Md Oli Ullah Masum
i am proud to be a muslim.
রাষ্ট্র মেরামতের প্রথম কাজ,
দ্রব্যমূল্যের দাম কমিয়ে
মেহনতি মানুষের তিন বেলা ভাতের
অধিকার নিশ্চিত করা।
27/01/2024
আত্মার সাথে সম্পৃক্ত হারাম কাজ
এমনিভাবে আত্মার সাথে সম্পৃক্ত অনেকগুলো হারাম কাজ রয়েছে। যেমন হিংসা করা হারাম। অহংকার করা হারাম। কার ও প্রতি বিদ্বেষ রাখা হারাম। যশ-খ্যতি ও মানুষকে দেখানোর জন্য কাজ করা হারাম। তাই নীতি চরিত্রের সংশোধন এবং সেগুলোকে পাক-পবিত্র করা ও একজন মুমিনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ফরজ। শুধু নামাজ পড়া, রোজা রাখা , যাকাত দেওয়া, সমর্থ হলে হজ করা এবং ওমরা করা যথেষ্ট নয়। বরং আত্মার এসব আমল ও আখলাককে সংশোধন করা ও জরুরী। অন্তরে যেন অহংকার না থাকে, হিংসা না থাকে, প্রদর্শন প্রবৃত্তি না থাকে, জোশ কেতির উদ্দেশ্য কাজ করা না হয় এবং দুনিয়ার মহব্বত অন্তরে বদ্ধমূল না হয়। আল্লাহ ও রাসুলের মহব্বত অন্তরে তাকে অন্তরে এসব গুণ অর্জন করা জরুরী।
[ ওলিউল্লাহ বিন হাফিজ ]
প্রিয় হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবরকে আমি কেন "কবর" বলি?
এক.
নবিগনের কবরকে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কবর বলেছেন,
عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَرَضِهِ الَّذِي لَمْ يَقُمْ مِنْهُ " لَعَنَ اللَّهُ الْيَهُودَ وَالنَّصَارَى، اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ ". لَوْلاَ ذَلِكَ أُبْرِزَ قَبْرُهُ، غَيْرَ أَنَّهُ خَشِيَ أَوْ خُشِيَ أَنَّ يُتَّخَذَ مَسْجِدًا.
‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অন্তিম রোগশয্যায় বলেন, ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রতি আল্লাহর অভিসম্পাত বর্ষিত হোক। কারণ, তারা তাদের নবী গণের কবরকে সিজদার স্থানে পরিণত করেছে। (রাবী উরওয়া বলেন) এরূপ আশঙ্কা না থাকলে রাসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কবরকে (ঘরের বেষ্টনীতে সংরক্ষিত না রেখে) খোলা রাখা হতো। কিন্তু তিনি (নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)) আশংকা করেন বা আশংকা করা হয় যে, পরবর্তীতে একে মসজিদে পরিণত করা হবে।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ১৩৯০
দুই.
মুসা আঃ এর কবরকে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কবর বলেছেন,
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «أَتَيْتُ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِي عَلَى مُوسَى عَلَيْهِ السَّلَامُ عِنْدَ الْكَثِيبِ الْأَحْمَرِ وَهُوَ قَائِمٌ يُصَلِّي فِي قَبْرِهِ
আনাস ইব্ন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আমাকে মি‘রাজের রাত্রে একটি লাল টিলার নিকট মূসা (আঃ)-এর কাছে নিয়ে যাওয়া হল। তিনি তখন তাঁর কবরে দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছিলেন।
সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ১৬৩১
তিন.
প্রিয় হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজের কবরকে কবর বলেছেন,
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَجْعَلُوا بُيُوتَكُمْ قُبُورًا وَلاَ تَجْعَلُوا قَبْرِي عِيدًا وَصَلُّوا عَلَىَّ فَإِنَّ صَلاَتَكُمْ تَبْلُغُنِي حَيْثُ كُنْتُمْ "
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা তোমাদের ঘরগুলোকে ক্ববরস্থানে পরিণত করো না এবং আমার ক্ববরকে উৎসবের স্থানে পরিণত করো না। তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ করো। তোমরা যেখানেই থাকো না কেন তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌছানো হবে।
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ২০৪২
চার.
সাহাবীর জবানে "কবর"
عن المغيرة بن شعبة قال: كنت فيمن حفر قبر النبي صلى الله عليه وسلم، قالوا: فلحدنا لحداً
মুগীরা ইবনে শু'বা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন আমি তাদের একজন যারা নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর খনন করেছেন।
তবারী
١٧٧ ٢/٥٣٣ إسناده صحيح
পাচ.
