SSC And HSC
পরিশ্রম করো, ইনশাআল্লাহ সফলতা আসবেই।।
#কনফিউজিং_প্রশ্ন
[{(রাজধানী হিসেবে ঢাকা)}]
ঢাকা মোট কতবার বাংলার রাজধানী হয়?
উত্তরঃ [{ চার বার (1610,1660,1905,1947)}]
(যদি প্রশ্ন করা হয়)
ঢাকা মোট কতবার রাজধানী হয়?
তাহলে উত্তরঃ হবে পাঁচ বার ৷ (1610,1660,1905,1947,1971)
#আবার_যদি_প্রশ্ন_করা_হয়
ঢাকা মোট কতবার বাংলাদেশের রাজধানী হয়?
তখন উত্তরঃ একবার (1971) ৷
#মনে_রাখার_উপায়
১) বাংলার রাজধানী ৪বার
২) রাজধানী ৫বার ( এটা খালি রাজধানীর কথা বলা হইছে)
৩)বাংলাদেশের রাজধানী ১ বার
রাজধানী ঢাকার ইতিহাস
১। প্রতিষ্ঠা- ১৭৭২ সালে ।
২। নামকরণ- ঢাকেশ্বরী দূর্গ থেকে । ৩। জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ- সুবেদার ইসলাম খাঁ ।
৪। Dacca থেকে Dhaka হয়- ১৯৮২ সালে ।
৫। রাজধানী হয়- ৪ বার ।
৬। ১ম রাজধানী স্থাপক- সুবেদার ইসলাম খাঁ ।
৭। ঢাকা গেট- মীর জুমলা ।
৮। ছোট কাটরা- শায়েস্তা খাঁ ।
৯। বড় কাটরা- শাহ সুজা ।
১০। লালবাগ দূর্গের পূর্ব নাম- আওরঙ্গবাদ দূর্গ ।
১১। লালবাগ দূর্গে সিপাহী বিদ্রোহ হয়- ১৮৫৭সালে।
১২। হোসেনী দালান নির্মান করেন- মীর মুরাদ ।
১৩। তারা মসজিদ- শায়েস্তা খাঁ ।
১৪। ঢাকা কলেজ- ১৮৪১ সালে ।
১৫। ঢাকা ক্লাব- ১৮৫১সালে ।
১৬। কার্জন হল- ১৯০৫ সালে ।
১৭। গভর্ণর হাউসকে বঙ্গভবন করা হয়- ১৯৭২ সালে ।
১৮। অপরনাম- মসজিদের, রিক্সার শহর ।
১৯। পৃথিবীর ১১তম মেগাসিটি ঢাকা শহর ।
২০। পৃথিবীর ৯ম বৃহত্তম শহর ।
২১। ঢাকা পৌরসভা- ১৮৬৪ সালে ।
২২। ঢাকা পৌরসভা কর্পোরেশন- ১৯৭৮ সালে ।
২৩। ঢাকা সিটি কর্পোরেশন- ১৯৮৯ সালে ।
২৪। প্রথম নির্বাচিত মেয়র- মোঃ হানিফ (১৯৯৪সাল) ।
২৫। ঢাকাই মসলিন গ্রন্থটির রচয়িতা- ডঃ আব্দুল করিম।
1. প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যে সৃষ্ট প্রথম চরিত্র কোনটি?
উঃ নিরঞ্জন (শূন্য পূরণ)।
2. প্রশ্ন: অমল চরিত্রের স্রষ্টা নাট্যকার কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (ডাকঘর)।
3. প্রশ্ন: ঠকচাচা নামক চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ প্যারীচাঁদ মিত্র (আলালের ঘরের দুলাল)।
4. প্রশ্ন: রোহিনী চরিত্রটি কোন উপন্যাসের?
উঃ কৃষ্ণকান্তের উইল।
5. প্রশ্ন: চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্য ধারার চরিত্র?
উঃ মনসামঙ্গল।
6. প্রশ্ন: রাজলক্ষ্মী চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (শ্রীকান্ত)।
7. প্রশ্ন: অমিত ও লাবন্য চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শেষের কবিতা)।
8. প্রশ্ন: ললিতা চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (গোরা)।
9. প্রশ্ন: ললিতা ও শেখর চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পরিনীতা)।
10. প্রশ্ন: রতন ও দাদাবাবু চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (পোষ্ট মাস্টার)।
11. প্রশ্ন: হেমাঙ্গিনী ও কাদম্বিনী চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (মেজদিদি)।
12. প্রশ্ন: কুবের চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় (পদ্মানদীর মাঝি)।
13. প্রশ্ন: মহিম, সুরেশ ও অচলা চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (গৃহদাহ)।
14. প্রশ্ন: দীপাঙ্কর (দীপু), সতী, লক্ষ্মী চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ বিমল মিত্র (কড়ি দিয়ে কিনলাম)।
15. প্রশ্ন: দীপাবলী চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ সমরেশ মজুমদার (দীপাবলী)।
16. প্রশ্ন: রমা ও রমেশ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (পল্লী সমাজ)।
17. প্রশ্ন: ষোড়শী ও নির্মল চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (দেনা-পাওনা)।
18. প্রশ্ন: সতীশ ও সাবেত্রী চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (চরিত্রহীন)।
19. প্রশ্ন: নবকুমার কপালকুন্ডলা চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (কপালকু-লা)।
20. প্রশ্ন: নবীন মাধব চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ দীনবন্ধু মিত্র (নীল দর্পণ)।
21. প্রশ্ন: ঘটিরাম ডেপুটি ও নিমচাঁদ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ দীনবন্ধু মিত্র (সধবার একাদশী)।
22. প্রশ্ন: নন্দলাল চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ অমৃতলাল বসু (বিবাহ-বিভ্রাট)।
23. প্রশ্ন: দেবযানী চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ অমৃতলাল বসু (বিদায়-অভিশাপ)।
24. প্রশ্ন: নন্দিনী চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (রক্তকরবী)।
25. প্রশ্ন: রাইচরণ চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন)।
26. প্রশ্ন: মৃন্ময়ী ও অপূর্ব চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (সমাপ্তি)।
27. প্রশ্ন: সুরবালা চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (একরাত্রী)।
28. প্রশ্ন: দুখিরাম ও চন্দরা চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (শাস্তি)।
29. প্রশ্ন: পার্বতী ও চন্দ্রমূখী চরিত্রের স্রষ্টা কে?
