CareUp bd

CareUp bd

Share

Forget outer beauty, be beautiful from inside, Let’s not get beauty fade away with time

14/08/2023

বিরক্তিকর স্ট্রেচ মার্ক? ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন সহজেই
🎯কয়েক মাস আগেই হয়তো মেদ ঝরিয়ে সুন্দর ছিপছিপে চেহারা পেয়েছেন। কিন্তু বাদ সাধছে বিশ্রী স্ট্রেচ মার্ক। অনেক কিছুই ট্রাই করেছেন তবে, সেভাবে কোনও ফল মিলছে না। ঘরোয়া উপায়েই কাজে লাগিয়ে দিতে পারেন। সহজেই স্ট্রেচ মার্ক দূর করা সম্ভব।

🎯আপনার শরীরে কি সাদা সাদা দাগ? আঁচড়ে দেওয়ার মতো সাদাটে দাগ বা কোথাও ফুলে আছে। এমন যদি দেখা যায় তবে তা স্ট্রেচ মার্ক। এই দাগ অবশ্য নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যেই হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় ওজন কমে বা বেড়ে গেলে ত্বকে এমনটা হয়ে থাকে।

🎯অনেকই ডাক্তার দেখিয়েছেন, নানা ক্রিমও ব্যবহার করেছেন কিন্তু সমাধান মিলছে না কিছুতেই। ঘরোয়া কয়েকটি উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি মিলতে পারে। তবে, বিশেষজ্ঞদের মতে শরীরের পুষ্টির অভাবও হলে এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। রাতারাতি এই সমস্যা কমার নয়, তবে বেশ কিছু ঘরোয়া উপায়ে দাগ ধীরে ধীরে মিলিয়ে যেতে পারে।

🤰স্ট্রেচ মার্কের জায়গায় চিনি ঘষলে জায়গাটার এক্সফোলিয়েশন হবে।
👉এর জন্য ১ কাপ চিনির সঙ্গে ১/২ কাপ নারকেল তেল ভালো করে মিশিয়ে নিন।
👉সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে দিন।
👉এই মিশ্রণটি ওই জায়গায় মিনিটদশেক স্ক্রাব করুন।
👉সপ্তাহে বেশ কয়েকবার করতে পারেন।

🤰দই ও কাঁচা হলুদ ব্যবহার করতে পারেন
👉কাঁচা হলুদ ত্বকের জন্য ভীষণ উপকারী।
👉তাই দইয়ের সঙ্গে কাঁচা হলুদ মিশিয়ে নিন।
👉এবার স্ট্রেচ মার্কে লাগান।
👉প্রতিদিন নিয়ম করে লাগালে স্ট্রেচ মার্কের দাগ ফিকে হবে।

🤰দাগ দূর করতে পারে অ্যালোভেরা।
👉যে জায়গাটায় স্ট্রেচ মার্ক রয়েছে সেখানে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিন।
👉প্রতিদিন স্নান করার পর লাগালে ধীরে ধীরে স্ট্রেচ মার্ক দূর হবে।❤❤

04/08/2023

🫄মা হওয়া প্রতিটি মেয়ের জন্যই পরম আনন্দের কিন্তু এ সময় মায়েদের অনেক সমস্যার পাশাপাশি শরীরে স্ট্রেচ মার্কস দেখা দেয়😥।প্রায় ৪৩-৮৮% মহিলা স্ট্রেচ মার্কসের সমস্যার মুখোমুখি হয়ে থাকেন কারন সঠিক এবং পরিক্ষিত সমাধান পেতে দেরি হয়ে যায়।তাই আপনি যদি মাতৃত্বকালীন সময়ে ব্যবহার করেন তাহলে ফাটা দাগ হবে না বা ডেলিভারির পরের স্ট্রেচ মার্কস বা ফাটা দাগ দূর করতে ১০০% কার্যকারি।

এটি গর্ভকালিন সময়ে আপনার স্কিন এর জন্য ১০০% সেফ।

12/07/2023

CareUp bd Forget outer beauty, be beautiful from inside, Let’s not get beauty fade away with time

23/06/2023

🎯একটু বার্তি সতর্কতা ই আপনার গর্ভাবস্থার বিশ্রী স্ট্রেচমার্ক কে প্রতিরোধ করবে ।✌️

🤰অনেক ক্ষেত্রেই স্ট্রেচ মার্ক পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্য নয় তবে কিছু সহজ নিয়ম মেনে চলে গর্ভাবস্থায় চামড়ায় অতিরিক্ত স্ট্রেচ মার্ক বা ফাটা দাগ পড়ার সম্ভাবনা একেবারে কমে আসে । যেমন—

✅এক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ত্বকের নমনীয়তা বজায় রাখা। নমনীয়তা বজায় রাখতে ও ত্বককে মজবুত করতে কোলাজেন তন্তুর উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। এর জন্য কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেতে হবে। যেমন: মাংস, মাছ, সবুজ শাকসবজি, আমড়া, পেয়ারা, কমলা। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলমূল আমাদের শরীরে কোলাজেন তৈরিতে ভূমিকা রাখে।