মোট চারজন সাহাবা রাদিয়াল্লাহু আনহুম নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গোসল এবং তাকে "কবরে" রাখার কাজ সম্পন্ন করেছেন,
عَنْ عَامِرٍ، قَالَ غَسَّلَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلِيٌّ وَالْفَضْلُ وَأُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ وَهُمْ أَدْخَلُوهُ قَبْرَهُ قَالَ وَحَدَّثَنِي مُرَحَّبٌ أَوِ ابْنُ أَبِي مُرَحَّبٍ أَنَّهُمْ أَدْخَلُوا مَعَهُمْ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَوْفٍ فَلَمَّا فَرَغَ عَلِيٌّ قَالَ إِنَّمَا يَلِي الرَّجُلَ أَهْلُهُ
আমির (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে ‘আলী (রাঃ), আল-ফাদল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) ও উসামাহ ইবনু যায়িয (রাঃ) গোসল দিয়েছেন এবং তারাই তাঁকে ক্ববরে নামিয়েছেন। আশ-শা’বী (রহঃ) বলেন, মারহাব কিংবা ইবনু আবূ মারহাব আমাদের কাছে বর্ণনা করেন, তারা ‘আবদুর রহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) – কেও তাদের সাথে শরীক করেন। দাফন সম্পন্ন করে ‘আলী (রাঃ) বললেন, মৃত ব্যক্তির দাফন কাজ তার স্বজনদের সম্পন্ন করা উচিত।
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩২০৯
ছয়.
ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু মুয়াজ ইবনে জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু কে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবরের কাছে বসে কান্নারত অবস্থায় পেলেন,
عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ ، أَنَّهُ خَرَجَ يَوْمًا إِلَى مَسْجِدِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَوَجَدَ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ قَاعِدًا عِنْدَ قَبْرِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَبْكِي
ইবনে মাজা-৩৯৮৯
সাত.
তাবেয়ীর জবানে "কবর" -১
عن ابنِ عُمرَ رضِي اللهُ عنهما بإسنادٍ صحيحٍ، أنه:
كان يَكرَهُ مَسَّ قَبرِ النبيِّ صلَّى اللهُ عليه وسلَّم
ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবর স্পর্শ করাকে অপছন্দ করতেন। (ফেতনার আশংকায়) মুত্তাসিল সনদ এবং সহিহ সনদ।
ورواه من طريقه الذهبي في
((معجم الشيوخ)) (1/45)
তাবেয়ীর জবানে "কবর" -২
عن عُبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر: أنه كان إذا قدِمَ من سفرٍ بدأ بقَبر النبيِّ صلَّى الله عليه وسلَّم فصلَّى عليه وسلَّمَ، ودعا له، ولا يمَسُّ القبرَ، ثم يُسلِّم على أبي بكر
ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু কোন সফর থেকে এসে প্রথমে হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবরের সামনে থেকে তার প্রতি দরুদ ও সালাম পেশ করতেন।
তাবেয়ী কবরকে কবর বলেছেন,
তাবেয়ীর জবানে "কবর" -৩
عَنْ سُفْيَانَ التَّمَّارِ ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّهُ : رَأَى قَبْرَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مُسَنَّمًا
সুফ্ইয়ান তাম্মার (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ক্ববরকে উটের পিঠের মত (মুসান্নাম) উঁচু দেখেছেন।
বুখারী-১৩৯০
তাবেয়ীর জবানে "কবর" -৪
عن عبد الله بن دينار
رأيْتُ عبدَ اللهِ بنَ عمرَ يقفُ على قبرِ النبيِّ ﷺ، ويصلِّي على النبيِّ ﷺ، وأبي بكرٍ، وعُمرَ ﵄ ..