উঃ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (দেবদাস)।
বাংলা ২য় পত্র
বাংলা কথোপকথণে বহুল প্রচলিত ৭৫ টি প্রাচীন প্রবাদ ও প্রবচন (অর্থসহ)……
1) বিড়ালের ভাগ্য শিকা ছেঁড়া- ভাগ্যক্রমে প্রত্যাশিত সুযোগ লাভ।
2) বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধা- আসল ঝুঁকি নেওয়া।
3) বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রোঁ- বৃদ্ধ বয়সে শিশু বা যুবকের মতো আচরণ করা।
4) বুকে ঢেঁকির পাড় পড়া- তীব্র আতঙ্কে প্রবল বেগে হ্রদপিন্ডের স্পন্দন হওয়া।
5) বুক দশ হাত হওয়া- আনন্দিত হওয়া বা অহঙ্কৃত হওয়া।
6) বুকে পিঠ করে মানুষ করা- অত্যন্ত আদর যত্ন করে পালন করা।
7) বুকে বসে দাড়ি উপড়ানো- আশ্রয়দাতা বা প্রতিপালকের অনিষ্ট সাধন করা।
8) বুদ্ধির গোঁড়ায় ধোঁয়া দেওয়া -চিন্তা করতে বসা।
9) মাথার উপরে শকুন উড়া- অতিশয় বিপদ সন্নিকটে।
10) মাথার ঘায়ে কুকুর পাগল-বিষম বিপদে পড়ে পাগল হওয়া।
11) ঘাড়ে দুইটি মাথা থাকা-দুঃসাহসী।
12) ঢেঁকির শব্দ বড়-ভিতরে যার কিছুই নেই তার বাজে বেশি।
13) বামন গেল ঘর তো লাঙ্গল তুলে ধর-কর্মচারীদের উপর দৃষ্টি না রাখলে তারা কাজ করে না।
14) বামন শুদ্দুর তফাৎ- আকাশ পাতাল পার্থক্য।
15) বামনের গরু- যে ব্যক্তি বা বস্তুর নিকট অল্প ব্যয়ে প্রচুর কাজ পাওয়া যায়।
16) বাবু বাছা করা-পুত্রবৎ সস্নেহে বাক্য বলা।
17) বাবু বাছা বলা-স্নেহ ও আদর করা।
18) কূলে রাখা কি শ্যাম রাখা-উভয় সঙ্কটে পড়া।
19) বাতাসের সঙ্গে লড়াই করা- বিনা কারণে ঝগড়া করা।
20) হাড় ভাজা ভাজা হওয়া-জ্বালাতন হওয়া।
21) গাছে তুলে দিয়ে মই কেড়ে নেওয়া-উৎসাহ দিয়ে কর্মে প্রবৃত্ত করে অসহায় অবস্থায় সরে দাঁড়ানো।
22) পাকা ধানে মই দেওয়া-লাভের মুখে সমূহ ক্ষতি করা।
23) মাথা ঠোকাঠুকি হওয়া-অপ্রত্যাশিতভাবে দেখা দেওয়া।
24) মুখ শুকিয়ে আমসি হওয়া-ভয় ব্যাধি উদ্বেগ ইত্যাদি হেতু মুখের রুগ্ন অবস্থা।
25) যাহা বাহান্ন তাহাই তিপ্পান্ন-একটু ক্ষতির ভয়ে পশ্চাৎপদ না হওয়া।
26) গদাই লস্করই চাল-অতি-মন্থর গতি।
27) লেজে গোবরে ল্যাজে গোবরে-অক্ষমতার জন্য বিপদযস্ত অবস্থায় উপনীত।
28) শিব গড়তে বাঁদর গড়া-খুব ভালো কিছু করতে গিয়ে খারাপ কিছু করা।
29) সব শিয়ালেরা এক রা-সমদলবুক্ত সকল ব্যক্তির একই রকম মত।
30) শুঁড়ির সাক্ষী মাতাল-অসৎ ব্যক্তিকে অসৎ ব্যক্তি সমর্থন করে।
31) শুকনো কথায় চিড়ে ভিজানো-শুধু মুখের কথায় কাজ হয়না।
32) শুকরের পাল ধোয়ানো-অনভীস্পিত ও গুণহীন প্রচুর সন্তান।
33) ষাঁড়ের গোবর ষাঁড়ের নাদ-অকর্মণ্য লোক,ষাঁড়ের গোবর যেমন হিন্দু ধর্মের ধর্মকার্যে ব্যবহার করা হয় না।
34) গোকুলের ষাঁড়- বৃন্দাবনের মুক্ত ষাঁড়ের মত স্বেচ্ছা-বিহারী দায়িত্বহীন ব্যক্তি।
35) ষেটের বাছা,ষেটের কোলের বাছা-যষ্ঠীদেবীর অনুগ্রহপ্রাপ্ত সন্তান।
36) ষোল আনা বাজিয়ে নেওয়া-সর্বদিক থেকে বিচার করে নেওয়া।
37) অনেক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট-বহু কর্তায় অত্যন্ত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।
38) গণ্ডূষ জলে সফরীর ফরফরানি-অতি অল্প পানিতে পুঁঠি মাছের ফর ফর করে ঘোরা।
