Forge & Field
The purpose and task of our project is to make every woman even happier, more successful, confident
24/05/2020
ঈদ মোবারক ও সবাইকে ঈদ-উল ফিতরের শুভেচ্ছা
21/05/2020
নাবি কারিম সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, রমজানের প্রথম দশদিন রহমত, দ্বিতীয় মাগফেরাত ও শেষ ভাগ হচ্ছে দোজখের আগুন থেকে মুক্তি লাভ। রমজানের প্রতিটি মুহূর্তই মূল্যবান ও গুরুত্বপূর্ণ। তবে শেষ দশকের গুরুত্ব বেশি। কেননা এই অংশে রয়েছে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তা হলো লাইলাতুল কদর, ইতিকাফ, জুমাতুল বিদা ও সাদাকায়ে ফিতর।
হজরত সালমান ফারসি (রা.) থেকে বর্ণিত হুজুর সা. বলেছেন, রমজানের প্রথম দশ দিন রহমত, দ্বিতীয় দশদিন মাগফেরাত ও তৃতীয় দশদিন মুক্তির।
হাদিসে এসেছে রাসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজানের শেষ দশ দিনে এতো মেহনত করতেন, যা তিনি অন্যান্য সময় করতেন না।' (মুসলিম : ১১৭৫)
আরেক হাদিসে এসেছে রাসুলুল্লাহ (সা.) রমজানের শেষ দশ দিনে ইতিকাফ করে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করতেন এবং অন্যদেরও উৎসাহ দিতেন। আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণনা করেন, নবীজী প্রতি বছর রমজানের শেষ দশ দিন ইতিকাফ করতেন। ইন্তেকালের বছর শেষ ২০ দিনই ইতেকাফে ছিলেন। (সহীহ বুখারী ৪৯৯৮)
হজরত জাকারিয়া (র.) বলেন, রহমত, মাগফেরাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তি এই তিন অংশের মধ্যে পার্থক্য এই যে, মানুষ তিন প্রকারের হয়। এক, ওই সমস্ত লোক যাদের গোনাহ নেই, এই সমস্ত লোকের জন্য তো রমজানের শুরু থেকেই রহমত এবং নেয়ামত ও পুরস্কারের বৃষ্টি বর্ষণ শুরু হয়ে যায়।
দ্বিতীয় প্রকার, সেসব মানুষ যারা কম গোনাহগার; তাদের জন্য রমজানের কিছু অংশ রোজা রাখার পর এই রোজার বরকতে ও বদলায় মাগফেরাত হয়।
আর তৃতীয় প্রকার, সেসব মানুষ যারা বেশি গোনাহগার, তাদের জন্য রমজানের বেশিরভাগ রোজা রাখার পর জাহান্নাম থেকে মুক্তি হয়। আর যাদের জন্য রমজানের শুরু থেকে রহমত ছিল এবং আগে থেকে তাদের গোনাহ মাফ হয়েছিল, তাদের জন্য যে কী পরিমাণ আল্লাহর রহমতের স্তূপ লেগে যাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন রমজানের শেষ দশদিন শুরু হতো, তখন রাসুলুল্লাহ সা. সারা রাত জেগে থাকতেন। এমনকি তার আহলিয়াকেও সজাগ করতেন এবং ইবাদতের অত্যাধিক চেষ্টা করতেন।
তাই প্রত্যেকের উচিত শেষ দশদিনের রাতগুলো এবাদতের মাধ্যমে কাটিয়ে দেয়া। সব ধরনের পাপের কাজ থেকে বিরত থাকা দরকার।
🚻
☎️ +8801844254626
🌎 www.sector4bd.com
