Monika’s Daily life
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Monika’s Daily life, Health/Beauty, Home, Dhaka.
Jumma Mubarak
১ নাম্বার থেকে শেষ নাম্বার পর্যন্ত পড়ুন, আল্লাহর নেয়ামতের তথ্য পাবেন।
১. সুবহানাল্লাহ
জান্নাতে একটি ফল গাছ রোপন করে নিলেন। আলহামদুলিল্লাহ
২. আলহামদুলিল্লাহ
মিযানের পাল্লাটা একটু ভারি করে নিলেন। আলহামদুলিল্লাহ
৩. আল্লাহু আকবার
আল্লাহর নামে আর একটি তাকবির পেশ করলেন সুবহানআল্লাহ।
৪. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ
যার নেক সাত আসমান ও সাত জমিন হইতেও উত্তম। সুবহানআল্লাহ
৫. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
জান্নাতের একটি রত্ন কুড়িয়ে ফেলেন আলহামদুলিল্লাহ
৬. আলিফ লাম মিম
পেয়ে গেলেন ৩০ নেকি। আলহামদুলিল্লাহ
৭. সুবহান্নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি, সুবহান্নাহিল আজিম
এবার জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপন করে নিলেন। আলহামদুলিল্লাহ
৮. আস্তাগফিরুল্লাহ
আর একবার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন
আল্লাহু আকবার
৯. সুবহান্নাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি
আসমান আর জমিনের মাঝখানের ফাঁকা জায়গাটি সমান সওয়াব অর্জন করে নিলেন সুবহানআল্লাহ
১০. নেকির বস্তাটা নিয়ে যান?
আল্লাহুম্মাগ ফিরলী ওয়ালিল মু’মিনিনা ওয়াল মু’মিনাতি, ওয়াল মুসলিমিনা ওয়াল মুসলিমাতি
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লাশারীকালাহু আহাদান ছামাদান লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম য়ূলাদ অলাম ইয়া কুল্লাহু কুফু ওয়ান আহাদ।
জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা হুয়া আহলুহু
জাযাল্লাহু আন্না সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদান মা হুয়া আহলুহু
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়া ফিদ্দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ
আলহামদুলিল্লাহি আলা কুল্লি হাল
মজার বিষয় হলো.. আপনি যদি পুরোটা পড়ে থাকেন তাহলে এতোক্ষণে আপনার আমলনামায় অনেক সওয়াব লেখা হয়ে গেছে
ইনশাআল্লাহ..
খুশি হয়ে ত একবার বলতে পারেন
আলহামদুলিল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ ,আমরা বছরের শ্রেষ্ঠ দশদিন পেতে যাচ্ছি; আর তা হলো জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশদিন,ইনশাআল্লাহ।
এবছর জুন ৬ সূর্যাস্ত থেকে ,2024 তারিখে জিলহজ্জ মাস শুরু হবে ইনশাআল্লাহ l
বছরের শ্রেষ্ঠ ১০ টি রাত হলো রমজানের শেষ দশক, আর বছরের শ্রেষ্ঠ ১০টি দিন হলো যিলহজ্জের প্রথম দশক। রবের কাছে এই ১০ দিনের আমল অনেক প্রিয়।
🍁 : শাইখ ডক্টর সালেহ আল ফাউজান (حفظه الله).
🍁 : শাইখ ডক্টর আব্দুস সালাম আস সুলাইমান (حفظه الله).
এর আলোচনা থেকে নিজে জিলহজ মাসের গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহ তুলে ধরা হলো l
#জিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন এর গুরুত্বপূর্ণ আমলসমূহঃ
(১) জিলহজের প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা; বিশেষত আরাফার দিনের রোজা রাখা।
রাসূল (ﷺ) বলেন,
❝আরাফার দিনের রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর নিকট আশা করি যে, তিনি এর দ্বারা বিগত বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মাফ করে দেবেন।❞
[ সহীহ মুসলিম : ১১৬২ ]
(২) সামর্থ্যবান হলে কুরবানি করা।
(৩) এই দশ দিন নখ ও চুল না কাটা।
রাসূল (ﷺ) বলেন,
❝তোমাদের কেউ জিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখলে এবং কুরবানি করার ইচ্ছা করলে, সে যেন তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।❞
[ সহীহ মুসলিম : ১৯৭৭ ]
(৪) চার ধরনের যিকিরে লেগে থাকা।
রাসুল (ﷺ) বলেন,
❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্জের দশ দিনের আমলের চেয়ে মহান এবং প্রিয় অন্য কোনো দিনের আমল নেই। সুতরাং, তোমরা সেই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে
তাসবিহ ( سُبْحَانَ اللّٰهِ ), সুবহানাল্লাহ
তাহমিদ ( ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ ), আলহামদুলিল্লাহ
তাহলিল ( لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ ) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
ও তাকবির ( اللّٰهُ أَكْبَر ) আল্লাহ আকবার ,পড়ো।❞
[ মুসনাদে আহমাদ : ৫৪৪৬; হাদিসটির সনদ সহিহ ]
(৫) বেশি বেশি তাকবির তথা আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষণা করা।
সাধারণভাবে এই দশ দিন সংক্ষেপে اللّٰهُ أَكْبَر বেশি বেশি পড়ুন। সাথে, নিচের বাক্যগুলোও সাধ্যানুসারে পড়ুন—
