Health Tips 24x7
Bangla Health Tips. একটি সম্পূর্ণ বাংলা স্বাস্থ্?
25/02/2022
সকালে খালি পেটে যে খাবারগুলো কখনো খাবেন না
সকালে খালি পেটে যে খাবারগুলো কখনো খাবেন না - Health Tips 24x7 সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেল |==================================Youtube Subscribe. https://bit.ly/2JpVDsYFacebook: https://bit.ly/2OtbLxqTwitter: https://...
18/02/2022
আপনার শরীরে নিঃশব্দে ধেয়ে আসছে জীবন ঘাতক কিডনি রোগ !!
আপনার শরীরে নিঃশব্দে ধেয়ে আসছে জীবন ঘাতক কিডনি রোগ !! আপনার কিডনি কতটা ভালো আছে দেখছেন কি ? আপনার শরীরে নিঃশব্দে ধেয়ে আসছে জীবন ঘাতক কিডনি রোগ !কিডনি দেহের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। কিডনি রোগ খুব নিরবে শরিরে.....
04/02/2022
যেসব খাবার আপনার মন ভালো রাখবে |
ভিডিওটি একবার দেখুন ভালো লাগবে |
যেসব খাবার আপনার মন,মেজাজ ভালো রাখতে পারে-মন ভালো রাখার জাদুকরী খাবার যেসব খাবার আপনার মন,মেজাজ ভালো রাখতে পারেসাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেল |==================================Youtube Subscribe. https://bit.ly/2JpVDsYFacebook...
ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে যা খাবেন
21/09/2021
ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে যা খাবেন - ক্যালসিয়ামের পূরণে যা খাবেন |
ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে যা খাবেন - ক্যালসিয়ামের পূরণে যা খাবেন ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণে যা খাবেন - ক্যালসিয়ামের পূরণে যা খাবেন |সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেল |==================================...
15/09/2021
ঠোটের কোণে জ্বরঠোসা - মাত্র দুই দিনে সারিয়ে তুলুন ঘরোয়া উপায়ে
ঠোটের কোণে জ্বরঠোসা কারণ ও প্রতিকার - মাত্র দুই দিনে সারিয়ে তুলুন ঘরোয়া উপায়ে ঠোটের কোণে জ্বরঠোসা কারণ ও প্রতিকার উপায় |যেসব লোকদের জ্বরঠোসা বেশি হয় |যে কোনও মানুষেরই হতে পারে। প্রায় ৮০% মানুষ.....
#বজ্রপাতের_সময়_যা_করবেন
উঁচু গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার বা ধাতব খুটি, মােবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন। > ... বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি ও বারান্দায় থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।
01/05/2021
অনেক দিন পরে আপনাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি টিপস নিয়ে আসলাম |
পুশ আপ শরীরের জন্য কতটা উপকারী ?
এই পদ্ধতিতে প্রতিদিন কয়েকটি পুশ আপ করলে - শরীরে অকল্পনীয় পরিবর্তন ! এই পদ্ধতিতে প্রতিদিন কয়েকটি পুশ আপ করলে - শরীরে অকল্পনীয় পরিবর্তন !শরীরচর্চা বিশারদদের মতে, পুশ আপ করলে শরীরের শক্...
04/12/2020
👉 #খালিপেটে_জিরা_ভেজানো_পানি_খেলে_কি_সত্যিই_ওজন_কমে?
