Ruqayah & Hijama
সুন্নতি চিকিৎসার অনন্য প্রতিষ্ঠান
01/05/2023
.
হাড়ক্ষয় রোগের জন্য রুকইয়াহ - Ruqyah Support BD হাড়ক্ষয় রোগের জন্য রুকইয়াহ - Ruqyah Support BD
14/01/2020
📢🗣️👉 জ্বিন, জাদু ও বদ নজর ও ক্যান্সারসহ নানা রোগ থেকে থেক্ষে রক্ষা পেতে শরীয়াহ রুকাইয়ার চিকিৎসা গ্রহণ করুন, বিস্তারিত জানতে 📲কল করুন 01715-768209.
➡️➡️ #মহিলাদের_জন্য_সুন্দর_ব্যবস্থা রয়েছে, শরয়ী পর্দার ঠিক রেখে চিকিৎসা প্রদান করা হয়⬅⬅
👉জাদু ও জিনের চিকিৎসা
জাদু: এমন সূক্ষ্ম কাজ ও তন্ত্র মন্ত্র যা শরীর ও অন্তরে প্রভাব বিস্তার করে। জাদুতে রয়েছে শুধু অমঙ্গল ও অত্যাচর। এ ছাড়া রয়েছে মানুষের পরস্পরের অধিকার তথা আর্থিক ও মানুষিক ক্ষেত্রে সীমালঙ্ঘন ও শত্রুতা।
👉তাই দেরি না করে এখনি চিকিৎসা গ্রহণ করুন সৌদি আরব ও মালয়েশিয়া থেকে অনলাইন প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত উস্তাদ রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে।
10/01/2020
📢🗣️👉 সুস্বাস্থ্যের জন্য হিজামা চিকিৎসা গ্রহণ করে সুস্থ্য থাকুন, বিস্তারিত জানতে 📲কল করুন 01715-768209.
➡️➡️ #মহিলাদের_জন্য_সুন্দর_ব্যবস্থা রয়েছে, শরয়ী পর্দার ঠিক রেখে চিকিৎসা প্রদান করা হয়⬅⬅
👉বি. দ্র. সুস্থ থাকতে বছরে ২ বার বা কমপক্ষে ১ বার হিজামা কাপিং থেরাপি গ্রহণ করুন, কারন এতে রয়েছে শারীরিক ও মানষিক প্রশান্তি...(যারা বেশি অসুস্থ আর এসে করাতে পারবেন না তাদের জন্য রয়েছে হোম সার্ভিসের ব্যাবস্থা)
👉হিজামা হলো এমন প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যাতে মানুষের সব ধরনের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বিদ্যমান। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘জিব্রাইল (আ.) আমাকে জানিয়েছেন যে মানুষ চিকিৎসার জন্য যত উপায় অবলম্বন করে, তার মধ্যে হিজামাই হলো সর্বোত্তম।’ (মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৪৭০)
👉আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় এটিকে কাপিং থেরাপি (Cupping therapy)বলা হয়। আমাদের দেশে সাধারণ অর্থে একে ‘শিঙ্গা লাগানো’ বলা হয়। আরবিতে একে বলা হয় ‘হিজামা’। আরবি ‘আল হাজম’ থেকে এ শব্দের উৎপত্তি। এর অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। এই প্রক্রিয়ায় সুচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে (টেনে/চুষে) নিস্তেজ প্রবাহহীন দূষিত রক্ত (Toxin) বের করে আনা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশিগুলোর রক্তপ্রবাহ দ্রুততর হয়।
👉হিজামা কাদের জন্য?
নাবী মুহাম্মদ (সা.) এর নির্দেশিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা কাপিং থেরাপি। এই চিকিৎসায় কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নাই। হিজামা সকল বয়সী লোকদের জন্য প্রযোজ্য। বিশেষ করে-
(১) যারা স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন।
(২) যাদের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড়, হাটু এবং কোমর ব্যথা আছে।
(৩) বৃদ্ধ বাবা-মা; যাদের বাতের ব্যথা আছে ।
(৪) যাদের প্রেসার এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে
(৫) যাদের শারিরীক যন্ত্রনায় ঘুম কম হয়।
(৬) দূর্বল লোকদের জন্য;,যারা অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যান।
(৭) যারা প্রতিদিন রাস্তায় চলাফেরা করেন এবং যারা ধুলাবালিতে কঠোর পরিশ্রম করেন।
(৮) ধূমপায়ীদের জন্য, যারা সিগারেট এর নিকোটিন বের করতে চান,
(৯) যারা শরীরের ভিতরের বিষাক্ত টক্সিন দূর করতে চান।
(১০) যারা শরীরে বিষাক্ত টক্সিন (Toxin) আছে কিনা যাচাই করতে চান।
#উচ্চ_রক্তচাপ_রোধে_হিজামা বা শিঙ্গা পদ্ধতি খুবই কার্যকর। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারণ কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে। (মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৪৮২)
#হিজামা_দূষিত_রক্ত_টেনে_বের_করে_আনে। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘হিজামা গ্রহণকারী কতই উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদণ্ড শক্ত করে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।’ (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ২০৫৩)
📢🗣️মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে Peace Hijama Center ৫০% ছাড়ে চিকিৎসা দিচ্ছে, বিস্তারিত জানতে 📲কল করুন 01715-768209.
