Raiman
আনন্দ নিয়ে কাজ, আমার products সম্পুর্ণ প্রাকৃতিক। best quality products, house hold and beauty
24/08/2025
Ready to sell,my hand painted purse
06/03/2025
মানুষ সব ভুলে যেতে পারে!!
রাগারাগি, ভুল বোঝাবুঝি, ঝগড়া, তর্ক বিতর্ক, মন খারাপ ইত্যাদি সময়ের সাথে সাথে সব ভুলে যেতে পারে মানুষ। শুধু ভুলতে পারে না কিছু কথা। প্রিয় মানুষের মুখ থেকে নিজের ব্যাপারে শোনা কিছুকিছু কথা মানুষের ভিতরে বাজতে থাকে অদৃশ্য টেপ রেকর্ডারের মতো।
বুকের ভিতর আটকে থাকে সে'সব অপমান, গলার ভিতর মাছের কাঁটার মতো আটকে থাকে সে'সব কটূক্তি, ঘুমের ভিতর দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করে। না গেলা যায়, না ফেলা যায়। একটা সময় পর সব আঘাত মিলিয়ে যায় ধীরে ধীরে, আবার হাসি ফুটে ওঠে মুখে, দিব্যি থাকি আমরা।
তারপর হঠাৎ কোনও ঘুম না আসা একলা রাতে, স্মৃতির বারান্দায় পায়চারি করতে করতে আমরা পৌঁছে যাই সে'সব কথার কাছে। কী ভীষণ যন্ত্রণা হয় আবার! সেই একই কষ্ট আবার ফিরে আসে। আর আমরা বুঝতে পারি আমরা মানুষদের ক্ষমা করি, তাদের বলা কথাগুলোকে না! collected
কিছু মোটিভেশনাল উক্তি যা আপনার জীবন পরিবর্তন করে দিতে পারে:
১. যত বেশী তুমি মূল্যবান হবে, মাথায় রেখো তত বেশী তুমি সমালোচনার পাত্র হবে- নেলসন ম্যান্ডেলা
২. জীবন এক দীর্ঘ যাত্রাপথ সেটা মাথায় রেখে এগেয়ে যাও।
৩. তোমার লক্ষ এবং উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে একদিন তুমি সঠিক পথের সন্ধান পাবেই।
৪. যতদিন শিক্ষার উদ্দেশ্য শুধু চাকুরি পাওয়া হবে, ততদিন সমাজে শুধু চাকরই জন্মাবে, মালিক নয়।
৫. ভূল তখই ক্ষমা যোগ্য যখন কেউ সত্য বলে স্বীকার করে নেয়- ব্রুস লি।
৬. ভাগ্য বলে কিছু নেই, যা আছে তা হলো প্রতিটি মানুষের কর্মের ফল, যা প্রতিটি মানুষের চেষ্ঠা ও যত্নের বিনিময়ে গড়ে উঠে।
৭. জীবনে যত আঘাত পাবে তত কাছের মানুষগুলোকে চিনতে পারবে। তখন বঝতে পারবে আসলে কে তোমার কতটা আপন।
৮. ক্ষুদার্ত পেট ও ফাঁকা পকেট তোমাকে পুরো পৃথিবীটাকে চিনিয়ে দিবে।৯. মায়ের সাথে কখনও উচ্চ স্বরে কথা বলো না, কারন এই মা-ই তোমাকে কথা বলা শিখিয়েছেন।
১০. লবন এবং চিনি দেখতে একই রকম পার্থক্য শুধু স্বাদে, তেমনি মানুষ এবং অমানুষ দেখতে একই রকম পার্থক্য শুধু আচরনে।
১১. জীবনে ৬ টি নীতি সবসময় মেনে চলো
– পার্থনা করার আগে পরিপূর্ন বিশ্বাস করো।
– কথা বলার আগে মন দিয়ে ভাল করে শোনো।
– খরচ করার আগে উপার্জন করো।
– কিছু লোখার আগে চিন্তা করো।
– হাল ছাড়ার আগে চেষ্ঠা করো।
– মরার আগে বাচঁতে শেখা।
– যথা সম্ভব কম কথা বলো এবং অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকো।
ধন্যবাদ। collected
হযরত খিজির (আ.) এর ৭টি বাণী
(১) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তিব় প্রতি,
যে জানে মৃত্যু নিশ্চিত, তবুও সে কিভাবে হাসে !!
