Banee

Banee

Share

Alhamdulillah for everything

05/12/2021

#গর্বিত_বাবার_গল্প

বুয়েট পড়ুয়া ছেলের বাবা
আজকে বুয়েটে গিয়েছিলাম । বাসায় ফেরার জন্য পলাশী থেকে রিক্সা ঠিক করলাম। ভাড়া ৮০ টাকা চাইল। সাধারনত ১০০ টাকা চায়। একজন কম চাইল ৷ রিক্সায় উঠে গেলাম ।
বাসার কাছাকাছি যখন আসলাম তখন রিক্সাওয়ালা আমাকে বলে
"প্রতিদিন কি এই খান থেকে ক্লাসে যাওয়া আসা করেন?"
আমি বলি না। পাস করেছি ৩ বছর হলো।
রিক্সাওয়ালাঃ "ও আচ্ছা! এখন কি করেন?"
আমিঃ "চাকরি করি।"
রিক্সাওয়ালাঃ "ও আচ্ছা! আমার ছেলেও
বুয়েটে পড়ে। এখন ফাইনাল ইয়ারে।"
(কি শুনলাম নিজের কানকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হল প্রথমে! আবার কনফার্ম করার জন্য জিজ্ঞাসা করলাম)
"আপনার ছেলে বুয়েটে পড়ে!! "
রিক্সাওয়ালাঃ "হা!"
আমিঃ(তখনও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। তাই একটু ডিটেইলস জানতে চাইলাম) "কোন ডিপার্টমেন্ট?"
রিক্সাওয়ালাঃ "সিভিলে পড়ে।"
আমিঃ(যেহেতু ফাইলান টার্মে বলছে তাই HSC টা জিজ্ঞাসা করলাম) "ও HSC দিয়েছে কবে?" দেখলাম রিক্সাওয়ালা ঠিক ঠিক answer দিল!
HSC year শুনে আমি নির্বাক!
তার ছেলে যে আসলেই বুয়েটিয়ান! কিছুক্ষন অবাক বিস্ময়ে চুপচাপ বসে থাকলাম আর একটু পর জিজ্ঞাসা করলাম!
"আপনার কয় ছেলে মেয়ে?"
"২ ছেলে ১ মেয়ে।
মেয়েটা ইডেনে প্রানীবিজ্ঞানে সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে । ছেলেটা ক্লাস টেন এ বুয়েট স্কুলে পড়ে।"
আলাপ করতে করতে বাসার সামনে চলে এলাম।
রিক্সা থেকে নেমে বললাম,
"আপনি আগে কি করতেন?"
"পাঞ্জাবির কারখানা ছিল। টাকার অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে।" তারপর বলল "মানুষ জন বলে, তোমার ছেলে তো বুয়েটে পরে, তোমার রিক্সা চালানোর কি দরকার। কিন্তু আমার টা তো আমি বুঝি।
কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ছেলে মেয়ের লেখা পড়ার খরচ চালাতে হয়।
ছেলেটা টিউশনি করে নিজের টা নিজে চালায় ।"
আরো অনেকক্ষণ কথা বললাম আমরা,
তিনি আমাকে বললেন কিভাবে ছেলেকে পড়াচ্ছেন, ছেলে ক্লাস ৫ এ বৃত্তি পেয়েছে, SSC তে A+ তারপর HSC তে গোল্ডেন A+ পেয়েছে । তেজগাও, কুয়েট, বুয়েটসহ আরো অনেক জায়গায় ভর্তি পরিক্ষা দিয়েছিল । সব জায়গায় চান্স পেয়েছে সে। যখন দেখলো ছেলে বুয়েটে টিকেছে , তখন ছেলেকে চোখ বন্ধ করে বুয়েটে ভর্তি হয়ে যেতে বললাম।
আমি বললাম আপনি আসেন আমার সাথে ভাত খাবেন। বাসায় আম্মু আব্বু নাই এখন। আমিই আপনাকে ভাত রেঁধে খাওয়াব। আপনি একজন গর্বিত পিতা! আপনি রিক্সা সাইড করে আমার বাসায় আসেন। তারপর উনি বললেন, না বাবা থাক! তোমার আম্মু আব্বু যেহেতু নাই আজ লাগবে না।
আমি বললাম "আচ্ছা আপনি একটু দাঁড়ান। আমি আসছি বাসার ভিতর থেকে। মানি বেগে যা ছিলো পুরোটাই দিয়ে দিলাম উনাকে। বললাম এইটা আপনি রাখেন। বেশি দিন না, আর মাত্র ৬ মাস! তারপর থেকে আপনার আর কষ্ট করা লাগবে না। আপনার ছেলে বুয়েটে পড়ে।
সামনে আপনার সুদিন। [পাশে দাঁড়ানো আরেক যাত্রি আমার শেষের কথা গুলি শুনলেন এবং উনার রিক্সা করে যেতে যেতে অবাক হয়ে কি কি যেন জিজ্ঞাসা করতে লাগলেন ]
আমাদের এ দেশটা বড়ই অদ্ভুত!! গুণীজনরা রিক্সা চালিয়ে ক্ষুধা নিবারণ করে, ছেলে মেয়েদেৱ লিখা পড়ার খরচ যোগায় । আর ধনি মূর্খরা দেশ চালায়, অৰ্থের পাহাড় গড়ে, ছেলে মেয়েদের বিদেশে পড়ায় ৷

