Organic Beauty Product Training Centre
Organic Beauty Product Training Institute helps in making different types beauty products
16/11/2025
আলহামদুলিল্লাহ নতুন স্টুডেন্ট🥰
দশ হাজার টাকা পুঁজি নিলাম,অনেক প্রোডাক্ট কিনলাম আর একটা পেজ ওপেন করে সেল পোস্ট দিলেই কি ব্যবসা করা যায়?যায়না ভাই।
ব্যবসা সবার জন্য না। প্রতিদিন যদি কাজ না করতে পারেন তাহলে ব্যবসা আপনার জন্য না।
রেগুলার পোস্ট করার বেনিফিট কি জানো?
এই যে অনেকদিন যাবত পরীক্ষার জন্য পেইজে এড রান করতে পারতেছিনা, তারপরেও পেইজ সাজেশনে যায়। পোস্টগুলো থেকে কাস্টমার নক দেয়।
াকায়_বিউটি_প্রোডাক্ট_তৈরি_করা_শিখুন
30/06/2025
আমরা ফ্রড না ভাই।টাকা আসার সাথে সাথেই আপনাকে সিক্রেট গ্রুপের লিংক দিয়ে এড করিয়ে দিবো,
29/06/2025
Alhamdulillah new student 🥰
জীবনে একটাই দুঃখ, আজ পর্যন্ত কেউ শরীয়তপুরের ডিসি সাহেবের মত ভালোবাসে নাই।
কেউ ক্যামেরার সামনে কাইন্দা কাইন্দা বলে নাই, জান, তুমি অন্তত ভালো থাকো জান
এই গীবন দিয়া কি করবো……? 🥺
24/06/2025
হরমোনাল সমস্যা ও প্রেগ্ন্যান্সির কারণে যাদের চুল পড়ে তাদের জন্য হেয়ার অয়েলের রেসিপি দিবো?
“এই বাড়ি, এই গাড়ি, এই ব্যাংক ব্যালেন্স—সবই তো তোমার!”
এই কথাটাই হলো পুরুষদের সবচেয়ে চকচকে মিথ্যা।
যেই সংসারে দিনের পর দিন খেটেও যদি হিসেবের খাতা খুলে দেখাতে হয়,
যেখানে নিজের জন্য কিছু কিনতেও অনুমতির দরকার হয়—
সেইটা নিজের “সব কিছু” কীভাবে হতে পারে?
চাকুরিজীবীদের যেমন সপ্তাহে একদিন ছুটি থাকে,
সংসার সামলানো নারীর কিন্তু কোনো ছুটি নেই।
একটানা চলা, প্রতিনিয়ত সহ্য, আর সবার আগে নিজের চাওয়া-পাওয়া বিসর্জন—
কিন্তু কোনোদিন যদি একটু তর্ক হয়,
এক বেলার মধ্যেই এই “সবকিছু তোমারই তো” বলে যেই সংসার গড়ে উঠেছিলো,
সেই তোমাকেই “এই সংসার ছাড়ো” বলে বের করে দিতে সময় লাগেবে একটুও।
তাই একটু আত্মসম্মান শিখো।
নিজেকে ঐ মিথ্যা ছায়ায় একেবারে ডুবিয়ে না দিয়ে সংসারের পাশাপাশি নিজেকে নিয়েও একটু খানি ভাবো।
নিজের নামের ছোট্ট একটা সঞ্চয় থাক,
নিজের শেখার একটা চলমান ধারা থাক,
নিজের পরিচয়ের একটা ভিত থাক—
তোমাকে আত্মসম্মান বাড়াতে যে কেবল পথে নামতে হবে।বেপর্দা হতে হবে।মোটেও এমনটা নয়।
✅ ঘরে বসেও অনেক কিছু করবার সুযোগ আছে।
কিছু একটা শেখা শুরু করে দিতে পারো।(যেন জীবনের যেকোনো
কঠিন পরিস্থিতিতে অন্য কারো মুখের দিকে চেয়ে থাকতে না হয়)।
✅ নিজের ইচ্ছের ছোট্ট কিছু উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারো।
✅ একটা স্বতন্ত্র জায়গা গড়ে তুলতে পারো—যা শুধুই তোমার।
✍🏼Amina
প্রতিশোধ নিতে গিয়ে অনেক সময় আমরা নিজের শান্তি হারিয়ে ফেলি। কিন্তু প্রকৃতি খুব সুনির্দিষ্ট এক নিয়মে চলে— কেউ অন্যের অশ্রু ঝরালে, একদিন তাকেও কাঁদতে হয়। এটা কোনো অভিশাপ নয়, এটা কর্মের ফল।
জীবনে অনেকেই আমাদের আঘাত করে, অবমূল্যায়ন করে, অথবা বিশ্বাসভঙ্গ করে চলে যায়। তখন মনে হয়, “একটা শিক্ষা দেওয়া দরকার।” কিন্তু আসল শিক্ষা দেয় সময়। কারণ যাঁরা আপনাকে কষ্ট দিয়েছেন, একদিন ঠিকই নিজেরই কষ্টের মাঝে ডুবে যাবেন। আপনি শুধু ধৈর্য ধরুন, মাথা উঁচু করে এগিয়ে যান।
আপনার শক্তি আপনার নীরবতায়। আপনি যখন কারো অপমান বা আঘাতের জবাবে শান্ত থাকেন, তখন প্রকৃতি আপনার হয়ে প্রতিশোধ নেয়। আর আপনি যদি ভাগ্যবান হন, তাহলে একদিন নিজ চোখেই তাদের পতন দেখতে পাবেন—যারা একদিন আপনাকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।
তাই কখনও হতাশ হবেন না। প্রতিশোধ নয়, আত্মসম্মান বাঁচিয়ে রাখুন। কারণ নীরব অপেক্ষার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে সবচেয়ে গর্বিত বিজয়।
করণীয় (What to do):
1. নীরব থাকুন, মাথা ঠান্ডা রাখুন:
প্রতিশোধে গিয়ে নিজের মানসিক স্থিতি হারানো ঠিক নয়। পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় নয়, সচেতন প্রতিক্রিয়া দিন।
