Dr.Mohammad Mazharul Islam Mukul

Dr.Mohammad Mazharul Islam Mukul

Share

"ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন, বাত ব্যাথা ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ "

08/05/2026

চেম্বার শুরু করবো ইনশাল্লাহ

ডাঃ মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম

MBBS (DU), BCS, MCPS (BCPS), CCD (BIRDEM),
DA (BSMMU), PGT (Internal Medicine) DMCH,
C-CCD(Heart Disease) (National Heat Foundation)

"ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন, বাত ব্যথা ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ"

(মেডিসিন, হৃদরোগ, বক্ষব্যাধি, শিশু, চর্ম ও যৌন রোগে ১২ বছরের অভিজ্ঞ চিকিৎসক)

চেম্বার : আয়াত মর্ডান হসপিটাল

মোবাইল :01971125240

সময়: শুক্রবার, সন্ধ্যা ০৭ টা থেকে রাত ০৯ টা।

মোবাইল ফোনে কোন চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় না।

23/04/2026

আল্লাহ আমাদের বাচ্চাগুলো কে হেফাজত করুন!

10/04/2026

হাম! সম্পর্কে আসুন কিছু জানি!

24/03/2026

ঈদের পর চেম্বার শুরু করবো ইনশাল্লাহ

ডাঃ মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম

MBBS (DU), BCS, MCPS, CCD (BIRDEM),
DA (BSMMU), PGT (Internal Medicine),
C-CCD (National Heat Foundation)

"ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন, বাত ব্যথা ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ"

(মেডিসিন, হৃদরোগ, বক্ষব্যাধি, শিশু, চর্ম ও যৌন রোগে ১২ বছরের অভিজ্ঞ চিকিৎসক)

চেম্বার : পূর্বাচল হেলথ কেয়ার হসপিটাল লিঃ

মোবাইল :01971125240

সময়: শুক্রবার, দুপুর ০২ টা থেকে সন্ধ্যা ০৬ টা।

মোবাইল ফোনে কোন চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয় না।

06/03/2026
25/02/2026

মানতে হবে! জানতে হবে!

20/12/2025

হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ে চমৎকার একটি লেখা
লিখেছেন Dr. Ma'ruf Raihan Khan

অবশ্যই পড়ুন । ......................

১. ৮০-৯০% হাই প্রেশারের রোগীর কোনো লক্ষণই থাকে না। এজন্য এটিকে সাইলেন্ট কিলার বলা হয়। সারা পৃথিবীতে কমবেশি ১.২ বিলিয়ন হাই প্রেশারের রোগী আছে। এরমধ্যে ৫০-৬০% জানে তাদের এই রোগটি আছে। বাকিরা জানেই না তাদের হাই প্রেশার। হাই প্রেশারকে মেডিকেল সায়েন্সের ভাষায় হাইপারটেনশান বলে।

২. বিশাল সংখ্যক মানুষ তাদের হাইপারটেনশানের ব্যাপারে জানতে পারে যখন ইতোমধ্যে এটি শরীরে বেশ কিছু বড়ো ক্ষতি করে ফেলেছে। যখন কিডনির সমস্যা দেখা দেয়, হার্টের সমস্যা দেখা দেয় কিংবা একটা স্ট্রোক হয়ে যায় তখনই ধরা পড়ে তার হাইপারটেনশান ছিল।

৩. প্রারম্ভিক পর্যায়ে হাইপারটেনশান নির্ণয় করতে--বিশের উপর বয়স হলে দুবছরে অন্তত একবার এবং ত্রিশের উপর বয়স হলে প্রতি বছরে অন্তত একবার ব্লাড প্রেশার পরিমাপ করা প্রয়োজন।

৪. ব্লাড প্রেশার যদি লাগাতার ১৪০/৯০ মিমি মার্কারি বা তার বেশি থাকে কিংবা শুধু সিস্টোলিক ১৪০ মিমি মার্কারি বা তার বেশি থাকে কিংবা শুধু ডায়াস্টোলিক ৯০ মিমি মার্কারি বা তার বেশি থাকে, সেটিকে হাইপারটেনশান হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তবে আমেরিকাতে এখন বলছে ১৩০/৮০-এর বেশি হলেই সেটিকে হাইপারটেনশান হিসেবে ধরতে হবে।