🏠 House # 936, Office # 1/A, 6th floor, Road # 13, Avenue # 2, Mirpur DOHS, Pallabi, Dhaka 1216
19/05/2020
রমজানে কখন ব্যায়াম করবেন-
আমরা যখন ব্যায়াম করি তখন পেশিতে প্রচুর শর্করার প্রয়োজন হয়। খাবার গ্রহণ না করে থাকলে যকৃৎ ও পেশিতে সঞ্চিত গ্লাইকোজেন ভেঙে এই শর্করা সরবরাহ করে শরীর। রোজা রেখে বেশি ব্যায়াম করলে এই সঞ্চিত শর্করা দ্রুত শেষ হয়ে যাবে ও শরীর দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। তাই পবিত্র রমজান মাসে শরীরচর্চা করার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।
১. অনেকেই ইফতারে নানা প্রকার ভাজাপোড়া ও উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন। এতে অতিরিক্ত ক্যালরি খাওয়া হয়ে যায়, ওজন বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। রক্তে শর্করা বা কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়াও বিচিত্র নয়। ইফতার ও রাতের খাবারের মধ্যবর্তী সময় হলো শরীরচর্চার জন্য সবচেয়ে উত্তম সময়। ইফতার গ্রহণের এক থেকে দুই ঘণ্টা পর হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি করুন।
২. পানি ও লবণশূন্যতার কারণে পেশিতে ক্র্যাম্প হতে পারে। তাই ইফতারের সময় বেশি করে পানি পান করুন। ইলেকট্রোলাইটস সমৃদ্ধ ডাবের পানি পান করা আরও ভালো। ব্যায়ামের পর আবার একটু জিরিয়ে নিয়ে আবার বেশি করে পানি পান করুন।
৩. ভারী খাবার খেয়ে ব্যায়াম করা যায় না। তাই ভালো হবে যদি হালকা ইফতার গ্রহণ করেন। বেশি তেলে বা ঘিয়ে ভাজা খাবারদাবার না খেয়ে দই, চিড়া, ছোলা, শসার সালাদ, ফলমূল ইত্যাদি খেয়ে তারপর শরীরচর্চা করলে খারাপ লাগবে না।
৪. অন্য সময়ের তুলনায় হাঁটা বা ব্যায়ামের সময় কমিয়ে নিতে পারেন। অন্যান্য সময় যাঁরা এক ঘণ্টা হাঁটেন, তাঁরা ২০ মিনিট কমিয়ে ফেললেই ভালো।
৫. রাতের বেলা একটু হাঁটাহাঁটি করলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটির সমস্যা ইত্যাদিও কমে।
৬. শরীরচর্চা করে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়লে বা মাথা ঘুরলে বাদ দিন।
৭. ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগে আক্রান্ত রোগীরা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
🚻
☎️ +8801844254626
🌎 www.sector4bd.com
🏠 House # 936, Office # 1/A, 6th floor, Road # 13, Avenue # 2, Mirpur DOHS, Pallabi, Dhaka 1216
17/05/2020
জিমে নয়, বাড়িতে মাত্র ১০ মিনিটেই মেদ ঝরান।
১। তাবাতার সাহায্যে ফ্যাট কমান মাত্র চার মিনিটেই। চার মিনিটের হাই ইনটেনসিটি ওয়ার্কআউটের পর দশ সেকেন্ডের বিশ্রাম। এর পর পাঁচ মিনিটের ওয়ার্ম-আপ করে ফের চার মিনিটের তাবাতা। কম সময়ে মেদ কমাতে এর জনপ্রিয়তা দিনকে দিন বাড়ছে।