✅ত্বক শুষ্ক থাকলে ফাটার প্রবণতা বেশি থাকে। তাই ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে নিয়মিত অলিভ ওয়েল (অরিজিনাল) খাটি নারিকেল তেল ❌(বাজারে কেনা গুলা না)❌ ব্যবহার করতে হবে। সাধারণত শরীরের যেসকল অংশে চামড়া প্রসারিত হওয়ার কারণে ফাটা দাগ দেখা দেয় সেসব জায়গায় নিয়মিত অলিভ অয়েল (অরিজিনাল) বা পিওর নারিকেল তেল মালিশ করতে পারেন।

✅পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করার অভ্যাস করতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান করলে ত্বক সতেজ থাকে। একজন সুস্থ-স্বাভাবিক গর্ভবতী নারীর প্রতিদিন গড়ে ২–৩ লিটার পানি পান করা প্রয়োজন। কাপ কিংবা গ্লাসের হিসাবে আপনাকে সারাদিনে মোট ৮–১২ গ্লাস পানি পান করতে হবে। তবে এই বিষয়ে কখনো যদি ডাক্তার কোনো বিশেষ পরামর্শ দিয়ে থাকেন তাহলে সেটিই অনুসরণ করবেন।

✅নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের রক্ত সরবরাহ ব্যবস্থা ভালো হয়, যা ত্বকের সুস্থতা নিশ্চিত করে। তাই গর্ভাবস্থায় নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

✅স্ট্রেচ মার্ক প্রতিরোধের আরেকটি উপায় হচ্ছে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা। তবে এক্ষেত্রে কোনোভাবেই কম খেয়ে ওজন কম রাখার চেষ্টা করা যাবে না। বরং স্বাস্থ্যকর ডায়েট অনুসরণ করতে হবে। প্রয়োজনে একজন চিকিৎসক অথবা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।

08/06/2023

🤔কিভাবে স্ট্রেচ মার্কসের চিকিৎসা বা রিমুভাল করবেন❓
🙄স্ট্রেচ মার্কসের চিকিৎসা মুশকিল; এগুলি কমাতে কিছু বিশেষ প্রক্রিয়ার প্রয়োজন হয়। নিম্নলিখিত চিকিৎসাপদ্ধতি গুলি পাওয়া যায়:
✅ মাইক্রো নিডলিং রেডিওফ্রিকোয়েন্সি (micro needling radiofrequency) (MNRF)
✅ কেমিক্যাল পিল (chemical peel)
✅ট্রেটিনয়েন মলম (tretinoin cream)

🎯স্ট্রেচ মার্কস হয়ে গেলে পুরোপুরি দূর করা সময় সাপেক্ষ, তবে আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞ চিকিৎকের তদারকিতে এগুলি অনেকটাই কমানো সম্ভব। স্ট্রেচ মার্কস চিকিৎসার জন্য সঠিক ডাক্তারি পরামর্শ নেওয়া উচিত।

👉স্ট্রেচ মার্কসের জন্য সঠিক সমাধান পেতে পেজ এ মেসেজ করুন💕

07/06/2023

🤰শরীরে স্ট্রেচ মার্কস কারন এবং লক্ষন গুলা জানা দরকার।🤔

👉দেহে স্ট্রেচ মার্কস হওয়ার কিছু কারণ হল:

✅বয়ঃসন্ধির সময় বৃদ্ধি- প্রায় ৬-৮৬% মানুষের বয়ঃসন্ধির সময় স্ট্রেচ মার্কস দেখা দিতে পারে। কিশোর-কিশোরীরা কিছুটা লম্বা হওয়ার পর নিজেদের উরু, বুক ও পিঠে হালকা গোলাপি বা হালকা থেকে গাঢ় বাদামি স্ট্রায়া দেখতে পেতে পারে।

✅ওজনবৃদ্ধি- প্রায় ৪৩% মানুষ দ্রুত ওজনবৃদ্ধির ফলে এই সমস্যায় ভোগেন। ওজন বাড়লে ত্বক প্রসারিত হয়, নীচে ডার্মাল টিস্যু (dermal tissue) ফেটে যায়, যার ফলে স্ট্রেচ মার্কস দেখা যায়।

✅গর্ভধারণ- এটি সবচেয়ে সাধারণ হেতু কারণ প্রায় ৪৩-৮৮% মহিলা স্ট্রেচ মার্কসের সমস্যার মুখোমুখি হন। গর্ভাবস্থায় ওজন বাড়ার ফলে ত্বকের অনেকখানি প্রসারণ হয় এবং চুলকানি সহ স্ট্রেচ মার্কস দেখা যেতে পারে, বিশেষতঃ পেটে। গবেষণায় দেখা গেছে গর্ভধারণ-সম্পর্কিত স্ট্রেচ মার্কস বয়স্ক মায়েদের তুলনায় কমবয়সী মায়েদের বেশি দেখা যায়।