কার্টেসিঃ আশিক

10/10/2021

"ছবির ছেলেটাকে চেনেন?

বলতে গেলে ঢাকার সবচেয়ে বড় লোক পরিবারের ছেলে ছিল।

আজাদ ক্লাস সিক্সে পড়ে, সেন্ট গ্রেগরি। ১৯৬০ এর দশক। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করবেন। আজাদের মা বললেন, তুমি বিয়ে করবে না, যদি করো, আমি একমাত্র ছেলে আজাদকে নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাব। আজাদের বাবা আরেকটা বিয়ে করলে আজাদের মা সাফিয়া তার বালকপুতের হাত ধরে ওই রাজপ্রাসাদ পরিত্যাগ করেন এবং একটা পর্ণকুটীরে আশ্রয় নেন। ছেলেকে লেখাপড়া শেখান। আজাদ ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে মাস্টার্স পাস করে।

তার বন্ধুরা যোগ দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধে, ফিরে এসেছে আগরতলা থেকে, ট্রেনিং নিয়ে। তার ঢাকায় গেরিলা অপারেশন করে। বন্ধুরা আজাদকে বলল, চল, আমাদের সাথে, অপারেশন করবি। তুই তো বন্দুক পিস্তল চালাতে জানিস। তোর আব্বার তো বন্দুক আছে, পিস্তল আছে, তুই সেগুলো দিয়ে অনেকবার শিকার করেছিস।

আজাদ বলল, এই জগতে মা ছাড়া আমার কেউ নেই, আর মায়েরও আমি ছাড়া আর কেউ নেই। মা অনুমতি দিলেই কেবল আমি যুদ্ধে যেতে পারি।

মাকে আজাদ বলল, মা, আমি কি যুদ্ধে যেতে পারি?
মা বললেন, নিশ্চয়ই, তোমাকে আমার প্রয়োজনের জন্য মানুষ করিনি, দেশ ও দশের জন্যই তোমাকে মানুষ করা হয়েছে।

আজাদ যুদ্ধে গেল।
দুটো অপারেশনে অংশ নিল। তাদের বাড়িতে অস্ত্র লুকিয়ে রাখা হলো। গেরিলারা আশ্রয় নিল।

১৯৭১ সালের ৩০ আগস্ট। ধরা পড়ে ক্র্যাক প্লাটুনের একদল সাহসী মুক্তিযোদ্ধা। সেসময় আজাদকেও আটক করা হয়। তাকে ধরে নিয়ে রাখা হলো রমনা থানা সংলগ্ন ড্রাম ফ্যাক্টরি সংলগ্ন এম.পি হোস্টেলের মিলিটারি টর্চার সেলে।

