Blue Sky

Blue Sky

Share

Stars can't shine without darkness

19/11/2025

বুঝতে পেরেছেন কিছু 🙂

15/11/2025

☺️☺️

11/11/2025

দুই বছর বয়সী জীবন্ত মেয়ের জন্য কবর খুঁড়েছিলেন চীনা বাবা... এরপর?

২০১৭ সালে চীনের সিচুয়ান প্রদেশের এক প্রত্যন্ত গ্রামের বাসিন্দা ঝাং লিয়ং জানতে পারেন, তার দুই বছর বয়সী মেয়ে গুরুতর থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত। মেয়েটির জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন ছিল স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্ট, যার খরচ প্রায় দশ লক্ষ ইউয়ান (প্রায় পৌনে ২ কোটি টাকা)।

ঝাং লিয়ং ও তার স্ত্রী পরিবারের সমস্ত সঞ্চয় খরচ করে ফেলেন, তবুও চিকিৎসার ব্যয় বহন করার মতো সামর্থ্য তাদের ছিল না। হতাশায় ভেঙে পড়ে ঝাং লিয়ং নিজের হাতে মেয়ের জন্য একটি কবর খুঁড়েছিলেন। তার কথা ছিল, “যদি একদিন আমার মেয়ে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়, তবে মৃত্যুর সঙ্গে যেন তার পরিচয়টা আগেভাগেই হয়ে যায়।”

তিনি প্রতিদিন সেই কবরের পাশে মেয়েকে নিয়ে সময় কাটাতেন; খেলতেন, গল্প করতেন, এমনকি সেখানে ঘুমাতেনও।

একদিন সেই দৃশ্যের ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। লাখো মানুষ তা দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠে। চীনের ক্রাউডফান্ডিং প্ল্যাটফর্মগুলো এক মাসেরও কম সময়ে চিকিৎসার পুরো খরচ তুলে দেয়।

ডাক্তারদের পরামর্শে ঝাং লিয়ং দম্পতি পরে আরেকটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। সেই ছোট বোনের কর্ড ব্লাড দিয়েই বড় বোনের জীবন রক্ষা করা হয়। পরবর্তীতে এক ব্যবসায়ী তাদের সব চিকিৎসা-পরবর্তী খরচও বহন করেন।

অবশেষে বড় মেয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরে। ঝাং লিয়ং তখন মেয়ের জন্য খোঁড়া সেই কবরটিতে মাটি ভরাট করে দেন, আর তাতে সূর্যমুখীর বীজ ছিটিয়ে দেন।

Copy

08/11/2025

tag your bestie 😂😂😂

04/11/2025

😂😂

゚viralシ

03/11/2025

Girls weakness 🥰🥰

゚ ゚viralシ

02/11/2025

‼️বিবেক কোথায় আমাদের?‼️

একটা ৫ বছরের শিশু।
নাম বলবো না, ছবিটাই সাক্ষী হয়ে থাকুক।

একটি বিয়ের দাওয়াতে গিয়েছিল বাবা-মায়ের সাথে।
চেয়ারের জন্য জায়গা না পেয়ে, এক ‘ভদ্রলোক’ পেছনের একটা চেয়ার ধরে টেনে এনে বসে পড়েন।
চেয়ারের এক পা পড়ে যায় এই নিষ্পাপ শিশুটির পায়ের উপর।

বাচ্চা কান্না করেছে, ব্যথা পেয়েছে — কিন্তু সবাই তখন ব্যস্ত খাওয়াতে, ছবি তুলতে, অনুষ্ঠানে!

৩ মাস পেরিয়ে গেছে আজ।
পায়ের এক কোণে ফুলে উঠেছে চাকা।সারকোমা নামক টিউমার হয়ে গেছে..
সে এখন ঠিকমতো হাঁটতে পারে না।
খাওয়ার চেয়ে কান্না বেশি, হাসির চেয়ে যন্ত্রণাই তার বেশি সঙ্গী।

আমি যখন প্রথম দেখি, বুকটা মোচড়ে ওঠে।

একটা দুর্ঘটনা হয়ে গেলে সেটা অনিচ্ছাকৃত হলেও, তার দায় কি আমাদের নয়?

অভিভাবকদের বলছি —
অনুষ্ঠানে গেলে শিশুদের দিকে খেয়াল রাখুন।
শিশুরা খেলবে, দৌড়াবে, কিন্তু আমরাই তো তাদের নিরাপত্তার রক্ষক!

আর যারা ‘ভদ্র’ হয়ে হুট করে বসে পড়েন, বিন্দু পরিমাণ বিবেক কি অবশিষ্ট আছে?

নিজে বসার আগে একবারও তাকিয়ে দেখলেন না কাকে চাপা পড়ছে?
আর এখন সে শিশু তীব্র ব্যথা নিয়ে কাটাচ্ছে প্রতিটি দিন।

এই সমাজে আমরা সবাই দোষী যদি আমরা নিরব থাকি।

ঘটনা ছোট মনে হলেও প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী।
আজ শিশুটির হাঁটার ভবিষ্যত অনিশ্চিত।

একটু সচেতনতা, একটুখানি দায়িত্ববোধ — এতটুকু কি আমরা করতে পারি না?

সচেতন হোন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলুন।
শিশুর নিরাপত্তা সবার আগে।

~Dr-Abdur Rahman

Copy

02/11/2025

একটা পেইজে দেখলাম এই ছোট গাড়ী টা
নিয়ে ফানি মিউজিক দিয়ে মজা নিচ্ছে।
ভাই এই খানে মজা নেয়ার কি আছে!!!
উনি উনার সামর্থ অনুযায়ী গাড়ী টা কিনছে

01/11/2025

😂😂

31/10/2025

😑😑

31/10/2025

অনেক মায়ের সন্তানেরা পচে মরতেছে।

゚ ゚viralシ

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Dhaka