(২) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তিব় প্রতি,
যে জানে যে, এই দুনিয়া এক দিন খতম হয়ে যাবে,
তবুও সে কেমন করে দুনিয়ার দিকে আকৃষ্ট হয় !!
(৩) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তিব় প্রতি,
যে জানে যে, সব কিছু আল্লাহর তরফ থেকে হয়ে থাকে, তবুও তার কোনো জিনিস হাসিল না হলে, কেন সে আফসোস করে !!
(৪) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তিব় উপর,
যাব় আখেব়াতে হিসাব দেয়ার উপর পূর্ন বিশ্বাস আছে
তবুও সে কিভাবে ধন সম্পদ জমা করে !!
(৫) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তির প্রতি,
যে জাহান্নামের (দোযখের) আগুন বিশ্বাস করে তবুও সে কিভাবে গুনাহ করে !!
(৬) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তিব় প্রতি,
যে আল্লাহ তা'আলা কে জানে, তবুও সে কি করে অন্য জিনিসের আলোচনা করে !!
(৭) আমি আশ্চর্য বোধ করি ঐ ব্যক্তির প্রতি,
যে বেহেশতের সুখ শান্তিব় কথা জানে, তবুও সে দুনিয়ার কোনো জিনিস দ্বাব়া শান্তি পায় !!❣️
03/07/2024
এক শিক্ষক বলতেন, জীবনে যা কিছুই করো না কেনো, নিজেকে খুশি রাখার কারন অন্য কারো মাঝে খোঁজার চেষ্টা করো না। কখনো কারো উপর এত এক্ট্রিম লেভেলের নির্ভরশীল হবে না যাতে তোমার এক্সপেকটেশন পূরণ না হলে মন ছোট হয়। বিশেষ করে মানসিকভাবে।
তোমার মন খারাপ তুমি হেমন্তের গান শুনো, নিজেকে এক কাপ গরম কফি বানিয়ে দাও, বিকেল বেলা মিষ্টি রোদে আপনমনে নিজের সাথে কথা বলো, পছন্দের লেখকের বই পড়ো। নিজের কোন বিশেষ ক্রিয়েটিভিটি থাকলে সেটা নিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখো।
অন্যকে ব্যঙ্গ করে স্ট্যাটাস লেখা, নিজের দুঃখ, দুর্বলতা জনসম্মুখে প্রকাশ করা কোন বুদ্ধিমান মানুষের কাজ নয়। খুব বেশি মন খারাপ হলে রুম অন্ধকার করে চুপচাপ বসে থাকো। যার যার ধর্ম অনুসারে প্রার্থনা করো।
পুরানো কোন স্মৃতি মনে করো, হাসো, কাঁদো যাই করো নিজের সাথে নিজের এমন একটা সুন্দরম্পর্ক তৈরি করো যাতে নিজের মন খারাপের দিনগুলোতে একটা কাঁধের প্রয়োজন না হয়।
যদি কোন কাজে সফল হও নিজেকে ট্রিট দাও, যদি অকৃতকার্য হও নিজের সাথে অভিমান করো, নিজের সাথে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হও। তবে অন্য কারো চোখে নিজের পারফেকশন খোঁজার চেষ্টা করো না।
অন্যের চোখ তোমার ত্রুটিগুলোর মাঝে যখন তোমার গুণগুলো খুঁজে পাবে না তুমি কষ্ট পাবে, পারলে তুমিই পারবে। রেস্টুরেন্টে একা বসে খাওয়াটাকে নরমালাইজ করতে হবে, পার্কে নিজের সাথে সময় কাটাতে চাওয়াকে হাস্যকর কেন মনে হবে? যদি সম্ভব হয় ফাইনানসিয়ালিও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যাতে তীব্র মুড সুয়িংয়ে নিজেকে একটা চকলেট উপহার দিতে পার, নিজের জন্মদিনে নিজেকে গিফট দিতে পারো অথবা পাড়ার সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের নিয়ে জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করো, নিজের পছন্দের ড্রেসটা টাকা জমিয়ে হলেও নিজের জন্য কিনতে দিতে পারো।
মাঝে মাঝে নিজেকে কিছু ফুল দিবে। ঘরের এক কোণায় ফুল থাকবে, সুন্দর একটা গন্ধ ছড়াবে মন আপনা আপনি ভাল হয়ে যাবে। সবাইকে খুশি রাখাও তোমার দায়িত্ব না, দুনিয়ার কারো পক্ষেই সবাইকে খুশি করা সম্ভব না। যেখানে পারবে না, "না" বলাও শিখতে হবে।
আমার বাবা-মা আমাকে এপ্রিসিয়েট করে না, আমার বন্ধু আমাকে সময় দেয় না, আমার কাছের প্রিয়জন আমার সাথে ঠিকমত কথা বলে না, আমার জন্য সময় নেই এসব উপদ্রবের সৃষ্টি করবে না। আমাদের ভাষায় যেটা এটেনশন অন্যের জন্য এই চাওয়াগুলো অযথা টেনশন মাত্র।
কেন নিজেকে অন্যের বিরক্তির কারণ বানাবেন?
একটা সুন্দর ব্যক্তিত্ব থাকার জন্য খুব কঠিন হওয়ার দরকার নেই শুধু নিজেকে অতটুকু ভালবাসলেই হবে যাতে অন্যের চোখে নিজের জন্য ভালবাসা খোঁজার প্রয়োজন না হয়।
বর্তমান এই চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে মানুষের মন প্লাস্টিকের মতোই, কখন জানি রূপ বদলায় কারণে বদলায়, অকারণে বদলায়। তাই মনে হয় নিজের মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখা তুলনামূলক ভাল।
Collected post.
__মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে কখনো পড়েননি
একটু পড়েই দেখুন না,🙏
জাযাকাল্লাহ খাইরান ❤️।
পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -
"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"
يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي
তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,
يَغْسِلُونَني
আমাকে গোসল করাবে,
يَكْفِنُونَنِي