39) ধরাকে সরা জ্ঞান করা-মৃৎপাত্র বা সরার ন্যায় ক্ষুদ্র ও তুচ্ছ মনে করা।
40) সস্তার কিস্তি মাত-পরিশ্রমে কোন বিষয়ে সাফল্য লাভ।
41) সাত চড়ে রা করে না/ বেরোয় না-সমস্ত অত্যাচার মুখ বুঝে সহ্য করে।
42) সাত নকলে আসল খাস্তা-বার বার নকল করতে করতে সূচনার যার নকল করা হয়েছে তা বিকৃত হওয়া।
43) সাত পুরুষে না শোনা- বংশানুক্রমে না শুনা।
44) সাতেও নেই পাঁচেও নেই-সংশ্রবশূণ্য।
45) সাপটা ধরে কেনা-একদামে সমস্ত জিনিস কেনা।
46) সাপের হাঁচি বেদেয় চিনে-অভিজ্ঞ লোকের লক্ষণ দেখে চিনতে ভুল করে না।
47) সাপের হাঁড়ি-অতিশয় কোপনস্বভাবা নারী।
48) সোনার কাঠি রুপোর কাঠি-জীবনকাঠি ও মরণকাঠি।
49) সোনার দোয়াত কলম হওয়া-বিদ্বান ও বিত্তবান হওয়া।
50) স্বভাব যায় না মলে ইল্লত যায় না ধুলে- পানি দ্বারা ধুলে ও নোংরামি দূর করা যেরূপ অসম্ভব।
51) ইস্তক জুতা সেলাই নাগাদ চণ্ডী পাঠ –সংসারের চোট বড় সবধরনের কাজ।
52) ভোজনং যত্র তত্র শয়নং হট্টমন্দিরে-যেখানে সেখানে আহার এবং হাটের চলার নিচে নিদ্রা।
53) হাটের দুয়ারে কপাট-অসম্ভব ব্যাপার।
54) হাড়ে বাতাস লাগা-স্বস্তি-বোধ করা।
55) হাড়ে দূর্বা গজানো-বিপল প্রতীক্ষা।
56) হাতে পাঁজি মঙ্গলবার-মীমাংসার নির্ভরযোগ্য উপায় থাকতে তর্ক বিতর্ক করা।
57) হাতির ভোগ মুখে দূর্বা ঘাস-যেখানে প্রভূত ভোজের প্রয়োজন সেখানে অল্প খাদ্যর আয়োজন।
58) অন্ধের নড়ি, অন্ধের যষ্টি-অসহায়ের সহায়।
59) বজ্র আঁটুনি ফসকা গোড়া-কাজের আয়োজনের সময় খুব কড়াকড়ি কিন্তু কাজের সময় শিথিলতা।
60) আঁত পাওয়া বার- মনের অভিপ্রায় জানা মুশকিল।
61) আধার ঘরের বাতি-আঁধার ঘরের মানিক।
62) আঁতুড়ে খোকা আঁতুড়ে ছেলে- সদ্যজাত শিশু।
63) এঁড়ে তেল দেওয়া-চাটুবাক্য তোষামোদ করা।
64) এক গ্লাসের ইয়ার এক সানকির ইয়ার-অন্তরঙ্গ বন্ধু।
65) কড়ি গোনা, কড়ি কাঠ গোনা-বেকার অবস্থা যাপন।
66) ঘোড়া ডিঙ্গিয়ে ঘাস খাওয়া-মুরব্বিকে অতিক্রম বা অগাহ্য করে কার্যোদ্বায়ের চেষ্টা করা।
67) ঘোড়া দেখে খোঁড়া হওয়া-কাজ করার লোক দেখে আলস্য দেখানো।
68) ঘোড়ায় জিন দিয়ে আসা-অত্যন্ত ব্যতিব্যস্ত ভাব,তিলেক বিলম্বে অস্থিরতার ভাব।
69) চোদ্দ চাকার রথ দেখানো-মুশকিলে ফেলা।
70) চোর কুঠরি,চোর কুঠুরি-ঘরের ভিতরের চোট গুপ্ত ঘর।
71) চোর মরে,সাত ঘর মজায়ে-চোর ধরা পড়লে অনেক মকদ্দমায় জড়ায়।
72) বাড়িতে ছুঁচোর কেত্তন,বাইরে কোঁচার পত্তন-বাড়িতে চরম দরিদ্র অবস্থা বাইরে বড়লোকি প্রদর্শন।
73) ছুঁচোর মেরে হাত গন্ধ করা- তুচ্ছ ব্যক্তিকে শাস্তি দিয়ে অখ্যাতি লাভ করা।
74) ধারে কাটা আর ভারে কাটা-স্বাভাবিক ক্ষমতায় কাজ করা।
75) যার ধন তার নয়,নেপোয় মারে দই-পরিশ্রমী ব্যক্তিকে বঞ্চনা করে ধূর্ত লোকের ফল প্রাপ্তি।
76) আপনা মাংসে হরিনা বৈরি। - হরিনের শত্রু তার মাংশ।
খুব গুরুত্বপূর্ণ বাংলা সমার্থক শব্দের এক বিশাল ভান্ডার ...মোট ৯০ টি ..যে কোন জব ও ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা অংশে প্রায় বাংলা শব্দের সমর্থক অর্থ থেকে প্রশ্ন আসে ... কমন পাওয়ার জন্য এইগুলোই যথেষ্ট .