اَللّٰهُ أَكْبَرْ اَللّٰهُ أَكْبَرْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَاللّٰهُ أَكْبَرْ اَللّٰهُ أَكْبَرْ وَلِلّٰهِ الْحَمْد
অর্থঃ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই। আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ; আল্লাহই সর্বশ্রেষ্ঠ; আর আল্লাহর জন্যই সকল প্রশংসা।
এটি ইবনু মাস‘উদ (রা.) ও অন্যান্য পূর্বসূরিদের থেকে প্রমাণিত।
[ দারাকুতনি, আস-সুনান: ১৭৫৬; আলবানি, ইরওয়াউল গালিল: ৬৫৪; সনদ সহিহ ]
তবে, আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহজ্জের ৯ তারিখ ফজর থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর একাকী বা জামাতে নামাজ আদায়কারী, নারী অথবা পুরুষ— প্রত্যেকের জন্য একবার তাকবিরে তাশরিক (উপরে বর্ণিত তাকবিরটি) পাঠ করা ওয়াজিব। পুরুষরা উচ্চ আওয়াজে বলবে, আর নারীরা নিচু আওয়াজে।
[ ইবনু তাইমিয়্যাহ, মাজমু‘উ ফাতাওয়া: ২৪/২২০; ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ: ২/৩৬০; ইবনু আবিদিন, রাদ্দুল মুহতার: ৩/৬১ ]
(৬) চারটি সম্মানিত মাসের একটি হলো জিলহজ্জ; তাই এই মাসের সম্মানে যথাসম্ভব সকল গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা।
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
❝নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট সংরক্ষিত ফলকে (বছরে) মাসের সংখ্যা বারোটি—আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তার মধ্যে চারটি (মাস) সম্মানিত। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা (গুনাহ করার মাধ্যমে) নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না।❞
[ সুরা তাওবাহ, আয়াত: ৩৬ ]
(৭) এই দিনগুলো বছরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ, তাই অধিক পরিমাণে নেক আমল করা।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন,
❝আল্লাহ তা‘আলার নিকট জিলহজ্জের (প্রথম) দশ দিনের আমলের চেয়ে অধিক মর্যাদাপূর্ণ ও প্রিয় অন্য কোনো আমল নেই।❞ সাহাবিগণ বললেন, ‘ইয়া রাসুলাল্লাহ! আল্লাহ রাস্তায় জিহাদও কি এর চেয়ে উত্তম নয়?’ তিনি বললেন, ‘‘না। আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও নয়। তবে যে ব্যক্তি তার জান ও মাল নিয়ে (জিহাদে) ঝাঁপিয়ে পড়লো এবং এর কোনো কিছু নিয়েই আর ফিরে এলো না (অর্থাৎ, শহীদ হয়ে গেলো, তার কথা ভিন্ন)।❞
[ সহীহ বুখারি : ৯৬৯; মুসনাদে আহমাদ : ৬৫০৫; সুনান আবু দাউদ : ২৪৩৮]
এই দশদিনের ফরজ ইবাদত অন্যান্য মাসের ফরজ ইবাদতের তুলনায় অধিক মর্যাদার। এই দশদিনের নফল ইবাদত অন্যান্য মাসের নফল ইবাদতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ।
[ ইবনু রজব, ফাতহুল বারি: ৯/১৫ ]
🤲 : আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদের ইলমে, আমলে বারাকাহ দিন।দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যান দান করুন।আল্লাহ আমাদেরকে প্রিয় বান্দা হিসেবে প্রশান্ত আত্মা নিয়ে তাঁর কাছে ফেরৎ যাওয়ার তৌফিক দান করুন।
আমীন।
সংগৃহিত
20/05/2024
আইয়ামে বীজের রোজা
চলতি যিলক্বদ মাসের চাঁদের হিসাব অনুযায়ী আইয়ামে বীজের রোজা রাখার নির্ধারিত দিন হলো - হিজরি ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ মোতাবেক ২২, ২৩ ও ২৪ মে ২০২৪ইং তারিখ; রোজ বুধবার, বৃহঃবার ও শুক্রবার। যারা এ মাসের আইয়ামের বীজের রোজা রাখবেন তারা মঙ্গলবার রাতে সাহরি করে রোযা রাখবেন ইনশাআল্লাহ
অনেক দিনপর রেফারেন্স সহ পেলাম।
সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত। 🥰
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী।প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন।(সুবহানআল্লাহ)
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সবাইকে যানার বুঝার এবং আমল করার তাওফিক দান করুক।আমিন-ইয়া রব।
আমিন।
(রেফারেন্সঃ রিয়াদুস স্বা-লিহীন সহীহুল বুখারীঃ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ১৪৬১ আহমাদঃ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সগীরঃ৬৪৭২)
27/04/2024
10/04/2024
Cad rat ghuraghuri
মহিলাদের জন্য সিজদা অবস্থায় উভয় বাহু জমিনের সাথে মিলিয়ে রাখতে হয়। এটা তাদের জন্য সুন্নাত।
ইমাম আবু দাউদ রাহ. তাঁর কিতাবুস সুনানের কিতাবুল মারাসীলে বিখ্যাত ইমাম ইয়াযিদ ইবনে আবী হাবীব রাহ.-এর সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেন যে,
أن النبى مر على امرأتين تصليان فقال : اذا سجدتمافضما بعض اللحم الى الأرض، فان المرأة ليست فى ذلككالرجل.
