Doctor's Untold Story
should know doctor's story to onther population
30/03/2024
আমার জাতি হিসেবে কোথায় নেমেছি??
যখন কোনো মন্ত্রোনালয়ে শোনা যেতো দুর্নীতি হচ্ছে, তখন আমারা ভাবতাম, এ এমন কি টুকটাক দুর্নীতি হতেই পারে( যেমন রুপপুরের বালিশ কান্ডের কথা আমরা ভুলিনি)।
যখন নির্মান শিল্পে দুর্নীতি হচ্ছে আমরা চুপ,( আমরা রানা প্লাজার কথা ভুলিনি)
যখন কাস্টমসের দুর্নীতিতে দেশের কোটি কোটি টাকা লাপাত্তা, আমরা চুপ।
যখন সরকারি আমলা/রাজনীতিবিদ / কর্মকর্তারা বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার পাচার করছে, বেগম পাড়ায় বাড়ি বানাচ্ছে আমরা চুপ।
যখন কিছু মুনাফা খোর ব্যাবসায়ী খাদ্য -পন্যে ফরমালিন থেকে শুরু করে কার্বাইড পর্যন্ত দিচ্ছে আমরা চুপ।
এখন এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে এমন কোনো খাবার খুজে পাওয়া যাবে না, যেটাতে food adulteration করা হচ্ছে না,তবুও আমরা চুপ।
শেষমেশ ঔষধে!!!!!!!!!
যেটা একজন মানুষকে critical সময়ে দেওয়া হয়।যেটার উপর তার মৃত্যু নির্ভর করতেছে(যদিও হায়াতের মালিক মহান আল্লাহ)।
আমরা কি জাতি হিসেবে আরো নিচে নামতে পারবো নাকি এটাই শেষ ?? এটা আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন।
Abdullah Khan
26/03/2024
মাছ ধরতে গিয়ে পায়ুপথ দিয়ে পেটে ২৫ ইঞ্চি কুঁচিয়া মাছ প্রবেশ ও অস্ত্রোপাচারে জ্যান্ত মাছ উদ্ধার !
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ (সিওমেক) হাসাপাতালে অস্ত্রোপচার করে মানুষের পেট থেকে আস্ত মাছ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার রাতে সিওমেকের সার্জারি ইউনিট-২ প্রধান অধ্যাপক ডা. কাজী জানে আলমের নেতৃত্বে অস্ত্রোপচার করে ওই রোগীর পেট থেকে মাছটি বের করা হয়।
অস্ত্রোপচারে অংশগ্রহণ করেন সার্জারি ইউনিট-২ এর সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. রাশেদুল ইসলাম ও ডা. তৌফিক আজিজ শাকুর।
২৪ মার্চ ওই রোগী হাসপাতালে এসেছিলো । লোকটি মাছ ধরতে পানিতে নামলে তার পায়ুপথ দিয়ে জ্যান্ত একটি কুঁচিয়া মাছ ঢুকে যায়। রোগীর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিওমেক হাসপাতালে রাত সাড়ে দশটার দিকে অস্ত্রোপচার করা হয়, অস্ত্রোপচার চলে রাত সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত। পরে ২৫ ইঞ্চির কুঁচিয়া মাছটি পেট থেকে বের করা হয়।
25/03/2024
25/03/2024
এনেস্থেশিয়া জনিত কারণে রোগী মারা যায়, ডাক্তার ও বেকুব হয়ে যায় ক্যামনে হলো, সারাজীবন যা শিখলাম ভুল শিখলাম নাকি?
ঘটনা অন্য খানে, “ভেজাল ঔষধ”
কাল এক রোগীর লোক বলতেছে স্যার হ্যালোথেন দিয়েন না, নকল নাকি সব॥
বললাম আল্লাহ বাচাইছে আমরা নিউরো এ্যানেস্থেশিয়াতে হ্যালোথেন এর বিকল্প Isoflurane ইউজ করি॥ রোগীর লোক আশান্বিত হলো।
গত কয়েকদিন ধরে রোগী মারা যাবার ঘটনা ঘটছিলো,তার পিছনে অসাধু ওষুধ ব্যবসায়ীদের প্রতাপটা বেশি।মাত্র একটা ঘটনা সামনে
আসলোঃ এদের কি করা উচিত???