الألباني (ت ١٤٢٠)٢٦٨ ٩٨ إسناده صحيح موقوفا
আব্দুল্লাহ ইবনে দিনার রহঃ বলেন আমি ইবনে ওমরকে দেখলাম তিনি নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবরের সামনে থেমে দরুদ ও সালাম পৌছিয়েছেন।
তাবেয়ীর জবানে "কবর" -৫
قَالَ دَخَلْتُ عَلَى عَائِشَةَ فَقُلْتُ يَا أُمَّهْ اكْشِفِي لِي عَنْ قَبْرِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَصَاحِبَيْهِ رضى الله عنهما فَكَشَفَتْ لِي عَنْ ثَلاَثَةِ قُبُورٍ لاَ مُشْرِفَةٍ وَلاَ لاَطِئَةٍ مَبْطُوحَةٍ بِبَطْحَاءِ الْعَرْصَةِ الْحَمْرَاءِ قَالَ أَبُو عَلِيٍّ يُقَالُ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مُقَدَّمٌ وَأَبُو بَكْرٍ عِنْدَ رَأْسِهِ وَعُمَرُ عِنْدَ رِجْلَىْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
আল-ক্বাসিম (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহর (রাঃ) নিকট উপস্থিত হয়ে বললাম, ফুফু! রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর দুই সাথীর ক্ববর খুলে আমাকে একটু দেখান। তিনি তিনটি কবরই আমাকে (পর্দা) খুলে দেখালেন। আমি দেখি যে, তা খুব উঁচুও নয়, আবার একেবারে সমতলও নয়। কবর তিনটির উপর আল-আরসা নামক স্থানের লালা কাঁকর বিছানো ছিলো। আবূ আলী (রহঃ) বলেন, কথিত আছে, সম্মুখভাগে রাসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কবর, তাঁর মাথার দিকে আবূ বকর (রাঃ) এর কবর এবং তাঁর পায়ের দিকে ‘উমার (রাঃ) এর কবর। ‘উমার (রাঃ) এর মাথা রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পায়ের কাছে অবস্থিত।
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৩২২০
القسطلاني (ت ٨٢٣) ٧٥ ٢/٤٧٧ إسناده صحيح
আমি বলিনি যে রওজা বলা না যায়েজ, বলেছি যে হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কবরকে "রওজা" বলা হয়েছে বলে আমি কোন বর্ননা পাইনি।
YouTube এর কল্যাণে ঝগড়ার কোন সুযোগ নাই।
এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার অনুরোধ রইল।
যাযাকুমুল্লাহ
26/10/2022
যাঁকে বাংলাদেশের ত্বাকি উসমানী বলা হয়। যিনি প্রতিবছর দেশ বিদেশে ডজন ডজন সেমিনার সিম্পোজিয়ামে অতিথি থাকেন, সত্যিকার অর্থে যিনি আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব, বর্তমান বিশ্বে যে কয়জন উল্লেখযোগ্য হাদিসবিশারদ আছেন তিঁনি তাদের একজন। এই শায়খ আব্দুল মালিক দাঃবাঃ সিলেটের এক প্রোগ্রামে এসেছেন।
তাঁর পায়ের জুতা আর সাধারণ লেবাস দেখে হাজারো মানুষের হৃদয় নাড়িয়েছে। অন্তর চক্ষু খুলে দিয়েছে অগণন মনের। এতো বড় একজন ব্যক্তিত্বের এতোই সাধারণ বেশভূষা!
আসলে মানুষ যখন বড় হন তখন নিজেকে ততো ছোট মনে করেন। এই ছোট মনে করার মধ্যেই আবার মহান আল্লাহ উচ্চ সম্মান রেখে দেন।
অনর্থক কথা, থেকে বাচার উপায়,
এক.
কথা সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করা,
لَقَدْ رَأَيْتُ - أَوْ : أُمِرْتُ أَنْ أَتَجَوَّزَ فِي الْقَوْلِ ؛ فَإِنَّ الْجَوَازَ هُوَ خَيْرٌ
আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) একদিন বলেন, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে সুদীর্ঘ বক্তৃতা দিল। ‘আমর (রাঃ) বললেন, যদি সে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করতো তবে তার জন্য ভালো হতো। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছিঃ আমার নিকট উপযুক্ত মনে হয়েছে অথবা আমাকে আদেশ দেয়া হয়েছে ভাষণ সংক্ষিপ্ত করতে। কেননা সংক্ষিপ্ত আলোচনা উত্তম।
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৫০০৮
দুই.
অনর্থক বিষয় থেকে বেচে থাকাই ইসলামের সৌন্দর্য,
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ مِنْ حُسْنِ إِسْلاَمِ الْمَرْءِ تَرْكَهُ مَا لاَ يَعْنِيهِ "
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অর্থহীন কথা বা কাজ ত্যাগ করা।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৩১৮
তিন.