:
1) অগ্নি ⇒ অনল, পাবক, আগুন, দহন, সর্বভূক, শিখা, হুতাশন, বহ্নি, বৈশ্বানর, কৃশানু, বিভাবসু, সর্বশুচি
2) অন্ধকার ⇒ আঁধার, তমঃ, তমিস্রা, তিমির, আন্ধার, তমস্র, তম
3) অখন্ড ⇒ সম্পূর্ণ, আস্ত, গোটা, অক্ষত, পূর্ণ, সমগ্র, সমাগ্রিক।
4) অবকাশ ⇒ সময়, ফূসরত, অবসর, ছুটি, সুযোগ, বিরাম।
5) অক্লান্ত ⇒ ক্লান্তিহীন, শ্রান্তিহীন, অনলস, নিরলস, অদম্য, উদ্যমী, পরিশ্রমী, অশ্রান্ত।
6) অপূর্ব ⇒ অদ্ভুত, আশ্চর্য, অলৌকিক, অপরূপ, অভিনব, বিস্ময়কর, আজব, তাজ্জব, চমকপ্রদ, অবাক করা, মনোরম, সুন্দর।
7) অক্ষয় ⇒ চিরন্তন, ক্ষয়হীন, নাশহীন, অশেষ, অনন্ত, অব্যয়, অবিনাশী, অলয়, অনশ্বর, লয়হীন, অমর, স্থায়ী।
8) অঙ্গ ⇒ দেহ, শরীর, অবয়ব, গা, গাত্র, বপু, তনু, গতর, কাঠামো, আকৃতি, দেহাংশ।
9) অবস্থা ⇒ দশা, রকম, প্রকার, গতিক, হাল, স্তিতি, অবস্থান, পরিবেশ, ঘটনা, ব্যাপার, প্রসঙ্গ, হালচাল, স্টাটাস।
10) আইন ⇒ বিধান, কানুন, বিহিতক, অধিনিয়ম, বিধি, অনুবিধি, উপবিধি, ধারা, বিল, নিয়ম, নিয়মাবলি, বিধিব্যবস্থা।
11) আসল ⇒ খাঁটি, মূলধন, মৌলিক, মূল, প্রকৃত, যথার্থ।
12) আনন্দ ⇒ হর্ষ, হরষ, পুলক, সুখ, স্ফূতর্ত, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রসন্নতা, আমোদ, প্রমোদ, হাসি, উল্লাস, মজা, তুষ্টি, খুশি, হাসিখুশি।
13) আদি ⇒ প্রথম, আরম্ভ, অগ্র, পূর্ব, প্রাচীন, মূল।
14) অতনু ⇒ মদন, অনঙ্গ, কাম, কন্দর্প
15) আকাশ ⇒ আসমান, অম্বর, গগন, নভোঃ, নভোমণ্ডল, খগ, ব্যোম, অন্তরীক্ষ
16) আলোক ⇒ আলো, জ্যোতি, কিরণ, দীপ্তি, প্রভা
17) ইচ্ছা ⇒ আকাঙ্ক্ষা, অভিলাষ, অভিরুচি, অভিপ্রায়, আগ্রহ, স্পৃহা, কামনা, বাসনা, বাঞ্চা, ঈপ্সা, ঈহা
19) উঁচু ⇒ উচ্চ, তুঙ্গ, সমুন্নত, আকাশ-ছোঁয়া, গগনচূম্বী, অভ্রভেদী, অত্যুচ্চ, সুউচ্চ।
20) উদাহরণ ⇒ দৃষ্টান্ত, নিদর্শন, নজির, নমুনা, উল্লেখ, অতিষ্ঠা।
21) উত্তম ⇒ প্রকৃষ্ট, শ্রেষ্ঠ, সেরা, ভালো, অগ্রণী, অতুল।
22) উত্তর ⇒ জবাব, প্রতিবাক্য, মীমাংশা, সাড়া, সিদ্ধান্ত।
23) একতা ⇒ ঐক্য, মিলন, একত্ব, অভেদ, সংহতি, ঐক্যবদ্ধ, একাত্মতা, একীভাব।
24) কপাল ⇒ ললাট, ভাল, ভাগ্য, অদৃষ্ট, নিয়তি, অলিক
25) কোকিল ⇒ পরভৃত, পিক, বসন্তদূত
26) কষ্ট ⇒ মেহনত, যন্ত্রনা, ক্লেশ, আয়াস, পরিশ্রম, দু:খ।
27) কুল ⇒ বংশ, গোত্র, জাতি, বর্ণ, গণ, সমূহ, অনেক, যূথ, জাত, শ্রেণী, ইত্যাদি।
28) খ্যাতি ⇒ যশ, প্রসিদ্ধি, সুখ্যাতি, সুনাম, নাম, সুবাদ, প্রখ্যাতি, সুযশ, বিখ্যাতি, নামযশ, নামডাক, প্রখ্যা, প্রচার, হাতযশ, প্রতিপত্তি, প্রতিষ্ঠা।
29) কন্যা ⇒ মেয়ে, দুহিতা, দুলালী, আত্মজা, নন্দিনী, পুত্রী, সূতা, তনয়া
30) গরু ⇒ গো, গাভী, ধেনু
31) ঘোড়া ⇒ অশ্ব, ঘোটক, তুরগ, বাজি, হয়, তুরঙ্গ, তুরঙ্গম
32) মেঘ ⇒ ঘন, অভ্র, নিবিড়, জলধর, গাঢ়, জমাট, গভীর।
33) চাঁদ ⇒ সুধাকর, শশী, শশধর, দ্বিজরাজ, বিধু, সোম, নিশাপতি, সুধানিধি, রাকেশ, সুধাময়, ইন্দু, তারানাথ।
34) চতুর ⇒ বুদ্ধিমান, নিপুণ, কুশল, ধূর্ত, ঠগ, চালাক, সপ্রতিভ।
35) ঘর ⇒ গৃহ, আলয়, নিবাস, আবাস, আশ্রয়, নিলয়, নিকেতন, ভবন, সদন, বাড়ি, বাটী, বাসস্থান
36) চক্ষু ⇒ চোখ, আঁখি, অক্ষি, লোচন, নেত্র, নয়ন, দর্শনেন্দ্রিয়
37) চন্দ্র ⇒ চাঁদ, চন্দ্রমা, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, শুধাংশু, হিমাংশু, সুধাকর, সুধাংশু, হিমাংশু, সোম, বিধু, ইন্দু, নিশাকর, নিশাকান্ত, মৃগাঙ্ক, রজনীকান্ত
38) চুল ⇒ চিকুর, কুন্তল, কেশ, অলক,“