(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,
يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي
আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,
يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)
আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,
وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي
আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,
بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي
অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,
وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ
কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,
أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا
আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,
مَفَاتِيحِي
আমার চাবির গোছাগূলো,
كِتَابِي
আমার বইপত্র,
حَقِيبَتِي
আমার ব্যাগ,
أَحْذِيَتِي
আমার জুতোগুলো,
وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي
হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,
تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ
এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,
وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ
এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,
وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ
অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,
وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها
আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,
وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ
আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,
بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها
অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,
القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......
ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)
وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!
আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!
لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟
কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?
وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....
কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,
وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!
যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,
وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!
তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!
وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!
আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!
لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....
এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,
فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....
এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…
فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:
অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,
1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ
১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,
2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....
২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,
3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!
৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!
اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....
মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,
لَقدْ زَالَ عِندَكَ:
তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):
1ــ الجَمَالُ
১. সৌন্দর্য্য
2ــ والمَالُ
২. ধনসম্পদ
3ــ والصَحَّةُ
৩. সুস্বাস্থ্য
4ــ والوَلَدُ
৪. সন্তান-সন্তদি
5ــ فَارقَت الدَّور
৫. বসতবাড়ি
6ــ القُصُورُ
৬. প্রাসাদসমূহ
7ــ الزَوجُ
৭. জীবনসঙ্গী
وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ
তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,
وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ
শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,
وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟
আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?
هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ
*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*
لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :
এজন্য তুমি যত্নবান হও,
1ــ الفَرَائِضِ
১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি
2ــ النَّوَافِلِ
২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি
3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ
৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি
4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ
৪. ভালো কাজের প্রতি
5ــ صَلاةُ اللَّيلِ
৫. রাতের নামাজের প্রতি
لَعَلَّكَ تَنْجُو....
যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….
إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....
এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,
قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))
আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))
لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....
তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?
كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))
আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))
ولَمْ يَقُلْ :
তারা বলবে না,
لِأعتَمَرَ
উমরাহ পালন করতাম,
أو لِأُصَلَّي
অথবা, সালাত আদায় করতাম,
أو لِأصُومُ
অথবা, রোজা রাখতাম,
قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ
আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,
فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.
আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ’র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।collected
রাসুল (সাঃ)এর ২০টি হাদিস;💖
1.রাসুলুল্লাহ (সাঃ)বলেন -জে ব্যক্তি আমার১ টি হাদীস আমার উম্মতের কাছে পৌছে দিবে, আমি তার জন্য কিয়ামতের দিন বিশেষ ভাবে সুপারিশ করব।
2.মানুষের মধ্যে যারা মৃত্যুকে বেশি স্বরণ করে এবং উহার জন্য প্রস্তুতি নেয় তারা সব চাইতে বেশি বুদ্ধিমান।
3.প্রতিটি জিনিসের যাকাত আছে আর দেহের যাকাত হচ্ছে রোজা।
4.যে তার সময় আল্লাহর জন্য ব্যয় করে না, তার জন্য জীবন অপেক্ষা মৃত্যু শ্রেয়!!
5.যারা সব সব সময় ইস্তেগফার(আস্তাগফিরুল্লাহ) পড়ে তাদের সাথে উঠাবসা করুন কেননা তারা সবচেয়ে কমল হ্রদয়ের অধিকারী!!
6.তুমি যত সিজদাহ্ দিবে আল্লাহ তত গুনাহ মাফ করে দিবেন!
7.সুরা ফাতিহা ১০০০ রোগের ওষুধ।
8.হাতের তালুতে জ্বলন্ত আগুন এর কয়লা রাখলে যত কষ্ট হবে, তার চেয়ে বেশি কষ্ট হবে শেষ জামানায় ইমান রাখতে!!।
9.রোজাদারদের জন্য প্রতিদিন জান্নাত সুসজ্জিত করা হয়!
10.রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেছেন -কিয়ামতের দিন সব নবীর চেয়ে আমার উম্মতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হবে এবং আমি ই তাদের জন্য সর্বপ্রথম জান্নাতের দরজা খুলব(সহীহ মুসলীম -১৯৬)
11.যে ব্যক্তি রোজা রাখা অবস্থায় মারা যাবে আল্লাহ তাকে কেয়ামত পর্যন্ত সকল রোজার সওয়াব দান করবেন!
12.যে ব্যক্তি ফজরের নামাজ আদায় করল, সে আল্লাহর হিফাজতে চলে গেলো!
13.রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন -রোজা ও কুরআন কিয়ামত এর দিন মানুষের জন্য সুপারিশ করবে!(মুসনাদে আহমাদ;হাদিস ৬৬২৬)!
14.নবীজি (সাঃ) বলেছেন রোজাদারদের জন্য সবচেয়ে বড় খুশির সংবাদ হলো,হাশরের মাঠে আল্লাহ সবার আগে রোজাদারদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন!
15.যখন রমজান আসে, তখন জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়!
16.রাসুল (সাঃ) বলেন,যখন কোনো বান্দা আল্লাহর কাছে হাত উঠায়, তখন আল্লাহ সেই বান্দার হাত শুন্য ভাবে ফিরিয়ে দেন না!