২। কোনও ভারী যন্ত্র ছাড়াই স্কিপিং করে মেদ কমাতে পারেন। জানেন কি, দশ মিনিট টানা স্কিপিংয়েই ২০০ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরাতে পারেন? তবে স্কিপিং করার সময় হাঁটুতে চোট যাতে না লাগে সে দিকে খেয়াল রাখবেন।
৩। কোমরের চারপাশে, হাতে, কাঁধের মেদ কমাতে কেটলবল ওয়ার্কআউটের জুড়ি মেলা ভার। এই ব্যায়ামে মিনিট প্রতি ২০ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরাতে পারেন।
৪। বোসু বল দিয়ে ঘরে বসেই ব্যায়াম সেরে ফেলতে পারেন। একটি ডিস্কে বোসু বল আটকানো থাকে। আর তাতে নানা পজিশনে শরীরের বিভিন্ন অংশের ব্যায়াম করতে পারেন। প্রতিটি ব্যায়াম করতে সময় লাগবে মাত্র ২০ সেকেন্ড। এ পর ১০ সেকেন্ডের বিরতি। এ ভাবে মোট চার বার ব্যায়াম করুন। বোসু বল দিয়ে স্কোয়াট, লাউঞ্জেস, সিট-আপস করতে পারেন।
৫। মার্শাল আর্টের একটি বহু পুরনো ফর্ম কিকবক্সিং। তবে হালফিলের জিমগুলিতেও কিকবক্সিং করে অনেকেই ঘাম ঝরাচ্ছেন। এতে মিনিট প্রতি ১০-১৫ ক্যালোরি ঝরাতে পারেন। তা ছাড়া, পেটের অতিরিক্ত মেদ কমাতে এবং নমনীয়তা বাড়াতে এটি খুবই কাজে দেয়।
৬। সাইকেল চালানোরও অনেক উপকারিতা রয়েছে। প্রথমে ২০ সেকেন্ড ধরে খুব তাড়াতাড়ি সাইকেল চালা। এর পর স্বাভাবিক গতিতে ফিরুন। ফের কুড়ি মিনিটের জন্য দ্রুত সাইকেল চালান। এ বার ২ মিনিটের ওয়ার্ম-আপ করুন। তিন মিনিট বিশ্রাম নিন। এ ভাবেই মাত্র দশ মিনিটে পেতে পারেন পারফেক্ট বডি।
৭। অফিসে লিফ্ট ব্যবহার না করে সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করুন। মাত্র দশ মিনিটের জন্য হলেও সিঁড়ি ভাঙলে আখেরে লাভ হবে আপনারই।
৮। ফিটনেস নিয়ে যাঁরা খোঁজখবর রাখেন তাঁদের কাছে বারপিস শব্দটা নতুন নয়।
এটা আসলে পুশ-আপস, স্কোয়াট আর জাম্পিংয়ের কম্বিনেশন।
🚻
☎️ +8801844254626
🌎 www.sector4bd.com
🏠 House # 936, Office # 1/A, 6th floor, Road # 13, Avenue # 2, Mirpur DOHS, Pallabi, Dhaka 1216
13/05/2020
ইয়োগা বিষয়ে ৬টি তথ্য আপনার জানা দরকার-
১. ইয়োগা এক ধরনের চর্চা। প্রতিদিন ইয়োগার মাধ্যমে উন্নতির দিকে এগিয়ে যেতে হবে। ইয়োগা আপনাকে যাবতীয় চাপ থেকে মুক্তি দেয়। প্রতিনিয়ত একে আরো চ্যালেঞ্জিং করে নিতে পারলে তা আপনার জন্য উপভোগ্য হয়ে উঠবে।
২. যারা ইয়োগা কোর্স করে থাকেন, তারা সাধারণত প্রাথমিক কৌশলগুলো চর্চা করেন না। তবে সবাই পরের কাজগুলো দ্রুত করে ফেলতে চান। কিন্তু প্রাথমিক কাজগুলো সঠিকভাবে আয়ত্ত করলে এর দ্বারা অনেক সুফল পাওয়া যাবে।