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইজন মহিলার পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন। তারা নামায পড়ছিল। তিনি তাদের বললেন, “যখন তোমরা সিজদা করবে তোমাদের শরীরের কিছু অংশ, (মানে পিছনের অংশ) মাটির সাথে মিলিয়ে রাখবে। কারণ নারী এই বিষয়ে পুরুষের মত নয়। ” -মারাসীলে আবু দাউদ, হাদীস ৮৭; সুনানে কুবরা, বায়হাকী, হাদীস ৩২০১; মারিফাতুস সুনানি ওয়াল আছার, বায়হাকী, হাদীস ৪০৫৪
রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরুষকেও সিজদার নিয়ম শিখিয়েছেন, নারীকেও সিজদার নিয়ম শিখিয়েছেন। পুরুষকে সম্বোধন করে বলেছেন, সবগুলো অঙ্গ যেন ফাঁকা ফাঁকা থাকে। দুই বাহু যেন পাঁজরের সাথে মিলে না থাকে। কনুই যেন মাটিতে বিছানো না থাকে। পেট যেন উরুর সাথে মিশে না থাকে। এভাবে পুরুষকে সিজদা শিখিয়েছেন। আর নারীকে বলেছেন
فان المرأة ليست فى ذلك كالرجل ‘নারী এই বিষয়ে পুরুষের মত নয়’।
ইমাম আবু দাউদ রাহ. হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
হাদীস-বিচারের নীতি অনুসারে এটি দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য। এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ নেই। শুধু চারটি উদ্ধৃতি দিচ্ছি।
১. বিখ্যাত লা-মাযহাবী মুহাদ্দিস নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান বুখারী শরীফের ব্যাখ্যাগ্রন্থ “আওনুল বারী” (১/৫২০) তে লিখেছেন - “উল্লেখিত হাদিসটি সকল ইমামদের উসুল অনুযায়ী দলীল হিসেবে পেশ করায় যোগ্য”।
২. আরেকজন গায়রে মুকাল্লিদ মুহাদ্দিস মুহাম্মাদ বিন ইসমাঈল আল আমীর আল ইয়ামানী بلوغ المرام -এর ভাষ্যগ্রন্থ سبل السلام-এ হযরত বারা ইবনে আযিব রা.-এর হাদীস, যে হাদীস সহীহ মুসলিমে আছে, ‘যখন তুমি সিজদা করবে তখন তোমার দুইহাতের পাতা মাটিতে রাখ আর দুই কনুই মাটি থেকে উপরে রাখ’। এই হাদীস আলোচনা করার সময় বলেছেন, ‘এই হাদীসে আছে পুরুষের নামাযের হুকুম। নারীর নামাযের পদ্ধতি আলাদা, যা আবু দাউদের এই হাদীসে বর্ণিত হয়েছে’।
৩. প্রসিদ্ধ মুহাদ্দিস শায়েখ শুয়াইব আরনাউত (র:) হাদীসটির সূত্র সম্পর্কে বলেন, বর্ণনা কারী প্রত্যেক রাবী সিকাহ (নির্ভরযোগ্য)। (তালীক আলা মারাসিলে আবী দাউদ পৃঃ ১১৭)
৪. লা-মাযহাবী মুহাদ্দিস নাসিরুদ্দিন আলবানি এই হাদিসের সনদের রাবীদেরকে নির্ভরযোগ্য আখ্যা দিয়ে হাদিসটির ব্যাপারে বলেন-
فعلة الحديث الإرسال فقط. والله أعلم.
“এই হাদিসের সকল রাবী নির্ভরযোগ্য। তবে এটি দুর্বল হওয়ার একমাত্র কারণ, হাদিসটি মুরসাল। আল্লাহ ভালো জানেন!”