✅হরমোনের (hormone) তারতম্য- অ্যাড্রেনাল গ্রন্থি (adrenal) থেকে অতিরিক্ত কর্টিসোন (cortisone) বেরোলে প্রোটিন ক্যাটাবলিজম (protein catabolism) হতে পারে, যেমন আঘাত লাগলে, স্ট্রেস (stress) বা অসুখ হলে দেখা যায়। এর ফলে ইলাস্টিন তন্তুতে চাপ পড়ে স্ট্রেচ মার্কস তৈরি হতে পারে।

✅জেনেটিক প্রবণতা (genetic propensity)- বিশদ চর্চা না করা হলেও সন্দেহ করা হয় যে স্ট্রায়া হওয়ার পিছনে জিনের (gene) ভূমিকা থাকতে পারে। যাদের পরিবারে কারুর স্ট্রেচ মার্কস হওয়ার ইতিহাস আছে তাদের নিজেদের জীবনেও কখনও স্ট্রেচ মার্কস দেখা দিতে পারে, কোলাজেন ও ফাইব্রোনেকটিন (fibronectin) জিন কম প্রকাশিত হওয়ার জন্য।

✅অন্য রোগের উপসর্গ হিসেবে- কুশিং’স সিনড্রোম বা মারফ্যান (Marfan) সিনড্রোমের রোগীদের স্ট্রায়া অ্যাট্রফিক্যান্স (পাতলা ত্বক) হতে পারে।

✅ওজন কমা- অনেকখানি ওজন হঠাৎ কমে গেলে প্রসারিত ত্বক ঝুলে পড়ার ফলেও স্ট্রেচ মার্কস দেখা দিতে পারে।

✅ দীর্ঘদিন স্টেরয়েড ব্যবহার- বহুদিন ধরে প্রচুর কর্টিকোস্টেরয়েড ব্যবহার করলে স্ট্রায়া হতে পারে।

👩‍⚕লক্ষণ ও উপসর্গ

🎯স্ট্রেচ মার্কস দেখতে হয় উঁচু, লালচে, বাদামি বা বেগুনী-গোলাপি ক্ষতচিহ্নের মত, মাঝে মাঝে চুলকানি হতে পারে। সময়ের সাথে এগুলি সরু হয়ে যায় এবং আরো গভীর, গাঢ় বা কখনও সাদা, ত্বকের নীচে বসে যাওয়া রেখার মত দেখতে লাগে। প্রাথমিক পর্যায়ে এর চিকিৎসা করা তুলনামূলকভাবে সহজ ও কার্যকরী হয়।

👉যে কোন ধরনের প্রশ্ন থাকলে পেজ এ মেসেজ করুন✌️

07/06/2023

👀স্ট্রেচ মার্কস কি ❓আর কোন প্রকারভেদ টি আপনার সাথে মিলে যায় 🙄

🎯স্ট্রেচ মার্কস বা স্ট্রায়া হল সাদা বা গোলাপি রেখাকৃতি ক্ষতচিহ্ন যা ত্বকের উপর দেখা যায়। ত্বক যখন স্বাভাবিক স্থিতিস্থাপকতার (elasticity) চেয়ে বেশি প্রসারিত হয় তখন নিচে তার সহায়ক কোলাজেন (collagen) ও ইলাস্টিন (elastin) তন্তুগুলি ছিঁড়ে যায়। এরপরে ত্বক সেরে উঠলে এই ক্ষতচিহ্নগুলি দেখা যায়। স্ট্রেচ মার্কস সাধারণতঃ কাঁধে, পেটে, পায়ের গোছে, কোমরে ও উরুতে দেখা যায়। সময়ের সাথে এগুলি কমতে পারে, কিন্তু পুরোপুরি মেলায় না।

🎯স্ট্রেচ মার্কসের প্রকারভেদ

👩‍⚕স্ট্রেচ মার্কস কিভাবে তৈরি হয় ও কিরকম দেখতে হয় তার উপর নির্ভর করে দুই প্রকারের হতে পারে:

✅ স্ট্রায়া রুব্ৰা (striae rubrae): স্ট্রেচ মার্কস তৈরি হওয়ার প্রথমদিকে এই রূপ দেখা যায়। এগুলি হালকা লাল, সরু ও লম্বা রক্তশিরার মত দেখতে লাগে। বেশ কয়েক মাস বা বছর পরে এগুলি হালকা হয়ে সাদা স্ট্রায়া হয়ে যায়।

✅ স্ট্রায়া অ্যালবা (striae albae): এগুলি সাদা, ভাঁজ পড়া ও ত্বকের নীচে বসে যাওয়া দীর্ঘস্থায়ী স্ট্রেচ মার্কস। এদের রূপের উপর নির্ভর করে এদের স্ট্রায়া অ্যাট্রফিক্যান্স (atrophicans), স্ট্রায়া নাইগ্রা (nigrae), স্ট্রায়া সেরুলা (caerulea) ও স্ট্রায়া গ্র্যাভিডেরাম (gravidarum)- এগুলিতে বিভক্ত করে হয়।

🎯স্ট্রেচ মার্কসের অন্যান্য প্রকার:

✅ স্ট্রায়া অ্যাট্রফিক্যান্স: এই স্ট্রেচ মার্কসগুলি পাতলা ত্বকের সাথে জড়িত। কুশিং’স সিনড্রোম (Cushing’s syndrome) জাতীয় অসুখ বা দীর্ঘদিন কর্টিকোস্টেরয়েড (corticosteroid) ব্যবহারের ফলে এগুলি দেখা যেতে পারে।

