Blue-poem
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Blue-poem, Health/Beauty, Dhaka.
আপনাকে ঠিক ততটুকু "ভালোবাসি" যতটুকু ভালবাসলে এই জীবনে আর নতুন করে কাউকে ভালবাসার আগ্রহ জন্ম নিবে না..✨️🤎🖇
কি চাও?
চলো আবার জন্ম নেই। দুজন আর মানুষ হবো না কেমন? দু'টো সাদা পাখি হয়ে ফিরবো আবার। এই ধরো পায়রা হলাম। ধবধবে দু'টো সাদা পায়রা। আমার মাথায় একটা খোঁপা তোলা থাকবে আর তোমার পায়ে ক'টা বড় পশম। তাতেই মানুষ বুঝবে তুমি পুরুষ আমি নারী।
ছোট্ট একটা ঘর হবে আমাদের। মানুষ বলবে পায়রার খোপ! ওই ছোট্ট খোপেই কিন্তু দু'জন একসাথে থাকবো। বাইরে বৃষ্টি হলে একসাথে বসে দেখবো, বৃষ্টির ছাট এসে আমাদের হালকা ভিজিয়ে দিবে তুমি আমার খোঁপায় ঠোঁট নাড়তে নাড়তে বলবে আরেকটু কাছে সরে এসো না.. নাহলে এবার বৃষ্টির জলে অসুখ করবে।
মানুষ কিন্তু সে ভাষা বুঝতে পারবে না কিছু। আমরা দু'জন কথা বলবো, আমরা শুনবো আমরাই বুঝবো। সত্যি বলছি চলো এবার দু'জন ধবধবে দু'টো পায়রা হয়ে ফিরবো।
আস্তে বলো কেউ শুনবে,আমরা ফিরবার আগেই তারা বন্দুক নিয়ে ঘুরবে। ছুরি কাঁচি ধার দিয়ে আমাদের পিছে পরবে। আবার ফিরবো আমরা দু'জন কেবল মানুষ না হলেই চলবে....!
আচ্ছা... হঠাৎ করেই যদি আমি একটু বদলে যাই! না না একটু না ধরো এই এতোটা বদলে গেলাম তাহলেও কি তুমি আমায় ভালোবাসবে?
এই ধরো আর বছর চারেক বাদে একদিন তোমার আমার দেখা হলো। আমরা দুজনেই রোজ হিসেব করে, এতগুলো দিন, মাস, বছর কাটিয়ে চাতক পাখির মতো উৎসুক হয়ে দুজনার সামনে আসবো...!
তুমি খুব করে চাইবে তোমার পছন্দের কালো রঙের শাড়িটি পড়ে আমি তোমার সামনে আসি, চুলগুলো ঢিলে করে খোঁপা করা থাকবে।তোমার সামনে আসতেই খোঁপা খুলে আমার কোমড় ছাড়িয়ে যাবে। কয়েকটা চুল এলোমেলো হয়ে আমার কাজল আঁকা চোখের আদ্ধেকটা ঢেকে দিবে। তুমি চুলগুলো সরিয়ে দেবার বাহানায় বহুবছর পর আবার আমায় ছুঁয়ে দেখবে!
কিন্তু ধরো সেদিন আর আমি শাড়ি পড়ে এলাম না। চোখে কাজল দিলাম না। চুলগুলোও এঁটো করে বেঁধে রাখলাম। তোমায় দেখার সঙ্গে সঙ্গে একগাল হাসি দিয়ে তোমার হাতে হাত রাখলাম না। সেই আগের মতো লাফালাফি করে ফুল চুরি কেনার বায়না করলাম না। একটা ভালো ছবি তুলে দেয়ার জন্য আগ্রহ দেখালাম না। যে রাস্তায় দুজন বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে কত হেঁটেছি সেই একই রাস্তায় সেদিন ও হাঁটতে গিয়ে বৃষ্টি নামবে কিন্তু আমি তড়িঘড়ি করে ছাতা মুড়ি দিতে দিতে বলবো ছাতার নিচে এসো বৃষ্টির পানিতে আমার অসুখ করে!
তুমি দেখবে আর বুঝবে সময়ের সাথে আমি একটু নয় এই এতোটা বদলে গিয়েছি। ছটফটে সেই মেয়েটা কেমন চুপচাপ হয়ে গিয়েছি।
তবুও....তবুও কি সেদিন তুমি আমায় ভালোবাসবে প্রিয়??