-ডা.মো:ইসমে আজম জিকো স্যার
24/03/2024
ওয়ার্ডে রোগী নিয়ে দৌড়াদৌড়ি।এক রোগীকে ICU পাঠিয়ে ডক্টরস রুমে এসে বসলাম।
এর মধ্যেই এক রোগীর বাবা এসে হন্তদন্ত করে ডক্টরস রুমে ঢুকলেন।
রোগীর বয়েস ১৩ বছর৷ আজকে রোগ নির্নয়ের জন্য কিডনী বায়োপসি করা হয়েছে৷ এখন বায়োপসি'র পর প্রসাব আটকে গেছে পিচ্চির৷
হঠাৎ করে প্রসাব আটকে যাওয়ার কষ্ট পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো ২-৩ টা কষ্টের মধ্যে একটা৷
আমার স্যার বলতেন, এটা এমন কষ্ট এসময় তুমি যদি তাকে বলো তার সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ তোমাকে দিয়ে দিতে হবে, এর বিনিময়ে তুমি তার কষ্ট দূর করবে, রোগী তা ই করতে চাইবে৷
ওয়ার্ডে গেলাম রোগীর অবস্থা দেখতে৷ রোগীর অস্বস্তি এক পর্যায়ের আছে। কিন্তু ক্যাথেটার টিউব তার প্রসাবের রাস্তায় দেয়া হবে শুনে ভয়ে তার অবস্থা আরো ভয়াবহ হলো৷ পুরো ওয়ার্ডের সব রোগীর লোকেরা বিশাল আগ্রহ সহকারে জড়ো হয়েছে রোগীর বেডের পাশে৷ এই পিচ্চি রোগীর প্রাইভেসী মেইনটেইন করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে আমার জন্যে।এলাকায় মুসলমানী হলে যেমন পাড়া-প্রতিবেশী দেখতে আসে কিছুটা সেই রকম ভাইব নিয়ে আসছে ওয়ার্ডের ভেতরে৷
আবার আমার পিচ্চি রোগীর কঠিন আপত্তি ক্যাথেটার করানোতে৷
গ্লাভস টা মাত্র পরা হলো৷ ক্যাথেটারে হাত দিতেই রোগী চিতকার করে বলে উঠলো, "আমার প্রসাব হয়ে গেছে। আমার প্রসাব হয়ে গেছে! "
আমি তো ভাবলাম ভয়ে রোগী মিথ্যা কথা বলছে কি না! পরে দেখা গেলো আসলেই রোগীর প্রসাব হয়ে গেছে। ওয়ার্ডে হাসির রোল পড়ে গেলো!
ফিসফাস চলতে লাগলো, ডাক্তারের ভয়ে রোগী প্রসাব করে দিছে।
আমার নিজের উপরই নিজের আফসোস হতে লাগলো! এমন খোমা আল্লাহ দিছেন আলহামদুলিল্লাহ, রোগী ভয়েই হিসু করে দেয়! যত্তসব! 😅
ডা. মো: জিহাদ লস্কর
পৃথিবী তো দুরের কথা, মায়ের পেটেও বাচ্চাগুলো নিরাপদ না,ঐ হায়নাদের থাবা থেকে।
24/03/2024
ক্ষতস্থানে ব্লেড /ছুরি দিয়ে কাটবেন না।
23/03/2024
We will Never forget .. 💔
We will NEVER stop sharing
ᖴᖇᗴᗴ ᑭᗩᒪᗴSTIᑎᗴ !!🇵🇸
Mum is that person - মেয়েটা একটু আরাম করুক এই চিন্তা করে বিছানায় শুধু খাবার না, খাওয়ার পর হাত ধোয়ার পানিটাও আগায় দেয়।
ট্রাস্ট মি, আপনি কত কষ্ট করে আসছেন, কত কষ্টে ছিলেন এটা দুনিয়ার আর কোনো মানুষই care করে না। প্রেসারে কিংবা কষ্টে মরে গেলেও নিজের খাবারটা নিজেরেই তৈরি করে খেতে হবে কিংবা নিজের সমস্ত প্রয়োজনে নিজেরই ব্যাবস্থা করতে হবে।
কেউ যদি ভালোবাসা থেকে করেও কোনো না কোনো সময়ে ঠিকই বিরক্তি দেখাবে। The only person - যে এই করার মাঝেই নিজের সমস্ত প্রশান্তি খুঁজে নিতে পারে - that only person is 'ma'. Nobody else, just nobody.