✅ স্ট্রায়া নাইগ্রা: সাধারণতঃ শ্যামবর্ণ ত্বকে দেখা যায়; এগুলি গাঢ় ছাই বা কালো রঙের হয়।

✅ স্ট্রায়া সেরুলা: এগুলি গাঢ় নীল-বেগুনী রঙের হয় এবং শ্যামবর্ণ ত্বকে দেখা যায়।

✅ স্ট্রায়া গ্র্যাভিডেরাম: গর্ভধারণ-সম্পর্কিত স্ট্রেচ মার্কস।

🎞স্ট্রেচ মার্কস সম্পর্কে প্রশ্ন ও সমাধান পেতে আমাদের পেজ এ মেসেজ করুন।

06/06/2023

😥ত্বকে ফাটা দাগ কি কখনো যাবে না❓

👉ওজনাধিক্য ও গর্ভধারণের কারণে অনেক সময় তলপেটে সাদাটে বা লালচে ফাটা ফাটা দাগ পড়ে। ইংরেজিতে একে বলে স্ট্রেচ মার্ক। গর্ভধারণের শেষ সময়ে পেটের চামড়া পাতলা হয়ে যাওয়ার কারণে এমনটা হয়ে থাকে। এ ছাড়া কৈশোরে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় শরীর স্ফীত হওয়ার সময়ও এমন দাগ সৃষ্টি হতে পারে।
👉ফাটা দাগের কারণ হতে পারে অস্বাভাবিক ওজন বৃদ্ধি, হরমোনজনিত সমস্যা এবং স্টেরয়েড-জাতীয় ওষুধ ব্যবহার। ফাটা দাগ সৃষ্টির শুরুতে লম্বালম্বিভাবে হালকা লালচে দাগ হয়ে থাকে। ধীরে ধীরে এ দাগ সাদাটে হয়ে আসে। গর্ভবতী নারীর পেট, নিতম্ব, স্তন, ঊরু ও হাতের ওপরের অংশে এমন দাগ হতে পারে। কৈশোরে সাধারণত ঊরু এবং কোমরের পেছনের অংশে দাগ হয়। ফাটা দাগে ব্যথা বা চুলকানি থাকে না।
👉ত্বকের ফাটা দাগ কোনো বিশেষ রোগ নয়।🤩 খারাপ দেখাচ্ছে মনে হলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শমতো বিভিন্ন মলম লাগাতে পারেন। লেজারের মাধ্যমেও এর চিকিৎসা করা যায়। হরমোনজনিত সমস্যা থাকলে সেটি নির্ণয় করে চিকিৎসা করতে হবে। কৈশোর থেকেই সুষম খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলুন এবং নিয়মিত ব্যায়াম করুন। ওজন স্বাভাবিক রাখুন।
গর্ভাবস্থার ফাটা দাগের ব্যবস্থা নিলে পুরোপুরি মিলিয়ে যায় এবং কিছুটা কমে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফাটা দাগ চিকিৎসা ছাড়াই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে থাকে তবে হালকা সাদা দাগ থেকেও যেতে পারে।

👩‍⚕ডা. তুষার সিকদার : চর্মরোগ বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

05/06/2023

💁‍♀️গর্ভাবস্থায় পেটের ফাটা দাগ রোধ বা দূর করতে প্রতিটি মায়ের যা জানা দরকার।

😥সন্তান জন্মের সময় মায়েদের একটি সমস্যার নাম স্ট্রেচ মাকর্স বা ফাটা দাগ। পেটে সাদা বা কালচে ফাটা দাগ পড়ে যাওয়া। পেট ফাটা দাগ অনেকের এমনি চলে যায়। অনেকের আবার সহজে যেতে চায় না। তবে গর্ভাবস্তায় একটু সচেতন থাকলে এই দাগ থেকে মিলবে মুক্তি।✌️

🤔স্ট্রেচ মাকর্স বা ফাটা দাগ পড়ার কারণ

✅গর্ভাবস্থায় একজন মা পেটে প্রায় দুই লিটার পানি বহন করে। শিশু-সহ প্রায় চল্লিশ সপ্তাহ এই পেট বহন করে থাকে। শিশুর সাথে পেটও বড় হতে থাকে। স্বাভাবিকভাবেই পেটে টান পড়ে এর ফলে দাগের সৃষ্টি হয়। প্রথমে লালচে পরে কালো বা সাদা হয়ে যায়।
🤔দাগমুক্ত রাখতে করণীয়
✅গর্ভাবস্থায় খাদ্য তালিকায় যোগ করুন মাছ, সবজি এবং নানা রকম শস্যদানা। ভিটামিন 'ই' ও 'সি' যুক্ত খাবার, গাজর বা ব্রোকোলি, চিনি ছাড়া চা খেতে পারেন। প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।
🚶‍♀হাঁটাহাঁটি বা নড়াচড়া
✅নড়াচড়া করলে শরীরে রক্ত চলাচল ঠিকমতো হয়। ফলে পেটে দাগ হওয়া থেকে রক্ষা পেতে পারেন। ডাক্তারের পরামর্শে কিছু হলকা ব্যায়াম বা সাঁতার কাটতে পারেন।