কিছু না বলা কথা
পর্ব:11
সবাই বসে বসে খাচ্ছে হঠাৎ আকাশ রিয়ার সামনে।
হাসি মুখটা যেন নিমিষেই থমকে গেলো রিয়ার।
সবার খাওয়া দাওয়া শেষ, আজ বৌভাতের অনুষ্ঠান শেষে বউকে নিয়ে যাবে। তাই অনেক মেহমান চলে ও গেছে রিয়া ও যেতে চাইলো কিন্তু বউ যেতে দেয় নি,বলে তুই আমার সাথে যাস বেশি সময় তো লাগবে না আর।1ঘণ্টা পর আমরা ও রওনা দিবো।
তারপর রিয়া থেকে গেলো 1ঘণ্টা পর রিয়া বউ সবাই গেলো বিয়ের পর এই প্রথম তার আপু আসছে বাবার বাড়ি তাই সবাই দেখতে আসছে। কেমন আছে সবার বিভিন্ন প্রশ্ন।
তো যাই হোক রিয়া ভাবছে আমার সাথে ও এমন হবে আমার শশুর বাড়ি থেকে আসলে সবাই আমাকে ও এমন করে জিজ্ঞেস করবে,এই ভাবে বিয়ের সব অনুষ্ঠান পালন করে।আজ রিয়া তার আম্মু শহ তারা বাড়িতে চলে যাবে।
অনেকদিন থেকে রিয়ার ক্লাস মিস যাচ্ছে তাই রিয়া আর না থেকে চলে যাওয়ার জন্য বলছে তার মাকে।
চলে আসলো পরের দিন স্কুলে যাবে। অনেক দিন পর সুমির সাথে দেখা দুই জন দুইজনকে জড়িয়ে ধরে ভালোবাসা প্রকাশ করছে কারণ তারা বেশি দিন কেউ কাউকে ছাড়া থাকতে পারতো না এই প্রথম এতো লং টাইম ধুরে থাকলো।
এসব বলতে বলতে ক্লাস শুরু হয়ে গেলো। মেম চলে আসলো অনেক দিন পর রিয়াকে দেখে মেম অনেক খুশি হলো।
তাদের টিপিন টাইম নিচে গেলো কিছু খাবে,রিয়ার আবার জালমুরি অনেক পছন্দ,সে জালমুরি নিলো তারা 4টা ফ্রেন্ড শহ খাচ্ছে,হঠাৎ রিয়ার অনেক জাল লাগছিল যেটা সে বলছে না কাউকে কিন্ত ধুর থেকে আকাশ বুঝতে পারলো রিয়ার জাল লাগছে।
রিয়া আস্তে আস্তে নলকূপের দিকে যাচ্ছিল ওখানে একটা নলকূপ ছিল যেখানে অনেক ভিড় থাকে সব সময় যেহেতু ওখানে একটাই নলকূপ,সব স্টুডেন্টরা ঐখানে ভিড় জমায় পানি খেতে,, তাই রিয়া ওখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পানি খাওয়াই সুযোগ পাচ্ছে না অনেক মেয়ে দাড়িয়ে আছে অনেক জেম।
হঠাৎ পিছন থেকে আকাশ এসে একটা পানির বোতল দিলো
এই নাও এইখানে পানি খেয়ে নাও
রিয়া কি করবে ফিরিয়ে দিবে নাকি খাবে বুঝতে পারছে না এই দিকে তৃষ্ণা এই দিকে জাল ওই দিকে অনেক জেম
কিন্তু রিয়া বোতলটা নিল না সে বার বার বলছে লাগবে না লাগবে না পরে ওই বোতল টা সুমিকে দিয়ে আকাশ চলে গেলো
যে আকাশ চলে গেলো রিয়া সুমির হাত থেকে নিয়ে ডগ ডগ করে পানি খেতে লাগলো,তখন সুমি মিট মিট করে হাসতে লাগলো
রিয়া কিরে এমন করে হাসিস কেন
সুমি ,,না এমনি
রিয়া,,,উফফ জানিস অনেক তৃষ্ণা লাগছে তার মধ্যে আজকে জালমুড়ি গুলো অনেক জাল হল মামা মরিচ বেশি দিয়ে ফেলছে
এসব বলতে বলতে ঘন্টি দিয়ে দেয় ব্রেক টাইম শেষ
আবার ক্লাস শুরু,,মনোযোগ দিয়ে রিয়া সুমি শহ সবাই ক্লাস করলো
স্কুল ছুটি রিয়া বাড়ির দিকে রওনা দিলো
কয়টা ছেলে রিয়ার পিছু পিছু যেটা রিয়া খেয়াল করতে পারে নাই,,,,,,,,,,
চলবে-----------
মেয়েদের জীবনটা বড়ই কঠিন,
তারা অন্যের জন্য করতে করতে নিজের-
পুরো জীবন টাই অতিক্রম করে!