আর দুনিয়ার সবচেয়ে বড় আয়রনিও বোধয় এটা যে - আমরা যেমন খুশি তেমন ব্যবহারটাও ওই মায়ের সাথেই করি। যে মানুষটা দুনিয়ার সবার সামনে নিজেকে খুব আর্টিকুলেট অ্যান্ড ডিসেন্ট ওয়ে তে প্রেজেন্ট করে সেও বোধয় কোনো না কোনো সময় ঠিকই মায়ের সাথে জোরে কথা বলে বসে।
আচ্ছা, যত বিরক্ত কিংবা প্রেসারেই থাকি না কেন - অন্য কারো সাথে তো ঠিকই খুব মেইনটেইন করি। কিন্তু ব্রেইনের কোনো এক জায়গায় বোধয় গাঁথা আছে, মায়ের সাথে করা যায়, তাই না?
লেখা:আয়েশা সিদ্দিকা
গতকালকে ইমার্জেন্সিতে নারায়ণা হাসপাতালের ডাক্তার দেবী শেঠির একটা প্রেসক্রিপশন পেলাম।
প্রেসক্রিপশন পড়ার শুরুতেই রোগী বলা শুরু করলো "বাংলাদেশের ডাক্তার বলছিলো হার্টে অনেক সমস্যা কিন্তু ইন্ডিয়ার ডাক্তার বললো " কোনো সমস্যা নাই,ঔষধ খান ঠিক হয়ে যাবে"
পুরোটা প্রেসক্রিপশন দেখার পর রোগীকে জিজ্ঞেস করলাম "তারপর,,কোনো সমস্যা না থাকলে এই গরিবের দরবারে শ্বাসকষ্ট নিয়ে কেনো আসলেন?"🫣🤐
বাংলাদেশের ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ও দেখলাম।
উভয় প্রেসক্রিপশনে জ্বলজ্বল করছে
ফ্রুসেমাইড,স্পাইরোনো ল্যাকটোন,ট্রিমিটাজিন,ইকোস্প্রিন,ক্লোপিড,রেমিপ্রিল,রসুভাস্ট্যাটিন ইত্যাদি।
একটা ক্রনিক হার্ট ফেইলোরের রোগীকে যার ইজেকশন ফ্রাকশন ২৫-৩০/%(নারায়ণা হাসপাতালের ইকো রিপোর্ট অনুযায়ী), আপনার কোনো সমস্যা নেই বলতে পারাটা একধরনের আর্ট নাকি প্রতারণা 🤔🤔🤔
(উল্লেখ্য যে: রোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, ডা. দেবী শেঠির নামে করা এই প্রেসক্রিপশন মূলত তার সহকারীর, দেবী শেঠি নিজে এই রোগী দেখেন নি)
সবক্ষেত্রে না হলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু মানুষের একটি নির্দিষ্ট দেশের চিকিৎসা ব্যবস্হার প্রতি আস্হা দেখে লালসালু-র সেই বিখ্যাত লাইনটির কথা মনে পড়ে
" বিশ্বাসের পাথরে যেনো খোদাই সে চোখ"
© সৌরভ
07/09/2023
মাঝেমধ্যে মনে হয়...
স্কিন স্পেশালিষ্ট হওয়াই ভাল ছিল।
কোন ঝামেলা নেই। ইমার্জেন্সি নেই।
নেই কোন হৈ চৈ। খুব বেশি পরীক্ষা নিরীক্ষা নেই। কমিশনের অপবাদ নেই।
রোগী আসবে, দেখব...