৩. ইয়োগার বিশেষ কলা-কৌশল প্রতিদিন চর্চা করতে হয়। অনেকেই মনে করেন, দেহকে কেবল স্থিতিস্থাপকতা প্রদানই ইয়োগার কাজ। এর ব্যাপ্তি অনেক বেশি।
৪. ইয়োগা শুধু দেহের সঙ্গে নয়, মনের জন্যেও কাজ করে। ইয়োগা আপনাকে আরো বেশি দয়াশীল, ধৈর্যশীল এবং সহনশীল হতে শেখায়। জীবনের অনেক মানসিক অশান্তি দূর হয়ে যাবে।
৫. মনোযোগ দিয়ে করলে আপনি নিশ্চিতভাবে ইয়োগার প্রেমে পড়বেন। অনুভব করবেন, আপনার পারফরমেন্স, মেজাজ এবং স্বাস্থ্য হঠাৎ করেই ভিন্নমাত্রায় পৌঁছে গেছে।
৬. ইয়োগা কেবলমাত্র ম্যাটে বসে থেকে নিঃশ্বাস নেওয়া এবং নিচের মাটি অনুভব করা নয়। এটি কিছুটা কঠিন বৈকি। কোনো পোজ সহজ মনে হলে একে আরো চ্যালেঞ্জিং করে নেওয়ার চেষ্টা করলে এটার মাধ্যমে অনেক উপকার পাবেন।
🚻
☎️ +8801844254626
🌎 www.sector4bd.com
🏠 House # 936, Office # 1/A, 6th floor, Road # 13, Avenue # 2, Mirpur DOHS, Pallabi, Dhaka 1216
10/05/2020
রমজানে খাদ্যাভাস
পবিত্র রমজান মাস এসে যাচ্ছে। আমরা রোজা রাখার জন্য মানসিক প্রস্তুতি নিচ্ছি। রমজানে আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাপনের বেশকিছু পরিবর্তন ঘটে। আর সব থেকে বড় পরিবর্তন হয় খাবারের ক্ষেত্রে। এসময় আমরা অনেকেই শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হই । তবে একটু সাবধান হয়ে বুঝে চললে এই সমস্যা কাটিয়ে রোজা রাখতে পারবো।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, নিয়ম করে সব ধরনের খাবারই খেতে হবে। যেন শরীর পুষ্টিকর খাবারের অভাবে দুর্বল না হয়। যেমন:
১. ইফতারিতে দু-একটা খেজুর, শরবত এবং টাটকা ফল খেলে শরীরের জন্য ভালো। সঙ্গে চাইলে ঘরে তৈরি মুখরোচক খাবার থাকতে পারে।
২. সন্ধ্যা রাতের খাবারে ভাত বা রুটি, প্রচুর সবজি, দু-এক টুকরা মাছ বা মাংস, দুধ ও ফল খেতে হবে।
৩. ইফতার ও ঘুমানোর মাঝের সময়ে প্রচুর পানি পান করতে হবে।
৪. সেহরিতে একটু হালকা খাবারই ভালো।
৫.এবারের রোজা গরমের সময় হচ্ছে। এখন দিন অনেক বড়, আমাদের প্রায় ১৫ ঘণ্টা না খেয়ে রোজা রাখতে হবে। প্রচুর আশযুক্ত খাদ্য এবং পানি পান নিশ্চিত করতে হবে।
রোজা রাখার মুল উদ্দেশ্য ভুলে গেলে চলবে না। সারা দিন রোজা রেখে খাবার গ্রহণেও সংযমী হতে হবে।
রোজা রাখুন এবং সুস্থ থাকুন
🚻
☎️ +8801844254626
🌎 www.sector4bd.com
🏠 House # 936, Office # 1/A, 6th floor, Road # 13, Avenue # 2, Mirpur DOHS, Pallabi, Dhaka 1216
07/05/2020
রমজানে ডায়েট ও পুষ্টি
স্বাস্থ্য সচেতন যে কোন মানুষই ডায়েট নিয়ে চিন্তায় থাকে। রমজান মাস আসলে চিন্তাটা যেন একটু বেড়েই যায়। কেননা এ সময়টাতে খাবারের তালিকা থেকে শুরু করে খাবার গ্রহণের সময় সব বদলে যায়? তাহলে কী করে মেনে চলবেন ডায়েট?