৫. কারও কারও ক্ষেত্রে হাইপারটেনশানের কিছু লক্ষণ থাকতে পারে। যেমন : মাথাব্যথা, ঘাড়ে ব্যথা, ঝাপসা দৃষ্টি ও জোরে হাঁটলে বা একটু পরিশ্রমের কাজ করলে বুকে চাপ বা অস্বস্তি অনুভব করা। হাইপারটেনশান রোগীর হার্টকে অতিরিক্ত লোডের বিপরীতে পাম্প করে রক্ত সারা শরীরে পাঠাতে হচ্ছে, তাই এক্ষেত্রে বুকে চাপ বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। আগে সহজেই ৪ তলা সিঁড়ি বেয়ে উঠে পড়া যেতো, এখন উঠতে গেলে বেশ কষ্ট হয়ে যায়--অনির্ণীত বা অনিয়ন্ত্রিত হাইপারটেনশানের একটি বহিঃপ্রকাশ এটি হতে পারে। এমন লক্ষণ ইশকেমিক হার্ট ডিজিজেও থাকে।

৬. হাইপারটেনশানের চিকিৎসায় দক্ষ ও অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন চিকিৎসকগণ অনেকক্ষেত্রেই কম্বিনেশান ওষুধ (একাধিক ওষুধ) ব্যবহার করতে পছন্দ করেন। কম্বিনেশান ওষুধগুলোতে ব্যবহৃত ওষুধগুলো সাধারণত কম ডোজের হয়। ফলে একাধিক ওষুধের ভালো দিকের সুবিধা যেমন পাওয়া যাচ্ছে আবার সাইড ইফেক্টও কম হচ্ছে। আবার একাধিক ওষুধের সাইনারজিস্টিক একশানে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রিত থাকার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।

৭. বিটা ব্লকার এখন আর মোটেও হাইপারটেনশান চিকিৎসার প্রথম সারিতে নেই। এর পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। কিন্তু রোগীর হাইপারটেনশানের সঙ্গে যদি হার্ট ডিজিজ থাকে তাহলে বিটা ব্লকার সোজা এক নাম্বার পছন্দে চলে আসবে। হার্ট যদি কাজ না করে ব্লাড প্রেশার কন্ট্রোল হলেই কী আর না হলেই কী! হাইপারটেনসিভ রোগীর যদি মাইগ্রেন থাকে সেক্ষেত্রে পছন্দের শীর্ষে আবারও বিট ব্লকার উঠে আসবে।

৮. এমন কিছু রোগী পাওয়া যায় যারা ব্রঙ্কিয়াল এজমা বা হাঁপানি রোগের চিকিৎসাও নিচ্ছে আবার একই সাথে বুক ধড়ফরের জন্য ইন্ডিভারও (প্রপ্রানলল) খাচ্ছে। এটি একটি ভয়াবহ কম্বিনেশন। প্রপ্রানলল জাতীয় নন-সিলেক্টিভ বিটা ব্লকার হাঁপানি বাড়িয়ে দিতে পারে। শুধু তা-ই নয়, এমনও হতে পারে বিটা ব্লকার খাবার পর রোগী বুকে চাপ চাপ অনুভব বা কিছুটা এজমার লক্ষণও নিয়ে আসতে পারে যার কোনোসময় এজমা ছিল না। ইতিহাস খুঁজতে গেলে হয়তো দেখা যাবে তার পরিবারের কারও এ ধরনের এজমার সমস্যা ছিল। অর্থাৎ তার জেনেটিক প্রপেনসিটি ছিল, বিটা ব্লকার দেওয়ার পর এজমাটিক টেন্ডেন্সি আনমাস্কিং হচ্ছে। শুধু এই বিটা ব্লকারটি পাল্টে অন্য একটি এন্টিহাইপারটেন্সিভ দিলে দেখা যাবে রোগীর এই সমস্যাটি চলে গেছে। বিটা ব্লকার ব্যবহারের আগে রোগীর এজমা বা সিওপিডি আছে কি-না এ ব্যাপারে অত্যন্ত নিশ্চিত হয়ে নেয়া উচিত।