💦ঠাণ্ডা এবং গরম পানি দিয়ে গোসল
✅প্রথমে হলকা গরম পানি দিয়ে এবং পরে ঠাণ্ডা পানির গোসল নিলে রক্ত চলাচল ভালো হয়।
গর্ভধারণের শুরু থেকেই এটি করলে দাগ পড়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

🎯প্রতিদিন দুই বেলা সুগন্ধি বা রাসায়নিক পদার্থ ছাড়া তৈরি ভালো তেল ব্যবহার করলে দাগ পড়ার সম্ভবনা কম থাকে।অবশ্যই তেল নাভী থেকে শুরু করে চারদিকে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আস্তে আস্তে মালিশ করতে হবে।

☎পরিক্ষিত সমাধান পেতে পেজ এ মেসেজ করুন।👉

20/04/2023

👉ফেস সিরাম বাছাই করার নিয়ম

🧏‍♀️ত্বকের ধরন: আপনাকে অবশ্যই আপনার ত্বকের ধরণ জানতে হবে। এছাড়াও আপনার ত্বকে কি ধরনের উপাদান যাচ্ছে। আপনার ত্বক ইতিমধ্যে শুষ্ক কি না এবং আপনি যে মুখের সিরাম ব্যবহার করছেন তা আপনার ত্বককে আরও শুষ্ক করে তুলছে কিনা। এ দিকগুলো খেয়াল রাখতে হবে।

🤔ত্বক সংক্রান্ত সমস্যা: যেকোনো ফেস সিরাম নেওয়ার আগে আপনার ভাবা উচিত কেন আপনি ফেস সিরাম কিনতে চান? আপনি কি বলিরেখা কমাতে ফেস সিরাম ব্যবহার করতে চান বা তীব্র সূর্যের আলোর কারণে আপনার মুখে যে কালো দাগ দেখা দিতে শুরু করেছে সেটার জন্য কিনতে চান।সিরামাইডের মতো হাইড্রেট ত্বকের জন্য সিমেন্টের মতো কাজ করে এবং ত্বক থেকে পানি বের হতে বাধা দেয়। তার মানে আপনার ত্বককে হাইড্রেটেড রাখা।

ভিটামিন সি এবং আঙ্গুরের বীজের নির্যাসের মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বককে সূর্যের আলোর কারণে হওয়া ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও, বার্ধক্যের লক্ষণগুলির সাথে লড়াই করুন।

অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি যেমন জিঙ্ক, আর্নিকা এবং গোল্ডেনসাল ত্বকের লালভাব দূর করতে সাহায্য করে এবং প্রদাহজনিত কোষের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

উদ্ভিদ-ভিত্তিক উপাদান যেমন লিকোরিস ত্বকের স্বর হালকা করতে এবং কালো দাগগুলিকে হালকা করতে সাহায্য করে।

এখন যেহেতু আপনি জানেন কীভাবে ফেস সিরাম ব্যবহার করে প্রাণহীন ত্বকে সজীবতা আনতে হয়, তাহলে কীভাবে সঠিকভাবে সিরাম প্রয়োগ করতে হয় তাও জানা গুরুত্বপূর্ণ ।

🎯ফেস সিরাম ব্যবহারের নিয়ম
✅আপনার ত্বককে যেকোনো ধরনের ময়লা, ধুলাবালি, অতিরিক্ত তেল বা অমেধ্য থেকে রক্ষা করতে আপনার ত্বককে ক্লিনজার দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত।

✅আপনার আঙ্গুলের ডগায় আপনার পছন্দের সিরামের 2 ফোঁটা নিতে হবে এবং এটি ত্বকে ম্যাসেজ করে একটি পাতলা স্তর প্রয়োগ করতে হবে যাতে এটি আপনার ত্বকে ভালভাবে শোষিত হয়।

✅ফেস সিরাম ব্যবহারের পর চোখের চারপাশে আপনার প্রিয় আই ক্রিম লাগাতে হবে।

✅যেকোনো ত্বকের যত্নের রুটিন ময়েশ্চারাইজার ছাড়া অসম্পূর্ণ। বিশেষ করে দিনের বেলায় যখন আপনি ফেস সিরাম লাগাচ্ছেন। তাই ফেস সিরামের পর ভালো ময়েশ্চারাইজার লাগাতে ভুলবেন না।

✅সূর্যের আলো এড়াতে দিনের বেলা SPF 30 বা তার বেশি সানস্ক্রিন পরা জরুরি।

✅ফেস সিরাম দিনে এবং রাতে যেকোন সময় প্রয়োগ করা যেতে পারে। ত্বক পরিষ্কার করার পরে, মুখের সিরাম প্রয়োগ করতে হবে এবং শুকিয়ে নিতে হবে। আপনি যদি রাতে সিরাম প্রয়োগ করেন, তবে খুব বেশি লেয়ার না করার বিষয়ে সতর্ক থাকুন। নাইট ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার একটি ভারী স্তর তৈরি করে। তাই রাতে একটাই জিনিস লাগান, হয় সিরাম বা ময়েশ্চারাইজার।