(সিলসিলাতুল আহাদিসীদ দায়ীফাহ – ২৬৫২)
মুরসাল বলতে, এই হাদিসের বর্ণনাকারী ইয়াযীদ বিন আবী হাবীব একজন তাবেয়ী, তিনি রাসূল সা. থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন। সুতরাং মাঝে অবশ্যই কেও বাদ পরেছে। হতে পারে তিনি কেবল একজন সাহাবী, অথবা কিবারে তাবেয়ী ও সাহাবী দুজন। যেহেতু একজন তাবেয়ী থাকার সম্ভাবনা আছে তাই হতে পারে তিনি সিকাহ, হতে পারে দুর্বল। এই সম্ভাবনাটাই লা-মাযহাবী নাসিরুদ্দিন আলবানির কাছে হাদিসের দুর্বলতার কারণ! আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, শায়খ যে হালকা ভাবে হাদিসটিকে দুর্বল বললেন, আমাদের দেশে এই হাদিসটিই হয়ে গেল ”মারাত্মক দুর্বল”।
মুরসাল প্রায় সকল ইমামের নিকট শর্তসাপেক্ষে গ্রহণযোগ্য। ইবনে রাজাব হামবলী ৪ টি শর্ত উল্লেখ করেছেন মুরসাল গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্যে। এখানে বিস্তারিত আলোচনার স্থান না, তবে উক্ত ৪ টি শর্ত এই হাদিসে পাওয়া যায়। সুতরাং এখানে মুরসাল হওয়ার দ্বারা হাদিসটি দুর্বল হবে না।
(বিস্তারিত দেখুন, কাওয়ায়েদ ফু উলুমিল হাদিস ১৪৩-১৪৬)
আরেকটি হাদীস
============
وَالآخَرُ حَدِيثُ أَبِى مُطِيعٍ : الْحَكَمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْبَلْخِىِّ عَنْ عُمَرَ بْنِ ذَرٍّ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ -صلى الله عليه وسلم- :« إِذَا جَلَسْتِ الْمَرْأَةُ فِى الصَّلاَةِ وَضَعَتْ فَخِذَهَا عَلَى فَخِذِهَا الأُخْرَى ، وَإِذَا سَجَدْتْ أَلْصَقَتْ بَطْنَهَا فِى فَخِذَيْهَا كَأَسْتَرِ مَا يَكُونُ لَهَا ، وَإِنَّ اللَّهَ تَعَالَى يَنْظُرُ إِلَيْهَا وَيَقُولُ : يَا مَلاَئِكَتِى أُشْهِدُكُمْ أَنِّى قَدْ غَفَرْتُ لَهَا (السنن الكبرى، كتاب الصلاة، باب مَا يُسْتَحَبُّ لِلْمَرْأَةِ مِنْ تَرْكِ التَّجَافِى فِى الرُّكُوعِ وَالسُّجُودِ، رقم الحديث-3324)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রা. থেকে বর্ণিত। রাসূল সা. ইরশাদ করেছন-“মহিলা যখন নামাযের মধ্যে বসবে তখন যেন (ডান) উরু অপর উরুর উপর রাখে। আর যখন সেজদা করবে তখন যেন পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখে। যা তার সতরের জন্য অধিক উপযোগী। আল্লাহ তায়ালা তাকে দেখে বলেন-ওহে আমার ফেরেস্তারা! তোমরা সাক্ষী থাক। আমি তাকে ক্ষমা করে দিলাম। (সুনানে বায়হাকী - ২/২২৩, হাদিস নং-৩৩২৪)
হাদিসের মান-
এই হাদিসের সনদে আবু মুতী বলখী নামে একজন রাবী আছে। তার ব্যাপারে ইমামগণের যে সমালোচনা তার সার কথা হচ্ছে, হাদিস মুখস্থ করার ক্ষেত্রে শিথিল, আর তিনি মুরজিয়া ছিলেন। উকাইলী বলেন তিনি ‘সালেহুল হাদিস’! কিন্তু ইমাম বুখারীসহ অনেকেই উনাকে দুর্বল বলেছেন। যদি উকাইলীর কথা ধরা হয়, তবে এই সনদ হাসান পর্যায়ের। যেমনটা অনেক আলেম বলে থাকেন। আর শায়খ আলবানি সহ আরো অনেকে এই হাদিসকে দুর্বল বলেছেন ইমাম বুখারী ও অন্যান্যদের কথার উপর ভিত্তি করে।
অধমের মত হচ্ছে, এই হাদিস হাসান লি গাইরিহি। কারণ দুর্বল সূত্রে হলেও এর শাওয়াহেদ আছে। সাহাবীদের ফতোয়া ও তাবেয়ীদের আছার আছে। সর্বোপরি খাইরুল কুরুনের আমল আছে এর উপর।
সাহাবায়ে কিরামের আমল ও ফতোয়া :-
============================
1.
– عبد الرزاق عن إسرائيل عن أبي إسحاق عن الحارث عن علي قال إذا سجدت المرأة فلتحتفز ولتلصق فخذيها ببطنها (مصنف عبد الرزاق، كتاب الصلاة، باب تكبير المرأة بيديها وقيام المرأة و ركوعها وسجودها، رقم الحيث-5072)
হযরত আলী রা. বলেছেন-মহিলা যখন সেজদা করে তখন সে যেন খুব জড়সড় হয়ে সেজদা করে এবং উভয় উরু পেটের সাথে মিলিয়ে রাখে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক-৩/১৩৮, হাদিস নং-৫০৭২, মুসান্নাফে ইবনে শাইবা-২/৩০৮, হাদিস নং-২৭৯৩, সুনানে কুবরা বায়হাকী-২/২২২)
-মান: হাসান
2.
حَدَّثَنَا أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُقْرِئ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ الأَشَجِّ ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ؛ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ صَلاَةِ الْمَرْأَةِ ؟ فَقَالَ : تَجْتَمِعُ وَتَحْتَفِزُ. (مصنف ابن ابى شيبة، كتاب الصلاة، في المرأة كَيْفَ تَجْلِسُ فِي الصَّلاَةِ، رقم الحديث-2794)
হযরত ইবনে আব্বাস রা. কে জিজ্ঞেস করা হল-মহিলারা কিভাবে নামায আদায় করবে? তিনি বললেন-“খুব জড়সড় হয়ে অঙ্গের সাথে অঙ্গ মিলিয়ে নামায আদায় করবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/৩০২, হাদিস নং-২৭৯৪)
-এই সনদের সকল রাবী নির্ভরযোগ্য!
তাবেয়ীদের আমল ও ফতওয়া:-
======================
1.