১. প্রায় ১৫ ঘন্টা কিছু না খেয়ে থাকার পর খেতে শুরু করছেন আপনি। ধর্মীয় নিয়মে খেজুর খেয়েই ইফতার শুরু করুন। ইফতারের খাবারের তালিকায় ফলের জুস এবং শরবত রাখুন। ইসবগুল ও তোকমার শরবত, লেবুর শরবত, আমের জুস, জামের জুস কিংবা অন্য কোন ফলের জুস।
2. দয়া করে যদি ওজন কমাতেই চান, তবে তেলে ভাঁজা সুস্বাদু ইফতারগুলো খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দিন। এর বদলে চিড়া দই আম মিশিয়ে খেতে পারেন। চাইলে অল্প তেলে ভাঁজা আধা কাপ বুট অনেক খানি সালাদ দিয়ে খেতে পারেন। ইফতারের তালিকায় মৌসুমি ফল রাখুন।
৩. যদি ইফতারে কম খান তবে ১০/১১টার দিকে দুটি লাল আটার রুটি বা ওটসের রুটি সাথে সবজি খাবেন। (ওটসের রুটি বানানো খুব সোজা। বাজার থেকে আনা হোলগ্রেইন ওটসকে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। এর সাথে ১/৩ পরিমাণে লাল আটা মিশিয়ে নিন। এরপর সাধারণ নিয়মে রুটি বানান) খাবার শেষে এক কাপ গ্রিন টি বা ব্ল্যাক কফি খেতে ভুলবেন না যেন।
৪. রোজা রেখে যেহেতু ব্যায়াম করা সম্ভব হয়না তাই টুকটাক ব্যায়াম আপনাকে রাতেই করতে হবে। তাই রাতে যদি ঘুমান তবে তার আগে ছোট খাটো কিছু ব্যায়াম করে নিন। তবে অবশ্যই দেহের উপর জোর দিয়ে কোন ব্যায়াম করবেন না।
5. দেহকে কষ্ট দিয়ে ডায়েট করবেন না। আবার তাই বলে ইচ্ছেমত খাওয়াও যাবেনা। আপনি জানেন আপনার জন্য কী উপকারী আর কী ক্ষতিকর। এই বিষয়টা মাথায় রেখেই পরিমিত খাবেন। ভাঁজা পোড়া খাবার, ফাস্টফুড, মিষ্টি খাবার, কোমল পানীয় এসবকে না বলুন। সুস্থ থাকুন, পর্যাপ্ত ওজন নিয়ে বাঁচুন।
🚻
☎️ +8801844254626
🌎 www.sector4bd.com
🏠 House # 936, Office # 1/A, 6th floor, Road # 13, Avenue # 2, Mirpur DOHS, Pallabi, Dhaka 1216
05/05/2020
রমজানে কেন বেশি পানি পান করবেন-
১. পানি দেহের জন্য ভীষণ জরুরি। শুধু রমজান নয়, পুরো বছরজুড়ে প্রচুর পানি পান করুন। তাই খাবার ভালোভাবে হজম হওয়ার জন্য প্রতিদিন গড়ে দেড়-দুই লিটার পানি পান করাটা খুবই দরকার। পানি খাবারের সাথে মিশে খাবার হজমে সাহায্য করে।
২. আমাদের দেহের অতি প্রয়োজনীয় একটি অঙ্গের নাম হলো কিডনি। কিডনি দেহের ছাকন যন্ত্রের মতো কাজ করে। দেহের জরুরি উপাদানগুলোকে রেখে অপ্রয়োজনীয় অংশগুলোকে সূত্রের সাহায্যে শরীরের বাইরে বের করে দেয়। এই অঙ্গ আমাদের পেটের দুইপাশে দুইটি রয়েছে। প্রচুর পানি খেলে কিডনি কাজ করে ভালোভাবে।
৩. রমজানে তেলে ভাজা খাবার খাওয়া হয় বেশি। তাই ইফতারের পর থেকে সাহরি পর্যন্ত প্রচুর পানি পান করুন। পানি দেহের ফ্যাট সেলগুলোকে কমিয়ে দেয়। ফলে ওজন কমাতে সুবিধা হয়। যারা প্রচুর খাবার নিয়ন্ত্রণ ও ব্যায়াম করে, ওজন কমাতে চায়, তাদের নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার ও প্রচুর পানি পান করা উচিত।