✅সিরাম ব্যবহার করা খুব সহজ, তবে আপনার মুখে এটি প্রয়োগ করার আগে আপনাকে অবশ্যই একটি প্যাচ পরীক্ষা করতে হবে। আপনি যে সিরামটি কিনেছেন তা আপনার ত্বকের সাথে মানানসই কিনা সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

✅সিরাম ব্যবহারের মূল মন্ত্রগুলির মধ্যে একটি হল অল্প পরিমাণে সিরাম ব্যবহার করা। সিরামে শক্তিশালী উপাদান রয়েছে, তাই এটি বেশি পরিমাণে ব্যবহার করা উচিত নয়। এটি অতিরিক্ত ব্যবহারে ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে পারে।

✅ত্বক পরিষ্কার করা যেকোনো ধরনের ত্বকের যত্নের রুটিনের প্রথম ধাপ। অতএব, সিরাম প্রয়োগ করার আগে আপনার ত্বক পরিষ্কার করা উচিত।

✅যাদের শুষ্ক ত্বক রয়েছে তাদের সিরাম শুধুমাত্র ভেজা ত্বকে প্রয়োগ করা উচিত কারণ এটি আর্দ্র ত্বকে ভালভাবে প্রবেশ করে।

✅সংবেদনশীল ত্বক যাদের তাদের ত্বক শুকিয়ে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। অন্যথায়, এটি সিরামের অনুপ্রবেশকে ধীর করে দেবে, যা ত্বকের জ্বালা হতে পারে।

✅ফেস সিরামের এমন অনেক উপকারিতা রয়েছে যা কয়েকদিন একটানা ব্যবহার করলেই জানতে পারবেন। এর মধ্যে কয়েকটি সুবিধা নিম্নরূপ-

✅মুখের সিরামে কোলাজেন উপাদান থাকে, যার কারণে আপনি আপনার ত্বকের গঠনের উন্নতি লক্ষ্য করবেন। আপনার ত্বক আগের চেয়ে আরও সুন্দর এবং স্বাস্থ্যকর দেখাতে শুরু করবে।

✅সিরামের নিয়মিত ব্যবহার আপনার ত্বকের কালো দাগ কমিয়ে দেবে এবং যদি কয়েক বছর পুরানো ব্রণের দাগ থাকে তবে সেগুলিও ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।

✅আপনার ত্বকে যদি খোলা ছিদ্র থাকে তবে সেগুলি কমে যাবে, সাথে ব্ল্যাকহেডস, হোয়াইটহেডসও কমতে শুরু করবে।

✅যদি আপনার চোখের নিচে ফোলাভাব থাকে, তাহলে নিয়মিত আন্ডার আই সিরাম ব্যবহারে তা কমানোর ক্ষমতা রয়েছে

✅ফেস সিরামের প্রতিদিন এবং নিয়মিত ব্যবহারের সাথে, ব্রেকআউট কমে যায় এবং আপনার ত্বক সতেজ এবং ময়শ্চারাইজড হয়ে ওঠে।

আশাকরি ফেস সিরাম সম্পর্কিত সকল বিষয়ে ধারণা লাভ করেছেন। ত্বকের এমন সব সুরক্ষা বিষয়ক এমন আরও পরামর্শ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।

19/04/2023

🧏‍♀️আপনি কি কখনও আপনার ত্বকের জন্য ফেস সিরাম ব্যবহার করেছেন❓ আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন কিভাবে এবং কেন এটি আপনার ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ❓

🤔ফেস সিরাম কি❓

✅একটি সিরাম এমন একটি পণ্য যা শক্তিশালী উপাদান ধারণ করে এবং সরাসরি ত্বকে প্রয়োগ করা যেতে পারে। কিন্তু ফেস সিরাম লাগানোর আগে ত্বক পরিষ্কার করা প্রয়োজন এবং লাগানোর পর ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। সিরাম এমন ক্ষুদ্র অণু দ্বারা গঠিত যা উচ্চ অনুপ্রবেশ শক্তি এবং সক্রিয় উপাদানগুলির উচ্চ ঘনত্ব প্রদান করে।

ফেস সিরাম যারা অ্যান্টি-এজিং, কালো দাগ, হাইপারপিগমেন্টেশন, ব্রণ, আটকে যাওয়া ছিদ্র, ডিহাইড্রেশনের সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য দুর্দান্ত ফলাফল নিয়ে আসে।

✅ফেস সিরামের উপকারিতা

কালো দাগ কমাতে: প্রতিদিনের UV রশ্মি আমাদের ত্বককে প্রাণহীন ও বর্ণহীন করে তোলে। এমন পরিস্থিতিতে, ফেস সিরামে বিশুদ্ধ গ্লাইকোলিক অ্যাসিড থাকে, যা ত্বককে উজ্জ্বল করে এবং একটি নতুন রঙ দেয়। এটি ব্যবহার করার দুই সপ্তাহ পরে, আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার মুখের কালো দাগ কমতে শুরু করেছে। এবং চার সপ্তাহ পরে, সূক্ষ্ম রেখা এবং বলিরেখাও কমতে শুরু করে।

