Health For Everybody
Here we publish various tips of herbal cures, cuisine, meditation, yoga practice, food and spices qu
27/11/2024
12/09/2024
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ও শামসুন্নাহার হলের মাঝে একটা অসভ্য ভাস্কর্যকে কে যেন একটি লুঙ্গি পরিয়ে সুন্দর সভ্য করে দিয়েছে। ধন্যবাদ নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদেরকে এমন রুচিশীল বোধদয়ের জন্য।
ইদানিং দেখা যাচ্ছে, কোনো কোনো স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদেরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠাণের শিক্ষক কিংবা অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে জোর করে তাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করছে। প্রতিষ্ঠাণের আয়/ব্যয় সম্পর্কে কৈফিয়ত চাচ্ছে। অনেক সময় সম্মানীয় শিক্ষককে তাঁর চেয়ার থেকে জোর করে উঠিয়ে দিচ্ছে। বিষয়টা ভাবিয়ে তুলছে বৈকি।
হোক না সেই শিক্ষকটা দলকানা, হোক না তিনি সরকারের বেসরম চাটুকার, হোক না তিনি প্রতিষ্ঠানের ফান্ড তছরুপকারী, হোক না তিনি জোর জুলুম করে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফির দ্বিগুন পরিমাণ ভর্তি ফি ও পরীক্ষার ফি আদায়কারী, হোক না তিনি যোগ্যতম সিনিয়র শিক্ষককে ডিঙিয়ে ছলেবলে কৌশলে অধ্যক্ষের পদটি দখলকারী- তাকে কেন এভাবে অপমান করা হবে? তিনি তো শিক্ষক।
তিনি ক্লাশে শিক্ষার্থীদেরকে না পড়িয়ে দলবাজি করেন করুক, শিক্ষার্থীদের পোশাক নিয়ে কটাক্ষ করেন করুক, প্রতিষ্ঠানের ফান্ড থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা সরিয়ে নেন নিক, দলবাজি ও চাটুকারী করে ফায়দা লুটেন তো লুটুক, তবুও তো তিনি শিক্ষক! তিনি না হয় ঘুষ দিয়ে যোগ্যতম প্রার্থীকে বঞ্চিত করে নিজে শিক্ষকতার চাকরিটা লুফে নিয়েছেন, তাই বলে তাকে এভাবে অপমান করতে হবে? ছিঃ ছিঃ! কেমন শিক্ষা দিয়েছে তোমাদের বাপ-মা? পরিবার থেকে যদি শিক্ষা পেতে তা হলে কি শিক্ষককে এভাবে অপমান করতে? সমাজের বিজ্ঞজনেরা তোমাদেরকেই তো দোষ দিচ্ছে !
”আহারে আমাদের শিক্ষার্থী ভাই-বোনোরা, তোমাদেরকেই দুষবে সবাই। শিক্ষকরা তো ধোয়া তুলসি পাতা। নিজের নামের সাথে কোনোভাবে ”শিক্ষক” নামটা জুড়ে দিতে পারলেই হলো- তাদের আর কোনো দোষ থাকতে পারে না!”
This ‘Valley of Death' cannot be the Country of the heroic Bengali.
This valley of death cannot be the country of a Bengali.
Try to understand the pulse of Bengali (Bir Bengali). Only then can you know the pulse of the current student movement.