➡️➡️ #মহিলাদের_জন্য_হিজামার_সুন্দর_ব্যবস্থা রয়েছে⬅⬅
মহিলাদের জন্য শরয়ী পর্দার ঠিক রেখে মহিলা হিজামা স্পেশালিষ্ট দ্বারা হিজামার চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
👉বি. দ্র. সুস্থ থাকতে বছরে ২ বার বা কমপক্ষে ১ বার হিজামা কাপিং থেরাপি গ্রহণ করুন, কারন এতে রয়েছে শারীরিক ও মানষিক প্রশান্তি...(যারা বেশি অসুস্থ আর এসে করাতে পারবেন না তাদের জন্য রয়েছে হোম সার্ভিসের ব্যাবস্থা)
👉(কাপিংই) হলো শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি, যার মাধ্যমে দেহের মেরিডিয়ানকে (নালিগুলো) প্রতিবন্ধকতামুক্ত ও শক্তিশালী করা সম্ভব। পেশি, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভেতরের অরগানগুলোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। এটি আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা.) এর নির্দেশিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা।
👉কাপিং থেরাপি কী ও কেন?
কাপিং থেরাপি একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে স্থানিক রক্তাধিক্য তৈরি করা হয়। কাপের ভেতরে আংশিক বায়ুশূন্যতা সৃষ্টি করে ত্বকের ওপর তা বসিয়ে দেওয়া হয়। এরপর নেগেটিভ পাম্প ব্যবহার করে কাপের ভেতর বায়ুশূন্যতা তৈরি করা হয়। এটা ত্বকের নিচের টিস্যুতে টান দেয়। ত্বকের ওপর কয়েক মিনিট কাপ বসিয়ে রাখলে কাপের নিচে রক্ত কেন্দ্রীভূত হয়।
👉হিজামা হলো এমন প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যাতে মানুষের সব ধরনের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বিদ্যমান। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘জিব্রাইল (আ.) আমাকে জানিয়েছেন যে মানুষ চিকিৎসার জন্য যত উপায় অবলম্বন করে, তার মধ্যে হিজামাই হলো সর্বোত্তম।’ (মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৪৭০)
👉আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় এটিকে কাপিং থেরাপি (Cupping therapy)বলা হয়। আমাদের দেশে সাধারণ অর্থে একে ‘শিঙ্গা লাগানো’ বলা হয়। আরবিতে একে বলা হয় ‘হিজামা’। আরবি ‘আল হাজম’ থেকে এ শব্দের উৎপত্তি। এর অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। এই প্রক্রিয়ায় সুচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে (টেনে/চুষে) নিস্তেজ প্রবাহহীন দূষিত রক্ত (Toxin) বের করে আনা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশিগুলোর রক্তপ্রবাহ দ্রুততর হয়।
👉হিজামা কাদের জন্য?
নাবী মুহাম্মদ (সা.) এর নির্দেশিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা কাপিং থেরাপি। এই চিকিৎসায় কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নাই। হিজামা সকল বয়সী লোকদের জন্য প্রযোজ্য। বিশেষ করে-
(১) যারা স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন।
(২) যাদের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড়, হাটু এবং কোমর ব্যথা আছে।
(৩) বৃদ্ধ বাবা-মা; যাদের বাতের ব্যথা আছে ।
(৪) যাদের প্রেসার এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে
(৫) যাদের শারিরীক যন্ত্রনায় ঘুম কম হয়।
(৬) দূর্বল লোকদের জন্য;,যারা অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যান।
(৭) যারা প্রতিদিন রাস্তায় চলাফেরা করেন এবং যারা ধুলাবালিতে কঠোর পরিশ্রম করেন।
(৮) ধূমপায়ীদের জন্য, যারা সিগারেট এর নিকোটিন বের করতে চান,
(৯) যারা শরীরের ভিতরের বিষাক্ত টক্সিন দূর করতে চান।
(১০) যারা শরীরে বিষাক্ত টক্সিন (Toxin) আছে কিনা যাচাই করতে চান।
👉মহানবী (সা.) আরো বলেছেন, ‘আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, ‘হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন’।’’ (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ২০৫৩)
#উচ্চ_রক্তচাপ_রোধে_হিজামা বা শিঙ্গা পদ্ধতি খুবই কার্যকর। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারণ কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে। (মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৪৮২)
#হিজামা_দূষিত_রক্ত_টেনে_বের_করে_আনে। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘হিজামা গ্রহণকারী কতই উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদণ্ড শক্ত করে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।’ (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ২০৫৩)
📢🗣️মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে Peace Hijama Center ৫০% ছাড়ে চিকিৎসা দিচ্ছে, বিস্তারিত জানতে 📲কল করুন 01715-768209.
