Sadinoliornob

Sadinoliornob

Share

Follow & like - সবার ভালোবাসা নিয়ে বেচে থাকতে চাই

Shadhin Shah Mohammad Kamruzzaman 05/12/2024

https://www.youtube.com/

Shadhin Shah Mohammad Kamruzzaman Subscribe Please & দেখার অনুরোধ রইল (ফ্যামিলি)

Photos from Sadinoliornob's post 13/06/2021
26/06/2020

১. সন্তানের জন্য মায়ের আপত্য স্নেহের কথা বলে কি আর শেষ করা যাবে ? যাবে না ! আর এই মাকে নিয়ে যদি আবার যাওয়া যায় মায়ের মায়ের বাড়ি, মানে কোন সন্তানের নানীরবাড়ি, তাহলে যে কি অবস্থা হয় তা তো সকলের নিকট অনুমেয় !

মায়ের একান্ত নিজস্ব ভাই-বোন আর তাঁর মায়ের কাছে তাঁর সন্তানের যে কি আদর-আবদার তা তো আর বলে শেষ করা যায় না !

মা, মায়ের মা মানে কারো নানী, এনারা কেউ তাঁর সন্তানের অথবা তাঁর নাতি-নাতনীর খারাপ কখনোই চান না বরঞ্চ উত্তরোত্তর তাদের মঙ্গলকামনায় তাঁদের মন-মানসিকতা, অন্তর সর্বদাই সেই সন্তান অথবা সেই নাতি অথবা নাতনীর জন্য থাকে আবেগ-আপ্লুত ; কিভাবে তাঁরা কখনো তার বা তাদের অমঙ্গল কামনা করবে ? তা কি কখনো হয় না হতে পারে, আর না হওয়া সম্ভব আপনারাই বলেন !

সেটা যেমন সম্ভব না তেমনি মহান রব্বুল আলামীন, যিনি নতুন মানুষদের এ দুনিয়ায় আগমনের জন্য একটি করে নতুন সংসারের গোড়াপত্তন করে, মায়া আর মমতায় একটি করে নতুন ঘর সৃজন করে তবেই তাদের আগমনকে এ দুনিয়ায় রীতি বানিয়েছেন আর প্রতিজন বাবা মা কে বাবা-মা বানানোর পূর্বে যিনি তাঁদের প্রতিজনকে বাবামায়ের আপত্য স্নেহে পুরো অবগাহন করিয়ে প্রতিপালন করিয়েছেন তাঁদের যার যার শৈশব, কৈশোর আর যৌবনে আর বয়স কালে তাঁরা যখন বাবা-মা হিসেবে আবির্ভূত হন তাঁদের যার যার জীবনের ব্যক্তিগত বাস্তবতায়, তখন তিনি আরও কিছু গুনা-গুন যেগুলো মানব সন্তানের বাবা-মা হবার জন্য জরুরী সেগুলোও তাঁদের অন্তরে প্রদান করে তাঁদের বাবা-মা হয়ে উঠতে সাহায্য করেন, তিনি কি ভাবে কোন মানব সন্তানের খারাপ চাইতে পারেন ? !

২. এর আগেও পরিবার কেন্দ্রিক বিভিন্ন আলোচনায় আমরা দেখানোর চেষ্টা করেছি যে একমাত্র পরিবার প্রথার মধ্য দিয়েই প্রতিজন ব্যক্তি মানুষের বিভিন্ন প্রকারের হকের সংরক্ষণ পরিপূর্ণরূপে হওয়া সম্ভব নানা প্রকার সম্পর্কের হাত ধরে ; আর তাই ইসলাম সকলকে যার যার বংশ পরম্পরায় পারিবারিক সম্পর্কের হকগুলো আদায়ের জন্য এত বেশি তাকীদ দিয়েছে !

৩. কোনও সন্তান যদি এমন হয় যে অন্যদের সাথে সর্বদা ঝগড়া ঝাটিতে লিপ্ত থাকে, অন্যের হকের ব্যাপারে খেয়াল রাখে না, ছোটদের স্নেহ করে না,বড়দেরও ঠিক মত মানে না বা শ্রদ্ধা সম্মান ঠিক মত করতে চায় না তবে এমন বাচ্চাদের নানীবাড়ির আত্মীয়-স্বজনও কিন্ত ঠিক ভালো চোখে দেখবে না বা তার সংশোধনের চেষ্টা অবশ্যই করবে !