৯. সিওপিডি বা এজমার জন্য রোগীরা ব্রঙ্কোডায়ালেটর, স্টেরয়েড, থিওফাইলিন গ্রুপের ওষুধ সাধারণত পেয়ে থাকে। এর সবগুলোই পটাশিয়াম লস করতে পারে। এছাড়া এরা সবাই হার্ট রেট বাড়িয়ে দিতে পারে। সিওপিডি রোগীদের প্রায় সকলেই ধূমপায়ী বা ধূমপানের সংস্পর্শে থাকে দীর্ঘদিন। এ কারণেও এদেরও হার্ট রেট বেশি থাকে। সুতরাং এ ধরনের রোগীদের ক্ষেত্রে এমন প্রেশারের ওষুধ নির্বাচন করা শ্রেয় যারা হার্ট রেট কমাতে পারে। এতে রোগী অনেকটাই স্বস্তি পাবে। নন-ডাইহাইড্রোপাইরিডিন ক্যালশিয়াম চ্যানেল ব্লকার যেমন : ডিলটিয়াজেম, ভেরাপামিল এক্ষেত্রে ভালো পছন্দ হতে পারে। তারা ব্লাড প্রেশারও কমাবে, হার্ট রেটও কমাবে।

এখন সাথে যদি হার্টের সমস্যা থাকে (Left ventricular dysfunction), তাহলে বিটা ব্লকার ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়বে। হার্ট ফেইলিওরে ক্যালশিয়াম চ্যানেল ব্লকার দেওয়া যাচ্ছে না। এসব ক্ষেত্রে কম ডোজে বিসোপ্রলল বা নেবিভলল উপযুক্ত ওষুধ হতে পারে। এসব ওষুধের ব্রঙ্কোস্পাজম করার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম থাকে। এগুলো সিলেক্টিভ বিটা-ওয়ান ব্লকার। কার্ভিডেলল কিন্তু নন-সিলেক্টিভ বিটা ব্লকার। এতে ব্রঙ্কোস্পাজম হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

এজমা/সিওপিডি রোগীর তাহলে বিভিন্ন কারণে একই সাথে হাইপোক্সিয়া, ইশকেমিয়া ও পটাশিয়াম লস হতে পারে। এই তিন মিলে এরিদমিয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে কম ডোজে স্পাইরোনোল্যাকটোন বা এপলিরেনোন (মিনারেলোকর্টিকয়েড রিসেপ্টর এন্টাগনিস্ট) যোগ করে দেওয়া এক্ষেত্রে ভালো সিদ্ধান্ত হতে পারে। এরা ব্লাড প্রেশার কমাতে সাহায্য করবে, আবার পটাশিয়ামও রিটেইন করে, ফলে এরিদমিয়ার চান্স কমায়।

১০. হাইপারটেনশানের জন্য এখনও গ্রামেগঞ্জে এটেনোলোল (টেনোলক/টেনোরেন) জাতীয় ওষুধ অহরহ ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ওষুধ হাইপারটেনশানের রোগীদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়। কারণ কী? এটেনলল সেন্ট্রাল এওর্টিক প্রেশার কমাতে পারে না, এটি শুধু পেরিফেরাল প্রেশার কমায়। তবে নতুন যুগের বিটা ব্লকারগুলোর এ ধরনের সমস্যা নেই। স্ট্রোকের ঝুঁকিতে আছে কিংবা আগে স্ট্রোক বা ট্রানজিয়েন্ট ইশকেমিক এটাক হয়েছে এমন রোগীদের সেন্ট্রাল এওর্টিক প্রেশার কমায় যেসব ওষুধ, সেগুলো ব্যবহার করা উত্তম। যেমন : থায়াজাইড ডাইইউরেটিক্স, এ সি ই-ইনহিবিটর, এনজিওটেনসিন রিসিপ্টর ব্লকার এবং ক্যালশিয়াম চ্যানেল ব্লকার। এসব ক্ষেত্রে মার্কেটে এভেইলেবল ডাইইউরেটিক্স এবং এনজিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার একটি ভালো চয়েস হতে পারে। হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইড এবং লোসারটান/ভালসারটান কম্বিনেশনটি বেশি ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের রোগীদের যদি একই সাথে হার্ট ডিজিজও থেকে থাকে তবে বিটা ব্লকার দিতে হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিটা ব্লকারের সঙ্গে থায়াজাইড কম্বিনেশান দেওয়া যেতে পারে।