39) জননী ⇒ মা, মাতা, প্রসূতি, গর্ভধারিণী, জন্মদাত্রী,“
40) দিন ⇒ দিবা, দিবস, দিনমান
41) দেবতা ⇒ অমর, দেব, সুর, ত্রিদশ, অমর, অজর, ঠাকুর
42) দ্বন্দ্ব ⇒ বিরোধ, ঝগড়া, কলহ, বিবাদ, যুদ্ধ
43) তীর ⇒ কূল, তট, পাড়, সৈকত, পুলিন, ধার, কিনারা
44) নারী ⇒ রমণী, কামিনী, মহিলা, স্ত্রী, অবলা, স্ত্রীলোক, অঙ্গনা, ভাসিনী, ললনা, কান্তা, পত্নী, সীমন্তনী
45) নদী ⇒ তটিনী, তরঙ্গিনী, প্রবাহিনী, শৈবালিনী, স্রোতস্বতী, স্রোতস্বিনী, গাঙ, স্বরিৎ, নির্ঝরিনী, কল্লোলিনী
46) নৌকা ⇒ নাও, তরণী, জলযান, তরী
47) পণ্ডিত ⇒ বিদ্বান, জ্ঞানী, বিজ্ঞ, অভিজ্ঞ
48) পদ্ম ⇒ কমল, উৎপল, সরোজ, পঙ্কজ, নলিন, শতদল, রাজীব, কোকনদ, কুবলয়, পুণ্ডরীক, অরবিন্দ, ইন্দীবর, পুষ্কর, তামরস, মৃণাল, সরসিজ, কুমুদ
49) পৃথিবী ⇒ ধরা, ধরিত্রী, ধরণী, অবনী, মেদিনী, পৃ, পৃথ্বী, ভূ, বসুধা, বসুন্ধরা, জাহান, জগৎ, দুনিয়া, ভূবন, বিশ্ব, ভূ-মণ্ডল
50) পর্বত ⇒ শৈল, গিরি, পাহাড়, অচল, অটল, অদ্রি, চূড়া, ভূধর, নগ, শৃঙ্গী, শৃঙ্গধর, মহীধর, মহীন্দ্র
51) পানি ⇒ জল, বারি, সলিল, উদক, অম্বু, নীর, পয়ঃ, তোয়, অপ, জীবন, পানীয়
52) পুত্র ⇒ তনয়, সুত, আত্মজ, ছেলে, নন্দন
53) পত্নী ⇒ জায়া, ভার্যা, ভামিনী, স্ত্রী, অর্ধাঙ্গী, সহধর্মিণী, জীবন সাথী, বউ, দারা, বনিতা, কলত্র, গৃহিণী, গিন্নী
54) পাখি ⇒ পক্ষী, খেচর, বিহগ, বিহঙ্গ, বিহঙ্গম, পতত্রী, খগ, অণ্ডজ, শকুন্ত, দ্বিজ
55) ফুল ⇒ পুষ্প, কুসুম, প্রসূন, রঙ্গন
56) বৃক্ষ ⇒ গাছ, শাখী, বিটপী, অটবি, দ্রুম, মহীরূহ, তরু, পাদপ
57) বন ⇒ অরণ্য, জঙ্গল, কানন, বিপিণ, কুঞ্জ, কান্তার, অটবি, বনানী, গহন
58) বায়ু ⇒ বাতাস, অনিল, পবন, হাওয়া, সমীর, সমীরণ, মারুত, গন্ধবহ
59) বিদ্যুত ⇒ বিজলী, ত্বড়িৎ, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, চপলা, চঞ্চলা, দামিনী, অচিরপ্রভা, শম্পা
60) মানুষ ⇒ মানব, মনুষ্য, লোক, জন, নৃ, নর,“
61) মাটি ⇒ ক্ষিতি, মৃত্তিকা,“
62) দখল ⇒ অধিকার, আয়ত্ত, জ্ঞান, কতৃত্ব, অধীনতা, পটুতা।
63) নারী ⇒ রমণী, রামা, বামা, অবলা, মহিলা, স্ত্রী, মেয়ে, মেয়েমানুষ, ললনা, মানবী, মানবিকা, কামিনী, আওরত, জেনানা, যোষা, জনি, বালা, বনিতা, ভামিনী, শর্বরী।
64) বাতাস ⇒ বায়ু, পবন, সমীর, অনিল, মারুত, বাত, বায়, আশুগ, পবমান, সদাগতি, শব্দবহ, অগ্নিশখ, বহ্নিসখ, হাওয়া।
65) মৃত্যু ⇒ মরা, ইন্তেকাল, বিনাশ, মরণ, নাশ, নিধন, নিপাত, প্রয়ান, লোকান্তরপ্রাপ্তি, চিরবিদায়, প্রাণত্যাগ, জীবননাশ, দেহান্ত, লোকান্তর, , মারা যাওয়া, পটল তোলা, মহাপ্রয়াণ।
66) সমুদ্র ⇒ সাগর, সায়ব, অর্ণব, সিন্ধু, দরিয়া, জলধি, পাথার, পারাবার, প্রচেতা, অকূল, জলধর, নদীকান্ত, নীরধি, তোয়াধি, পয়োধি, বারিধর, বারীন্দ্র, ইরাবান, দ্বীপী।
67) স্বর্ণ ⇒ সোনা, কাঞ্চন, কনক, হেম, হিরণ্য, মহাধাতু, গোল্ড।
68) সম ⇒ সমান, তুল্য, সদৃশ, যুদ্ন, অনুরূপ।
69) দিন ⇒ দিবস, দিবা, অহ, বার, রোজ, বাসর, দিনরাত্রি, দিনরজনী, সাবন, অষ্টপ্রহর, আটপ্রহর।
70) নিদ্রা ⇒ ঘুম, তন্দ্রা, নিদ, সুপ্তি, গাঢ়ঘুম, নিষুপ্তি।
71) ছাত্র ⇒ শিষ্য, শিক্ষানবিশ, পড়ুয়া।
72) জটিল ⇒ জড়ানো, কঠিন, শক্ত, খটমট, জটাযুক্ত।
73) ধরা ⇒ পৃথিবী, ধারণ করা, হাত দেয়া, ছোঁয়া, স্পশর্, ধরণি, ধরিত্রী, পাকড়ানো।
74) কবুতর ⇒ পারাবত, কপোত, পায়রা, নোটন, লোটন, প্রাসাদকুক্কুট।
75) দক্ষ ⇒ নিপুণ, পটু, পারদশী, কর্মঠ, সুনিপুন, কামিল।