حدثنا جرير ، عن ليث ، عن مجاهد ؛ أنه كان يكره أن يضع الرجل بطنه على فخذيه إذا سجد كما تصنع المرأة.
হযরত মুজাহিদ বিন জাবর যিনি মক্কাবাসীদের ইমাম ছিলেন, প্রখ্যাত তাবেয়ী, তার থেকে বর্ণিত। তিনি পুরুষের জন্য মহিলার মত উরুর সাথে পেট লাগিয়ে সেজদা করাকে অপছন্দ করতেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/৩০২, হাদিস নং-২৮৯৬)
2.
– عبد الرزاق عن معمر عن الحسن وقتادة قالا إذا سجدت المرأة فإنها تنضم ما استطاعت ولا تتجافى لكي لا ترفع عجيزتها
হযরত হাসান বসরী যিনি বসরাবাসীদের ইমাম, ও কাতাদা রহ. বলেন-“মহিলা যখন সেজদা করবে তখন সে যথাসম্ভব জড়সড় হয়ে থাকবে। অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ফাঁকা রেখে সেজদা দেবে না যাতে কোমর উঁচু হয়ে না থাকে”। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক-৩/১৩৭, হাদিস নং-৫০৬৮, মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/৩০৩)
3.
– حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِِ ، عَنْ مُغِيرَةَ ، عَنْ إبْرَاهِيمَ ، قَالَ : إذَا سَجَدَتِ الْمَرْأَةُ فَلْتَضُمَّ فَخِذَيْهَا ، وَلْتَضَعْ بَطْنَهَا عَلَيْهِمَا.(مصنف ابن ابى شيبة، كتاب الصلاة، في المرأة كَيْفَ تَجْلِسُ فِي الصَّلاَةِ، رقم الحديث-2795)
হযরত ইবরাহীম নাখয়ী রহ. বলেন-মহিলা যখন সেজদা করবে তখন যেন সে উভয় উরু মিলিয়ে রাখে এবং পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা-১/৩০২, হাদিস নং-২৭৯৫)
4.
– عبد الرزاق عن معمر والثوري عن منصور عن إبراهيم قال كانت تؤمر المرأة أن تضع ذراعها وبطنها على فخذيها إذا سجدت ولا تتجافى كما يتجافى الرجل لكي لا ترفع عجيزتها
হযরত ইবরাহীম নাখয়ী রহ. আরো বলেন-“মহিলাদের আদেশ করা হত তারা যেন সেজদা অবস্থায় হাত ও পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখে। পুরুষের মত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ফাঁকা না রাখে। যাতে কোমর উঁচু হয়ে না থাকে। (মুসান্নাফে আব্দুর রাজ্জাক-৩/১৩৭, হাদিস নং-৫০৭১)
শাফেয়ী মাযহাবের মতেঃ
=================
( قال الشافعي ) وقد أدب الله تعالى النساء بالاستتار وأدبهن بذلك رسوله صلى الله عليه وسلم وأحب للمرأة في السجود أن تضم بعضها إلى بعض وتلصق بطنها بفخذيها وتسجد كأستر ما يكون لها وهكذا أحب لها في الركوع والجلوس وجميع الصلاة أن تكون فيها كأستر ما يكون لها (كتاب الأم، باب الذكر في السجود)
ইমাম শাফেয়ী রহঃ বলেন-“আল্লাহ পাক মহিলাদেরকে পুরোপুরি আবৃত থাকার শিক্ষা দিয়েছেন। তার রাসূল সাঃ ও অনুরূপ শিক্ষা দিয়েছেন। তাই আমার নিকট পছন্দীয় হল-সেজদা অবস্থায় মহিলারা এক অঙ্গের সাথে অপর অঙ্গ মিলিয়ে রাখবে। পেট উরুর সাথে মিলিয়ে রাখবে। আর সেজদা এমনভাবে করবে যাতে সতরের চূড়ান্ত হেফাযত হয়। অনুরূপ রুকু, বৈঠক ও গোটা নামাযে এমনভাবে থাকবে যাতে সতরের পুরোপুরি হেফাযত হয়। {কিতাবুল উম্ম-১/১৩৮)
মালেকী মাযহাবের মতেঃ
==================
মালেকী মাযহাবের প্রসিদ্ধ ফক্বীহ ইমাম আবুল আব্বাস আল কারাফী রঃ ইমাম মালিক রহঃ এর মত উল্লেখ করেন-
وأما مساواة النساء للرجال ففي النوادر عن مالك تضع فخذها اليمنى على اليسرى وتنضم قدر طاقتها ولا تفرج في ركوع ولا سجود ولا جلوس بخلاف الرجل
নামাযে মহিলা পুরুষের মত কিনা? এ বিষয়ে ইমাম মালিক রহঃ থেকে বর্ণিত। মহিলা ডান উরু বাম উরুর উপর রাখবে এবং যথাসম্ভব জড়সড় হয়ে বসবে। রুকু সেজদা ও বৈঠকে কোন সময়ই ফাঁক ফাঁক হয়ে বসবেনা। পক্ষান্তরে পুরুষের পদ্ধতি হল ভিন্ন। {আয যাখীরা-২/১৯৩}
রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সাহাবায়ে কেরাম যে দীন শিখেছেন, তাঁদের কাছ থেকে তা শিখেছেন তাবেয়ীগণ। তাঁদের এসমস্ত ফতোয়া থেকে এ কথাই প্রতীয়মান হয়—নারীদের সেজদা পুরুষের মত নয়। ইমাম বুখারী রহ.এর শায়েখ ইমাম ইবনে আবী শায়বা রহ. তাঁর প্রসিদ্ধ হাদীস সংকলন ‘আলমুসান্নাফ’-এ তাবেয়ী হযরত আতা ইবনে আবী রাবাহ, ইবনে জুরাইজ, ইবরাহীম নাখায়ী, মুজাহিদ, যুহরী, হাসান বসরী, কাতাদা রাহিমাহুমুল্লাহু তায়ালা প্রমুখের ফতোয়া উল্লেখ করেছেন। আগ্রহী পাঠকগণ সেখানে দেখে নিতে পারেন।
কদরের রাতে কি কি যিকর আযকার করতে পারি ? (রমদানের শেষ ১০ রাত বা বিজোড় রাতগুলোতে)
১। আস্তাগফিরুল্লাহ (কমপক্ষে ৫০০ বার, যত বেশি সম্ভব হয়)
২। বেশী বেশী দুরুদ পড়া।
اللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ، اللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ
হে আল্লাহ! আপনি (আপনার নিকটস্থ উচ্চসভায়) মুহাম্মাদকে সম্মানের সাথে স্মরণ করুন এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে, যেমন আপনি সম্মানের সাথে স্মরণ করেছেন ইবরাহীমকে ও তাঁর পরিবার-পরিজনদেরকে। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার পরিজনের উপর বরকত নাযিল করুন যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত
আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা বা-রাকতা ‘আলা ইব্রাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ
বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৪০৮, নং ৩৩৭০; মুসলিম, নং ৪০৬।
৩। সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি (কমপক্ষে ১০০ বার)
৪। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (কমপক্ষে ১০০ বার)
৫। "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়া হুওয়া আ'লা কুল্লি শাইয়্যিন কদির" (কমপক্ষে ১০০ বার)
৬। আল্লাহুম্মা ইন্নাকা 'আফুউন তুহিব্বুল 'আফওয়া ফা'ফু 'আন্নী। ((اللهم إنك عفو تحب العفو فاعفُ عني উক্ত দোয়াটি বেশি বেশি পড়বেন।
৭। দুয়া ইউনুস - "লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায্ যলিমীন" ।
৮। "সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল 'আযীম।" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।
৯। "সুবহানাল্লাহি ওয়ালহামদু লিল্লাহি ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার" (কমপক্ষে ১০০ বার) ।
১০। "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ" বেশি বেশি পড়তে পারেন।
১১। "সুবহানাল্লাহিল 'আযিমি ওয়াবি হামদিহ" (যত বেশি পড়া যায়)
১২। সূরা ইখলাস যত বেশি পড়া যায়।
১৩। সুবহানআল্লাহ ,আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহু আকবর (১০০ বার বা তার চেয়ে বেশি)
১৪। প্রতি ওয়াক্ত এ নামাজ শেষে তিনবার এই দুআ পড়া :
اللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ‘উযু বিকা মিনান্নার
আবূ দাউদ, নং ৭৯২; ইবন মাজাহ্ নং ৯১০। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৮।
যিকর আযকারের পাশাপাশি আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দুয়া মুনাজাত করব। ক্ষমা চাইব।
আল্লাহ এর কাছে কি দুয়া করবেন.. [ চলুন জেনে নেই ]
☛ নিজের গুনাহ মাফের জন্য দোয়া করবেন !
☛ গুনাহ থেকে বেঁছে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ আল্লাহর অনুগত বান্দা হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সুন্নাহ মেনে চলা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ অন্যের কাছে অপদস্থ না হওয়ার দোয়া করবেন !
☛ বদ নজর থাকে বাঁচার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বিপদ বালা মছিবত থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নিজের হেদায়েতের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের উপর টিকে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ মুনাফিকি থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নিজের পরিবারবর্গের জন্য দোয়া করবেন !
☛ পিতামাতার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সন্তান সন্ততির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সন্তান সন্ততি স্বামী স্ত্রী-নিজের জন্য নয়ন তৃপ্তিকর হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ স্বামী স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সমস্ত মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করবেন !
☛ ছেলে মেয়েদের ইসলামী শিক্ষা দেওয়া সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ছেলে মেয়েরা যাতে ইসলামের উপর থাকে সেজন্য দোয়া করবেন !
☛ আত্মীয় স্বজনদের জন্য দোয়া করবেন !
☛ যারা আপনার কাছে দোয়া চেয়েছেন তাদের জন্য দোয়া করবেন !
☛ যে সমস্ত আত্মীয় স্বজন মারা গেছেন তাদের মাগফিরাতের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের পথে থাকা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলাম সম্প্রসারণের জন্য দোয়া করবেন !
☛ ইসলামের জন্য বুককে সম্প্রসারণ করার জন্য দোয়া করবেন !
☛ আপনার প্রয়োজন পূরণের জন্য দোয়া করবেন !
☛ রোগ মুক্তির জন্য দোয়া করবেন !
☛ হালাল রিজিক সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ হারাম কাজ থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সহজে ঋণ পরিশোধ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ কাফেরদের উতপীড়ন থেকে নিরাপদ থাকার দোয়া করবেন !