কিন্তু তাদের মন খারাপ গুলো কেউই দেখে না।
তারা মেনে নিতে নিতে আর
মানিয়ে চলতে চলতে জীবনের সমাপ্তি ঘটায়।
তবুও এই সমাজ দোষ না করেও দোষীর খাতাতে
মেয়েদের নাম লিখতেই ব্যস্ত।
নারী ১০ মাস ১০দিন পেটে ধরে সীমা’হীন কষ্ট সহ্য করে লালন পালন করে💔
আর বড় হয়ে সন্তা’ন,ফেসবুকে পোস্ট দেয়" নারী কিসে আটকায়!?"💔
তুমি চাইলেই আমার হতে পারতে,
ছোট্ট একটা জীবনে সমাজ কী বললো, বন্ধুসভা থেকে কতবার "না" আসলো,
তোমাকে কে কী বোঝালো,
এইসব ভুলভাল নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে হলেও তুমি আমার হতে পারতে।
সবকথা কী তোমাকে মুখফুটে বলা যায়?
যদি প্রতিটা জবাবের পিঠে প্রশ্নচিহ্ন জুড়ে না দিতে,
এতদিনে হয়তো তোমাকে জানানো হয়ে যেতো,
আমার ভেতরঘরে মথিত হওয়া সব বোবাগল্প ।
যদি পারতাম, না বোঝার ভান ধরে থাকতাম।
এভাবে অভিযোগ আবিষ্কার করছো দেখেও;
নতমুখে তোমার পরিপাটি কথার কাছে বারংবার আহত হতাম না!
এই যে বিষণ্নতা তোমাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে,
তুমি অন্ধকার স্পর্শ করে একা হয়ে যাও,
তোমার জন্য হলেও আমার ভীষণ ইচ্ছে হয়!
রাতের মতো নিস্তব্ধ থেকে যাবার ইচ্ছে!
ইচ্ছে
কিছু না বলা কথা
পর্ব:10
সেই খুশি রিয়াকে আকাশ দেখতে পাবে
রিয়া শহ সবাই মিলে ওখানে দুষ্টুমি করছে হঠাৎ কে যেনো এসে বলে নতুন ভাবির ভাই আসছে,রিয়া ভাবছিল হয়তো জাস্ট পিয়াস ভাইয়া আসছে,তাই সে এসে তার আপুকে বলে আপু পিয়াস ভাইয়া আসছে।
যাও দেখা করে আস জা,তখন আপু গেলো তাদের সাথে কথা বলতে, আর আমি বসে বসে সবার সাথে আড্ডা দিচ্ছি।
হঠাৎ আপু আমাকে অন্য এক আপুকে দিয়ে খবর পাঠালো আমি যেনো ড্রইং রুমে যাই,আমি গেলাম ওখানে গিয়ে দেখি সেখানে পিয়াস ভাইয়ার সাথে আকাশ ও আছে,
মনে মনে বললাম এই ছেলেটা এইখানেও আসছে আল্লাহ। যাই হোক গিয়ে বসলাম আপুর সাথে,তাদের নাস্তা দাওয়া হলো,সবাই নাস্তা করছে হঠাৎ কিন্ত আকাশ এর চোখ দুইটা শুধুই রিয়ার দিকে।একটি পর দেখে পিয়াস এর হাতে অনেক বড় একটা খাবারের প্যাকেট ওখানে আচার সিপস চকলেট আরো অনেক কিছু সাথে আইস্ক্রিম ও যেটা রিয়ার অনেক পছন্দের একটা খাবার, তাই রিয়া অনেক খুশি হয়ে আইস্ক্রিম গুলো বের করে সবাইকে দিতে লাগলো আর নিজে ও খাচ্ছে,রিয়াকে একদম ছোট বাচ্চাদের মত লাগছে আকাশ মিট মিট করে হাসছে রিয়াকে এমন বাচ্চাদের মত দেখতে লাগছে, ইস কত না ভালো হতো যদি সারাক্ষণ ওকে আমি এমন করে দেখতে পারতাম।
তারা প্রায় অনেক রাত পর্যন্ত ছিল ওখানে কারণ রাতের খাবার না খাইয়ে দুলাভাই যেতে দিবে না তাই ওদের খাওয়া দাওয়া করে যেতে বলছে,যদি ও পিয়াস তারা দিচ্ছে যাওয়ার জন্য কিন্ত আকাশের মধ্যে যাওয়ার কোনো ইচ্ছাই দেখছে না,তারা বসে বসে কথা বলছে হঠাৎ আপুর দেবর আসলো
আরে ভাইয়ারা কেমন আছেন, এইতো ভালো ভাই আপনার কি অবস্থা তারা অনেক্ষণ কথা বার্তা বললো
রিয়া বাইরে একটা চেয়ার নিয়ে বসে আছে,হঠাৎ আকাশ তার পিছন থেকে এসে বলে কি ভাবছো।