দেখেই রোগ নির্ণয় করব।
এরপর ঔষধ দিব, কেউ ভাল হবে.. কেউ হবেনা। কেউবা সাময়িক ভাল হবে, আবার ফিরে আসবে। বারবার ফিরে আসবে।
এই বারবার ফিরে আসা রোগীর সংখ্যা স্কিনে অনেক বেশি।
যদিও এই স্কিন আর সেই স্কিন নাই। এখন অনেক শাখা প্রশাখা। অনেক চিকিৎসা পদ্ধতি। অনেক বেশি সুস্থতা।
অধ্যাপক রাশেদ স্যারের শ্বশুর মশাইয়ের কথা মনে পড়ছে।
'বাবা তোমাকে তো যৌতুক দিতে পারলাম না। পাচটা রোগী দিয়ে গেলাম'।
এর অর্থ এই পাচটা রোগী দিয়েই এক জীবন পার করা যাবে। কারণ ওরা বারবার ফিরে আসবে।
চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞরা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে আছেন...গোপন সমস্যার ঔষধ দিলেন..রোগী খেলো..একদিন দুদিন...ম্যালাদিন...
কাজ হলো না।
এখন কি করবেন?
হাসপাতাল ভাংচুর করবেন?..ডাক্তারকে মারবেন?...সাংবাদিক সম্মেলন করবেন?
বলবেন, ভুয়া ডাক্তার...কি ঔষধ দিয়েছে, কাজ তো হচ্ছেনা?
এটা সম্ভব না..মান সম্মানের ব্যাপার। গোপন কথা মানুষ জেনে যাবে।
ফলে রোগীকে সয়ে যেতে হবে...সয়ে যায়ও।
আবারও গোপনে গিয়ে বলবে...
স্যার, ঔষধ তো খাচ্ছি! কাজ হচ্ছেনা...এখন কি করব?
স্কিন স্পেশালিষ্ট!
আহা কি শান্তি! এই জনমে পাওয়া হল না এই শান্তি!
মাঝেমধ্যে ভাবি সাইকিয়াট্রিস্ট হলেই ভাল ছিল। মানুষজন মনের রোগ নিয়ে আসবে। কেউ সুস্থ হবে...কেউ হবেনা।
সুস্থ না হলে চিল্লাচিল্লি করবেনা। ভাংচুর করবেনা।
এমনকি জটিলতা হলেও চুপচাপ চেপে যাবে। কাজ না হলে তো আর চিল্লায়া বলা যাবেনা, কি ঔষধ দিয়েছেন, আমার পাগলামি তো ভাল হচ্ছেনা।
এসব নিয়ে কি আর চিল্লানো যায়...মানুষ যে পাগল বলবে!
তাই চুপচাপ চেপে যাওয়া ভাল!
সাইকিয়াট্রিস্ট! আহা মনের সার্জন!
আফসোস!
হলাম দেহের সার্জন....ভাসকুলার সার্জন!
সার্জনতো...
ভয় লাগে..আতংকে থাকি।
সবাইকে কি আর সুস্থ করা যায়..সবাইকে কি আর খুশী করা যায়?
অপারেশনে ব্যর্থতা থাকে...সফলতা থাকে...জটিলতা থাকে...থাকে মৃত্যুর হাতছানি!
আমি এবং আমরা সবাই সফলতার পুজারী। সবাই আমরা সফলতা চাই। ব্যর্থতা মানতে রাজী নই।
সমস্যাটা এখানেই। একজন চিকিৎসক কখনোই শতভাগ সফল হন না। প্রত্যেক সুস্থ রোগীর কাছে তার চিকিৎসক একজন হিরো।
আমরা হিরো হই। প্রতিদিন। প্রতিমাস। বছরের পর বছর!
জিরো হই...কদাচিৎ...কালেভদ্রে।
বাজারে ছড়ানো গল্পগুলো...বেশির ভাগ এই কালেভদ্রটা নিয়েই পড়ে থাকে।
সর্বদা তাই এক প্রার্থনাতেই ডুবে থাকি।
আমাকে দিয়ে কারো উপকার না হোক। অপকার যেন না হয়।
©️
24/08/2023
এভাবে তাকিয়ে থাকলে হবে?? react দেও
Click here to claim your Sponsored Listing.