৪. প্রচুর পরিমাণ পানি দেহের বিলিরুবিনের মাত্রা কমিয়ে দেয়। বিলুরুবিন হলো রক্তের একটি জরুরি উপাদান। যা নির্দিষ্ট পরিমাণের চেয়ে বেড়ে গেলে জন্ডিস হয়ে যায়। আবার গলব্লাডার বা পিত্তথলির কাজকর্ম সুষ্ঠুভাবে চালানোর জন্য পানি পান করা দরকার।
৫. কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করার জন্য পানি খুব দরকার। পানি নিয়মিত খেলে খাবার ঠিকমতো হজম হয়, ব্রণও ভালো হয়। পুরো দেহে রক্ত চলাচল ঠিকমতো হওয়ার জন্য ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় থাকে।
🚻
☎️ +8801844254626
🌎 www.sector4bd.com
🏠 House # 936, Office # 1/A, 6th floor, Road # 13, Avenue # 2, Mirpur DOHS, Pallabi, Dhaka 1216
03/05/2020
আনারস জুসের উপকারীতা-
১. মুখের রুচি বৃদ্ধি করে।
২. গলা থেকে কফ দূর করে।
৩. দেহের গরম-ঠান্ডা জ্বর, জ্বরজ্বর ভাব দূর করে।
৪. আনারসে রয়েছে ভিটামিন সি, যা ভাইরাস প্রতিরোধ করে।
৫. এ জুস বিপাকে সাহায্য করে। এ ছাড়া চুল, ত্বক ও নখের পুষ্টি জোগায়।
🚻
☎️ +8801844254626
🌎 www.sector4bd.com
🏠 House # 936, Office # 1/A, 6th floor, Road # 13, Avenue # 2, Mirpur DOHS, Pallabi, Dhaka 1216
02/05/2020
ইফতারে খেজুরের ১০টি বিস্ময়কর উপকারিতা-
১। রোজায় দীর্ঘসময়য়ের জন্য না খেয়ে থাকার ফলে শরীরে গুলুকোজ এর ঘাটতি অনুভূত হয়। খেজুরে থাকা প্রচুর পরিমাণ গুলুকোজ পূরণ করতে পারে সে ঘাটতি।
২। খেজুরে আছে ডায়েটারি ফাইবার, যা আপনাকে দেবে কোলেস্টেরল থেকে মুক্তি।
৩। খেজুরে আছে ৩ রকমের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। যা ডায়াবেটিস এবং হার্টের রোগের ঝুঁকি কমায়, এমনকি বৃদ্ধি করে দৃষ্টিশক্তি।
৪। খেজুর পেটের গ্যাস এবং শুষ্ক কাশি দূর করে। এজমার সুরক্ষায়ও খেজুর ভালো কাজ করে থাকে।
৫। খেজুরে আছে প্রচুর পরিমাণ শর্করা যা শারীরিক দূর্বলতা দূর করতে সাহায্য করে।
৬। খেজুরে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম যা আপনার হাড়, দাঁত, নখ ইত্যাদি ভালো রাখতে সহায়তা করবে।
৭। খেজুরে বিদ্যমান প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম আমাদের শরীরের নার্ভ সিস্টেম কে সচল রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৮। খেজুরে থাকা ডায়েটারি ফাইবার ডাইরিয়া প্রতিরোধে সাহায্য করে। কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা যায়, ডাইরিয়ায় শরীর থেকে বের হয়ে যায় ইলেক্ট্রোলাইট, যার অভাব দূর করতে পারে খেজুর।
৯। খেজুরে থাকা অর্গানিক সালফার আপনাকে বিভিন্ন রকম এলার্জির হাত থেকে মুক্তি দেবে।
১০। ওজন কমানোর জন্যেও খেজুর একটি ভালো সমাধান। নিয়মিত খেজুর খেয়ে ওজনকে আয়ত্তে রাখা সম্ভব।
🚻
☎️ +8801844254626
🌎 www.sector4bd.com