17.হযরজ মুহাম্মদ (সাঃ),বলেছেন একটি খেজুরের অর্ধেক হলে ও দান কর জাহান্নামের শাস্তি হতে নিজেকে হিফাজত কর,!(বুখারীঃ৬০২৩)
18.যদি ভালো হতে চাও সর্ব প্রথম মিথ্যা বলা ছেড়ে দাও!
19.তুমি যখন রাস্তা দিয়ে জাও তখন আল্লাহর নামে জিকির কর,কারন ওই রাস্তা হাশরের দিন তোমার নামে সাক্ষি দিবেন!
20.তোমরা সব সময় ওযু করো কারন কিয়ামতের দিন ওজুকারিদের হাত পা উজ্জ্বল থাকবে!!
আপনারা ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন হাদিস গুলো মানবেন!আল্লাহ আমাদের সকলের মনের নেক আশা পুরন করবেন! ইনশআল্লাহ! আমিন
🍀 সুন্দর একটা দুআ শিখিয়ে দিবো কি?......
" মোনাজাতে প্রতিটি দুআর মধ্যে এই কথা গুলো স্বরণ করা!!!
ইয়া আল্লাহ
"তুমি যেভাবে আমাকে দেখতে চাও সেভাবে বানিয়ে দাও।"
" তুমি আমাকে এতটা দুনিয়া দিও না যা আমাকে তোমার কাছ থেকে দুরে ঠেলে
দেয় 💔 "
"তোমাকে ভালোবাসতে শিখিয়ে দাও
ইয়া আল্লাহ "
" আমার কোন ভুলের কারণে আমার উপর থেকে তোমার রহমতের ছায়া সরিয়ে দিও না। "
" আমার উপর রাজি না হয়ে তুমি আমাকে দুনিয়া থেকে নিও না আল্লাহ! কোন মুখ নিয়ে আমি হাশরের মাঠে তোমার সামনে দাড়াব।"
"মুমিন না করে আমাকে অন্ধকার কবরে নিও না ইয়া আল্লাহ 💔 "
" পরিপূর্ণ নেক আমল নিয়ে " কালেমা পড়ে শেষ নিঃশ্বাস করতে পারি ' সে তৌফিক দান কর"ইয়া আল্লাহ "
আমিন 💞💞
26/06/2023
প্রায় ৬ মাস আগে আমার সামনের ফ্ল্যাটের নতুন প্রতিবেশী ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড চাইলো। দিয়েও দিলাম, কারণ আমার তো আর অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে না; এছাড়া নতুন প্রতিবেশীর সাথে একটু খাতিরও হলো।
গতকাল বাসায় ফিরছিলাম। উনাকে দরজার সামনে দেখে কুশল বিনিময় ও হাল্কা আলাপের মাঝে জানালেন যে সম্প্রতি উনি নেটফ্লিক্স এ সাবস্ক্রাইব করেছেন এবং নতুন নতুন ম্যুভি দেখে সময়টা ভালোই কাটছে। মজা করে বললাম -" ভাই সারাদিন এতো ব্যস্ত থাকি যে টিভি দেখার সময়ই পাই না। আপনার নেটফ্লিক্সের পাসওয়ার্ডটা দিলে আমিও মাঝে মাঝে দুই-একটা সিরিয়াল দেখতাম।"
উনার ঘরের দরজা খোলা ছিল। ভিতর থেকে উনার গিন্নি প্রায় বেশ জোরে বলে উঠলেন-"পাসওয়ার্ড দিতে পারবো না। আমরা পয়সা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করেছি, পাসওয়ার্ড কেনো দিবো?"