76) রাত্রি ⇒ রাত, রাত্তির, নিশি, নিশীথ, রাত, রজনী, যামিনী, যামী, যামিকা, শমনী, বিভাবরী, ক্ষণদা, নক্ত, তামসী, অসুরা।
77) মেঘ ⇒ জলধর, জীমৃত, বারিদ, নীরদ, পয়োদ, ঘন, অম্বুদ, তায়দ, পয়োধর, বলাহক, তোয়ধর
78) রাজা ⇒ নরপতি, নৃপতি, ভূপতি, বাদশাহ
79) রাত ⇒ রাত্রি, রজনী, নিশি, যামিনী, শর্বরী, বিভাবরী, নিশা, নিশিথিনী, ক্ষণদা, ত্রিযামা
80) শরীর ⇒ দেহ, বিগ্রহ, কায়, কলেবর, গা, গাত্র, তনু, অঙ্গ, অবয়ব
81) সর্প ⇒ সাপ, অহি, আশীবিষ, উরহ, নাগ, নাগিনী, ভুজঙ্গ, ভুজগ, ভুজঙ্গম, সরীসৃপ, ফণী, ফণাধর, বিষধর, বায়ুভুক
82) স্ত্রী ⇒ পত্নী, জায়া, সহধর্মিণী, ভার্যা, বেগম, বিবি, বধূ,“
83) স্বর্ণ ⇒ সোনা, কনক, কাঞ্চন, সুবর্ণ, হেম, হিরণ্য, হিরণ
84) স্বর্গ ⇒ দেবলোক, দ্যুলোক, বেহেশত, সুরলোক, দ্যু, ত্রিদশালয়, ইন্দ্রালয়, দিব্যলোক, জান্নাত
85) সাহসী ⇒ অভীক, নির্ভীক,“
86) সাগর ⇒ সমুদ্র, সিন্ধু, অর্ণব, জলধি, জলনিধি, বারিধি, পারাবার, রত্নাকর, বরুণ, দরিয়া, পারাবার, বারীন্দ্র, পাথার, বারীশ, পয়োনিধি, তোয়ধি, বারিনিধি, অম্বুধি
87) সূর্য ⇒ রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, আদিত্য, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, পুষা, সূর, মিত্র, দিনপতি, বালকি, অর্ষমা
88) হাত ⇒ কর, বাহু, ভুজ, হস্ত, পাণি
89) হস্তী ⇒ হাতি, করী, দন্তী, মাতঙ্গ, গজ, ঐরাবত, দ্বিপ, দ্বিরদ, বারণ, কুঞ্জর, নাগ
90) লাল ⇒ লোহিত, রক্তবর্ণ
91) ঢেউ ⇒ তরঙ্গ, ঊর্মি, লহরী, বীচি, মওজ
বাগধারা:
১) “লম্বাদেয়া“ বাগধারাটির অর্থ
উ: পালানো
২) “সাপের পাঁচ পা দেখা“ প্রবাদের অর্থ
উ: অহংকারে অসম্ভবকে সম্ভব মনে করা।
৩) “ছক্কা পাঞ্জা“ করা মানে
উ: বড়াই করা
৪) জঙ্গম এর বিপরীত শব্দ
উ: স্থাবর
৫) “কুজন“ শব্দের অর্থ
উ: পাখির ডাক
৬) “যে নারীর হাসি পবিত্র“ এক কথায় কি বলে?
উ: সুচিস্মিতা
৭) Learn the poem by heart- এর সঠিক অর্থ
উ: কবিতাটি মুখস্ত কর।
৮) Make good.এর সঠিক অনুবাদ
উ: ক্ষতিপূরণ
৯) কোন যতিচিহ্নের বিরতিকাল পরিমাণ এক সেকেন্ড?
উ: সেমিকোলন
১০) “রোনাল্ড“ একজন জনপ্রিয় খেলোয়াড়। এখানে “খেলোয়াড়“ কোন কারক?
উ: কর্মকারক।
১১) “বসিরকে যেতে হবে“ বসিরকে কোন কারকে কোন বিভক্তি?
উ: কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
১২) সমস্তপদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ করা হয় তার নাম কি?
উ: ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহ বাক্য
১৩) প্রত্যেক পদের অর্থ প্রাধান্য পায় কোন সমাসে?
উ: দ্বন্দ্ব সমাসে
১৪) “যা বলা যোগ্য নয়“ এক কথায় কি বলে
উ: অব্যক্ত
১৫) “ঠোঁট কাটা“ বলতে কি বুঝায়?
উ: স্পষ্টভাষী
১৬) বাগাড়ম্বর “ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
উ: বাক্ +আড়ম্বর
১৭) সন্ধি সাধিত শব্দ “পরস্পর“ কোন ধরনের সন্ধির দৃষ্টান্ত?
উ: নিপাতনে সিদ্ধ
১৮) Nero fiddles while Rome burns.এর অর্থ
উ: কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ।
১৯) একটি অপূর্ণ বাক্যের পর অন্য একটি বাক্যের অবতারনা বোঝাতে কি চিহ্ন বসে?
উ: কোলন
২০) Industry is the root of এর অর্থ
উ: পরিশ্রম সৌভাগ্যের মূল
২১) Look before you leap. এর অর্থ
উ: ভাবিয়া করিও কাজ
২২) বাক্যে কমা অপেক্ষা বেশি বিরতির প্রয়োজন হলে কি বসে?
উ: সেমিকোলন
২৩) কোন যতিচিহ্নের জন্য সবচেয়ে বেশী সময় থামতে হয়?