গরাদের ওপারে দাড়িয়ে থাকা আজাদকে তার মা চিনতে পারেন না। প্রচণ্ড মারের চোটে চোখমুখ ফুলে গেছে, ঠোঁট কেটে ঝুলছে, ভুরুর কাছটা কেটে গভীর গর্ত হয়ে গেছে।

–“মা, কি করব? এরা তো খুব মারে। স্বীকার করতে বলে সব। সবার নাম বলতে বলে।“
–“বাবা, তুমি কারোর নাম বলোনি তো?
–না মা, বলি নাই। কিন্তু ভয় লাগে, যদি আরও মারে, যদি বলে দেই…
–বাবারে, যখন মারবে, তুমি শক্ত হয়ে থেকো। সহ্য করো। কারো নাম বলো না।
–আচ্ছা মা। ভাত খেতে ইচ্ছে করে। দুইদিন ভাত খাই না। কালকে ভাত দিয়েছিল, আমি ভাগে পাই নাই।
–আচ্ছা, কালকে যখন আসব, তোমার জন্য ভাত নিয়ে আসব।

সাফিয়া বেগমের ভেতরটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গায়ে হাত তোলা তো দূরে থাক, ছেলের গায়ে একটা ফুলের টোকা লাগতে দেননি কোনোদিন। সেই ছেলেকে ওরা এভাবে মেরেছে… এভাবে…

মুরগির মাংস, ভাত, আলুভর্তা আর বেগুনভাজি টিফিন ক্যারিয়ারে ভরে পরদিন সারারাত রমনা থানায় দাড়িয়ে থাকেন সাফিয়া বেগম, কিন্তু আজাদকে আর দেখতে পাননি। তেজগাঁও থানা, এমপি হোস্টেল, ক্যান্টনমেন্ট-সব জায়গায় খুজলেন, হাতে তখন টিফিন ক্যারিয়ার ধরা, কিন্তু আজাদকে আর খুঁজে পেলেন না।

ছেলে একবেলা ভাত খেতে চেয়েছিলেন। মা পারেননি ছেলের মুখে ভাত তুলে দিতে। সেই কষ্ট-যাতনা থেকে পুরো ১৪টি বছর ভাত মুখে তুলেন নি মা! তিনি অপেক্ষায় ছিলেন ১৪ টা বছর ছেলেকে ভাত খাওয়াবেন বলে। বিশ্বাস ছিলো তাঁর আজাদ ফিরবে। ছেলের অপেক্ষায় শুধু ভাতই নয়, ১৪বছর তিনি কোন বিছানায় শোন নি। শানের মেঝেতে শুয়েছেন শীত গ্রীষ্ম কোন কিছুতেই তিনি পাল্টান নি তার এই পাষাণ শয্যা। আর এর মুল কারণ আজাদ রমনা থানায় আটককালে বিছানা পায়নি।

প্রজন্ম কিংবদন্তি আজাদদের চিনেনা, চিনে হলিউডের অ্যাকশন চলচ্চিত্র।
তাইতো আজো শহীদের মাটিতে পাকিস্তানের প্রতি প্রেম উথলে উঠে বারেবারে।
ভালো থাকুক জীবনের প্রেমগুলো। ভালো থেকো কিংবদন্তী।"

28/09/2021

#আপনার_সন্তানকে_বাঁচাতে_হলে_লেখাটি_অবশ্যই_আপনাকে_পড়তে_হবে💥

বছর দুয়েক আগের ঘটনা। একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার ছেলের গোটা মুখ ফুলে উঠেছে এবং সে যন্ত্রনায় খুব কাঁদছে। তখন সকাল ৬টা হবে। আমার স্ত্রী এবং আমি কি হল এটা ভেবে ভেবে কিছুই কূলকিনারা করতে পারছিলাম না। বাধ্য হয়ে ছেলেকে নিয়ে হসপিটালে গেলাম। ডাক্তার পরীক্ষা করে কিছু ওষুধ দিলো (Atrax এবং Rantac)। দু-এক দিন বাদে ছেলে ভালো হয়ে গেল।