অনর্থক বিষয় হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একদমই পছন্দ করতেন না।
كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُكْثِرُ الذِّكْرَ، وَيُقِلُّ اللَّغْوَ، وَيُطِيلُ الصَّلَاةَ، وَيُقَصِّرُ االْخُطْبَة
আব্দুল্লাহ ইব্ন আবূ আউফা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যিকির অত্যধিক পরিমাণে করতেন এবং অনর্থক কাজ একেবারেই করতেন না আর সালাত দীর্ঘ করতেন, ও খুতবা সংক্ষেপ করতেন।
সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ১৪১৪
চার.
বাকপটুতার চিন্তা বাদ দিতে হবে,
اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يُبْغِضُ الْبَلِيغَ مِنَ الرِّجَالِ الَّذِي يَتَخَلَّلُ بِلِسَانِهِ تَخَلُّلَ الْبَاقِرَةِ بِلِسَانِهَا "
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আল্লাহ সেসব লোককে ঘৃণা করে যারা বাকপটুত্ব প্রদর্শনের জন্য জিহবাকে দাঁতের সঙ্গে লাগিয়ে বিকট শব্দ করে, গরু তার জিহবা নেড়ে যেমন করে থাকে।
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৫০০৫
পাচ.
মিথ্যা বলে হাসানোর ভুল চিন্তা বাদ দিতে হবে,
" وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ بِالْحَدِيثِ لِيُضْحِكَ بِهِ الْقَوْمَ فَيَكْذِبُ وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ "
বাহ্য ইবনু হাকীম (রাহঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তার দাদা বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে আমি বলতে শুনেছি : সেই লোক ধ্বংস হোক যে মানুষদের হাসানোর উদ্দেশ্যে কথা বলতে গিয়ে মিথ্যা বলে। সে নিপাত যাক, সে নিপাত যাক।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৩১৫
ছয়.
কথা যতটুকু বলব ভালো কথা বলব না পারলে চুপ থাকব,
وَمَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْرًا أَوْ لِيَصْمُتْ "
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: যে লোক আল্লাহ্ ও শেষ দিনে বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে, অথবা চুপ থাকে।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৬০১৮
সাত.
চুপ থাকার উপকারিতা মাথায় রাখতে হবে।
قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ صَمَتَ نَجَا "
আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে লোক নীরব থাকলো, সে নাজাত (মুক্তি) পেলো।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৫০১
আট.
কথা বলার আগে ভেবেচিন্তে কথা বলা,
إِنَّ الْعَبْدَ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ مَا يَتَبَيَّنُ فِيهَا يَزِلُّ بِهَا فِي النَّارِ أَبْعَدَ مِمَّا بَيْنَ الْمَشْرِقِ
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ:
তিনি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেন যে, নিশ্চয় বান্দা পরিণাম চিন্তা ব্যতিরেকেই এমন কথা বলে যে কথার কারণে সে ঢুকে যাবে জাহান্নামের এমন গভীরে যার দূরত্ব পূর্ব (পশ্চিম) এর দূরত্বের চেয়েও বেশী।
সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৬৪৭৭
নয়.
মুখের কারণে বেশিরভাগ মানুষ জাহান্নামি হবে এই ধমকি সর্বদা মাথায় রাখা,
وَهَلْ يَكُبُّ النَّاسَ فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِمْ - أَوْ عَلَى مَنَاخِرِهِمْ - إِلَّا حَصَائِدُ أَلْسِنَتِهِمْ
মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
মানুষকে শুধুমাত্র জিহ্বার উপার্জনের কারণেই অধঃমুখে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।
জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২৬১৬
দশ.
কথা বলার আগে এই দূআটা করা,
قُلِ : اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ سَمْعِي، وَمِنْ شَرِّ بَصَرِي، وَمِنْ شَرِّ لِسَانِي، وَمِنْ شَرِّ قَلْبِي، وَمِنْ شَرِّ مَنِيِّي
আবূ আহমাদ শাকাল ইবনু হুমাইদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে একটি দু’আ শিক্ষা দিন। তিনি বললেনঃ তুমি বলোঃ “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কানের অশ্লীল শ্রবণ, চোখের কুদৃষ্টি, জিহবার কুবাক্য, অন্তরের কপটতা ও কামনার অনিষ্টতা হতে আশ্রয় চাই। ”
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৫৫১
আল্লাহ আমাদের কে জবানের অপব্যবহার থেকে হেফাজত করেন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1000