উ: দাঁড়ি
* মৌলিক স্বরধ্বনি কতটি?-- ৭ টি
* যৌগিক স্বরধ্বনি কতটি?-- ২ টি
* মৌলিক স্বরধ্বনিগুলো কি কি?-- অ, আ, ই, উ, এ,অ্যা, ও
* যৌগিক স্বরধ্বনিগুলো কি কি?-- ঔ, ঐ
* কণ্ঠ বর্ণ কোনগুলি?-- ক, খ, গ, ঘ, ঙ
* তালব্য বর্ণ কোনগুলি?-- চ, ছ, জ, ঝ, ঞ
* মূর্ধণ বর্ণ কোনগুলি?-- ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
* দন্ত বর্ণ কোনগুলি?-- ত, থ, দ, ধ, ন
* ওষ্ঠ বর্ণ কোনগুলি?-- প, ফ, ব, ভ, ম
* ঙ, ঞ, ণ, ন, ম -- নাসিক্য বর্ণ
* নাসিক্য বর্ণের অপর নাম কি?-- অনুনাসিক বা
সানুনাসিক বর্ণ
* অন্তঃস্থ বর্ণ কোনগুলি?-- য, র, ল
* শ, ষ, স -- শিশধ্বনি
* ড়, ঢ় -- তাড়নজাত ধ্বনি
* খন্ডব্যঞ্জন কোনটি?-- ৎ
* অঘোষ হ ধ্বনির বর্ণরুপ কোনটি?-- ঃ
* পরাশ্রিত বর্ণ কোনগুলি?-- ৎ, ং, ঃ
* পূর্ণমাত্রার বর্ণ-- ৩২টি
* অর্ধমাত্রার বর্ণ-- ৮টি
* মাত্রাহীন বর্ণ-- ১০টি
* কোনটি নিলীন বর্ণ?-- অ
এক কথায় প্রকাশ
※ যে নারী প্রিয় কথা বলে = প্রিয়ংবদা।
※ যে নারী প্রিয় বাক্য বলে = প্রিয়ভাষী।
※ যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় = স্বয়ংবরা।
※ যে নারী (মেয়ের) বিয়ে হয়নি = কুমারী।
※ যে নারীর বিয়ে হয় না = অনূঢ়া।
※ যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে = নবোঢ়া।
※ যে নারীর কোন সন্তান হয় না = বন্ধ্যা।
※ যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে
= কাকবন্ধ্যা।
※ যে নারীর সন্তান বাঁচে না = মৃতবৎসা।
※ যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত = অবীরা। ※ যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত = বীরা বা পুরন্ধ্রী।
※ যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে = বীরপ্রসূ।
※ যে নারী বীর = বীরাঙ্গনা।
※ যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী ছিল = অন্য পূর্বা।
※ যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয়না = অনন্যা।
※ যে নারী কখনো সূর্যকে দেখে নাই = অসূর্যম্পশ্যা।
※ নারীর অসূয়া (হিংসা) নেই = অনসূয়া।
※ যে নারীর হাসি সুন্দর = সুস্মিতা।
※ যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত = শুচিস্মিতা।
※ যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে = প্রোষিতভর্তৃকা।
★ যা গতিশীল=জঙ্গম
★কর দেয় যে=করদ
★পা ধুইবার জল=পাদ্য
★মাসের শেষ দিন=সংক্রান্তি
★নিজেকে বড় ভাবে যে=হামবড়া
★ক্লান্তি নাই যার=অক্লান্ত
★খেয়া পার করে যে=পাটনী
★আদি নাই যার=অনাদি
★একই সময়ে=যুগপত
★যে নারী বীর=বীরাঙ্গনা
★যে পুরুষ বিয়ে করেছে=কৃতদার
★গভীর রাত্রি=নিশীথ
★সর্বত্র গমন করে যে=সর্বগ
★যা বলা হয়েছে=উক্ত
★ফুল হইতে তৈরি=ফুলেল
★বাতাসে চরে যে=কপোত
★রন্ধনের যোগ্য=পাচ্য
প্রবাদ
1. চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে।
= After death comes the doctor.
- 2. অসময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু।
= A friend in need is a friend indeed.
- 3. ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়।
= Where there is will,there is a way.
- 4. আয় বুঝে ব্যয় কর।
= Cut your coat according to your cloth.
- 5. যত গর্জে তত বর্ষে না।
= Barking dog seldom bites.
- 6. যেমন কর্ম তেমন ফল।
= As you sow,so you reap.
- 7. বাপকা বেটা;সিপাইকা ঘোড়া।
= Like father like son.
- 8. অতি লোভে তাতি নষ্ট।
= Grasp all,lose all.
- 9. এক হাতে তালি বাজে না।
= It takes two to make a quarrel.
- 10. পরিশ্রমই সৌভাগ্যের চাবিকাঠি।
= Industry is the key to success.
- 11. গাইতে গাইতে গায়েন।
= Practice makes a man perfect.
- 12. নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভাল।
= Something is better than nothing.
কারক ও বিভক্তি মনে রাখার কৌশলঃ-
কারক ৬ প্রকার:
⇨কর্তৃকারক;
⇨কর্মকারক;
⇨করণকারক;
⇨সম্প্রদান কারক;
⇨অপাদান কারক; এবং
⇨অধিকরণ কারক।...............................................................
✪কর্তৃকারক: যে কাজ করে সেই কর্তা বা কর্তকারক।
যেমন: আমি ভাত খাই।
বালকেরা মাঠে ফুটবল খেলছে।
☞এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘কে’ বা ‘কারা’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তা বা কর্তৃকারক।
কে ভাত খায়?
উত্তর হচ্ছে আমি।
কারা ফুটবল খেলছে?
উত্তর হচ্ছে-বালকেরা।
তাহলে আমি এবং বালকেরা হচ্ছে কর্তৃকারক।
✪কর্মকারক: কর্তা যাকে অবলম্বন করে কার্য সম্পাদন করে সেটাই কর্ম বা কর্মকারক।
যেমন: আমি ভাত খাই।
হাবিব সোহলকে মেরেছে।
☞ এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘ কি’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া সেটিই কর্ম বা কর্মকারক।
আমি কি খাই?
উত্তর হচ্ছে-ভাত।
হাবিব কাকে মেরেছে?
উত্তর হচ্ছে-সোহেলকে।
✪করণ কারক: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র বা উপকরণ বুঝায়।
যেমন: নীরা কলম দিয়ে লেখে।
সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়।
☞ এখানে মনে রাখার উপায় হচ্ছে ‘ কীসের দ্বারা’ বা ‘কী উপায়ে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় সেটিই করণ কারক।
নীরা কীসের দ্বারা লেখে?
উত্তর হচ্ছে-কলম ।
কী উপায়ে বা কোন উপায়ে কীর্তিমান হওয়া যায়?
উত্তর হচ্ছে-সাধনায়।
✪সম্প্রদান কারক: স্বত্ব ত্যাগ করে দান বা অর্চনা বুঝালে সম্প্রদান কারক হয়। স্বত্ব ত্যাগ না করলে কর্মকারক।
যেমন: ভিক্ষারীকে ভিক্ষা দাও।
গুরুজনে কর নতি।
☞ মনে রাখার উপায় হচ্ছে-কর্মকারকের মত কাকে দিয়ে প্রশ্ন করলে রে উত্তর পাওয়া যায়।
তবে এখানে স্বত্ব থাকবেনা। যেমন মানুষ ভিক্ষারীকে দান করে কোন স্বত্ব ছাড়াই যাকে বলে নি:শর্ত ভাবে। আবার গুরুজনকে মানুষ সম্মান করে কোন স্বার্থ ছাড়াই।
✪অপাদান কারক: হতে, থেকে বুঝালে অপাদান কারক হবে।
যেমন: গাছ থেকে পাতা পড়ে।
পাপে বিরত হও।
☞ এখাছে কোথা থেকে পাতা পড়ে?
উত্তর হচ্ছে-গাছ ।
কি হতে বিরত হও?