➡️➡️ #মহিলাদের_জন্য_হিজামার_সুন্দর_ব্যবস্থা রয়েছে⬅⬅
মহিলাদের জন্য শরয়ী পর্দার ঠিক রেখে মহিলা হিজামা স্পেশালিষ্ট দ্বারা হিজামার চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
👉বি. দ্র. সুস্থ থাকতে বছরে ২ বার বা কমপক্ষে ১ বার হিজামা কাপিং থেরাপি গ্রহণ করুন, কারন এতে রয়েছে শারীরিক ও মানষিক প্রশান্তি...(যারা বেশি অসুস্থ আর এসে করাতে পারবেন না তাদের জন্য রয়েছে হোম সার্ভিসের ব্যাবস্থা)
👉(কাপিংই) হলো শ্রেষ্ঠ পদ্ধতি, যার মাধ্যমে দেহের মেরিডিয়ানকে (নালিগুলো) প্রতিবন্ধকতামুক্ত ও শক্তিশালী করা সম্ভব। পেশি, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভেতরের অরগানগুলোর কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। এটি আমাদের নবী মুহাম্মদ (সা.) এর নির্দেশিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা।
👉কাপিং থেরাপি কী ও কেন?
কাপিং থেরাপি একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে স্থানিক রক্তাধিক্য তৈরি করা হয়। কাপের ভেতরে আংশিক বায়ুশূন্যতা সৃষ্টি করে ত্বকের ওপর তা বসিয়ে দেওয়া হয়। এরপর নেগেটিভ পাম্প ব্যবহার করে কাপের ভেতর বায়ুশূন্যতা তৈরি করা হয়। এটা ত্বকের নিচের টিস্যুতে টান দেয়। ত্বকের ওপর কয়েক মিনিট কাপ বসিয়ে রাখলে কাপের নিচে রক্ত কেন্দ্রীভূত হয়।
👉হিজামা হলো এমন প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি, যাতে মানুষের সব ধরনের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা বিদ্যমান। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘জিব্রাইল (আ.) আমাকে জানিয়েছেন যে মানুষ চিকিৎসার জন্য যত উপায় অবলম্বন করে, তার মধ্যে হিজামাই হলো সর্বোত্তম।’ (মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৪৭০)
👉আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের পরিভাষায় এটিকে কাপিং থেরাপি (Cupping therapy)বলা হয়। আমাদের দেশে সাধারণ অর্থে একে ‘শিঙ্গা লাগানো’ বলা হয়। আরবিতে একে বলা হয় ‘হিজামা’। আরবি ‘আল হাজম’ থেকে এ শব্দের উৎপত্তি। এর অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া। এই প্রক্রিয়ায় সুচের মাধ্যমে নেগেটিভ প্রেশার দিয়ে (টেনে/চুষে) নিস্তেজ প্রবাহহীন দূষিত রক্ত (Toxin) বের করে আনা হয়। এতে শরীরের মাংসপেশিগুলোর রক্তপ্রবাহ দ্রুততর হয়।
👉হিজামা কাদের জন্য?
নাবী মুহাম্মদ (সা.) এর নির্দেশিত একটি চিকিৎসা ব্যবস্থা কাপিং থেরাপি। এই চিকিৎসায় কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নাই। হিজামা সকল বয়সী লোকদের জন্য প্রযোজ্য। বিশেষ করে-
(১) যারা স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন।
(২) যাদের জয়েন্টগুলোতে ব্যাথা,ঘাড়, হাটু এবং কোমর ব্যথা আছে।
(৩) বৃদ্ধ বাবা-মা; যাদের বাতের ব্যথা আছে ।
(৪) যাদের প্রেসার এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে
(৫) যাদের শারিরীক যন্ত্রনায় ঘুম কম হয়।
(৬) দূর্বল লোকদের জন্য;,যারা অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে যান।
(৭) যারা প্রতিদিন রাস্তায় চলাফেরা করেন এবং যারা ধুলাবালিতে কঠোর পরিশ্রম করেন।
(৮) ধূমপায়ীদের জন্য, যারা সিগারেট এর নিকোটিন বের করতে চান,
(৯) যারা শরীরের ভিতরের বিষাক্ত টক্সিন দূর করতে চান।
(১০) যারা শরীরে বিষাক্ত টক্সিন (Toxin) আছে কিনা যাচাই করতে চান।
👉মহানবী (সা.) আরো বলেছেন, ‘আমি মেরাজের রাতে যাদের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছি, তাদের সবাই আমাকে বলেছে, ‘হে মুহাম্মদ, আপনি আপনার উম্মতকে হিজামার আদেশ করবেন’।’’ (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ২০৫৩)
#উচ্চ_রক্তচাপ_রোধে_হিজামা বা শিঙ্গা পদ্ধতি খুবই কার্যকর। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘গরম বৃদ্ধি পেলে হিজামার সাহায্য নাও। কারণ কারো রক্তচাপ বৃদ্ধি পেলে তার মৃত্যু হতে পারে। (মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৪৮২)
#হিজামা_দূষিত_রক্ত_টেনে_বের_করে_আনে। এর ফলে দৃষ্টিশক্তি প্রখর হয়। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘হিজামা গ্রহণকারী কতই উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদণ্ড শক্ত করে এবং দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।’ (তিরমিজি শরিফ, হাদিস : ২০৫৩)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1216
