plies care Bd
ঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিয়ে নিজেকে সুস্থ করে তুলুন।
01/10/2023
দারুচিনির উপকারিতা
এই মসলার বিশেষ গুণ হল এটি শুধু রান্নাঘরেই ব্যবহৃত হয় না, দারুচিনি অনেক ধরনের ওষুধ ও রোগের চিকিৎসায়ও উপকারী। দারুচিনি বহু বছর ধরে আয়ুর্বেদিক এবং ঐতিহ্যবাহী চীনা ওষুধেও ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
১. দারুচিনির মূল উপকারিতা হলো এর ঔষুধি গুণাবলি। বিজ্ঞানীরা এর অনেক ঔষধি গুণাবলি খুঁজে পেয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম একটি হচ্ছে বিপাক হার বৃদ্ধি।
২. দারুচিনি শক্তিশালী অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। দারুচিনিতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট মানবদেহে ফ্রি র্যাডিকেল দ্বারা সৃষ্ট অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।
৩. দারুচিনিতে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে। গবেষণায় দেখা যায় যে, এই মসলা এবং এর অ্যান্টি অক্সিডেন্টগুলোর শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আর এ কারণে এটি শরীরকে সংক্রমণের সঙ্গে লড়াই করতে এবং টিস্যুর ক্ষতি মেরামত করতে সহায়তা করতে অনেক কার্যকরী।
৪. হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও অনেক উপকারী দারুচিনি। এটি মোট কোলেস্টেরল থেকে খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায় এবং ভালো এইচডিএল কোলেস্টেরলকে স্থিতিশীল রাখে। এ ছাড়া রক্তচাপ কমিয়ে হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও অনেক উপকারী।
৫. বিভিন্ন মানব গবেষণায় দেখা গেছে যে, দারুচিনির অ্যান্টি-ডায়াবেটিক প্রভাব রয়েছে এবং এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ১০ থেকে ২৯৮ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে।
৬. আল্জ্হেইমার ও পারকিনসন রোগে উপকারী হিসেবে কাজ করতে পারে দারুচিনি। পারকিনসন্স রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা যায় যে, দারুচিনি নিউরন রক্ষা করতে সাহায্য করে এবং নিউরোট্রান্সমিটারের মাত্রা স্বাভাবিক করে।
৭. ওজন কমাতে দারুচিনি খুবই কার্যকরী। পানিতে দারুচিনি ফুটিয়ে সেই পানি ছেঁকে নিয়ে তাতে লেবুর রস ও মধু মিশিয়ে পান করলে খুব দ্রুত ওজন কমানো যায়।
৮. যাদের ঘুমে সমস্যা রয়েছে তাদের জন্যও দারুচিনি উপকারী। ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধে দারুচিনি গুঁড়ো মিশিয়ে পান করলে অবশ্যই ভালো ঘুম হবে।
৯. পুষ্টিগুণে ভরপুর দারুচিনিতে রয়েছে প্রোসিয়ানিডিন যা চুলের ফলিকলকে উদ্দীপিত করে এবং দ্রুত বৃদ্ধি সহায়তা করে। এ ছাড়া দারুচিনি চুল পড়া কমাতে এবং টাক পড়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।
01/10/2023
সকালে খালি পেটে পানি পানের ৭ উপকারিতা
১. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ...
২. বিপাক ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করে ...
৩. শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে ...
৪. অন্ত্র পরিষ্কার করতে সহায়তা করে ...
৫. ওজন কমাতে উপকারী ...
৬. কোলন পরিষ্কারে সহায়তা করে ...