রিয়া,,, না কিছু না আপনি এইখানে কেনো আসলেন
আকাশ,,,,এমনি ভাল লাগছিল না তাই চলে আসলাম
আচ্ছা একটা কথা বলবে
রিয়া,,,, কি
আকাশ,,,ঐযে ওই ছেলেটা তোমাকে আর কিছু বলছে
রিয়া,,,,কোন ছেলে
আকাশ,,,,ঐযে পর্সা করে লম্বা ছেলেটা
রিয়া,,,আমি ঠিক বুঝতে পারছি না কে কোন ছেলে
আকাশ ,,,,,আরে তোমার আপুর দেবর মনে হচ্ছে সে
রিয়া,,,,,হি হি হি হুম চিনতে পারছি এখন কিন্ত কেনো উনি আমাকে কি বলবে।
আকাশ,,, না কিছু না
রিয়া,,,,অনেক রাত হয়েছে বাড়ি ফিরে যান,আপনি এই ভাবে আমার পিছু পিছু আসলে সবাই ভুল ভাববে
আকাশ,,,,ঠিক আছে,কিন্ত ওই ছেলের আসে পাশে অথবা কোনো ছেলের আগে পাশে তুমি যাবে না।
রিয়া,,,,শুনেন জীবন টা আমার আর আমাকে নিয়ে আপনাকে এত না ভাবলেই চলবে আমার ফ্যামিলি আছে আমাকে নিয়ে ভাবার জন্য।
এক গাদা কথা শুনিয়ে রিয়া চলে আসলো
আকাশ কিছুক্ষণ ওখানে দাঁড়িয়ে থেকে পড়ে সে ও আসলো
ওরা খাওয়া দাওয়া করে চলে আসলো পরের দিন বৌভাত
সব মেহমান আসবে আজকে ছেলেদের বাড়িতে
বিয়ে বাড়ি মানেই আনন্দ খাওয়া দাওয়া হৈই চৈই
সকাল বেলা রিয়া ঘুমাচ্ছে সকাল প্রায় 10 টা বাজে হঠাৎ আপুর ননদ আসছে ডাকতে,রিয়া উঠো নাস্তা করবে না নাস্তা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে,রিয়ার চোখে অনেক ঘুম ছিল
কিন্তু কি করার উঠতে তো হবেই
সে উঠে ওয়াসরুমে যাবে হঠাৎ ওই আপুর দেবর সামনে পড়লো রিয়ার চুলের গুলো এলোমেলো ঘুম ঘুম ভাব,আপুর দেবর এর সাথে ধাক্কা সে তো দেখে ফিদা
আরে বেয়ান, এখনও ঘুম চোখে কই জান পরে যাবেন তো
ওহ সরি সরি আমি দেখতে পাই নাই
না না কোনো সমস্যা না আপনি ব্যাথা পাইসেন।
না না আচ্ছা আপনার ঘুম আসলে ঘুমান পরে উঠে নাস্তা করেন
রিয়া বলে না সমস্যা নাই
রিয়া ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করলো কিছুক্ষণ পর মেহমান আসবে
বউকে সাজাতে হবে
বউকে সাজিয়ে রেডী করলো,তারপর রিয়া রেডী হলো, রিয়াকে যে ভাবে সাজায় সেই ভাবেই ভালো লাগে
রিয়া দেখতে অতটা সুন্দর না গায়ের রং অত ফর্সা ও না সেমলা গায়ের রং টানা টানা চোখ কালো গণ চুল যেনো এক অদ্ভুত মায়া মাখা চেহারা,,, যেই কারো মন কাড়ার মত সে মেয়েটি,,,সব মেহমান চলে আসলো সবাই রেস্ট নিচ্ছে পুরুষ দের খাওয়া দাওয়া চলছে,একটু পর মেয়েদের ডাকলো রিয়া বউ সহ সব মেহমান যাচ্ছে খাবার খেতে রিয়া টেবিলে বসলো হঠাৎ আকাশ রিয়ার সামনে
চলবে__________
"সঠিক মানুষ কখনো ই শরীরের প্রেমে পড়ে না! এরা মুগ্ধ হয় প্রেমিকার চুলে, গালের টোলে, চোখের কাজলে।"🖤🌸
কিছু না বলা কথা
পর্ব:9
রিয়া যখন পার্লার থেকে বের হচ্ছে আকাশ তখন কোথাও যেন চলে গেলো
রিয়া আকাশকে দেখলো না কিন্ত আকাশের নজর রিয়ার দিকে। চলে গেলো বউ সুমি রিয়া,কিছুক্ষনের মধ্যে বর যাত্রী চলে আসে, বরকে বরণ করতে রিয়া তার সাথে কয়েকটা মেয়ে চলে যায়।
জামাই দেখতে মাশাল্লাহ। ওখানে সব নিয়ম কানুন পালন করে জামাইকে বরণ করে নিয়ে আসে।