🙂
ওজন কমিয়ে ফেলার দুইটা ভালো দিক আছে – এক তো ছিমছাম, টানটান চেহারায় যে কোনও ধরনের পোশাক দেখতে ভালো লাগে। দুই নম্বর হচ্ছে- ওজন কমালেই হাই ব্লাড প্রেশার, ডায়াবেটিস, হরমোনের সমস্যার মতো নানা অসুখ-বিসুখও নিয়ন্ত্রণে আসতে আরম্ভ করে। কিন্তু যাঁরা খেতে ভালোবাসেন, বা সারাদিনের খাটাখাটনির পর ক্লান্ত শরীরটাকে টেনে টেনে জিম পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ পান না, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে তাঁরা এমন কিছু উপায় খুঁজে বের করার চেষ্টা করেন যাতে পরিশ্রম না করলেও কাজ হবে।
🙂
প্রথমেই বলে নেওয়া ভালো যে, তেমন কোনও শর্টকাট কিন্তু এখনও পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি যেখানে প্রচুর খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি পরিশ্রম না করেও ওজন হুড়মুড়িয়ে কমতে আরম্ভ করবে। আপনার প্রতিদিনের শারীরবৃত্তীয় কার্যকলাপ সুসম্পন্ন করার জন্য যতটা ক্যালোরির চাহিদা তৈরি হয় শরীরে, তার চেয়ে কম ক্যালোরি খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করালে ও সেই সঙ্গে কায়িক পরিশ্রম করে আরও খানিকটা খরচের ব্যবস্থা করলেই একমাত্র ওজন ধীরে ধীরে কমতে পারে। তবে এ কথা ঠিকই যে, এমন কিছু ঘরোয়া সমাধানও আছে যা ট্রাই করলে ফ্যাট বার্ন হওয়ার হার বাড়ে। তেমনই একটি হচ্ছে জিরা পানি।
🙂
জিরার মধ্যে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট থাকে, তা হজমের পক্ষে সহায়ক, কনস্টিপেশন সারাতেও তার কার্যকর ভূমিকা আছে। তা শরীর থেকে বাড়তি টক্সিন বের করে দেয় এবং বাড়ায় বিপাক ক্রিয়ার হার। যাঁরা ইনফ্ল্যামেশন বা প্রদাহের সমস্যায় ভোগেন, তাঁদের শরীর ঠান্ডা রাখতে জিরা পানি সহায়ক। তাই ডায়েটিং, নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি খালি পেটে জিরা পানি খেলে আপনার ওজন কমার হার দ্রুত গতি পাবে, তাই নিয়ে কোনও সন্দেহই নেই!
🙂
কীভাবে তৈরি করবেন-
এক বড় গ্লাস পানি এক চা-চামচ জিরা ভিজিয়ে রেখে দিন সারা রাত। পরদিন সকালে পানিটা ছেঁকে খেয়ে ফেলুন। সামান্য একটু লেবু দিয়েও খেতে পারেন। যাঁরা বদহজমের সমস্যায় ভুগছেন নিয়মিত, তাঁরা এক বোতল পানিতে দুই চা-চামচ জিরা ভিজিয়ে রাখুন। এক গ্লাস সকালে খালি পেটে খান, বাকি দুই গ্লাস খেতে হবে দুপুর ও রাতে খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে। তবে এর চেয়ে বেশি খেলে কিন্তু গা বমির মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
🙂
09/11/2020
#শীতকালে_ত্বকের_যত্ন:
শীতে ত্বক শুষ্ক ও ফ্যাকাসে হয়ে যায়। তাই শীত এলেই ত্বকের যত্ন নিতে হয় একটু বেশি। শিশুর ত্বক অনেক নরম ও কোমল থাকে এটা আমরা সবাই জানি। এই শীতে শিশুর ত্বকের মতোই নরম কোমল ত্বক পেতে চাইলে ত্বকের আদ্রতা যাতে ঠিক থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আপনি ত্বক নরম রাখার ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন। তবে ঘরোয়া ভাবে প্রাকৃতিক কিছু উপাদান দিয়েও আপনি রেশমি মসৃণ ত্বক পেতে পারেন। আসুন জেনে নেই সেই উপাদান ও তাদের ব্যবহার বিধি।
১। অলিভ অয়েল
একটি ছোট পাত্রে ৩ টেবিলচামচ অলিভ অয়েল নিয়ে এর সাথে ১ টেবিলচামচ নারিকেল তেল দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এই তেলের মিশ্রণটি থেকে কিছুটা তেল এক হাতের তালুতে নিয়ে আরেক হাতের তালু দিয়ে ঘষতে থাকুন যতক্ষণ না পর্যন্ত হাতের তালু গরম হয়। তারপর হাত দুটি দিয়ে মুখে তেল ম্যাসাজ করতে থাকুন। প্রতিদিন এভাবে করুন।