৭. মাইগ্রেনের সমস্যা প্রতিরোধ করে
01/10/2023
তুলসি পাতা উপকারী একথা প্রায় সবারই জানা। কিন্তু তুলসিপাতা খেলে কোনো উপকারগুলো পাওয়া যায় সেকথা অনেকেরই অজানা। ওষুধ হিসেবে তুলসিপাতার ব্যবহার বেশ পুরোনো। এই পাতায় আছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান। এগুলো মারাত্মক সব রোগ যেমন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ইত্যদির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে পারে। এটি নানা গুণে অনন্য বলেই হাজার বছর ধরে যোগ আছে ওষুধের তালিকায়। জেনে নিন তুলসি পাতার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে-
সর্দি-কাশি কমিয়ে দেয়
এটি খুব পরিচিত চিত্র যে, ঠান্ডা লাগলে অর্থাৎ সর্দি-কাশি হলে তুলসি পাতা খাওয়া হয় ওষুধ হিসেবে। সর্দি ও কাশি সারাতে এটি খুব দ্রুত কাজ করে। কারও বুকে কফ বসে গেলে তাকে প্রতিদিন সকালে তুলসি পাতা, আদা ও চা পাতা ভালোভাবে ফুটিয়ে তাতে মধু ও লেবু মিশিয়ে খেতে দিন। এতে দ্রুতই উপশম মিলবে।
গলা ব্যথা দূর করে
গলা ব্যথার সমস্যায় ভুগলে আস্থা রাখুন তুলসি পাতায়। কারণ এই সমস্যা দূর করতে তুলসি পাতার জুড়ি মেলা ভার। শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমাতেও তুলসি পাতা বেশ উপকারী। করোনা মহামারির এই সময়ে তাই নিয়মিত তুলসি পাতা খাওয়ার অভ্যাস করুন। কয়েকটি তুলসি পাতা ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে গলা ব্যথা দ্রুত সেরে যায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে তুলসি পাতা। অ্যাজমা, ফুসফুসের সমস্যা, ব্রঙ্কাইটিস ইত্যাদি মোকাবিলায় কাজ করে এই পাতা। জ্বর সারাতেও তুলসি পাতা সমান উপকারী। তুলসি পাতা ও এলাচ পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি পান করলে খুব সহজেই বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ক্ষতস্থানে তুলসি পাতা বেটে লাগালে তা দ্রুত শুকায়।
ওজন কমায়
তুলসি পাতা খেলে তা রক্তে সুগারের মাত্রা ও কোলেস্টরল দুটোই রোধ করে। তাই খুব সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, তুলসি দিয়ে তৈরি ২৫০ মিলিগ্রামের একটি ক্যাপসুল প্রতিদিন খাওয়ার ফলে ওবেসিটি ও লিপিড প্রোফাইল নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে যেকোনো ওষুধ খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ডায়াবেটিস দূরে রাখে
তুলসি পাতা ইনসুলিন উৎপাদনের কাজ করে। প্রতিদিন খাওয়ার আগে তুলসি পাতা খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা কমে। তুলসি অ্যান্টি ডায়াবেটিক ওষুধের কাজ করে। তুলসিতে থাকা স্যাপোনিন, ত্রিতারপিনিন ও ফ্ল্যাবোনয়েড ডায়বেটিস রোধ করতে কার্যকরী।
25/09/2023
⚠️আর নয় অবহেলা সমাধান করুন প্রাকৃতিক উপায়ে।পা^ইলস,পি^স্টুলা, এনাল ফিসার বিদায় নিবে চিরতরে। ⛔
🚫মলদ্বারে গ্যাঁজ বের হওয়া
🚫রক্ত পড়া এবং পুঁজ বের হওয়া
🚫পায়খানা কষা বা ব্যাথা হওয়া
🚫গোটা জাতীয় ফুলে যাওয়া
🚫ক্ষতিকারক টকসিন
🚫মলদ্বারে ঘাঁ হওয়া
➡️এই ধরনের সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে এখনই আমাদের বিশেষজ্ঞের সাথে যোগাযোগ করুন অথবা মেসেজ বাটনে ক্লিক করুন।
⛔ 01878489971
কালিজিরার বিশেষত্ব