১. হাইপারটেনশানের ওষুধ প্রতিদিনই খেতে হয়। এর কিছু ওষুধ বেশ ব্যয়বহুল, অনেকেরই সাধ্যে কুলায় না। এমন ওষুধ না দেওয়াই শ্রেয় যে ওষুধ রোগী ২/৩ সপ্তাহ কষ্টেসৃষ্টে খেয়ে কিনতে না পেরে খাওয়া বাদই দিয়ে দেয়। রোগীর বেশি ভালো করতে গিয়ে রোগীকে অর্থনৈতিকভাবে অক্ষম করে দেওয়া যাবে না। তার জন্য কম দামি ওষুধটি বাছাই করাই উপযুক্ত সিদ্ধান্ত।

২. কিছু কিছু রোগীর চিকিৎসকের কাছে এলে ব্লাড প্রেশার বেশি পাওয়া যায়, অথচ বাসায় মাপলে স্বাভাবিকই আসে। হোম ব্লাড প্রেশারই বেশি প্রাধান্য পাবে। চিকিৎসক যদি সাময়িকভাবে বেশি পেয়ে থাকেন কিন্তু হাইপারটেনশানের ওষুধ খেয়ে বাসায় তার ব্লাড প্রেশার স্বাভাবিকই থাকে, তার ওষুধের ডোজ বাড়ানো কিংবা নতুন ওষুধ যুক্ত করার ব্যাপারে সাবধানী হওয়া ভালো।

৩. রোগীর হাঁটুর ব্যথা অসহনীয়। তানে নন-স্টেরয়ডাল এন্টি ইনফ্ল্যামেটরি (পেইন কিলার) ওষুধ খেতেই হয়। এ ধরনের রোগীর ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণের জন্য যদি এসিই-ইনহিবিটর বা এ আর বি দেওয়া হয়, তাহলে উভয় ওষুধের সম্মিলিত ক্রিয়ায় এসিই-ইনহিবিটর বা এ আর বির কার্যকারিতা কমে আসবে। এক্ষেত্রে ডাইইউরেটিক্স ভালো ওষুধ। এছাড়া থায়াজাইড ডাইইউরেটিক্সের একটি সুবিধা হলো এটি ক্যালশিয়ামকে ধরে রাখে। ফ্র‍্যাকচারের সম্ভাবনা কিছুটা কমিয়ে দিতে পারে।

৪. ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে প্রথম পছন্দ এ সি ই- ইনহিবিটর বা এনজিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার। সিস্টেমিক লুপাস ইরাইথেমেটাসের ক্ষেত্রেও একই পছন্দ। উভয়ক্ষেত্রে প্রোটিনইউরিয়া গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

৫. রোগীর কাশি। কমে না কিছুতেই। লাং ফাংশান টেস্ট, এলার্জেন টেস্ট, সেরাম আইজি-ই, এক্সরে, এইচ আর সি টি পর্যন্ত করা হয়ে গেছে। ব্রঙ্কোডায়ালেটর, এন্টিবায়োটিক সব দেওয়া হয়ে গেছে। তবুও কমে না। অথচ রোগী র‍্যামিপ্রিল খাচ্ছে। এ সি ই ইনহিবিটরের জন্য তার এই কাশি। যে রোগীর এই ওষুধের কারণে শুষ্ক কাশি এক দফা হয়েছিল এবং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, তাকে পরবর্তীতে পুনরায় এই ওষুধ না দেওয়াই শ্রেয়।

৬. রোগী চিকিৎসকের কাছে গিয়েছেন তার পা ফুলে গিয়েছে এই সমস্যা নিয়ে। তার কিডনি, লিভার, থাইরয়েড, হার্টসহ নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হলো। কিন্তু সব পরীক্ষার রিপোর্টই স্বাভাবিক। রোগীরা হাইপারটেনশানের জন্য যেসব ওষুধ পেয়ে থাকে, তার মধ্যে একেবারে উপরের সারিতে আছে এমলোডিপিন। এমলোডিপিনের কমন একটি সাইড ইফেক্ট পা ফুলে যাওয়া বা এঙ্কেল ইডিমা। পরে ধরা পড়লো, এমলোডিপিনের জন্যেই এই পা ফোলা। পুস্তকে লেখা আছে, ১০০ জন ব্যক্তি এমলোডিপিন খেলে ১৫-২০ জনের পা ফোলার সমস্যা হতে পারে। তবে আমাদের দেশে প্র‍্যাক্টিক্যালি এই পার্সেন্টেজ আরও বেশি। ডোজ যতো বাড়বে এই ধরনের ওষুধের এঙ্কেল ইডিমা হবার সম্ভাবনাও বাড়বে। যে রোগীর এই ওষুধের কারণে পূর্বে এঙ্কেল ইডিমা হয়েছিল তাকে পুনরায় আবার এই ওষুধ শুরু না করাই শ্রেয়।