খাওয়া দাওয়ার পর্ব চলছে এখনো।কিন্ত রিয়াকে দেখতে আজ এত সুন্দর লাগছে শুধু আকাশ নয় বরের ভাইও রিয়াকে পছন্দ করে বসে আছে।
এখন বউ খাবে বউয়ের সাথে রিয়া ও খাবে তাই রিয়া বউয়ের পাশের চেয়ারে বসলো রিয়া বর বউ আরও অনেকেই ওই টেবিলে আছে। বরের বাই বন্ধ কাজিনরা মিলে সবাই এসে মজা করছে,আকাশ ধুর থেকে দেখছে রিয়া হাসছে।
আকাশ তো রাগে শেষ হয়ে যাচ্ছে,সবার খাওয়া দাওয়া শেষ।
হঠাৎ আকাশ এসে রিয়াকে প্রশ্ন করে ওখানে ওই ছেলে গুলো কি বলছে তোমাকে।
রিয়া কি বলবে আর আমাকে সবাই মজা করছে।
আর ওরা ওখানে জা খুশি বলুক আপনার তাতে কি।
আকাশ কি মানে রিয়া আমি তোমাকে ভালোবাসি,আমি চাইনা তুমি আমার সাথে ছাড়া অন্য কারো সাথে হাসো,হাসা তো ধুরে থাক কারো সাথে কথা ও না বলো।
রিয়া শুনুন এসব আমাকে বলে কোনো লাভ নাই,আপনি যা বলছেন সেসব কখনোই হবে না,আমি করবো না কিছু এখনও সময় আছে আমার এই বিষয়টা বাদ দিন নিজের কাজ নিজে করুন,
এই বলে রিয়া চলে যায়
আকাশ ওখানে বসে আছে হঠাৎ অন্য পাশে শুনতে পায় কে যেনো বলছে, এইখানে একটা মেয়ে ছিল অনেক সুন্দর সে মেয়েকে নাকি ওর অনেক ভালো লাগছে। ওদের মুখে মেয়েটার বর্ণনা শুনে তো মনে হচ্ছে ওরা রিয়ার কথা বলছে।
পিছনের দিকে তাকিয়ে দেখে ওখানে জামাইর বাই বন্ধু কাজিন সহ দাড়িয়ে আছে।
ওরা রিয়াকে নিয়ে কথা বলছে,আকাশ তো রাগে জর্জরিত হয়ে যাচ্ছে।
আকাশ রিয়াকে খুঁজছে,অবশেষে পেয়েছে,আকাশ সোজা রিয়ার কাছে চলে যায়।
রিয়া সুনো,রিয়া তো অবাক এত মানুষের সামনে ও আমাকে ডাকছে কেনো। তাই রিয়া সবার সামনে নরমাল হয়ে আকাশের দিকে এগিয়ে আসলো।
রিয়া কি হলো আপনাকে এত চিন্তিত লাগছে কেনো কি হইছে।
এইখানে এইভাবে এসে ডাকার মানে কি
চুপ করে আছেন কেনো কি হয়েছে বলুন
আকাশ তুমি তোমার বাড়িতে যাবে কখন
এমন কথা শুনে রিয়া অবাক
রিয়া মানে
আজ মাত্র বিয়ে হলো আপুকেও এখনও নাওয়া হয় নি শশুর বাড়িতে বৌভাত রয়েছে আরো কিছু নিয়ম কানুন আছে যেগুলো পালন করে আম্মু শহ যাবো আম্মু এইখানে থাকবে তাহলে আমাকে কি বাড়িতে একা একা থাকতে দিবে নাকি, আর আমি নিজেও আম্মুকে ছাড়া কখনও কোথাও থাকি নাই সো আম্মু যেদিন যাবে সেইদিন।
এমনি তেই আজ আপুর সাথে যেতে হবে তার শশুর বাড়িতে।
আকাশ অবাক হয়ে কিঃ
রিয়া হুম কেনো আপনি এত অবাক হচ্ছেন কেনো
আকাশ না তুমি যাবে না ওই বাড়িতে
রিয়া রেগে গিয়ে বলে আপনার সব জায়গায় এত পন্ডিতি করতে হবে কেনো হুম
আমি আপনার টাকার কেনা সন্ত্রাস নয় যে জা হুকুম করবেন সেটাই করব
আসছে হুদাই কেচাল করতে ধুর
এই বলে রিয়া চলে যায়
আকাশের তো চিন্তা বেড়ে গেলো রিয়া বৌভাত পর্যন্ত ওখানে থাকবে তাহলে ওই ছেলে গুলো রিয়াকে দেখবে কথা বলবে,উফফ না না এটা হতে পারে না রিয়াকে শুধু আমি ভালোবাসি, আর কেউ ওর দিকে তাকাতে পারবে না।