উত্তর হচ্ছে – পাপ ।
✪অধিকরণ কারক: ক্রিয়ার সম্পাদনের সময় বা স্থানকে অধিকরণ কারক বলে।
যেমন: আমরা রোজ স্কুলে যাই।
প্রভাতে সূর্য ওঠে।
☞ মনে রাখার উপায় হচ্ছে-
কোথায় এবং কখন দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়।
আমরা রোজ কোথায় যাই?
উত্তর হচ্ছে-স্কুলে। আর স্কুল একটি স্থান।
কখন সূর্য ওঠে?
উত্তর হচ্ছে-প্রভাতে। আর প্রভাত একটি কাল বা সময়।
✪বিভক্তি মনে রাখার উপায়:
বাংলায় বিভক্তি সাত প্রকার।
⇨প্রথমা বিভক্তি: অ এবং ০ ।
⇨দ্বিতীয়া বিভক্তি: কে এবং রে ।
⇨তৃতীয়া বিভক্তি: দ্বারা, দিয়া এবং কর্তৃক ।
⇨চতুথী বিভক্তি: দ্বিতীয়া বিভক্তির মত তবে নিমিত্ত বা জন্য বুঝাবে।
⇨পঞ্চমী বিভক্তি: হতে, থেকে এবং চেয়ে ।
⇨ষষ্ঠী বিভক্তি: র এবং এর ।
⇨সপ্তমী বিভক্তি: এ, য় ,তে থাকে।
আপডেট জিকে : GK.........
* দেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো.শাহাবুদ্দিন। (২২ তম)
* বর্তমানে নদীবন্দরের সংখ্যা ৪৩ টি।
সর্বশেষ -নাজিরগঞ্জ নদীবন্দর, পাবনা।
* বর্তমানে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ১১১ টি। সর্বশেষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়: তিস্তা ইউনিভার্সিটি।
* বর্তমানে দেশে ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান
৩৬ টি। সর্বশেষ নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি।
* ন্যাটোর বর্তমান সদস্য ৩১ টি। সর্বশেষ সদস্য ফিনল্যান্ড।
* NDB এর বর্তমান সদস্য দেশ ৮ টি।
অষ্টম সদস্য দেশ মিশর।
* NDB এর বর্তমান ১ম নারী প্রেসিডেন্ট
দিলমা রুসেফ(ব্রাজিল)
* ফোর্বস ম্যাগাজিন ২০২৩ অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ ধনী বার্নার্ড আর্ন্টল।
* ২০২৩ ফিফার র্যাংকিং এ শীর্ষ দেশ আর্জেন্টিনা। বাংলাদেশ ১৯২ তম।
* ২০২৩ সালে ১৩ তম বিশ্বকাপ ক্রিকেট অনুষ্ঠিত হবে ভারতে। মোট ১০ টি দেশ ১২ টি ভেন্যুতে ৪৮ টি ম্যাচ খেলবে।.
এসএসসি পদার্থ বিজ্ঞান স্পেশাল সাজেশন ২০২৩ , Ssc Physics Suggestion 2023, এসএসসি পদার্থ বিজ্ঞান সাজেশন ২০২৩, এসএসসি পদার্থ বিজ্ঞান সংক্ষিপ্ত সাজেশন ২০২৩
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞানের যে যে অধ্যায়গুলো আছে সেগুলো হলো
১ম অধ্যায়:ভৌত রাশি ও পরিমাপ
২য় অধ্যায়:গতি*****
৩য় অধ্যায়:বল*****
৪র্থ অধ্যায়: কাজ ,ক্ষমতা ও শক্তি*****
৫ম অধ্যায়:পদার্থের অবস্থা ও চাপ**
৬ষ্ঠ অধ্যায়:বস্তুর উপর তাপের প্রভাব
৭ম অধ্যায়:তরঙ্গ ও শব্দ*****
৮ম অধ্যায়:আলোর প্রতিফলন*****
৯ম অধ্যায়:আলোর প্রতিসরণ*****
১০ম অধ্যায়:স্থির তড়িৎ*****
১১অধ্যায়:চর তড়িৎ*****
১২অধ্যায় :তড়িতের চৌম্বক ক্রিয়া***
১৩অধ্যায়: আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞান ও ইলেকট্রনিক্স
১৪অধ্যায়:জীবন বাচাতে পদার্থ বিজ্ঞান
উপরের প্রতিটা অধ্যায়ই গুরুত্বপুর্ণ তবে যেগুলোতে ফাইভ স্টার দেওয়া আছে সেগুলো বেশি গুরুত্বপুর্ণ...
Ssc_math_suggestion_2023
৯ম থেকে ২ টা আসবে।(২ টাই দিতে পারবা)
১৭তম থেকে ১টা(২ টা আসবে ১ টা দিতে পারবা)
৩য় থেকে ১ টা (১ টা আসবে ১ টা দিতে পারবা)
৩ টা চাপ্টার পড়লেই 40 marks পাবা ১০০%..
আর এই ৩ চাপ্টার থেকে ১০/১২ টা mcq পাবা।
মানে ৩ টা চাপ্টার পড়লে ৫০ মার্কস কনফার্ম। ইনশাআল্লাহ আল্লাহ উপর ভরসা রাখো।।
03/05/2023
ssc-23 বাংলা ২য় পত্রের এমসিকিউ সলভ,,
#সকল বোর্ড #
03/05/2023
প্রিয় SSC-23 পরীক্ষার্থী বন্ধুরা, কেমন হয়েছে বাংলা ১ম পত্রের পরীক্ষা?
শুভকামনা রইল তোমাদের তরে...
ঢাকা বোর্ড
সিলেট বোর্ড
কুমিল্লা বোর্ড
দিনাজপুর বোর্ড ময়মনসিংহ বোর্ড
যশোর বোর্ড
03/05/2023
তুমি যদি সমস্যাকে বড়ো করে দেখো,
তাহলে কখনো সমাধানের পথ খুঁজে পাবেনা।
মানুষের ভিতরে ইচ্ছাশক্তি থাকে তাহলে সে ।
বড়ো থেকে বড়ো কাজকেও সহজ বানিয়ে নিতে পারে।পরিশ্রম করো নিজের সর্বচ্ছোটা দিয়ে দাও, তুমি পারবা ইনশাআল্লাহ,,
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Address
DHAKA