নিষ্প্রাণ ত্বকে উজ্জ্বলতা দিতে: বার্ধক্যের সাথে সাথে আমাদের ত্বক তার উজ্জ্বলতা হারাতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে ত্বকের জন্য ফেস সিরাম প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে, যা ত্বককে পরিষ্কার করে এবং উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করে। অনেক সিরামে সোনালি মাইক্রো-রিফ্লেক্টর থাকে, যা ত্বকের চেহারাকে আলোকিত করে এবং কোষ পুনর্নবীকরণ করে একটি তরুণ ত্বক দেয়।

অ্যান্টি-এজিং এর জন্য: আপনি যদি নিজের জন্য একটি দুর্দান্ত অ্যান্টি-এজিং প্রোডাক্ট চান, তাহলে তার জন্য আপনার ফেস সিরাম ব্যবহার করা উচিত। অ্যান্টি-এজিং এর জন্য, আপনার উচিত হাইলুরোনিক অ্যাসিড ধারণকারী হাইড্রেটিং সিরাম বেছে নেওয়া।এই ফেস সিরামটি আপনার ত্বকে তারুণ্যের চেহারা দেওয়ার পাশাপাশি আপনার বলিরেখা দূর করে। দ্য জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড অ্যাসথেটিক ডার্মাটোলজি দ্বারা পরিচালিত একটি গবেষণায়, এটি পরিষ্কার হয়ে গেছে যে মুখের সিরাম মুখের সূক্ষ্ম রেখা এবং বলিরেখা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । দুই থেকে তিন সপ্তাহ ব্যবহারের পরই আপনি পার্থক্য দেখতে পাবেন। ভিটামিন সি যুক্ত কিছু ফেস সিরামও অ্যান্টি-এজিং-এর জন্য সেরা।

✅ব্রণ দূর করতে: ফেস সিরাম ব্রণ-প্রবণ ত্বকের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এগুলিতে বেনজয়াইল পারক্সাইড এবং স্যালিসিলিক অ্যাসিড রয়েছে, যা ধীরে ধীরে ব্রণ হ্রাস করে এবং অদৃশ্য হয়ে যায়।

✅ত্বক এক্সফোলিয়েট করতে: এতক্ষণে আপনি নিশ্চয়ই জেনে গেছেন যে ত্বক এক্সফোলিয়েট করা ত্বকের যত্নের রুটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর জন্য আপনি ফেস স্ক্রাবও ব্যবহার করেন তবে ফেস সিরাম ফেস স্ক্রাবের চেয়ে ভালো ফল দেয়। এটিতে ল্যাকটিক অ্যাসিড এবং ফলিক অ্যাসিড রয়েছে, যা ত্বককে মসৃণ অনুভূতি এবং এমনকি টোন দেওয়ার জন্য পৃষ্ঠকে প্রস্তুত করে তোলে ।

✅ত্বককে হাইড্রেট করতে: আপনার ত্বক যদি শুষ্ক এবং প্রাণহীনহয়ে থাকে তবে এর মানে হল আপনার ময়েশ্চারাইজার ছাড়া অন্য কিছু দরকার। যদি আপনি একটি hydrating মুখ সিরাম নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন তবে আপনি আপনার ত্বকের আদ্রতা এবং প্রাণ ফিরিয়ে আনতে পারবেন।

এর জন্য, আপনার ভেজা ত্বকে হাইলুরোনিক অ্যাসিডযুক্ত হাইড্রেটিং সিরাম প্রয়োগ করা উচিত যাতে ত্বক আরও হাইড্রোজেন পেতে পারে!

17/04/2023

🤔কমন কিছু স্কিনকেয়ার ও মেকআপ মিসটেকস করছেন কি❓

🎯মেকআপ করার পরই ফেইসে একনে হয়! এতগুলো প্রোডাক্ট কিনলাম সেদিন। তাহলে কি এগুলো আর ব্যবহার করা হবে না? আবার স্কিনকেয়ারও তো করছি। তাও কোনো লাভ হচ্ছে না।’ অনেকেরই কমন একটি কমপ্লেইন থাকে যে রেগুলার স্কিনকেয়ার করা সত্ত্বেও এবং মেকআপ প্রোডাক্ট অ্যাপ্লাই করার পর ফেইসে একনে বা পিম্পল দেখা দিচ্ছে। হয়তো ভাবতে পারেন এই একনের জন্য মেকআপ বা স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টই দায়ী। অথচ আপনি কি জানেন সব সময় প্রোডাক্টের দোষ থাকে না? কিছু কমন স্কিনকেয়ার ও মেকআপ মিসটেকস আছে যেগুলোর কারণেও একনে ব্রেকআউট হতে পারে।