আমরা ভাবলাম এটা বোধহয় কোনো ধরণের এলার্জি বা কোনো পোকার কামড় থেকে হয়েছিল। কিন্তু না, এটা বারবার হতে থাকলো। প্রতিসপ্তাহে একবার করে এই এক জিনিস হতে থাকলো। আমরা সবকিছু পরীক্ষা করলাম যেমন - এলার্জি টেস্ট, ব্লাড টেস্ট এবং আরো যা যা করানো সম্ভব ছিল আমাদের পক্ষে। কিন্তু কোনো টেস্ট থেকে কিছুই পাওয়া গেল না।

ঘটনাটা এক বছর ধরে চলতে থাকলো। আস্তে আস্তে আমাদের অবস্থাও খুব খারাপ হতে থাকলো। কারণ এটা যতবার হয়, ততবার ছেলেটা আমাদের চোখের সামনে যন্ত্রনায় কাতরাতে থাকে। তখন ডাক্তারবাবু আমাদের বললেন, ছেলে কী কী খাবার খাচ্ছে সেদিকে খুব ভালো করে খেয়াল রাখতে এবং ও যা যা খাচ্ছে সেই সমস্ত কিছু যেন নোট করে রাখা হয়।

ঠিক দুসপ্তাহ বাদে আমরা রোগের মূলকারণ আবিষ্কার করলাম এবং সেটা হল KINDER JOY। প্রায় একবছর হয়ে গেছে আমরা ওকে Kinder Joy খেতে দিইনি। এখন ও পুরোপুরি সুস্থ আছে।

দিন দুয়েক আগে আমি The Times of India কাগজে পুরো পাতা জুড়ে Kinder Joy এর বিজ্ঞাপন দেখে ভাবলাম, এই ঘটনার কথা আপনাদের জানানোর খুব দরকার আছে। যাতে আপনার বাচ্ছা যেন এই বিষ আর কোনোদিন না খায়।

Kinder Joy পৃথিবীর বহু দেশে নিষিদ্ধ। আমাদের দেশে হয়তো নিষিদ্ধ হবে বা হবে না। কিন্তু আপনার বাচ্চার নিরাপত্তার জন্য, আপনি অবশ্যই একে নিষিদ্ধ করুন।

19/09/2021

চেনা যায়? মডেল শখ। গর্ভকালীন সময় মেয়েদের অদ্ভুত সুন্দর লাগে! মাশাআল্লাহ ❤️

11/09/2021

প্রেগ্ন্যান্সির এনাউন্স সোশাল মিডিয়ায়

সপ্তাহ না পেরোতেই মিসক্যারিজ।

বিয়ের এনাউন্স সোশাল মিডিয়ায়

বছর না ঘুরতে ঘুরতেই ডিভোর্স।

বাচ্চার স্কুল এর প্রথম দিনের ছবি সোশাল মিডিয়ায়

সময় কিছু পরেই শুরু বাচ্চার এবনরমাল এক্টিভিটিস।

নবজাতক এর ছবি পোস্ট সোশাল মিডিয়ায়

বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ধরা পড়লো বাচ্চার অটিজম।

কি শুনতে পরিচিত লাগছে তাই না? Evil Eye নিয়ে স্টাডি করো আরো অনেক কিছু চেনা লাগবে। তোমার বান্ধবী বা বন্ধু তোমার খুশির খবরে কংগ্রাচুলেশনস জানাচ্ছে ঠিকই আরেকদিকে সে জেলাস, তোমার সব খুশির খবর কিন্তু তার কাছে খুশির না। শুভাকাঙ্ক্ষী চিনতে শিখো।

C

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Website

Address

Dhaka