☛ অন্যের উপর বোঝা স্বরূপ না হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বিদাত থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ শির্ক থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ লোক দেখানো ইবাদত থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ ঈমান বৃদ্ধির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল অবস্থায় খাটি ঈমানদার হয়ে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ বদ অভ্যাস থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ জান্নাতুল ফেরদৌস এর জন্য দোয়া করবেন !
☛ জাহান্নাম থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ কবরের আযাব থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল বিকাল জিকির করা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ প্রতিদিন কুরআন তিলওয়াত করা সহজ হওয়ার জন্য দোয়া করবেন !
☛ নবীজির শাফায়াত নসীব হওয়ার জন্য দোয়া করবেন ।
☛ দাজ্জালের ফেতনা থেকে বেচে থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ সকল রকম ফেতনা থেকে মুক্ত থাকার জন্য দোয়া করবেন !
☛ মনে যাতে মুমিনদের প্রতি হিংসা উৎপাদন না হয় সে জন্য দোয়া করবেন।
আল্লাহ্ আমাদের আমাল করার তৌফিক দিন।
#শেয়ার_করুন
©সিরাতল মুস্তাকিম
ফরজ সালাতের পরপরই মোনাজাত/উঠে যাওয়া উচিত নয়।
⭕ "যখন কোন মুসলিম সালাত আদায় করার পর তার সালাতের স্থানে বসে থাকে, তখন ফেরেশতাগণ অনবরত তার জন্য দু'আ করতে থাকেন—
"হে আল্লাহ্! এই ব্যক্তিকে ক্ষমা করুন,এই ব্যক্তিকে রহমত করুন" (এভাবে তারা বলতেই থাকেন) যতক্ষণ না সেই ব্যক্তি অযু নষ্ট করে বা তার স্থান থেকে উঠে যায়।"
[সহিহ ইবনে খুযাইমা: ১/৩৭২, সহিহ আত তারগিব: ১/২৫১; হাদিসটির সনদ সহিহ]
👉 রাসূসুল্লাহ (সাঃ) প্রত্যেক ফরয নামায শেষে একবার "আল্লাহু আকবার" বলতেন।
(মুসলিমঃ৫৯১)
👉 এরপর ৩ বার "আসতাগফিরুল্লাহ্" বলতেন।
|মুসলিম,১২২২|
👉 তারপর পড়তেন,
‘আল্লাহুম্মা আন্তাস সালাম,ওয়ামিংকাস সালাম, তাবারাকতা ইয়া যাল-জালালি ওয়াল-ইকরম"
অর্থঃ হে আল্লাহ! তুমি শান্তিময়, তোমার নিকট থেকেই শান্তি আসে। তুমি বরকতময় হে মহিমান্বিত ও মহানুভব।
(মুসলিম, ১২২১)
👉 আয়াতুল কুরসি পাঠঃ
আবু উমামাহ (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
“যে ব্যাক্তি প্রতেক ফরয নামাযের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে তার জন্য জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ব্যতিত আর কোন বাঁধা থাকবে না।” (নাসায়ী হা/ ৯৪৪৮ তাবারানী ৭৮৩২)
👉 তিন তাসবিহ পাঠঃ
৩৩ বার سُبْحَانَ اللّٰهِ সুবহানাল্লাহ
৩৩ বার الْحَمْدُ لِلّٰهِ আলহামদুলিল্লাহ
৩৩ বার اللّٰهُ أَكْبَرُ আল্লাহু আকবার
আর একশত পূর্ণ করার জন্য বলবে-
لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ
উচ্চারণঃ লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইং ক্বদীর।
অর্থঃ একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই, রাজত্ব তাঁরই, সকল প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান।
তা পাঠ করলে পাপ সমুহ মাফ হয়ে যাবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার মত হয়।” (সহীহ মুসলিম হা/১২৩০)
👉 #দোয়া
“আল্লাহুম্মা আঈন্নী ‘আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা,ওয়া হুসনি ইবাদাতিকা”
(অর্থ : হে আল্লাহ! আপনার স্মরণে, আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশে এবং আপনার উত্তম ‘ইবাদাতে আমাকে সাহায্য করুন)।
"একদা রসূলুল্লাহ (সঃ) তার হাত ধরে বললেন, হে মু‘আয! আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালবাসি, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালবাসি। তিনি বললেন, হে মু‘আয! আমি তোমাকে ওয়াসিয়াত করছি, তুমি প্রত্যেক সলাতের পর এ দু‘আটি কখনো পরিহার করবে না"
[সুনানে আবু দাউদ: ১৫২২]
👉 #দোয়া
"আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইলমান নাফিয়্যা ওয়ারিযকান তয়্যিবা,ওয়া আমালান মুতাকব্বালা"
অর্থ: "হে আল্লাহ্! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক ও এবং কবূল হওয়ার যোগ্য কর্মতৎপরতা প্রার্থনা করি”
মহানবী (সা.) ফজরের সালাত পড়ে সালাম ফিরিয়ে এই দোয়া পড়তেন।
[ইবনে মাজাহ ৯২৫]
👉 #দুআ:
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧِّﻰ ﺃَﺳْﺄَﻟُﻚَ ﺍﻟْﻌَﺎﻓِﻴَﺔَ
#উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল 'আফিয়্যাহ।
অর্থঃ হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে আফিয়্যাহ চাই,অর্থাৎ দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যান চাই।
(রিয়াদ্বুস স্বলেহীন,আত-তিরমিযী, খন্ড: ০৬, অধ্যায়:৪৫,হাদিস নং: ৩৫১৪)
👉 #দোয়া
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি বলবে,
"رَضيتُ بالله رَبّاً، وبا لإسلامِ ديناً، وبمحمَدِ رَسولاً "
"রদ্বিতু বিল্লাহি রব্বান, ওয়াবিল ইসলামি দ্বীনান, ওয়া বিমুহাম্মাদিন রাসূলান"
অর্থাৎ,আমি আল্লাহকে রব্ব, ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মদ (সাঃ)-কে রসূল হিসেবে সন্তুষ্টচিত্তে মেনে নিয়েছি, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে।
[আবু দাউদ: ১৫২৯]
#দোয়া
"আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকাল হুদা ওয়াততুক্বা,ওয়াল আফা-ফা ওয়ালগিনা"
অর্থ:হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকটে সৎপথ, সংযমশীলতা, চারিত্রিক পবিত্রতা ও অভাবশূন্যতা প্রার্থনা করছি।
[তিরমিজি ৩৪৮৯/মুসলিম ৭০৭৯]
👉 অধিকহারে দুরুদ পড়ুনঃ
দরুদ শরীফ ১০ বার,ফজর ও মাগরিবের পর। কেয়ামতের দিন রাসূল (সা:) এর শাফা'আত লাভ করবে।
আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাযি.) থেকে বর্ণিত, রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, من نسي الصلاة عليّ خطئ طريق الجنة “যে ব্যক্তি আমার উপর দুরুদ ভুলে গেল, সে জান্নাত ভুলে গেল। (ইবনু মাজাহ হা/৯০৮)
👉 সূরা ইখলাস, ফালাক্ব ও সূরা নাস ফজর ও মাগরিবের পর ৩বার করে।
রাসূল (সা.) বলেন, সকাল-সন্ধ্যায় এগুলো পাঠ করলে তোমার আর কিছুরই দরকার হবে না,যাবতীয় অনিষ্ট থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।
[আবু দাউদ:৫০৮২]
👉 ফজর ও মাগরিবের পর ৭ বার পড়বে -
- ﺃﻟﻠﻬﻢ ﺃﺟﺮﻧﻲ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺭ
উচ্চারনঃ আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।
অর্থঃ “হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দাও”
ফজর ও মাগরিব শেষে কেও তা বলার পর ঐ দিন মারা গেলে তার জন্য জাহান্নাম হতে মুক্তি লেখা হবে।
[সুনানে আবু দাউদ ৫০৭৯]
ফুটনোটঃ
[৫০৭৭] আহমাদ, ইবনু হিব্বান।
👉 সাইয়েদুল ইস্তেগফার/সর্বশ্রেষ্ঠ ইস্তেগফার/ক্ষমা প্রার্থনার শ্রেষ্ঠ দোয়া
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲ ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ ﺃَﻋُﻮﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ ﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻭَﺃَﺑُﻮﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻟَﺎ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ
♦️উচ্চারণঃ
আল্লহুম্মা আংতা রব্বী, লা-ইলাহা ইল্লা আংতা খলাক্কতানী, ওয়া আনা আ’বদুকা ওয়া আনা আ’লা আহদিকা ওয়া ওয়া'দিকা মাসতাত্ব'তু,, আ’উযু বিকা মিং শাররি মা- ছনা'তু, আবূউ লাকা বিনি’মাতিকা আ’লাইয়্যা, ওয়া আবূউ লাকা বিযামবী। ফাগফিরলি ফা-ইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা- আংতা।
♦️অনুবাদঃ
হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।
♦️ ফযিলতঃ
পূর্ন বিশ্বাসের সাথে কেও এই দোয়া সকালে পড়ে রাতের আগে মারা গেলে অথবা রাতে পড়ে সকালের আগে মারা গেলে সে জান্নাতে যাবে।
[বুখারী-৬৩০৬]
(বুখারী ৫/২৩২৩,নং ৫৯৪৭)
👉 ফজর ও মাগরিব নামাজের পর সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠ করুন।
যে ব্যক্তি সকালে তিনবার আ‘ঊযুবিল্লাহিস সামী‘ইল ‘আলীমি মিনাশ শাইত্বানির রজীম, পাঠ করার পর সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পাঠ করবে তার জন্য সন্ধ্যা পর্যন্ত ৭০ হাজার ফেরেশতা গুনাহ মাফের/রহমতের দু‘আ করবে। আবার সন্ধ্যায় পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত ৭০ হাজার ফেরেশতা গুনাহ মাফের দু‘আ করবে এবং সে ঐ দিন মারা গেলে শাহাদাতের মর্যাদা লাভ করবে।
(তিরমিজিঃ২৯২২)
আলহামদুলিল্লাহ আমি সবমসময় এ আমলগুলো করার চেষ্টা করি,আপনিও চেষ্টা করেন অভ্যাস হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
"আল্লাহ আমাদের সবাইকে উপরোক্ত আমলগুলো করার তাওফিক দান করুক,আমিন!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1209