✅স্কিন প্রিপেয়ার না করা
স্কিনে একনে থাকলে প্রবলেম আরও বাড়তে পারে ভেবে অনেকেই স্কিন প্রিপেয়ার না করেই ডিরেক্ট মেকআপ করেন। বিভিন্ন স্কিন প্রোটেক্টর যেমন- সানস্ক্রিন, ময়েশ্চারাইজার বা অ্যান্টি একনে ক্রিম কিছুই ইউজ করেন না। এটা কিন্তু স্কিনকেয়ার মিসটেকস এর মধ্যে একটি। তাই একনে দ্বারা স্কিন এফেক্টেড হওয়ার আগেই কেয়ারফুল হতে হবে।

✅ফেইস ক্লিন না করে মেকআপ অ্যাপ্লাই করা
একনে ব্রেকআউট হওয়ার মেজর একটি কারণ হচ্ছে অপরিষ্কার মুখে মেকআপ প্রোডাক্ট অ্যাপ্লাই করা। কারণ স্কিনে ডার্ট ও অয়েল মেকআপের সাথে মিক্সড হয়ে পোরস ক্লগ করে দেয়। সেই সাথে ডার্টে যে ব্যাকটেরিয়া থাকে সেগুলো স্কিনে ট্রান্সফার হয়ে ইনফ্ল্যামেশন ও ইনফেকশন তৈরি করে। এই প্রবলেম যেন না হয় সেজন্য মেকআপ অ্যাপ্লাই করার আগে মাইল্ড ক্লেনজার দিয়ে ফেইস ক্লিন করে নিন। এতে স্কিনের ডার্ট, এক্সেস অয়েল ও ব্যাকটেরিয়া রিমুভ হয়ে ব্রেকআউট হওয়ার চান্স কমে যাবে।

✅অপরিষ্কার আঙুল দিয়ে মেকআপ করা
আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা মেকআপ প্রোডাক্ট আঙুল দিয়ে অ্যাপ্লাই করি। সহজ হয় বলে কাজটি আমরা অনেকেই করি। কিন্তু যদি আপনার আঙুল ক্লিন না থাকে তাহলে এখান থেকেই ব্যাকটেরিয়া ও জার্ম ফেইসে চলে যায় এবং একনে হওয়ার চান্স বেড়ে যায়। তাই আঙুলের বদলে ব্লেন্ডার অথবা বিউটি ব্রাশ দিয়ে মেকআপ ব্লেন্ড করুন। আর মেকআপ টুলগুলো নিয়মিত ক্লিন করতে ভুলবেন না যেন!

✅অপরিষ্কার মেকআপ টুলস ইউজ করা
আচ্ছা বলুন তো, লাস্ট কবে আপনি আপনার মেকআপ ব্রাশ বা অ্যাপ্লিকেটর ক্লিন করেছিলেন? যদি একদমই মনে করতে না পারেন, তাহলে ধরে নিন এগুলোতে ডার্ট, অয়েল আর ব্যাকটেরিয়া অলরেডি জমে গিয়েছে। আর এগুলো স্কিনের জন্য মোটেও ভালো নয়। যখন অপরিষ্কার এই টুলস দিয়ে আপনি মেকআপ করছেন, তখন পোরস ক্লগ হয়ে যাচ্ছে এবং ব্রেকআউট হওয়ার চান্স বেড়ে যাচ্ছে। সপ্তাহে অন্তত ১ দিন চেষ্টা করুন টুলস ক্লিন করে ফেলতে।
✅মেকআপ প্রোডাক্ট শেয়ার করা
আপনি কি প্রায়ই বন্ধুদের সাথে নিজের ব্যবহার করা মেকআপ ব্রাশ ও স্পঞ্জ শেয়ার করেন? অন্য কারও থেকে নেয়া টুলস বা প্রোডাক্ট ইউজ করলে সেগুলোতে অয়েল বা জার্ম লেগে থাকতে পারে, যা স্কিনের জন্য বেশ হার্মফুল। এতে একনে ব্রেকআউট হতে পারে। তাই অন্যের মেকআপ টুলস ব্যবহার করা থেকে এবং নিজেরগুলোও অন্যকে শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।

✅মেকআপ প্রোপারলি ক্লিন না করা
‘বাহির থেকে এসে বেশ ক্লান্ত লাগছে। আজ ফেইস ক্লিন না করেই ঘুমিয়ে যাই!’ এমন আমরা অনেকেই ভাবি, তাই না? ফেইসে একনে ডেভেলপ হওয়ার এটাও কিন্তু একটি কারণ। রাতে ঘুমানোর আগে যদি সানস্ক্রিন বা মেকআপ রিমুভ করার জন্য ফেইস ভালোভাবে ক্লিন করা না হয় তাহলে পোরস ক্লগ হয়ে যায়, এতে সিবাম প্রোডাকশন বেড়ে যায়, দেখা দেয় একনে। অনেকের স্কিন রাফ ও ড্রাই হয়ে যেতে পারে। তাই অবশ্যই রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ডাবল ক্লেনজিং করতে হবে। প্রথমে জেন্টল মেকআপ রিমুভার বা মাইসেলার ওয়াটার দিয়ে ফেইস ক্লিন করে নিয়ে পরে স্কিনের জন্য স্যুইটেবল ক্লেনজার দিয়ে ফেইস ধুয়ে নিতে হবে।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

45/6 North West Jatrabari
Dhaka
1204