🏠 House # 936, Office # 1/A, 6th floor, Road # 13, Avenue # 2, Mirpur DOHS, Pallabi, Dhaka 1216
28/04/2020
মাহে রমজানের উপকারিতা -
১. ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলীর এক গবেষনায় দেখা গেছে যে রোজা রাখার (ফাস্টিং) ফলে তা স্বাস্থ্যের জন্য বিভিন্ন উপকার বয়ে আনে। যেমন ক্যান্সারের ঝুকি কমে যাওয়া, বুড়িয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াটিকে মন্হর করে দেওয়া এবং জীবনচক্রটিকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে বাড়িয়ে দেওয়া।
২. ক্যালরী রেসট্রিকসন ডায়েটের মত রোজাও ক্যালরী গ্রহনকে কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এটি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এজিং এর নিউরোসাইন্সের যে ল্যাবরেটরি রয়েছে তার প্রধান প্যাটারসনের অভিমত।
৩. একজন সুস্থ্য মানুষ রোজা রাখলে তা স্বাস্থ্যের জন্য সুফল বয়ে আনে। এটি একটি কার্যকরী ডিটোক্সিফিকেশন থেরাপি। যার ফলে শরীরে জমে থাকা বিষাক্ত পদার্থগুলি ভেংগে পরে শরীর থেকে বেরিয়ে আসে। যাদের শরীরের ওজন বেশি এবং যাদের কম, উভয়ের জন্যই রোজার উপযোগীতা রয়েছে। এটা সহজেই অনুমেয় যে রোজা শরীরের ওজন কমায়। রোজা সময়টুকুতে শরীরে জমে থাকা চর্বীগুলো ব্যবহ্রত হয়, পুড়ে নি:ষেশিত হয় এবং এইভাবে শরীরের ওজন কমে যায়।
৪. রোজা অনেক ধরনের চর্ম রোগের সমস্যা থেকে আমাদের মুক্তি দেয়। এটি হয়ে থাকে শরীর থেকে বিষাক্ত দ্রব্যগুলো বেরিয়ে যাওয়ার ফলে এবং রক্ত পরিশুদ্ধ হওয়ার ফলে রোজা সিগারেট এবং মদের মত অনেক ধরনের আসক্তি থেকেও আমাদের মুক্তি দিতে পারে।
৫. পুরোপুরি অভুক্ত থাকার প্রধান সমস্যার দুটি হল হাইপোকালেমিয়া এবং কার্ডিয়াক এরিথমিয়া। প্রথমটিতে রক্তে পটাসিয়ামের লেভেল অনেকটা নীচে নেমে যায় আর দ্বিতীয়টিতে হার্টবিট অস্বাভাবিক হয়ে পরে। কিন্তু রোজা টোটাল ফাস্টিং নয়, রোজাদাররা নিয়ম করে ইফতার এবং সেহেরীর সময় খাদ্য গ্রহন করে থাকেন। রক্তে সুগারের যে ঘাটতি দেখা দেয় তাও পুরন হয়ে যায়।
অতএব এটাতে কোন মতভেদ নেই যে রোজা একজন সুস্থ্য মানুষের স্বাস্থের আরো উন্নতি ঘটায়। কিন্তু যারা অসুখ বিসুখে ভোগছেন তাদের ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে রোজা রাখা উচিত।
🚻
☎️ +8801844254626
🌎 www.sector4bd.com
🏠 House # 936, Office # 1/A, 6th floor, Road # 13, Avenue # 2, Mirpur DOHS, Pallabi, Dhaka 1216
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
House# 936, Floor# 6th, Road# 13, Avenue# 2, , Mirpur DOHS
Dhaka
1216
Opening Hours
| Monday | 10:00 - 18:00 |
| Tuesday | 10:00 - 18:00 |
| Wednesday | 10:00 - 18:00 |
| Thursday | 10:00 - 18:00 |
| Sunday | 10:00 - 18:00 |