আল্লাহ্ পাকের শত্রু হবার যোগ্যতা অথবা সক্ষমতা কারোরই নেই কিন্তু যখন কেউ বা কোনও ব্যক্তি আল্লাহ্ পাকের সিস্টেমের বাইরে গিয়ে কোন কিছু করে বা করেই যায় দিনের পর দিন তখন সে আসলে সমাজের অন্যান্য মানুষদেরও দাওয়াত দেয়, somehow invite করে to be like him or her ! তাকে দেখে হয়তো অনেকে inspire হয়, তখন তার মতো অথবা একেবারে তার মতো না হলেও সীমালংঘন করে কিছু করার কথা অন্য আরও অনেকের মাথায় হয়তো আসে অথবা আসবে, হয়তো অনেকে সীমালংঘন করে অনেক কিছু করেও বসবে ; এভাবেই একদিন প্রোপার যে সিস্টেমটি ছিল তা ধীরে ধীরে নষ্ট হবে বা নষ্ট হতে শুরু করে !

কোন সিস্টেম যার বা যাদের মাধ্যমে নষ্ট হয় তাকে বা তাদের সেই সিস্টেমের জন্য শত্রুরূপে বিবেচনা করা হয়, এটাই স্বতঃসিদ্ধ ! তো এ ভাবেই কিছু মানুষ এ দুনিয়াতে আল্লাহ্ পাকের সিস্টেমের শত্রুরূপে আবির্ভূত হয়ে সমাজে ও পরিবার গুলো তে কাজ করতে থাকে তাঁর সিস্টেমের বিপরীতে !

এভাবেই কিছু মানুষ আল্লাহ্ পাকের সিস্টেমের শত্রু হিসেবে সমাজে আবির্ভূত হয়ে তাঁর মহান যে সিস্টেম ছিল তার বিপরীতে কাজ করতে থাকে আর তার ফলশ্রুতিতে আল্লাহ্ রব্বুল আলামীনের প্রোপার যে সিস্টেমটি ছিলো সমাজে মানুষের জন্য তা ধীরে ধীরে নষ্ট হতে শুরু করে !

৪. আমাদের প্রিয়জন কেউ যখন এ দুনিয়া ছেড়ে চলে যায় কেবল তখনই আমরা অতীব তীব্রভাবে অনুভব করি যে তিনি যদি জান্নতবাসী না হন তাহলে কি কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন-ই না তিনি হবেন ; তাই তখন মহান রব্বুল আলামীন আল্লাহ্ পাক যিনি রহমানুর রাহীম, গফুরুর রাহীম তাঁর নিকট আমার বা আমাদের সেই প্রিয়জনের জন্য জান্নাত কামনা করা ছাড়া আমাদের কারোরই আর কোনও গত্যন্তর থাকে না !

মহান আল্লাহ্ রব্বুল আলামীন রহমানুর রাহীম, গফুরুর রহীম ! অবশ্য-ই তাঁর নিকট আমরা আমাদের ও আমাদের আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধবের জন্য গুনা মাফের আশা করতে পারি কিন্তু এ দুনিয়ার জমীনে যখন আমরা বিচরণশীল থাকি তখন যখন আমাদের কাজকর্ম গুলো মহান আল্লাহ্ রব্বুল আলামীনের মর্জি মাফিক হয় না তখন আমরা ক'জন আমাদের নিজেদের এ ধরনের কাজ কর্মের জন্য regret feel করি আর আমাদের আত্মীয় স্বজন, বন্ধু-বান্ধবদের প্রত্যেককে ক'জন আমরা আসলে বলি যে তাদেরও এ ধরনের কাজ কর্মের জন্যে regret feel করে আল্লাহ্ পাকের কাছে মাফ চাওয়া উচিৎ ? !

৫. আমরা বলিই না, একদম-ই !

কিন্তু আমাদের বলতে হবে ! জোরের সাথেই বলতে হবে ! তা না হলে আমাদের দায়িত্বের যে হক তা যেমন আমাদের দ্বারা আদায় হবে না তেমনি তাদের অনেককেও আমরা আল্লাহ্ পাকের সিস্টেমের শত্রু বনে যাওয়া থেকে বাঁচাতে পারবো না !

আল্লাহ্ পাক আমাদের সকলকে সে তৌফিক দান করুন, আমীন !

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Dhaka