কয়েক মুহূর্তের নিরবতা ভদ্রলোক ভাংলেন অপ্রস্তুত হাসি আর টুকটাক আলাপ শুরু করে। আমিও পালটা হাসি দিয়ে- "আরে কোন সমস্যা না" বলে নিজের বাসায় ঢুকে গেলাম।
কিছুক্ষন পর ভদ্রলোক আর তার গিন্নি হন্তদন্ত হয়ে বেল বাজালেন- দরজা খুলতেই জানালেন যে ওয়াইফাই কাজ করছে না, পাসওয়ার্ডও নিচ্ছে না, আর নেটফ্লিক্সও চালাতে পারছেন না।
এবার মুচকি হাসি দিয়ে বললাম- জি, পাসওয়ার্ড চেঞ্জ করে দিয়েছি। ইন্টারনেট বিলটা যেহেতু আমিই দিচ্ছি তাই পাসওয়ার্ড শেয়ার করবোনা ঠিক করেছি। মুখ শুকনা করে তারা ফিরে গেলেন। এর পর আর তাদের সাথে আন্তরিকতার দেখানোর প্রয়োজন অনুভব করিনি।"
লেখাটি একটা ইংরেজি লেখার অনুবাদ। তবে এর থেকে কিছু শিক্ষা অবশ্যই নেওয়া যায়-
বন্ধুত্ব, ভালোবাসা, স্নেহ, মমতা, আন্তরিকতা, সন্মান এই সব কিছুই হওয়া উচিৎ পারস্পরিক।
নিরবতার বদলে নিরবতা, শুন্যতার বদলে শুন্যতা, মায়ার বদলে মায়া, অনুভূতির বদলে অনুভূতি, আনুগত্যর বদলে আনুগত্য, সন্মানের বদলে সন্মান- এভাবে চলতে পারলে অনেক সমস্যার সমাধান খুব সহজেই সম্ভব। জীবনটা অনেক অনেক শান্তিময় হবে এতে। collected
আমার খুব পছন্দের একজন মানুষকে একবার জিজ্ঞাসা করেছিলাম, প্রেম করে বিয়ে করেও একসাথে থাকা হলো না কেন? উওর ছিল..
"দু'টো মানুষ খুব ভালো হওয়া সত্বেও অনেক সময় একসাথে থাকতে পারে না।"
কথাটা ভীষণ মনে ধরেছিল আমার! আমি অনেক সময়ই এরকম অনেক কথা মাথায় রেখে দেই। জীবনের প্রয়োজনে কখন যে কোনটা কোথায় কাজে লাগে, বলা তো যায় না।
আমি খেয়াল করে দেখলাম, সম্পর্ক দু'রকম হয়। হেলদি আর আনহেলদি। যে সম্পর্কগুলো থেকে আমরা শক্তি পাই, যাদের সাথে থাকলে আমাদের মন-মস্তিষ্ক সচল হয়ে যায়,আর অনেক দুঃখ অথবা শরীরের যন্ত্রনা ভুলেও আমরা নিমেষেই হাসতে থাকি সেগুলো হচ্ছে- হেলদি সম্পর্ক।
এই সম্পর্কগুলো বাহির থেকে যতই হালকা দেখায় অথবা হয় খুব অল্প সময়ের জন্য কয়েকবার দেখার সম্পর্ক মাত্র, কিন্তু ভেতর থেকে এই সম্পর্কগুলোই থেকে যায় খুব গভীর একটা বন্ধনের অনুভূতি হয়ে। খেয়াল করলে দেখবেন, আপনি এক ধরনের মানুষের সাথে পরিচয়ের প্রথমদিনই মনে হবে যেনো কতদিনের পরিচয়! অনেক মানুষের মধ্যে দেখবেন একজন মানুষ থাকবে, যার সামনে আপনি খুব সহজ থাকতে পারছেন। যার সাথে কথা বলতে আপনি ভেবে কথা বলছেন না। কিংবা কথা ফুরিয়ে গেছে বলে মনে হচ্ছে না.. এরা হচ্ছে আপনার জন্য পজিটিভ।