এসব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ আকাশের কানে আসলো কে যেনো বলে,রিয়া তাড়াতাড়ি আশো সবাই তোমার জন্য অপেক্ষা করছে।
আকাশ ছুটে গিয়ে দেখে রিয়া সত্যি সত্যি বউয়ের সাথে বর দের বাড়িতে যাচ্ছে।
আকাশ সামনের দিকে গেলো গিয়ে দেখে রিয়া আর সুমি কথা বলছে।
রিয়া সুমিকে ও যেত বললো কিন্ত সুমি যাবে না কারণ সুমির আম্মু বলছে বিয়ের দিন বিকালে যেনো চলে যায় উনি বাড়িতে একা একা তাই সুমি বাড়িতে চলে যাবে,তাই রিয়া ড্রাইবার মামাকে বললো সুমিকে যেনো বাসায় নামিয়ে দিয়ে আসে, তাই সুমি আর রিয়া এইখানে আলাদা হয়ে যাবে।তারা একজন একজনকে বিদায় দিচ্ছে,সুমি বললো রিয়া সব শেষ করে স্কুলে আসিস তাড়াতাড়ি তখন আমাদের আবার দেখা হবে কথা হবে,আমি মিস করবো তোকে অনেক,দুইজন এর মন খারাপ কিন্ত কি করবে যেতে তো হবে তাই সুমি চলে গেলো রিয়া ও চলে গেলো।
কিন্তু আকাশ কি করবে ভাবছে,
আকাশ যে ভাবেই হোক ঐ বাড়িতে যেতেই হবে।
এসব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ পিয়াস আসলো বউয়ের চাচাতো বাই, কিরে আকাশ কি ভাবছিস না কিছু না
পিয়াস হুম বল
আচ্ছা তুই যাবি না কোথায়
তোর আপুর শশুর বাড়িতে হুম যাবো তো কালকে
আকাশ কালকে
পিয়াস হুম কালকে কেনো কোনো সমস্যা না কিছু না
মেয়েদের বিয়ের দিন তো সন্ধার পর মেয়ের কাজিন বা ফ্রেন্ডরা যায় গিয়ে দেখে আসে তাই বললাম
চল আমরা গিয়ে দেখেই চলে আসবো
পিয়াস আসলেই তো ভালো কথা মনে করলি আমাকে চাচী ও বলছে অবশ্য আম্মু ও বলছে কিন্ত আমার সাথে কেউ নাই বলে আমি যেতে চাই নাই
এখন তুই গেলে আমি ও যাবো জাবি চল তাহলে
আকাশ তো সেই খুশি
যাবো মানে আলবাত যাবো
পিয়াস অকে তুই দারা আমি রেডি হয়ে আসছি
পিয়াস রেডী হয়ে আসছে
আকাশে বাইক নিয়ে অপেক্ষা করছে,দুইজন রওনা দিলো
আকাশ তো সেই খুশি রিয়াকে দেখতে পাবে_______
চলবে________
কিছু না বলা কথা
পর্ব 8
রিয়া দাতে দাঁত চেপে বললো তোকে আমি দেখে নিব
আকাশ বলে যাই করো আমি তোমার পিছু ছাড়বো না
রিয়া:আপনি পিয়াস্এর কাছে কেনো এসব চিরকুট দিয়েছেন হুম সে যদি আমার ফুফু বা ফুফা কে বলে দেয় আপনি বুঝতে পারছেন কি হবে আমার।
কি আর হবে বললে বলবে হুম তুমি ও আমাকে ভালোবাসো
আমাকে বললে তো আমি বলে দিবো আমার কোনো বয় নাই
রিয়া:হুম বয় থাকবে কেনো সন্থাস মানস্থান দের কি বয় থাকে নাকি এরা তো মানুষদের খুন করতে করতে বয় ডর উঠেই যায়,
এই বলে রিয়া রাগ করে চলে যায়
আকাশ ওখানে দাড়িয়ে থাকে মন খারাপ করে।
রিয়ার এই কথা গুলো আকাশ অনেক কষ্ট পেয়েছে
সে ভাবছে রিয়া ওকে ভুল বুঝছে
রিয়া আজ যেভাবে আমাকে দোষী বানাচ্ছে আমি তো এমন কোনো দোষ করছি না।হুম একটা সময় আমি রাজনীতি করেছি আমি তো বললাম আমি ওটা ছেড়ে দিবো একটু সময় দাও,আমি ভালো হয়ে যাবো,এত বার করে বললাম আর রিয়া সেই ব্লেমই দিলো।
এই বলে আকাশ ভাবছে
ভাবতে ভাবতে সকাল হয়ে গেলো
আজ বিয়ে
আস্তে আস্তে মেহমান আশা শুরু করছে