৭. বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশান, ডিজলিপিডেমিয়া ট্রিট করার চেয়ে ঐ বয়স্ক মানুষটিকে ট্রিট করার দিকে বেশি মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। বয়স্ক রোগীদের ক্ষেত্রে কন্সটিপেশান একটি কমন সমস্যা। ক্যালশিয়াম চ্যানেল ব্লকার কন্সটিপেশানের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। সেক্ষেত্রে রোগীকে যথাযথ খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে বলা, প্রয়োজনে এ ধরনের ওষুধ প্রেসক্রাইব না করা, একান্ত দিতে হলে কম ডোজে দেওয়া এসব বিষয় খেয়াল রাখলে উত্তম।

৮. ডাইইউরেটিক্স জাতীয় ওষুধের একটি বৈশিষ্ট্য হলো এরা ইলেক্ট্রোলাইটস ইমব্যালেন্স করতে পারে। বিশেষত হাইপোন্যাট্রেমিয়া ও হাইপোক্যালেমিয়া। এমন অনেক রোগী আছেন যারা ডাইইউরেটিক্স পেয়ে হাইপোন্যাট্রেমিয়া ডেভেলপ করে অজ্ঞান হয়ে হসপিটালে এসেছেন। এমনও হয়েছে তাদের ৩% সোডিয়াম ক্লোরাইড দিয়ে সোডিয়াম র‍্যাপিড কারেকশান করে পন্টাইন মায়েলিনোলাইসিস পর্যন্ত হয়ে গেছে। হাইপারটেনশানেও ওষুধ খায় এমন রোগী যদি ফ্যাটিগ, শারিরীক দুর্বলতার কথা বলে, তার ওষুধের তালিকাটি চেক করা উচিত। যদি সেখানে কোনো ডাইইউরেটিক্স থাকে তাহলে সেরাম ইলেক্ট্রোলাইটস পরীক্ষাটি করা প্রয়োজন। ইলেক্ট্রোলাইটস ইমব্যালেন্স থাকলে সম্ভব হলে ওষুধটি বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে, একান্ত সম্ভব না হলে ডোজ কমিয়ে নিয়ে আসা যেতে পারে।

৯. বিটা ব্লকার ওষুধটিও রোগীর ফ্যাটিগ বা শারীরিক দুর্বলতার জন্য দায়ী হতে পারে।

১০. ডাইইউরেটিক্স ব্যবহারের কারণে অনেকের হাইপোক্যালেমিয়া যেহেতু হয়, সেক্ষেত্রে তাদের ইসিজিতে QT prolongation দেখা যেতে পারে। এখন এই একই রোগী যদি কোনো কারণে এন্টিডিপ্রেসেন্ট বা এন্টিসাইকোটিক ওষুধ যদি খেয়ে থাকে তাহলে QT prolongation হবার সম্ভাবনা আরও অধিক বেড়ে গেলো। কারণ QT prolongation-এর একটি কারণ এই ওষুধগুলোর ব্যবহার। এখন এই রোগীর যদি কারণে বমি বা ডায়রিয়া হয়, তাহলে পটাশিয়াম লেভেল আরও কমে যাবে। ফলে QT অনেক বেশি প্রলং হয়ে যেতে পারে। এর ফলে একটি ভয়াবহ লাইফ থ্রেটেনিং এরিদমিয়া Ventricular tachycardia হবার সম্ভাবনা তৈরি হবে। তাই রোগী আগে থেকেই কী কী ওষুধ খাচ্ছে সেদিকে একবার চোখ বুলিয়ে নেয়াটা ভালো।

28/11/2025

আসুন চর্মের ( ত্বকের ) সমস্যা গুলো জেনে নেই!

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Dhaka
1704