2. নিজের উন্নতির দিকে মনোযোগ দিন:
প্রতিশোধ নয়, নিজের ব্যক্তিত্ব, শিক্ষা ও ক্যারিয়ারকে উন্নত করুন। এটা অনেক সময় সবচেয়ে বড় জবাব।
3. ক্ষমা করুন, কিন্তু ভুলে যান না:
ভুলে গেলে আবার কষ্ট পেতে হয়। কিন্তু ক্ষমা করলে মন হালকা হয়, আপনি এগিয়ে যেতে পারেন।
4. আত্মসম্মান ধরে রাখুন:
অন্যায় হলে সেটার প্রতিবাদ করুন, কিন্তু হিংসা বা প্রতিশোধের পথে নয়—নৈতিক পথে।
5. সময়ের ওপর আস্থা রাখুন:
মনে রাখুন, যারা অন্যকে ফাঁদে ফেলে, একদিন নিজেরাই সেই ফাঁদে পড়ে।
বর্জনীয় (What not to do):
1. হঠকারী প্রতিশোধের চেষ্টা করা:
এতে আপনি নিজেই সমস্যায় পড়তে পারেন এবং অপরাধবোধে ভুগবেন।
2. ঘৃণা পুষে রাখা:
ঘৃণা মন বিষিয়ে তোলে, নিজেকেই ধ্বংস করে। এটা অন্যের চেয়ে আপনার ক্ষতিই বেশি করে।
3. নিজেকে ছোট করা বা হার মানা:
“তাকেই হার মানায় যে থেমে যায়।” অন্যের খারাপ ব্যবহারে নিজেকে দোষারোপ করা বন্ধ করুন।
4. সামাজিক মাধ্যমে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেওয়া:
এটা আপনার ইমেজ নষ্ট করতে পারে এবং বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।
কর্মফল বিশ্বাস নয়, বাস্তবতা। জীবনে ভালো কাজ করলে, ভালো ফলাফল একদিন ঠিকই আসে। আবার খারাপ কাজের ফলও একদিন না একদিন এসে দাঁড়ায় দরজায়। তাই প্রতিশোধ নয়, আত্মনিয়ন্ত্রণই সেরা শক্তি। কেউ যদি তোমায় কষ্ট দেয়, প্রতিশোধ নিয়ো না। বরং এমন কিছু করো যাতে সময়ই একদিন তার জবাব হয়ে দাঁড়ায়—তোমার উন্নতির মাধ্যমে, তার পতনের মাধ্যমে।
20/06/2025
Secret group এ স্যাফ্রন ফেসওয়াশ বানানোর রেসিপি শেয়ার করেছি সবাই শিখে নাও।
20/06/2025
৫৯ টাকায় ১০০ গ্রাম জাফরান সাবান কিভাবে দেয়?আবার ২২০০টা বিক্রি হলো কিভাবে???
হাসমু না কানমু গায়েজ😂😂😂😭
জুমার দিনের বিশেষ আমলগুলোর মধ্যে ১১টি আমল নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. গোসল করা: জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো গোসল করা। প্রত্যেক মুসলমানের জন্য এই দিনে গোসল করা সুন্নত। হাদিসে এসেছে, 'যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে আগে আগে মসজিদে যায়, সে যেন একটি উট কুরবানি করলো।' [১, ২]
২. সুগন্ধি ব্যবহার করা: জুমার নামাজের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা সুন্নত। [১]
৩. উত্তম পোশাক পরিধান করা: জুমার দিন সাধ্যমতো উত্তম পোশাক পরিধান করে সজ্জিত হওয়া মুস্তাহাব। [১]
৪. আগে আগে মসজিদে যাওয়া: জুমার নামাজে আগে আগে মসজিদে যাওয়া অনেক ফজিলতের কাজ। [১, ৩]
৫. মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনা: খুতবার সময় চুপ করে মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনা ওয়াজিব। [১]
৬. বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা: জুমার দিন ও জুমার রাতে দরুদ শরীফ পাঠ করা উত্তম। [১]
৭. বেশি বেশি দোয়া করা: জুমার দিন দোয়া কবুলের বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে। এই দিনে বেশি বেশি দোয়া করা উচিত। [১, ৩]
৮. সূরা কাহফ তেলাওয়াত করা: জুমার দিনে সূরা কাহফ তেলাওয়াত করা সুন্নত এবং এর অনেক ফজিলত রয়েছে। [১, ৩]
৯. পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া: জুমার নামাজে পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়া সুন্নত। [৪]
১০. মসজিদে গিয়ে অন্যদের কষ্ট না দেওয়া: মসজিদে গিয়ে কারো গায়ের ওপর দিয়ে বা অন্যকে কষ্ট দিয়ে সামনের দিকে না যাওয়া। [৪]
১১. বেচাকেনা বন্ধ করে নামাজের জন্য যাওয়া: জুমার দিন নামাজের জন্য ডাক দেওয়া হলে বেচাকেনা বন্ধ করে নামাজের জন্য যাওয়া জরুরি। [৪]
এ ছাড়াও, জুমার দিন কিছু নফল ইবাদত, যেমন- নফল নামাজ আদায় করা, কোরআন তেলাওয়াত করা, জিকির করা ইত্যাদি আমল করা ভালো।
Click here to claim your Sponsored Listing.
