব সহজে বলিরেখা ও ত্বকের ভাঁজ দূর করতে সহায়াত করে।
👩 অতি বেগুনি রশ্মির কারণে হওয়া ক্ষয় থেকে রক্ষা: গবেষণায় দেখা গেছে, হলুদ ত্বককে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা করতে সাহয্য করে।হলুদের মধ্যে থাকা কারকিউমিন এ অ্যান্টি মুটেজেনিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উপাদান রয়েছে, যা ত্বককে ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে রক্ষা করে । একারণে ত্বকে হলুদের পেস্ট ব্যবহার করা হলে ঠাণ্ডা ও আরাম অনুভূত হয়। আর রোদের কারণে হওয়া র্যাশ ও পোড়াভাব দূর হয়ে যায়।
👩 ত্বক উজ্জ্বল ও মসৃণ রাখে: এটি ত্বকের উপরের স্তরে পড়া যেকোনো দাগ থেকে ত্বককে মুক্তি দেয় এবং ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করতে সহায়তা করে। বিষাক্ত উপাদানের কারণে ত্বক মলিন ও অস্বস্তিকর হয়ে পড়ে। হলুদ ত্বককে পরিষোধিত করে। ফলে ত্বকের কালচে ভাব দূর হবে এবং ত্বক হবে আরো প্রাণবন্ত, মসৃণ, নরম ও দাগহীন। হলুদ ত্বকের ভেতর থেকে ত্বক উজ্জ্বল করতে এবং ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।
👩 ব্রণ ও কালো দাগ কমায়: হলুদের মধ্যে এন্টিসেপ্টিক এবং এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান থাকে যেটি ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। হলুদ ব্রণের বিরুদ্ধে কাজ করে জ্বলুনি কমায় বিশেষ করে যাদের ত্বক সংবেদনশীল তাদের ত্বকে হলুদ খুব ভালো কাজ করে। এটি শুধু ব্রণই দূর করে না, তার সাথে ব্রণের দাগ এবং লোমকূপ থেকে তেল বের হওয়ার পরিমাণও কমিয়ে দেয়।
জেনে রাখা ভালো:
• ত্বকে কখনও সরাসরি হলুদ দেওয়া যাবে না। হলুদ সব সময় অন্য কিছুর সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করতে হবে। কিছুর সাথে যেমন চন্দন গুঁড়া, চালের গুঁড়া, বেসন ইত্যাদির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। আর দিতে হবে খুবই অল্প পরিমাণে।
• প্রত্যেক মানুষের ত্বক ভিন্ন। তাই আগে মুখে না দিয়ে, হাতে অথবা ঘাড়ে অ্যালার্জি টেস্ট করে নিতে পারেন।
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
31/05/2021
ত্বকের যত্নে রাইস ওয়াটার বা চাল ধোয়া পানি বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।উপকরণ বলতে খুবই সামান্য ও সহজলভ্য। সাধারণ চাল ধোওয়া জল। বেশিরভাগ সময়েই চাল ভিজিয়ে রাখার পর জলটুকু ফেলে দেওয়া হয়।কিন্তু এই চাল ধোয়া পানিতে আছে ভিটামিন বি, যে কারণে ত্বক ও চুল ওঠে উজ্জ্বল হয়ে। এ ছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণে ক্ষারজাতীয় পদার্থ থাকার কারণে এই পানি ত্বক ও চুল পরিষ্কারে খুব কাজে দেয়। চুলের যত্নে যে কয়েকটি প্রাচীন ঘরোয়া পদ্ধতি রয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম এই চাল ধোওয়া জলের ব্যবহার |
🍚 এক গ্লাস পানিতে ৪ টেবিল চামচ চাল ভিজিয়ে রাখুন ৩০ মিনিটের জন্য।সেই পানিটি স্প্রে বোতলে ঢেলে নিন এবং একটি ফ্রিজে রেখে দিন।
পরিষ্কার এবং মসৃণ ত্বক পেতে এই পানিটি আপনার মুখে 4-5 বার স্প্রে করুন।
🍚 চাল ধোয়া পানি বরফের ট্রেতে বরফ করে নিন। মশার কামড়, লালচে ভাব এবং একজিমা দূর করতে এই বরফ ব্যবহার করা যায়।
🍚 রোদপোড়াভাব কমাতে চাল ধোয়া পানিতে হাত ও পা ডুবিয়ে রাখুন।
🍚 ফেইশল টিস্যু চাল ধোয়া পানিতে ভিজিয়ে ১০ মিনিট মাস্কের মতো ব্যবহার করা যায়।ত্বক ভালো রাখতে চাল ধোয়া পানি ব্যবহার করা ভালো।
🍚 চাল ধোয়া পানি অতি পাতলা করে ‘মিস্ট স্প্রে’ এবং সূর্যের আলোর রক্ষাকবচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
🍚 ভাতের মাড়ে তুলা ভিজিয়ে ত্বকে চক্রাকারে ঘষুন। এটি ময়লা ও মেকআপ দূর করবে ত্বকের।
🍚 স্কীন টোনার হিসেবে চমৎকার কাজ করে চালের পানি। চাল ভিজিয়ে রাখা পানি স্প্রে বোতলে নিয়ে ফ্রিজে রেখে দিন কয়েক ঘণ্টা। পরিষ্কার ও শুকনা ত্বকে স্প্রে করুন। প্রাকৃতিক বাতাসে শুকিয়ে নিন ত্বক।
জেনে রাখা ভালো
শুধু সেদ্ধ চালের ক্ষেত্রে (যে চালের ভাত খাওয়া হয়) প্রথমবার ধোয়া পানি নয়, দ্বিতীয়বার ধোয়া পানি ব্যবহার করতে হবে। বাকি সব ধরনের চালে প্রথমবার ধোয়া পানি ব্যবহার করা ভালোএবং চাল ধোয়া পানি বেশি দিন সংরক্ষণ করা যাবে না।
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
31/05/2021
আপনি কি জানেন গরম লেবু পানির গুরুত্ব ও কার্যকরিতা?