২। অ্যালোভেরা
অ্যালোভেরা জেল ত্বককে শীতল ও মসৃণ করে। সতেজ অ্যালোভেরা জেল দিনে দুই বার ত্বকে লাগান। কিছুক্ষণ রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৩। দুধ ও মধু
দুধের সাথে মধু মিশিয়ে লোশন তৈরি করুন এবং সারা শীতে এটা আপনার তকে লাগান। দুধের পুষ্টি উপাদান ত্বকে পুষ্টি সরবরাহ করে। মুখ ও হাতে এই লোশন লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। নিয়মিত ব্যবহারে আপনার ত্বক নরম ও কোমল হবে।
৪। কফি
আপনি জানেন কি কফি হচ্ছে ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভালো এক্সফলিয়েটর? গোসলের সময় কফির গুঁড়ার সাথে সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে সারা শরীরে লাগান এবং উপরের দিকে টেনে টেনে ম্যাসাজ করুন। এতে সমস্ত শরীরের মরা চামড়া উঠে আসবে।
৫। ফ্রুট মাস্ক
পাকা কলা ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। কলা ভিটামিন ও মিনারেলে সমৃদ্ধ যা ত্বককে তরতাজা করে। পেঁপের মাস্ক ও ত্বকের জন্য অনেক ভালো যা ত্বকের ময়লা দূর করে ত্বককে আদ্রতা প্রদান করে।
টিপস :
· গোসল করার পর শরীরে ময়েশ্চারাইজার লাগান। পানি শরীরের তেল দূর করে দেয় ফলে ত্বক রুক্ষ হয়ে যায়। তাই তখন ময়েশ্চারাইজার লাগানো জরুরী এতে ত্বক নরম থাকে।
· ত্বককে শুষ্ক ও রুক্ষ করার জন্য সূর্যের তাপ অনেক বড় কারণ। তাই ত্বককে ভালো রাখার জন্য ত্বককে সূর্যের তাপ থেকে রক্ষা করুন। সান প্রোটেকশন লোশন ব্যবহার করুন।
· ত্বককে আদ্র রাখার জন্য প্রচুর পানি ও তরল খাবার গ্রহণ করুন।
· সপ্তাহে একদিন এক্সফলিয়েট করুন, প্রতিদিন করলে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যেতে পারে।
· মুখে গরম ভাপ নিন। এতে ত্বক সুন্দর ও উজ্জ্বল হয়।
· গরম পানি দিয়ে গোসল করলে ত্বকের আদ্রতা নষ্ট হয়। তাই শীতে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোসল করুন।
· ভিটামিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ খাবার খান যাতে শরীর আভ্যন্তরীণ ভাবেও আদ্রতা রক্ষা করতে পারে।
· এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড সমৃদ্ধ খাবার যেমন- বীজ, আখরোট, লবঙ্গ, সয়াবিন, ফ্যাটি মাছ, টফো, পাতাকপি, লাউ ও শীতের সবজি খান যাতে শীতেও ত্বক ভালো থাকে।.......
আশা করি সবাই উপকৃত হবেন
31/10/2020
#পুড়ে_গেলে_করণীয়
বেশিরভাগ মানুষই জানেন না পুড়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে কী করলে আরাম মিলবে। আর তাই বিভিন্ন ভ্রান্ত ধারনাবশত এটা ওটা করে পোড়ার ক্ষত আরো বাড়িয়ে ফেলেন। পুড়ে যাওয়ার আছে বেশ কিছু ঘরোয়া প্রতিকার যেগুলো নিমিষেই আরাম দেয় ও জ্বালা পোড়া ভাব কমিয়ে দেয়। আসুন জেনে নেয়া যাক আগুনে পোড়ার ঘরোয়া প্রতিকারগুলো ।
ঠান্ডা পানি : পুড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পোড়া স্থানটি কয়েক মিনিট ধরে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন । পুড়ে যাওয়ার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ঠান্ডা পানি ব্যবহার করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। ঠান্ডা পানি পোড়া জায়গার জ্বালা পোড়া কমিয়ে দেয় এবং ফোসকা পড়ার ঝুঁকি কমায়। প্রতি দুই তিন ঘন্টা পর পর আক্রান্ত স্থানটি ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। ঠান্ডা পানির বদলে ঠান্ডা দুধও ব্যবহার করতে পারেন। তবে পোড়া স্থানে বরফ ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ বরফ পোড়া স্থানের রক্ত চলাচল বন্ধ করে দিয়ে পোড়া স্থানের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