ভিপিএন ব্যবহারের রয়েছে যেসব ঝুঁকি
ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন ইন্টারনেটের একটি ভার্চুয়াল) ‘টানেল’ যার মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা আদান প্রদান করা যায়। এই ভার্চুয়াল কাল্পনিক সুড়ঙ্গটির মাধ্যমে একটি ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত প্রাইভেট নেটওয়ার্ক এর সঙ্গে আপনার ডিভাইসকে সংযুক্ত করতে পারেন। এতে কোন পাবলিক নেটওয়ার্কের আওতাধীন থেকেও আপনি ইন্টারনেট ব্যবহারকালীন অন্য কোন প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ব্যবহারের সুবিধা পাবেন।
ব্যবহারকারীর প্রাইভেসি সুরক্ষা, নিরাপত্তা বৃদ্ধি ও কনটেন্টে প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিপিএন-এ অনেক সুবিধা মেলে। তবে এর সুবিধার পাশাপাশি খেয়াল রাখা দরকার এর অসুবিধা বা ঝুঁকি আছে কিনা, থাকলে কতটুকু।
১/সাইবার নিরাপত্তা
ভিপিএন-এর প্রাথমিক কথাই হচ্ছে ব্যবহারকারীর পরিচয় গোপন রাখা। কিন্তু কোনো কারণে ব্যবহারকারীর ক্রেডেনশিয়াল ও শনাক্তকরণ তথ্যাদি (ইউজারনেইম ও পাসওয়ার্ড) ওই প্রাইভেট প্র্রভাইডারের কেউ হাতিয়ে নিতে পারে। সেখান থেকে চলে যেতে পারে হ্যাকারের হাতে। হ্যাকাররাও এধরণের সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।
ইন্টারনেটের গতি কমে যাওয়া
ভিপিএন ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় অসুবিধা হল ইন্টারনেট সংযোগের গতি কমে যাওয়া। যেহেতু ভিপিএন বিভিন্ন দুর্গম সার্ভারের মধ্য দিয়ে ডেটা ট্রান্সমিশন এনক্রিপ্ট করে, সেহেতু ব্রাউজিংয়ের সময় কমগতি ও বিলম্বের মুখে পড়ে। বিশেষ করে এমন সার্ভারের বেলায়, যেগুলোর অবস্থান ব্যবহারকারীর অবস্থান থেকে অনেক দূরে।
খরচের বিষয়
অনেক ভিপিএন গ্রাহক সেবা বিনামূল্যে বা কম খরচে ব্যবহার করা যায়। তবে প্রিমিয়াম শ্রেণির ভিপিএন সেবাগুলোয় বিভিন্ন উন্নত ফিচার ও উচ্চ গতির সার্ভার ব্যবহারের সুবিধা মেলে। এক্ষেত্রে পয়সা গুনতে হয়। বাজেট নিয়ে শঙ্কিত ব্যবহারকারীর কাছে পয়সা খরচ করে গ্রাহক সেবা কিনে সুবিধা নেওয়ার বিষয়টি বিলাসিতা মনে হতে পারে।
জটিলতা ও কারিগরি চ্যালেঞ্জ
একটি ভিপিএন সেটআপ বা কনফিগার করা অনভিজ্ঞ ব্যবহারকারীর কাছে ভীতিকর হতে পারে, বিশেষ করে এনক্রিপশন প্রোটোকল, সার্ভার বাছাই ও ‘টানেলিং’ আলাদা করার মতো বিভিন্ন উন্নত ফিচার ব্যবহারের ক্ষেত্রে। এ ছাড়া, ‘ট্রাবলসশুটিং’, ‘ডোমেইন নেইম সিস্টেম’ ফাঁস বা নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপ্লিকেশন অথবা ডিভাইস সেটআপের বেলায় কম প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তিদের কাছে জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে।
সেবাদাতার ওপর নির্ভরতা
বিভিন্ন ভিপিএন সেবায় সত্যিকারের প্রাইভেসি ও নিরাপত্তা সুবিধার কথা উল্লেখ থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে এগুলো অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। বর্তমানে হাজার হাজার ভিপিএন সফটওয়্যার ও অ্যাপ পাওয়া যায়। ব্যবহারকারীর ডেটা যেহেতু ভিপিএন সেবাদাতার হাত দিয়ে যায়, তাই সেবাদাতার সততার ওপর নির্ভর করে ব্যবহারকারীর তথ্য নিরাপত্তা। # #
বি:দ্র:> তবে একথা ঠিক যে প্রয়োজনে আপনাকে ভিপিএন ব্যাবহার করুতেই হবে। শুধু একটু সতর্ক থাকতে হবে যে, প্রয়োজনের সময়টুকু ভিপিএন ব্যাবহার করুন। প্রয়োজনের পরে আপনার ডিভাইসকে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় অর্থাৎ ভিপিএন থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখুন।
07/07/2024
>>হলধর নাগ
>>তাকবিরে তাশরিক শুরু
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Telephone
Website
Address
Dhaka
1310