নিয়মিত লেবুমিশ্রিত পানি পান করলে যেমন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে, তেমনি বাড়বে হজম শক্তিও। জেনে নিন লেবু পানি পান করার উপকারিতা।
🍋 আপনার পিএইচ ভারসাম্য রক্ষা করে : ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে লেবু পানি পান করলে দেহের পিএইচ লেভেলের ভারসাম্য ঠিক থাকে। ফলে ভেতর এবং বাইরে থেকে শরীর এতটাই চাঙ্গা হয়ে ওঠে যে দেহের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে সময় লাগে না।
🍋 আপনার ওজন কমাতে সহায়তা করে : নিয়মিত লেবু পানি পান করলে শরীরে জমে থাকা অতিরিক্তি মেদ ঝরে যেতে একেবারেই সময় লাগে না। কারণ লেবুতে পেকটিন নামক একটি উপাদান, শরীরে প্রবেশ করার পর অনেকক্ষণ পর্যন্ত পেট ভরিয়ে রাখে। ফলে বারে বারে খাবার খাওয়ার ইচ্ছা চলে যায়। কম মাত্রায় খাবার খেলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কম মাত্রায় ক্য়ালরির প্রবেশ ঘটে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার কোনও সুযোগই পায় না।
🍋 আপনার হজমে সহায়তা করে : যারা বদ হজম, কনস্টিপেশন, বারংবার পেট খারাপ সহ নানাবিধ পেটের রোগে ভুগে তাকেন তারা প্রতিদিন সকালে গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খাওয়া শুরু করুন। স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ ঠিক মতো হতে শুরু করবে। ফলে রোগের প্রকোপ তো কমবেই, সেই সঙ্গে শরীরে জমে থাকা ক্ষতিকর উপাদান বা টক্সিনও বেরিয়ে যাবে।
🍋 রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে : লেবু পানিতে থাকে প্রচুর মাত্রায় পটাশিয়াম, যা রক্তচাপকে স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রতিদিন সকাল-বিকাল লেবু পানি পান করা শুরু করুন, দেখবেন দারুন ফল পাবেন। তবে এমনটা করার আগে একবার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে ভুলবেন না যেন।
🍋 রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : প্রতিদিন লেবু পানি পান করা শুরু করলে দেহে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে, যার প্রভাবে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এত মাত্রায় শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।
📝 ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
31/05/2021
আপনার কি মুখে লোম অথবা চুল বৃদ্ধি পাচ্ছে ?
আমাদের মুখে আমরা তিন রকমের মাস্ক ব্যবহার করতে পারি। যেগুলোর, ব্যবহারের ফলে মুখের ছোট ছোট চুল বা মুখের লোম বৃদ্ধি পাবে না। মাস্ক গুলো ব্যবহারের আগে আপনার মুখ ভালোভাবে ঠান্ডা পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিন যাতে করে মুখে কোনো ময়লা না থাকে।
এই ৩ ধরণের মাস্ক থেকে আপনি যেকোন একটি ব্যবহার করতে পারেন যেটির সব উপকরণ আপনার বাসায় রয়েছে।
যে মাস্ক গুলো ব্যাবহারের ফলে মুখের চুল বা লোম বৃদ্ধি হ্রাস পায় সেগুলো হলো:
মাস্ক -1: ১ টেবিল চামচ হলুদের গুঁড়া, ১ টেবিল চামচ বেসনের গুরা এবং পরিমানমতো পানি নিয়ে উপকরণ গুলো একত্রে মিশিয়ে নিন তার পর মুখে ভালোভাবে লাগান এবং এটি ১0 মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
মাস্ক -2: ডিমের সাদা অংশ এবং একটি লেবুর রস একত্রে মিশিয়ে মুখে ভালো করে লাগান। মিশ্রণ টি শুখানোর জন্য অপেক্ষা করুন এবং শুখানোর পর মুখ ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন ।
মাস্ক -3: মুগ ডাল এক কাপ,আলু, মধু এবং লেবুর রস এক টেবিল চামচ নিয়ে একত্রে মিশিয়ে মুখে লাগান। মাস্কটি শুখিয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
ফরমটি পূরণ করে ফেলুন যাতে করে আমরা প্রতিদিন আপনাকে বিউটি টিপস গুলো ফোনে মাধ্যমে দিতে পারি:
https://forms.gle/xuA2ZLJfzoPjrZgh9
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1209