এদেরকে আঁকড়ে ধরে রাখতে হয় না.. এরা আপনা থেকেই আপনার সাথে জড়িয়ে থাকে। যখন আপনি টের পান না, তখনো এরা থেকে যায় আপনার মস্তিষ্কের কোথাও।
যাদের সাথে আপনি দেখা করতে চান বারবার।
আবার দেখবেন, এক ধরনের মানুষ আপনাকে কখনোই আকৃষ্ট করবে না। আপনি হয়তো অনেক চেষ্টা করছেন এদের সাথে মেশার, কিন্তু কোথায় যেনো একটা অস্বস্তি থেকেই যাচ্ছে! কোথায় যেনো একটা বিরক্তিভাব, কোথায় যেনো মিলছে না চিন্তাগুলো! আপনার হয়তো মানুষটাকে ঠিক খারাপ মনে হচ্ছে না, কিন্তু তার সাথে প্রাণ খুলে কথা বলতে চাইছেন না আপনি কিছুতেই! আপনি বিভিন্ন অজুহাতে মানুষটা থেকে দূরে থাকতে চাইছেন।
এরা হচ্ছে আপনার জন্য নেগেটিভ।
এই সম্পর্কগুলো আপনাকে সবসময় খিটখিটে করে রাখে। কারণে অকারণে জন্ম দেয় একরকম বিরক্তিকর অনুভূতি। অথবা এদের আশেপাশে থাকলে আপনার ভালোলাগা অনুভূতিটাও ফিকে হয়ে যায়। আপনার মন খারাপ হয়।
এরা চলে যাবার পরও মস্তিষ্কের ভেতর অনুভূত হয়, একটা এলোমেলো অনুভূতি। আপনি কিছুতেই চান না, এই মানুষটার সাথে আপনার আবার দেখা হোক।
আপনি যে মানুষটার সাথে অকপটে মিশতে পারছেন, জরুরি নয় যে সে পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষ হবে। তাকে পছন্দ করে না এমন মানুষও হয়তো অনেক আছে।
আবার আপনি যাকে পছন্দ করছেন না, জরুরি নয় সে মানুষটা খুব খারাপ মানুষ হবে। মনে রাখবেন তারও কিন্তু কেউ না কেউ বন্ধু আছে৷
এখানে জরুরি হচ্ছে খেয়াল করা.. ধরনের পার্থক্য।
আমি কী, কেমন বা কোন ধরনের মানুষ পছন্দ করছি সেটা আলাদা করা সবচেয়ে বেশি জরুরি। তাহলেই খুব সহজে আমি একটা আরামদায়ক মস্তিষ্ক নিয়ে দিন কাটাতে পারবো। না হলে অনেক অনেক সুন্দর আর মূল্যবান সময় নষ্ট হতে থাকবে একজন ভুল ধরনের মানুষের সাথে সুন্দর সময় বা জীবন কাটানোর ব্যার্থ চেষ্টা করতে করতে।
জীবনে চলার পথে আমরা চলি কিন্তু অনেকের সাথে, কিন্তু কাছ থেকে খুব গভীরভাবে মিশি- হাতে গোনা মাত্র ক'জনের সাথে। সেই ক'জনের সংখ্যাটা যদি কমে গিয়ে একজনেও এসে দাঁড়ায়, তবুও ধরন আলাদা করে বাছতে হবে। তাহলে সেই একজনকে নিয়েই পার করা যাবে জীবনের অসম্ভব সুন্দর কিছু সময়। আর সেই প্রতিটা সময়ই স্মৃতির পাতায় উঠে আসবে বারবার আর আমাদের হাসাবে, আবেগে দোলাবে আর দিয়ে যাবে জীবনে চলার.. অদ্ভুত এক শক্তি।
ভালো কাটুক সবার প্রতিটা সময়;
ভালো থাকুক প্রতিটা দিন।
শুভ সকাল সবাইকে!
Collected
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka

24/11/2024