বউকে গোসল করাবে রিয়া এখনও ঘুমাচ্ছে আকাশ সে সকাল থেকে রিয়াকে খুঁজছে কোথাও দেখতে পাচ্ছে না
কাউকে জিজ্ঞেস ও করতে পারছি না যদি কিছু মনে করে
এই ভেবে ভেবে কাউকে জিজ্ঞেস করছি ও না এসব ভাবতে ভাবতে হঠাৎ রিয়া সামনে চলে আসছে এসে দেখছে আকাশ বসে কার সাথে যেনো ফোনে কথা বলছে
রিয়া আকাশকে দেখে অন্য রুমে চলে যায় বউকে সবাই গোসল করাচ্ছে সবাই রিয়াকে ভিজানোর চেষ্টা করছে রিয়া পালানোর চেষ্টা করছে সবাই ওকে তাড়া করছে,সেও ছুটতে লাগলো হঠাৎ রিয়া আকাশের সাথে ধাক্কা খেয়ে দুইজনই পরে যায় ফ্লোরে কিন্ত আকাশ এমন ভাবে পড়ছে যেনো রিয়া বেথা না পায় তাই সব বেথা যেনো নিজে পায় তাই সে রিয়াকে সুন্দর আর শক্ত করে ধরে রাখলো আকাশ নিজে রিয়া আকাশের উপর চোখ দুইটা বন্ধ হয়ে আছে চুল গুলো কোপালে চলে আসছে আকাশ উপলক দৃষ্টিতে থাকিয়ে আছে রিয়ার দিকে ইস চোখ দুইটা বন্ধ আকাশ কপালের চুল গুলো ফু দিয়ে সরাচ্ছে তারপর রিয়া চোখ খুলে দেখে রিয়া আকাশের গায়ের উপর রিয়া উটতে ছাইলো কিন্ত আকাশ তাকে ধরে রাখলো রিয়া রেগে গিয়ে ছাড়ুন আমাকে
ছাড়ুন।
আরে নিজেইতো এসে পড়লে আমি তো জাস্ট তোমাকে বাচালাম আমি না থাকলে এতক্ষণে হাড্ডি গুড্ডি সব ভাঙতো যে ভাবে এসে পড়ছো,
হইছে হইছে ছাড়ুন ছাড়ুন কোথাও পড়ি না খালি আপনার সামনে এসেই পড়ি আপনি আমাকে বুঝাবেন আর আমি ও বুজবো তাই না।আপনি ইচ্ছা করেই ফেলে দিছেন আমাকে
এই বলতে বলতে রিয়া উটল
সুমি মিটি মিটি হাসছে
রিয়া কিরে তুই এমন হাসছিস কেনো
সুমি না এমনি বুজি না তুই ভাইয়াকে সহ্যই করতে পারিস না কিন্ত তার সামনেই সব হয়ে যায়
মানে আমি কি ইচ্ছা করে করি নাকি তুই বল
সুমি না আমি তো তা বলি নাই এটা হয়তো আল্লাহ চায় আর তাই এমন হচ্ছে
এখন সবাই রেডী হবে বউ শহ রিয়া সুমি ওরা সাজতে যাবে পার্লারে
বউ লেহেঙ্গা পড়বে রিয়া ও লেহেঙ্গা পড়বে
রিয়া একটা লেমন কালারের লেহেঙ্গা পড়েছে সাথে সিম্পল গয়না হালকা পিংক কালারের লিফস্টিক
অন্যরকম লাগছে আজকে রিয়াকে
আকাশ পার্লারের সামনে দাড়িয়ে আছে কখন রিয়া বের হবে,
চলবে🖊️🖊️🖊️🖊️🖊️🖊️
কিছু না বলা কথা
পর্ব:7
এখন গেম খেলতে সবাই রেডী,প্রথমে ছেলেদের পক্ষ থেকে আসিফকে ডাকা হয়েছে, তো সেখান থেকে ওকে সব গুলো কার্ড দাওয়া হয়েছে সে যে কোনো একটা সিলেক্ট করতে হবে আর সেখানে জা লিখা থাকবে তাকে সেটাই করতে হবে
তো সে একটা সিলেক্ট করলো সেখানে লিখা ছিলো বিরহের গান গাইতে হবে, তো সে শিল্পী আসিফ এর ,,,,, ও প্রিয়া ও প্রিয়া তুমি কোথায় বুকের জমানো ব্যাথা কান্নায় লোনা জলে ডেউ ভাঙ্গে চোখের নীদিতে অন্যের হাত ধরে চলে গেছো দূরে পারিনা তোমায় ভুলে যেতে ও প্রিয়া ও প্রিয়া তুমি কোথায়,,,,,,, এই গানটা সে গেলো অনেক সুন্দর হয়েছে সবাই হাতে তালি দাওয়া শুরু করছে
যাই হোক এইবার মেয়েদের থেকে,সুমিকে ডাকলো সুমির ভাগ্যে ছিল ফ্যাশন রেমসহ,সুমিকে ও ওই অভিনয় ভালো মানিয়েছে অনেক সুন্দর হয়েছে ভাবে এক এক করে সবাই অভিনয় করলো সব শেষে এখন আকাশকে ডাক দিল