মধু : আগুনে পুড়ে যাওয়া স্থানে মধু দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই জ্বালা পোড়া ভাব কমে যায়। মধু হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক তাই পোড়া যায়গায় মধু লাগালে জীবাণু নিধন করে ইনফেকশনের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় ও দ্রুত শুকাতে সহায়তা করে। একটি পরিষ্কার পাতলা সুতি কাপড় বা গজে মধু লাগিয়ে নিন। এবার পোড়া যায়গায় মধু লাগানো কাপড়টি বেঁধে রাখুন। দিনে ৩ থেকে ৪ বার কাপড়টা বদলে দিন। এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে পোড়ার ক্ষত দ্রুত ভালো হবে এবং দাগ হবে না।
টি ব্যাগ : শরীরের কোনো অংশ যখন সামান্য পুড়ে যায় তখন টি ব্যাগ আপনাকে আরাম দেবে অনেকটাই। চা পাতায় আছে ট্যানিক এসিড যা ত্বককে শীতল করে। তাই পোড়া স্থানে ভেজা, ঠাণ্ডা টি ব্যাগ ব্যবহার করলে ত্বকের জ্বালা ভাব ও অস্বস্তি অনেকটাই কমে যায়। পোড়া জায়গায় কয়েকটি ঠান্ডা ভেজা টি ব্যাগ ধরে রাখুন। টি ব্যাগ গুলোকে পোড়া জায়গায় ধরে রাখার জন্য পাতলা সুতি কাপড় ব্যবহার করতে পারেন । চা পাতাও ব্যবহার করতে পারেন পোড়া যায়গায়। এই ক্ষেত্রে তিনটি টি ব্যাগের সম পরিমাণ চা পাতা দিয়ে চায়ের লিকার বানিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এবার আক্রান্ত স্থানে পরিষ্কার তুলো বা নরম কাপড় দিয়ে লিকারটি লাগান।
ভিনেগার : ভিনেগার হলো প্রাকৃতিক অ্যাস্ট্রিনজেন্ট ও অ্যান্টিসেপ্টিক। তাই পুড়ে যাওয়া যায়গায় ভিনেগার ব্যবহার করলে বেশ আরাম পাওয়া যায়। ভিনেগারের সাথে সম পরিমাণে পানি মিশিয়ে নিন। এবার এই ভিনেগার মেশানো পানি দিয়ে পোড়া জায়গা কিংবা ক্ষত স্থানটি ধুয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ব্যাথা কমিয়ে দেবে এবং ত্বকে কিছুটা স্বস্তি মিলবে। ক্ষত স্থানে ভিনেগার লাগিয়ে উপরে একটি কাপড় বেঁধে রাখতে পারেন। প্রতি দুই থেকে তিন ঘন্টা পর পর কাপড়টা বদলে দিতে হবে।
অ্যালোভেরা : কোথাও পুড়ে গেলে অ্যালোভেরার তাজা রস বের করে পোড়া জায়গায় লাগিয়ে নিন। অ্যালোভেরার আছে ব্যাথা কমানোর গুণ। পোড়া জায়গায় অ্যালোভেরা লাগিয়ে দিলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ত্বকে শীতল অনুভূতি পাওয়া যাবে এবং জ্বালা ভাব কমে যাবে। প্রথমে পোড়া জায়গাটা ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। এরপর এক টুকরো অ্যালোভেরার পাতা থেকে তাজা রস বের করে পোড়া স্থানে লাগিয়ে নিন। এভাবে দিনে বেশ কয়েকবার লাগান।
ডিমের সাদা অংশ : শরীরের যে স্থানে পুড়ে গেছে সেখানে ডিমের সাদা অংশ দিন। পোড়া জায়গার পরিমাণ বুঝে একটি বা দুটি ডিমের সাদা অংশ লাগতে পারে। পোড়া স্থানে যতক্ষন ডিমের সাদা অংশটা ভেজা ভেজা থাকবে ততক্ষণ জ্বালা পোড়া ভাব থাকবে না। শুকিয়ে গেলে আবার জ্বলা শুরু হলে আরেকটি ডিমের সাদা অংশ লাগিয়ে নিন। ডিমের সাদা অংশ পোড়া ক্ষত দ্রুত সারিয়ে দেয় এবং ত্বকে পোড়া দাগ পড়তে দেয় না।
29/10/2020
#সতর্ক
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1207
Opening Hours
| Monday | 08:00 - 20:00 |
| Tuesday | 08:00 - 08:00 |
| Wednesday | 08:00 - 08:00 |
| Thursday | 08:00 - 08:00 |
| Friday | 08:00 - 08:00 |
| Saturday | 08:00 - 08:00 |
| Sunday | 08:00 - 08:00 |