কালোজিরার বীজ থেকে একধরণের তেল তৈরি হয়, যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এতে আছে ফসফেট, আয়রন এবং ফসফরাস। এছাড়াও কালোজিরা বিভিন্ন রোগের হাত থেকে দেহকে রক্ষা করে৷ স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, হৃদরোগজনিত সমস্যার আশঙ্কা কমায়, ত্বকের সুস্বাস্থ্য, আর্থাইটিস ও মাংসপেশির ব্যথা কমাতে কালিজিরার তেল উপযোগী।
25/09/2023
পায়ুপথের জটিল রোগগুলোর মধ্যে একটি ফিস্টুলা। অনেকে ফিস্টুলাকে পাইলসের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। দুটির ভিন্ন ভিন্ন উপসর্গ ও চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। সঠিকভাবে রোগ চিহ্নিত করে চিকিৎসা নিতে পারলে সুস্থ জীবনযাপন করা সম্ভব।
25/09/2023
✅ অভ্যন্তরীণ পাইলসঃ এটা মলদ্বারের ভিতরে থাকে। এই ধরনের পাইলসের প্রধান উপসর্গ হল মলদ্বার দিয়ে রক্তপাত ও মলদ্বার বের হয়ে আসা। এই ধরনের পাইলসে কোনপ্রকার ব্যাথা হয়না। ভিতরের পাইলস যদি মলদ্বার দিয়ে বাইরে চলে আসে এবং ভিতরে ঢুকানো সম্ভব না হয় তাহলে সেক্ষেত্রে খুব ব্যাথা হতে পারে।
25/09/2023
মলদ্বারে মাংস বৃদ্ধি পাওয়াকে পা,ইলস বলে।সঠিক সময়ে এই রোগ শনাক্ত করে চিকিৎসা না নিতে পারলে বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হয়।অনেক সময় ক্যা ন্সারও হতে পারে।
এ নাল ফিসার একটি সাধারণ পায়ুপথের রোগ।এ নাল ফিসারের লক্ষণ হল পায়ু পথে ব্যথা,মল ত্যাগের পর পায়ুপথের ব্যথা শুরু হয়।এটি কখনও তীব্র ছিঁড়ে যাওয়ার মতো ব্যথা,কখনও কেটে যাওয়ার মতো,কখনও পিন দিয়ে খোঁচার মতো,কখনও বা ভারি ভোতা ধরনের ব্যথা হয়।এছাড়া পায়ু পথে জ্বালা-পোড়া করে।
এটিকে একটি বিষচক্রও বলা যায়। ব্যথার সঙ্গে রক্ত যাওয়া,চুলকানি, পায়খানার রাস্তা ভেজা ভেজা থাকে ইত্যাদি নানা সমস্যা হতে পারে।
মলদ্বারের ভেতরে অনেক গ্রন্থি রয়েছে, এগুলোর সংক্র মণের কারণে ফোড়া হয়।
মলদ্বারে পার্শ্বস্থিত কোনো স্থানে এক বা একাধিক মুখ দিয়ে মাঝেমধ্যে পুঁজ বের হয়ে আসাকে আমরা ফি স্টুলা বা ভগ ন্দর বলে থাকি।এ সংক্রমণের কারণে মলদ্বারে প্রচুর ব্যথা হয়।
উক্ত সমস্যাগুলো থেকে স্থায়ী সমাধান পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন অথবা কল করুন:- 01878489971
25/09/2023
মলত্যাগ করার সময়ে যদি ওয়েস্টার্ন টয়লেট ব্যবহার করেন, তাহলে পায়ের নীচে ছোট টুল রাখুন। চিকিৎসকরা বলেন ওয়েস্টার্ন টয়লেটের কমোড অর্শের সমস্যা বাড়িয়ে দেয়। তুলনায় অনেক নিরাপদ বাংলাদেশী টয়লেট। যদি ওয়েস্টার্ন টয়লেটই ব্যবহার করতে হয়, তাহলে পায়ের পাতার নীচে টুল রাখলে হাঁটু দুটো উঁচু হয়ে যায়। তাতে মলদ্বারে কম চাপ পড়ে। অর্শের সমস্যা কমে।
25/09/2023
এনাল ফিসার একধরণের পায়ুপথের রোগ। পায়খানা করার সময় খুব বেশি জ্বালাপোড়া হওয়া অথবা ছুরির ধারের মত ব্যথা করা — এটি একটি পরিচিত সমস্যা। কারো কারো ক্ষেত্রে এই ব্যথা এতই তীব্র হয় যে নিয়মিত মলত্যাগ করাই তাদের জন্য অসহনীয় হয়ে দাঁড়ায়। এই লক্ষণগুলো সাধারণত এনাল ফিসার রোগের লক্ষণ। বাংলায় এটি গেজ রোগ নামেও পরিচিত।
কোষ্ঠকাঠিন্য হল পাইলসের অন্যতম কারণ। এবার সেই সমস্যা দূর করে দিতে পারে মলাসন ব্যায়ামটি (Yoga)। এই ব্যায়াম করতে পারলে মেরুদণ্ড ঋজু থাকে। এমনকী এই আসন নিয়মিত করলে পেটের সমস্যা দূর হয়ে যায়।
Click here to claim your Sponsored Listing.