কিন্তু রিয়া সবার সাথে যে ভাবে কথা বললো আকাশের সাথে তার উল্টোটা সে ঠিক ভাবে কথাই বলতে পারছে না জাস্ট কার্ডের বক্সটা আকাশের দিকে বাড়িয়ে দিলো আকাশ রিয়ার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলো,রিয়া অন্য দিকে তাকিয়ে বলে এইখান থেকে একটা সিলেক্ট করুন সে রিয়ার দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে একটা কার্ড নিলো আর সেখানে জা ছিলো তার জন্য আকাশ প্রস্তুত ছিলো না কিন্তু কি করার অভিনয় করতেই হবে এটা সবার ক্ষেত্রেই
ওর ভাগ্যে ছিল হাসবেন্ড ওয়াইফএর সংসারে ঝগড়া
এখন কি করবে একটা মেয়েতো লাগবে কিন্তু আকাশ কাকে নিবে তার জন্যে হঠাৎ বলে রিয়া আপনি আসুন সবার সামনে বলে দিলো যে সবাই রিয়া মেমকে বলুন আমার সাথে এই অভিনয়টা করতে সবাই ও তাই চায় বলে জানালেন।কিন্ত রিয়া কি করবে এইবার রিয়া নিরুপায় হয়ে রাজি হলো কারণ এটা নিয়ম সবার জন্যই
কিন্তু কি ভাবে রিয়া কি করবে তাই ভাবছে
হঠাৎ আকাশ রিয়াকে বললো রিয়া তুমি কি রেডী
রিয়া বলে হুম রেডী
আকাশ ok
আকাশ: অফিস থেকে আসলো কলিং বেল চাপলো দরজায় জোরে জোরে থাপ্পড় দিয়ে রিয়াকে ডাকতে লাগলো
রিয়া রিয়া দরজা খোলো, আবার ও কলিং বেল চাপলাম,কখনো কলিং বেল কখনো জোরে জোরে ডাকছি কি ব্যাপারটা কি কি করছে ভিতরে আমি আরো জোড়ে ডাকছি আরে ওই রিয়া তুমি কি শুনতে পাও না নাকি আর কতক্ষণ দাড়িয়ে থাকবো,ধুর কি করছে আল্লাহ জানে,এসব বলতে বলতে রিয়া এসে দরজা খুললো,কি হলোটা কি এত বার করে ডাকছি তুমি কি শুনতে পাও নি সারাক্ষণ বাসায় করো টা কি একটা কাজ ও আজ অব্দি ঠিক ভাবে করতে পারো নি, মানে বাসার কাজ যদি আমি না করি তাহলে তোর আর তোর বাচ্চাদের কে সামলায় তোদের সবার কাজ কে করে হুম বাসায় কি কাজের বেডি রাখছিস নাকি, সব তো আমাকেই করতে হয়,
আকাশ কি করো তুমি হুম খালি তো কয়টা ভাত রান্না কর আর সারাদিন কি কাজ করো,
রিয়া কি আমি খালি ভাত রান্না করি আর কিছু করি না হুম ঠিক আছে আমি যখন কোনো কাজ ই করি না তো থাক তুই তোর বাসায় আমি বাপের বাড়ি গেলাম, তুই তোর বাচ্চাদের নিয়ে থাক, আমি চললাম
এই বলে ওদের অভিনয় শেষ হলো ওখানে
সবাই কড়া তালি দাওয়া শুরু করলো
এত এত সুন্দর অভিনয় সবাই মুগ্ধ হয়ে গেছে।
অনুষ্ঠান ও শেষ প্রায় অনেক রাত হয়ে গেছে
সবাই একটু ঘুমাবে এখন
হঠাৎ আকাশ এসে রিয়ার কানে কানে ফিস ফিস করে বলে
ঝগড়া তো ভালোই করতে পারো কিন্তু অভিনয়ে তো বাপের বাড়িতে চলে গেলে বাস্তবে কখনোই যেতে দিতাম না আর গেলেও সাথে আমি ও চলে যাবো।
ওহ আরো একটা কথা তুমি যখন ঝগড়া করলে তখন তোমার গাল নাক লাল হয়ে গেছে অনেক মায়াবী লাগছিল তখন তোমাকে অনেক সুন্দর,আমার দেখে সব চেয়ে সুন্দর মেয়ে তুমি,
রিয়া দাতে দাত চেপে বলে তোকে আমি দেখে নিব এখনও সময় আছে আমার পিছু ছেড়ে দে
চলবে🖊️🖊️🖊️🖊️🖊️
Click here to claim your Sponsored Listing.
